Boost shop

Boost shop আমরা USD ডলার দিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকি।
☎️যোগাযোগঃ 01611948029 ( WhatsApp )

বু-স্ট করুন সেল বা-ড়ান।পেজে অনেক বেশি ভিজিটর আসবে যা আপনার সেল বৃদ্ধি করবে।সঠিক ভাবে বু-স্টিং আপনার পেইজের মান আরো উন্নত...
19/07/2022

বু-স্ট করুন সেল বা-ড়ান।
পেজে অনেক বেশি ভিজিটর আসবে যা আপনার সেল বৃদ্ধি করবে।
সঠিক ভাবে বু-স্টিং আপনার পেইজের মান আরো উন্নত করবে।
পেজের মাধ্যমে কোন পূন্য সেল করতে চাইলে সেটার সেল বেড়ে যাবে।
আরো নতুন নতুন কাস্টমার পাবেন।
আপনার বিজ্ঞা-পনটি সঠিক ভাবে কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।
আমরা ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত যেকোনো ধরনের পেইজের কাজ করে থাকি।

আপনার এড বু-স্টিং এর দ্বায়িত্ব নিবে আমাদের এড এক্সপার্টরা।
দেরি না করে এখনি যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

ফোনঃ 0161194-8029

বু,স্ট করুন, সেল বা,ড়ান 📈 প্রো'মোট করুন রি'য়েল বাংলাদেশি লাই-ক বাড়ান ডিজি'টাল মা,র্কে,টিং এ,জে'ন্সির মাধ্যমে আপনার ব্য...
15/07/2022

বু,স্ট করুন, সেল বা,ড়ান 📈
প্রো'মোট করুন রি'য়েল বাংলাদেশি লাই-ক বাড়ান
ডিজি'টাল মা,র্কে,টিং এ,জে'ন্সির মাধ্যমে আপনার ব্যবসাকে করুন আরও প্রসারিত।
☎️ যোগাযোগঃ 01611948029
✅সঠিক প্রচার,ণার মাধ্যমেই সেল বাড়ে, আর সেই প্রচারণার দায়িত্বটা যদি পরে এক্সপার্ট মা,র্কেটার এর হাতে তাহলে তো আর কথাই নেই।
✅ আপনার বিজ্ঞা'পন,টি সঠিক কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।
✅ আমরা ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত যেকোনো ধরনের পেই,জের কাজ করে থাকি।
✅ বিঃদ্রঃ আপনাকে আগে টাকা পেমেন্ট করতে হবেনা।
আপনার বিজ্ঞা'পন Active হওয়ার পরে আপনাকে Screenshot দেওয়া হবে।
তারপর আপনি Confirm হয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে দিবেন।
✅ বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন অথবা সরাসরি কল করুন।
☎️ মোবাইলঃ 01611948029 (WhatsApp)

সেল পাওয়ার জন্য কেমন কন্টেন্ট প্রয়োজনবলাযায় কনটেন্ট-ই-মূলধন। শুধু বুষ্ট করলেই হবে না, সেল পাওয়ার জন্য সবার আগে মানুষের স...
11/07/2022

সেল পাওয়ার জন্য কেমন কন্টেন্ট প্রয়োজন
বলাযায় কনটেন্ট-ই-মূলধন।
শুধু বুষ্ট করলেই হবে না, সেল পাওয়ার জন্য সবার আগে মানুষের সাইকোলজি বুঝতে হবে।
যখন আমরা পোস্টের জন্য কন্টেন্ট লিখছি তখন কিছু ব্যাপার খেয়াল রাখা উচিত। প্রায় সকল মানুষই বানিজ্যিক আচরন অপছন্দ করে, যেমন কারো সাথে দেখা হলেই আপনি যদি পন্যের বিষয়ে গুনগান করতে থাকেন, আপনার পন্য "এই ভালো, সেই ভালো, পন্যের এই সুভিদা, সেই সুভিদা" ইত্যাদি।

তাহলে দেখবেন কেহই আপনার কথা শুনতে মনোযোগি হবে না (আশে পাশের কারো সাথে ট্রাই করে দেখুন)।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পন্যের ঘুনগান করলে লোকেরা মনে মনে ভাবে "গোয়ালের দুধ গোয়াল কখনো খারাফ বলে না"
তাই আপনার উচিৎ এমন ভাবে উপস্থাপন করা যেন লোকেরা পড়তে ও শুনতে মনোযোগী হয়।

1️⃣ যখন আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের জন্য কন্টেন্ট লিখছেন খেয়াল করুন যেন অনেক বেশি কম্পিটিটিভ ওয়ার্ড চলে না আসে। "ডিস্কাউন্ট" "অফার" "ছাড়" ইত্যাদিসহ আরো অনেক শব্দ।

এরকম কমন ওয়ার্ড ব্যবহার করলে আপনার কন্টেন্ট যেমন অনেক বেশি প্রতিযোগিতায় ঢুকে যাচ্ছে আবার ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হবার কারনে এরকম "সেল" "বিজনেস" সম্পর্কিত বিভিন্ন শব্দের কারনে ফেসবুক অনেক পোস্ট অপ্টিমাইজ ই করে না, এবং রিচ ডাউন হয়।

2️⃣ সেল পোস্ট লিখুন গল্প বলার মাধ্যমে, নিজের সফলতা বলার মাধ্যমে, নিজের দক্ষতা প্রকাশ করে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেন, দেখবেন পেইজে এনগেজমেন্ট বাড়বে। আর এনগেজমেন্ট বাড়লে সেল বাড়তে বাধ্য।

3️⃣ কপি কন্টেন্ট এবং কপি ইমেজ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি যে ছবি বা কন্টেন্ট অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে দিয়েছেন সেই ছবি বা কন্টেন্ট অডিয়েন্সদের ও পরিচিত তাই চোখে পড়া মাত্রই স্ক্রোল করে চলে যাবে, তখন সেই পোষ্ট থেকে আপনার সেল না আসার সম্ভাবনা-ই বেশি।

4️⃣ প্রতিটি পোষ্টে একই কন্টেন্ট দেয়া থেকে বিরত থাকুন, চেষ্টা করুন প্রতিটি পোষ্টের জন্য নতুন ভাবে লিখতে। এতে করে অডিয়েন্স নতুন কিছু দেখলে এংগেজ করবেই।

5️⃣ কন্টেন্টে হাবিজাবি না লিখে শুধু মাত্র মুল মেসেজ লিখুন, এমন বিষয় লিখুন যে বিষয়ে কাষ্টমারের মনে প্রশ্ন জাগবে। কন্টেন্টে যখন প্রশ্নের উত্তর থাকবে তখন এলোমেলো মেসেজ আসা বন্ধ হবে, প্রটেনশিয়াল কাষ্টমারগন এংগেজে আসবে।

6️⃣ মনে রাখবেন ফেইচবুকটা আপনার দোকান নয়; লোকেরাও কাষ্টমার হয়ে পন্য কেনার উদ্দেশ্যে আসে নাই, লোকেরা সোস্যাল মিডিয়ায় আসে এন্টারটেইমেন্ট এর উদ্দেশ্যে, সুতারং এখানে সেল করতে হবে গল্পের ফাঁকে ফাঁকে পন্যের উপকারিতা উপস্থাপন করার মাধ্যমে।

নরমাল পোষ্ট হউক কিংবা বুষ্টের উদ্দেশ্যে পোষ্ট হউক, উপরের প্রতিটা লাইন কাজে লাগবেন তবেই নরমালের চেয়ে কিছুটা বেশি সেল পাবেন।

আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় রইলাম।



ধন্যবাদ

আজকের আলোচনার বিষয় বিজনেস পেইজটি কিভাবে প্রফেশনাল সাঝাবেন।➡️ চলুন জেনে নেই ফেইসবুকের নতুন আপডেট অনুযায়ী আপনার ফেইসবুক বি...
11/07/2022

আজকের আলোচনার বিষয় বিজনেস পেইজটি কিভাবে প্রফেশনাল সাঝাবেন।

➡️ চলুন জেনে নেই ফেইসবুকের নতুন আপডেট অনুযায়ী আপনার ফেইসবুক বিজনেস পেইজটি কিভাবে প্রফেশনালি সাজানো উচিতঃ

কঠিন বাস্তবতা হলো প্রতিবছর যে পরিমাণ উদ্যোক্তা অনলাইন বিজনেস শুরু করেন তার ১০০ ভাগের ৯০ ভাগই প্রথম বছরের মধ্যেই ঝরে পড়ে।
একটা আশার কথা হলো আমাদের দেশে প্রতিনিয়তই ফেইসবুক ভিত্তিক অনলাইন বিজনেসের সংখ্যা বেড়ে চলেছে,
কিন্তু বেড়ে চলার মাঝে টিকে থাকার চেয়ে বর্তমানে এই ঝরে পড়ার প্রধান কারণটাই বলা যায় সঠিক পরিকল্পনা এবং জ্ঞানের অভাব। এই সেক্টরে এখন প্রচুর প্রতিযোগীতা বেড়েছে এখন আর আগের মতো কোনোভাবে শুরু করেই সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বর্তমানে ফেইসবুকের তথ্যমতে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ্য মানুষ অনলাইন বিজনেসের সাথে জড়িত। একটা সময় ছিলো ২০১৫ -১৬ সালের দিকে যখন খুব কম পরিমাণ মানুষ অনলাইন বিজনেস করতো সংখ্যাটা হাজার ত্রিশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো কিন্তু এখন ২০২১ সাল প্রায় শেষ, বর্তমানে একটা বিশাল সংখ্যা ফেইচবুক বিজনেসে এগিয়ে আসছে, এই সংখ্যার একটা সহজ স্বাভাবিক মানে হলো এই সেক্টরে এখন বেশ ভালো ধরণের প্রতিযোগীতা রয়েছে।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন সেলার বেড়েছেতো কী হয়েছে ক্রেতার সংখ্যাওতো বাড়ছে নিয়মিত, প্রচুর পরিমাণে মানুষ এখন অনলাইনে কেনাকাটা করছে এবং দিন দিন এর সংখ্যা বাড়ছে, তাহলে সমস্যাটা কোথায়⁉️

➡️ চলুন ছোট করে জেনে নেই প্রফেশনাল পেইজ সেটআপের প্রয়োজনীয়তা কোথায়-

আপনাকে যদি কখনো কোনো অচেনা জায়গায় ৩ টা রেস্টুরেন্টের মধ্য থেকে খাবার গ্রহণের জন্য যেকোনো একটাকে বেছে নিতে বলা হয়, যেগুলোর একটারও খাবারের মান আপনার জানা নেই তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি সেটাই বেছে নিবেন যেটার ডেকোরেশন সবচেয়ে বেশি রুচিশীল এবং সুন্দর।

আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়েই বিজনেস করেননা কেন সে প্রোডাক্ট নিয়ে আপনি ছাড়াও আরো অনেকে বিজনেস করছে তারা হয়তো বেশ আগে থেকেই শুরু করেছে তাদের মানুষ চেনে, তাহলে মানুষ কেন তাদের রেখে আপনার কাছ থেকে ক্রয় করবে?

যদি আপনি আপনার বিজনেস এর প্রতি যথেষ্ট প্রফেশনাল না হন। আর যেহেতু ফেইসবুক ভিত্তিক বিজনেস করছেন সেহেতু আপনার ফেইসবুক বিজনেস পেইজ দেখে যদি যথেষ্ট প্রফেশনাল মনে না হয়, সেক্ষেত্রে ক্রেতারা আপনাকে রেখে আপনার প্রতিযোগীর কাছ থেকে পন্য ক্রয় করবে এটাইতো স্বাভাবিক।

আর নতুন ক্রেতারাও ঠিক এভাবেই আপনার ফেইসবুক বিজনেস পেইজটার আউটলুক কতটা প্রফেশনাল তার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয় আপনার থেকে ক্রয় করবে কী করবেনা, কারন সে আপনার পন্যের মান সম্পর্কে জানেনা।

তাছাড়া অনলাইনেতো নিয়মিতই প্রতারণার হার বাড়ছে, তাই ক্রেতারা অনেক ক্ষেত্রেই নতুন বিজনেস থেকে অর্ডার করার ক্ষেত্রে আস্থা রাখতে পারেনা যদিনা তাদের কাছে আপনার বিজনেস পেইজের আউটলুক যথেষ্ট প্রফেশনাল না মনে হয়। ‼️

আপনার প্রোডাক্ট সেল করার জন্য যখন বুস্ট করেন, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্রেতারা অর্ডার করার পূর্বে আপনার পেইজে প্রবেশ করে এবং দেখে তা কতটা প্রফেশনাল, আর এক্ষেত্রে সামান্য ঘাটতিও আপনার ক্রেতা হারানোর কারণ হতে পারে, কারণ কেউই চাইনা প্রতারণার শিকার হতে। তাই নতুন ক্রেতার আস্থা অর্জন এবং চরম প্রতিযোগীতাপূর্ণ এই মার্কেটে সফল্ভাবে টিকে থাকতে আপনার প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত আপনার ফেইসবুক বিজনেস পেইজটিকে প্রফেশনালি সাজিয়ে নেয়া। ↩️

➡️ কখন একজন নতুন ক্রেতা আপনাকে প্রতারক মনে করবে না☑️
ফেইসবুক বিজনেস পেইজের আউটলুককে প্রফেশনাল করার জন্য এর প্রত্যেকটা অপশন এবং ফিচারের দিকে নজর দেয়া উচিত নিচে একে একে সবগুলোই আলোচনা করা হলো।
1️⃣ পেইজ নেম/ ব্র্যান্ড নেমঃ
আপনি যদি এখনো বিজনেস শুরু না করে থাকেন অর্থাৎ শুরু করার কথা ভাবছেন তাহলে আপনার উচিত আপনার বিজনেসের জন্য একটা প্রফেশনাল নেম সিলেক্ট করা। আর যারা ইতিমধ্যে শুরু করেছেন বা মাত্র অল্পকিছুদিন হয়েছে শুরু করেছেন তারাও একটু এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করুন যে আপনার নামটা আসলেই প্রফেশনাল কীনা। তো আসুন সংক্ষেপে জেনে নেয়া যাক একটা প্রফেশনাল নেম কীভাবে সিলেক্ট করতে পারেন সে বিষয়টা।
➡️ এমন নেম সিলেক্ট করুন যেটার বানান এবং উচ্চারণ সহজ।
➡️ অনন্য একটি নেম সিলেক্ট করুন যেন অন্য কারো সঙ্গে মিলে না যায়।
➡️ এমন নেম সিলেক্ট করুন যেটার ডোমেইন এভেইলএবল রয়েছে।
আসলে দিনশেষে আপনার বিজনেসের নেমটাই সবজায়গায় আপনার বিজনেসকে রিপ্রেজেন্ট করবে এবং ব্র্যান্ডিং এর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে তাই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করুণ প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিন।

2️⃣ প্রফেশনাল কভার ফটোঃ
আপনার ফেইসবুক পেইজে যদি কেউ প্রবেশ করে তাহলে প্রথমেই যেটা দেখতে পাবে সেটা হলো পেইজের কভার ফটো। এই কভার ফটোই ক্রেতাদের একটা সূক্ষ মেসেজ দেয় সেটা হলো এই বিজনেস পেইজটা কতটা প্রফেশনাল। বলতে গেলে এই কভার ফটোই নতুন ক্রেতার মনে আপনার বিজনেস সম্পর্কে ফার্স্ট ইম্প্রেশন তৈরি করে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আমাদের বেশিরভাগ উদ্যোক্তার পেইজেই দেখা যায়, হয় কোন জায়গা থেকে একটা ছবি ডাউনলোড করে এনে দিয়ে দিয়েছে অথবা নিজেরই কোনো একটা প্রোডাক্টের ছবি কভার ফটোতে দিয়ে রেখেছে যেটা সাইজ অপ্টিমাইজড না হওয়ার কারণে কেটে গিয়েছে। কিন্তু কভার ফটো হওয়া উচিত এমন যেটা কোনো একটা মেসেজ বহন করবে আপনার পেইজ সম্পর্কে এবং কভার ফটো হবে সাইজ অপটিমাইজড যা মোবাইল এবং কম্পিউটার কোথাও এমনভাবে কেটে যাবেনা যেটা দেখতে খারাপ দেখায়।
আর ক্রেতা যেহেতু পেইজে ঢুকেই প্রথমে কভার ফটোটা দেখতে পায় তাই তার ইম্প্রেশন যেন নষ্ট নাহয় এজন্য প্রফেশনাল কভার ফটো ডিজাইন করে নিন, এক্ষেত্রে নিজে না পারলে প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিন এ ব্যাপারে।

3️⃣ প্রফেশনাল লোগোঃ
সম্ভাব্য ক্রেতারা যখন কোন কিছু অর্ডারের জন্য আপনার পেইজে প্রবেশ করবে তখন প্রথম দিকেই তাদের চোখে আপনার লোগো পড়বে, কারোন পেইজের প্রোফাইল ফটো এর জায়গায় বিজনেসের লোগো ব্যবহার করা উচিত।
কিন্তু অনেককেই দেখা যায় পেইজের প্রোফাইল ফটো এর জায়গায় লোগো না দিয়ে কোনো একটি ছবি দিয়ে রেখেছেন যেটা খুবই আনপ্রফেশনাল। আবার অনেকে লোগো ইউজ করলেও দেখা যায় সেটা খুবই ঝাপসা অথবা অনলাইনের কোনো জায়গা থেকে ডাউনলোড করা এবং এই ধরণের লোগো ক্রেতাদের মনে আপনার বিজনেস সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি করে দেয় ।
তাই অন্তত ক্রেতা হারাতে না চাইলে নিজের বিজনেসের জন্য একটি প্রফেশনাল লোগো ডিজাইন করে নিন, প্রয়োজনে এই ব্যাপারে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিন।

4️⃣ পেইজ ইনফো সেকশন ফিলআপঃ
পেইজ ইনফো সেকশনে ফেইসবুক মূলত আপনার পেইজ সম্পর্কে বেশকিছু তথ্য নেয়, যেগুলো ফেইসবুক নরমাল ইউজারদের শো করে যারাই পেইজ ভিজিট করে তাদের সবাইকে এই তথ্য দেখানো হয়। তো নিচে এবার আলোচনা করা হলো এই সেকশনে কোন কোন তথ্যগুলো দিতে হবে, তবে এই সেকশনের তথ্যগুলো পূরণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছুটা কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করে করা উচিত, কারণ এখানে দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে ফেইসবুক নরমাল ইউজারদের সাজেস্ট করে। তাই অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিয়ে পেইজ ইনফো সেকশনের নিচের ফিল্ডগুলো ফিলআপ করে নিন।

ক। ইউজার নেম
খ। পেইজ ক্যাটাগরি
গ। শর্ট ডেসক্রিপশন
ঘ। এডিশনাল ইনফর্মেশন
ঙ। প্রোডাক্টসঃ
চ। অন্যান্য তথ্যসমূহঃ উপরের তথ্যগুলো ছাড়াও পেইজ ইনফো সেকশনে আরো বেশ কিছু তথ্য যেমন ফোন নাম্বার, ই-মেইল, ওয়েব সাইট, লোকেশন, প্রাইস রেঞ্জ এসব তথ্য দেয়ার সুযোগ রয়েছে।
[বিঃদ্রঃ আগে এটি স্টোরি নামক সেকশনে লিখা হতো কিন্তু বর্তমানে ফেইসবুকের নতুন আপডেটে ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে আর স্টোরি সেকশনটি থাকবেনা, তাই নতুন তা এডিশনাল ইনফর্মেশন সেকশনে লিখতে হবে।]

5️⃣ অ্যাপ্রোপ্রিয়াট ট্যামপ্লেট সিলেকশনঃ
ফেইসবুক বিভিন্ন ধরণের অর্গানাইজেশন বা বিজনেসের জন্য বিভিন্ন ধরণের পেইজ ট্যামপ্লেট ইউজ করার সুবিধা রেখেছে। যেমন আপনি যদি ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট সেল করে থাকেন তাহলে আপনি শপিং ট্যমপ্লেট সিলেক্ট করে দিতে পারেন আবার আপনি সার্ভিস সেল করে থাকলে সার্ভিস ট্যামপ্লেট সিলেক্ট করে দিতে পারেন, তাই আপনি আপনার বিজনেসের সাথে রিলেটেড ট্যামপ্লেটটি সিলেক্ট করে দিন।

6️⃣ ট্যাব ডেকোরেশনঃ
আপনি যে ট্যামপ্লেটই সিলেক্ট করেননা কেন আপনি বেশ কিছু ট্যাব পাবেন, যেমনঃ শপ, ফটোজ, ভিডিওজ, লাইভ, রিভিউজ, এবাউট ইত্যাদি। এগুলোর সিরিয়ালকে চাইলেই আগে পরে করা যায়, আপনি আপনার প্রয়জনমতো ট্যাবকে আগে দিয়ে দিন। যেমনঃ আপনি যদি কাস্টমারের রিভিউকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন এবং আগে শো করতে চান সেক্ষেত্রে এই ট্যাবটাকে আগে দিয়ে রাখুন।

7️⃣ শপ সেটআপঃ
ফেইসবুক পেইজের অন্যতম সুবিধাজনক একটি ফিচার হলো শপ। এর মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোডাক্টগুলোকে ক্যাটাগরি অনুসারে সুবিন্যস্তভাবে ছবি, নাম, মূল্য এবং বর্ননাসহ ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরতে পারেন। এবং ক্রেতা চাইলেই এখান থেকে ক্লিক করে অর্ডার করতে পারবে। তাই কমার্স ম্যানেজারের সাহায্যে আপনার পেইজের শপ সেটআপ করে নিন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিন কারণ এখানে সামান্য কিছুটা জটিলতা রয়েছে।

8️⃣ ম্যাসেজ সেটিংসঃ
আপনার পেইজে আপনি চাইলে গ্রিটিংস মেসেজ এবং অটো রিপ্লাইয়ের জন্য আপনার ইচ্ছামতো মেসেজ সেট করে নিতে পারেন। যেটা আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার ক্রেতার প্রাথমিক রিপ্লাই প্রদান করবে।

9️⃣ কল টু একশন বাটনঃ
আপনার পেইজে একটা কল টু একশন বাটন সেট করে দিন যেটাতে ক্লিক করেই যে কেউ আপনাকে মেসেজ অথবা কল করতে পারবে, তবে মেসেজের বাটন দেয়াটায় ক্রেতাদের জন্য বেশি সুবিধাজনক, কারণ অনেকেই হুট করে কল না দিয়ে মেসেজ করতেই পছন্দ করেন।

1️⃣0️⃣ স্মার্ট এমাউন্ট ফলোয়ারঃ
আসলে মানুষ সবসময় সেদিকেই বেশি যায় যেদিকে সে অন্য কাউকে যেতে দেখে। আপনার পেইজে যদি লাইক বা ফলোয়ার সংখ্যা খুবই কম হয় মানে দুই হাজারেরও কম হয় তাহলে অনেকক্ষেত্রেই নতুন ক্রেতারা ভয় পায় অর্ডার করতে তাই পেইড প্রমোশন করে হলেও একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ লাইক বা ফলোয়ার বাড়িয়ে নিন।

1️⃣1️⃣ প্রফেশনাল পোস্ট কন্টেন্ট এবং ধারাবাহিকতাঃ
আপনার বিজনেস পেইজ থেকে নিয়মিত প্রফেশনাল পোস্ট কন্টেন্ট আপলোড করুন, কারোন ক্রেতা যদি পেইজে ঢুকে দেখে দীর্ঘদিন আপনার কোনো পোস্ট নেই সেক্ষেত্রে আপনার প্রতি আস্থা নাও পেতে পারে তাই নিয়মিতই প্রফেশনাল কন্টেন্ট আপলোড করুন পেইজে।

যাইহোক আলোচনা আর দীর্ঘ করবোনা আপনি যদি ফেইসবুক ভিত্তিক বিজনেস করতে চান সেক্ষেত্রে নতুন ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে এবং প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে উপরের বিষয়গুলো ফলো করে আপনার ফেইসবুক বিজনেস পেইজ সেটআপ করার কোনো বিকল্প নেই, প্রয়োজনে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিয়ে হলেও বিজনেস পেইজটাকে প্রফেশনাল করে তুলুন।
----------------------------
উপরের নিয়ম গুলো মেনে কে কে পেইজ সেটআপ করেছেন? কমেন্ট করে জানান।

আমি ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্সের সকল সার্ভিস এবং ফেইসবুক বিজনেস পেইজ ডেভলপমেন্ট নিয়ে আপনাদের সাথে আছি। ❤

© ন্যায়না নাঈমা

✅ ফেসবুক এখন কপিরাইট ইস্যুতে খুবই কড়াকড়ি। সুতরাং, আপনার পেজে রেস্ট্রিকটেড হওয়া থেকে বাচানোর জন্য কপিরাইট মুক্ত ইমেজ/ভিডি...
11/07/2022

✅ ফেসবুক এখন কপিরাইট ইস্যুতে খুবই কড়াকড়ি। সুতরাং, আপনার পেজে রেস্ট্রিকটেড হওয়া থেকে বাচানোর জন্য কপিরাইট মুক্ত ইমেজ/ভিডিও/টেক্সট দিয়ে পোস্ট করতে হবে।

যা করা যাবে না-
⭕ অন্য পেজের ছবি/ভিডিও/কন্টেন্ট কপি করে চালানো যাবে না।
⭕ আপনার নিজের একাধিক পেজ থাকলেও এক পেজ থেকে আরেক পেজে ছবি/ভিডিও/কন্টেন্ট কপি করা যাবে না।
⭕ একই কন্টেন্ট একাধিক বিজনেস ম্যানেজারে এড দেয়া যাবে না ( যদি এড ম্যানেজারে এড কপি লিখা হয় ও পেজে পোস্ট না হয়)
⭕ পেজে পোস্ট করার আগে অন্য কোন গ্রুপে বা আইডিতে পোস্ট করা যাবে না।
⭕ গুগল/আলিবাবা ইত্যাদি থেকে ছবি/ভিডিও কপি করে চালানো যাবে না।
⭕ আগে কোন পেজ রেস্ট্রিকটেড হলে সেই পেজের কোন ছবি/ভিডিও/কন্টেন্ট নতুন পেজে পোস্ট করা যাবে না।

একটা ক্যাম্পেইনের সময় কতটুকু হলে বেষ্ট হয় এই বিষয়ে কিছু কথা লিখছি।এই লেখাতে কিছু গাইডলাইন দেয়ার চেস্টা করবো“Testing Phas...
11/07/2022

একটা ক্যাম্পেইনের সময় কতটুকু হলে বেষ্ট হয় এই বিষয়ে কিছু কথা লিখছি।

এই লেখাতে কিছু গাইডলাইন দেয়ার চেস্টা করবো

“Testing Phase” এ একটা অ্যাড কতদিন চলতে পারে
সাধারন ভাবে বলতে গেলে সব থেকে ভালো হয় আপনার একটা অ্যাড ৩-৪ দিন চলার পর একটা সিদ্ধান্ত নেয়া এরপর আপনি কি করবেন। এই সময়ের মধ্যে আপনার উচিত হবে অ্যাড টার্গেটিং এ কোন রকম পরিবর্তন না করা কারন পরিবর্তন করলে ফেসবুক অ্যাড অলগারিদম রিসেট হয়ে যায় এবং শুরু থেকে আবার “Testing Phase” এ চলে যায়।

তবে এখানে একটা ব্যাপার আলোচনা করা জরুরি সেটা হচ্ছে আপনি যখন অ্যাড তৈরি করবেন তখন কতদিন সেট করবেন? ৩ দিন নাকি ৪ দিন, এ ক্ষেত্রে ফেসবুক মিনিমাম অ্যাডের সময়কাল ৪ দিন করতে বলে থাকে, আর আমি সাজেস্ট করবো ৭ দিন। আপনি ৩ দিন দিয়ে শুরু করলে আপনার অ্যাড ৩ দিনপরও অপ্টিমাইজ হবার সম্ভাবনা কম হবে কারন ফেসবুক প্রথম থেকেই বুঝতে পারবে আপনার অ্যাডের সময়কাল কম।

অ্যাডের পারফর্মেন্স ভালো হতে থাকলে ৩-৪ দিন পর সময়কাল এবং বাজেট আরও বাড়িয়ে দিন, মনে রাখবেন একটা অ্যাড যদি ভালো পারফর্মেন্স করা শুরু করে তাহলে সেটা যতদিন চালানো যায় তত ভালো।

A/B টেস্টিং এর মাধ্যমে অ্যাডের পারফর্মেন্স বুঝার চেস্টা করুন
আপনি যখন আপনার অ্যাড টেস্ট করবেন তখন এটা আপনাকে বুঝতে হবে আপনার রেজাল্ট ভালো আসছে কিনা, এটার জন্য ডাটা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায়। যেমন একটা অ্যাড থেকে আপনি ২৫ টি ক্লিক পেলেন এবং ৪টা সেল হলো, আরেকটি অ্যাড থেকে ৩৩ ক্লিক পেলেন এবং ৩টা সেল হলো এখানে আপনি খুব পার্থক্য বুঝতে পারবেন না, কারন এখানে পারফর্মেন্স খুব কাছাকাছি। কিন্তু দুইটা অ্যাডের মধ্যে যদি বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় তাহলে আপনি সহজেই একটি অ্যাড বন্ধ করে দিতে পারবেন, দুইটা অ্যাডের মধ্যে কম পার্থক্য হলে দুইটা অ্যাডসেট ই চালানো যেতে পারে।

ফেসবুক অ্যাডের “Learning Phase”
আপনি যদি ফেসবুকে কনভার্সন অ্যাড অথবা লিড জেনারেশন অ্যাড শুরু করুন তাহলে সেখানে “learning phase” এর একটা ব্যাপার থাকবে যেটার মাধ্যমে ফেসবুক বুঝার বুঝার চেস্টা করবে আপনি কাদের কাছে অ্যাড দিতে চাইছেন।

“learning phase” মুলত প্রতি সপ্তাহে ৫০টা ইভেন্টসের (অপ্টিমাইজ ইভেন্ট হলো কতবার ফেসবুকের অ্যাড ফলাফল অর্জন করতে পেরেছে) উপর ভিত্তি করে করা হয়ে থাকে, অথবা আপনার যদি আরও বেশি ইভেন্ট তৈরি হয় তাহলে আরও দ্রুত আপনার অ্যাড অপ্টিমাইজ হবে। তবে এটা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে, আপনি যদি আপনার অ্যাডে পরিবর্তন আনেন তাহলে আপনার অ্যাড আবার “learning phase” এ চলে যাবে(সে ক্ষেত্রে প্রথমবারের মত এতো সময় হয়তো লাগবে না তবে আপনি কি পরিমান পরিবর্তন করলেন সেটার উপর নির্ভর করে আপনার অ্যাড আবার অপ্টিমাইজ হবে।



কিছু ফেসবুক অ্যাড এডিটের ধরন যা করলে আপনার অ্যাড আবার “learning phase” এ চলে যাবে

১। টার্গেটিং এ কোন পরিবর্তন করা
২। অ্যাড ক্রিয়েটিভে কোন পরিবর্তন করা
৩। অপ্টিমাইজেশন ইভেন্টে কোন পরিবর্তন করা
৪। আপনার একটি অ্যাড ৭ দিন অথবা তার বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকলে।
৫। কোন নতুন অ্যাড, অ্যাডসেটে যুক্ত করলে।

নিচের পরিবর্তন অ্যাডে কোন প্রভাব পরবে না

১।ম্যানুয়ালি বিড পরিবর্তন করলে
২। বাজেট এমাউন্ট পরিবর্তন করলে

আপনার যদি এক সপ্তাহের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমান (৫০ অথবা তার বেশি) ইভেন্ট তৈরি না হয় তাহলে আপনি অ্যাড টাইপ চেঞ্জ করতে পারেন সে ক্ষেত্রে কনভার্শন অ্যাডের পরিবর্তে ট্র্যাফিক অ্যাড দিতে পারেন।

দীর্ঘ সময় ধরে অ্যাড চলার ক্ষেত্রে একটা অ্যাড কত দীর্ঘ হতে পারে
প্রতিদিন ফেসবুক অ্যাডের পারফর্মেন্স পরিবর্তন হতে পারে, আপনি কেমন পারফর্মেন্স চান সেটার একটা প্যারামিটার সেট করে এরপর সিদ্ধান্ত নিন অ্যাড নিয়ে আপনি কি করবেন।

যদি এমন হয় যে টানা দুইদিন ভালো পারফর্মেন্স হচ্ছে না এরপর আবার ভালো পারফর্মেন্স হতে শুরু করলো সেক্ষেত্রে ঘনঘন অ্যাড এডিট থেকে বিরত থাকুন এবং ৩-৪ দিন যদি আপনার প্রত্যাশিত রেজাল্ট না পান অ্যাড থেকে তাহলে সেটা বন্ধ করে নতুন করে অ্যাড দিন।

ফেসবুক অ্যাডের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারগুলো জানা খুব জরুরি, বিশেষ করে অ্যাডের সময়কাল নিয়ে আমরা অনেকেই ভুল করে থাকি, খুবই কম সময়ের জন্য ফেসবুক অ্যাড দিয়ে থাকি, এরপর সেই অ্যাড শেষ হয়ে গেলে অথবা শেষ হবার আগেই বন্ধ করে নতুন অ্যাডে চলে যাই আবারো অল্প সময়ের মধ্যে।

উপরের আলোচিত “learning phase” এর ব্যাপারটা আশা করি বুঝতে পেরেছেন, ফেসবুককে একটা অ্যাডকে বুঝতে সময় দিতে হবে, আপনার অ্যাডের সময়কাল যদি কম হয় তাহলে ফেসবুক আপনার অ্যাড ঠিক মত বুঝতেই পারবে না আর আপনি সেখান থেকে ভালো রেজাল্টও পাবেন না, আবার একটা অ্যাড যদি টানা ৩-৪ দিনও ভালো রেজাল্ট না করে সে ক্ষেত্রে ভালো রেজাল্টের আশাতেও বসে থাকা ঠিক হবে না।

কাস্টমার সাধারণত ৩ প্রকার হয়ঃ1) Cold Customer: একদম নতুন কাস্টমার। মানে যে আপনার Product সম্পর্কে আগে থেকেই কিছু জানে না...
11/07/2022

কাস্টমার সাধারণত ৩ প্রকার হয়ঃ
1) Cold Customer: একদম নতুন কাস্টমার। মানে যে আপনার Product সম্পর্কে আগে থেকেই কিছু জানে না। মাত্রই Facebook Post এর মাধ্যমে আপনার Product টা দেখেছে।
2) Warm customer: Cold Customer এর মধ্য থেকে যারা আপনার Product এর ছবি দেখে পছন্দ করেছে। এবং Product এর Details জানার জন্য আপনার Website/page এ visit করেছে।
3) Hot Customer: Website/page এ যে সকল Customer ভিজিট করে তাদের মধ্যে কিছু Customer সেই Product টা Purchase করে থাকে। Finally যারা Product টা Purchase করেছে তাদেরকে Hot Customer বলে।
তারমানে একজন Cold Customer/ New Customer কে Warm করে তারপর তাকে Hot Customer বানিয়ে তার কাছে Product Sale করার জন্য টোটাল ৩ টা ধাপ অতিক্রম করতে হয়। ধরলাম আমার page এর পোস্ট দেখল ১০০০ জন মানুষ। তাদের মধ্যে হয়ত ১০০ জন আপনার Product এ আগ্রহ দেখিয়ে পোস্ট/ ওয়েভ সাইটে ভিজিট করেছে। এই ১০০ জন হল Warm Customer. দেখা গেল, যে ১০০ জন পোস্ট/ ওয়েভ সাইটে ভিজিট করেছে তাদের মধ্যে মাত্র ১০/১২ জন আপনার প্রোডাক্ট টা কিনবে। তারমানে বুঝতে পারতেছেন এই ১০/১২ মানুষ কে পেতে আপনাকে কতগুলো ধাপ পার করতে হয়েছে। আর এটার জন্য বুস্টিং এও টাকা খরচ করতে হয়েছে।
আর আপনার অন্য কোন প্রোডাক্ট সেল এর ক্ষেত্রে নতুন যে কোন কাস্টমারের তুলনায় পুরাতন এই ১০/১২ জন খুব এ গুরুত্বপূর্ণ। কারন তারা অলরেডি একবার আপনার কাছ থেকে প্রোডাক্ট নিয়েছে। আপনি বা আপনার প্রোডাক্ট তার কাছে পরিচিত। আর হিউম্যান সাইকোলজি হল আমরা অপরিচিত কারও কাছ থেকে প্রোডাক্ট কেনার তুলনায় পরিচিত কারও কাছ থেকে কিনতেই নিরাপদ বোধ করে থাকি।

আর Warm Customer/Old Customer দের কাছে পুনরায় Product নিয়ে যাওয়া মানে তাদের কে Boosting মাধ্যমে Re-target করার একমাত্র উপায় হল Facebook Pixel এর মধ্যমে Funnel Create করা। Funnel ছাড়া Old Customer দের কে Re-target করা যায় না। Funnel এর জন্য দরকার হলঃ Facebook Pixel আর একটা ওয়েভ সাইট। কিন্তু বাস্তবতা হল আমাদের বাংলাদেশে সবাই অনলাইনে বিজনেস করতে চাইলে Just ফেইসবুকে একটা পেইজ খুলে ব্যবসা শুরু করে দেয়। আর সেই পেইজ থেকে বুস্টিং করে সেল করা শুরু করে দেয়। কিন্তু দেখা যায় কিছু দিন সেল পাবার পর সেল কমতে শুরু করে। আর কোন ভাবেই এই সেল বাড়ানো যায় না।
তাই এক থেকে দেড় বছর বুস্টিং করার পর যখন দেখবেন সেল ড্রপ করেছে, কোন ভাবেই সেল বাড়াতে পারতেছেন না, তখন গিয়ে Funnel Create করে আবার নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে। অথচ প্রথমেই Pixel এর মাধ্যমে Funnel Create করলে এক থেকে দেড় বছর বুস্টিং করার কারনে আপনার Pixel এ Old Potential Customer এর একটা Database Create হত। যা দিয়ে আপনার সেল কে অনেক বাড়ানো যেত। কিন্তু Pixel Set করা না থাকার কারনে এক থেকে দেড় বছর বুস্টিং এর খরচ টা কিছু সেল ছাড়া আপনার আরা কোন কাজে আসল না।
কাজেই সবারই কে বলতেছি, ভুল ভাবে Online Business শুরু না করে Correct Way তে শুরু করেন। না হলে দেখা যাবে সম্ভাবনাময় E-Commerce খাতে লস করে সারাজীবনের জন্য E-Commerce Business থেকে ধুরে সরে গেলেন।

আর মোদ্দা কথা হল Facebook যেখানে বলতেছে Pixel এর মাধ্যমে Funnel Create করে Re target করার জন্য সেখানে যদি আমরা Facebook থেকে ৪ কলম বেশি বুঝে Pixel না করি তাহলে আর বলার কিছু নেই।
সব শেষ কথা হলো আপনার ব্যবসায় যদি সফলতার মুখ দেখাতে চান এবং বিজনেসকে ব্রান্ড হিসেবে দাড় করাতে চকন তবে অবশ্যই আপনাকে দীর্ঘ পরিকল্পনা হাতে নিয়ে আগাতে হবে।
আপনাদের সফলতা কামনা করি।

যখন কারােই পেইজ ভিজিট করেন সবার আগে নজর দেন-পেইজ লাইক কিংবা ফলােয়ার কেমন? ফলোয়ার এর অবস্থা দেখেই প্রথমে আপনার মাইন্ডে অ...
11/07/2022

যখন কারােই পেইজ ভিজিট করেন সবার আগে নজর দেন-পেইজ লাইক কিংবা ফলােয়ার কেমন?
ফলোয়ার এর অবস্থা দেখেই প্রথমে আপনার মাইন্ডে অগোছরে গেঁথে যায় পেইজ টি কতটুকু পপুলার কিংবা কতদিন থেকে বিজনেস করে।এর পর ই আপনি সেই পেইজের প্রতি কিছুটা বিশ্বাস তৈরি হয়। এভাবেই আপনি যেমন ভাবেন-
আপনি কখনাে ভেবেছেন আপনার পেইজ কিংবা বিজনেস নিয়েও অন্য কেউ তেমন টাই ভাবে।
সুতারাং ধীরে ধীরে অরগানিক ভাবে আপনার পেইজের রিচ কিংবা ফলােয়ার বৃদ্ধির দিকে নজর দিন।

কিছু পরামর্শ-
প্রথমেই পেইজের একটু সুন্দর কভার ফটো করুন অবশ্যই (প্রফেশনাল ডিজাইনার দিয়ে)
একটি লগো তৈরি করুন চমৎকার ভাবে আপনার পন্য বা সেবার সাথে মিল রেখে।অবশ্যই (প্রফেশনাল ডিজাইনার দিয়ে)
একটি প্রােফাইল ফটো তৈরি করুন-অবশ্যই (প্রফেশনার ডিজাইনার দিয়ে)
এর পরই আসুন মূল কাজ নিয়ে-
আমরা সবচেয়ে বড় ভূল করি যেটা তা হলাে নিয়মিত কাজটি করছি না।আপনি একজন অনলাইন ব্যবসায়ী তাই নিয়মিত আপডেট থাকুন।
প্রতিদিন কমপক্ষে তিন টি পােস্ট করার চেষ্রটা করুন পন্য বা সেবা সম্পর্কে।
মাঝে মাঝে বিনোদন মূলক পােস্ট করুন
(রাজনীতি,কাউকে হেয় বা ছোট করা হয় এমন পােস্ট থেকে বিরত থাকুন।)
পন্য বা সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে পােস্ট করুন।
আপনার ফােন এবং মেসেন্জার এ নিয়মিত আপডেট থাকুন।
পন্য বা সেবা সম্পর্কিত পন্যের বাহিরে মাঝে মাঝে পন্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহকদের কে তথ্য মূলক কিছু প্রদান করুন।
যেমন-আপনি বাচ্ছাদের পন্য নিয়ে কাজ করেন। সেক্ষেত্রে মাঝে মাঝে বাচ্ছার স্বাস্থ বিষয়ক গুগল কিংবা অনলাইন থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য সম্মিলিত কোন তথ্য দিন
ছয় মাস নিয়মিত পােস্ট করুন এর পরই অবশ্যই এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
খুঁটিনাটি কিছু কাজ নিজেই শিখে ফেলুন -
সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কিছু দখল নিয়ে নেন।
পরবর্তি আবার নিয়ে আসবো নতুন কিছু তথ্য নিয়ে বা পরামর্শ নিয়ে।
ভালাে থাকুন।
.

আপনি যদি অনলাইনে বিজনেস করে থাকেন বা আপনার যদি অনলাইনে ব্যবসা করার ইচ্ছে থাকে তাহলে এই পোষ্ট আপনার জন্য।আমি এমন ভাবে ডিস...
11/07/2022

আপনি যদি অনলাইনে বিজনেস করে থাকেন বা আপনার যদি অনলাইনে ব্যবসা করার ইচ্ছে থাকে তাহলে এই পোষ্ট আপনার জন্য।

আমি এমন ভাবে ডিস্ক্রাইব করবো যেন আপনি নতুন হলেও বুঝতে সহজ হয়

★ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল এবং মার্কেটিং, দুটো শব্দের অর্থ অন্য অন্য। এক্ষেত্রে, ডিজিটাল মানে হলো এমন একটি টেকনোলজি যেটা কম্পিউটার বা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কে বুঝায় যেটা বিশেষ ভাবে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর সাথে জড়িত এবং, মার্কেটিং মানে হলো, যেকোনো বিসনেস , প্রোডাক্ট , সার্ভিস বা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন উপায় বা মাধ্যমের ব্যবহার করে প্রচার করা।

ডিজিটাল শব্দের অর্থ ইন্টারনেটের সাথে জড়িত এবং মার্কেটিং শব্দের অর্থ হলো, যেকোনো product বা service গ্রাহকের কাছে প্রচার করা বা লোকেদের তার বিষয়ে জানানো।

ডিজিটাল মার্কেটিং সেই সব ধরণের মার্কেটিং বা প্রচারের প্রচেষ্টা বা মাধ্যমকে বোঝায় যেগুলি বিশেষভাবে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সম্ভব।

এই ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানে অনেক শক্তিশালী উপায় বা মাধ্যম।

★ ডিজিটাল মার্কেটিং এর লাভ ------

ডিজিটাল মার্কেটিং আজ যেকোনো জিনিস, কোম্পানি, পণ্য বা সার্ভিসের মার্কেটিং এর সেরা এবং অনেক শক্তিশালী মাধ্যম।

সাধারণ বা পুরোনো মার্কেটিং এর মাধ্যম থেকে অনেক কম খরচেই এর লাভ নেয়া সম্ভব।

ডিজিটাল মার্কেটিং করে আপনি নিজের লক্ষবস্ত গ্রাহক কে লক্ষ রেখে মার্কেটিং করতে পারবেন।

এই মাধ্যমে মার্কেটিং করার জন্য আপনার কোথাও যেতে হয়না বা কোনো কর্মচারী রাখতে হয়না। পুরোটাই কেবল একটি কম্পিউটার বা মোবাইল এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার করেই সম্ভব।

অনেক কম সময়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি নিজের brand, business বা product অনেক লোক বা ভোক্তার কাছে প্রচার বা মার্কেটিং করতে পারবেন।

বর্তমানে আপনি যদি নিজের বিসনেস এ সফলতা পেতে চান, তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার সফলতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

-----ধন্যবাদ

11/07/2022
Facebook can be quite beneficial for companies that are looking to expand their business online. Starting from new start...
10/07/2022

Facebook can be quite beneficial for companies that are looking to expand their business online. Starting from new startups to big corporations, every company is using Facebook to build an online presence these days. So if you think Facebook Marketing doesn’t drive results, think again!

Here are 10 benefits of Facebook advertising that will help you understand why Facebook is good for marketing your business.

Address

House: 124/A, Ground Floor, Road 02 Mohammadia Housing Society, Main Road Faridpur, Dhaka, Dhaka Division
Faridpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Boost shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Boost shop:

Share