Digital E-Marketing

Digital E-Marketing Dear clints,
Wellcome our page. Boost your products, Grow your online Business. Connect Us Digital E
(246)

❤️🥰
26/02/2026

❤️🥰

❤️
24/02/2026

❤️

ফেসবুক মার্কেটিং এর বেসিক ধারনা, প্রয়োজনীয়তা। একটা প্রশ্ন উত্তর পোস্ট দেয়ার পর কিছু প্রশ্ন আসলো যে ফেসবুক মার্কেটিং টা আ...
01/04/2021

ফেসবুক মার্কেটিং এর বেসিক ধারনা, প্রয়োজনীয়তা।

একটা প্রশ্ন উত্তর পোস্ট দেয়ার পর কিছু প্রশ্ন আসলো যে ফেসবুক মার্কেটিং টা আসলে কি? ভাবি নাই এতো বেসিক লেভেলের প্রশ্ন আসবে, তবে ভাবা উচিত ছিলো আমার। কারন বেশির ভাগ ই নতুন আর "ফেসবুক মার্কেটিং" কি সেটা জানে না এরকম ই চিন্তা করতে হবে।

ফেসবুক মার্কেটিং কি সহজ করে যদি বলি তাহলে তুলনা দিবো নরমাল মার্কেটিং এর সাথে। তাহলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। বিভিন্ন জায়গায় আপনারা পোস্টার দেখেন, লিফটলেট বিলি করতে দেখেন, বিভিন্ন প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস এর উপর মাইকিং হয়, বিভিন্ন অফিসে অন্য অফিস থেকে কেউ এসে তাদের সার্ভিস অথবা প্রোডাক্ট অফার করে ইত্যাদি। এগুলি সব ই তো মার্কেটিং তাই না অথবা প্রচার, নিজের কোম্পানির। কিন্তু এগুলিকে আমরা বলছি অফলাইন মার্কেটিং, যেটা সরাসরি একজন মানুষ দেখছে।

এখন সেটাই যদি এমন ভাবে করা যায় যেটা মানুষ আরো সহজে দেখবে অথবা জানবে তাহলে কেমন হয়? এখান থেকে ই শুরু হয়ে গেলো অনলাইন মার্কেটিং এর কাজ। ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ। পোস্টার লাগাতে আপনার যে পরিমান টাকা কষ্ট ইত্যাদি সমস্যা হচ্ছে সেটার থেকে অনেক কম টাকায়, অনেক কম কস্টে আপনি ফেসবুক এ সেটা করতে পারছেন। ৫০০০ টাকা দিয়ে পোস্টার লাগিয়ে আপনি যতজন মানুষকে আপনার অ্যাড দেখাতে পারছেন সেই এক ই পরিমান টাকা খরচ করে ফেসবুক অ্যাড দিলে তার থেকে অনেক বেশি মানুষ দেখতে পারছে।

আমরা মূলত মার্কেটিং করে এমন জায়গায় যেখানে মানুষের যাতায়াত বেশি থাকে তাই নয় কি? একদম নির্জন একটা জায়গায় ১০টা পোস্টার লাগালে খুব লাভ হবে কি? তাই দেখবেন পোস্টার, লিফলেট ইত্যাদি এমন জায়গায় লাগানো হয় অথবা দেয়া হয় যেখানে মানুষ অনেক থাকে। এখন আপনি অনলাইন এর কথা চিন্তা করেন। ফেসবুক এর কথা চিন্তা করেন। কোথায় আপনি বেশি মানুষ পাবেন একটা রাস্তার মোড়ে নাকি ফেসবুক এ। একটা রাস্তার মোড়ে কি আপনার পছন্দ মত বয়সের, দেশের, এলাকার মানুষ পাবেন? মনে হয় না পাবেন কিন্তু ফেসবুক এ পাবেন। আমার মনে হয় আর কিছু বলার দরকার নেই ফেসবুক মার্কেটিং এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।

এটা আমার লেখা বই "ফেসবুক মার্কেটিং" এর প্রথম চ্যাপ্টার। যারা বইটি নিতে আগ্রহী তারা আমাকে ইনবক্স করতে পারেন

ফেসবুক মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি
১. অরগানিক মার্কেটিং
২. পেইড মার্কেটিং

অরগানিক মার্কেটিং কি
অরগানিক মার্কেটিং অথবা ফ্রি মার্কেটিং, চিন্তা করেন আপনি যখন কোন পোস্ট আপনার নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করেন সেখানে লাইক পড়ে, কমেন্ট পড়ে, শেয়ার হয় সেখানে কি আপনাকে টাকা দিয়ে অ্যাড দিতে হয়? না সেখানে টাকা লাগছে না। এটাকে আমরা বলছি অরগানিক মার্কেটিং।
আপনি যখন একটা পোস্ট আপনার ফেসবুকের পেজে অথবা গ্রুপে দিলেন সেই পেজের ফ্যান অথবা গ্রুপের অনেক মেম্বার এমনিতেই আপনার পোস্ট দেখবে, লাইক দিবে, কমেন্ট করবে, শেয়ার করবে এভাবে আপনার পোস্ট রিচড হবে।

পেইড মার্কেটিং কি
এখন কথা হচ্ছে যদি অরগানিক মার্কেটিং দিয়ে ই সবাই দেখে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে তাহলে পেইড মার্কেটিং করার কি দরকার? দরকার দুই জায়গায় একটা হচ্ছে আপনি যখন একটা পোস্ট পেজে অথবা গ্রুপে দিচ্ছেন এমন না কিন্তু যে সেই পেজের সবাই আপনার পোস্ট দেখছে। ৮-৯ % ফ্যান অথবা মেম্বার হয়তো আপনার পোস্টটা দেখতে পাবে।

আর একটা কারন পেইড মার্কেটিং এর সেটা হচ্ছে আপনার পেজের ফ্যান অথবা গ্রুপের মেম্বার অনেক কম থাকতে পারে সে ক্ষেত্রে আপনি যদি পেইড মার্কেটিং না করেন তাহলে কিভাবে মানুষ দেখবে আপনার পোস্ট

তাই পেইড মার্কেটিং এর গুরুত্ব সব থেকে বেশি, ফেসবুক ও এটাকেই বেশি গুরুত্ব দেয় যেমন
- আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বয়স, ছেলে নাকি মেয়ে, অবস্থান, ইন্টারেস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি সেট করে ফেসবুক এ অ্যাড দিতে পারবেন।
-আপনি কোন কোন দেশে আপনার অ্যাড পৌছাতে পারবেন সেটার সুবিধা ও এখানে আছে
- আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস অনুযায়ী ফেসবুক এর বড় বড় পেজকে টার্গেট করা যাবে তাতে শুধু সেই সব পেজের ফ্যানদের কাছে আপনার অ্যাড যাবে
- আপনার ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে পিক্সেল এর সিস্টেম করে রাখলে আপনার ওয়েব সাইট ভিজিটররা নিয়মিত আপনার ফেসবুক এর অ্যাড তাদের টাইমলাইনে দেখতে পাবে।
বুঝতেই পারছেন পেইড মার্কেটিং এর কত সুবিধা, সাথে অরগানিক মার্কেটিং ও করে যেতে হবে।

কি কি লাগবে ফেসবুক মার্কেটিং করতে

- ফেসবুক আইডি মানে হচ্ছে পারসোনাল আইডি
- ফেসবুক পেজ
- ফেসবুক গ্রুপ
ফেসবুক আইডি- ফেসবুক আইডি তো লাগবেই আপনার কারন সেটা দিয়ে ই আপনি পেজ, গ্রুপ ওপেন করবেন। পেজ, থেকে গ্রুপ থেকে অন্য কোন পেজ অথবা গ্রুপে শেয়ার করতে চাইলে ও আপনার পারসোনাল একাউন্ট থেকে করতে হবে

আবার আপনি যদি মনে করেন আপনি নিজের কোন পোস্ট দিয়ে আপনার ব্রান্ড কে তুলে ধরবেন সেটা ও আপনি আপনার পারসোনাল পেজ থেকে করবেন

ফেসবুক পেজ- ফেসবুক পেজকে মূলত অফিসিয়াল পেজ বলা যেতে পারে, যেমন ধরেন আপনার প্রোডাক্ট হচ্ছে জামা কাপড় ইত্যাদি তাহলে আপনাকে একটা পেজ করতে হবে একটা নাম দিয়ে, এরপর আপনি সেই পেজের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করবেন যেমন

- আপনার প্রোডাক্ট এর ছবি আপলোড দিলেন
- বিভিন্ন রকম উপকারি পোস্ট দিলেন
- আপনার প্রোডাক্ট এর পোস্টে পেইড অ্যাড দিলেন
- কন্টেস্ট এর আয়োজন করলেন ইত্যাদি
তবে এখানে যে পোস্টগুলা যাবে সব আপনার পেজের নামে যাবে, কোন পারসোনাল আইডির নামে যাবে না।

ফেসবুক গ্রুপ-
ফেসবুক গ্রুপ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে, পাবলিক, ক্লোজ, সিক্রেট, তবে পাবলিক গ্রুপ টা হচ্ছে বেশি জনপ্রিয়, সবাই যে এটা মার্কেটিং এর জন্য করে সেটা ও না। পেজ আর গ্রুপের পার্থক্য হলো পেজে শুধু পেজের নামে পোস্ট হয়, গ্রুপে অ্যাডমিন, মডারেটর সহ গ্রুপের যে কোন মেম্বার পোস্ট করতে পারে। তবে গ্রুপের অ্যাডমিন, মডারেটরের এপ্রুভালের দরকার হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। এপ্রুভাল সিস্টেম না থাকলে অনেকে উল্টা পাল্টা পোস্ট দিয়ে গ্রুপের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে। আপনি গ্রুপের মাধ্যমে বড় একটা কমিউনিটি করতে পারেন, এরপর আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং সেখানে ও করতে পারেন।

মনে রাখবেন মার্কেটিং মানেই হচ্ছে আপনাকে এমন জায়গায় যেতে হবে যেখানে মানুষের ভিড় আছে। আর আপনার ফেসবুক এর আইডি, পেজ, গ্রুপে যদি মানুষের ভিড় থাকে তাহলে মার্কেটিং কেন করবেন না।

যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে, মার্কটিং করতে।

:)

★পেইজ প্রোমোশনে থাকছে দারুন অফার★✅১০০০+ লাইকস ৪৫০ টাকা।✅২০০০+ লাইকস ৯০০ টাকা। ✅৩,০০০+ লাইকস ১,৩৩০ টাকা। ✅৫,০০০+ লাইকস ২,...
30/03/2021

★পেইজ প্রোমোশনে থাকছে দারুন অফার★
✅১০০০+ লাইকস ৪৫০ টাকা।
✅২০০০+ লাইকস ৯০০ টাকা।
✅৩,০০০+ লাইকস ১,৩৩০ টাকা।
✅৫,০০০+ লাইকস ২,২০০ টাকা।
✅১০,০০০+ লাইকস ৪,৩০০ টাকা।
✅২০,০০০+ লাইকস ৮,৫০০ টাকা!!
✅৫০,০০০+ লাইকস ২১,৫০০ টাকা।
✅ ১০০,০০০+ লাইকস ৪২,০০০ টাকা।
✅ ২০০,০০০+ লাইকস ৮০,০০০ টাকা।
Promote করার আগে আপনাকে টাকা দেওয়া লাগবেনা,
Promote শুরু হবার পর আমরা টাকা নিয়ে থাকি।


+8801993277881
+8801735159232

💥আমরা ইউ-এস ডলার দিয়ে পেজ প্রোমোট/পোস্ট বুস্ট করে রিয়েল বাংলাদেশি এক্টিভ লাইক/রিচ/ভিউস এর ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে কাজ করে থাকি।
★প্রতি ডলার এর দাম ১০০ টাকা করে★

☎️বিস্তারিত জানতে আজই কল করুন-৷৷
Call: 83162684 (What'sApp & imo)
Office: East Razabazar, House 63.
Farmgate Dhaka.

ডিজিটাল ই-মার্কেটিং পরিবারের পক্ষ থেকে সকল গ্রহকদের কে জানাই মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
26/03/2021

ডিজিটাল ই-মার্কেটিং পরিবারের পক্ষ থেকে সকল গ্রহকদের কে জানাই মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

Alahamdulillah :) Our results too good 😍Stay connected Digital E-Markeiting  👈🏻
06/01/2021

Alahamdulillah :)

Our results too good 😍

Stay connected Digital E-Markeiting 👈🏻

ব্যবসার প্রচারের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং কেন করতে হবে?একটু কল্পনা করুন তো-ঘরে বসেই নিজের পণ্য, সেবা বা ব্যবসার প্রচারণা বি...
29/12/2020

ব্যবসার প্রচারের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং কেন করতে হবে?

একটু কল্পনা করুন তো-

ঘরে বসেই নিজের পণ্য, সেবা বা ব্যবসার প্রচারণা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে করা যায়। এমনকি কাঙ্খিত গ্রাহকদের কাছে খুবই কার্যকরী উপায়ে প্রচারণা চালিয়ে নিজের ব্যবসার প্রসার ঘটানো যায়।

না, এসব কোনো কল্পনা নয়; বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়গুলোকে বাস্তবে রূপদান করেছে। অপরদিকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর সর্বাধিক সমৃদ্ধ ক্ষেত্র, ফেসবুক মার্কেটিং ব্যবসার প্রচারণায় যোগ করেছে এক নতুন মাত্রা। এতো সহজে, এতো নির্দিষ্ট ভাবে ও এতো কম খরচে প্রায় ১৫০–২৫০ কোটি মানুষের কমিউনিটিতে প্রচারনার সুযোগ অবিশ্বাস্যই বটে। ফেসবুক মার্কেটিং ছাড়া যেনো ব্যবসার প্রচার ও প্রচারণা কিছুটা অপূর্ণই থেকে যায়, বিশেষ করে ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে।

তাহলে জেনে নেওয়া যাক ফেসবুক মার্কেটিং এর গুরুত্ব, বিভিন্ন দিক, কৌশল এবং সুবিধা।



ফেইসবুক মার্কেটিং কী?

খুব সহজ ভাবে বলা যায়, ফেসবুকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার প্রচার বা বিজ্ঞাপন দেওয়াই হলো ফেসবুক মার্কেটিং। যেমন ধরুন, ‘ক’ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবাকে বিশাল পরিসরে এবং তার টার্গেট মার্কেটে বিজ্ঞাপন আকারে তুলে ধরলো, তাহলে এটাই ফেসবুক মার্কেটিং।

ফেসবুক মার্কেটিং হতে পারে দুই ভাবে। একটি বিজনেস পেজ খুলে নিজ প্রচেষ্টায় ব্যবসার প্রচারণা চালালে তা অর্গানিক বা ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং। আপরদিকে টাকার বিনিময়ে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রদান করলে সেটাকে ফেসবুক পেইড মার্কেটিং বলা হয়।

ফেইসবুক মার্কেটিং নিয়ে কিছু ইনফরমেশন

২০০৬ সালে মাইস্পেস ছিলো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর এক বড়ো নাম। তবে ২০০৮ সালের মধ্যেই সর্বাধিক ব্যবহৃত সোশ্যাল নেটওয়ার্কে পরিণত হয় ফেসবুক। আর বিগত দশকের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে, অন্যতম বড়ো একটি মার্কেটপ্লেসে পরিণত হয়েছে ফেসবুক। আসুন নিচের ইনফোগ্রাফি থেকে ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক:

Source: Statusbrew, David Wehner (Facebook CFO), Case Study By Buffer, Study By Wordstream, Sproutsocial.

এছাড়াও, ৯৫.৮% সোশ্যাল মিডিয়া মার্কটারদের মতে, সবথেকে কার্যকর মার্কেট হলো ফেসবুক। অন্যদিকে ৯৪% সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার ফেসবুক মার্কেটিং করেন।

বিজনেসের জন্য ফেইসবুক মার্কেটিং কেন প্রয়োজন?

যদি বলা হয় যে, বিজনেসের জন্য ফেসবুক মার্কেটিং অত্যাবশ্যক বা করতেই হবে, তবে খুব ভুল বলা হবে না। হোক সেটা অর্গানিক বা পেইড বিজনেসের জন্য।

ফেসবুক মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা:

সমৃদ্ধ এক বিজ্ঞাপন সেগমেন্টের মাধ্যমে সহজেই টার্গেটেড অডিয়েন্সের পেতে।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ক্রেতাদের মাঝে মিথষ্ক্রিয়া বাড়তে।
বিশেষ করে ছোট ব্যবসার বা নতুন ব্যবসার ক্ষেত্রে অর্গানিক বা খুব কম খরচে প্রচার করতে।
ব্র্যান্ড এওয়ারনেসও গড়ে তুলেতে।
সর্বোপরি, বর্তমান সময়ে ব্যবসার প্রচারণা ও প্রসারের দৌড়ে টিকে থাকতে প্রয়োজন ফেসবুক মার্কেটিং।
ফেসবুক পেইড মার্কেটিং কী?

ফেসবুকের বর্তমান অ্যালগরিদম অর্গানিক রিচের মাত্রা একদম কমিয়ে দিয়েছে (২.৬%)। এমত অবস্থায়, ‘ক’ যদি টাকার বিনিময়ে বিশাল পরিসরে, বা তার কাঙ্খিত এলাকায় এবং কাঙ্খিত ব্যক্তিদের, বা যারা তারা পণ্য ও সেবায় আগ্রহী হবে, এমন ব্যক্তিদের নিকট নিজের পন্য ও সেবার বিজ্ঞাপন পাঠায় বা প্রমোট করে, তাহলে সেটাই হবে ফেসবুক পেইড মার্কেটিং।

এক্ষেত্রে ফেসবুক বিজ্ঞাপন সেগমেন্টের ব্যবহার করে, বিভিন্ন দিক (ডেমোগ্রাফিক্স, টার্গেটিং অপশনস ইত্যাদি) বিবেচনায় নিয়ে টার্গেট বা কাঙ্খিত অডিয়েন্স নির্ধারণ করা যায় খুবই কার্যকরী উপায়ে। এই বিশেষ ফিচারটি খুবই ফলপ্রসূ এবং বিশ্বের অন্য কোনো সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এমন ফিচার নেই। (টার্গেট অডিয়েন্সের বিষয়ে আমরা একটু পরেই জানবো।

ফেইসবুকের মাধ্যমে মার্কেটিংয়ের সুবিধা

ব্যবসার প্রচার ও প্রসারে অভূতপূর্ব সুবিধা দিয়ে দিন দিন নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে ফেসবুক মার্কেটিং। তাহলে সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক এর সুবিধাগুলো:

মাসিক হিসেবে ১৫০-২৫০ কোটি মানুষের বিশাল কমিউনিটিতে বিশাল পরিসরে প্রচারণা ও টার্গেট মার্কেট গড়া যায়।
টার্গেটেড অডিয়েন্সের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনকে শতভাগ কার্যকর করা যায়। এই সুযোগ অন্য কোনো মাধ্যমে নেই।
যেকোনো সময় বিজ্ঞাপনের স্টেটাস চেক, বিজ্ঞাপন বন্ধ, নতুন বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
ক্রেতাদের সাথে নিজ প্রতিষ্ঠানের সুসম্পর্ক গড়ে উঠে।
অন্যান্য মার্কেটিং মিডিয়ার সাথে সুসম্পর্কের সুযোগ।
নতুন ব্যবসা এবং ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে একক প্রচেষ্টায়, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রচার করা যায়।
বিনামূল্যে বা খুব কম খরচে প্রচারণা।

ব্র্যান্ড এওয়ারনেস বা বিজনেস প্রসারিত করার সুবিধা।
ফেসবুক মার্কেটিং কীভাবে করতে হবে?


প্রথম কথা, সবকিছুর শুরু হয় মূলত একটা বিজনেস পেজ থেকে। তাই একটা বিজনেস পেজ খুলে, সেটাকে আগে বিজনেসের জন্য উপযোগী করতে হবে। নিয়মিত আপডেট করলেই বা ভালো রিচ থাকলে হবে না, পেজের সেটিংস, প্রোফাইল, লোগো এবং কাভার ফটোর দিকে নজর রাখতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে সামনের পদক্ষেপ গুলোর জন্য।

পর্যাপ্ত রিসোর্স না থাকলে অর্গানিক ভাবে একটা ফ্যান বেইজ গড়ে তোলা যেতে পারে। তবে বর্তমানে ফেসবুকের অ্যালগরিদমে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। তাই এটাই সত্যি যে অর্গানিক পদ্ধতিতে খুব বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তাই ভালো ফলাফল আশা করতে হলে, এখন ছোট বা বড়, যেকোনো ব্যবসার ফেসবুক পেইড মার্কেটিং করতে হবে।

পেইড মার্কেটিং আপনি নিজেও করতে পারেন। সেক্ষেত্রে মার্কেটিং স্টার্টেজি সম্পর্কে দক্ষতা থাকতে হবে। অপরদিকে অতিরিক্ত ফি প্রদান করে ফেসবুক মার্কেটিং এক্সপার্টদের সাহায্য নিয়েও কাজটি করতে পারেন (এক্ষেত্রে আমরা আপনাকে সহযোগীতা করতে পারব)। বর্তমানে পেইড মার্কেটিং এর প্রভাব খুব বেশি, আর স্বাভাবিকভাবেই খুব কার্যকরী।



ফেসবুক মার্কেটিং করতে যা জানতে হবে
একটা বিজনেস পেজ খুলে ফেললেই আপনা-আপনি ব্যবসার কোনো পরিবর্তন আসবে না। ফেসবুক মার্কেটিং এ সফল হতে হলে থাকতে হবে বিভিন্ন বিষয়ে অনেক টেকনিক্যাল জ্ঞান। ফেসবুকে মার্কেটিং করতে যা যা জানতে হবে:

পেজ তৈরি করা, পেজের সেটিংস অপটিমাইজ করা ও বিজনেসকে ফুটিয়ে তোলার কৌশল।
ফেসবুক অ্যালগোরিদম নিয়ে ধারনা থাকা আবশ্যক।
ফেসবুক ওপেন গ্রাফ বা কন্টেন্টের উপস্থাপনা।
ফেসবুক পিক্সেলের ভূমিকা।
বিজ্ঞাপন সেগমেন্টের টার্গেটিং ও ডেমোগ্রাফিক অপশনের ভূমিকা।
সোশ্যাল মিডিয়ার “৮০-২০” নিয়ম বা এক তৃতীয়াংশ নিয়ম জেনে কন্টেন্ট মিক্সিং।
এছাড়াও পেজের অ্যাক্টিভিটি রাখতে আরো অনেক বিষয়ে সম্পর্কে জানতে হবে। যেমন: পোস্টের টাইমিং, রিচ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি।
টার্গেটেড অডিয়েন্স নিয়ে আলোচনা

যে সকল ফেসবুক ইউজারদের কাছে বিজ্ঞাপন পৌঁছানো বা দেখানো হবে তারাই হলো টার্গেটেড অডিয়েন্স। কোন নির্দিষ্ট এলাকার বা নিদিষ্ট বৈশিষ্ট্যের (আয়, শিক্ষা, আগ্রহ, আচরণ ইত্যাদি) ইউজারদেরকে সম্ভাব্য গ্রাহক হিসেবে ধরে নিয়ে টার্গেট মার্কেট গড়ে তোলা হয়। ফেসবুক বিজ্ঞাপন সেগমেন্টে রয়েছে অসংখ্য টার্গেটিং এবং ডেমোগ্রাফিক অপশন।



অন্যতম কিছু টার্গেটিং অপশন হলো:


ডেমোগ্রাফিক: জনসংখ্যার সাথে সম্পৃক্ত সব ডেটাই (বয়স, লিঙ্গ, আয়, সহ অন্যান্য বিষয়) হলো ডেমোগ্রাফিক। সাধারণত একটি ব্যবসার পণ্য বা সেবায় কোনো বয়সের, লিঙ্গের, আয়ের বা রিলেশনশিপের মানুষ আগ্রহী হবে, এসব বিবেচনায় নিয়ে টার্গেটেড অডিয়েন্স গঠন করা হয়। যেমন: ‘ক’ এর বাচ্চাদের খেলনার ই-কমার্সের বিজনেসের মূল টার্গেট হবে বিবাহিত ইউজাররা।
লোকেশন (এলাকা): দেশ, শহর, স্থানীয় এলাকা, এমনকি জিপ কোড ব্যবহার করেও টার্গেট করা সম্ভব।
ইন্টারেস্ট (আগ্রহ): পণ্য বা সেবার ধরণ বুঝে নির্ধারণ করতে হয় যে কোন আগ্রহের মানুষ আপনার পণ্য বা সেবাতেও আগ্রহী হবে। যেমন: ‘ক’ এর যদি বই বিক্রয়ের ই-কমার্স বিজনেস থাকে, তাহলে যারা বিভিন্ন পাবলিকেশন ও লেখকের পেজ ফলো করেছে, তারা হবে ‘ক’ এর টার্গেটড অডিয়েন্স।
বিহেভিয়ার (আচরন): ফেসবুক পিক্সেলের সাহায্যে বিশেষ আচরণের ইউজার ট্রাক করা হয়। যেমন: যারা সাম্প্রতি ‘ক’ এর ওয়েবসাইটে পণ্যের দাম চেক করেছে বা ব্লগে সাবস্ক্রাইব করেছে। এই টার্গেটিং খুব বেশি ফলপ্রসূ।
সঠিকভাবে টার্গেটড অডিয়েন্স নির্ধারণ করার উপর নির্ভর করে ফেসবুক মার্কেটিং এর সফলতা।



ফেসবুক মার্কেটিং টিপস এন্ড ট্রিক্স

ফেসবুক মার্কেটিং এর কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্স, যা না জানলেই নয়-

প্রথম দেখাতেই ভালো ইমপ্রেশন আসবে বা সবাইকে আর্কষণ করতে পারবে, পেজের এমন আউটলুক থাকতে হবে। পেজ সেটিংস অপটিমাইজ করা, হাই কোয়ালিটি ও সঠিক সাইজের হতে হবে প্রোফাইল ফটো (লোগো) ও কাভার ফটো সেট করতে হবে।
ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পোস্ট, কমেন্ট, আপডেট দিয়ে সক্রিয় ফ্যানবেজ গড়ে তুলতে হবে।
ব্যাপকভাবে অডিয়েন্স রিসার্চ করতে হবে; রিসার্চ না করে বিশাল পরিসরে টার্গেট করা ভু্ল। টার্গেটিং অপশন কাজে লাগিয়ে, টার্গেট মার্কেট তৈরি করা অত্যাবশ্যক।
কোন সময় পোস্ট করলে পোস্টের রিচ, অডিয়েন্সের রেসপন্স ও অডিয়েন্সের কেমন হবে তা বিশ্লেষণ করে পোস্ট টাইমিং ঠিক করতে হবে।
কন্টেন্ট মিক্সিং ও কন্টেন্ট ক্যালেন্ডার অত্যাবশ্যক। কারণ বিশ্বাস ও সম্পর্ক স্থাপনই আসল উদ্দেশ্য। কন্টেন্ট মিক্সিং এ সোশ্যাল মিডিয়ার “৮০-২০” (৮০% কন্টেন্ট শিক্ষা, বিনোদন ও তথ্যমূলক; ২০% বিজনেসের প্রচারণা) বা এক তৃতীয়াংশ নিয়ম (বিনোদন, সুসম্পর্ক এবং প্রচারণা-এমন তিনটি ভাগ ফলো করতে হবে।

সবগুলো মেসেজ, রিভিউ ও কমেন্টের দ্রুত রেসপন্স দিয়ে মিথষ্ক্রিয়া বাড়াতে হব। পুল ও মতামত পর্বও প্রয়োজনীয়।
ফেসবুকের অন্যান্য টুল ব্যবহার করতে হবে। যেমন: ফেসবুক গ্রুপ, বিজনেস ম্যানেজার, চ্যাটবট ইত্যাদি।
মোদ্দাকথা, সবাই ফেসবুক ব্যবহার করবে’-এমন সময় আসতে খুব বেশি দেরি নেই। এখনও প্রতিদিন ৫ লাখ নতুন ফেসবুক অ্যাকউন্ট তৈরি হয়। একই সাথে, প্রতিদিনই অসংখ্যা বিজনেস পেজ তৈরি করা হয়। এমনকি অনেক ব্র্যান্ড গড়ে উঠে ফেসবুক মার্কেটিং থেকে। আর ছোট বিজনেস হলো তো একমাত্র উপযোগী অপশন হলো ফেসবুক মার্কেটিং। কারণ এতো কম খরচ, এমন টার্গেটিং ও রিচের সুযোগ আর কোথাও নেই।



আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে ব্যবসার প্রচারে ফেসবুক মার্কেটিং এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন।

🟦ফেসবুক পেইড মার্কেটিং এর সুবিধা কি কি- 📢✅ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়া সহজে প্রচার ঘটানো যায়।✅যেকোনো জায়গা, শহর,...
04/12/2020

🟦ফেসবুক পেইড মার্কেটিং এর সুবিধা কি কি- 📢

✅ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়া সহজে প্রচার ঘটানো যায়।
✅যেকোনো জায়গা, শহর, দেশ বা লোকাল এরিয়া টার্গেট করে পন্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
✅নির্ধারিত পন্যের টার্গেট করা মানুষের কাছে প্রোডাক্ট পৌছানো সম্ভব হয়।
✅বিভিন্ন বয়সের মানুষকে টার্গেট করে প্রোডাক্ট মার্কেটিং করা যায়।
✅অন্যান্য মার্কেটিং এর তুলনায় অল্প খরছে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
✅অনলাইনে কোম্পানির ব্রান্ড তৈরি করার জন্য ফেসবুক সবচাইতে সহজ মাধ্যম।
✅ব্লগ/ওয়েবসাইট প্রচারের সহজ মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক।

➡এ ছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ফেসবুক মার্কেটিং এর অনেক সুবিধা রয়েছে। যত দিন যাবে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং ফেসবুক মার্কেটিং এর চাহিদা তত বাড়তে থাকবে। কাজেই ফেসবুকে আপনার কোম্পানির ব্রান্ড তৈরি করতে পারলে, ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং করাটা আপনার জন্য বেশ সহজ হবে। 🚀🔥

ফেসবুক বুস্টে চলছে নতুন বাটপারি। অবশ্য এটা একদম নতুন নয়। আগে কুপনের ডলার শেষ হবার পর চলত এই বাটপারি। আর এখন চলে কুপনের এ...
03/12/2020

ফেসবুক বুস্টে চলছে নতুন বাটপারি।

অবশ্য এটা একদম নতুন নয়। আগে কুপনের ডলার শেষ হবার পর চলত এই বাটপারি। আর এখন চলে কুপনের এড অ্যাকাউন্ট এর বিলিং থেরাসহোল্ড দিয়ে অথবা নতুন একটা এড অ্যাকাউন্ট খুলেও এই বাটপারি চলতে পারে। তার আগে আমরা একটু জেনে নিই ফেসবুক এড কুপন কি? খুব ছোট আকারে বলি ফেসবুক তাদের নতুন ব্যবহারকারীদের কে প্রমোশনাল উপহার হিসেবে এড কুপন দিয়ে থাকে যেটার মাধ্যমে বিনামূল্যে ফেসবুকে বা ইন্সটাগ্রামে এড দেয়া যায়। এটার অফিসিয়াল নাম এড ক্রেডিট। ৫/১০/১৫ এবং ২৫ ডলার মুল্যমানের এড কুপন এক সময় বেশি দিত।
এই কুপন রিডিম করার জন্য ভারচুয়াল মাস্টার কার্ড ব্যাবহার হয়ে থাকে।
যতটুকু গিফট দেয়া হয় ঠিক ততটুকু ব্যাবহার করলে আপনার পেইজ সেইফ। আপনার পেইজের কোনো ক্ষতি হবেনা।


কীভবে বাটপারি হয়?

কুপনের ডলার ব্যবহার করা শেষ হয়ে গেলে ফেসবুক আরও ২/১০/২৫ ডলার ব্যবহার করার সুযোগ দেয় বুস্ট করার জন্য। এটাকে বলা হয় বিলিং থেরাসহোল্ড। একটা এডের বিল যখন ২/১০/২৫ ডলার বা বিলিং থেরাসহোল্ডে পৌঁছে যায় তখন অটোমেটিকভাবে বিল কেটে নেয়ার কথা কার্ড থেকে। যেহেতু কার্ডে ব্যালেন্স থাকে না তাই সেই পেমেন্ট টা ডিক্লাইন হয়। এতে করে ঐ পেজের বিল ডিউ থেকে যায়। আর বিল ডিউ থেকে গেলে সেটা অন্য কোন অ্যাকাউন্ট থেকে আর পরিশোধ করার ব্যবস্থা নেই। ডিউ পরিশোধ করতে হলে ঐ এড অ্যাকাউন্ট এ নতুন আরেক টা ভ্যালিড কার্ড লাগিয়ে তা পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু যারা বাটপারি করে ডিউ ফেলায় তাদের নিকট থেকে কখনই ডিউ পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন না।

কীভবে বুঝবেন বাটপারি হচ্ছে?

যারা বাটপারি করে তারা অনেক কম রেটে বুস্ট সার্ভিস দেয়ার জন্য অফার দেয়। তারা এখন ২ ডলারের বেশি বুস্ট করতে পারে না। ২ ডলার খরচ হলে তারা বলবে অ্যাকাউন্ট এর সমস্যা। এর পর তারা অন্য আরেক টা অ্যাকাউন্ট থেকে আবার ২ ডলারের বুস্ট দিবে। এমনিভাবেই চলে তাদের বুস্ট সার্ভিস। কখনও তারা বুস্ট করতে পারে আবার কখনও পারে না। অনেক সময় ফেসবুক তাদের বুস্ট করা এড আপ্রুভ করে আবার এড রিজেক্ট করে দেয়। তবে তাদের ২ এর ঘরের নামতা চলতেই থাকে। তাদের কে যদি বলা হয় পেমেন্ট প্রুফ দিন তখন তারা সেটা দিতে পারবে না।
বিল ডিউ থাকলে কি পেজের ক্ষতি হয়?
ফেসবুকের পেমেন্ট ডিউ থাকলে পেজের নানা রকম ক্ষতি হতে পারে। যেমন – ফেসবুক পেজকে এড রেস্ট্রিকটেড করে দিতে পারে। এতে করে আপনি ঐ পেজের কোন পোস্ট বুস্ট করতে পারবেন না। পেজের রিচ এবং ভিউ কমে যেতে পারে। পেজের এড আপ্রুভ নাও হতে পারে।

আপনার কাছে আপনার বিজনেস পেজ অতি মুল্যমান। এটাকে কখনই নস্ট হতে দিবেন না। তাই কোন এজেন্ট বা ব্যক্তির নিকট থেকে বুস্ট সার্ভিস নেয়ার সময় তাদের ব্যাপারে ভাল করে খোঁজ খবর নিয়ে বুস্ট করুন। তাদের ব্যবসায়িক সুনাম দেখুন। পেমেন্ট মেথড ভ্যালিড কিনা এসব দেখে নিন। প্রয়োজনবোধে পেমেন্ট প্রুভ এর স্ক্রিনশট চেয়ে নিন। বাটপারের ফাঁদে যেন পা না পড়ে সে ব্যাপারে এখনই সাবধান হোন।

Address

Gazipur
1730KAPASIA

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801320371443

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital E-Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digital E-Marketing:

Share

Boost

For Boost. Contact us