ND TV

ND TV Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ND TV, Advertising/Marketing, Rokibuddin pouro Biponi Bitan, Alipur Bridge, Faridpur.

সত্য, সাহস ও জনকল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ একটি স্বতন্ত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। জনগণের অধিকার, সামাজিক সমস্যা ও প্রান্তিক কণ্ঠস্বর তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। সততা ও সত্যের নিত্য সঙ্গী — ND TV (নাগরিক দাবি)। The Daily Nagorik Dabi (নাগরিক দাবি) — একটি স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ ডিজিটাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যা জনগণের অধিকার, সামাজিক সমস্যা, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং বিকল্প গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্ব করে।
আমরা সত্য, সাহস এ

বং জনকল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আমাদের লক্ষ্য— দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, প্রান্তিক কণ্ঠস্বরের উচ্চারণ এবং সবার জন্য তথ্যপ্রাপ্তির সমতা নিশ্চিত করা।

30/07/2026

বিচারাধীন জমি বিরোধে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলার অভিযোগ ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমানের
নিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুর
ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. সিদ্দিকুর রহমান তার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি চাঁদাবাজির মামলাকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক’ বলে দাবি করেছেন। তবে অভিযোগকারী পক্ষ বলছে, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত বক্তব্যে সিদ্দিকুর রহমান জানান, শহরের গুহলক্ষীপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলমান রয়েছে। এ বিরোধের জেরে ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি ফরিদপুরের আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে কোতোয়ালি থানা বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত বিবাদীকে ৩০ জুলাই আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বিচারাধীন ওই বিরোধ চলমান থাকা অবস্থায় গত ২৮ জুলাই তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলা নং-৫৬ হিসেবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সিদ্দিকুর রহমান দাবি করেন, মামলায় উল্লেখিত দিন-তারিখ ও সময়ে তিনি ফরিদপুরে ছিলেন না; বরং ঢাকায় নিজ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। বিষয়টি অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল উপস্থিতির তথ্য ও অন্যান্য প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, আদালতে বিচারাধীন মামলার নথিতে একই জমি-সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ৬৪ লাখ টাকা গ্রহণ করেও জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন না করার অভিযোগ রয়েছে। সেই একই বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে ফৌজদারি মামলা দায়ের করায় তিনি সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেন।
সিদ্দিকুর রহমানের ভাষ্য, কোনো তদন্ত বা সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ছাড়াই তার নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।
অন্যদিকে, অভিযোগকারী মো. মজিবুর রহমান তার এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ১৫ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সিদ্দিকুর রহমান তার বাসায় গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং ১ কোটি ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আগে থেকেই মামলা চলমান রয়েছে। এর বাইরে অভিযোগকারী নতুন করে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, বিষয়টি মূলত বিচারাধীন জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সৃষ্টি হয়েছে। তাদের ভাষ্য, সিদ্দিকুর রহমান একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। তার মতো একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এনে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, অভিযোগে উল্লেখিত সময়ে তিনি ফরিদপুরে ছিলেন না; বরং ঢাকায় নিজ কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন, যা প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন

ফরিদপুরে ভূমি বিরোধ মামলার বাদী হাসেম ফকিরের ওপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তিনিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুরফরিদপুরের বিজ্ঞ...
30/07/2026

ফরিদপুরে ভূমি বিরোধ মামলার বাদী হাসেম ফকিরের ওপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুর
ফরিদপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৭ ও ৮ ধারায় চলমান একটি মামলার বাদী মো. হাসেম ফকির (৭০)-এর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে।
আদালতের মামলার নথি অনুযায়ী, এ মামলার আসামিরা হলেন— জাহিদ ফকির (৪৩), হায়দার ফকির (৫০), নাজিমউদ্দিন ফকির (৪০), তৌহিদ ফকির (৪২), কাদের ফকির (৪৫)। তারা সকলেই ফরিদপুর সদর উপজেলার বিলমামুদপুর এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ আনুমানিক বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে উল্লেখিত আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাদী হাসেম ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় তারা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এলে আসামিরা হাসেম ফকিরকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আসামিগণ মামলার বাদি হাসেম ফকিরকে মারার সময় বলে যে আমাদের নামে কোর্ট থেকে সমন বা নোটিশ এলে তোদেরকে আবার মারা হবে।
এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, হাসেম ফকির একজন নিরীহ, শান্ত-স্বভাবের মানুষ। তার বয়স প্রায় ৭০ বছর। একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে এভাবে মারধর করা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
এ ঘটনায় হাসেম ফকির ও তার পরিবারের সদস্যরা দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মামলার আসামিদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাদের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

ফরিদপুরে ‌ কাঁচামাল ব্যবসায়ী   ফয়সাল ‌ হত্যা ‌ মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড ফরিদপুর‌ জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুরে কাঁচামাল...
28/07/2026

ফরিদপুরে ‌ কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফয়সাল ‌ হত্যা ‌ মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুর‌ জেলা প্রতিনিধি

ফরিদপুরে কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফয়সাল হত্যা মামলায় ‌তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মধুখালী থানার মামলা নং-০১, তারিখ ১ জুলাই ২০১৮ (সেশন মামলা নং-৯৬৯/১৮) এর বিচারে পূর্বপরিকল্পিত
ভাবে‌‌ কাঁচামাল ব্যবসায়ী ‌ ফয়সাল হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— চান সর্দার (২৮), পিতা আইয়ুব আলী ওরফে টাবু সর্দার, সাং পূর্ব খাবাসপুর (মাঝিপাড়া), কোতোয়ালি, ফরিদপুর;
মো. বাবুল আকন্দ (২২), পিতা জিয়াউল হক আকন্দ, সাং পূর্ব খাবাসপুর, কোতোয়ালি, ফরিদপুর; এবং শাহিন (২৫), পিতা শহর আলী,
সাং পূর্ব খাবাসপুর, কোতোয়ালি, ফরিদপুর।
রায় ঘোষণার সময় আসামি বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামি চান সর্দার ও শাহিন পলাতক রয়েছেন।
মামলার বাদী ছিলেন তৎকালীন মধুখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল কালাম আজাদ।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে।

ফরিদপুরে শিক্ষা ও সবুজায়নে নতুন দিগন্ত: খালেক চেয়ারম্যান বাজারে নতুন ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্...
26/07/2026

ফরিদপুরে শিক্ষা ও সবুজায়নে নতুন দিগন্ত: খালেক চেয়ারম্যান বাজারে নতুন ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
হায়দার খান ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ:
ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের খালেক চেয়ারম্যান বাজারে শিক্ষা ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে খালেক চেয়ারম্যান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন, আলহাজ্ব আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ প্রদান এবং আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি নবনির্মিত বিদ্যালয় ভবনের উদ্বোধন শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন। পরে আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, গেরদা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আরিফ হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর চৌধুরী রুবেল, জেলা কৃষকদলের সভাপতি রেজাউল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. ফিরোজ হায়দার, ফরিদপুর জেলা মহিলা দলের সভাপতি নাজরীন রহমান, মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আলী রেজোয়ান বিশ্বাস (তরুণ), সিনিয়র সভাপতি এম. এম. ইউসুফ, কোতোয়ালি বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ শফিকুর রহমান এবং আলহাজ্ব আব্দুল খালেক ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সেলিম হোসেন।
অনুষ্ঠানে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ এলাকার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, একটি জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা। আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান এবং বৃক্ষরোপণের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠিানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি কোমরপুর স্কুলিয়ান ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিতমরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ...
26/07/2026

মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি কোমরপুর স্কুলিয়ান ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি কোমরপুর স্কুলিয়ান ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের কোমরপুরে মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি কোমরপুর স্কুলিয়ান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-
এর ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার ২নং ওয়ার্ড যুবসমাজের আয়োজনে কোমরপুর আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউশন মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচ শেষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তিনি বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও মাদকমুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোমরপুর আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মাহবুবুল হক।
ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রফি, মেডেল ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

25/07/2026

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার হলে অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক: ফরিদপুরে চলমান উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা চলাকালে এক পরীক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে কেন্দ্রে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা গেছে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় ১৫ মিনিট আগে শিক্ষার্থী হাফিজা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরীক্ষার হলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তিনি নগরকান্দা উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
ঘটনাটি ঘটে বাইতুল মোকাদ্দেম ইনস্টিটিউট কেন্দ্র (বিসমিল্লাহ শাহ দরগাহ কেন্দ্র)-এ। কেন্দ্রে দায়িত্বরত ট্যাগ অফিসার ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও (ইউএনও) জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের মেডিকেল টিমের সদস্য মামুন প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে শিক্ষার্থীকে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরীক্ষা চলাকালে এমন আকস্মিক ঘটনায় কেন্দ্রে উপস্থিত পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। তবে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে এবং তার শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

ফরিদপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ, জনসাধারণের চলাচলে স্বস্তিনিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুরফরিদপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর...
24/07/2026

ফরিদপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ, জনসাধারণের চলাচলে স্বস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুর
ফরিদপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আলেকের মোড়ে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে স্বেচ্ছাশ্রমে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন এবং সাঁকোটি তাদের চলাচলের একমাত্র সহজ মাধ্যম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঁকো নির্মাণের সময় পৌরসভার এক কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটলেও শেষ পর্যন্ত সকল বাধা অতিক্রম করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এ বিষয়ে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় জুলফিকার হোসেন জুয়েল বলেন, “জনগণের প্রয়োজন যেখানে, আমি সেখানে কাজ করতে প্রস্তুত। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমার লক্ষ্য। নানা প্রতিবন্ধকতা এলেও জনস্বার্থে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে জুলফিকার হোসেন জুয়েলের দাবি, তার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে একটি মহল নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তবে এসব বাধা উপেক্ষা করে তিনি মানবসেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হলেও এখন অনেকটাই স্বস্তিতে যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে। তারা স্থায়ীভাবে একটি সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সালথায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদননিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুরফরিদপুরের সালথা উপজ...
22/07/2026

সালথায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক | ফরিদপুর
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কাঠাল বাড়িয়া এলাকায় দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক ব্যক্তির ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তি সালথা থানায় লিখিত আবেদন করেছেন।
লিখিত আবেদনে কাঠাল বাড়িয়া গ্রামের মো. লিটন শরীফ অভিযোগ করেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে গত ২০ জুলাই ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ২:৩০ মিনিটের সময় এ হামলা চালায়।অভিযোগকারী লিটন শরীফ জানান, দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ লোকমান শরীফ, রবিউল শরীফ,আতিয়ার মাতব্বর , আল আমিন শরীফ, মনোয়ারা বেগম, মিলি বেগম,মাইমুনা আক্তার শিমু দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তার পরিবারের একাধিক সদস্য গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ভাই নাঈম শরীফ, হেলাল শরীফ,ও হামিদা বেগমের উপরে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত হাড়ভাঙ্গা যখন করে।
অভিযোগে বলা হয়, হামলায় লিটন শরীফসহ তার পরিবারের ৫/৬ জন আহত হয় এর মধ্যে তিনজন গুরুতর রক্তাক্ত হাড়ভাঙ্গা যখন অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে আহতরা ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ সময় তাদের কাছে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী।
এছাড়া অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লোকমান শরীফসহ অন্য অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।অভিযোগকারী লিটন শরীর জানান অত্যন্ত দুঃখ জনক বিষয় হলে ও কথাটি সত্য যে আমার বড় ভাই মুজিবর শরীফ ফরিদপুর জজ কোর্টের একজন আইনজীবীর মহরি হিসেবে কাজ করছেন, এই গন্ডগোলের সময় আমার বড় ভাই ফরিদপুরে কর্মরত ছিলেন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। আর এখানে ঝামেলা হয় থেকে ২:৩০ মিনিটে তারপরও আমার বড় ভাইকে জড়িয়ে প্রতিপক্ষ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে তারা মিথ্যাবাদী। আমাদের দুই পক্ষের জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে সালথা থানায় অভিযোগ দেওয়া রয়েছে এরই ভিত্তিতে শনিবারে সালিশ হওয়ার কথা ছিল সেইটা অমান্য করে আমাদের উপর অমানুষিক হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে সরেজমিনে প্রতিবেদক গেলে এলাকার সিংহভাগ নারী-পুরুষ জানান অভিযুক্তরা মারাত্মক অন্যায় করেছে হামলা চালিয়েছে আমরা তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে আমরা বিচার দাবি করছি।

সরকারি জমি দখল-বিক্রির অভিযোগ, উচ্ছেদে ম্যাজিস্ট্রেট চায় পানি উন্নয়ন বোর্ডফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরফরিদপুর শহরের সিএন...
22/07/2026

সরকারি জমি দখল-বিক্রির অভিযোগ, উচ্ছেদে ম্যাজিস্ট্রেট চায় পানি উন্নয়ন বোর্ড
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর
ফরিদপুর শহরের সিএন্ডবি ঘাট বেরিবাঁধ ও সুইচগেট এলাকায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত (একোয়ার) সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি চক্র এসব জমি দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফলে বেরিবাঁধ ও সংযোগ সড়কের স্বাভাবিক প্রশস্ততা দিন দিন কমে আসছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার বহু আগে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ করে জমি অধিগ্রহণ করে। এরপরও সেই সরকারি জমি ব্যক্তি মালিকানার দাবি দেখিয়ে দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ওই সড়কগুলোর কোথাও ৪৬ মিটার, কোথাও ৬০ মিটার প্রশস্ত থাকার কথা থাকলেও অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণের কারণে অনেক অংশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। যে যেভাবে পারছে সরকারি জমি দখল করে দোকান, ঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে।
এ বিষয়ে একাধিকবার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ সচেতন মহলের।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ স্থাপনাগুলো দ্রুত উচ্ছেদ করা জরুরি। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট না পাওয়ায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে এলাকার সচেতন নাগরিকরা অবৈধ দখলমুক্ত করতে দ্রুত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ এবং উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সরকারি সম্পত্তি আরও বেদখল হবে এবং ভবিষ্যতে বেরিবাঁধ ও সড়ক রক্ষণাবেক্ষণেও বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

ফরিদপুরের নান্দনিক স্থাপনা ভাঙার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্ফোরক বক্তব্যফরিদপুর প্রতিনিধিঃফরিদপুর শহ...
21/07/2026

ফরিদপুরের নান্দনিক স্থাপনা ভাঙার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্ফোরক বক্তব্য

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুর শহরের সৌন্দর্যবর্ধনমূলক বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ এক বক্তব্য দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জুলফিকার হোসেন জুয়েল।

তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই তিনি ফরিদপুরকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ‘ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতায় গোরস্থান মোড় চত্বর, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান মাহবুব চত্বর এবং অনাথের মোড়ে নান্দনিক স্থাপনা নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করেন।

জুলফিকার হোসেন জুয়েলের অভিযোগ, এসব উন্নয়নমূলক কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই ফরিদপুরের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি, কিছু কুচক্রী মহলের সহযোগিতায়, তার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করতে শুরু করেন। তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর ওপর বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হয়, যার ফলে তিনি কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হন।

তার আরও অভিযোগ, সম্প্রতি ওই প্রভাবশালী ব্যক্তি সড়ক বিভাগের ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সাহেবের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন, যাতে আলিপুর গোরস্থান মোড় ও খান মাহবুব চত্বরের নান্দনিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করলে ফরিদপুরবাসীর ব্যাপক সাড়া ও সমর্থন পান বলে উল্লেখ করেন।

তিনি ফরিদপুরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, মানুষের এই সমর্থন তাকে নতুন করে সাহস জুগিয়েছে। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তিনি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আরও নান্দনিক স্থাপনা নির্মাণ করে রাজশাহীর আদলে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন ফরিদপুর গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।তবে এ ব্যাপারে ফরিদপুর পৌরসভার সচেতন মহল সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে একটি ঝড় উঠেছে, নান্দনীক এই সকল স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করলে, ফরিদপুর পৌরবাসী একসাথে জোট বেঁধে তীব্র প্রতিবাদ ও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

Address

Rokibuddin Pouro Biponi Bitan, Alipur Bridge
Faridpur

Opening Hours

Monday 16:00 - 18:00
Tuesday 16:00 - 18:00
Wednesday 16:00 - 18:00
Thursday 16:00 - 18:00
Saturday 16:00 - 18:00
Sunday 16:00 - 18:00

Telephone

+8801733587977

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ND TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ND TV:

Shortcuts

Share