Beauty shop wahid

Beauty shop  wahid Hello everyone,
I am shekh a Wahid. I am a SEO expert. I am professional digital marketer beside tal I am SEO trainer.

and I am professional digital marketing manager. now it is you is most popular for every website because Google rank 1 SEO must be needed so, you'll learning SEO and handsome money for your career

খুবই গভীরতম কথাগুলো যেন হৃদয় ছুঁয়ে যায়
18/07/2024

খুবই গভীরতম কথাগুলো যেন হৃদয় ছুঁয়ে যায়

25/06/2024
পড়লে অবাক হবেন’ দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খান, বন্ধ হয়ে যাবে আপনার….
21/11/2021

পড়লে অবাক হবেন’ দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খান, বন্ধ হয়ে যাবে আপনার….

পড়লে অবাক হবেন’ দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খান, বন্ধ হয়ে যাবে আপনার….
আমাদের প্রতিদিনের খাবারে ডুমুর এই ফলটি প্রায় নেই বললেই চলে। বাজারে গিয়ে অন্যান্য সবজি,ফল কিনলেও এই ফলটির খোঁজ আমরা করিই না। কারণ আমরা অনেকে জানিই না যে, ডুমুর এই ফলটি যেটি সবার কাছে অনেকটা অবহেলিত সেটির রয়েছে কিছু আশ্চর্য গুণ। ডুমুরে শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যেটি আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকলে, আপনি এই পাঁচটি শারীরিক সমস্যা থেকে খুব সহজেই দূরে থাকতে পারবেন। দেখে নিন।
ডুমুর ফলের উপকারিতা অর্থাৎ এর বিভিন্ন ঔষুধিগুণ (Medicinal) আলোকপাত করা হলঃ-
-ডুমুর (Figs)পিত্ত ও আমাশয় রোগে উপকারী।
-এতে লোহা বেশি আছে বলে বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
৷৷ 💗💗💗💗💗💗💗💗💗
-ডুমুর (Figs)রক্তপিত্তা, রক্তপ্রদর, রক্তপড়া অর্থাৎ রক্তহীনতা রোগে উপকারী।
-জ্বরের পর ডুমুর (Figs)রান্না করে খেলে টনিকের কাজ করে।
-মেয়েদের মাসিকের সময় বেশি রক্তস্রাব হলে কচি ডুমুরের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।
-দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের(Figs) রস খেলেও অধিক ঋতুস্রাব বন্ধ হয়।
-আমাশয় হলে কচি ডুমুরের (Figs) পাতা আতপ চালের সঙ্গে চিবিয়ে খেলে ভালো হয়। তিন দিন খেতে হয়।
-সাদা ও রক্ত আমাশয় হলে, ডুমুরগাছের ছাল রস ২ বেলা ২ চামচ রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো হয়।
-মাথাঘোরা রোগে, ডুমুর (Figs) ভাজা করে খেলে ভালো হয়। তবে সর্বদা মনে রাখতে হবে ডুমুরের ভেতরের অংশ অখাদ্য। খেলে ক্ষতি হবে। সবসময় ডুমুরের বাইরের অংশ রান্না করে খাওয়া যায়।
-হেঁচকি উঠা রোগে ডুমুরের (Figs) বাইরের অংশ কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এক ঘন্টা, তারপর ছেঁকে নিয়ে ঐ পানি এক চামচ করে আধ ঘন্টা অন্তর খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।

ডুমুর ফল

🧊হাইপারটেনশন
খুব বেশি টেনশনে ভোগেন? সামান্য বিষয় নিয়েই খুব বেশী চিন্তা হয়? এর কারণ হল শরীরে কম পটাশিয়াম আর সোডিয়ামের পরিমাণ বেশী হবার ফলে। আর ডুমুরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম মাত্রায় থাকে। যেটা হাইপারটেনশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কমাতে সাহায্য করে।

🧊অ্যানিমিয়া
শরীরে প্রয়োজনীয় রক্তের অভাব? দ্রুত এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে খান ডুমুর। শুকনো ডুমুরে প্রচুর আয়রন থাকে। জাস্ট একটা ডুমুর থেকেই পেতে পারেন ২% পর্যন্ত আয়রন। তাই যাদের অ্যানিমিয়া সমস্যা আছে, তারা আর কিচ্ছু না সপ্তাহে দু থেকে তিনদিন ডুমুর খান।

🧊ব্রেস্ট ক্যান্সার
আজকাল ব্রেস্ট ক্যান্সার একটি বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এর থেকে দূরে থাকতে খান ডুমুর। কারণ ডুমুরে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের ওষুধ। এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। আর আক্রান্ত হলেও একে ছড়িয়ে পড়তে দেয় না। ফ্রি রেডিকেলস গুলিকে নষ্ট করে। ক্যান্সার সারিয়ে তোলে। তাই ক্যান্সারের মত কঠিন সমস্যা থেকে দূরে থাকতে খান ডুমুর।

#ডুমুর_খাওয়ার_উপকারিতা
#ডুমুরের_উপকারিতা
#ডুমুর_কাটার_পদ্ধতি
#ডুমুরের_ঔষধি_গুনাগুন
#ডুমুরের_ভেষজ_গুণ

🍎🍎যৌন সমস্যা
ডুমুর যৌন শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এতে আছে জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়ামের মত কিছু প্রয়োজনীয় মিনারেলস। যা এই সমস্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উপাদান গুলি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই এই ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বেশী করে খান ডুমুর।

🍊🍊হাড়ের সমস্যা
হাড়কে মজবুত রাখতে বেশ উপকারী ডুমুর। এক্ষেত্রে শুকনো ডুমুর বেশী উপকারী। একটা শুকনো ডুমুর থেকে ৩% পর্যন্ত ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। এটি হাড়ের ঘনত্ব ধরে রাখে ও হাড়কে ভঙ্গুর হয়ে যাবার হাত থেকে বাঁচায়। তাই হাড়ের সমস্যায় ভুগতে না চাইলে ডায়েট চার্টে ডুমুরের জায়গা করে দিন।

তাহলে দেখলেন তো ডুমুরের জাদু! এই পাঁচটি সমস্যা তো বটেই এছাড়াও পুরো শরীরকে সুস্থ রাখতে ডুমুরকে আর অবহেলা নয়। রোজকার খাবারের তালিকায় ডুমুরের জায়গা করে দিন।

18/11/2021

দ্রুত বীর্যপাত!! দুইজনের কেউ-ই তৃপ্ত নয়, এর সমাধান | Premature Ej*******on | পেয়ারা পাতার উপকারীতা

বহু দুর্লভ সব রোগের ওষুধ এই স্বর্ণলতা,নিজে জানুন এবং অন্যকে জানতে সহায়তা করুন
15/11/2021

বহু দুর্লভ সব রোগের ওষুধ এই স্বর্ণলতা,নিজে জানুন এবং অন্যকে জানতে সহায়তা করুন

জন্ডিস নিরাময়, তলপেটের ব্যথা কমানো, ও ক্ষত উপশমে এই লতা কাজ করে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। লতা সেদ্ধ করে পানি খাওয়া হয়। এই লতার পানি পিত্তনাশক ও কৃমি দমনে সহায়তা করে। ব্যাকটেরিয়া দমনেও এটি সহায়ক। তবে এই পাতার রস অনেক সময় গর্ভপাত, বা প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দেয় বলেও ধারণা আছে।
স্বর্ণলতার নির্যাস পেটফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যে দারুণ উপকারী। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় স্বর্ণলতা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায় একে রক্তদুষ্টিনাশক, পিত্ত ও কফনাশক, বিরেচক, বায়ুনাশক, কৃমিনাশক, খোসপাঁচড়া নিবারণকারী হিসাবে দেখা যায়।
স্বর্ণলতা একটি পরজীবী উদ্ভিদ। কোন পাতা নেই, লতাই এর দেহ কাণ্ড মূল সব। লতা হতেই বংশ বিস্তার করে। সোনালী রং এর চিকন লতার মত বলে এইরূপ নামকরণ। ঔষধি গুন আছে। অনেক ক্ষেত্রে আশ্রয় দাতা গাছের মৃত্যু ঘটিয়ে থাকে।

জন্ডিস ভালো হয় :
প্রথমে স্বর্ণ্লতা সংগ্রহ করে থেতো করতে হবে। এবার থেতো করে সেবন করলে জন্ডিস রো

যাদের শুক্রাণু পাতলা তারা বেত গাছের মূল চূর্ণ্ করে ঘিয়ে ভেজে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। এভাবে খেতে পারলে শুক্রবৃদ...
10/11/2021

যাদের শুক্রাণু পাতলা তারা বেত গাছের মূল চূর্ণ্ করে ঘিয়ে ভেজে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। এভাবে খেতে পারলে শুক্রবৃদ্ধি অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

এই ফলটি খাওয়া মাত্রই কি হয়, জানেন তো?
এক প্রকার সপুষ্পক উদ্ভিদ এটি। গ্রামগঞ্জে বেত গাছ দেখা যায়। এটি জঙ্গলাকীর্ণ কাঁটাঝোপ আকারে জন্মে। জানেন কি এই গাছের ফল ও শিকড় স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?

বেতফল একটি পুষ্টিকর, সুস্বাদু এবং উপাদেয় জাতীয় ফল। বেত গাছে এই ফল ধরে বলে তাকে বেতফল বলে। বেত ফল ও মূল ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ছয় প্রজাতির বেতফল পাওয়া যায়। একটি থোকায় ২০০টি পর্যন্ত ফল ধরে। ফলের খোসা পাতলা ডিমের খোসার মতো। পাকা ফলের শাঁস নরম, খেতে টক-মিষ্টি। এবার তবে জেনে নিন বেত ফলের উপকারিতা সম্পর্কে-



আমাশয় সারাতে :

বেত গাছের ফল আমাশয় রোগের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যাদের পুরাতন আমাশয় আছে তারা এই বেত গাছের শাঁস খেতে পারেন।

শুক্রবৃদ্ধি ঘটায় :

যাদের শুক্রাণু পাতলা তারা বেত গাছের মূল চূর্ণ্ করে ঘিয়ে ভেজে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। এভাবে খেতে পারলে শুক্রবৃদ্ধি অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

দাঁতের গোড়া শক্ত করতে :

প্রথমে বেত গাছের মূল সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর এই সিদ্ধ করা পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয়।



যাবতীয় রোগ নিরাময়ে :

বেত গাছের মূলের ক্বাথ সেবন করলে মূত্র সংক্রান্ত যাবতীয় রোগ নিরাময় হয়।

পিত্তশূল দূর করতে :

প্রথমে বেত ফলের রস চিনির সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এটি নিয়মিত খেলে পিত্তশূল ভালো হয়ে যাবে।

ডায়াবেটিসে উপকারীপেঁপে খেতে মিষ্টি স্বাদের হলেও এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ টুকরো করা পেঁপেতে ৮ দশমিক ৩ গ্রাম চিনি ...
09/11/2021

ডায়াবেটিসে উপকারী
পেঁপে খেতে মিষ্টি স্বাদের হলেও এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ টুকরো করা পেঁপেতে ৮ দশমিক ৩ গ্রাম চিনি থাকে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধক উপাদান আছে পেঁপেতে।

কাঁচা পেঁপের উপকারিতার সম্পর্কে-
১. ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে কাঁচা পেঁপে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে যথেষ্ট আঁশ বা ফাইবার রয়েছে। পেঁপেতে যেমন কম ক্যালোরি আছে, তেমন মেদ কমানোর জন্য বিশেষ কিছু উপাদান রয়েছে।

২. যাদের পেটে গোলমাল দেখা দেয়, তারা সালাদ হিসেবে কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন।

৩. পেঁপেতে থাকা আঁশ ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি বা অম্লতা, পাইলস ও ডায়রিয়া দূর করতে পারে।

৪. কাঁচা পেঁপে দেহের সঠিক রক্ত সরবরাহে কাজ করে। দেহে জমা থাকা সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে যা হৃৎপিণ্ডের রোগের জন্য দায়ী। নিয়মিত পেঁপে খেলে উচ্চ রক্ত চাপের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৫. কাঁচা পেঁপেতে নানা রকম প্রাকৃতিক এনজাইম থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি এনজাইম হচ্ছে সাইমোপ্যাপিন ও প্যাপিন। এই দুটি এনজাইম প্রোটিন চর্বি ও কার্বোহাইড্রেট ভাঙতে সাহায্য করে।

৬. নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খেলে ত্বকের সমস্যা দূর হয়। বিশেষ করে ব্রণ এবং ত্বকের ওপর নানা দাগ দূর করতে পারে কাঁচা পেঁপে। মৃত কোষ সমস্যা দূর করতে পারে পেঁপে।

৭. যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা কাঁচা পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস শুরু করুন। খেতে পারেন কাঁচা পেঁপের জুসও। কাঁচা পেঁপে বা এর জুস রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। আর এটি শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায়।

৮. প্রতিদিন দুপুর ও রাতে খাবারের পর এক টুকরো কাঁচা পেঁপে ভালো করে চিবিয়ে খান। তারপর এক গ্লাস পানি খেলে সকালে পেট পরিষ্কার হয়। এতে গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমের সমস্যাও দূর হয়।

৯. পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারি। কারণ এটি নারীদের যে কোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।

লাউ রয়েছে দ্রবণীয়, অদ্রবণীয় ফাইবার ও পানি। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে। ৮
08/11/2021

লাউ রয়েছে দ্রবণীয়, অদ্রবণীয় ফাইবার ও পানি। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে। ৮

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে
উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা যারা ভুগছেন তাদের ডায়েটে লাউ দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ থাকা বেজায় জরুরি! কারণ এতে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে হার্টের স্বাস্থ্যও ভাল হয়ে ওঠে। আর হার্ট যখন চাঙ্গা হয়ে ওঠে তখন সার্বিকভাবে আয়ুও যে বৃদ্ধি পায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।

কীটের কামড়ের যন্ত্রণা কমাতে: বিছা, বোলতা ও ভীমরুলের কামড়ালে গোয়ালে লতার পাতা বেশ উপকারি। ... ফোঁড়া সারাতে: ফোঁড়া হল...
04/11/2021

কীটের কামড়ের যন্ত্রণা কমাতে: বিছা, বোলতা ও ভীমরুলের কামড়ালে গোয়ালে লতার পাতা বেশ উপকারি। ... ফোঁড়া সারাতে: ফোঁড়া হলে গোয়ালে লতার পাতা বেটে ফোঁড়ার চারপাশে লাগালে কাচা ফোঁড়া খুব তাড়াতাড়ি পেকে ফেটে যায়।

কীটের কামড়ের যন্ত্রণা কমাতে: বিছা, বোলতা ও ভীমরুলের কামড়ালে গোয়ালে লতার পাতা বেশ উপকারি। ... ফোঁড়া সারাতে: ফোঁড়া হলে গোয়ালে লতার পাতা বেটে ফোঁড়ার চারপাশে লাগালে কাচা ফোঁড়া খুব তাড়াতাড়ি পেকে ফেটে যায়। গোয়ালে লতার পাতা বাটলে একরকম লালা বের হয়, এ লালা ঘা ও ফোঁড়ার পক্ষে খুবই উপকারী।

গোয়ালে লতা এটি একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। এই গাছের বহু ঔষধি গুন আছে। কঠিন কঠিন রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে। তাই আপনি গাছটি সম্পর্কে জানুন গাছটিকে চিনুন, এবং এটি ব্যবহার করে কি কি রোগ থেকে মুক্তি পাবেন তা আজকে আমি আপনাদের কাছে এর উপকারিতা ও গুনাগুন গুলো তুলে ধরব।
#গোয়ালে_লতা
প্রথমে গাছটিকে চেনার চেষ্টা করুন। আমি আপনাদের চেনার সুবিধার্থে একটি ছবি দিয়ে দিব। ছবি দেখেও যারা চিনতে পারবেন না তারা আমাকে কমেন্ট করবেন। আপনি একটু বন জঙ্গলে এটি খোঁজ করলেই পেয়ে যাবেন।
#গোয়ালে_লতা_উপকারীতা
১. রক্তস্রাব বন্ধ করতেঃ
মহিলাদের রক্তস্রাব বন্ধ করতে গোয়ালে লতা বেশ উপকারী। আর এধরণের সমস্যায় অনেকেই পড়ে থাকে। তারা যদি এই গোয়ালের লতার মূল ৫০ গ্রাম ২ কাফ পানিতে জ্বাল দিয়ে আধা কাপ নামিয়ে আনতে হবে এবং এটি ছেক নিন। এবার তার সঙ্গে এক কাপ কাঁচা গরুর দুধ মিশিয়ে সকাল-সন্ধ্যায় ১০ -১৫ দিন খেলে অবশ্যই রক্তস্রাব বন্ধ হবে এবং এতে স্থায়ী চিকিৎসা হিসেবে কাজ করবে।

২. কীটের কীটের কামড়ের যন্ত্রণা কমাতে:
বিছা, বোলতা ও ভীমরুলের কামড়ালে গোয়ালে লতার পাতা বেশ উপকারি। পাতা বেটে তার রস কামড়ানো স্থানে তিন থেকে চারবার লাগালে ব্যথা কমে যায় এবং হলেও কমে যায়।

৩. প্রস্রাবের সমস্যাঃ
কোনো কারণে প্রস্রাব বন্ধ হলে গোয়ালে লতার মূল ৩০ গ্রাম ২ কাফ পানিতে জ্বাল দিয়ে আধা কাপ নামিয়ে আনতে। এবার একটি পত্র ছেঁকে নিতে হবে। এর সাথে ১ চা চামুচ গাওয়া ঘি ও তিল তেল ১ চা চামুচ এবং গরুর দুধ ১ কাফ সব কিছু এক সাথে মিশিয়ে খেলে প্রস্রাবের সমস্যা দূর হয়।

৪. শরীরে কোন স্থানে কেটে গেলেঃ
আঘাত লেগে কেটে গেলে অথবা কোন অস্ত্রে দ্বারা গভীর ভাবে কেটে গেলে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হতে লাগলে। কোনো ভাবেই রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করা যাচ্ছে না ঠিক তখন যদি হাতের কাছে গোয়ালে লত থাকে তাহলে এই পাতা পুরু করে লাগিয়ে বেঁধে দিলে রক্ত ক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায়। এবং কাটা জায়গা খুব দ্রুত শুকিয়ে যায়।

৫. ফোঁড়া সারাতে:
ফোঁড়া হলে গোয়ালে লতার পাতা বেটে ফোঁড়ার চারপাশে লাগালে কাচা ফোঁড়া খুব তাড়াতাড়ি পেকে ফেটে যায়।গোয়ালে লতার পাতা বাটলে একরকম লালা বের হয়, এ লালা ঘা ও ফোঁড়ার পক্ষে খুবই উপকারী।

৬. জ্বর সারাতেঃ যে কোন প্রকার জ্বর সারাতে গোয়ালে লতা খুব ভালো কাজ করে। অনেকের আছে সারা বছর জল লেগে থাকে অথবা ঠাণ্ডাজনিত কারণে প্রায়ই জ্বর হয়ে থাকে। যে কোন প্রকার জ্বর সারাতে গোয়ালে লতার মূল ১০ গ্রাম এবং সমপরিমাণ মাষকলাই ঠান্ডা পানিতে বেটে খেলে জ্বর সেরে যায়।

ইনশাআল্লাহ আশা করি এধরণের সমস্যা হলে গোয়াল লতা আপনাদের উপকারে আসবে। ভালো লাগলে আমাদের পেজটি শেয়ার করবেন এবং পেজটিতে একটি লাইক দিবেন।
, তথ্য সংগ্রহঃ শেখ এ ওয়াহিদ

আশা করি আজকে যে কবিরাজি টিপসটি আপনাদের বলে দিব। এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে। আপনারা আজীবন আপনাদের সঙ্গীদের সঙ্গে বা ...
01/11/2021

আশা করি আজকে যে কবিরাজি টিপসটি আপনাদের বলে দিব। এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে। আপনারা আজীবন আপনাদের সঙ্গীদের সঙ্গে বা পার্টনারের সঙ্গে ভালোভাবে থাকতে পারবে।

আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় বন্ধুরা আজকে আলোচনা করব যে সমস্ত পুরুষ ভাইয়েরা বিছানায় সুখ পেতে চান অর্থাৎ বিছানায় তুফান উঠাতে চান তাদের জন্য আজকের পোস্টটি।

আজকে আপনাদের এমন একটি ভেষজ গাছের সঙ্গে পরিচয় করে দিব। যা আমাদের বলা সঠিক নিয়মে যদি খেতে পারেন, তাহলে আপনারা আপনাদের বিছানায় তুফান উঠাতে পারবেন। এই গাছটি কিন্তু 100 % উপকারী এবং আমি আপনাদেরকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতেছি এটি কিন্তু একটি কবিরাজি গাছ। আর এই গাছটি আপনারা ব্যবহার করলে কাজ পাবেনই পাবেন এটা আমার সম্পূর্ণ পরীক্ষিত একটি কবিরাজি গাছ।

আশা করি আজকে যে কবিরাজি টিপসটি আপনাদের বলে দিব। এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে। আপনারা আজীবন আপনাদের সঙ্গীদের সঙ্গে বা পার্টনারের সঙ্গে ভালোভাবে থাকতে পারবে।
আশা করি নিজেদের স্বার্থে, সময় নিয়ে সুন্দরভাবে পোস্টটি পড়ুন এবং যারা আমাদের পেজে নতুন আসছেন তারা অবশ্যই পেজটিতে একটি লাইক দিবেন এবং বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করে দিবেন।

আমি পুরুষ ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতেছি। আপনারা মন খারাপ করবেন না। আমাদের দেশে পুরুষ ভাইদের মাথা একটু গরম। কারণ যখন তারা তাদের স্ত্রীর সঙ্গে বা পার্টনারের সঙ্গে বা প্রেমিকার সঙ্গে মিলন করতে যায় তখন গিয়েই ঢেলে দেয়। এটা কিন্তু 100% সত্য কথা। কারণ পুরুষের পুরুষ লিঙ্গ অতিরিক্ত গরম থাকে হয়ে থাকে। একটু নাড়াচাড়া তেই আউট হয়ে যায়। কিন্তু তারা কখনো চিন্তা করে দেখেনা যে তাদের সুখটায় সুখ না তাদের যে পার্টনার বা সঙ্গিনী রয়েছে তাদের একটু সুখ রয়েছে। এর ফলে কিনতুক আপনার পার্টনার মনে মনে কষ্ট পায় বা মনের দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে। যার ফলশ্রুতিতে, সংসারে দেখা যায় ঝগড়, কোলাহল, স্ত্রী খিটখিটে ভাব করে, সব সময় আপনার থেকে দূরে দূরে থাকতে চাই, এবং সে মনে মনে অন্য পুরুষের আকাঙ্ক্ষা করে, যার ফলে অনেক সময় সংসার টিকে না, সংসার বিচ্ছেদ হয়, এবং অনেক সময় দেখা যায় স্ত্রীর পরকীয়ায় মত পাপে লিপ্ত হয়ে পড়ে।

তো আজকে ভাই আপনাদের এমন একটি ভেষস গাছের কথা বলব যেটি আমাদের বলা সঠিক নিয়মে যদি আপনি খেতে পারেন তাহলে ইনশাল্লাহ আপনাদের এই শারীরিক সমস্যার সমাধান হবে এবং আপনারা আপনাদের বিছানায় তুফান উঠাতে পারবেন এবং স্ত্রীকে সম্পূর্ণভাবে সন্তুষ্টি করতে পারবেন।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা এত সময় আপনাদের যে গাছটির কথা আমি বলতেছিলাম সেই গাছটির নাম হচ্ছে হাতিশুঁড়। যা একপ্রকার একবর্ষজীবী আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ। একে হাতিশুঁড়ি, হাতিশুণ্ডি, হস্তীশুণ্ডী, শ্রীহস্তিনী, মহাশুণ্ডী ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম Indian heliotrope, Indian Turnsole। এটি এশিয়া মহাদেশের উদ্ভিদ। হাতিশুঁড় পরিচিত। আমি এই গাছটির ছবি দিয়ে দিব আপনারা দেখে চিনে নিবেন।
এবং এই গাছটি আপনাদের এলাকায় কি নামে পরিচিত তা অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।

বন্ধুরা গাছটি ব্যবহার করার আগে কিছু কবিরাজি টিপস আছে যা আপনাকে Follow করতে হবে।

স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের আগে আপনি চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে বুঝার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ আপনার স্ত্রীর শরীর সুস্থ আছে কিনা সে সহবাস করতে আগ্রহী কিনা, কোন কোন অবস্থায় জোরপূর্বক সহবাস করবেন না।

তড়িঘড়ি করে সহবাস করবেন না হাতে সময় নিয়ে সহবাস করুন।

সহবাসের শুরুতে আপনার সঙ্গিনীর বা স্ত্রীর স্পর্শ কাতর স্থানে বেশি বেশি করে চুম্বন করুন। সহবাসের এক পর্যায়ে যখন। আপনার স্ত্রী যখন নিত্তেজ বা ক্লান্ত হয়ে যাবে, তখনই সুযোগ বুঝে আপনার পেনিস স্ত্রীর যোনিতে ঢুকানো এবং সহবাস সম্পূর্ণ করুন।

এবার গাছটির ব্যবহারের নিয়ম বলতেছিঃ
✍️✍️✍️✍️চিকিৎসাঃ
প্রথমে আপনাকে হাতিশুর গাছ টি সংগ্রহ করতে হবে।আপনি গ্রামে এবং শহরে উভয় জায়গায় এই গাছটি পাবেন। পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়।
💗নিয়মঃ প্রতি দিন সকালে হাতিশুঁড়ি গাছের শিকড় বড় গাছ হলে একটি নিতে হবে। আর ছোট হলে দুটি নিতে হবে। ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ কেটে নিতে হবে। এবার ভালোভাবে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। এবার এক চা চামুচ খাঁটি মধু সাথে এই গাছের শিকড় টা চিবিয়ে রস খেয়ে ফেলতে হবে। এবং এর পর এর ছাবলা ফেলে দিতে হবে।
💗কত দিন বা কখন খেতে হবেঃ প্রতি দিন সকালে খালি পেটে খেতে হবে টানা ২১ দিন।
আশা করি নিয়ম মেনে খেতে পারলে 100% কাজ হবে। এটা আবার সম্পূর্ণ পরীক্ষিত একটি ভেষজ কবিরাজি গাছ ।
নিজেস্ব প্রতিবেদনঃ শেখ এ ওয়াহিদ

বাবলার গাছের কচি পাতার রস বল, আয়ু ও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং একই সাথে আমাদের বার্ধক্যজনিত সমস্যা কমায়। প্রতিদিন একটি করে...
30/10/2021

বাবলার গাছের কচি পাতার রস বল, আয়ু ও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং একই সাথে আমাদের বার্ধক্যজনিত সমস্যা কমায়। প্রতিদিন একটি করে বাবলা পাতার খেলে চুল পড়া রোধ হয় এবং চুল ঘণ

এইগুলা কি গাছ কেউ জানেন?
এই পেজে সাথে যুক্ত হওয়ার পরে রাস্তার পাশের গাছ ও অনেক মূল্যবান মনে হয়।
Friends এই গাছটিকে আমাদের এলাকায় #বাবলা_গাছ , #খইয়াবাবলা , #গুয়ে_বাবলা #কাঁটা_বাবলা , নামে পরিচিত। আমি ছবি দিয়ে দেবো আপনারা চিনে নিবেন। আর আপনার এলাকায় কি নামে এই গাছটা পরিচিত তা অবশ্যই লিখবেন।
বাবলা গাছের উপকারিতা ও গুণাগুণ আমাদের অনেকেরই জানা নেই। বাবলা গাছের ভেষজ গুণ অনেক। এর ফুল মিষ্টি গন্ধের, গোলাকার, রঙ উজ্জ্বল হলুদ। তবে ফলগুলো চ্যাপ্টা হয়ে থাকে। ফলের রঙ সাদা। এই গাছটির শিকড় ব্যতীত সব অংশই ঔষুধের কাজে লাগে। আসুন জেনে নেই বাবলা গাছের উপকারতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে-

বাবলা গাছের উপকারিতা ও গুণাগুণঃ

১। বাবলার গাছের বাকল ও পাতার রস আমাদের রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মানসিক বিকারগ্রস্ততা, হিস্টেরিয়া রোগ উপশমে বাবলার ব্যবহার হয়। দুধের সাথে এর বাকল চূর্ণ মিশিয়ে দিনে তিনবার সেবন করলে হিস্টিরিয়া রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।

২। আমাদের লিভারের বিভিন্ন রোগ এবং হজমের সমস্যায় বাবলা ভীষণ উপকারী। বাবলার পাতার রস শিশুদের পেটের বিভিন্ন অসুখে ঘরোয়া ঔষুধ হিসেবে দারুণ কাজ করে। এছাড়াও এটি টাইফয়েড রোগ এবং এরোগের জীবানু রোধে বেশ কার্যকরী। #বাবলা_গাছের_উপকারিতা

৩। বাবলার গাছের কচি পাতার রস বল, আয়ু ও যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এবং একই সাথে আমাদের বার্ধক্যজনিত সমস্যা কমায়। প্রতিদিন একটি করে বাবলা পাতার খেলে চুল পড়া রোধ হয় এবং চুল ঘণ ও সবসময় কালো থাকবে।

৪। বাবলা পাতার রস আমাদের রক্ত পরিষ্কার রাখে। আর এতেই আমাদের ত্বক অনেক ভালো থাকে এবং অকালে ত্বক বুড়িয়ে যায় না। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে বাবলার পাতার রস কিন্তু অনেক কার্যকরী।

৫। বাবলা পাতার রস স্নায়ুশক্তি বৃদ্ধি ও শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে বেশ কাজে আসে। বাবলা পাতার রস ৩-৪ চামচ নিয়ে ১ গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে সকাল ও বিকাল খেতে হবে। এক সপ্তাহ পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

৬। বাত ব্যাথায় বাবলা গাছের মূল চূর্ণ্ তেলের সাথে প্রলেপ দিলে বাত ব্যাথা ভালো হয়।
কফ সমস্যায় :
বাবলা গাছের পাতা বেটে সেই রস সেবন করলে কফ নিঃসরণ হয়।

তথ্যসূত্রঃ শেখ এ ওয়াহিদ

Address

Khulan Berbari
KHULAN

Telephone

+8801989488490

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beauty shop wahid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Beauty shop wahid:

Share