Cubicle Digital

Cubicle Digital শখের দাম লাখ টাকা

20/09/2025

Welcome to our
Digital Universe

02/12/2016
ইংরেজি শিখার ১২ স্টেপ (প্রথম পর্ব)আমরা ইংরেজি পত্রিকা পড়ে, সাব-টাইটেল ওয়ালা মুভি দেখে, কিংবা ইংলিশ মিডিয়ামের কারো সাথে ট...
20/11/2016

ইংরেজি শিখার ১২ স্টেপ (প্রথম পর্ব)
আমরা ইংরেজি পত্রিকা পড়ে, সাব-টাইটেল ওয়ালা মুভি দেখে, কিংবা ইংলিশ মিডিয়ামের কারো সাথে টাঙ্কি মেরে ইংরেজি শিখার চেষ্টা করি। আবার ইংরেজি গান শুনে, পকেটে ডিকশনারি নিয়ে, এমনকি কোচিং সেন্টারেও ভর্তি হই। তবে ফ্রেন্ডদের সামনে ইংরেজিতে কথা বলতে গিয়ে শব্দ খুঁজে না পেয়ে, হাসির পাত্র হয়ে, ইংরেজি শিখার চেষ্টাকে চিরদিনের জন্য আনফ্রেন্ড করে দেই।
স্টেপ-০: কেনো শিখতে গিয়েও ব্যর্থ হই
পত্রিকা পড়ে, ইংরেজি শিখতে গিয়ে, এক লাইনের মধ্যে, চৌদ্দবার ডিকশনারিতে শব্দের অর্থ খুঁজতে হয়। তারপরেও পুরা সেন্টেন্সের মিনিং অর্ধেকও বুঝতে পারি না। এইভাবে ১৫-২০ মিনিট ইংরেজির অত্যাচার সহ্য করে টায়ার্ড হয়ে যাই। দুই দিন পরে ভুলে যাই, কি খবর পড়তেছিলাম, আর কেনোইবা ইংরেজি পত্রিকা পড়তেছিলাম।
ইংরেজি রেডিও বা অডিও শুনতে গেলেও একই সমস্যা হয়। শব্দের অর্থ জানি না। দুই একটা পরিচিত ওয়ার্ড শুনলে, মাথার মধ্যে- "আরে, এই ওয়ার্ড এর মিনিং তো আমি জানতাম!, কি জানি মিনিং?" করতে থাকে। শব্দের অর্থ মনে করার চেষ্টা করতে করতে, অডিও কিন্তু বসে থাকে না। চিন্তা করার কারণে, অডিও এর দুই এক লাইন মিস হয়ে যায়। তারপর না পারি অডিও ঠিক মতো শুনতে। না পারি শব্দের মিনিং বুঝতে। ভিডিও বা ইংরেজি সিনেমা দেখতে গেলে আরও বেশি বিপদ। এক সাথে তিনটা সমস্যা- না পারি সাব টাইটেল পড়ে ঠিকমতো মিনিং বুঝতে, না পারি উচ্চারণ শুনে নিজে নিজে উচ্চারণ ঠিক করতে, না পারি সিনেমাটা উপভোগ করতে। শেষপর্যন্ত মুভিটাও এনজয় করতে পারি না, আবার ইংরেজি শিখার আগ্রহও ধরে রাখতে পারি না।
এইভাবে সপ্তাহ-খানেক চেষ্টা করার পরে- আমরা টায়ার্ড হয়ে যাই। টায়ার্ড হয়ে গেলে, মনে মনে ভাবি- একদিন রেস্ট নিয়ে আবার শুরু করবো। তবে আমাদের একদিন রেস্ট নিতে গেলে, দুই মাস শেষ হয়ে যায়, মাগার রেস্ট নেয়া শেষ হয় না।
তাই বিগিনার লেভেলে ইংরেজি শিখার জন্য দৈনিক ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় দিলেই হবে। সেটা একটানা না হলেও চলবে। ধরেন, ক্লাসে যাওয়ার পথে, বাসে বা ঘুম থেকে উঠে, ৫ মিনিট করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে সময় দিলেও হবে।
স্টেপ-১: 3W
শুনেন, ইংরেজি একটা সমুদ্র। দুই তিন মাসে এই সমুদ্র গিলে খাওয়া সম্ভব না। সো, পুরা সমুদ্র টার্গেট না করে, ছোট একটা অংশকে টার্গেট করতে হবে। সেই টার্গেট সেট করতে হবে তিনটা প্রশ্ন দিয়ে Why, What, When (3W)।
Why: প্রথমেই বুঝতে হবে, আপনি কোনো ইংরেজি শিখতে চান?
=> হতে পারে- হায়ার স্টাডি করতে চান বা চাকরির ইন্টারভিউতে ভালো করতে চান , কিংবা বিদেশী ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করতে ইংরেজি শিখতে চান।
What: আপনি, ইংরেজির কি শিখতে চান?
=> হয়তো বলবেন- সব, বা স্পিকিং, বা লিসেনিং, বা এই দুইটা। এগুলার কোনটাই গ্রহণযোগ্য উত্তর না। আরো স্পেসিফিক হতে হবে। আবারও জিজ্ঞেস করবেন, স্পিকিং এর কি? হয়তো বলবেন কিভাবে অফিসিয়াল কথাবার্তা। এটাও স্পেসিফিক না। অফিসে হাজারো রকমের কথাবার্তা বলতে হয়। আরো বেশি স্পেসিফিক হওয়া লাগবে। এমন স্পেসিফিক হওয়া লাগবে যেটা একদিন, দুইদিন, সর্বোচ্চ তিনদিনের মধ্যে শিখে ফেলা যায়। তার চাইতে বড় কোন টার্গেট নিলে, কোনদিনও করে উঠতে পারবেন না। তাই খুবই ছোট একটা টার্গেট নিতে হবে হবে। যেমন, "কিভাবে কাস্টমারকে ওয়েলকাম জানাতে হয়"। এইটা খুব ছোট এবং স্পেসিফিক হইছে। কারণ দুই-তিনদিনের মধ্যে এইটা শিখে ফেলা যাবে।
When: তারপর জিজ্ঞেস করতে হবে -কখন শিখতে চান?
=>সবসময় এই প্রশ্নের উত্তর হতে হবে- আজকেই, এক্ষুনি। এই মুহূর্তে। কখনোই কালকে বা পরের সপ্তাহে বলা যাবে না। তাইলে শুরু করাই হবে না। আপনি যেই গাধা মার্কা আছেন, সেই গাধা মার্কাই থেকে যাবেন।
স্টেপ-২: জাস্ট লিসেন
অনলাইনে বা ইউটিউবে সার্চ দিয়ে একটা অডিও বের করতে হবে। তিন মিনিটের অডিও। সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিটের হতে পারে। ভিডিও হলে, ভিডিও না দেখে, শুধু হেড-ফোন কানে দিয়ে শুনতে হবে। অটো রিপ্লে দিয়ে, কমপক্ষে ১০-১৫ বার শুনবেন। শুধু শুনবেন। চোখ বন্ধ করে রিলাক্স হয়ে একই জিনিস বারবার শুনবেন।
যদি খেলা দেখার সখ থাকে, ভিডিও বন্ধ করে শুধু কথা শুনবেন। তবে পুরা খেলার ধারাভাষ্য শুনা যাবে না। শুধু চার পাঁচ মিনিটের অংশ নিয়ে, একই জিনিস বারবার শুনতে হবে। কোন অভিনেতা বা মডেলের ক্রাশ খাইলে, তার সাক্ষাৎকার এর অডিও মোবাইলে নিয়ে হেড-ফোন দিয়ে বারবার শুনবেন। ইংরেজি খবর দেখলে ভিডিও বন্ধ করে শুধু অডিও শুনবেন।
মনে রাখবেন, আপনার উদ্দেশ্য লিসেনিং। ইংরেজি শুনা। বুঝা কিন্তু না। বুঝা পরে আসবে। আগে শুনতে হবে। জাস্ট শুনবেন। শুনতে গিয়ে একই সাথে ওয়ার্ড শিখা, উচ্চারণ শিখা, গ্রামার শিখা, সব করা যাবে না। বি ফোকাসড, ফোকাসড এন্ড ফোকাসড।
স্টেপ-৩: ডোন্ট ফোকাস অন ওয়ার্ড, জাস্ট লিসেন
বাচ্চারা কিভাবে কথা শিখে? তারা কিন্তু মিনিং জানে না। আব্বু কি জিনিস, আম্মু কি জিনিস বুঝে না। ডিকশনারি খুলেও মিনিং বের করার চেষ্টা করে না। বরং একই জিনিস বারবার শুনতে থাকে। এক দুই মাস শুনতে শুনতে নিজে নিজেই একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায়- এই লোকটা যখন আসে, তখন লোকটাই আব্বু আব্বু বলে। আবার ঐ মহিলাটা যখন আসে, তখন সে আম্মু, আম্মু বলে। এই শুনতে শুনতেই বাচ্চারা শিখে ফেলে। সো, আপনিও খালি শুনার চেষ্টা করবেন। শিখার চেষ্টা পরে দেখা যাবে।
বাংলায় কেউ কিছু বললে, কয়েকটা শব্দ শুনলেই আপনি ধরে ফেলতে পারেন, সে কি নিয়ে কথা বলতেছে। প্রত্যেকটা শব্দ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ডিকশনারিতে মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন না। একইভাবে ইংরেজি শুনার সময়, ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন না। কাগজ কলম নিয়ে ওয়ার্ড লিখতে যাবেন না। কোন শব্দ ইম্পরট্যান্ট হলে, সেটা বিভিন্ন ভিডিওতে বার বার ফিরে আসবে। বারবার ফিরে আসতে আসতে আপনিও বাচ্চাদের আব্বু আম্মু শিখার মতো করে, নিজের অজান্তেই শিখে ফেলবেন।
এই লিসেনিং চলবে এক মাস। ছয় সাতটা পাঁচ মিনিটের ভিডিও ১০-১৫ বার করে শুনবেন। আর একটাই কথা মনে রাখবেন- when you are listening ...just listen ...relax and don’t worry...don’t stop...you don’t have to understand every word ...
স্টেপ -৪: তোতা পাখি
গত এক মাস যে অডিওগুলা শুনছিলেন, সেগুলা বার বার শুনতে শুনতে অনকেটা মুখস্থ হয়ে যাওয়ার কথা। যদিও পুরাপুরি মিনিং নাও জানতে পারেন। এখন সেই অডিওগুলা হেড-ফোন কানে দিয়ে, দরজা বন্ধ করে, অটো রিপ্লে দিয়ে, অডিও চলার সাথে সাথে, শুধু প্রথম সেন্টেন্সটা বলার চেষ্টা করবেন। বলতে না পারলে, অডিও থামানোর দরকার নাই। রিপ্লে হয়ে আবার যখন আসবে, তখন বলার চেষ্টা করবেন। প্রথম সেন্টেন্সটা এইভাবে তিনবার বলার চেষ্টা করবেন। প্রথম সেন্টেন্স প্রাকটিস হয়ে গেলে, পরের সেন্টেন্স বলার চেষ্টা করবেন। এইভাবে প্রথম পাঁচটা সেন্টেন্স প্রাকটিস হয়ে গেলে, আজকের জন্য খতম। কালকে আবার অডিও এর মাঝখানের পাঁচটা সেন্টেন্স ট্রাই করবেন। তারপরের দিন লাস্টের পাঁচটা সেন্টেন্স ট্রাই করবেন।
বাচ্চাদের শিখানোর সময়, তাদের কানের কাছে একই শব্দ বার বার বার বলতেই থাকে। বলতেই থাকে। শুনতে শুনতে বাচ্চাদের কান ঝালাফালা করে ফেললে, বাচ্চারা দুই-একটা শব্দ বলা শুরু করে। তারপর ভুল ভাল দুই-একটা সেন্টেন্স। আপনিও একইভাবে শুরু করবেন।
স্টেপ-৫: জাস্ট স্পিক
সপ্তাহের প্রথম তিনদিন যে অডিওটা, কানে হেড-ফোন লাগিয়ে, অডিও এর সাথে সাথে বলার চেষ্টা করছিলেন, সেটাই পরের তিনদিন একটা দুইটা সেন্টেন্স বলবেন। তবে এইবার কানের সাথে হেডফোন না লাগিয়ে বলবেন। নিজে নিজে বলার চেষ্টা করবেন। যখন বলবেন, তখন শুধু বলবেন। অডিও থেকে কি রকম শুনছিলেন, সেটার মতো উচ্চারণ হইছে কিনা, সেটার মতো গ্রামার হইসে কিনা, তার মতো স্পিড আসতেছে কিনা, চিন্তা করা যাবে না। ভুল, কি ঠিক হইছে, চিন্তা করতে যাবেন না। শুধু মুখ দিয়ে শব্দ বের করতে থাকবেন।
বশুনেন, আপনি বাংলা বলার সময় গ্রামার ঠিক করে কথা বলেন না। উচ্চারণ সব ঠিক হয় না। আর কোন পিচ্চি বাচ্চা যদি বাংলা কোন শব্দ ধীরে ধীরে কিংবা ভুল উচ্চারণ করে, সেন্টেন্স ঠিক মতো বলতে না পারে, আমরা কিন্তু তার কথা বুঝে ফেলি। সে কি বলতে চাইছে, সেটা কিন্তু ধরে ফেলতে পারি। একইভাবে আপনি ইংরেজি প্রথম প্রথম শিখতেছেন। আপনি বাংলায় পাকনা হইলে, ইংরেজিতে কাঁচা। ইংরেজিতে একটা কাঁচা বাচ্চা। তাই আপনার উচ্চারণ ঠিক না হলে, গ্রামারে ভুল হইলে, থেমে থেমে বলে দিতে পারলেই, যে শুনতেছে সে বুঝে ফেলবে।
আর ইংরেজি প্রাকটিস করার জন্য, আরেকজন লাগবে এমন কোন কথা নেই। ইংরেজিতে ভালো এমন কাউকেও লাগবে না। আপনি নিজে নিজেই পারবেন। Speak English fluently without thinking about the rules and logic.
স্টেপ-৬: একসাথে
এই যে লিসেনিং এবং স্পিকিং এর স্টেপ চালাচ্ছিলেন, এই দুইটা স্টেপ কয়েকবার রিপিট করতে হবে। এবং ইংরেজি শিখাটাকে একটা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। যত কিছুই হোক না কেনো, আপনার ভাত খাওয়া কিন্তু বাদ যায় না। সো, একইভাবে ইংরেজি শিখা বাদ দেয়া যাবে না। প্রয়োজন হলে, নিজেই নিজেকে শর্ত দিবেন। আগে ১৫ মিনিট ইংরেজি প্রাকটিস করে নেই, তারপর ভাত খাবো।
রিডিং, রাইটিং, ভুকাবুলারী, গ্রামার, প্রাকটিস করার উপায়সহ আরো কয়েকটা বিষয় নিয়ে পরের পর্বে কথা হবে।

28/07/2016

টিনেজারদের বাবা-মারা প্রায় সময়ই আমার কাছে আসেন। "জানেন, আমার ছেলেটা না, আমার কথা শোনেই না আজকাল। আপনি ওর সাথে একটু কথা বলবেন?" যেন আমি কোনো মহৌষধ সাথে নিয়ে ঘুরি! যেন সেই ছেলেটা আমার কাছে আসলে আমি ওর গায়ে ফু দিয়ে দেব এভাবে। .. আর সাথে সাথেই সে দারুন লক্ষী ছেলে হয়ে যাবে! "একটু যদি কথা বলতেন। ..." না, বরং আপনি আপনার ছেলের সাথে কথা বলছেন না কেন? কোথায় ছিলেন আপনি যখন তার সাথে কথা বলার প্রকৃত সময় ছিল?
আজকে আমি আপনাদের সাথে বাবা-মাদের নিয়ে একটু কথা বলব, তারপর বলব স্বামী-স্ত্রীদের নিয়ে। আজকে এই দু'টো জিনিস নিয়ে বলারই সময় আছে। দু'টো খুবই মৌলিক সম্পর্ক: একটা আপনার সন্তানদের সাথে, আরেকটা আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে। এই দু'টো সম্পর্কের ব্যপারেই আমরা খুব বেসিক কিছু ব্যপার নিয়ে আলোচনা করব।
আপনার সন্তান যখন ছোট, খুবই ছোট, ধরুন যখন তাদের বয়স পাঁচ, ছয়, সাত, দুই, তিন, চার, তখন তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন জিনিসটা বলুন তো? আমার নিজের পাঁচটা বাচ্চা আছে, তাই আমি খুব ভালো বলতে পারব এ ব্যপারে। তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার সমর্থন। তারা আপনাকে গর্বিত করতে চায়। তারা যা যা করেছে সব আপনাকে দেখাতে চায়। ধরুন, আমি জরুরী কোনো কাজের আলাপ করছি ফোনে, জরুরী একটা ফোন, আর এ সময় আমার দুই বছরের ছেলে এসে বলবে, "আব্বা আব্বা আব্বা আব্বা আব্বা।" ..."ভাই, একটু লাইনে থাকেন" ... "কি হয়েছে?" ... "হে হে হে" ব্যস! আমি আবার ফোনালাপে ফিরে গেলাম, সে আবার আমাকে ডাকা শুরু করল। আমি বললাম, "আচ্ছা ঠিক আছে, কি হয়েছে বলো" ... "আমি তোমাকে একটা জিনিস দেখাবো" ... "কি দেখাতে চাও বাবা?" ... ব্যস এটাই! কিন্তু আমার এ ক্ষেত্রে কি করা উচিত বলুন তো? "আল্লাহ! দারুন তো! আবার করো দেখি" ... "আমি আপনাকে পরে ফোন দিচ্ছি" ... আপনার সন্তানরা যা করে আপনার উচিত তার কদর করা। এটা তাদের পরম আরাধ্য। অন্য যে কোনো কিছুর চেয়ে বেশি তারা এটাই চায় আপনার কাছে।
আমার তিনটি মেয়ে আছে। আর ছেলে আর মেয়েদের মধ্যে পার্থক্য কি জানেন তো? ছেলেরা এক জায়গায় বসে থাকতে পারেনা, আর মেয়েরা কথা বলা থামাতে পারে না। তো আমি আমার মেয়েদের স্কুল থেকে যখন নিয়ে আসি - একজন ক্লাস ওয়ানে আরেক জন ক্লাস থ্রিতে পড়ে - আমি ওদের স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে আসি ২৫ মিনিট গাড়ি চালিয়ে। আর এই পুরোটা সময় তারা কি করে জানেন? "জানো আজকে ক্লাসে কি হয়েছে? আমরা একটা ডাইনোসর রং করেছি, এটা করেছি, ওটা করেছি, প্রথমে আমি বেগুনী রং করলাম, তারপর ভাবলাম একটু সবুজ রং-ও দেই" - এভাবে বলতে থাকলো তো বলতেই থাকলো। থামার কোনো নামই নেই। থামা সম্ভবই না ওদের পক্ষে। আর আমাকেও মনযোগ দিয়ে সেটা শুনতে হবে। শুনতে হবে আমাকে। আমি বললাম, "ও তাই? নীল রং দাও নি?" .."না অল্প একটু নীল দিয়েছি"। আমাকে মনোযোগ দিতে হবে। আর আমি এগুলো কেন বলছি জানেন? আচ্ছা দাঁড়ান, আগে অন্য একটা গল্প বলে নেই। তাতে আপনাদের ঘুমটাও একটু কাটবে।
এই গল্পটা আমি প্রায়ই বলি। আমার বড় মেয়েটা, হুসনা, যখন ছোট ছিল তখন আঙ্গুল দিয়ে ছবি আঁকতে খুব পছন্দ করত। সে তার আঙ্গুলগুলো রঙের মধ্যে চুবিয়ে তারপর সেগুলো দিয়ে হাবিজাবি আঁকত। তো একদিন এক বিশাল কার্ডবোর্ড নিয়ে সে আমার কাছে হাজির! সেখানে নীল রং দিয়ে বিশাল কি যেন আঁকা, আগামাথা কিছুই বুঝলাম না। সে বলল, "আব্বা, দেখো আমি কি এঁকেছি?" আর আমি বললাম, "বাহ, দারুন! একটা পাহাড়!" আর সে বলল, "না, এটা তো আম্মু!" আমি বললাম, "খাইছে!" "আম্মুকে এই কথা বোলো না কিন্তু"
তবে যে কথাটা আমি বলতে চাচ্ছি তা হলো ওরা আপনার সমর্থন পাওয়ার জন্য ব্যাকুল। ব্যাকুল তারা এর জন্য। কিন্তু আপনাদের মধ্যে যাদের সন্তানরা টিনেজার, তাদের যখন স্কুল থেকে আনতে যান, এমন কি হয় যে তারা গাড়িতে উঠে কথা বলা থামাতে পারছে না? হয় এমন? "জানো আজকে স্কুলে কি হয়েছে? টিচার এটা বলেছে, ওটা করেছে, পরীক্ষায় 'এ' পেয়েছি"। না! তারা একদম চুপ! বরং আপনিই বলার চেষ্টা করবেন, "কেমন গেল দিন?" .."মোটামুটি".."কি করলে সারাদিন?" .. "কিছু একটা".. "আজকে কোথায় যাবে?" .. "যাব কোথাও"। কথা বলেই না তারা! তাদের কথা বলানো অনেকটা পুলিশের আসামীকে জেরা করার মত ব্যপার। আপনাকে তারা কিছুই বলে না। আর যখন আপনি তাকে প্রশ্ন করছেন, তখন হয়ত সে তার বন্ধুকে এস,এম,এস পাঠাচ্ছে, "আব্বা আজকে বেশি প্রশ্ন করছে! ঘটনা কি? তুমি ওনাকে কিছু বলেছ নাকি?" ... যা আমি বলতে চাচ্ছি, তা খুবই সহজ। ছোট বয়সে আপনার বাচ্চারা আপনার মনোযোগ পাওয়ার জন্য পাগল থাকে। আর যখন তারা বড় হবে, আপনি তাদের মনোযোগ পাওয়ার জন্য পাগল হবেন।
কিন্তু তারা যখন ছোট থাকে তখন যদি আপনি তাদের মনোযোগ না দেন - তারা খেলনা নিয়ে আপনার কাছে আসলে যদি বলেন, "ঘরে যাও! আমি সংবাদ দেখছি", "খেলা চলছে। এই, তুমি ওকে একটু সরাও তো!", "সারাদিন অনেক কাজ করেছি, এখন ওকে সামলাতে পারব না", "বাসায় আমার বন্ধুরা এসেছে, কি বলবে ওরা? যাও ঘুমাতে যাও। যাও এখান থেকে" - আপনি যখন ওদের সাথে এমন আচরণ করবেন, যেন তারা আপনার জন্য প্রতিবন্ধকতা, আপনার কাজ হচ্ছে চাকরি করা, আর বাসায় এসেছেন শুধু বিশ্রাম নিতে। না রে ভাই! আপনার কাজ শুরু হয়েছে তখনই যখন আপনি ঘরে ফিরেছেন। সেটাই আপনার আসল কাজ। চাকরিতে যে কাজ করেছেন সেটা শুধুমাত্র এজন্য যেন ঘরের আসল কাজটা ঠিকমত করতে পারেন।
একজন প্রকৃত বাবা হন। উপস্থিত পুরুষদেরকে বলছি। একজন প্রকৃত বাবা হন। আপনার সন্তানদের সাথে সময় কাটান। তারা শুধু এ জন্য নেই যে আপনি তাদের স্কুলে ছেড়ে আসবেন, আর বাসায় ফিরে শুধু ঘুমাতে যাবেন, কোনো ঝামেলায় যাবেন না, তাদের সাথে কথা বলবেন না। এবং তাদের সাথে কথা না বলার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তাদের একটা আইপড টাচ অথবা আইফোন ধরিয়ে দিন, তাদের নিজস্ব রুমে একটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে দিন হাই-স্পিড ইন্টারনেট সহ। তাহলে আপনাকে তাদের চেহারাও দেখা লাগবে না। তারা সারাদিন তাদের ঘরে থেকেই ফেসবুকিং করতে থাকবে, অনলাইনেই নিজেদের জন্য নতুন বাবা-মা খুঁজে নিবে না হয়।
সিরিয়াস্লি বলছি। প্রকৃত বাবা হন। প্রকৃত মা হন। আপনার মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের বদলি হিসেবে এইসব জিনিসকে আসতে দিয়েন না। কারণ যদি তা দেন, তাহলে ওরা যখন স্বাবলম্বী হয়ে যাবে তখন বেশির ভাগ বাবা-মার কি হয় জানেন? আপনাদের বেশিরভাগের ছেলেমেয়েরা আপনাদেরকে দেখে কতগুলো টাকার মেশিন হিসেবে। শুধুমাত্র কখন তারা আপনাদের কাছে আসে? - "বাবা, আমাকে ৫ ডলার দাও তো" জানি আজকাল কেউ আর ৫ ডলার চায় না, কমপক্ষে ২০ ডলার। কিচ্ছু বাচ্চাদের চিনি যারা এত কম টাকা দেখেইনি, ৫ ডলারের নোট্ চিনেই না তারা। "আমাকে ২০ ডলার দাও তো", "শপিং মলে যেতে চাই, আমাকে একটু পৌঁছিয়ে দাও তো", "বন্ধুদের বাসায় যাই?" "এটা করতে পারি?" "ওটা কিনতে পারি?" যখন তাদের কোনো কিছুর দরকার তখন তারা আপনার কাছে আসে। এর বাইরে আপনি তাদের খুঁজে পাবেন না। আর যখন তারা বড় হবে, নিজেরাই একটু আধটু কামাই করতে পারবে, তখন কি হবে? তাদের দেখাই পাবেন না আর। কারণ আপনার টাকার মেশিনও এখন আর দরকার নেই। এর প্রয়োজন শেষ। আপনি যদি এই ধরনের সম্পর্ক তৈরী করেন, তাহলে নিশ্চিত বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছেন। আপনাকে এখনই পরিবর্তন আনতে হবে। আর পরিবর্তনের উপায় হলো - জানি এটা অনেকের জন্যই করাটা কঠিন হবে - কিন্তু আমাদেরকে আমাদের সন্তানদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে। আমাদেরকে তাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হতে হবে। আমাদের সাথে সময় কাটানোটা তাদের কাছে উপভোগ্য হতে হবে।

26/07/2016

বাজ পাখী প্রায় ৭০ বছর জীবিত থাকে। অথচ
৪০ আসতেই ওকে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
নিতে হয়। ওই সময় তার শরীরের তিনটি প্রধান
অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়ে।।
১. থাবা( পায়ের নখ) লম্বা ও নরম হয়ে যায়।।।
শিকার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।।।
২. ঠোঁট টা সামনের দিকে মুড়ে যায়।।। ফলে
খাবার খুটে বা ছিড়ে খাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।।।
৩. ডানা ভারী হয়ে যায়।। এবং বুকের কাছে
আটকে যাওয়ার দরুন উড়ান সীমিত হয়ে যায়।।।
ফলস্বরুপ শিকার খোজা,ধরা ও খাওয়া তিনটেই
ধীরে ধীরে মুশকিল হয়ে পড়ে।।। ওর
কাছে তিনটে পথ খোলা থাকে।
১. আত্নহত্যা
২. শকুনের মত মৃতদেহ খাওয়া
৩. নিজকে পুনরস্থাপিত করা।
ও একটা উচু পাহাড়ে আশ্রয় নেয়।।। সেখানে
বাসা বাঁধে।। আর শুরু করে নতূন প্রচেষ্টা।
সে প্রথমে তার ঠোঁট টা পাথরে মেরে
মেরে ভেঙে ফেলে। এর থেকে যন্ত্রণা
আর হয় না।।। একইরকম ভাবে নখ গুলো
ভেঙে ফেলে আর অপেক্ষা করে নতূন নখ
ও ঠোঁট গজানোর।।।
নখ ও ঠোঁট গজালে ও ওর ডানার সমস্ত পালক
গুলো ছিড়ে ফেলে।। কষ্ট সহ্য করে
অপেক্ষা করতে থাকে নতূন পালকের।। ১৫০
দিনের যন্ত্রণা ও প্রতীক্ষার পর সে সব নতূন
করে পায়।। পায় আবার সেই লম্বা উড়ান আর
ক্ষিপ্রতা।।
এরপর সে আরো ৩০ বছর জীবিত থাকে
আগের মত শক্তি ও গরিমা নিয়ে।।
ইচ্ছা,সক্রিয়তা ও কল্পনা... আমাদের দুর্বল হয়ে
পড়ে ৪০ আসতেই।।। অর্ধজীবনেই আমাদের
উৎসাহ, আকাঙ্খা,শক্তি কমে যায়।
আমাদেরও আলস্য উৎপন্নকারী মানসিকতা ত্যাগ
করে,অতীতের ভারাক্রান্ত মন কে সরিয়ে ও
জীবনের বিবশতা কে কাটিয়ে ফেলতে হবে
বাজের ঠোঁট,ডানা আর থাবার মত।।।
১৫০ দিন না হলেও ১মাসও যদি আমরা চেষ্টা করি
তাহলে আবার আমরা পাবো নতূন উদ্যম,
অভিজ্ঞতা ও অন্তহীন শক্তি।।।
নিজেকে কখনোই হারাতে দেবেন না আর
হার ও মানবেন না ..................

04/06/2016
08/04/2016
07/04/2016

প্রাইমারিতে দুইবার ফেল, মাধ্যমিকে
তিনবার ফেল, বিশ্ববিদ্যালয়েরভর্তি
পরিক্ষায় তিনবার ফেল, চাকরির জন্য
পরিক্ষা দিয়ে ৩০ বার ব্যর্থ হয়েছি আমি।
চীনে যখন কেএফসি আসে তখন ২৪ জন
চাকরির জন্য আবেদন করে৷ এর মধ্যে ২৩
জনের চাকরি হয়৷ শুধুমাত্র একজন বাদ পড়ে,
আর সেই ব্যক্তিটি আমি৷
এমনও দেখা গেছে চাকরির জন্য পাঁচ জন
আবেদন করেছে তন্মধ্যে চার জনের চাকরি
হয়েছে বাদ পড়েছি শুধুই আমি৷
প্রত্যাখ্যানের পর প্রত্যাখ্যানই দেখেছি
আমি৷ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য
১০বার আবেদন করে ১০বারই প্রত্যাখ্যাত
হয়েছি৷
এতক্ষণ যার কথা বলেছি তিনি হলেন
পৃথিবীর অন্যতম বড় অনলাইন ভিত্তিক
কোম্পানি আলিবাবা ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও
চেয়ারম্যান জ্যাক মা৷ তার জন্ম চীনের
জিজিয়াং প্রদেশে৷ফোবর্স ম্যাগাজিনের
হিসেবে জ্যাক মা পৃথিবীর ৩৩ তম ধনী
ব্যক্তি৷তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২১ দশমিক
৬ বিলিয়ন ডলার৷
জ্যাক মার জীবনে এতবার ব্যার্থ হওয়ার পরও
বড় হওয়ার, প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশা থেকে
বিন্দু মাত্র পিছপা হন নি৷ অবিরাম চেষ্টা
চালিয়ে তিনি আজকের অবস্থানে এসেছেন৷
যেই জ্যাক মা চাকরির জন্য ৩০ বার
প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন সেই জ্যাক মার
প্রতিষ্ঠান আলিবাবা ডটকম চীনে নতুন করে
১৪ মিলিয়ন চাকরি তৈরি করেছে৷ জ্যাক মা
যখন আলিবাবা প্রতিষ্ঠা করেন তখন সবাই
তাকে পাগল বলত৷ টাইম মেগাজিনে জ্যাক
মা কে পাগল জ্যাক বলে অভিহিত
করেছিল৷কিন্তু জ্যাক মা আশাহত হন নি৷
তিনি চলেছেন আপন গতিতেই৷
আমাদের মত যুবকদের সামনে রয়েছে অফুরন্ত
সময়৷ আর সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে
আমরাও হতে পারি পৃথিবী বাসির কাছে
অনুসরণীয় ব্যাক্তি৷নিজেকে উদাহরণের
প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলতে পারি৷
পরিশেষে জ্যাক মার একটি বিখ্যাত উক্তি
দিয়ে শেষ করতে চাই৷ তিনি বলেছিলেন
"আমার মনে হয় পাগল হওয়া ই ভাল৷ আমরা
পাগল কিন্তু নির্বোধ নই"

04/11/2015

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cubicle Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Cubicle Digital:

Share