20/07/2020
সার্ভে নিয়ে কিছু কথাঃ
সার্ভে বিষয়টা হল মতামত গ্রহণ /প্রদান। যেটা কিনা সারা বিশ্বে বহু আগে থেকেই ছিল।একদল প্রশ্ন করবে একদল উত্তর দেবে এটাই মূলত সার্ভে বা জরিপ।যেটা আমাদের বাংলাদেশ বলেন বা আমেরিকা বলেন নিয়ম একটাই, মতামত আদান-প্রদান।
এই কাজটা চলে আসছিল মানুষের কাছে গিয়ে মতামত গ্রহণ বা প্রদানের মত করে যেমনটা হয় আদমশুমারী। কিন্ত বিশ্বায়নের এই যুগে কেউ আর এত কষ্ট করে মানুষের কাছে গিয়ে মতামত নেবার ঝামেলা না করে অনলাইনেই সব করে নিতে চায় তাই অনলাইন সার্ভের আবির্ভাব। এশিয়ার দেশগুলোতে সেভাবে না ছড়ালেও পশ্চিমা বিশ্বে এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। তারা তাদের প্রায় শতভাগ সার্ভেই অনলাইনে করিয়ে নেয়।আর অনলাইনে করানোর সুবিধা যেমন আছে তেমনি অসুবিধাও আছে।
সেই অসুবিধাটাকেই পুজি করে আমরা বাঙালীরা কাজ করি।
কীভাবে?
দেখুন এভাবেঃ
যখন কাজটা হয় অনলাইনে তখন ব্যক্তি পরিচয়টা তুচ্ছ। প্রাধান্য পায় কম্পিউটারের পরিচয়।যেটাকে বলে IP Address.আপনার IP Address যে দেশের হবে আপনিও সেই দেশের নাগরিক বলে বিবেচিত হবেন।
আপনার আইপি আমেরিকার হলে আপনি আমেরিকান, বাংলাদেশের হলে আপনি বাংলাদেশী।
এখন আপনি চাইলেই আমেরিকার আইপি সেট করে আমেরিকার সার্ভেতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
সার্ভের কাজটি ৩ টি স্তরে সম্পাদিত হয়।
১.Survey Takers
২.Survey websites
৩.Surveyers
এখানে Survey Website কাজ করে broker হিসেবে। অন্যদিকে Survey Takers আর surveyers কাজ করে দুটি পক্ষ হিসেবে একদল survey website কে টাকা দিয়ে মতামত কিনে নেয় আরেকদল survey website কে মতামত দিয়ে টাকা নেয়। মাঝখান থেকে ওয়েবসাইটের কিছু লাভ হয়।তাই বুঝতেই পারছেন কাজটা হারিয়ে যাবার ভয় নেই বললেই চলে। কেননা মার্কেটিং দুনিয়া থেকে হারাবে না আর এটা মার্কেটিং এরই অংশ।
আমরা surveyer হিসেবে এতে কাজ করব।আমাদের দেশের মুদ্রার মূল্যমান কম আর খুব বেশি সুযোগ ও নেই অনলাইন সারভে করার তাই আমেরিকান হয়ে ডলারে পেমেন্ট নিব।যার জন্য আমরা আমেরিকান আইপি কিনে আমেরিকান সারভে সাইটগুলোতে কাজ করব।কিছু প্রশ্ন থাকবে প্রোফাইলনির্ভর আর কিছু প্রশ্ন থাকবে Survey Taker কোম্পানির প্রোডাক্টসের ওপর।আপনাকে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে এটাই হল কাজ।
এর জন্য USA Survey করে এমন কারো কাছে থেকে পরামর্শ নিন। আমেরিকানদের লাইফস্টাইল সম্পর্কে জানুন। আর কাজ করতে বসে স্রেফ নিজেকে একজন আমেরিকান মনে করুন।বাকী কথা পরবর্তী কোন পোস্টে হবে।ধন্যবাদ।