Shape What’s Next

Shape What’s Next 🔥সহজ সরল🔥
আমাদের পেজে আপনাকে স্বাগতম।

10/02/2026

আহলে হাদীস ভাইদের ভোট সৌদির হিসেবে ১১ তারিখে হবে ?
নাকি বাংলাদেশের সাথে ১২ তারিখেই হবে ?

07/02/2026

সহবাসের দুআ জানা না থাকলে অন্তত বিসমিল্লাহ পড়ে নিবেন।
নাহয় ইবলিসের বিনষ্টতায় আক্রান্ত হয়ে আপনার সন্তান
বদ পুলিশ হতে পারে।
সাধু সাবধান!

04/02/2026
01/12/2025

Halal Dance🐸😁

- স্যার,আপনি আমার পা জা*মা খুলছেন কেনো? - ভ*য় পাবার কিছু নেই। আজকে তোমাকে ফি জি*ক্যাল সাবজেক্ট নিয়ে শিখাবো।- কিন্তু স্যা...
27/09/2025

- স্যার,আপনি আমার পা জা*মা খুলছেন কেনো?
- ভ*য় পাবার কিছু নেই। আজকে তোমাকে ফি জি*ক্যাল সাবজেক্ট নিয়ে শিখাবো।
- কিন্তু স্যার পা*জাবমা কেনো খুলছেন?
- চুপচাপ শুয়ে থাকো।
- স্যার,আপনি আমার পে ন্টি কেনো খুলছেন।
- বেশি কথা বলো তুমি৷ চুপচাপ শুয়ে থাকো।

১৪ বছরের ছাত্রীকে বিছানায় ফেলে আ*কাম করার চিন্তায় আছে রফিক স্যার। মেয়েটির নাম আঁখি। এবার সবে মাত্র ৮ম শ্রেনীতে পড়ে৷ আঁখির আব্বু আম্মু মার্কেটে গেছে কেনাকাটা করার জন্য। বাড়ি পুরো ফাকা। কাজের ছেলেটিকেও সাথে করে নিয়ে যায়। ফাকা বাড়িতে আঁখিকে একা পেয়ে রফিক স্যারের মা*থায় কু* বুদ্ধির প্রভাব বিস্তার ঘটে। আঁখি বা*চ্চা মেয়ে। ওতটা জ্ঞান নেই ওর। ছোট বেলা থেকেই পড়াশুনা আর ঘুমের মধ্যে কেটে দিয়েছে। বান্ধবীরাও নেই যে, ছয় নয় সম্পর্কে কিছু বুঝবে। ওর আম্মুই তাকে দরকারি কাজ গুলো শিখায়। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি আঁখি কোনো চ*রিত্রহীন লোকের কবলে পড়বে কে জানতো। রফিক স্যারের আলাদা কোনো খা*রাপ রেকর্ড নেই। শিক্ষক হওয়ার আগে অনেক রেকর্ড আছে,কিন্তু শিক্ষক হবার পর থেকেই ভালোর মু-খোশ পড়ে নেয়। আজ আঁখিকে ফাকা বাড়িতে একা পেয়ে উনার আর সইলো না। বিছানায় ফেলে জামাকাপড় খোলা শুরু করে দেয়।আঁখি সব বুঝতে না পারলেও,এইটা ঠিকই বুঝে গেছে, স্যার এখন তার ই*জ্জৎ লুটে নিবে। কিন্তু বুঝতে যে দেরি হয়ে গেছে। এর আগেই স্যার আঁখির উপর ঝাপিয়ে পড়ে চেপেচুপে দেয়। আঁখি অবিরত কা*ন্না করেই যাচ্ছে। রফিক স্যারের মন তাতে গ*লে নি। উনি ন*রপ*শুর মত ছি*ড়েখুঁড়ে আঁখির ই*জ্জৎ লুটে নিলো। প্রায় ১০ মিনিট পর রফিক সাহেব স্থির হন। এরপর আঁখির উদ্দেশ্যে বলে।

- এখন আমি যা করেছি। এইটা সম্পুর্ন ভিডিও করেছি আমি। যদি তোমার আব্বু আম্মুকে বলে দাও,তাহলে এই ভিডিও আমি ভাইরাল করে দিবো। তোমার জীবন শেষ হয়ে যাবে।
- কিন্তু স্যার,আপনি এইটা কেনো করলেন ( কা*ন্না করতে করতে)
- আরেহহ বুঝোনা? এইটা তোমাকে শেখালাম। ভবিষ্যতে তোমার কাজে লাগবে।

আঁখিকে ই*জ্জতের ভ*য় দেখিয়ে আর ছয় নয় বুঝিয়ে রফিক স্যার চলে আসে। প্রাইভেট পড়ানোর বদলে আজ অন্য কিছু করে ভালোই ভাব বেড়েছে উনার। আঁখি বাথরুমে গিয়ে আবারো অনেক্ষন কা*ন্না করে৷ র*ক্ত বন্ধ হওয়ার নামগ*ন্ধও নেই। অন্যদিকে তার প্র*স্রাবপথে অনেক ব্যা*থা বেড়ে যায়। সব স*হ্য করে আঁখি ফ্রেশ হয়ে রুমে আসে। চোখের নিছে কালো দাগ পড়ে যায় তার। ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে অনেক কিছুই বুঝে ফেলে সে। স্যার বলেছিলো ভিডিও ভাইরাল করে দিবে। এতে আঁখির কোনো প্রব্লেম নেই। কিন্তু ওর মা বাবা জানতে পারলে কতোই ক*ষ্ট পাবে। তা ভেবেই আঁখি নিজের ভিতর পূষন করে রাখে সব। সন্ধার দিকে বাড়িতে আসে আঁখির আব্বু আম্মু। বাড়িতে এসেই আঁখিকে বলল।

- কিরে মা৷ তোর স্যার কোথায়।
- চলে গেছে।
- আরেহহ, আজ এত তাড়াতাড়ি? নিশ্চয় তুমি হোমওয়ার্ক ভালো করতে পেরেছো রাইট?
- হ্যাঁ।
- আমার লক্ষী মামুনি টা। এই নাও,তোমার জন্য পুতুল এনেছি।
- লাগবেনা আমার।

তৎক্ষনাৎ আঁখি সোফা থেকে উঠে নিজের রুমে চলে যায়। আঁখির মা বাবা অপলক চাহনিতে আঁখির দিকে তাকায়। উনারাও বেশ অবাক হন। আঁখি তো এমন মেয়ে না। হটাৎ এতো গম্ভীর হলো কিভাবে৷ উনারাও আঁখির পিছু নিতে চেয়েছিলো। কিন্তু তার আগেই আঁখি রুমের দরজা বন্ধ করে দেয়।
পরেরদিন সকাল বেলা আঁখির নাম্বারে একটা কল আসে। মোবাইল ফোনটা আঁখিকে দিয়েছিলো তার আব্বু। তাও নোকেয়া বাটন ফোন। শুধুমাত্র দরকারি কাজের কথা বলার জন্য। আঁখি ঘুম থেকে উঠে দেখে স্যারের নাম্বার। স্যারের নাম্বার দেখেই আঁখি ভ*য় পেয়ে যায়৷ কেমন যেনো উনাকে এখন অন্যরকম মনে হয় তার।প্রথমবার কল রিসিভ না করলেও,পরেরবার আঁখি রিসিভ করে৷

- কি হলো,প্রথমবার কল ধরলেনা যে?
- ঘুমে ছিলাম স্যার।
- তোমার গ*লায় ভ*য়ের চাপ কেনো।
- কিছুনা স্যার।
- আজ স্কুলের ব্যাগ নিয়ে সোজা আমার বাড়ি চলে আসো। স্কুল করতে হবেনা।
- আমি আর পারবোনা স্যার।
- আচ্ছা, ভিডিও তোমার আম্মু আব্বুর ফোনে পাঠাই?
- না না না স্যার,আমি আসতেছি।
- এইতো লক্ষী মেয়ে। জলদি আসো।

শুরু হয়ে যায় Blackmail। প্রতিদিন একবার হলেও,ভিডিও এর ভ*য় দেখিয়ে আঁখির সাথে মা*স্তি করে যাচ্ছে রফিক স্যার। বাধ্যতামূলক যেতেও হয়। কি বা করবে মেয়েটি। অবুজ মেয়ের মা*থায় আর কি ঢুকবে। যত চায় রক্ষা করতে,তত হয়ে যায় বন্দি।এভাবে চলতে থাকে কয়েক মাস। আঁখি আর নিতে পারছেনা৷ অবশেষে আঁখির জন্য আ*ত্মহ*ত্যার পথ খোলা রইলো। আর সেটাই হলো।

ঘটনা এখানেই সমাপ্তি হতে পারতো৷ কিন্তু না, ঘটনা থেমে যায়নি এখানে। আঁখির মৃ*ত্যুর পর আঁখির আ*ত্মাও ফিরে আসেনি। অ*তৃপ্ত আ*ত্মার আগমনে নাকি শ*ত্রুর বি*নাশ ঘটে। সেটাও হয়নি। বাস্তবতায় বুঝতে গেলে আরো কিছুও বাকি রয়ে যায়। আঁখির লা*শ মর্গে নেওয়ার পর লা*শ কা*টতে আসে ডক্টর। ম*র্গে আপাতত আর কোনো লা*শ নেই। এই একটাই লা*শ৷ কিন্তু অদ্ভুত ঘটনা ধরা পড়ে সিসি ক্যামেরায়। হসপিটালের লোকজন বলে, সিসিটিভি ক্যামেরায় যে ডক্টরকে দেখা যাচ্ছে,তিনি এই হসপিটালের ডক্টর নয়। হসপিটালের ডক্টরের মা*থা টাক। আর এই ডক্টরের মা*থায় চুল ভর্তি। আরো ভ*য়ানক ব্যাপার হচ্ছে, ডক্টর এসে আঁখির মা*থাটা এক কো*পে আলাদা করে দেয়। এরপর সেটি তার ব্যাগে করে নিয়ে যায়। বাহিরের সিসিটিভি ক্যামেরায় কোন লোক ম*র্গের রুম থেকে বের হতে ধরা পড়েনি। অথচ ম*র্গের ভিতর লাগানো ফুটেজে তাকে দেখা যাচ্ছে। দরজা খুলতেই একটা মানুষ হাওয়া যায় কিভাবে? প্রশ্ন ❓
এদিকে যে ডক্টর লা*শ কাটার কথা ছিলো। সে সকাল থেকেই নিখোঁজ। কোথায় হারালেন ডক্টর? প্রশ্ন ❓

রফিক সাহেব বিন্দাস ঘুরে বেড়াচ্ছে। উনি পরের টার্গেট হিসেবে বেচে নেয় আরেকটা ছাত্রীকে। খুব হুশিয়ার ভাবেই তিনি কাজ চালান। কনডম ব্যবহার করে চিহ্ন রেখে দেননা। এভাবেই কেটে আসছেন উনি। ছাত্রীদের নিজের বাসায় এনে বিছানায় ফেলে আ*কাম করে ছেড়ে দেয়। ভিডিও করে রাখে যাতে ভ*য় পায় তারা। এর মাঝে আঁখি বা*চ্চা মেয়ে ছিলো তাই আ*ত্মহ*ত্যা করেছে। আর অনেকে তো নিজেরাই স্যারকে কল দিয়ে বলে " ক*নডম আছে? নাকি নিয়ে আসবো"?!

যাইহোক, এভাবে বেশিদিন যায়নি। রফিক সাহেব একদিন রাতে সুমিকে খবর দেয়। সুমি আসে। বিছানায় শুয়ে পড়ে। রফিক সাহেব ঝাপিয়ে পড়ে। কাজ শেষ।
ক্লান্ত হয়ে শুয়ে থাকে রফিক স্যার। সুমিকে বিদায় দিয়ে বাথরুমে যায় ফ্রেশ হতে। রফিক স্যার বাথরুমের দরজা খোলে ভিতরে প্রবেশ করতে দেরি, দরজাটা অটোমেটিক আটকে যেতে দেরি করেনি।রফিক স্যার অবাক হয়ে গেলেন। উনার জানামতে আজ গা*ঞ্জা খায়নি৷ তবে এমন হয়েছে কেনো? মা*থা চুলকাতে চুলকাতে উনি বাথরুমের আয়নার সামনে যায়,আর ওমনি দেখে,উনার পিছনে একটা যু*বক দাড়িয়ে আছে। ছেলেটিকে দেখতে খুব বা*জে। বি*শ্রি রকমের চে*হারা । রফিক সাহেব আয়নায় চেহারাটা দেখেই পিছনে তাকালেন। দেখে কেও নেই। রফিক সাহেব ভ*য়ে চিৎ*কার শুরু করে দেয়৷ দরজা ধাক্কাচ্ছে আর চি*ল্লাচ্ছে৷ আর তখনি নিভে যায় বাথরুমের লাইট৷ রফিক স্যার কিছু বুঝার আগেই, উনার পিছন থেকে কেও, তার মা*থা দরজার সঙ্গে চেপে ধরে পিছন থেকেই শুরু করেছে। রফিক স্যার ক*ষ্টে কা*তরানি দিচ্ছে। এতদিন সব ছাত্রীদের তিনি যেভাবে খে*য়েছেন,আজ উনাকেই কোনো অ-দ্ভুত মা*নুষ খা*চ্ছে।
( এই খা*ওয়া সেই খা*ওয়া নয়,এই খাওয়া এই খা*ওয়া)

রফিক স্যার না পারছে নড়তে,আর না পারছে কিছু বলতে। টানা ৪ ঘন্টা ধরে চলছে। উনি নিজেই বুঝতে পারেনা। ছেলে হয় কোন ছেলে এমন করতেছে। ৫ ঘন্টা শেষ,৬ ঘন্টা শেষ।এভাবে সারারাত কেটে সকাল হয়ে যায়,এখনো রফিক সাহেব দরজার সঙ্গে আটকে আছে,আর কেও পিছন থেকে থেরাপি দিচ্ছে৷ সবশেষে সকাল ৮ টায় দরজা নিজে নিজে খুলে যায়। আর রফিক স্যার উপচে এসে রুমের ফ্লোরে পড়ে যায় উ*লঙ্গ। সকাল ৮ টায় পড়ুয়া সকল প্রাইভেট ছাত্রি তখন উনার রুমে। রফিক স্যার এই অ*বস্থায় দেখে,সবাই চিৎ*কার মে*রে লোকজন জড়ো করে দেয়। রফিক স্যারের হুশ নেই। উনি এই যে অ*জ্ঞান হয়েছেন, টানা দুইদিন বিছানা ছাড়তে পারেনি। এরপর থেকে শুরু আরো ভ*য়ংকর ঘটনা। এমন ভ*য়ংকর কিছু শুরু হয়,যা অন্যের মুখ থেকে শুনলেও,ভ*য়ে শ*রীর হিম খেয়ে যায়। শি-রশি-র করে উঠে শরী*রের লো-ম।
একদিন..

চলবে.....?

গল্প- অ-দৃশ্য সাইকো ( পর্ব- ০১)

লেখক- Riaz Raj

নতুন নতুন গল্প এন্ড কবিতা পাইতে আমাদের পেইজ টা ফলো করুন নিল লেখায় চাপ দিয়ে👉 Toon Qube

24/09/2025

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Akash Hossen, দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন, Raju Islam, Fʌʀɩɗ Hʌsʌŋ, Ew'r Arif Ahmed, Razzak Kaka, Monirul Islam, Md Mofizur Rahaman, শূন্য জীবন, Sk Liton, মো সোহেল হাওলাদার, Md Sajadul Islam, RX Picchi, Rakibul Islam, আমি শুধু চেয়েছি তোমায়, Saidul Hq, Torikul Islam, Ujjal Mondal, Hasem Reza, Sadia Islam

নিজের স্বামীকে নিজেরই ঘরে তার কাজিনের সাথে অতরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পেয়ে পায়ের তলার থেকে মাটি সরে গেল চারুলতার । চারুলতা ...
19/09/2025

নিজের স্বামীকে নিজেরই ঘরে তার কাজিনের সাথে অতরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পেয়ে পায়ের তলার থেকে মাটি সরে গেল চারুলতার । চারুলতা দাঁড়িয়ে আছে ঘরের দরজার সামনে। দুপুরের আলো ফাঁক গলে ঢুকছে, অথচ তার ভেতরটা অন্ধকারে ডুবে গেছে। দরজার ফাঁক দিয়ে ভেসে আসছে এক অদ্ভুত গন্ধ, পারফিউমের সাথে ঘামে মেশানো তীব্র গরম গন্ধ। বুকের মধ্যে হাহাকার নেমে এল ওর, তাও নিজেকে শক্ত রেখে হাত বাড়িয়ে এক ঝটকায় দরজাটা খুলে দিল।
চোখে সামনে যা ধরা দিল, সেটার জন্য চারু কোনোদিন প্রস্তুত ছিল না। নাম চারুলতা, বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে, ভালোবেসে বিয়ে করেছিল আরভ নামের এক যুবককে।
আরভ, চারুর জীবনের দশ বছরের সঙ্গী, বিয়ের আগে যার হাত ধরে কত স্বপ্ন এঁকেছিল চারু, সেই মানুষটি বিছানার কিনারায় দাঁড়িয়ে। শরীর থেকে জামাটা আধখোলা, মুখে চমকে ওঠার আভা। আর পাশে… স্নেহা। আরভ এর কাজিনবোন, যে হাসিমুখে প্রায়ই চারুর ঘরে আসত। স্নেহা তখন কম্বল দিয়ে নিজের অর্ধনগ্ন শরীর ঢাকার জন্য ছটফট করছে।
চারুর পা হঠাৎ ভারী হয়ে গেল। বুকের মধ্যে কেমন ভাঙচুর শুরু হল—হাড়ের ফাঁকে ফাঁকে যন্ত্রণা বেজে উঠল। গলা শুকিয়ে গেল, অথচ কান্না আটকে রাখা যাচ্ছিল না। চোখে জল ভরে উঠল, সবকিছু ঝাপসা হয়ে গেল। শব্দ বেরোতে চাইলেও গলা দিয়ে স্বর বেরোল না।
__চারু… শোনো, এটা যেমন দেখছ তেমন কিছু না…আরভ তাড়াহুড়ো করে প্যান্ট পরতে পরতে বলল। গলায় দম বন্ধ হয়ে আসা আতঙ্কের ছাপ।
কিন্তু চারু কোনো কথা বলল না। সে কেবল ভাঙা পায়ের মতো পা টেনে বাইরে বেরিয়ে এল। দৌড়ে সিড়ি বেয়ে নিচে নামল ড্রয়িংরুমে পা রাখতেই অনুভব করল, সেখানে সবাই বসে আছে—শাশুড়ি, শ্বশুর, দেবর, ননদ। সবার দৃষ্টি তার দিকে নিবদ্ধ, যেন তারা আগেই সব জানত। যেন তারা অপেক্ষা করছিল কবে চারু হোঁচট খেয়ে ভাঙবে।
চারুর শাশুড়ির মুখে একটা অদ্ভুত হাসি—ঠোঁটের কোণে বিদ্রূপের রেখা। সেই হাসির মধ্যে যেন লিখে রাখা ছিল: যেন আপদ বিদেয় হয়েছে উনার ঘাড় থেকে।
চারু এক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে রইল। মনে হচ্ছিল পুরো দুনিয়া ঘুরছে, অথচ সে স্থির। ভেতরের ভাঙন ঢাকতে সে চোখের জল মুছে ফেলল। এবার সে আর আগের মতো ভীত, চুপচাপ মেয়ে নয়। বুকের ভেতরে এক নতুন রূপ গড়ে উঠছে—যে রূপ অপমান সহ্য করবে না।
সে সোজা বেরিয়ে গেল বাড়ির দরজা দিয়ে। বাইরে আকাশ তখন গোধূলির লালচে আলোয় ভরা, তবু তার ভেতরের আকাশ ছিল কালো মেঘে ঢাকা। রাস্তায় সো সো করে গাড়ি ছুটে যাচ্ছে, চারু মাতালের ন্যায় রাস্তায় হেটে যাচ্ছে, তো কখন হোচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছে, কিছু মানুষ অবাক চোখে ওকে দেখছে, আবার কেউ ওকে পাগল ভাবছে। তবে চারুর সেইসবে কোনো খেয়াল নেই, ওর যেন বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই মরে গেল।
কেটে গেল দুদিন,,,,
চারুলতা বসে আছে বাপের বাড়ির ড্রয়িংরুমের সোফায়। চারপাশে পরিপাটি পর্দা, দেওয়ালে পুরোনো পারিবারিক ছবি, কিন্তু আজ এই ঘরে কোনো আনন্দ নেই আছে শুধু বিষাদ।
সামনে বসে আছে আরভ, তার বাবা-মা, বোন আর পাশে স্নেহা। স্নেহার মুখে সেই একই তাচ্ছিল্যপূর্ণ হাসি—যেন সে ইতিমধ্যেই নিজের জয় উদযাপন করছে।
চারু আজ চুপচাপ, কিন্তু ভেতরে এক অদৃশ্য আগুন জ্বলছে। বিয়ের পর থেকে সে কতটা সহ্য করেছে—শ্বশুরবাড়ির মানুষদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য, গালাগাল, খোঁটা। শুধুমাত্র আরভ এর দিকে তাকিয়ে, কিন্তু আজ সেই মানুষটাই ওর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল। সবসময় ও ভেবেছে, অন্তত আরভ তাকে ভালোবাসে । আজ সেই ভালোবাসাও ধ্বংসস্তূপ হয়ে গেছে।
সে গভীর শ্বাস নিল, তারপর আরভের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,
__আমার সাথে এমন কেন করলে তুমি, আরভ?
ঘরে মুহূর্তের নীরবতা।
আরভ কিছু বলার আগেই শাশুড়ি খ্যাঁক করে উঠলেন,
__কি এমন করেছে আমার ছেলে হ্যাঁ? তুমি নিজেই বেশি বুঝো ।
চারুর দৃষ্টি এবার শাশুড়ির দিকে গেল। গলায় কম্পন থাকলেও কণ্ঠের দৃঢ়তা স্পষ্ট,
__আপনার ছেলে কি করেছেন আপনি জানেন না, নাকি জেনেও চোখ বন্ধ করে রেখেছেন?
শাশুড়ির মুখে উপহাসের ছায়া ঘন হল।
__এই মেয়ে, আমার ছেলে কোনো অন্যায় করেনি। ছেলেরা একটু আধটু এরকম করেই থাকে, তাতে কি হয়েছে, এটা নিয়ে এত জল ঘোলা করার কি আছে।
__জল ঘোলা আমি করছি, চরিত্র ঠিক নেই আপনার ছেলের আর আপনি বলছেন আমি জল ঘোলা করছি?
__তোমার এত সাহস তুমি আমার ছেলেকে দুশ্চরিত্রা বলছো। চরিত্রে সমস্যা তো তোমার , দু’বছর বিয়ে হয়েছে, তবু আমাদের ছেলেকে সন্তান সুখ দিতে পারলে না। আবার জোর গলায় কথা বলছো।
কথাগুলো চারুর বুকের গভীরে আঘাত করল। চোখে জল ভেসে উঠল, কিন্তু সে আজ নিজেকে দুর্বল হতে দিল না।
তার মনে পড়ল সেই সকালটার কথা—ডাক্তারের চেম্বারে বসে রিপোর্ট হাতে পাওয়ার মুহূর্ত। ডাক্তার মৃদু হেসে বলেছিলেন,
__অভিনন্দন, আপনি মা হতে যাচ্ছেন।
চারু সেই মুহূর্তে ভেবেছিল, আরভকে একটা চমক দেবে। কত স্বপ্ন জড়িয়ে ছিল সেই ছোট্ট কাগজের পাতায়। কিন্তু বাড়ি ফিরে পেল এমন এক দৃশ্য, যা তার জীবনকে ভেঙে চুরমার করে দিল।
চারু শাশুড়ির দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বলল,
__ আপনার মতো মহিলাদের কি বলা হয় আপনি জানেন তো মা? ওহ মা শব্দ টা আপনাকে বললে সেই শব্দটির অপমান করা হবে।
তখনই আরভ গর্জে উঠে দাঁড়াল,,,,,
__চারু, মুখের ভাষা সামলে তোমার এত স্পর্ধা হয় কি করে আমার মার সাথে এইভাবে কথা বলার। আমি ভেবেছিলাম তোমার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিব কিন্তু তুমি আমার ক্ষ মার যোগ্যই না, আর হ্যাঁ আমি যা করেছি বেশ করেছি, তোমার মতো মেয়ে যে আমাকে বাবার সুখ দিতে পারলো না, তার সাথে এতদিন আমি সংসার করেছি এটাই অনেক , এখনি আমার মার কাছে ক্ষমা চাও নয়তো আমার বাড়িতে তোমার মত বন্ধার জায়গা হবে না।
চারু তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়াল, চোখের পলকে ঠাস করে শব্দ হল,ঘরে হঠাৎ নিস্তব্ধতা নেমে এল।
হ্যাঁ চারু মেরেছে চ,ড় টা আরভ কে।
অনুগল্প:- চারুলতা
প্রথম পর্ব
লেখনীতে:- sanjana
চলবে।

নারীর শরীর ভোগ করার সবচেয়ে বড় ফাঁ'দ হলো প্রশংসা।ভাবী, আপনাকে দেখে মনে হয় এখনও কলেজে পড়েন! আপনার হাসিটা একদম সিনেমার নায়ি...
19/09/2025

নারীর শরীর ভোগ করার সবচেয়ে বড় ফাঁ'দ হলো প্রশংসা।
ভাবী, আপনাকে দেখে মনে হয় এখনও কলেজে পড়েন! আপনার হাসিটা একদম সিনেমার নায়িকার মতো! এমন সুন্দরীকে পেয়েও কেউ ঝ'গড়া করে কিভাবে!
খেয়াল করলে দেখবেন কিছু মানুষ এই কথাগুলো বিবাহিত মেয়েদের উদ্দেশ্য করে বলে৷ এই কথাগুলো শুনতে ভালো লাগলেও এগুলোর পিছনে থাকে অন্য উদ্দেশ্য। এগুলো বলে আপনাকে আপনার বাস্তব জীবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। আপনাকে বোঝানো হয়, আপনি অনেক বেশি স্পেশাল, যেটা আপনার স্বামী বোঝে না, কিন্তু তৃতীয় ব্যাক্তিটা বুঝে।
এভাবেই তৈরি হয় মায়ার ফাঁ'দ। সামান্য অভিমান বা দাম্পত্যের টানাপোড়েনে বাইরের এই মিষ্টি কথা আপনার মনে বিষ ঢেলে দেয়। স্বামীর প্রতি ক্ষোভ বাড়ায়, সংসারে অ'শান্তি আনে, আর শেষমেশ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
সত্যি কথা হলো, যারা এভাবে প্রশংসা করে, তারা আপনাকে বিয়ে করতে চায় না। তারা দায়িত্ব নিতে চায় না। তারা চায় কেবল শরীর, কেবল ক্ষণিকের আনন্দ। যতদিন স্বার্থ আছে, ততদিন আপনি স্পেশাল। স্বার্থ শেষ আর ফিরেও তাকাবে না।
এরকম মানুষদের লাইফে বিন্দুমাত্র যায়গা দিবেন না। প্রশংসা শুনে গলে যাবেন না। যে মানুষ আপনার সংসার ভাঙতে চায়, তাকে যত দূরে রাখা যায় তত ভালো। কারণ দিনের শেষে, আপনার পাশে থাকে সেই মানুষটাই যে হয়তো কবির মতো প্রশংসা করে না, কিন্তু অসুস্থ হলে রাত জেগে আপনার যত্ন নেয়, আপনার সন্তানের দায়িত্ব নেয়, সংসারের বোঝা টানে।
মনে রাখবেন, ক্ষণিকের প্রশংসার নেশা অনেক মিষ্টি হতে পারে, কিন্তু তার ফল অত্যন্ত তেতো আর ভয়ংকর।

Address

Rupsha
Khulna
9241

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shape What’s Next posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share