11/07/2024
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ৪ ধরনের KPI বা লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আপনার সোশ্যাল প্লাটফর্মস গুলো থেকে কি রেজাল্ট আশা করছেন তার উপর ভিত্তি করে আপনার KPI সেট করে নিন।
তার আগে জেনে নিই ৪ ধরনের KPI সম্পর্কে।
🎯রিচ
এক্ষেত্রে আপনার ফলোয়ার সংখ্যা, পোস্টে ইম্প্রেশন, প্লাটফর্মস গুলোতে আপনার ব্রান্ডের মেনশন, ইত্যাদি পারফর্মেন্স রিচ বাড়াতে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে সংখ্যার চেয়ে টার্গেটেড রিচ বেশি মূল্যবান। বিজনেসের প্রাথমিক পর্যায়ে KPI হিসেবে রিচ ফ্যাক্টরকে বেছে নিতে পারেন।
🎯এনগেইজমেন্ট
আপনার পোস্টের লাইকস, কমেন্টস, শেয়ারস কিভাবে বাড়ানো যায় সেটি এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া আপনার পেইজে ইউজারদের রেটিংস ও রিভিউস কেমন আসছে, আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে তাদের ফিডব্যাক কেমন তা লক্ষ্য করুন। সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিন।
🎯রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট (ROI)
আপনার এড ক্যাম্পেইন থেকে কেমন সেল জেনারেট হচ্ছে, টার্গেটেড লিডস কাস্টমারে কনভার্ট হচ্ছে কিনা, সোশ্যাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কাস্টমার সার্ভিস দিয়ে কতটুকু খরচ কমানো সম্ভব হচ্ছে, একজন ইউজার একাধীকবার আপনার পণ্য/ সার্ভিসে আগ্রহী হচ্ছেন কিনা, এই সব থেকেই বুঝতে পারবেন আপনার কাঙ্খিত ROI কতটুকু অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে।
🎯রিটেনশন/ লয়্যালটি
এই সর্বশেষ স্তরে কাস্টমার স্যাটিসফ্যাকশন ও আপনার ব্রান্ডের প্রতি তাদের সেন্টিমেন্ট বোঝার চেষ্টা করুন। যেকোনো ফিডব্যাক কে গুরুত্বের সাথে নিন এবং আপনার মার্কেটিং পলিসিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনুন।
কাস্টমারদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করুন। এতে দীর্ঘ সময়ের জন্য তাদের ধরে রাখতে পারবেন। এছাড়া লয়্যাল ইউজার বেইজ তৈরি হবে যারা স্ব-প্রণোদিত হয়ে অন্যদের কাছে আপনার ব্যান্ড কে রেফার করবেন।