Team DigiDoc

Team DigiDoc Digital Marketing For Growing Your Business. Manage Customer Relationships Across All Channels
Digit

Manage Customer Relationships Across All Channels
Digital Marketing and its Associated Channels are important – but not to the exclusion of all else.

ঈদ অফার 🔥 ঈদ অফার 🔥 ঈদ অফার 🔴  𝐅𝐮𝐥𝐥 𝐌𝐨𝐧𝐞𝐓𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞: (Need One  60+ Minutes Long Video On Channel)✳️ 1k Subscribers...
22/07/2021

ঈদ অফার 🔥 ঈদ অফার 🔥 ঈদ অফার

🔴 𝐅𝐮𝐥𝐥 𝐌𝐨𝐧𝐞𝐓𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞: (Need One 60+ Minutes Long Video On Channel)

✳️ 1k Subscribers &
✳️ 4k Hours –5000 Taka

🔴 𝐅𝐮𝐥𝐥 𝐌𝐨𝐧𝐞𝐓𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞: (Need One 20+ Minutes Long Video On Channel)

✳️ 1k Subscribers &
✳️ 4k Hours –5800 Taka

🔴 𝐅𝐮𝐥𝐥 𝐌𝐨𝐧𝐞𝐓𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞: (Need Any Long Video On Channel)

✳️ 1k Subscribers &
✳️ 4k Hours –7000 Taka

🔴 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐒𝐮𝐛𝐬𝐜𝐫𝐢𝐛𝐞 𝐄𝐢𝐝 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫:-

✳️ 100 Subscribe Price 185 TK
✳️ 200 Subscribe Price 370 TK
✳️ 500 Subscribe Price 920 TK
✳️ 800 Subscribe Price 1450 Tk
✳️ 1k Subscribe Price 1790 TK

🔴 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐕𝐢𝐝𝐞𝐨 𝐕𝐢𝐞𝐰𝐬 𝐄𝐢𝐝 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫 : Normal Views 30 Sec-2 Min Retention

💞 1k Views Price 100 Taka
💞 2k Views Price 200 Taka
💞 5k Views Price 500 Taka
💞 10k Views Price 1k Taka
💞 20k Views Price 2k Taka
💞 50k Views Price 5k Taka
💞 100k Views Price 10k Taka

🔴 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐕𝐢𝐝𝐞𝐨 𝐕𝐢𝐞𝐰𝐬 𝐄𝐢𝐝 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫: {HR Views 5-20 Min Per Views Retention}

💞 1k Views Price 200 Taka
💞 2k Views Price 400 Taka
💞 5k Views Price 1000 Taka
💞 10k Views Price 1850 Taka
💞 20k Views Price 3750 Taka

💐𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐖𝐚𝐭𝐜𝐡 𝐓𝐢𝐦𝐞 𝐄𝐢𝐝 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫 𝐏𝐫𝐢𝐜𝐞:-{𝐀𝐧𝐲 𝐋𝐨𝐧𝐠 𝐕𝐢𝐝𝐞𝐨 𝐍𝐞𝐞𝐝 𝐄𝐱:- 𝟏 𝐌𝐢𝐧 - 𝟓 𝐌𝐢𝐧}

💞 500 Hour Watch Time Price 750 Taka
💞 1000 Hour Watch Time Price 1500 Taka
💞 2000 Hour Watch Time Price 2850 Taka
💞 3000 Hour Watch Time Price 4150 Taka
💞 4000 Hour Watch Time Price 5200 Taka

💐 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐖𝐚𝐭𝐜𝐡 𝐓𝐢𝐦𝐞 𝐄𝐢𝐝 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫 𝐏𝐫𝐢𝐜𝐞:- (For 20+ Minutes Long Video)

💞 500 Hour Watch Time Price 650 Taka
💞 1000 Hour Watch Time Price 1100 Taka
💞 2000 Hour Watch Time Price 2200 Taka
💞 3000 Hour Watch Time Price 3000 Taka
💞 4000 Hour Watch Time Price 4000 Taka

𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐖𝐚𝐭𝐜𝐡 𝐓𝐢𝐦𝐞 𝐄𝐢𝐝 𝐎𝐟𝐟𝐞𝐫 𝐏𝐫𝐢𝐜𝐞:- {𝐅𝐨𝐫 𝟏 𝐇𝐨𝐮𝐫 𝐕𝐢𝐝𝐞𝐨 𝐍𝐞𝐞𝐝}

💞 500 Hour Watch Time Price 450 Taka
💞 1000 Hour Watch Time Price 850 Taka
💞 2000 Hour Watch Time Price 1650 Taka
💞 3000 Hour Watch Time Price 2500 Taka
💞 4000 Hour Watch Time Price 3250 Taka

আলহামদুলিল্লাহ এই মাত্র আরেকটি চ্যানেল মনিটাইজ অন করে দিলাম।ওয়াচ টাইম র স্কিন শট ও চ্যানেল লিংক চেক করলে বুজতে পারবেন,যা...
20/07/2021

আলহামদুলিল্লাহ এই মাত্র আরেকটি চ্যানেল মনিটাইজ অন করে দিলাম।

ওয়াচ টাইম র স্কিন শট ও চ্যানেল লিংক চেক করলে বুজতে পারবেন,

যাদের মনিটাইজ প্যাকেজ লাগবে ইনবক্স করুন

01642199168

🔥 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐒𝐞𝐫𝐯𝐢𝐜𝐞 🔥🎞️ YouTube Subscribe🎞️ YouTube Views🎞️ YouTube Watch Time🎞️ YouTube Like/Dislike🎞️ YouTube Comment🔥 𝐅...
20/07/2021

🔥 𝐘𝐨𝐮𝐓𝐮𝐛𝐞 𝐒𝐞𝐫𝐯𝐢𝐜𝐞 🔥

🎞️ YouTube Subscribe
🎞️ YouTube Views
🎞️ YouTube Watch Time
🎞️ YouTube Like/Dislike
🎞️ YouTube Comment

🔥 𝐅𝐚𝐜𝐞𝐛𝐨𝐨𝐤 𝐒𝐞𝐫𝐯𝐢𝐜𝐞 🔥

👍 BD Non Drop Followers
👍 page Like
👍 Profile Type Page Follower
👍 Post Like/Reaction
👍 Facebook Video Views

🔥 𝐈𝐧𝐬𝐭𝐚𝐠𝐫𝐚𝐦 𝐒𝐞𝐫𝐯𝐢𝐜𝐞 🔥

❤️ Instagram Followers
❤️ Instagram Likes
❤️ Instagram Video Views

🥰 সকল সার্ভিস নন ড্রপ! 🥰

What is Sitemap (Sitemap কী ) :একটি সাইট ম্যাপ হলো একটি ফাইল যা আপনার ওয়েব সাইটের বিভিন্ন পেজ সম্পর্কে ইনফরমেশন প্রোভাই...
04/07/2021

What is Sitemap (Sitemap কী ) :

একটি সাইট ম্যাপ হলো একটি ফাইল যা আপনার ওয়েব সাইটের বিভিন্ন পেজ সম্পর্কে ইনফরমেশন প্রোভাইড করে ।

এই সাইট ম্যাপ এর মাধ্যমে গুগলের বট খুবই সহজ এবং সুন্দর ভাবে আপনার ওয়েবসাইটকে ক্রল করতে পারে।

Types Of Sitemap (Sitemap কত ধরনের ?) :

সাধারনত দুই ধরনের Sitemap হয়ে থাকে , (xml) এক্সএমএল সাইটম্যাপ এবং (html) এইচটিএমএল সাইটম্যাপ.

Xml Sitemap :

আমাদের ওয়েবসাইটের পেজ গুলি সাধারণত এক্সএমএল সাইটম্যাপ এর মধ্যে থাকে।
যার ফলে সে গুলোকে ক্রোল এবং ইনডেক্সিং করতে গুগলের সুবিধা হয় ।

একটি এক্সএমএল (xml) সাইটম্যাপ গুগলকে এটাও ইন্ডিকেট করে যে, আমাদের পেজ গুলি বা কনটেন্ট লাস্ট কবে আপডেট করা হয়েছে .নতুন কনটেন্ট কে অবশ্যই গুগোল বেশি পছন্দ করে, তাই সাইটম্যাপ এর মাধ্যমে আমাদের কনটেন্ট আপডেট সম্পর্কে গুগল জানতে পারে।

এক্সএমএল (xml) সাইটম্যাপে আপনি 50 হাজার পর্যন্ত লিঙ্ক অ্যাড করতে পারবেন, এর থেকে যদি বেশি দরকার হয়ে থাকি তাহলে আপনাকে মাল্টিপেল সাইট ম্যাপ ব্যবহার করতে হবে।

Html Sitemap :

এইচটিএমএল (Html) সাইট ম্যাপ টি একই রকম এক্সএমএল সাইটম্যাপ এর মত ।

এইচটিএমএল সাইটম্যাপ টি বেশি ব্যবহার করা হয় ইউজারদের জন্য ।

এক্সএমএল সাইটম্যাপ গুগল খুবই তাড়াতাড়ি বুঝতে পারে এবং ইনডেক্সিং করতে পারে, কিন্তু html সাইটম্যাপ হচ্ছে ইউজারদের জন্য।

আমাদের ওয়েবসাইটের পেজ এবং বিভিন্ন কনটেন্টকে তারাতারি একসেস করার জন্য এবং বোঝার জন্য আমরা এইচটিএমএল সাইটম্যাপ টিকে ব্যবহার করে থাকি।

Why Sitemap Is Important (সাইট ম্যাপ কেন গুরুত্বপূর্ণ ?) :

প্রথমত: আপনার ওয়েবসাইটে যদি ইন্টার্ লিঙ্কিং ভালো করে না করা হয় সে ক্ষেত্রে নতুন পেজগুলোকে ইনডেক্সিং হতে সমস্যা হয় এবং সাইটম্যাপ এর মাধ্যমে আমরা সেই পেজ গুলি ইনডেক্সিং করাতে পারি।

দ্বিতীয়তঃ আপনার ওয়েবসাইটে যখন অনেক বেশি পেজ থাকে তখন সেই পেজগুলোকে ক্রল করে এবং সে গুলোকে ইনডেক্সিং করতে গুগলের অনেক সময় লেগে যায়, তাই সে ক্ষেত্রে আমাদের সাইটম্যাপ ব্যবহার করলে এক জায়গাতেই গুগোল সমস্ত পেজকে পেয়ে যায় ,যার জন্য সাইটম্যাপ ব্যবহার করা হয়।

এবং তৃতীয়তঃ আপনার ওয়েবসাইট যদি সম্পূর্ণ নতুন হয় সেক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং আপনার ওয়েবসাইটের অস্থিত্ব গুগলের কাছে পৌঁছানোর জন্য সাইটম্যাপ ব্যবহার করা হয়।

How To Find Sitemap (সাইটম্যাপ কে কিভাবে খুজে পাবেন?):

সাইটম্যাপ কে খুঁজে পাওয়া খুবই সোজা ..আপনার ওয়েবসাইটের নামের পাশে [ /sitemap.xml বা Sitemap_index.xml] লিখে সার্চ করলেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটে সাইটম্যাপ কে দেখতে পাবেন।

How To Submit Sitemap (সাইটম্যাপ কে কিভাবে সাবমিট করবেন ?):

আপনি যদি কাস্টম ওয়েবসাইট ব্যবহার করে থাকেন সেক্ষেত্রে সাইটম্যাপ জেনারেটর বলে গুগলে সার্চ করলে এক্সএমএল সাইটম্যাপ জেনারেটর টুল টি পেয়ে যাবেন।

সেখান থেকে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য সাইটম্যাপ তৈরী করতে পারবেন এবং সেই ফাইলটি কে আপনি আপনার Cpanel এর মধ্যে গিয়ে Public.html এ আপলোড করলেই আপনার সাইটম্যাপ আপনার ওয়েবসাইটে আপলোড হয়ে যাবে ।

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজার হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা ।

বিভিন্ন এসইও প্লাগিন ব্যবহার করলেই যথেষ্ট ।

এছাড়াও আপনি গুগল সার্চ কনসোলে গিয়ে লেফট সাইডে সাইটম্যাপ অপশনে ক্লিক করে সেখানে থেকেও আপনার সাইটম্যাপ সাবমিট করতে পারবেন।

আশা করছি এই ইনফর্মেশন টি আপনাদের খুবই সাহায্য করবে ।এই পোস্টটি কেমন লেগেছে এবং যদি কোন রকম প্রশ্ন থাকে অবশ্যই আমাকে কমেন্টে জানাতে পারেন।

Client Work :)
03/07/2021

Client Work :)

 #অফার___অফার___অফার__         #ফেসবুক_পেজ_লাইক✅ফেসকুব ১০০০ পেজ লাইক মাত্র ২২০টাকা✅ফেসবুক ৫০০০ পেজ লাইক মাত্র ১০২০টাকা✅ফ...
01/07/2021

#অফার___অফার___অফার__

#ফেসবুক_পেজ_লাইক

✅ফেসকুব ১০০০ পেজ লাইক মাত্র ২২০টাকা
✅ফেসবুক ৫০০০ পেজ লাইক মাত্র ১০২০টাকা
✅ফেসবুক ১০০০০ পেজ লাইক মাত্র ২০২০টাকা

#ফেসবুক_আইডি_ফলোয়ার

✅ফেসবুক ১০০০ ফলোয়ার মাত্র ২২০টাকা
✅ফেসবুক ৫০০০ ফলোয়ার মাত্র ১০২০টাকা
✅ফেসবুক ১০০০০ ফলোয়ার মাত্র ২০২০টাকা

#ফেসবুক_পোস্ট_লাইক_রিয়েক্ট

✅ফেসবুক ১০০০ পোস্ট লাইক মাত্র ১৭০টাকা
✅ফেসবুক ১০০০ পোস্ট রিয়েক্ট মাত্র ১৮০টাকা

#ইনস্টাগ্রাম_ফলোয়ার_ও_লাইক

✅ইনস্টাগ্রাম ১০০০ ফলোয়ার মাত্র ২২০টাকা
✅ইনস্টাগ্রাম ১০০০০ ফলোয়ার মাত্র ২০০০টাকা
✅ইনস্টাগ্রাম ১০০ পোস্ট লাইক মাত্র ১০০টাকা


#ইউটিউব

✅ইউটিউব ১০০০ সাব্স্ক্রাইব মাত্র ১৫৫০টাকা

✅ইউটিউব ১০০০ ভিউ মাত্র ২০০টাকা

✅ইউটিউব ১০০০ ঘন্টা ওয়াচটাইম মাত্র ১৩০০টাকা

যারা আমাদের সার্ভিস নিতে ইচ্ছুক
ইনবক্স করুন

What's App : +8801719555343
Email : [email protected]

আমাদের থেকে যেসব   সোশ্যাল মিডিয়া সার্ভিসগুলো পাচ্ছেন : Facebook Services:*page Likes*Facebook Profile Followe...
29/06/2021

আমাদের থেকে যেসব
সোশ্যাল মিডিয়া সার্ভিসগুলো পাচ্ছেন :

Facebook Services:
*page Likes
*Facebook Profile Followers
*Facebook Group Members
*Facebook Friend Request
*Facebook Post/Photo Likes, Reaction
*Facebook Targeted Area Likes/Follows
*Facebook Live Stream Views

Instagram Services:
*Instagram Followers
*Instagram Targeted Followers
*Instagram Likes
*Instagram Targeted Likes
*Instagram View

YouTube Services:
*YouTube Views
*YouTube Subscriber
*YouTube Likes
*YouTube Targeted Views
*YouTube Unique Views
*YouTube Adword Views
*YouTube Watchtime for Monetization

TikTok Services:
*Tiktok Followers
*Tiktok Likes
*Tiktok Views

Likee Services:
*Likee Followers
*Likee Likes
*Likee Views

Twitter Services:
*Twitter followers
*Twitter Likes
*Twitter Retweets

Telegram_Services:
*Telegram Channel/ Group Members Add
*Telegram post view

Website Traffic Services:
*Website Traffic from different sites
*Real Human Traffic

Others Services:
*Pinterest Followers
*Linkedin Followers
*Soundcloud Plays
*Soundcloud Likes
*Soundcloud USA Likes
*Soundcloud USA Follows
*Twitch Followers
*Twitch Channel Views
*Twitch Live Stream Views

একসাথে এতগুলো সার্ভিস পাচ্ছেন এক জায়গায় তাই দেরি না করে বিস্তারিত জানতে আমাদের পেইজে ইনবক্স করুন |

Thanks 😊

গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করবেন কিভাবে?আপনি যদি ব্লগিং শুরু করে থাকেন এবং অনলাইনে নিয়মিত ঘাটাঘাটি করে থাকেন, আপনি...
04/02/2021

গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করবেন কিভাবে?

আপনি যদি ব্লগিং শুরু করে থাকেন এবং অনলাইনে নিয়মিত ঘাটাঘাটি করে থাকেন, আপনি গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে শুনেছেন। গুগল অ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আডভারটাইজিং মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে গুগলের বিজ্ঞাপণ দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এই টিউনে আমি আপনাকে অ্যাডসেন্স সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব এবং কিভাবে এটি আমার ইনকাম এর একটি উপায় হলো তা শেয়ার করব। আপনিও ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন।

এটি Google (বিশ্বের আইটি জায়ান্ট) এর মালিকানাধীন। আপনার পেমেন্ট নিশ্চিত।
এটি Google এর আয়ের একটি বড় অংশ তৈরি করে। গুগলের মাসিক আয় সম্পর্কে আপনার নিশ্চয় ধারণা আছে। এই আয়ের কিছু অংশই গুগল আপনাকে দেয় প্রকাশক হিসেবে।
অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপনগুলি মোবাইল ডিভাইসগুলিতেও দেয়া যায়।
http://www.google.com/adsense পূরণ করে এমন যে কোনও ওয়েবসাইটের সাথে যে কেউ অ্যাডসেন্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারে।
অ্যাডসেন্স এর কঠোর নিয়ম আছে যা কোন কারণে লঙ্ঘন করা উচিত নয়। একটি অ্যাডসেন্স প্রকাশক হিসাবে আপনার দায়িত্ব এবং নিয়ম অনুসরণ করাও আপনার গুরু দায়িত্বের মধ্যে পরে।
অ্যাডসেন্স ডেস্কটপ ওয়েবসাইট, ভিডিও, গেমস, মোবাইল অ্যাপস এবং আরও অনেক কিছুর জন্য উন্মুক্ত।
অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপণ টেক্সট এবং ইমেজ সহ বিভিন্ন বিন্যাস এবং মাপ থাকে।
অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের Google Inc. দ্বারা পেমেন্ট করা হয় যা সম্মানের ভাগীদার

গুগল অ্যাডসেন্স পাবার শর্ত
১। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট নুন্যতম ৬ মাস পুরনো হতে হবে। ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি আপনার ওয়েবসাইট ক্যাটেগরি একক হয় এবং আপনি সুন্দর করে সাজাতে পারেন তাহলে ১ মাসেও সম্ভব। এই ওয়েবসাইট মাত্র ২০ দিনের মাথায় অ্যাডসেন্স ছাড়পত্র পায় 🙂 কারন হিসেবে বলা যায় ইউনিক ক্যাটেগরি/ Unique Niche- আমার কথা
২। আপনার ওয়েবসাইটে মিনিমাম ৩০-৩৫ টা ইউনিক টিউন থাকতে হবে। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটেগরির সাথে মিল থাকতে হবে।
৩। আপনার ওয়েবসাইটে সকল টিউন/আরটিকেল ইউনিক হতে হবে। কোথাও থেকে কপি করে দেয়া যাবেনা।
৪। অন্য কোন নেটওয়ার্ক এর এড আপনার সাইটে থাকলে, অ্যাডসেন্স আবেদনের পূর্বেই তা স্থগিত রাখুন। গুগল সাধারণত ফ্রেশ ওয়েবসাইট পছন্দ করে।
৫। আপনার ওয়েবসাইট Adult/Hacking রিলেটেড হওয়া যাবেনা।
৬। হোম পেইজ/লেন্ডিং পেইজ সিম্পল রাখুন। সাইট লোডিং টাইম ৩ সেকেন্ডের মধ্যে রাখুন। কারন গুগল স্লো সাইট পছন্দ করেনা। আপনার সাইট স্পীড টেস্ট করুন।
৭। অ্যাডসেন্স কোড আপনার সাইটে সঠিক ভাবে বসান।

সকল শর্ত মেনে অ্যাডসেন্স আবেদন করে থাকলে গুগল সাধারণত ৭-১০ দিন সময় নেয় সাইট রিভিউ করার জন্যে।

অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের জরুরী তথ্যঃ
CPC, CPM, CTR PPC কি?

CPC-Cost Per Click : গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো CPC. এর মানে, আপনার অওয়েবসাইটের ভিজিটর যতবার আপনার অ্যাড এ ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন। তারমানে এই না, নিজেই নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা যাবে। প্রকাশক নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা কঠোরভাবে নিষেধ। গুগল আমাদের সবার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট। আত্মীয়স্বজন দের দিয়ে অ্যাড এ ক্লিক করানো কৌশল করবেন না। গুগল ধরতে পারলে আপনার একাউন্ট বাতিল করে দিবে।
CPM- Cost per thousand Impression : ভিজিটর আপনার অ্যাড যতবার ভিউ করলো। প্রতি এক হাজার বার ভিউ এর জন্যে গুগল আপনাকে টাকা পে করবে।
CTR-Click Through Rate : আপনার কত শতাংশ ভিজিটর অ্যাড এ ক্লিক করলো। সাধারণত CTR ২-৫% হওয়া ভালো।

আপনি যদি বেশি CPC কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল সাজাতে পারেন তবে ২-৫% CTR দিয়েও খুব ভালো ইনকাম করা যায়।

CTR ১৫% এর বেশি গেলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। গুগল মনে করে ২-৫% CTR স্ট্যান্ডার্ড। এর বেশি মানে প্রকাশক নিজে বিভিন্ন উপায়ে অ্যাড এ ক্লিক করাচ্ছে যা গুগল এর নীতির বাইরে।

PPC-Pay Per Click : বিজ্ঞাপনদাতার উপর গুগল এই মেথড ফলো করে। এর মানে আপনার ওয়েবসাইট এ যে বিজ্ঞাপণ গুগল দিবে তার উপর প্রতি ক্লিকে গুগল বিজ্ঞাপনদাতা থেকে যে অর্থ নিবে সেটাই PPC

ইনকাম কত করতে পারবেন?
ইনকাম আপনার আর্টিকেল লেখা এবং ওয়েবসাইট প্রচারের উপর নির্ভর করে। আপনার সাইটে যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি আপনার CPM হবে।

আর CPM বাড়লে CTR এমনিতেই বাড়তে থাকবে।

সর্বদা CTR খেয়াল রাখবেন। প্রতিদিন একবার হলেও আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্টে লগইন করে দেখে নিন আপনার CTR

CTR ১০% এর বেশি হয়ে গেলে এড অফ করে দিন। ১ দিন দেখুন CTR রেট কমে আসলে আবার এড ডিস্প্লে করুন।

CTR এবং ভিজিটর ডিটেইলস পেতে গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করবেন। গুগল এনালাইটিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী একটি টুল সাইট অওনারদের জন্যে।

[ এর বাইরে আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন আমি যতটুকু পারি আপনাদের সাহায্য করবো । ]

Credit: Imran :)

How to download a YouTube playlist video on IDMSubscribe For More Update Video
20/12/2020

How to download a YouTube playlist video on IDM

Subscribe For More Update Video

Welcome To My Channel Hi I Am Shoyeb IslamToday I wanna Show You - How to download a YouTube playlist video on IDM Hope You Enjoyed This Video.If You Enjoyed...

প্রসঙ্গ:  আজকাল অনেকেরই ফেসবুক  এড একাউন্ট ডিসেবল  হয়ে যাচ্ছে এবং নতুন যারা ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ করছেন তাদের একাউন্ট ...
04/12/2020

প্রসঙ্গ:

আজকাল অনেকেরই ফেসবুক এড একাউন্ট ডিসেবল হয়ে যাচ্ছে এবং নতুন যারা ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ করছেন তাদের একাউন্ট ও হু হু করে ডিসেবল করে দিচ্ছে ফেসবুক। তো কি সেই কারন? কি কারনে এড একাউন্ট ডিসেবল হয়ে যাচ্ছে এবং কিভাবে তা ফিরিয়ে আনা যায় সে সম্পর্কে আজ জানার চেষ্টা করব😀

🔰🔰 প্রথমত, ফেসবুকের এড পলিসি ও কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড না মেনে এড রান করার ফলে ধুম ধাম একের পর এক এড একাউন্ট ডিজেবল হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এড পলিসি সম্পর্কে কোথায় কিভাবে জানব? ওকে, উত্তরটা হচ্ছে এড রান করার আগে অবশ্যই ফেসবুকের সেকশনটা ভালো করে পড়ে নিবেন। সেখানে ১৯ টার মত রুলস দেয়া আছে। যদিও ফেসবুক তাদের পলিসিতে কোনোকিছুই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেনি, তার পরেও এই রুলস গুলো পড়লে একটি ধারনা পাবেন।

🔰🔰 যেসব পেজ থেকে বারবার এড রিজেক্ট হচ্ছে বা পলিসি ভায়োলেট হচ্ছে সেসব পেজ এড দেওয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুকের কাছে অযোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছে ফলে Boost Unavailable দেখাচ্ছে। সেক্ষেত্রে এ গিয়ে আপিল করে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছু করার নেই। তার সাথে সাপোর্ট ইনবক্সে গিয়ে সমস্যার কথা #বিস্তারিত বলবেন (২-১ লাইনে বলার চেয়ে বিস্তারিত বলা ভাল)। এতে করে রিভিউ এর আপডেট দ্রুত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

🔰🔰 ফেসবুকের এড পলিসি পুরোপুরি মেনে চলার পরও অনেকের এড একাউন্ট ডিজেবল হচ্ছে ও এড রিজেক্ট হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই জেনে রাখা উচিত, ফেসবুক প্রথমত রোবটের মাধ্যমে এড রিভিউ করে সুতরাং কোন রোবটই ১০০% নির্ভুল নয়। তাই এড রিজেকশন বা এড একাউন্ট ডিজেবল হওয়া থেকে রক্ষা পেতে এড পলিসির সাথে যেন দূরর্বতী কোন সম্পর্কও না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

🔰🔰 ফেক আইডির বিরুদ্ধে ফেসবুক ভালোভাবেই সোচ্চার হয়েছে, সুতরাং রিয়েল আইডি থেকে পেজ চালানো উচিত ও এড রান করা উচিত। নতুবা যেকোনো সময় আইডি সহ এড একাউন্ট ডিসেবল হয়ে যেতে পারে, তখন কিছুই করার থাকবে না।

এখন তাহলে করনীয় কি❓
✅ : আপনার একাউন্ট ডিসেবল/এড রেস্ট্রিক্টেড করে দিলে আপনি আপনি অবশ্যই আপিল (Request Review) করবেন। তবে হ্যা, এইখানে আপনার ফটো আইডি চাইবে। আপনি আপনার NID/Passport দিয়ে ভেরিফাই করে নিতে পারেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন নাম এবং জন্মসাল যেন সব জায়গায় একই হয়। সব ডকুমেন্টস ঠিকঠাক থাকলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে একাউন্ট ফিরে পাবেন।

✅ : ফেসবুকে এই সাপোর্ট ইনবক্স অপশন টা কম-বেশি সবাই দেখেছেন, হয়ত কখনো প্রয়োজন পড়ে নাই। কিন্তু এই সময়ে এটা দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। সাপোর্ট ইনবক্সে গিয়ে আপনার ইস্যু ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে ডেস্ক্রিপশনে আপনার একাউন্ট সম্পর্কিত বিস্তারিত বর্ণনা দিন। ২/১ লাইনে শেষ করে দিলে ফেসবুক থেকে রেস্পন্স আসতে সময় বেশি লাগতে পারে এমনকি নাও আসতে পারে। সবচেয়ে ভাল হয় নিজের ভুলের কথা স্বীকার করে এবং এরকম আর হবে না এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিছু লিখলে। (লিখার সময় অবশ্যই ১৫ ডিগিটের এড আইডি নং উল্লেখ করে দিবেন এবং কেস আইডি কোথাও সংরক্ষণ করে রাখবেন)।
সঙ্গত কারণেই ডেস্ক্রিপশন স্ক্রিপ্ট এইখানে দিলাম না। কারো একান্তই প্রয়োজন হলে নক দিতে পারেন, আশাকরি এই সমস্যার সমাধান হবে।

✅ : এত কিছুর পরেও সমস্যার সমাধান না হলে ফেসবুক লাইভ চ্যাটের সহায়তা নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে Facebook for Business ওয়েবসাইটে গিয়ে সাপোর্ট অপশনে গিয়ে আপনার ইস্যু গুলো সিলেক্ট করতে হবে এবং আপনার ইস্যুর টাইটেল এবং ডেস্ক্রিপশন লিখতে হবে। তারপর Get Started এ ক্লিক করলেই আপনাকে মেসেঞ্জার চ্যাটে নিয়ে যাবে। সাধারণত এইখানে একটু অপেক্ষা করতে হয় করোনার জন্য প্রতিনিধি কম থাকার জন্য। ওকে, প্রতিনিধির সাথে কথা বলার সময় আপনার এড আইডি এবং কেস আইডি দিয়ে কনফার্ম করার পর তারাই আপনাকে আপনার করণীয় বলে দিবে। আপনার কোনো প্রশ্ন (আইডি ঠিক হবে কিনা, কবে রিভিওয়ের আপডেট আসতে পারে, কোন পলিসি ভায়োলেট হয়েছে) থাকলে নির্ধিদায় করতে পারেন। তারা বেশ ভালভাবেই গোছানো এবং স্পষ্ট উত্তর দেয়। তবে তাদের সাথে কথা বলার সময় আপনার বক্তব্য এবং ডেস্ক্রিপশনের কথা যেন মিল থাকে। এখানেও সব ঠিক ঠাক থাকলে ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যেই একাউন্ট পেয়ে যাবেন।

পরিশেষে, রিয়েল ডলার দিয়ে এড রান করুন ও কুপন ব্যবসায়ীদের থেকে দূরে থাকুন। ফেসবুকের এড পলিসি না জেনে না পড়ে এড রান করা মোটেও উচিত না। আনাড়ি নতুন ব্যক্তিদের দিয়ে এড করা হতে বিরত থাকুন। ভালো এক্সপার্ট না হলে কাউকে এড একাউন্টের একসেস দিবেন না। পাশাপাশি আপনি নিজেও ফেসবুক এডের খুটিনাটি বিষয় জেনে নিন। যাদের পেজ ফ্ল্যাগ খেয়েছে না এড একাউন্ট ডিজেবল হয়েছে তারা যথাযথ ভাবে আপিল করুন (Request Review) আশা করা যায় সব ঠিক হয়ে যাবে।

ফেসবুক এলগরিদম এবং রিচ কম হওয়া নিয়ে আরেকদিন আলোচোনা করব। সাথেই থাকুন।

ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট পরিচিতিFull-stack development কী?Full stack development বলতে বোঝায় কোন একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকে...
04/12/2020

ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট পরিচিতি

Full-stack development কী?

Full stack development বলতে বোঝায় কোন একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট এর front end অর্থাৎ ক্লায়েন্ট সাইড এবং back end অর্থাৎ সার্ভার সাইড নিয়ে কাজ করা।

একজন Full stack web developer একটি পরিপূর্ণ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং ওয়েবসাইট ডিজাইন করার যোগ্যতা রাখেন। তিনি ওয়েবসাইটের front end, back end, database এবং debugging এর কাজ করে থাকেন।

আরও কিছু টেকনিক্যাল শব্দ বলার আগে Front-End Development আর Back-End Development নিয়ে হালকা ধারণা নেয়া যাক!

*Front End Development

যে কোন ওয়েব সাইট বা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এর Front-End হলো যা এর ইউজার দেখতে পান। যেমন, যেকোনো ই-কমার্স সাইট সব সময় ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়, যাতে যেকোনো ক্রেতা সবসময় ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট।

HTML, CSS, Bootstrap, Javascript এর মত কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে ওয়েব সাইটের front-end Development করা হয়ে থাকে।

*Back End Development

Back-end Development হল ওয়েবসাইটের কাজ কিভাবে হবে তার নীল নকশা। একজন ইউজার ওয়েবসাইটের যেকোনো বাটনে ক্লিক করলে কোন রেজাল্ট দেখতে পাবেন, তা আপনি নিয়ন্ত্রণ করবেন ব্যাক এন্ড ডিজাইনিং এর সাহায্যে।

Back-end ডেভেলপমেন্ট কে server-side ডেভেলপমেন্টও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ও Application Programming Interface(API) এর মাধ্যমে আপনার Client-side কমান্ডগুলো কে প্রসেস করে এবং সেই অনুযায়ী আপনার ওয়েবসাইটের ডেটাবেজ পরিচালনা করে।

ভিন্ন ভিন্ন কিছু Coding Language যেমন PHP, C++, Python, node.js ব্যবহার করে ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্ট করা যায়। প্রচলিত কিছু ব্যাক এন্ড ফ্রেমওয়ার্ক হল Express, Django, Laravel ইত্যাদি।
একজন Full-Stack Developer কী কী কাজ করেন?

Full-Stack একটি এমন ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজি যেখানে আপনি একটি কম্পিউটার সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশনের Front-end, Back end এবং দুটোর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনকারী সফটওয়্যার এর কোডটি তৈরি করতে পারবেন একাই।

কম্পিউটার সফটওয়্যার ও এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর ক্ষেত্রে বাস্তবিক দিক দিয়ে চিন্তা করতে হলে Full stack developer হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি যার কর্মী ব্যবস্থাপনা, প্রজেক্ট পরিকল্পনা, এবং Front-end, Back End, এবং Software code ডেভেলপ করার দক্ষতা থাকবে।

Front-end ডেভেলপমেন্ট এর ক্ষেত্রে আপনার দক্ষতা থাকতে হবে ওয়েবসাইটের দৃশ্যমান অংশগুলো ইউজারের কাছে সহজলভ্য ও সহজবোধ্য করে তুলে ধরার, যাতে ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশনটি ব্রাউজার এবং মোবাইল ডিভাইসে ঝামেলাহীন ভাবে চালানো যায়।

আর Back-end ডেভেলপার হিসেবে আপনার এমন কোড ডেভেলপ ও ইন্টিগ্রেট করার দক্ষতা থাকতে হবে, যাতে আপনার ওয়েবসাইট ও সার্ভার এর মধ্যে একটি পরিস্কার কমিউনিকেশন বজায় থাকে। এতে করে আপনার user আপনাদের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই যেকোনো তথ্য পাবেন।
কী কী নিয়ে Full Stack হয়?

যারা Full Stack Development-এ আগ্রহী এবং Full Stack Engineer হিসেবে কাজ করতে চান, তাদের অবশ্যই ভিন্ন ভিন্ন কয়েকটি Programming Language শিখতে ও তাতে দক্ষ হতে হবে। যেমন, Front-end এ কাজ করার জন্য HTML, CSS, Javascript এর মতো Programming Language গুলো জানতে হবে।

তবে শুধু যে Coding Language জানলেই হবে তা না। আপনাকে Front-end ডেভেলপ করতে হলে UI(User Interface) ডিজাইন, Customer Experience সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে যাতে আপনি একটি সন্তোষজনক ওয়েব এপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারেন।

এবার আপনার এই Front-end ডিজাইনটি যাতে আপনার Back-end ডিজাইনের সঙ্গে একীভূত করতে পারেন তার জন্য আপনাকে Java, PHP, Ruby, Python এবং C এর মতো Back-end Language জানতে হবে। এছাড়া ডেভেলপার হিসেবে আপনার ডাটাবেজ এবং ডাটাবেজের সঙ্গে interact করতে পারে এমন কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে ধারণা থাকাও জরুরি।

কিন্তু...

এখন আপনার মনে হতে পারে, আমি একা এতগুলো Language এবং Framework শিখবো, তাহলে কোম্পানির সব কাজ কি আমার একার?

মোটেই না। Full Stack Web Developer হিসেবে কাজ করার মানে হলো আপনি আজ Front-End প্রোগ্রামিং করলে কাল হয়তো Back-End প্রোগ্রামিং করবেন। আপনার কাজের ক্ষেত্রে সবসময়ই থাকবে নতুনত্ব।

আবার অনেকে এটাও বলেন, এতগুলো Coding Language বা Framework শিখলে কোনোটিতে তো আমার একক দক্ষতায় আসবে না।

কথাটা ঠিক, তবে একজন Full-Stack Web Developer অনেকগুলো কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজে এককভাবে দক্ষ হবে এমন প্রত্যাশা কেউ রাখে না।

যদিও আপনাকে অবশ্যই এই ভিন্ন Coding Language গুলো এবং তাদের ভিন্ন ভিন্ন Use-case কে এক করে ফেলার সমীকরণ টা ভালো করে বুঝতে হবে।

যারা কোডিং ও প্রোগ্রামিং জগতে একেবারেই নতুন, তাদের ক্ষেত্রে শুরু করার জন্য Coding Bootcamp বা অনলাইন প্রোগ্রামিং কোর্সগুলো অনেক বেশি সুবিধাজনক। তবে যদি কারো Full-Stack Developer হওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে সেই লক্ষ্য নিয়ে সঠিক পরিকল্পনার সাথে সামনে এগোনোই শ্রেয়।

Address

Gollamari/Khulna
Khulna
9208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Team DigiDoc posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Team DigiDoc:

Share