Mim Mart Online Shop

Mim Mart Online Shop Cost Per Action (CPA) Marketing is a affiliate model where a commission is paid when a user takes a specific action.

These actions include filling out a form, getting a quote, signing up for a trial, or making a purchase.

24/04/2024

আপনি কেন জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিবেন?
আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কে মূলত যে কাজটি করার জন্য দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তা কুরআনের তিনটি সূরায় স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, “তিনিই সে মহান সত্তা (আল্লাহ) যিনি তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও আনুগত্যের একমাত্র সত্য বিধান (দ্বীনে হক) সহ পাঠিয়েছেন, যেন (রাসূল) তাকে (ঐ বিধানকে) আর সব বিধানের উপর বিজয়ী করেন।” (সূরা আত্‌ তাওবা : ৩৩, সূরা আল ফাত্‌হ : ২৮, সূরা আস সাফ : ৯)
রাসূল (সা.) আল্লাহ্‌র দ্বীনকে কায়েম করেই এ দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইন, শাসন, বিচার, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই তিনি আল্লাহ্‌র বিধানকে চালু করে প্রমাণ করেছে যে, ইসলামই দুনিয়ার জীবনে শান্তির একমাত্র উপায়। তাই দ্বীন ইসলাম কায়েমের দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সাহাবায়ে কিরামও রাসূল (সা.)-এর সাথে এ দায়িত্বই পালন করেছেন। মুসলিম হিসেবে আমাদের সবারই এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা কর্তব্য। এ দায়িত্ব অবহেলা করে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি হাসিল করা কিছুতেই সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুসলিদেরকে তাদের এই দায়িত্বের ব্যাপারে সচেতন করে যাচ্ছে। আমাদের সাথে আপনিও এই কাফেলায় সংযুক্ত হোন। মুসলিম হিসেবে দায়িত্ব পালনে আমরা সবাই মিলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাই। আজ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত গণসংযোগ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। যারা এখনো জামায়াতে যুক্ত হননি আপনাদের জামায়াতে যোগ দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। এটা আমাদেরকে দায়িত্ব পালনে ও জান্নাতে যেতে সহায়তা করবে, ইনশাআল্লাহ।
ইসলাম কায়েমের এ মহান দায়িত্ব একা একা পালন করা যায় না, এটা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। যারাই নবীর প্রতি ঈমান এনেছেন তাদেরকেই সংঘবদ্ধ করে নবীগণ ইসলামী আন্দোলন করেছেন। যে সমাজে ইসলাম কায়েম নেই সেখানে ব্যক্তি জীবনেও পুরোপুরি মুসলিম হিসেবে জীবন যাপন করা কঠিন। আর আল্লাহ্‌র দ্বীনকে সমাজ জীবনে কায়েম করার কাজ তো জামায়াতবদ্ধভাবে ছাড়া কিছুতেই সম্ভব নয়। তাই আমরা যারা দ্বীন কায়েমের দায়িত্ব পালন করতে চাই তারা জামায়াতবদ্ধ জীবন যাপন করি। আর দ্বীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কিন্তু নফল দায়িত্ব নয়। এটা অত্যাবশ্যকীয় দায়িত্ব। এজন্য আমরা জামায়াতবদ্ধ থাকার জন্য জামায়াতে ইসলামীর সাথে জড়িত হয়ে জামায়াতবদ্ধ থাকি ও দ্বীন কায়েমের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করি।
নবী করীম সা. বলেছেন, মেষের পাল থেকে আলাদা একটি মেষকে যেমন নেকড়ে বাঘ সহজেই ধরে খায়, তেমনি জামায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন একজন মুসলিম সহজেই শয়তানের খপ্পরে পড়ে যায়। তাই জামায়াতবদ্ধ জীবনই ঈমানের অনিবার্য দাবী। উমার রা. বলেন, জামায়াত (সঙ্ঘবদ্ধতা) ছাড়া ইসলাম হয় না। অতএব জামায়াতের ইসলামের সাথে আমরা জড়িত হয়েছি সংঘবদ্ধ থেকে ইকামাতে দ্বীনের দায়িত্ব পালনের জন্য।
আর জামায়াতে ইসলামী প্রচলিত অর্থে শুধুমাত্র ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক দল নয়। ইসলামে ধর্মীয় জীবনের গুরুত্ব আছে বলেই জামায়াত ধর্মীয় দলের দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক শক্তি ছাড়া ইসলামী আইন চালু হতে পারে না বলেই জামায়াত রাজনৈতিক ময়দানে কাজ করে। সমাজ সেবা ও সামাজিক সংশোধনের জোর তাকিদ ইসলাম দিয়েছে বলেই জামায়াত সমাজসেবা ও সমাজ সংস্কারে মনোযোগ দেয়। এ অর্থেই জামায়াতে ইসলামী একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী আন্দোলন।
একজন মুসলিমকে অবশ্যই জীবনের সবক্ষেত্রে ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা সূরা বাকারার ২০৮ ও ২০৯ নং আয়াতে বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা পুরোপুরি ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের অনুসারী হয়ো না, কেননা সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন। তোমাদের কাছে যে সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন হিদায়াত এসে গেছে তা লাভ করার পরও যদি তোমাদের পদস্খলন ঘটে তাহলে ভালোভাবে জেনে রাখো আল্লাহ‌ মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।
ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে না মানাটা গোমরাহী ও পদস্থলন। যারা ইসলামকে পছন্দ অনুযায়ী মানে বা আংশিকভাবে মানে আল্লাহ তায়ালা তাদের প্রতি স্পষ্ট হুমকি দিয়েছেন। আমরা ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে মানার জন্য জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংযুক্ত হয়েছি।
মুহাম্মদ সা. বলেছেন, সে ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে, অপর ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করে। আমরা আমাদের নিজেদের কল্যানের জন্য জামায়াতে ইসলামকে পছন্দ করেছি। তাই আপনাদের জন্যও এই সংগঠনকে সাজেস্ট করছি।
যারা এখনো জামায়াতে যোগ দেননি তাদেরকে জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
জামায়াতকে জানুন। জামায়াতে যোগ দিন।

16/04/2024

মানুষের প্রতি পবিত্র কোরআনের দাবি
আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
“একজন রাসূল, যে তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করে; যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে যাতে তিনি তাদেরকে অন্ধকার হতে আলোতে বের করে আনতে পারেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে এবং সৎকাজ করবে তিনি তাকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত; সেখানে তারা স্থায়ী হবে; আল্লাহ তো তাকে অতি উত্তম রিয্ক দেবেন।“ (সূরা আত-ত্বালাক-১১)
ইসলাম একমাত্র পূর্ণাংগ জীবনব্যবস্থা। আল কোর'আন এর সংবিধান। মুসলমানদের নিকট আল কোর'আনের কতগুলো মৌলিক দাবী রয়েছে। এ দাবী সম্পর্কে সচেতন না থাকার কারনে কোর'আন মজিদের সাথে মুসলমানদের ঘনিষ্টতা ক্রমেই শিথিল হয়ে আসছে, অধঃপতিত হচ্ছে মুসলিম জাতি।
প্রতিটি মুসলমানের এ দাবী সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এ কোরআন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে বিশ্ব মুসলমান আবার তাদের হারানো গৌরব ও সম্মান ফিরে পাবে কোনো সন্দেহ নেই।

প্রত্যেক মুসলমানের নিকট আল কুর'আনের রয়েছে পাঁচটি দাবী
১। মেনে নেয়া। বিশ্বাস ও সম্মানঃ
“বল, রুহুল কুদস (জীবরীল) একে তোমার রবের পক্ষ হতে যথাযথভাবে নাযিল করেছেন। যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুদৃঢ় করার জন্য এবং হিদায়াত ও মুসলিমদের জন্য সুসংবাদস্বরূপ।“ (সুরা নাহালঃ ১০২)
বিশ্বাস বা মেনে নেয়ার পারিভাষিক নাম হলো ঈমান। এর আবার দু'টি দিক রয়েছে— ১. ইকরার বিল লিসান অর্থাৎ, মুখে স্বীকার করা। ২. তাসদীক বিল কাল্‌ব অর্থাৎ, মনে প্রাণে বিশ্বাস করা ।
২ । সহীহ শুদ্ধভাবে পাঠ করতে জানা।
“আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছি তারা তা তিলাওয়াত করে যেভাবে তিলাওয়াত করা উচিত অর্থাৎ, তিলাওয়াতের হক আদায় করে।” (আল বাকারা : ১২১ )

৩। অর্থ সহ জানা ও অনুধাবন করা।
এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি বরকত হিসেবে অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসমুহ লক্ষ্য করে এবং বুদ্ধিমানগণ যেন তা অনুধাবন করে । (ছোয়াদ ৩৮:২৯)
তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না ? না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ ? (মুহাম্মদ ৪৭:২৪)

৪। নির্দেশ অনুযায়ী আমল বা কাজ করা।
নিশ্চয় এ কুরআন এমন একটি পথ দেখায় যা সবচেয়ে সরল এবং যে মুমিনগণ নেক আমল করে তাদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার। (ইসরা-৯)
“যারা আল্লাহর নাযিল করা আইন অনুযায়ী বিচার ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।” (আল মায়েদা: ৪৪)
৫। অন্যের কাছে আল কুর'আনের দাওয়াত পৌছে দেয়া।
‘হে আমাদের রব, তাদের মধ্যে তাদের থেকে একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যে তাদের প্রতি আপনার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবে এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিবে আর তাদেরকে পবিত্র করবে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’। (আল-বাকারা:১২৯)
“আর এই কুরআন আমার নিকট ওহীর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে, যেন আমি তোমাদেরকে এবং যার যার নিকট এটি পৌঁছবে সকলকে সতর্ক ও সাবধান করে দেই।” (আল আনআম: ৯৯)

কুরআন শিক্ষা না করার পরিণতি
কোরআনকে যারা দূরে সরিয়ে রেখেছিল বা কোরআন থেকে দূরে সরে গিয়েছিল, তাদের প্রসঙ্গে কোরআন কারিমে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘(বিচারের দিনে) রাসুল (সা.) বলবেন, হে আমার রব! নিশ্চয়ই আমার জাতি এই কোরআনকে পরিত্যাগ করেছিল।’ (সুরা-২৫ ফুরকান, আয়াত: ৩০)।
কোরআন তিলাওয়াত, অধ্যয়ন ও অনুশীলন থেকে বঞ্চিতদের সম্পর্কে হাদিস শরিফে আছে, ‘যার অন্তরে কোরআন নেই, সে যেন পরিত্যক্ত বাড়ি।’ (তিরমিজি)।
রাসূলের (সা.) অভিযোগ পেশ :
কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় আল্লাহ তাআলার অনুমতি সাপেক্ষে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মাতের জন্য শাফায়াত চাইবেন। কিন্তু যারা কুরআন শিক্ষা করেনি, কুরআনের যেসব হক রয়েছে তা আদায় করেনি, কিয়ামতের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে অভিযোগ পেশ করবেন। কুরআনে এসেছে: আর রাসূল বলবেন, হে আমার রব, নিশ্চয় আমার কওম এ কুরআনকে পরিত্যাজ্য গণ্য করেছে। (সূরা ফুরকান : ৩০)।
কিয়ামতের দিন অন্ধ হয়ে উঠবে :
“সে বলবে, হে আমার রব, কেন আপনি আমাকে অন্ধ অবস্থায় উঠালেন? অথচ আমিতো ছিলাম দৃষ্টিশক্তিসম্পন্নণ? তিনি বলবেন, অনুরূপভাবে তোমার নিকট আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অতঃপর তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে এবং সেভাবেই আজ তোমাকে ভুলে যাওয়া হল।“ (সূরা ত্বহা : ১২৪-১২৬)।
বোবা ও বধির অবস্থায় উঠবে :
আল কুরআনে বলা হয়েছে: আমি কিয়ামতের দিন তাদেরকে সমবেত করবো তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ অবস্থায়, বোবা অবস্থায়, বধির অবস্থায়। তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম। যখন জাহান্নামের আগুন নির্বাপিত হওয়ার উপক্রম হবে আমি তখন তাদের জন্য অগ্নি আরও বাড়িয়ে দেবো। (সূরা বনী ইসরাঈল : ৯৭)।
গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া :
কুরআন শিক্ষা না করা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার শামিল। কুরআনে বলা হয়েছে, কুরআনের মহাসত্য জানার পরেও যারা হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করে না, চোখ দিয়ে দেখে না, কান দিয়ে শোনে না; এরা চতুস্পদ জন্তুর ন্যায় বরং এরা তাদের চেয়েও আরো অধম ও নিকৃষ্ট এরাই হলো গাফেল। (সূরা আরাফ : ১৭৯)।
কুরআন দলিল হিসেবে আসবে :
কুরআন শিক্ষা থেকে বিরত থাকার কারণে কুরআন তার বিপক্ষের দলিল হিসেবে উপস্থিত হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন: কুরআন তোমার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে দলীল হবে। (সহিহ মুসলিম- ২২৩ (৪২২); মিশকাত- ২৮১)।
জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হবে :
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কুরআন সুপারিশকারী এবং তাঁর সুপারিশ গ্রহণযোগ্য। সুতরাং যে ব্যক্তি কুরআনকে সামনে রেখে তাঁর অনুসরণ করবে, কুরআন তাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি একে নিজ পশ্চাতে রেখে দিবে, কুরআন তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে।
আখেরাতে জবাবদিহি করতে হবে :
কুরআন শিক্ষায় যথাযথ ভুমিকা পালন না করলে এ বিষয়ে আখেরাতে জবাবদিহি করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, নিশ্চয় এ কুরআন তোমার জন্য এবং তোমার কওমের জন্য একটি মর্যাদাবান উপদেশ। আর অচিরেই তোমাদেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে। (সূরা যুখরুফ : ৪৪)।
যাঁরা কোরআন শুধু তিলাওয়াত করে যাচ্ছেন, তা বোঝার ও আমল করার চেষ্টা করছেন না, তাঁদের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যাদের তাওরাত কিতাব বহনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারা তা প্রকৃতরূপে বহন করেনি। তাদের দৃষ্টান্ত ওই গর্দভতুল্য যে পুস্তকের বোঝা বহন করে।’ (কিন্তু তা অনুধাবন ও অনুসরণ করে না)। (সুরা-৬২ জুমআ, আয়াত: ৫)।

16/04/2024

কবিরা গুনাহ ৯টি :
’’হারাম’’ শব্দের আভিধানিক অর্থ: অবৈধ বা নিষিদ্ধ (বস্ত্ত, কথা, কাজ, বিশ্বাস ও ধারণা)। শরীয়তের পরিভাষায় হারাম বলতে সে সকল গুনাহ্কে বুঝানো হয় যে সকল গুনাহ্গার শরীয়তের দৃষ্টিতে যে কোনভাবে নিন্দিত।

’’কবীরা’’ শব্দের আভিধানিক অর্থ: বড়। শরীয়তের পরিভাষায় কবীরা গুনাহ্ বলতে সে সকল গুনাহ্কে বুঝানো হয় যে সকল গুনাহ্’র ব্যাপারে কুর‘আন বা সহীহ হাদীসে নির্দিষ্ট ঐহিক বা পারলৌকিক শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে অথবা সে সকল গুনাহ্কে কুর‘আন, হাদীস কিংবা সকল আলিমের ঐকমত্যে কবীরা বা মারাত্মক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

কারো কারো মতে কবীরা গুনাহ্ বলতে সে সকল গুনাহ্কে বুঝানো হয় যে সকল গুনাহ্’র ব্যাপারে শাস্তি, ক্রোধ, ঈমানশূন্যতা বা অভিশাপের মারাত্মক হুমকি বা জাহান্নামের ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।

আবার কারো কারো মতে কবীরা গুনাহ্ বলতে সে সকল গুনাহ্কে বুঝানো হয় যে সকল গুনাহ্গারকে আল্লাহ্ তা‘আলা বা তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন অথবা যে সকল গুনাহ্গারকে কুর‘আন কিংবা সহীহ হাদীসে ফাসিক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

কারো কারো মতে কবীরা গুনাহ্ বলতে সে সকল কাজকে বুঝানো হয় যে সকল কাজ হারাম হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত সকল শরীয়ত একমত।

আবার কারো কারো মতে কবীরা গুনাহ্ বলতে সে সকল কাজকে বুঝানো হয় যে সকল কাজ হারাম হওয়ার ব্যাপারে কুর‘আনের সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে।

কারো কারো মতে কবীরা গুনাহ্ বলতে সে সকল গুনাহ্কে বুঝানো হয় যে সকল গুনাহ্’র বিস্তারিত বর্ণনা আল্লাহ্ তা‘আলা সূরাহ নিসা’র শুরু থেকে নিম্নোক্ত আয়াত পর্যন্ত দিয়েছেন।

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
‘‘তোমরা যদি সকল মহাপাপ থেকে বিরত থাকো যা হতে তোমাদেরকে (কঠিনভাবে) বারণ করা হয়েছে তাহলে আমি তোমাদের সকল ছোট পাপ ক্ষমা করে দেবো এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবো খুব সম্মানজনক স্থানে’’। (নিসা’ : ৩১)

অনুরূপভাবে কোন ফরয কাজ পরিত্যাগ করাও কবীরা গুনাহ্’র শামিল।

কবীরা গুনাহ্’র উক্ত সংজ্ঞাদাতারা উহার কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা বর্ণনা করেননি। বরং তাঁরা ওই সকল গুনাহ্কেই কবীরা গুনাহ্ বলে আখ্যায়িত করেন যে সকল গুনাহ্’র মধ্যে উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ বিদ্যমান।

ঠিক এরই বিপরীতে কিছু সংখ্যক সাহাবা ও বিশিষ্ট আলিম কবীরা গুনাহ্’র নির্দিষ্ট সংখ্যা বর্ণনা করেন।

আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্’ঊদ (রাঃ) বলেন: কবীরা গুনাহ্ সর্বমোট চারটি।

আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু ‘আন্হুমা) বলেন: কবীরা গুনাহ্ সর্বমোট সাতটি।

আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর বিন্ ‘আস্ (রাযিয়াল্লাহু ‘আন্হুমা) বলেন: কবীরা গুনাহ্ সর্বমোট নয়টি।
১. আল্লাহর সাথে শরিক করা;
২. নরহত্যা;
৩. জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন;
৪. সতী-সাধ্বী নারীর বিরুদ্ধে যেনার মিথ্যা অপবাদ রটানো;
৫. সুদ খাওয়া;
৬. ইয়াতিমের মাল আত্মসাৎ করা;
৭. মসজিদে ধর্মদ্রোহী কাজ করা;
৮. ধর্ম নিয়ে উপহাস করা এবং
৯. সন্তানের অসদাচরণ যা মা-বাবার কান্নার কারণ হয়।

বিদেশে পাড়ি জমানোই কি চূড়ান্ত সমাধান!দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বিশাল অংশ এখন বিদেশে পাড়ি জমাতে চায়। অনেক জরিপে বিষয়টা উঠ...
13/03/2024

বিদেশে পাড়ি জমানোই কি চূড়ান্ত সমাধান!

দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বিশাল অংশ এখন বিদেশে পাড়ি জমাতে চায়। অনেক জরিপে বিষয়টা উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে যেকোনো শ্রেণি-পেশার মানুষই এখন বিদেশে পাড়ি জমাতে চায়। দেশে একটা প্রজন্ম এর মধ্যে গড়ে উঠেছে, যারা স্বপ্ন দেখছে বিদেশে পাড়ি জমানোর। দেশ নিয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নানা অভিযোগ আছে।

রাস্তায় বের হলে সর্বক্ষণ চিন্তায় থাকতে হয় নিজের শরীর নিয়ে। কখন না কোনো ঢাকনাখোলা ম্যানহোলে পড়তে হয় কিংবা ভাঙা কোনো রাস্তায় হোঁচট খেতে হয়। অথবা আচমকা কোনো গাড়ি এসে ধাক্কা দেয়, এসব যদি না–ও হয়, পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কিছু একটা ওপর থেমে মাথায় পড়তে পারে। কিংবা নির্মাণাধীন আস্ত গার্ডারও কেড়ে নিতে পারে প্রাণ।

কেউ আবার দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে চিন্তিত। একেক সময় একেক সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলছে নানা অরাজকতা। শিক্ষকেরা কখনো ছাত্রীদের নিপীড়ন করছে। কখনো আবার ছাত্ররাজনীতির বলি হচ্ছে সাধারণ ছাত্রছাত্রী।
জিনিসপত্রের দাম এক রাতের মধ্যে বেড়ে যাচ্ছে। ডিম দিয়ে ভাত খেতেই কারও কষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কেউ আবার অভিজাত এলাকায় দামি রেস্তোরাঁয় বসে খাচ্ছে। সেখানেও শান্তি নেই! কখনো পুড়ে মরতে হচ্ছে। কখনো আবার আস্ত ভবন ধসে পড়ছে। এ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে যাবে, সেখানেও শান্তি নেই!

কেউ সামান্য খতনা করতে গিয়ে মরে যাচ্ছে। কেউ আবার ভুল চিকিৎসায় বেঘোরে মারা পড়ছে। এমন সিস্টেমে কে আর থাকতে চায়? তাই এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের বিশাল একটা অংশ হাঁপ ছেড়ে বাঁচতে দেশ ছাড়তে চায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমানোই কি চূড়ান্ত সমাধান?

এমনটা আসলে ভাবার কোনো মানে হয় না। কারণ, নিজের মাতৃভূমির টান মানুষের মধ্যে থেকেই যায়। ২০ বছর বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতা আমাকে তেমনটাই জানান দিচ্ছে। বিদেশে থাকলেও মনটা পড়ে থাকে সেই বাংলাদেশে। তা ছাড়া বিদেশে থাকা প্রায় সবাই নিজ মাতৃভূমিতে নিজ আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করার জন্য হলেও একটা সময় পরপর দেশে যান। অল্প সময়ের জন্য দেশে গেলেও কিন্তু সেই একই সিস্টেমের মধ্য দিয়েই তাদের যেতে হয়।
এই যেমন বেইলি রোডের ঘটনায় কিন্তু মালয়েশিয়াপ্রবাসী মারা গেছেন। ইতালিফেরত এক ব্যক্তি দেশে এসেছিলেন পরিবারকেও নিয়ে যেতে। গোটা পরিবারসহ তিনিও মারা গেছেন সেই আগুনে।

এই তো সেদিন পত্রিকায় পড়লাম, মায়ের লাশ দেখার জন্য দেশে ফিরেছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু বিমানবন্দর থেকে মাইক্রোবাসে করে বাড়িতে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় মারা গেছেন তিনিসহ আরেক স্বজন। অর্থাৎ অল্প সময়ের জন্য দেশে গেলেও কিন্তু যে কাউকে সেই একই সিস্টেমের মধ্য দিয়েই যেতে হয়। যেই সিস্টেমের কারণে তাঁরা একসময় দেশ ছেড়েছিলেন। মাতৃভূমিকে তো আর ভুলে থাকা যাবে না। তাই বিদেশে থাকলেও দেশে তো যেতেই হয়।

বিদেশে পাড়ি জমানোটাও আসলে সেই অর্থে চূড়ান্ত সমাধান নয়। এর চেয়ে বরং সবাই মিলে আমাদের দেশ ও সমাজব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। যেখানে রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে যে কেউ অন্য পাশ দিয়ে পানের পিক ফেলবে না। ম্যানহোলের গর্তে কিংবা ওপর থেকে কিছু একটা পড়ে মরতে হবে না।
রেস্তোরাঁয় খাওয়ার সময় আগুনে পুড়ে কিংবা গার্ডার পড়ে বেঘোরে প্রাণ যাবে না। অথবা পরের বেলা খাবার পাব কি না, সেই চিন্তা করতে হবে না। স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর মনে হবে না—এ কোথায় এলাম পড়তে!

দেশ ও দেশের বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিগুলোকে ঢেলে সাজাতে হবে। বিদেশে পাড়ি জমিয়ে যেমন চূড়ান্ত সমাধান সম্ভব নয়, তেমনি একটা দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধাবী ছেলেমেয়েগুলো বিদেশে পাড়ি জমালে সেই দেশের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, সেটাও চিন্তা করতে হবে।

ড. আমিনুল ইসলাম জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, এস্তোনিয়ান এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ইউনিভার্সিটি
ই-মেইল: [email protected]

10/03/2024

আল্লাহ বলেন, আমি ৬টি জিনিসকে লুকিয়ে রেখেছি ৬টি স্থানে। কিন্তু মানুষ তা খুঁজে বেড়ায় ভিন্ন জায়গায়।
১. আমি দ্বীন ইসলামকে রেখেছি ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও ধৈর্যের মধ্যে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে উদরপূর্তি ও দুনিয়ার স্বচ্ছলতার মধ্যে।
২. আমি সম্মান রেখেছি শেষ রাতের ইবাদতে, কিন্তু মানুষ খোঁজে, শাসক ও ক্ষমতাবানের সাহচর্যে।
৩. আমি সুখ স্বাচ্ছন্দ্য রেখেছি জান্নাতে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে দুনিয়াতে।
৪. আমি বড়ত্ব রেখেছি বিনয় ও নম্রে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে অহংকারে।
৫. আমি ধনী হওয়া রেখেছি অল্প তুষ্টিতে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে লোভ- লালসার মধ্যে।
৬. আমি দোয়া কবুল হওয়াকে নিহিত রেখেছি হালাল উপার্জনের মধ্যে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে হারাম উপার্জনে।
আল্লাহ পাক আমাদেরকে সঠিকভাবে আমল করার তাওফিক দান করুন,
আ-মীন।

07/02/2024

সুন্দরবনের খলিসা ফুলের পদ্ম-মধু।
অল্প সময়ের জন্য চলচে ধামাকা অফার।
তাই এখনি অর্ডার করুন খাটি মধু।

খাটি মধু চেনার উপায়ঃ
06/02/2024

খাটি মধু চেনার উপায়ঃ

খাঁটি মধু চেনার কৌশল Post author:Mahmud Post published:February 6, 2024 Post comments:0 Comments মধু চেনার উপায় হল তিনটা- “স্বাদ, বর্ণ ও গন্ধ,”। মধুতে রয়েছে অনেক ঔ....

সুন্দরবনের খলিসা ফুলের মধু
06/02/2024

সুন্দরবনের খলিসা ফুলের মধু

সুন্দরবনের মধুঃ মধু সুন্দরবনের একটি প্রধান প্রাকৃতিক খাদ্য পণ্য, এবং সুন্দরবনের উদ্ভাবন ও প্রবর্দ্ধন এবং পরিস্.....

মধুর ইতিহাস
02/02/2024

মধুর ইতিহাস

Food / মধু মধুর ইতিহাস মধুর ইতিহাস হাজার হাজার বছর আগের, প্রাচীন গুহাচিত্রে মধু খাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। মধু বিভি.....

Address

Jessore Nowapara Khulna
Jessore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mim Mart Online Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share