ওরিয়েন্টাল ফার্মেসী

ওরিয়েন্টাল ফার্মেসী ওরিয়েন্টাল ফার্মেসী,মেইন রোড,বখতারমুন্সী বাজার,
১৯৬৮সাল থেকে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে চলছে।

05/01/2026
05/01/2026

🥤 কোমল পানীয় নিয়ে সতর্কতাঃ

কোমল পানীয় অনেকের প্রিয় হলেও নিয়মিত বা অতিরিক্ত পান করলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

⚠️ কেন ক্ষতিকর?

🔹 অতিরিক্ত চিনি
এক বোতল কোমল পানীয়ে ৮–১০ চামচ চিনি থাকতে পারে
➡️ ডায়াবেটিস, ওজন বৃদ্ধি ও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়
🔹 ডায়াবেটিসের ঝুঁকি
নিয়মিত সফট ড্রিংকস পান করলে
➡️ টাইপ–২ ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে
🔹 হাড় দুর্বল করে
ফসফরিক অ্যাসিড ক্যালসিয়াম শোষণ কমায়
➡️ হাড় ব্যথা ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি
🔹 হৃদরোগের ঝুঁকি
➡️ উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ায়
🔹 দাঁতের ক্ষতি
➡️ দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়, ক্যাভিটি তৈরি হয়
🔹 কিডনি সমস্যা
➡️ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে

🚫 কারা বিশেষভাবে এড়িয়ে চলবেন?

✔️ ডায়াবেটিস রোগী
✔️ ওজন বেশি যাদের
✔️ উচ্চ রক্তচাপের রোগী
✔️ শিশু ও কিশোররা

✅ স্বাস্থ্যকর বিকল্প কী?

🥛 পানি
🍋 লেবু পানি (চিনি ছাড়া)
🥥 ডাবের পানি
🍵 গ্রিন টি
🍉 টাটকা ফলের রস (চিনি ছাড়া)
🩺 ডাক্তারের পরামর্শ

“তৃষ্ণা মেটাতে কোমল পানীয় নয়—পানিই হোক প্রথম পছন্দ।”

04/01/2026

🛌ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুর নাকে ড্রপ দেওয়া একটি ভয়ংকর ভুল। অনেক অভিভাবক না জেনেই এই
কাজটি করেন, অথচ এর পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত মারাত্মক।

ঘুমের সময় শিশুর কাশি ও গিলবার স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করে না। ফলে নাকে দেওয়া ড্রপ সহজেই নাক থেকে সরাসরি শ্বাসনালী ও ফুসফুসে চলে যেতে পারে। এতে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, তীব্র শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে রাসায়নিক নিউমোনিয়া এমনকি জীবনহানির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

অনেক সময় বাইরে থেকে কিছুই বোঝা যায় না।
শিশুটি ঘুমিয়ে আছে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কয়েক ঘণ্টা বা এক–দুই দিন পর হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, নীলচে হয়ে যাওয়া, জ্বর বা গুরুতর নিউমোনিয়া নিয়ে শিশুকে হাসপাতালে আনতে হয়। তখন অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এই কারণেই নাকের ড্রপ দেওয়ার সময় শিশুকে অবশ্যই পুরোপুরি জাগ্রত অবস্থায় রাখতে হবে।
মাথা সামান্য উঁচু করে, এক পাশে কাত করে অল্প পরিমাণে ধীরে ধীরে ড্রপ দিতে হবে। কখনোই ঘুমন্ত, আধঘুমন্ত বা জোর করে ধরে ড্রপ দেওয়া যাবে না।

ডা. মাহফুজ বাঁধন

#নিউমোনিয়া

07/11/2025

দাদ রোগ।কোনভাবে স্টেরয়েড দিবেন ও না, খাবেন ও না।সাবধান।

23/10/2025

গ্যাসের ঔষধ না খেয়ে নিজের খারাপ অভ্যাসগুলোকে খান.....
আমার পেটে 10 বছর পূর্বে আলসার হলো। ঔষধ খেলাম, এরপর সুস্থ হয়ে গেলাম।

6 মাস পরেই আবার পেটে আলসার হলো। এবার চিন্তায় পড়ে গেলাম, কেন বার বার আলসার হচ্ছে। কারন খোঁজা শুরু করলাম। আমার কারন ছিল- অনেক দেরীতে সকালের নাস্তা খাওয়া। ছাত্রজীবনে সকাল 11 টায় ব্রেকের সময় সিঙ্গারা- জিলাপি নাস্তা খেতাম, সেটাই পরবর্তীতে কন্টিনিউ করেছিলাম। নাস্তায় আবার খেতাম পুরী ও চা।

যাহোক, অভ্যাস পরিবর্তন করলাম। সকাল ৮ টার মধ্যে নাস্তা খাওয়া শুরু করলাম। প্রথম দিকে সকালে নাস্তা খেত ইচ্ছে করতো না, আমি একটু মরিচ খেতাম, এরপর মুড়ি বা চাল ভাজা খেতাম। ঈশ্বর কৃপায় এরপর আর কোন সমস্যা হয় নাই।

গ্যাসের ঔষধ (পিপিআই) যারা দীর্ঘদিন খান তাদের কিডনী ড্যামেজ, রক্ত কমে যাওয়া, খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হওয়া, হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া সহ অনেক জটিল সমস্যা হতে পারে। যারা দীর্ঘদিন গ্যাসের ঔষধ খান তারা ছাড়তে গেলেই বুক বা পেট জ্বলে, তাই গ্যাসের ঔষধ বন্ধ করতে চান না। এর থেকে মুক্তি পেতে গ্যাসের ঔষধ ধীরে ধীরে বাদ দিতে হবে, যেমনঃ দুটি করে খেলে 1 টি করে খেতে হবে 7 দিন, এরপর অর্ধেক করে 7 দিন, এরপর অর্ধেক একদিন পর পর খাবেন 7 দিন। এভাবে খেলে আর সমস্যা হবে না।

ঔষধ যেমন ভালো তেমনি সঠিকভাবে ব্যবহার না হলে তা অনেক ক্ষতি করতে পারে। সেজন্য প্রয়োজন ছাড়া ঔষধ খাওয়া উচিত নয়।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

11/10/2025

দুধ খাওয়া কি বাধ্যতামূলক??
দুধ কখন খাবেন?

প্রশ্নটি শুনে হয়ত অবাক হবেন অনেকেই। কিন্তু আসলেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। যখন ইচ্ছে তখন দুধ খাওয়া যাবে না। কেউ যদি আয়রন জাতীয় খাবার বা আয়রন জাতীয় ঔষধ খায় এবং এর পরপর দুধ খায় তাহলে আয়রন শোষণ কমে যাবে। কেউ যদি দীর্ঘদিন এভাবে দুধ খায় তাহলে তিনি আয়রনের অভাব জনিত সমস্যায় ভুগতে পারেন। তাই দুধ বিকেলে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। কারন আমরা যে দুপুর ও রাতের খাবার খাই তাতে যে সব তরকারি খাই সেগুলোতে আয়রন থাকে এবং এই আয়রন আমাদের প্রতিদিনের আয়রনের চাহিদা মেটায়।

দুধ না খেলে কি কোন সমস্যা আছে??
দুধ প্রধানত আমাদেরকে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে। আমাদের প্রতিদিন যে ১০০০-১২০০ মিগ্রা ক্যালসিয়াম দরকার হয় তার অন্যতম উৎস হলো দুধ। মোটামুটি এক গ্লাস (২৫০ মিলি) দুধে প্রায় ৩০০-৩৫০ মিগ্রা ক্যালসিয়াম থাকে।

যাদের Lactose intolerance বা PCOS বা Acne আছে তারা দুধ খেলে সমস্যা বেড়ে যেতে পারে, PCOS ও Acne এর রোগীরা low fat মিল্ক বা skimmed মিল্ক খেতে পারেন। সেটা না খেলে ক্যালসিয়াম এর অন্যান্য সোর্স যেমনঃ ছোট মাছ, ডিম, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি খেতে পারেন অথবা নিয়মিত ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

সর্তকীকরণ😡😡👇👇
08/10/2025

সর্তকীকরণ😡😡👇👇

ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ (Cat Scratch Disease)
(যাদের বাসায় বিড়াল আছে,জেনে রাখা ভাল)

এটি মূলত বিড়ালের আঁচড়, কামড় অথবা বিড়ালের লালার সংস্পর্শে (বিশেষ করে চোখ বা খোলা ক্ষতে) আসার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়।

সংক্রমণের উপায় (Mode of Transmission):
১.বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে – আক্রান্ত বিড়ালের নখ বা দাঁতে জীবাণু থাকতে পারে।

২.বিড়ালের লালার সংস্পর্শে – বিশেষ করে যদি খোলা ক্ষত বা চোখে লালা লাগে।

৩.🔄কিটপতঙ্গ (Flea) দ্বারা বিড়ালে ছড়ানো – যদিও মানুষে সরাসরি Flea থেকে হয় না, তবে Flea বিড়ালকে সংক্রমিত করে এবং পরবর্তীতে আঁচড়/কামড়ের মাধ্যমে মানুষে ছড়ায়।

লক্ষণ (Symptoms):
⛔আঁচড় বা কামড়ের স্থানে লালচে ফোঁড়া বা প্যাপিউল তৈরি হয় (৩–১০ দিনের মধ্যে)।

⛔নিকটবর্তী লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া (বিশেষত বাহু, ঘাড় বা কুঁচকিতে)।

⛔জ্বর, দুর্বলতা, ক্লান্তি।

⛔কখনও কখনও মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা বা শরীরে ব্যথা।

⛔বিরল ক্ষেত্রে চোখ, মস্তিষ্ক, হাড় বা লিভারে জটিলতা হতে পারে।

প্রতিরোধ (Prevention):
🔄ছোট বিড়ালের সাথে খেলার সময় সাবধান থাকা।

🔄আঁচড় বা কামড় লাগলে সাথে সাথে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা।

🔄বিড়ালকে Flea থেকে রক্ষা করা।

🔄চোখ বা মুখে বিড়ালের লালা লাগা এড়ানো।

👉 সুতরাং, Cat Scratch Disease মূলত বিড়ালের আঁচড়, কামড় বা লালার মাধ্যমে ছড়ায়, এবং সাধারণত এটি মৃদু সংক্রমণ হলেও কখনও গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে।

26/09/2025
26/09/2025

জলাতঙ্ক (Rabies) একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, একবার উপসর্গ শুরু হলে প্রায় সবসময়ই মৃত্যুর কারণ হয়। তাই প্রতিরোধই মূল করণীয়।

জলাতঙ্কে করণীয়ঃ

১. প্রাণীর কামড়, আঁচড় বা লেহনের পরপরই

ক্ষত ধোয়া:

সাথে সাথে ক্ষতস্থানে ১৫–২০ মিনিট ধরে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে।

প্রয়োজনে আয়োডিন বা অ্যালকোহল জাতীয় জীবাণুনাশক ব্যবহার করা যায়।

কাটা/চেপে ধরা যাবে না – এতে ভাইরাস গভীরে চলে যেতে পারে।

২. চিকিৎসকের কাছে যাওয়া

যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল/প্রাণী কামড় ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (RABIES CENTER) এ যেতে হবে।

সেখানে রোগীর ঝুঁকি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়:

ভ্যাকসিন (Anti-rabies vaccine) – একাধিক ডোজে দেওয়া হয়।

র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) – গুরুতর কামড়/মুখে বা হাত-পায়ে গভীর ক্ষত হলে ক্ষতস্থানে দেওয়া হয়।

৩. টিকা সিরিজ সম্পূর্ণ করা

মাঝপথে টিকা বন্ধ করা যাবে না।

সময়মতো সব ডোজ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

৪. কুকুর/বিড়ালকে পর্যবেক্ষণ

যদি পরিচিত কুকুর/বিড়াল কামড়ায় তবে তাকে অন্তত ১০ দিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

প্রাণীটি সুস্থ থাকলে চিকিৎসক টিকা চালিয়ে যাবার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

৫. কখনোই অবহেলা নয়

জলাতঙ্কের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসা নেই। তাই প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

👉 সারসংক্ষেপ:
প্রথমেই ক্ষত ধোয়া → দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া → ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনে ইমিউনোগ্লোবুলিন নেওয়া → টিকা সিরিজ সম্পূর্ণ করা।

24/09/2025

অন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা
আমরা যখন বাইরে মুখরোচক খাবারে তৃপ্তি খুঁজি বা কাজের চাপে খাওয়া-দাওয়ার ঠিক ঠিকানা রাখি না, তখন আমাদের শরীরের ভেতরে এক অদৃশ্য যুদ্ধ শুরু হয়। ফলে গ্যাস্ট্রিক, হজমের সমস্যা এগুলো হরহামেশাই দেখা যায়। তবে এগুলো এখন আর সাধারণ বিষয় নয়, হতে পারে বড় রোগের আগাম বার্তা। দ্রুত নগরায়ণ, অনিয়মিত জীবনযাপন ও অতিমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের ফলে বাংলাদেশে গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বা পরিপাকতন্ত্রসংক্রান্ত রোগ ক্রমেই উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে জিইআরডি, আইবিএস, ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিস (বিশেষ করে বি ও সি টাইপ), আলসার, ক্রোন’স ডিজিজ এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সার। জিইআরডি-তে পেটের অ্যাসিড বারবার উপরের দিকে উঠে এসে বুকজ্বালা বা খারাপ স্বাদের অনুভব তৈরি করে। আইবিএস-এ পেট ফেঁপে যাওয়া, মলত্যাগে সমস্যা বা পেটব্যথা দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে।
নগর জীবনের ব্যস্ততা, অতিরিক্ত স্ট্রেস, ফাস্ট ফুড, মসলাযুক্ত খাবার আর পর্যাপ্ত পানি ও ঘুমের ঘাটতি সব মিলিয়ে আমাদের হজমতন্ত্র ক্রমাগত চাপের মুখে। যারা দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বসে কাজ করেন, নিয়মিত শাকসবজি খান না বা অনিয়মিত খাবার খান, তাদের মধ্যে এই সমস্যাগুলোর হার বেশি। আগের মতো হাঁটাহাঁটি, গ্রামীণ খাদ্যাভ্যাস, ঘরে তৈরি খাবার কমে যাওয়াতেই হজম ও লিভারজনিত সমস্যাগুলো বেড়ে চলেছে।

বাংলাদেশে এখন অনেক মানুষ জানেই না যে তারা ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। এটি মূলত লিভারে চর্বি জমার কারণে হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে লিভার সিরোসিস বা এমনকি লিভার ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, অতিরিক্ত শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং অ্যালকোহল ব্যবহারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এই রোগ। কিন্তু ভয়ের বিষয় হলো, যারা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন না, তাদের মধ্যেও ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (এনএএফএলডি)’ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এন্ডোস্কোপি ও কোলনোস্কোপি এই দুইটি পরীক্ষাই হজম ও অন্ত্রের রোগ নির্ণয়ে অত্যন্ত কার্যকর। অনেক ক্ষেত্রেই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার বা আলসার সময়মতো ধরা পড়লে সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, গাট মাইক্রোবায়োম অর্থাৎ আমাদের অন্ত্রে বসবাসকারী উপকারী জীবাণুগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার। ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে এই মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট হলে শরীর নানা রোগে আক্রান্ত হয়। তাই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার, যেমন দই, এবং প্রচুর ফাইবারসমৃদ্ধ ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিপাকতন্ত্রের যত্ন নেওয়া এখন আর শুধু পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিক কমানোর বিষয় নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সচেতনতা। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত স্ক্রিনিং ও সচেতনতা বাড়িয়ে এই সমস্যাগুলোর সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সুস্থ রাখা যাবে।
(collected)

Address

মেইনরোড, বক্তারমুন্সী বাজার। সোনাগাজী/ফেনী।
Feni
3900

Telephone

+8801819117577

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ওরিয়েন্টাল ফার্মেসী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share