Apex Digit

Apex Digit ✨ Apex Digit is a professional digital agency delivering innovative web, branding, and marketing solutions.
(3)

With creativity, strategy, and performance at our core — we help brands grow, connect, and build a lasting, powerful digital presence worldwide. 🌐 Apex Digit is a leading digital marketing agency in Bangladesh, specializing in SEO, Facebook Ads, web design, branding, and digital growth strategies. We help businesses boost visibility, build trust, and grow faster in the digital world.

ফ্রিল্যান্সাররা সতর্ক হন। AI ইতোমধ্যে মার্কেটপ্লেসের হিসাব বদলাতে শুরু করেছে।ছবির পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। একজন অভিজ্...
12/09/2026

ফ্রিল্যান্সাররা সতর্ক হন। AI ইতোমধ্যে মার্কেটপ্লেসের হিসাব বদলাতে শুরু করেছে।

ছবির পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। একজন অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার বলছেন, আগে যেখানে ক্লায়েন্ট নিজে থেকে কাজের অফার নিয়ে আসত, এখন সেখানে Apply করেও কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। Connects কিনতে টাকা খরচ হচ্ছে, Hourly Rate কমিয়েও প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।

এটা শুধু একজনের অভিজ্ঞতা। কিন্তু এর পেছনের পরিবর্তনটা আমাদের বোঝা দরকার।

AI আসার পর অনেক কাজের Entry Barrier অনেক কমে গেছে। আগে যে কাজ করতে একজন দক্ষ মানুষের কয়েক ঘণ্টা লাগত, এখন AI ব্যবহার করে সেটার একটা বড় অংশ অনেক দ্রুত করা সম্ভব। Content Writing, Basic Graphic Design, Data Entry, Research, Translation, Basic Coding, Presentation, Simple Data Analysis সহ অনেক ধরনের কাজে একই মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি Output দিতে পারছে।

এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে Freelancing Marketplace এ।

একদিকে Freelancer এর সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে AI এর কারণে একই পরিমাণ কাজের জন্য আগের মতো এত মানুষের প্রয়োজন সব ক্ষেত্রে থাকছে না। Client ও এখন বুঝতে শিখেছে কোন কাজ AI দিয়ে করা যায়, কোন কাজের জন্য Expert দরকার।

তাই শুধু “Freelancing শিখুন, Freelancing করুন” বললেই হবে না।

আমরা অনেক সময় Freelancing কে একটা Skill হিসেবে দেখি। আসলে Freelancing কোনো Skill নয়। এটা আপনার Skill বিক্রি করার একটি মাধ্যম।

Upwork, Fiverr বা অন্য কোনো Marketplace আপনার Career নয়। এগুলো Client পাওয়ার Platform মাত্র। Platform এর Algorithm বদলাবে, Competition বাড়বে, Fee বাড়তে পারে, AI কাজের ধরন বদলে দিতে পারে।

তাই নিজের Career কে শুধু একটি Marketplace এর উপর দাঁড় করানো আমার কাছে এখন অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়।

এমন Skill শিখুন যার Business Value আছে এবং যেটা AI ব্যবহার করে আরও শক্তিশালী করা যায়।

Data Analysis, Business Intelligence, Advanced Excel, Power BI, SQL, Data Engineering, Cloud, Cybersecurity, Software Development, Business Analysis, Automation এবং AI Tools এর Practical ব্যবহার শেখার দিকে গুরুত্ব দিতে পারেন।

তবে এখানেও একটা কথা মনে রাখা জরুরি।

আগামী ১০ বা ২০ বছর কোনো নির্দিষ্ট Tool একইভাবে আধিপত্য করবে, এমন নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। Excel বদলাবে, Power BI বদলাবে, Programming বদলাবে, AI নিজেও বদলাবে।

কিন্তু Problem Solving, Data বোঝা, Business বোঝা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, Automation তৈরি করা এবং নতুন Technology দ্রুত শিখতে পারার ক্ষমতার চাহিদা সহজে শেষ হবে না।

তাই শুধু Freelancer হওয়ার প্রস্তুতি নেবেন না।

এমন একজন Skilled Professional হওয়ার চেষ্টা করুন, যিনি Marketplace ছাড়াও Company, Corporate Job, Remote Job, Consulting, নিজের Business কিংবা Direct Client এর কাছে Value তৈরি করতে পারেন।

AI কে ভয় পাওয়ার দরকার নেই।

কিন্তু AI কিছুই পরিবর্তন করবে না ভেবে বসে থাকাটাও ঠিক হবে না।

নিজেকে এমনভাবে তৈরি করুন যেন AI আপনার Competitor না হয়ে আপনার Tool হয়।

Freelancing হতে পারে আপনার আয়ের একটি পথ।

কিন্তু আপনার আসল সম্পদ হওয়া উচিত আপনার Skill, Business Knowledge এবং পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে বদলানোর ক্ষমতা।

সব বাদ।পিঙ্ক বাসের স্টিয়ারিং ধরেছে যে ড্রাইভারগুলো ওঁদের খেয়াল করেছেন? বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, কথাবার্তা খেয়াল করেছেন? যে ক'জনক...
19/08/2026

সব বাদ।
পিঙ্ক বাসের স্টিয়ারিং ধরেছে যে ড্রাইভারগুলো ওঁদের খেয়াল করেছেন? বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, কথাবার্তা খেয়াল করেছেন?
যে ক'জনকে দেখেছি, প্রত্যেকেই স্মার্ট! যেন আত্মবিশ্বাস ঠিকরে বেরোচ্ছে। যতদূর জানি এঁদের অনেকেই দীর্ঘদিন প্রফেশনাল ড্রাইভিং ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং যথেষ্ট সুশিক্ষিত। আনুষ্ঠানিকভাবে নামার আগে ঢাকার র‍্যান্ডম রুটে বাস চালিয়ে প্রপার ট্রায়ালও দিয়েছেন। মানে যোগ্যতার দিক থেকে চিন্তা করলে তারা গতানুগতিক পুরুষ ড্রাইভারদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে।

আমাদের পরিবহনে যেখানে অধিকাংশ পুরুষ ড্রাইভার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেনিং ছাড়াই জাস্ট হেল্পার বা কন্ডাক্টর থেকে সরাসরি ড্রাইভার বনে যায়, সেখানে এই পার্থক্যটা বিশাল।

সাধারণ গণপরিবহনের অধিকাংশ পুরুষ ড্রাইভারকে দেখলে প্রফেশনাল তো দূরের কথা- মদ্যপ, নেশাগ্রস্ত, অশিক্ষিত, অদক্ষ আর আনহাইজিনিক মনে হতো। আবার বাসে উঠলে বসতেও হতো এদের পাশেই কারণ সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দ থাকে ড্রাইভারের ঠিক পাশেই। কত যে সস্তা বিড়ির গন্ধ গিলেছি ভাই! মনে পড়ে গা গুলিয়ে উঠছে!

এই প্রজেক্ট কতদিন সাফল্যের সাথে টিকে থাকবে তা হয়তো এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে আপাতত যে পজেটিভ চেঞ্জ আর বিশাল গ্যাপটা দৃশ্যমান, ঐটাকে তো এপ্রিশিয়েট করাই যায়।

মানছি, যেসব উটকো ঝামেলা আর প্র্যাকটিক্যাল চ্যালেঞ্জের কথা সবাই আশঙ্কা করছে সেগুলো পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না, ঝুঁকি থেকেই যায়। কিন্তু সবাই যদি নেগেটিভিটি না ছড়িয়ে একটু পজিটিভলি সাপোর্ট করে তবে এই প্রজেক্ট একটা আলটিমেট সাকসেস স্টোরি হতেই পারে!

ঢাকার সড়কে নামলো নারীদের জন্য বিশেষ ‘পিংক বাস’। উদ্বোধনের পর যাত্রী নিয়ে তেজগাঁও এলাকার সড়ক পাড়ি দিচ্ছে বিশেষায়িত এ বাস।...
19/08/2026

ঢাকার সড়কে নামলো নারীদের জন্য বিশেষ ‘পিংক বাস’। উদ্বোধনের পর যাত্রী নিয়ে তেজগাঁও এলাকার সড়ক পাড়ি দিচ্ছে বিশেষায়িত এ বাস। ছবি : ঢাকা পোস্ট

সরকার নারীদের জন্য আলাদা করে বাস দিয়েছে । সেই গাড়ির ড্রাইভার নারী হবে । কন্ডাক্টর নারী হবে । এটা নিয়ে ট্রল হচ্ছে । পুরুষ...
19/08/2026

সরকার নারীদের জন্য আলাদা করে বাস দিয়েছে ।
সেই গাড়ির ড্রাইভার নারী হবে । কন্ডাক্টর নারী হবে ।

এটা নিয়ে ট্রল হচ্ছে । পুরুষরাই ট্রল করছে । নোংরা আকার ইঙ্গিত করছে ।

— এক বাসে কয়টা চল্লিশা বুক থাকবে...

— কন্ডাক্টর কি বলবে , সবাই ' বাড়া ' হাতে নেন।

— ওস্তাদ । বায়ে ' প্লাস্টিক ' বাস চালায়...

হরেক রকমের রসালো মন্তব্য দেখতে পাবেন কমেন্ট বক্সে ।

এছাড়াও লোকজন প্র্যাকটিক্যাল ঝুঁকির কথা বলেছেন। সন্দেহ প্রকাশ করছে —

'নারীরা আসলে কতটুকু দক্ষ হবে ঢাকার রাস্তায় বাস চালানোর জন্য? এক্সিডেন্ট বাড়বে । '

এই সন্দেহ আমারও আছে ।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হইলো -

এই যে নারীদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা করতে হইলো , কেনো এই বিশেষ ব্যবস্থা করতে হইলো?

বলেন....

কারণ আপনার দেশে "পার্ভার্ট পুরুষরা " বাসে উইঠা বইসা থাকে কিভাবে ভীড়ের ভেতর মেয়েদের কোমরে হাত চালিয়ে দেওয়া যায় ।

কিভাবে বাস থেকে নামার সময় পিঠে একটু টা*চ করে দেওয়া যায় ।

ভীড়ের ভেতর ভ্যাপসা গরমে গায়ের উপর ঝুঁকে এসে কিভাবে একটু টা*চ নেওয়া যায় মেয়ের শরী*রের -

এনি হোয়্যার!

আপনি ফেসবুকেই মেয়েদের অনেকের ভিকটিমের ভিডিও পাবেন যেখানে মাঝবয়সী ব্যাডা মানুষ আকারে ইঙ্গিতে মেয়েদের তার no-no দেখাইতে চায় ।

মাস্টারবেট করার ভঙ্গি দেখায় ।

কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে এক মেয়ে সরাসরি ছবিই পোস্ট করছে , লেগুনায় এক পোলা জাস্ট ওর মুখোমুখি বইসা সরাসরি লুঙ্গি তুইলা রাখছে ।

এসব কাদের কাজ ভাই?

আমাদের না? আমরা এই পুরুষদেরই তো আজকে যারা ট্রল করছি ।

আমরা ট্রল করি । মজা নি ।

কিন্তু একেকটা মেয়ে এই ছোটোখাটো ঘটনাগুলোয় ট্রমাটাইজড হয়ে যায় । পুরুষের প্রতি ভীতি বাড়ে ।

একটা বাচ্চা মেয়ে , যে এসএসসিতে পড়ে , আপনি সিনএজিতে ওর পাশে বইসা ওরে ব্যা*ড টাচ করলে কি অনুভূতি নিয়া এই মেয়ে বাসায় ফিরে?

Can you imagine it?

অথচ এই দৃশ্যগুলা রোজ ঘটে, রোজই ।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মতে , বাসে চড়ে এমন ৩৫% নারীই যৌ**ন হয়রানির শিকার হয়েছেন।

ঢাকার ৭১ ভাগ নারী ১ বার হলেও বাসে এই যৌ**ন হেনস্থার স্বীকার হয়েছে...

এদের বেশিরভাগই করেছে সহযাত্রীরা , কন্ডাক্টর আর ড্রাইভাররা ।

আমরা ক্যাম্পাসে থাকতেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন মেয়েকে রেপ করার ট্রাই করছে বাস ড্রাইভাররা।

দুইটা আলাদা ঘটনা । কিন্তু মেয়ে দুইজনই বেঁচেছিলো একই ওয়েতে । কন্ডাক্টটের সাথে ধস্তাধস্তি করে চলন্ত বাস থেকে লাফ দিছে ।

এতে মৃত্যুঝুঁকি ছিলো , তবু ইজ্জত বাঁচাইছে...

আর প্রাণের চেয়ে বড় সেই ইজ্জত বাঁচাইতে যখন আজকে এই সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হইলো —

আপনি এখন নারী ড্রাইভার , নারী কন্ডাক্টর হইলে নোংরা ট্রল করবেন এটা লজ্জা না ?

সরকার ঢাকায় ১০ টা রুটে ১০ টা বাস , বগুড়ায় ২ টা , চট্টগ্রাম ২ টা ।

এটা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ ।

কিন্তু কার্যকরী উপায় অবলম্বন না করলে দিনশেষে নারীর হেনস্থা বাড়বে ।

সরকার যে বাস দিয়েছে তা যথেষ্ট কম।
সব রুট কভার করা পসিবল না ।

আমাদেের এভারেজ পুরুষদের যে সাইকোলজি দেখা গেলো , মেয়েরা এখন পুরুষদের বাসে উঠলে,

গায়ে পইড়া হেনস্থা তো করবেই সাথে ট্রল করবে,

'নিজেগো বাস থাকতে ব্যাডাদের বাসে উঠছে ক্যান....

সরকার এই ১৪ টা বাসের সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ভাবে নিয়েছে ।

আমি দেখলাম , সরকারের প্ল্যান নারীদের জন্য পুরো বাংলাদেশে ১০০ বাস নামাবে । তার জন্য সময় লাগবে দেড় বছর ।

যদি সত্যিই নারীদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে বাস ড্রাইভ করতে পারে , তাহলে তা করুক ।

কিন্তু এখানে যদি নারীরা ফেইল করে , তাহলেও বাস বন্ধ না হোক ।

পুরুষ ড্রাইভারই নিয়োগ দেওয়া হোক শুধুমাত্র ।

তবে তা হবে সরকার নিবন্ধিত ।

তার পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সব সংগ্রহ করা হবে যাতে কোনো ক্রাইম করলে সহজে ধরা যায়।

কিন্তু কন্ডাক্টর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীই থাকবে ।

এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

তাও নিরাপত্তার খাতিরে — নারীদের জন্য বাস থেকে ইমার্জেন্সি প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার নাম্বার দেওয়া থাকবে রুটভিত্তিক।

শেষ কথা , এই উদ্যোগ বন্ধ না হোক কখনো...

নারীর পথচলা নিরাপদ হোক পশুদের হাত থেকে!

আপনি পুরুষ হইয়া যদি আপনার বোনের , আপনার মায়ের , স্ত্রী ও কন্যার সম্মানটুকু চান , নিরাপত্তা চান তবে এসব নোংরা ট্রল আর আলাপ বন্ধ করেন ।

ধন্যবাদ!

১৩ বছর বয়সী মা আদালতে আসছে তার ৭ মাসের সন্তানকে ফিরে পেতে 😰এই কিশোরী মায়ের নাম জুঁই। বয়স মাত্র ১৩ বছর। অথচ তার কোলে য...
31/07/2026

১৩ বছর বয়সী মা আদালতে আসছে তার ৭ মাসের সন্তানকে ফিরে পেতে 😰

এই কিশোরী মায়ের নাম জুঁই। বয়স মাত্র ১৩ বছর। অথচ তার কোলে যে ফুটফুটে শিশুটিকে দেখা যাচ্ছে, সে-ই তার সাত মাসের সন্তান।

মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২২ বছর বয়সী সাকিব মিয়াকে বিয়ে করে জুঁই। এক বছরের মাথায় তাদের সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু সন্তান জন্মের পরপরই স্বামী ও শাশুড়ি শিশুটিকে রেখে জুঁইকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

নিজের সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য এই কিশোরী মা আদালতের দ্বারস্থ হন। শেষ পর্যন্ত আইনের সহায়তায় তিনি তার সাত মাসের সন্তানকে ফিরে পান।

মাত্র ১১ বছর বয়সে বিয়ে, অল্প বয়সে মাতৃত্ব, সংসার থেকে বিতাড়িত হওয়া সব মিলিয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ছোট্ট মেয়েটিকে। যে বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হয়েছে সংসার, মাতৃত্ব আর আদালতের লড়াই।

তবে সবকিছুর মাঝেও একটি বিষয় হৃদয় ছুঁয়ে যায় সেটা হলো মায়ের ভালোবাসার কোনো বয়স হয় না। মা কিশোরী হোন কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক, সন্তানের প্রতি তার ভালোবাসা, মায়া আর টান সবসময়ই সমান গভীর।

#জুঁই #কিশোরীমা #মায়েরভালোবাসা #শিশুরঅধিকার #বাংলাদেশ #আদালত #ন্যায়বিচার

একটা সময়ের পর দেখব সব কিছুতে টেস্ট করলে মিলবে মাইক্রোপ্লাস্টিক।
30/07/2026

একটা সময়ের পর দেখব সব কিছুতে টেস্ট করলে মিলবে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

🦷 আপনার টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক নেই তো? জেনে নিন ৮টি নিরাপদ টুথপেস্টের নাম!দাঁত ও মুখের সুরক্ষায় আমরা প্রতিদি...
27/07/2026

🦷 আপনার টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক নেই তো? জেনে নিন ৮টি নিরাপদ টুথপেস্টের নাম!

দাঁত ও মুখের সুরক্ষায় আমরা প্রতিদিন টুথপেস্ট ব্যবহার করি। কিন্তু আপনি কি জানেন, অনেক টুথপেস্টে লুকিয়ে থাকে অত্যন্ত ক্ষতিকর 'মাইক্রোপ্লাস্টিক' (যা প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা)? এগুলো অজান্তেই আমাদের শরীরে প্রবেশ করে নানাবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ডা. তানভীর আহমেদের তথ্যমতে এবং এশিয়া পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষায় নিচের ৮টি টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ এগুলো ব্যবহারে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই:
১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)
২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি - ম্যাঙ্গো (দেশীয় ব্র্যান্ড)
৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)
৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)
৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)
৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)
৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)
৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)

নিজে সচেতন হোন এবং নিরাপদ টুথপেস্ট ব্যবহার করে নিজের ও পরিবারের মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা করুন।📌 পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনদেরও সচেতন করুন!

দেশে কি তাহলে কোনো টুথপেস্ট ইউজ করবো না? বাংলাদেশে এমন একটা জিনিস দেখানে যেটাতে ভেজাল নাই৷ বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া...
27/07/2026

দেশে কি তাহলে কোনো টুথপেস্ট ইউজ করবো না? বাংলাদেশে এমন একটা জিনিস দেখানে যেটাতে ভেজাল নাই৷

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে৷

সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ, যার প্রতি ১০০ গ্রামে কণার সংখ্যা ৩২০টি

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া যেসব ২৬টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে (প্রতি ১০০ গ্রামে):

2. Closeup Red Hot – 160

3. Closeup Menthol Fresh – 160

4. Kodomo Ultra Shield Formula (Strawberry) – 140

5. Signal Green Tea – 120

6. Pepsodent Advance Salt – 100

7. Himalaya Complete Care – 100

8. Sensodyne Fresh Mint – 80

9. Pepsodent Sensitive Expert – 60

10. White Plus Red – 60

11. White Plus Pro Sensitive Gel – 60

12. Meril Baby Strawberry – 60

13. Signal Whitening – 60

14. Mediplus TGP Formula – 60

15. am pm Herbal Toothpaste – 40

16. Mediplus DS – 40

17. Pepsodent Germicheck+ – 40

18. Meril Baby Orange – 40

19. Magic Herbal – 40

20. Meswak – 40

21. Closeup Menthol Fresh (Sachet) – 40

22. Dentin Gel Toothpaste – 20

23. Pepsodent Kids Orange – 20

24. Closeup Lemon Sea Salt – 20

25. Brush Up Whitening Gel – 20

26. White Plus Pro Sensitive – 20

আপনার ব্যবহৃত টুথপেষ্ট এখানে আছে কোনটা?

#মাইক্রোপ্লাস্টিক #টুথপেস্ট

গুগল মানেই শুধু সার্চ করা বা ইউটিউব দেখা নয়। গুগলের এমন ১৪টি ফ্রি টুল আছে যা দিয়ে আস্ত একটা অনলাইন বিজনেস দাঁড় করানো সম্...
03/04/2026

গুগল মানেই শুধু সার্চ করা বা ইউটিউব দেখা নয়। গুগলের এমন ১৪টি ফ্রি টুল আছে যা দিয়ে আস্ত একটা অনলাইন বিজনেস দাঁড় করানো সম্ভব, কিন্তু ৯৯% মানুষ এগুলো জানেই না! 👇

শিশুর টিকা সম্পর্কে জানুন ও টিকা নিশ্চিত করুন! সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় শিশুদের হামের টিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছু...
01/04/2026

শিশুর টিকা সম্পর্কে জানুন ও টিকা নিশ্চিত করুন!

সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় শিশুদের হামের টিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি যে—হামের টিকার ক্যাম্পেইন এবং নিয়মিত ইপিআই (EPI) টিকা দুটি আলাদা বিষয়।

​🔴 ক্যাম্পেইন বনাম নিয়মিত টিকা: পার্থক্য কী?

​১. ক্যাম্পেইন (Campaign):
এটি বিশেষ সময়ে নির্দিষ্ট কোনো রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে বড় আকারে পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশে সর্বশেষ বড় আকারের 'হাম-রুবেলা (MR) ক্যাম্পেইন' হয়েছিল ২০২০ সালের শেষ এবং ২০২১ সালের শুরুতে। ক্যাম্পেইন সচরাচর প্রতি বছর হয় না।

​২. নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচি (Regular EPI):
এটি সরকারের একটি স্থায়ী এবং নিয়মিত কার্যক্রম। প্রতিটি শিশুর জন্মের পর থেকে নির্ধারিত বয়সে যে টিকাগুলো দেওয়া হয়, এটিই নিয়মিত ইপিআই। এই ইপিআই এর অধীনে দুইটি হামের টিকা আছে যা বন্ধ ছিল না এবং বর্তমানেও নিয়মিতভাবে চলছে।

​✅ শিশুদের হামের টিকার সময়সূচী:
নিয়মিত ইপিআই কার্ড অনুযায়ী প্রতিটি শিশুকে হামের (MR) দুটি ডোজ দেওয়া হয়:
​১ম ডোজ: শিশু যখন ৯ মাস পূর্ণ হলে
​২য় ডোজ: শিশু যখন ১৫ মাস পূর্ণ হলে

​⚠️ অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ:
আপনার শিশুর টিকা কার্ডটি এখনই চেক করুন। যদি আপনার শিশুর বয়স ৯ মাস বা ১৫ মাস পার হয়ে গিয়ে থাকে এবং কোনো কারণে হামের টিকা নেওয়া না হয়ে থাকে, তবে দেরি না করে দ্রুত আপনার নিকটস্থ সরকারি টিকাদান কেন্দ্রে (কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা সরকারি হাসপাতাল) যোগাযোগ করুন।

​মনে রাখবেন, ক্যাম্পেইন আসুক বা না আসুক, নিয়মিত সূচী অনুযায়ী আপনার সন্তানকে টিকা দেওয়া আপনার দায়িত্ব। টিকা দিন, শিশুকে সুরক্ষিত রাখুন।

আল্লাহ আমাদের সকল শিশুকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখুন!

Address

Jhinaidaha
7330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apex Digit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share