Freelancer Jakir

Freelancer Jakir ডিজিটাল মার্কেটিং সংক্রান্ত সকল ধরনের ইনফরমেশন জানতে ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন ।নতুন নতুন আপডেট পাবেন।

আমি মোঃ জাকির হোসেন । ডিজিটাল মার্কেটিং স্পেশালিস্ট। ওয়েব কোডার আইটি থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ট্রেনিং করেছি।
বর্তমানে ফাইবার আপওয়ার্ক সহ সকল ধরনের মার্কেটপ্লেসে এবং আউট অফ মার্কেটপ্লেসে কাজ করে করিতেছি। এপর্যন্ত প্রায় ২০০ প্লাস প্রজেক্ট কমপ্লিট করেছি। আমার অর্জিত ডিজিটাল মার্কেটিং সংক্রান্ত জ্ঞান সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আমি এই পেজটি তৈরি করেছি। অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং করতে গিয়ে বি

ভিন্ন প্রবলেম ফেস করে আবার অনেকেই না জেনে কোন কাজ করতে যেয়ে পলিসি ভায়েলেশনে পড়ে যায়। আবার অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং সংক্রান্ত জানতে চায়। আমার উদ্দেশ্য হলো আমার জ্ঞান অনুযায়ী সবাইকে যথাসাধ্য সাহায্য করা। আমি চেষ্টা করব সবাইকে সাহায্য করার জন্য । যে কেহ যেকোনো বিষয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে জানার জন্য আমাকে মেসেজ করবেন আমি সাথে সাথে রিপ্লে দেওয়ার চেষ্টা করব যদি সময়সল্পতার কারণে সাথে সাথে রিপ্লে না দিতে পারি তাহলে একটু ধৈর্য ধরে থাকবেন ।আমি সময় পেলেই আপনাদের প্রশ্নের রিপ্লে দিব এবং সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।

ফেসবুক অ্যাড বা বুস্টিং সার্ভিস নেয়ার আগে - এই সার্ভিসটা সম্পর্কে ভালোভাবে আপনার বুঝা উচিত।প্রথমত, সবার আগে আপনার বুঝা উ...
07/08/2023

ফেসবুক অ্যাড বা বুস্টিং সার্ভিস নেয়ার আগে - এই সার্ভিসটা সম্পর্কে ভালোভাবে আপনার বুঝা উচিত।

প্রথমত, সবার আগে আপনার বুঝা উচিত বা জানা উচিত ফেসবুক অ্যাড কি আর ফেসবুক পোস্ট বুস্ট কি। আফসোসের সাথে বলতে হয়, ১০ মিনিট সময় ব্যয় করে আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বুঝার সুযোগ হয়না। যার ফলে অনেক উদ্যোক্তা প্রাথমিকভাবে বুস্ট করে কিছু সেল পেলেও একটা সময় পার হলে, বিজনেসের আর কোন অগ্রগতি না হলে ঠিকই তখন এই অ্যাড বা বুস্ট সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন।

অধিকাংশ উদ্যোক্তা ফেসবুক অ্যাড বা বুস্ট সার্ভিস নিতে চান অনেকটা এভাবেঃ

প্রশ্নঃ স্যার, ডলার রেট কত করে? আমার পেজটা বা একটা পোস্ট বুস্ট করে দিতে হবে। ভালো সেল এনে দিতে হবে, তাহলে কন্টিনিউ আপনাকে দিয়ে বুস্ট করাব।

যিনি সার্ভিস দেন তার উত্তরঃ ডলার রেট ১৩০ বা ১৫০ ইত্যাদি (জাস্ট ফর উদাহরণ)। পেজের এক্সেস নেন, এরপর ৫ ডলার বা ১০ ডলার এর বুস্ট মেরে দেন। কিছু টার্গেট দিলে দেন, তা না হলে ব্ল্যাংক টার্গেটে বুস্ট করে দেন। ফলাফল কারো রেজাল্ট ভালো, কারো রেজাল্ট খারাপ।

এবার আসি মূল কথায় - ফেসবুক অ্যাড বা বুস্ট আসলে কিভাবে করা উচিত?

দেখুন, বিজনেস অনুযায়ী বা প্রোডাক্ট অনুযায়ী সেটার মার্কেটিং স্ট্রাটেজি ভিন্ন হবে। সো, আপনার বিজনেসে কোনটা, কখন, কিভাবে স্টেপ বাই স্টেপ করা উচিত সেটা বুঝতে হলে আপনাকে টোটাল বিষয়গুলো বুঝতে হবে।

একটা অ্যাড দেয়ার আগে করণীয় কি কি?

১. যে প্রোডাক্টের অ্যাড দিবেন, সেটা কোন অডিয়েন্সের জন্য? তাদের লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, বয়স, প্রফেশন, লোকেশন, ইন্টারেস্ট, বিহ্যাভিয়ার ইত্যাদি সহ আরো অনেক বিষয় রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা থাকতে হবে।

২. আপনার অডিয়েন্স কোন চ্যানেলে এক্টিভ বেশি, কোথায় অ্যাড দিলে খুব সহজে তাদেরকে রিচ করতে পারবেন সেটা আপনাকে জানতে হবে। যদি আপনার অডিয়েন্স ইনস্টাগ্রামে বেশি এক্টিভ থাকে তাহলে ফেসবুকে অ্যাড দিয়ে তো লাভ নাই, তাই না? সো, সঠিক মার্কেটিং চ্যানেল ব্যবহার করতে হবে।

৩. আপনার প্রোডাক্টের USP কি সেটা সম্পর্কে আপনার ক্লিয়ার ধারণা থাকতে হবে। প্রোডাক্টের উপকারিতা বা প্রোডাক্টটি কাস্টমারের কি সমস্যার সমাধান করবে, কিভাবে করবে, কাস্টমারের লাইফে কিভাবে পরিবর্তন আনবে ইত্যাদি বিষয় অডিয়েন্সের সামনে তুলে ধরতে হবে। এখন এটা হতে পারে, ভিডিও বা ইমেজ বা লেখা যেভাবে আপনার জন্য ইজি হয় এবং অডিয়েন্সও বুঝবে সেভাবেই এই কাজটা করতে হবে।

৪. কন্টেন্ট তৈরি হয়ে গেলে অ্যাড কপি কি হবে সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে। কাস্টমারের এটেনশন গ্রাব করার জন্য পাওয়ার ফুল হুক ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আই ক্যাচিং ইমেজ, প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি বা প্রফেশনাল ভিডিও ইত্যাদির প্রয়োজন হবে।

৫. এরপর আসবে ফেসবুক অ্যাড। সো বুঝতেই পারতেছেন, আগের কাজ গুলো কয়জন করে। এটা কে করে দিবে? উদ্যোক্তা যিনি সার্ভিস নিবে, নাকি যিনি সার্ভিস দিবে?

যদি যিনি সার্ভিস দিবেন তার কাছ থেকে নিতে চান সে আপনাকে কখনো ডলার রেট হিসেবে সার্ভিস দিবে না। ফেসবুক অ্যাড বাবদ ডলার কষ্ট আপনি দিবেন যা আসবে তাই, আর উপরের যে কাজ গুলো সেগুলো সম্পর্কে উনি রিসার্চ করে, প্ল্যান তৈরি করে আপনার সাথে বসে সবকিছু রেডি করে ফেসবুক অ্যাডে যাবে এবং এই রিসার্চ, প্ল্যানের জন্য তাকে আলাদা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে, হতে পারে সেটা 2 হাজার বা ৫ হাজার , ৫০ হাজার ইত্যাদি।

এখন আপনি চিন্তা করেন- আপনি কার থেকে সার্ভিস নেন আর কি ধরণের সার্ভিস নেন। অনেকেই বলবে, নতুন উদ্যোক্তা, শুরুতে এত টাকা কই পাবে হ্যানত্যান অনেক কিছু। আমি বলব ভাই বিজনেস তো বিজনেস। টাকা কামাবেন, টাকা ঢালবেন না সেটা তো হবে না। আপনার টাকা ঢালার সামর্থ্য না থাকলে আপনার জন্য অল্টারনেট কি ওয়ে আছে সেভাবে কাজ করুন। বাট আপনাকে নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে, অন্যথায় হতাশ হয়ে যাবেন।

অনেক কঠিন কঠিন কথা বললাম - এবার আসি আমাকে অনেকে প্রশ্ন করবেন আমি সার্ভিস দেই কিনা?

উত্তরঃ আমার সার্ভিস দেয়ার সময় নাই, কেননা আমি প্রতিনিয়ত শিখি, নিজের বিজনেসে এপ্লাই করি এবং আমার যারা শিক্ষার্থী আছেন তাদেরকে শেখাই। আমার কাছে যেসব উদ্যোক্তা শেখে তারা উপরের কাজ গুলো নিজেরাই বুঝে নিজেরাই রেডি করে, নিজেরাই ফেসবুকে অ্যাড রান করে। তাদেরকে সময় ও সাপোর্ট দিতে হয়, সো সার্ভিস দেয়ার মত সময় আমার কাছে নাই।

ও আর হ্যাঁ, যারা অনলাইন বিজনেসের জন্য এসব কাজ শিখতেছে সবাই কিন্তু ননটেক পার্সন। তাদের তেমন কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নাই, সময় দিচ্ছে, পরিশ্রম করতেছে, একশন নিতেছে। কেউ সফলতা পাচ্ছে, কেউ লেগে আছে, এভাবেই চলছে আর কি...

সো, এবার আশা করি - সার্ভিস নিবেন, নিলে কার কাছ থেকে নিবেন, কিভাবে নিবেন ইত্যাদি বিষয়ে কিছু আইডিয়া পেয়ে গেছেন।

নাকি নিজে শিখে নিজে করবেন?

ডিসিশন ইজ ডিপেন্ডিং অন ইউ।

ধন্যবাদ এত সময় নিয়ে পড়ার জন্য। পড়েই যখন ফেলেছেন, একটা শেয়ার দিয়ে দেন না, অন্যদেরও উপকার হবে।

ফ্রিলান্সিং এত জনপ্রিয় হওয়ার কারণ কি ?গত পাঁচ দশককে টেকনোলজি বিপ্লবের সাল বলা যায়। কেননা, এই দশক গুলোতে মানব জাতি যে সকল...
28/06/2023

ফ্রিলান্সিং এত জনপ্রিয় হওয়ার কারণ কি ?
গত পাঁচ দশককে টেকনোলজি বিপ্লবের সাল বলা যায়। কেননা, এই দশক গুলোতে মানব জাতি যে সকল জিনিস উদ্ভাবন করেছে তা অন্য দশক গুলোতে চার ভাগের এক ভাগও হয়নি বললে চলে। মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের মানুষের সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যমটি এই দশকেই উদ্ভাবিত হয়েছে। তাছাড়া ভূমি থেকে দূরের গ্রহ নক্ষত্রে মানুষের দর্শন এই দশকেই সম্ভব হয়েছে।
মানুষের এত সব কৃতি যে দশকে সেই দশকে টাকা উপার্জনে বৈচিত্র্যতা থাকবেনা এমনটা ভাবা সত্যিই বোকামি। আজকাল মানুষ ঘরে বসেই হাজার হাজার টাকা ইনকাম করছে। আর এই ইনকাম করার মাধ্যম কে – Freelancing বা মুক্ত পেশা বলে।
ফ্রিলান্সি যারা করে তাদেরকে ফ্রিলান্সার বলে। বর্তমানে কোন শিক্ষিত মানুষকে তার স্বপ্নের চাকরির কথা বললে জানতে পারবেন বেশির ভাগ মানুষই চায় Freelancer হবার।
ফ্রিল্যান্সিং করার জনপ্রিয়তা এতো বেশি হবার মূল কারণই হচ্ছে – কারো আওতায় না থাকা বা মুক্ত ভাবে নিজের মতো কাজ করার সুবিধা থাকা।
ফ্রিল্যান্সিং জনপ্রিয় হওয়ার আরো একটি কারণ হলো – প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার।
প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের ফলে যে কেউ-ই ফ্রিলান্সিং পেশার সাথে যুক্ত হতে পারছে। পূর্বে কম্পিউটার ক্র‍য় করতে হলে অনেক ভাবনা-চিন্তার বিষয় ছিল। কেননা, তখন হাতে গুণা কয়েকজন মানুষ কম্পিউটার চালাতে ও তার মেরামত করতে জানতো। যার কারণে অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্যেও কম্পিউটার ক্রয় করতো না। তারপরও যারা কোন ভাবে কিনেই নিত তারা আবার শিখানোর মানুষের অভাবে তেমন কিছুই করতে পারতো না।
কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটা দেখুন...
সকলের কাছেই মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে। শুধু যে প্রযুক্তি রয়েছে তা কিন্তু না এই প্রযুক্তি গুলোর ব্যবহার শিখানোর মানুষের অভাব নেই। ছোট থেকে বড় যেকোন বয়সের মানুষ শিখাতে পারে। তাছাড়া ইউটিউব, গুগল ইত্যাদি মাধ্যম থেকেও অনায়াসে শেখা সম্ভব।
প্রযুক্তির প্রসার ও সহজলভ্যতা ফ্রিল্যান্সিং কে জনপ্রিয় করেছে ঠিক কিন্তু তার সাথে ফ্রিল্যান্সিং তার নিজের গুণেও সবার কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ফ্রিল্যান্সিং সুযোগ-সুবিধার কারণে বেশির ভাগ মানুষই এই পেশাতে যুক্ত হবার আগ্রহবোধ করেন।

May Allah Accept all our good deeds and bless you and your family.Eid Mubarak.
28/06/2023

May Allah Accept all our good deeds and bless you and your family.Eid Mubarak.

27/06/2023

আজকে আমরা জানবো কিভাবে ফ্রিতে ফেসবুক পেইজ প্রমোট করতে হয়।




27/06/2023

হে আল্লাহ, হাজীদের দোয়ার সাথে আমাদের দোয়া কবুল করুন। আমাদের সকল গুনাহ খাতা মাফ করুন। আমাদেরকে খাঁটি মমিন মুসলমান হওয়ার তৌফিক দান করুন।

19/06/2023

ধৈর্যশীল মানুষকে আল্লাহ ঠকান না, বরং উওম সময়ে সেরা উপহার দেন, আলহামদুলিল্লাহ! তাই সামান্য ক্ষতিতে কখনো ধৈর্য্য হারা হওয়া উচিত নয়।

15/06/2023

ফেসবুক পেইজ থেকে ইনকাম
পার্ট -৭

ফেসবুক রিলস থেকে আয় করার ৪ উপায়
বিশ্বের অন্যতম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক। ফেসবুকের জনপ্রিয় ফিচার হচ্ছে রিলস। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই মেতেছেন রিলস তৈরি এবং শেয়ারে। দিনে ৫-৬টি রিলসও শেয়ার করেন অনেকে। হাজার হাজার ভিউ এবং কমেন্ট পড়ছে সেসব রিলসে।

মূলত টিকটককে টেক্কা দিতেই রিলস ফিচার এনেছিল ফেসবুক। ইনস্টাগ্রামে এই সুবিধা যুক্ত হয়েছে আরও আগে। রিলস তৈরি করে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করা যায়। রিলস থেকে টাকা আয় করার একাধিক সুযোগ দিচ্ছে ফেসবুক।

ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটার মতে, রিলস হলো ফেসবুকে সব থেকে দ্রুত উন্নতি করা ভিডিও ফরমেট। একটি ফেসবুক রিল মূলত ৩ সেকেন্ড থেকে ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত দীর্ঘ হয়ে থাকে।মেটার ১৫০টি দেশের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দিনের অর্ধেক সময় রিলস দেখে কাটায়।

তবে চলুন দেখে নেওয়া যাক রিলস থেকে আয় করার সহজ কিছু উপায়-

একজন ব্যক্তির ১০ হাজার ফলোয়ার, ৫টি ভিডিও এবং গত ৬০ দিনে ৬ লাখ মিনিটের ভিউ থাকলেই সে রিলসে বিজ্ঞাপন পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই বিজ্ঞাপন থেকে আসা অর্থের ৫৫ শতাংশ পাবেন আপনি এবং বাকি ৪৫ শতাংশ পাবে ফেসবুক।

ফেসবুক স্টারস
সম্প্রতি ফেসবুক রিলস থেকে অর্থ আয়ের নতুন একটি উপায় আনার কথা ঘোষণা করেছে মেটা। এই নতুন ফিচারে একজন ব্যবহারকারী রিলস দেখার সময় স্টার দিতে পারবে। প্রতি ১০০ স্টারে ১ ডলার পাওয়া যাবেন কন্টেন্ট নির্মাতা।

রিলস বোনাস প্রোগ্রাম
রিলস থেকে আয় করার আরেকটি উপায় হচ্ছে রিলস প্লে বোনাস প্রোগ্রাম। যদি আপনার কোনো রিলস ভিডিওতে ৩০ দিনে ১ হাজার ভিউ হয় তাহলে ফেসবুক থেকে আপনি টাকা পাবেন। এই উপায়ে ৩৫ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ দেওয়া হয়ে থাকে ব্যবহারকারীকে।

চ্যালেঞ্জ
সম্প্রতি মেটা ঘোষণা করেছে যে যারা নিজস্ব রিল পাবলিশ করবে, তাদের টাকা দেওয়া হবে। এই চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে একজন ৪ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর একটি চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ করলে অপর একটি চ্যালেঞ্জ খোলে। চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে টাকা আয় করতে হলে আপনার অবশ্যই রিলস বোনাস প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। ৩০ দিন মেয়াদে হবে একেকটি চ্যালেঞ্জ। মেয়াদ শেষ হলে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জ শুরু হবে।

পেজটি ভালো লাগলে বা উপকারী মনে হলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন

ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম পার্ট -৬আপনার ফেসবুক পেইজটি গ্রো করার জন্য কোনটি করবেন প্রমোট না বুস্ট?সবারই ফেসবুক পেজ নিয়ে একটি...
13/06/2023

ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম
পার্ট -৬
আপনার ফেসবুক পেইজটি গ্রো করার জন্য কোনটি করবেন প্রমোট না বুস্ট?

সবারই ফেসবুক পেজ নিয়ে একটি পরিকল্পনা থাকে তার পেজটি ভাইরাল হোক ,অনেক মানুষের কাছে পৌঁছাক, লাখ লাখ ভিউ হোক ,হাজার হাজার শেয়ার হোক।
আজকে আমরা জানবো আপনার ফেসবুক পেজটি ভাইরাল হওয়ার জন্য কোনটি দরকার।

প্রমোট করা: আপনার ফেসবুক পেজটি অধিক লোকের কাছে পৌঁছাতে চাইলে প্রমোট করে ফলোয়ার নেওয়ার বিকল্প নাই । চলুন জেনে নেই প্রমোট কি এবং কিভাবে করতে হবে ? ফেসবুক পেইজে ডলার দিয়ে ফলোয়ার আনাকে প্রমোট বলা হয় ।প্রমোট করলে ফেসবুকে ১০০% রিয়েল ফলোয়ার আসে এসব ফলোয়ার সারা জীবন আপনার পেইজে থাকবে যেমন ফেসবুক প্রোফাইলে আপনার বন্ধুরা থাকে। আপনি কোন পোস্ট করলে এসব ফলোয়ারের কাছে পৌঁছাবে আর আপনার ফলোয়াররা পোস্টটি লাইক কমেন্ট বা শেয়ার করবে।এক্ষেত্রে আপনার পোস্টে লাইক কমেন্ট বা শেয়ার পেতে হলে অবশ্যই আপনার পোস্টটি অনেক সুন্দর হতে হবে। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে আপনার চার থেকে পাঁচ হাজার ফ্রেন্ড থাকলে আপনার নরমাল পোস্ট করলে যেমন লাইক আসে ভালো পোস্ট বা ভিডিও হলে তার থেকে বেশি লাইক বা শেয়ার আসে ঠিক তেমনি আপনার পেইজে ফলোয়ার নেওয়ার পর আপনার পেইজে ভালো ভালো পোস্ট করলে আপনার ফলোয়াররা আপনার পোস্টটি লাইক কমেন্ট শেয়ার করে ভাইরাল করে দিবে। সাধারণত ফেসবুক পেইজে কন্ডিশন থাকে পাঁচ হাজার বা ১০ হাজার ফলোয়ার হলে আপনার মনিটাইজেশন অপশন অন হবে তাই পেজ গ্রো করতে হলে প্রথমে আপনার পেইজে মিনিমাম দশ হাজার ফলোয়ার বৃদ্ধি করে নিন। তারপর রেগুলার রিল বা ভিডিও পেইজে পোস্ট করুন তাহলে দেখবেন আপনার ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়ে গেছে।

বুস্ট করা: ফেসবুকে বুস্ট করা বলতে বোঝায় আপনার কোন একটি ভিডিও ভাইরাল করার জন্য ডলার দিয়ে ফেসবুকে অ্যাড চালানো। বুস্ট করলে যে কয়দিন আপনি বুস্ট করবেন আপনার ভিডিওটা সেই কয়দিনই ভাইরাল থাকবে। বুস্ট করা শেষ হলে আপনার ভিডিও রিছ ও থেমে যাবে। আপনি ১০ থেকে ২০ ডলার খরচ করে সহজেই ২০ হাজার থেকে প্রায় এক লক্ষ লোকের কাছে আপনার ভিডিওটি ওয়াচ করাতে পারবেন। কিন্তু এই যে এক লক্ষ ওয়াচ টাইম আপনি পেলেন এটি কিন্তু মনিটাইজেশনে কাউন্ট হবে না। আপনার পোস্ট যে কয়দিন চলবে ভিডিও ভাইরাল সেই কয়দিনই থাকবে । বুস্ট থেমে যাবে তো ভাইরাল করা পোস্টও থেমে যাবে।

আশা করি বুঝতে পারছেন কখন কি করতে হবে ।তারপরেও কারো কোন কনফিউশন হলে আমাকে মেসেজ করবেন ।আর লাইক দিয়ে পেইজের সাথেই থাকবেন যাতে করে পরবর্তী আপডেটগুলো সহজেই পেতে পারেন।

আমরা ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে চাই,কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই না।আমরা শুধু টাকার পিছনে ছুটি,কাজ করার আগে কাজ শিখত...
11/06/2023

আমরা ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে চাই,
কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই না।

আমরা শুধু টাকার পিছনে ছুটি,
কাজ করার আগে কাজ শিখতে হবে।

তাই,
টাকার পিছনে না ছুটে কাজের পিছনে ছুটুন,
দেখবেন টাকা আপনার পিছনে ছুটবে।
আসুন আজকে থেকেই স্ক্রিল অর্জন করা শুরু করে দেই।

10/06/2023

আজকে আমরা দেখব কিভাবে ফেসবুক পেইজের এক্সেস দিতে হয়।
ফেসবুক পেইজের কোন পোস্ট বোস্ট করতে চাইলে বা প্রমোট করে ফলোয়ার নিতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই পেইজের এক্সেস দিতে হবে।

ফেসবুক পেইজ থেকে ইনকাম পার্ট- ৫ফেসবুক রিলস থেকে আয় করার ৪ উপায়বিশ্বের অন্যতম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক। ফেসবুকের...
07/06/2023

ফেসবুক পেইজ থেকে ইনকাম
পার্ট- ৫

ফেসবুক রিলস থেকে আয় করার ৪ উপায়
বিশ্বের অন্যতম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক। ফেসবুকের জনপ্রিয় ফিচার হচ্ছে রিলস। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই মেতেছেন রিলস তৈরি এবং শেয়ারে। দিনে ৫-৬টি রিলসও শেয়ার করেন অনেকে। হাজার হাজার ভিউ এবং কমেন্ট পড়ছে সেসব রিলসে।

মূলত টিকটককে টেক্কা দিতেই রিলস ফিচার এনেছিল ফেসবুক। ইনস্টাগ্রামে এই সুবিধা যুক্ত হয়েছে আরও আগে। রিলস তৈরি করে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করা যায়। রিলস থেকে টাকা আয় করার একাধিক সুযোগ দিচ্ছে ফেসবুক।

ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটার মতে, রিলস হলো ফেসবুকে সব থেকে দ্রুত উন্নতি করা ভিডিও ফরমেট। একটি ফেসবুক রিল মূলত ৩ সেকেন্ড থেকে ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত দীর্ঘ হয়ে থাকে।মেটার ১৫০টি দেশের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দিনের অর্ধেক সময় রিলস দেখে কাটায়।

১)একজন ব্যক্তির ১০ হাজার ফলোয়ার, ৫টি ভিডিও এবং গত ৬০ দিনে ৬ লাখ মিনিটের ভিউ থাকলেই সে রিলসে বিজ্ঞাপন পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই বিজ্ঞাপন থেকে আসা অর্থের ৫৫ শতাংশ পাবেন আপনি এবং বাকি ৪৫ শতাংশ পাবে ফেসবুক।

২)ফেসবুক স্টারস
সম্প্রতি ফেসবুক রিলস থেকে অর্থ আয়ের নতুন একটি উপায় আনার কথা ঘোষণা করেছে মেটা। এই নতুন ফিচারে একজন ব্যবহারকারী রিলস দেখার সময় স্টার দিতে পারবে। প্রতি ১০০ স্টারে ১ ডলার পাওয়া যাবেন কন্টেন্ট নির্মাতা।

৩)রিলস বোনাস প্রোগ্রাম
রিলস থেকে আয় করার আরেকটি উপায় হচ্ছে রিলস প্লে বোনাস প্রোগ্রাম। যদি আপনার কোনো রিলস ভিডিওতে ৩০ দিনে ১ হাজার ভিউ হয় তাহলে ফেসবুক থেকে আপনি টাকা পাবেন। এই উপায়ে ৩৫ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ দেওয়া হয়ে থাকে ব্যবহারকারীকে।

৪)চ্যালেঞ্জ
সম্প্রতি মেটা ঘোষণা করেছে যে যারা নিজস্ব রিল পাবলিশ করবে, তাদের টাকা দেওয়া হবে। এই চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে একজন ৪ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর একটি চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ করলে অপর একটি চ্যালেঞ্জ খোলে। চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে টাকা আয় করতে হলে আপনার অবশ্যই রিলস বোনাস প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। ৩০ দিন মেয়াদে হবে একেকটি চ্যালেঞ্জ। মেয়াদ শেষ হলে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জ শুরু হবে।
তাই আর দেরি না করে এখনি শুরু করে দিন

SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ। একটানা ১০ বছর পড়ালেখার পর সবাই এখন একটু অবসর। এই অবসর সময়টাকে কাজে লাগিয়...
04/06/2023

SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য অনেক বড় একটা সুযোগ। একটানা ১০ বছর পড়ালেখার পর সবাই এখন একটু অবসর। এই অবসর সময়টাকে কাজে লাগিয়ে নিজের মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শিখে ইনকাম করা সম্ভব। সাধারণত HSC পরীক্ষার পর সকল ছেলেদেরই শুনতে হয় এখন একটা চাকরি খুঁজো বা কিছু একটা কর। তাই SSC পরীক্ষার পর যদি সবাই ফ্রিল্যান্সিং এর উপর একটু ফোকাস হয় তাহলে আর HSC পরীক্ষার পর কাউকে এই কথা শুনতে হতো না যে এখন একটা চাকরি খুঁজো বা কিছু একটা কর।
সবার উদ্দেশ্যেই বলব আপনাদের উচিত পড়ালেখার পাশাপাশি নিজের ইনকামের উপর ফোকাস হওয়া।
তাহলে আজই শুরু করে দিন ডিজিটাল মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ ফ্রি প্রশিক্ষণ ফ্রিল্যান্সার জাকির পেইজ হতে।
বিস্তারিতঃ…
অলিপুর ( তালতলা বাজার), শায়েস্তাগঞ্জ ,হবিগঞ্জ
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 01956197701

Address

Olipur ( Taltola Bazar )
Habiganj Sadar
3330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freelancer Jakir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Freelancer Jakir:

Share