05/05/2026
অনেক অভিভাবকদের ধারণা, শিক্ষক তো বাবার মতোই। আরে ভাই, মতো আর বাবা এক জিনিস না। বাবার মতো মানুষগুলোই ধর্ষক হয়ে যায়। যেমন উকিল বাবা উকিল মেয়েকে নিয়ে পালায়। মহিলা মাদরাসা, স্কুল, কলেজে ঘটে যাওয়া যৌন ক্যালেঙ্কারিতে অভিভাবকদের অসচেতনতার দায়ও কম নয়।
আপনি কেন আপনার মেয়েটাকে যে কারো কাছে প্রাইভেট পড়তে দেবেন? যে মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক পড়ায়, পর্দা কঠোরভাবে মানা হয় না সেখানে কেন দেবেন? ঈদে বা বিয়ে উপলক্ষ্যে যে বাড়িতে ৩০-৪০ জন মেহমান এল, মেয়েটা কার সাথে ঘুমিয়েছে, চিন্তা করেছেন? চাচাত, মামাত মামাকে মামা মনে করে সরলমনে তার সাথে ঘুমাতে গিয়ে সর্বনাশের শিকার হচ্ছে কি না খেয়াল রেখেছেন?
মেয়েটা মোটামুটি বড় হয়েছে, তাকে তো পুরুষ শিক্ষকের কাছে মকতবে পড়তে পাঠানোও কি জায়েজ? এটা ভাববেন তো! বড় হয়ে যাওয়া মেয়েটাকে পুরুষ শিক্ষকের কাছে কুরআন পড়তে পাঠানো যদি জায়েজ না হয় তাহলে ইংরেজি পড়তে একান্তে পাঠানো কেমনে জায়েজ হলো?
মেয়েটার বয়স ১১। তার হাতেই কেন এন্ড্রয়েড ফোন তুলে দিলেন? স্কুল বা মাদরাসা থেকে এসে প্রাইভেট পড়ার নামে মেয়েটা কোন রাস্তা দিয়ে ঘুরে তার খবর রেখেছেন?
আপনার মেয়ে আপনার কাছে ছোট, ধর্ষকের কাছে না। শুধু মাদরাসা, বোর্ড, কমিটি, স্কুলের দোষ নয়; অভিভাবকরাও দায়ী। আগে নিরাপত্তা। তারপর মেয়েকে ডাক্তার, শিক্ষক বা আলেমা বানানো। ইসলাম এজন্যই সীমারেখা দিয়েছে। তা স্কুল, কলেজ, মাদরাসা যেখানেই মানা হবে না, সমস্যা হবে। আসুন সবাই সতর্ক হই!