অভিমান

অভিমান Provide all kinds of SEO based on Digital Marketing services

শোনা যায়, চে গুয়েভারাকে যখন তার আস্তানা থেকে বিশ্বাসঘাতক রাখালের কারণে ধরা হয়, তখন এক সৈনিক বিস্ময়ে সেই রাখালকে প্রশ্ন ক...
03/09/2025

শোনা যায়, চে গুয়েভারাকে যখন তার আস্তানা থেকে বিশ্বাসঘাতক রাখালের কারণে ধরা হয়, তখন এক সৈনিক বিস্ময়ে সেই রাখালকে প্রশ্ন করেছিল—

“কীভাবে তুমি এমন একজন মানুষকে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারলে, যিনি সারা জীবন তোমার অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন?!”

রাখাল নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল—

“তার যুদ্ধ আমার ভেড়াগুলোকে ভয় পাইয়ে দিত।”



এর বহু বছর আগে মিশরে মহান সেনানায়ক মোহাম্মদ করীম নেপোলিয়নের ফরাসি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

শেষ পর্যন্ত তিনি বন্দি হলেন এবং আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিল।

কিন্তু নেপোলিয়ন তাঁকে ডেকে বলল—

“আমি এমন একজন বীরকে হত্যা করতে চাই না, যিনি সাহসের সঙ্গে নিজের মাতৃভূমি রক্ষা করেছেন। ইতিহাস যেন আমাকে বীর-ঘাতক হিসেবে না চেনে। তাই আমি তোমাকে ক্ষমা করব, যদি তুমি আমার সেনাদের ক্ষতির জন্য দশ হাজার স্বর্ণমুদ্রা ক্ষতিপূরণ দিতে পারো।”

করীম হেসে উত্তর দিলেন—

“আমার কাছে এত অর্থ নেই। তবে ব্যবসায়ীরা আমাকে এক লক্ষেরও বেশি স্বর্ণমুদ্রা ধার দিয়েছে।”

নেপোলিয়ন তাঁকে কিছু সময় দিল। করীমকে শৃঙ্খলিত অবস্থায় সৈন্যদের পাহারায় বাজারে আনা হলো, আশায় যে যাদের জন্য তিনি জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, তারা এগিয়ে আসবে।

কিন্তু কোনো ব্যবসায়ী সাহায্যের হাত বাড়াল না। বরং তারা অভিযোগ করল যে আলেকজান্দ্রিয়ার ধ্বংস ও তাদের দুর্দশার জন্য করীমই দায়ী।

মনোবল ভেঙে যাওয়া করীম নেপোলিয়নের কাছে ফিরে গেলেন। তখন নেপোলিয়ন বলল—

“আমি তোমাকে হত্যা করব না এজন্য যে তুমি আমাদের বিরুদ্ধে লড়েছ, বরং এজন্য যে তুমি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছ এক কাপুরুষ জাতির জন্য, যারা স্বাধীনতার চেয়ে ব্যবসাকে বেশি ভালোবাসে।”



মোহাম্মদ রশীদ রিদা এ ঘটনার সারমর্ম এভাবেই ব্যক্ত করেছিলেন—

“যে মানুষ অজ্ঞ জনগণের জন্য দাঁড়ায়, সে যেন অন্ধদের পথ দেখাতে নিজের শরীরকে আগুনে জ্বালিয়ে দেয়।

Collected.

কাজাকিস্তানের ঘুমের গ্রাম – কালাচি অমীমাংসিত এক রহস্য...মানুষের জীবনে ঘুম এক প্রাকৃতিক চাহিদা। সাধারণত রাতেই আমরা গভীর ঘ...
03/09/2025

কাজাকিস্তানের ঘুমের গ্রাম – কালাচি অমীমাংসিত এক রহস্য...
মানুষের জীবনে ঘুম এক প্রাকৃতিক চাহিদা। সাধারণত রাতেই আমরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হই। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একটি গ্রাম আছে, যেখানে ঘুম মানুষের জন্য হয়ে উঠেছে ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কাজাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রাম কালাচি আজ পরিচিত “ঘুমের গ্রাম” নামে।

রহস্যের সূত্রপাত:-

২০১০ সালে প্রথমবারের মতো সেখানে লক্ষ্য করা যায় অদ্ভুত এক ঘটনা। গ্রামের মানুষ হঠাৎ করেই যেকোনো সময়, যেকোনো অবস্থায় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়তে শুরু করেন। ২০১৩ সাল থেকে এ ঘটনা আরও প্রকট রূপ নেয়। কেউ স্কুলের অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়ে, কেউ মোটরসাইকেল চালাতে চালাতে, আবার কেউ বা হাঁটতে হাঁটতেই ঘুমিয়ে পড়েন। কারও ঘুম দুই দিন স্থায়ী হয়, আবার কেউ কেউ আট দিন পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকেন।

উপসর্গ ও ভয়াবহতা:-

এই রহস্যজনক রোগে আক্রান্ত হয়ে জেগে ওঠার পর মানুষের স্মৃতিভ্রংশ হয়, দেখা দেয় প্রচণ্ড দুর্বলতা, মাথা ঝিম ধরা, বমি-বমি ভাব এবং অনেকের ক্ষেত্রে দৃষ্টিভ্রমও ঘটে। আক্রান্তদের হাঁটাচলায় অক্ষমতাও দেখা যায়। কালাচির প্রায় ১৪ শতাংশ মানুষ এ রোগে ভুগছেন। পাশাপাশি পাশের শহর ক্রাসনোগোরস্কও ধীরে ধীরে আক্রান্ত হয়েছে।

সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধান:-

চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা এখনও এর সঠিক কারণ খুঁজে পাননি। কেউ কেউ মনে করেন, মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক তরলের উপস্থিতির কারণেই এমনটি হতে পারে। আবার কেউ সন্দেহ করছেন মেনিনজাইটিস জাতীয় ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবকে।

অন্যদিকে স্থানীয়দের ধারণা, সোভিয়েত আমলের পরিত্যক্ত ইউরেনিয়াম খনি থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় পদার্থই এর মূল কারণ। আশেপাশের মাটি ও পানিতে তেজস্ক্রিয় উপাদানের উপস্থিতিও পাওয়া গেছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, খনিতে কাজ করা শ্রমিকরা কখনও এ রোগে আক্রান্ত হননি।

আরও একদল গবেষক মনে করেন, এখানে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি থাকতে পারে। বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ধোঁয়া ও গ্যাস ওপরে না উঠে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে মাথাব্যথা, অবসাদ ইত্যাদি হওয়া সম্ভব হলেও দিনের পর দিন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার বিষয়টি এখনো ব্যাখ্যাতীত।

গ্রামের বহু মানুষ ভয় আর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। কেউ কেউ সন্তানদের নিয়ে অন্য শহরে চলে যাচ্ছেন, আবার অনেকে জন্মভূমি ছেড়ে যেতে চাইছেন না। একসময় কর্মচাঞ্চল্যে ভরা শহর ক্রাসনোগোরস্ক এখন প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। কালাচি গ্রামও ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে এক ভুতুড়ে জনপদে।

রহস্য এখনো অমীমাংসিত:-

বিগত দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা হলেও বিজ্ঞানীরা আজও কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তাই কালাচি আজও রয়ে গেছে এক অমীমাংসিত রহস্য, যেখানে ঘুম একদিকে মানুষের প্রাকৃতিক চাহিদা হলেও অন্যদিকে মৃত্যুভয়ের মতো আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ কারণেই কালাচিকে বলা হয় — “মায়াপুরীর গ্রাম”, যেখানে বাস্তব জীবনে রূপকথার মতো হঠাৎ ঘুম মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে।

একটা হাসির গল্প 😁বাবাজি! আমার মেয়ের পিছে আরঘুইরো নাহ্।- এহ্! কইলেই হইলো! কত কষ্টে পটাইছিজানেন আপনে!- দেখো সামনে আমার মেয়...
07/01/2025

একটা হাসির গল্প 😁
বাবাজি! আমার মেয়ের পিছে আর
ঘুইরো নাহ্।
- এহ্! কইলেই হইলো! কত কষ্টে পটাইছি
জানেন আপনে!
- দেখো সামনে আমার মেয়ের বিয়া।
তুমি যদি ঝামেলা না করো তাহলে
তোমারে আমি এমন অমূল্য জিনিস
দিবো
যা দিয়া সারাজীবন বইসা খাইতে
পারবা।
- এ্যাঁ! বলেন কি মশাই! সত্যি নাকি!
- অবশ্যই সত্যি।
- তা জিনিসটা কী?
- আমার মেয়ের বিয়ের পর এসে নিয়ে
যাইয়ো।
- এ্যাঁ! দাঁড়ান একটু ভাবি! সারাজীবন
বইসা খাইতে পারমু! এমন
জিনিস
তুমি আমার কপালে রাখছো! ও মশাই
আমি রাজি।
- এইতো বুদ্ধিমান ছেলে। বিয়ের পর
এসে
জিনিসখানা নিয়ে যেও।
অতপর বিয়ের পর ছেলেটা আসলো।
মেয়ের বাবা ছেলেকে বড় একটা
কাটনবক্সে মোড়ানো অমূল্য
জিনিসখানা দিলো। বললো বাসায়
গিয়ে খুইলো। এখানে খুললে জ্ঞান
হারাইতে পারো।
ছেলে বীরবিক্রমে বাক্স নিয়ে বাসায়
গেল। তারপর ধীরে ধীরে খুললো। খুলে
ছেলের চোখ কপালে উঠে গেল। বক্সের
ভিতরে একটা RFL এর চেয়ার। তারউপর
একটা চিঠি। চিঠিতে গোটা গোটা
অক্ষরে লিখা
জনাব বেক্কল,
এই দিলাম আরএফএলের চেয়ার।
আজীবন
বসে বসে খাইতে পারবা। যত্ন করলে
তোমার নাতীপুতিরাও আরামসে বইসা
খাইতে পারবে

আপনার শরীরে গোপনে কোনও কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে না তো? বলে দিতে পারে আপনার জিভ। জিহ্বা বা জিভের রঙ আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে ...
07/01/2025

আপনার শরীরে গোপনে কোনও কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে না তো? বলে দিতে পারে আপনার জিভ। জিহ্বা বা জিভের রঙ আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে অনেক ধারণা দিতে পারে। জিভের সামান্য পরিবর্তনও অনেক কিছুর ইঙ্গিত দেয়। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরাও রোগীর জিহ্বার রঙ ও আকার দেখে রোগ নির্ণয় করেন, শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন।

আমরা অনেকেই জিহ্বার দিকে সঠিক নজর দিই না। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। তাই প্রতিদিন দাঁত মাজার সময়ই ভালো করে জিভ পরিষ্কার করুন। দাঁত ব্রাশ বা জিভ পরিষ্কার করার সময় আপনি নিজেই আপনার জিভ পরীক্ষা করে জানতে পারেন যে, আপনার মধ্যে কোনও রোগে আক্রান্ত কিনা!

বিজ্ঞাপন
তাহলে এবার জেনে নিন কোন রঙের জিভ, কোন কোন রোগের ইঙ্গিত দেয়।

স্বাভাবিক জিহ্বার রঙ
সাধারণত সব মানুষের জিহ্বার রঙ হালকা গোলাপি রঙের হয়। আপনার জিভের রঙ যদি হালকা গোলাপি রঙের হয় এবং জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে। জিহ্বা মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রের শুরু।

বিজ্ঞাপন
সাদা জিহ্বা
জিভের উপর সাদা রঙের আবরণ তৈরি হলে বুঝবেন শরীরের কোনও সমস্যা দেখা দিয়েছে। শরীরের আর্দ্রতা হ্রাস পেলে জিভের উপর সাদা রঙের পুরু আস্তরণ পড়ে যায়। পনিরের মতো জিভের মধ্যে সাদা স্তর পড়লে লিউকোপ্লাকিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কখনও কখনও ফ্লু দেখা দিলে এমন অবস্থা হয় জিভের।

হলুদ জিহ্বা
হালকা গোলাপী থেকে জিভের রঙ যদি হলুদ রঙের হয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন শরীরে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। হজমতন্ত্রের সমস্যা, লিভারের সমস্যা কিংবা পেটের সমস্যার জন্য জিভের রঙ হলুদ হয়ে যায়। এমন কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ার আগে জিভের রঙ ধীরে ধীরে হলুদ আকার ধারণ করে। মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে।

বাদামি রঙের জিহ্বা
অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফাইন খেলে অনেকেরই জিভ বাদামি আকার ধারণ করে। ধূমপান করলেও ঠোঁট ও জিভের রঙ বদলে বাদামি হয়ে যায়। ধূমপান, কফি খাওয়ার ফলে অনেকেরই জিভের রঙ সারা জীবনের মতো বাদামি হয়ে যায়।

কালো রঙের জিহ্বা
চেইন স্মোকারদের জিভের রঙ সাধারণত কালো হয়। যদি ধূমপান না করেও জিভের রঙ কালো হয়, তাহলে বুঝবেন আপনার শরীরে ক্যানসারের মতো মারণ রোগ বাসা বাধছে। এছাড়া ফাঙ্গাল ইনফেকশন, মুখ পরিস্কার না করার ফলে জিভের রঙে কালো হয়ে যায়। সাধারণ কারও কারও জন্ম থেকেই এ রকম রং থাকতে পারে। তবে যদি হঠাত্‍ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে। তবে শুরু থেকেই এমনটা হবে না, প্রথমে হলুদ, তার পরে ব্রাউন, তার পর কালো রং হবে।

লাল রঙের জিহ্বা
যদি হঠাৎ করে জিভের রঙ লাল হয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন স্বাস্থ্যের সমস্যা তৈরি হয়েছে। শরীরে ভিটামিন ডি ১২ বা ফলিক এসিডের ঘাটতি হলে এমনটা হয়ে থাকে। যদি জিভের মধ্যে লাল লাল ছোপ দেখা যায়, তাকে বলে জিওগ্রাফিক এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে। চর্মরোগ, র‌্যাশ প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে। প্রথমে জিভের ডগার দিকটাই লাল থাকবে। পরে তা পুরো জিভে ছড়িয়ে পড়বে।

নীল রঙের জিহ্বা
দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে কোনও সমস্যা থাকলে জিহ্বার রং পার্পল হতে শুরু করেন। এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন বি-এর ঘাটতি রয়েছে। মনে রাখবেন, শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। যদি এমনটা দেখেন অবিলম্বে চিকিত্‍সকের কাছে যান। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে। তাই দেরি করা ঠিক নয়।
(Collected)

আজ আপনা‌কে শিখা‌বো ‌জীব‌নের কোন কোন ক্ষে‌ত্রে স্বার্থপর হ‌তে দো‌ষের কিছু নেই! দুই‌দি‌নের এই পৃ‌থিবী‌তে সবাই‌ বেইমা‌ন...
29/10/2024

আজ আপনা‌কে শিখা‌বো ‌জীব‌নের কোন কোন ক্ষে‌ত্রে স্বার্থপর হ‌তে দো‌ষের কিছু নেই! দুই‌দি‌নের এই পৃ‌থিবী‌তে সবাই‌ বেইমা‌নি কর‌ছে তাই না? এখনই তো সময় নি‌জে‌কেও আকটু স্বার্থপর হি‌সে‌বে প‌রিচয় দেয়ার। আসুন জে‌নে নেয়া যাকঃ

১. সময় ব‌্যয় করার ক্ষে‌ত্রে। কোন বন্ধু ডাক দি‌লেই ‌‌দৌর দি‌তে হ‌বে এমনটা না। একটু সময় নিন, গভীর ভা‌বে এনালাই‌সে‌সে করুন। যদি কোন ক্ষ‌তির কারণ না দেখ‌তে পান তাহ‌লেই যান। আর রা‌তের বেলায় ডাক‌লে যাওয়ার দরকার নেই। সরাস‌রি না ব‌লে কে‌‌টে পর‌বেন।

২. পরীক্ষার হ‌লে একটু স্বার্থপর হ‌তেই হয়। আপ‌নি দিন রাত জে‌গে কষ্ট কর‌লেন আর ফল অন‌্য কেউ ভোগ কর‌বে তা কি ক‌রে হয়! পরীক্ষায় কাউ‌কে সাহায‌্য করা উ‌চিত নয়।

৩. এই দু‌নিয়ায় সব সম্পর্কই স্বা‌র্থের সা‌থে সম্পৃক্ত তাই খেয়াল রাখা জরু‌রি কেউ নিজ স্বার্থে ক্ষ‌তি কর‌ছে না তো? অ‌ন্যের উপকার কর‌তে ‌গি‌য়ে নি‌জের ক্ষ‌তি হ‌বে সেই উপকার করার চে‌য়ে না করাই শ্রেয়। ‌সেখান থে‌কে মা‌নে মা‌নে কে‌টে পড়ুন।

৪. প্রতি‌যো‌গিতায় স্বার্থপর হবেনই, ম‌নে রাখ‌বেন অন‌্যরা আপনার প্রতিদ্বন্দী। তাই প্রতি‌যো‌গিতায় কাউ‌কে সাহায‌্য কর‌তে যা‌বেন না! নাহ‌লে প‌রে পস্তাই‌তে হ‌বে।

৫. নি‌জের উন্ন‌তির ক্ষে‌ত্রে। কেউ চাই‌বে না আপ‌নি বড় হ‌য়ে কৌ‌টি টাকার মা‌লিক হ‌য়ে যান। সবাই আপনা‌কে আপনার বর্তমান প‌জিশ‌নেই দেখ‌তে ভা‌‌লোবা‌সে। যথন আপ‌নি উন্ন‌তি করা শুরু কর‌বেন মানুষ আপনা‌কে টে‌নে ধর‌তে শুরু কর‌বে। কাউ‌কে পাত্তা দি‌বেন না! পড়া‌লেখা কর‌বেন মাথা নিচু ক‌রে আর এই সমা‌জে চল‌বেন মাথ উচু ক‌‌রে।

সর্বশে‌ষে একটাই কথা বল‌তে চাই, নি‌জের ভা‌লো পাগ‌লেও বু‌ঝে আপ‌নি তো একজন সুস্থ ও বি‌বেকবান মানুষ। একটু স্বার্থপর হি‌সে‌বে কিছু‌দিন চ‌লে দেখুন স্বার্থবাদী মানুষগু‌লো নি‌জে থে‌কেই আপনার জীবন থে‌কে দূ‌রে স‌রে যা‌বে।

(Collected) (Repost)

কি আর বলবো?
28/10/2024

কি আর বলবো?

আয়ারল্যান্ডে সাপ নেই কেন?★ ইংল্যান্ডের পাশে অবস্থিত প্রায় ৮৪ হাজার বর্গ কিলোমিটারের ছোট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র আয়ারল্যান্ড। ...
27/10/2024

আয়ারল্যান্ডে সাপ নেই কেন?
★ ইংল্যান্ডের পাশে অবস্থিত প্রায় ৮৪ হাজার বর্গ কিলোমিটারের ছোট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র আয়ারল্যান্ড। শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু পুরো আয়ারল্যান্ডে কোনো সাপ নেই। ব্যক্তিগতভাবে কিছু শৌখিন ব্যক্তির সংগ্রহে বা চিড়িয়াখানায় অবশ্যই অল্প কিছু সাপ আছে, কিন্তু পুরো আয়ারল্যান্ডের বনে-জঙ্গলে কোথাও কোনো সাপ নেই। আইরিশ রূপকথা অনুযায়ী, আয়ারল্যান্ডে সাপ না থাকার কারণ হচ্ছে, সেইন্ট প্যাট্রিক নামে এক ধর্মপ্রচারক মন্ত্রের জোরে সকল সাপকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন এবং সাপের হাত থেকে আয়ারল্যান্ডকে মুক্ত করেছিলেন।

বাস্তবে এই ঘটনার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। তাছাড়া বিজ্ঞানীদের মতে, সেইন্ট প্যাট্রিকের পক্ষে সাপ নির্বাসিত করা সম্ভবই ছিল না। কারণ আয়ারল্যান্ডে কোনোকালেই সাপ ছিল না।

ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ আয়ারল্যান্ডের প্রাকৃতিক ইতিহাস বিষয়ক গবেষক নাইজেল মোনাগান জানান, আয়ারল্যান্ডে কখনোই কোনো সাপের ফসিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই এ অঞ্চলে কোনো সাপ ছিল না।

বিশ্বের সব দেশেই কমবেশি সাপ আছে। কিন্তু তাহলে আয়ারল্যান্ডে কেন সাপ নেই? এর একটি বড় কারণ হচ্ছে, আয়ারল্যান্ড একটি দ্বীপ। কাছাকাছি স্থলভূমির সাথে আইরিশ সমুদ্রের উপর দিয়ে এর দূরত্ব সর্বনিম্ন ৭০ কিলোমিটার। কোনো সাপের পক্ষে এতো দূরের পথ সাঁতরে পাড়ি দেওয়া সম্ভব না। সামুদ্রিক সাপের কথা অবশ্য ভিন্ন, তারা দীর্ঘসময় পানিতে থাকতে পারে এবং দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে পারে। কিন্তু সামুদ্রিক সাপের বসবাস উষ্ণ জলবায়ুর অঞ্চলগুলোতে। আয়ারল্যান্ডের বরফ-শীতল আটলান্টিক মহাসাগর তাদের বসবাসের জন্য উপযোগী না।

এ হিসেবে অবশ্য এই এলাকার কোনো দ্বীপেই সাপ থাকার কথা ছিল না। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের নিকটবর্তী ইংল্যান্ডেই প্রচুর সাপ আছে, এবং ইংল্যান্ডও একটি দ্বীপ-রাষ্ট্র। প্রশ্ন উঠতে পারে, পাশাপাশি দুটো দ্বীপের মধ্যে একটিতে সাপ আছে, অন্যটিতে নেই কেন?

এর উত্তর নিহিত আছে আয়ারল্যান্ডের সৃষ্টির ইতিহাসে। এক সময় আয়ারল্যান্ড বা ইংল্যান্ড কোনো দেশেই কোনো সাপ ছিল না। বরফ যুগে এই দ্বীপগুলো সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর বসবাসের জন্য উপযোগী ছিল না। কারণ শীতল রক্ত বিশিষ্ট সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য আশেপাশের পরিবেশ থেকে তাপ শোষণ করতে হয়।

আজ থেকে প্রায় ১০,০০০ বছর আগে যখন সর্বশেষ বরফ যুগের অবসান হতে থাকে এবং বরফ গলতে শুরু করে, তখন প্রথম দিকে আয়ারল্যান্ডের সাথে ইংল্যান্ডের এবং ইংল্যান্ডের সাথে ইউরোপের যাতায়াতের স্থলপথ বিদ্যমান ছিল। বরফের আচ্ছাদনে তৈরি এসব সরু সেতুবন্ধনের মতো স্থলভাগের উপর দিয়েই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করা যেত। কিন্তু পৃথিবী যত উষ্ণ হতে থাকে, এসব বরফের সংযোগপথ ততোই গলতে থাকে এবং একসময় সমুদ্রে বিলীন হয়ে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত করে।

আয়ারল্যান্ডের সাথে ইংল্যান্ডের সংযোগ পথটি সমুদ্রের বুকে বিলীন হয় আজ থেকে প্রায় ৮,৫০০ বছর আগে। ততদিনে বাদামী ভালুক, বন্য শূকর, এবং বন বিড়াল সহ বেশ কিছু প্রাণী আয়ারল্যান্ডে স্থান করে নিলেও সরীসৃপরা তখনও সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। সেই তুলনায় ইংল্যান্ডের সাথে ইউরোপের সংযোগ পথটি আরও বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। আয়ারল্যান্ড বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হওয়ার আরও ২,০০০ বছর পরে, অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৬,০০০ বছর আগে ইংল্যান্ডের সাথে ইউরোপের সংযোগ পথ সমুদ্রে ডুবে গিয়ে ইংল্যান্ডকে দ্বীপে পরিণত করে।

ততোদিনে অন্যান্য অনেক প্রাণীর সাথে সাথে সাপের অন্তত তিনটি প্রজাতি ইংল্যান্ডের মাটিতে নিজেদের আবাসভূমি তৈরি করে ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন প্রাণী ইউরোপ থেকে আয়ারল্যান্ডের তুলনায় ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য অন্তত ২,০০০ বছর বেশি সময় পেয়েছিল।

লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির হেলথ সায়েন্স সেন্টারের পরিচালক মার্ক রায়্যান বলেন, আয়ারল্যান্ডে কোনো সাপ নেই, তার কারণ আবহাওয়া তাদের উপযোগী না হওয়ায় তারা সেখানে পৌঁছতে পারেনি, সময় তাদের পক্ষে ছিল না। একই কারণে শুধু আয়ারল্যান্ড একা না, বিশ্বের আরও কয়েকটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যেমন নিউজিল্যান্ড, আইসল্যান্ড, গ্রীনল্যান্ড এবং অ্যান্টার্কটিকাতেও কোনো সাপ নেই।

শুধু সাপ না, বরফ যুগের পর আয়ারল্যান্ডে কোনো সরীসৃপই প্রবেশ করতে পারেনি, শুধুমাত্র টিকটিকি বাদে। নাইজেল মোনাগানের মতে, আজ থেকে ১০,০০০ বছর পূর্বে প্রবেশ করা এই টিকটিকিগুলোই একমাত্র সরীসৃপ, যা প্রাকৃতিকভাবে আয়ারল্যান্ডে প্রবেশ করতে পেরেছিল।

তবে আগে ছিল না বলেই যে ভবিষ্যতে আয়ারল্যান্ডে কখনও সাপের আবির্ভাব ঘটবে না, সেটা নিশ্চিত করা বলা যায় না। নব্বইয়ের দশক থেকে অনেক আইরিশ শৌখিন ব্যবসায়ী বিদেশ থেকে আনা সাপের চাষ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার পর খরচ পোষাতে না পেরে তাদের অনেকে সেসব সাপ বনে-জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছেন। এসব সাপ হয়তো বংশবিস্তার করে এক সময় আয়ারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ ন্যাশনাল জিওগ্রাফি, হিস্ট্রি, এনিমেল কিংডম।

নুসরাত ফাতেহ আলী খান ১৯৮০ সালে প্রথম ভারত সফর করেন! মূলত সেটাই ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর। রাজ কাপুর তার ছেলে ঋষি কাপুরের ব...
24/10/2024

নুসরাত ফাতেহ আলী খান ১৯৮০ সালে প্রথম ভারত সফর করেন! মূলত সেটাই ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর। রাজ কাপুর তার ছেলে ঋষি কাপুরের বিয়েতে গান গাওয়ার জন্য খান সাহাবকে আমন্ত্রণ জানান! সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে বলিউডের সব বড়ো বড়ো গায়ক ও গায়িকারাও উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিল, নুসরাত ফাতেহ আলী খান ৩০ মিনিট গান গাইবেন! কিন্তু নুসরাত যখন গান শুরু করলেন তখন রাজ কাপুর, ঋষি কাপুরসহ উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হয়ে গেলেন! রাজ কাপুর এতোটাই মুগ্ধ হলেন যে, নুসরাত সাহাবকে অনুরোধ করে পুরো চার ঘন্টা গান শুনলেন!


দুই


নুসরাত ফাতেহ আলী খানের তখন বিশ্বজোড়া নাম। ফ্রান্সের একটি কালচারাল ক্লাব নুসরাত সাহাবকে সেখানে আমন্ত্রণ জানায়! নুসরাত সাহাব চিন্তা করলেন, ফ্রান্সের মানুষজন তো উর্দু বুঝবে না। তাই গানগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করে নিয়ে যান।

নুসরাত সাহাব যখন বললেন, তিনি ইংরেজিতে গান গাইবেন তখন উপস্থিত দর্শকরা আপত্তি জানালেন। তারা বললেন, আপনি আমাদের সাথে জুলুম করবেন না। আপনি উর্দু ভাষাতেই গান গাবেন! আমরা গানের সুরে গানের কথা বুঝে নিবো!


তিন


একবার এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খান বলেছিলেন, '৯২ এ বিশ্বকাপ জেতার পেছনে নুসরাত ফাতেহ আলী খানেরও অবদান আছে। ৯২ বিশ্বকাপে পাকিস্তান প্রথম দিকের ম্যাচগুলোতে হারতে থাকে। দলের সবাই আপসেট, আমিও আপসেট! হোটেল রুমে নুসরাত সাহাবের গান শুনছিলাম। যখনই নুসরাত সাহাবের 'আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ...' গান শুনলাম, আমার ভিতরে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসতে লাগল। পরের ম্যাচে নামার আগে আমি দলের সবাইকে নিয়ে নুসরাত সাহাবের 'আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু' গান শুনলাম। তারপর লক্ষ্য করলাম সবাই উজ্জীবিত ও আত্নবিশ্বাসী হয়ে উঠছে। আমরা ফাইনালের দিনও গানটা শুনেই মাঠে নেমেছিলাম। '

তারপর ইমরান খান বলেন, 'নুসরাত সাহাবের গানে ও কণ্ঠে এমন কিছু একটা আছে, যা ব্যাখ্যাতীত! তার গান শুনে পাগল হবে না, এমন লোক দুনিয়ায় পাওয়া যাবে না!'


চার


১৯৯৩ সালের কথা! ভারতের রাজস্থান থেকে এক বয়স্ক লোক নুসরাত সাহাবের বাড়িতে আসলেন! নুসরাত সাহাবের সাথে দেখা করে বললেন, 'আমার মেয়ে বিয়েতে আমার থেকে কোনো উপহার নিতে চাচ্ছে না। তবে একটি আবদার করেছে। তার বিয়েতে আপনি গান গাইবেন-এই আবদারটুকু করেছে!'

পাশেই নুসরাত সাহেবের সেক্রেটারি বসা ছিল। সেক্রেটারি বয়স্ক লোকটার কাছে ১ লাখ টাকা চাইল। তাহলে নুসরাত সাহাব আপনার মেয়ের বিয়েতে গান গাইবে!

তখন নুসরাত সাহাব বললেন, 'না! একটাও দিতে হবে না। আমি বিনা পয়সাতেই আপনার মেয়ের বিয়েতে গান গাইতে যাবো!'

বিয়ের দিন নুসরাস সাহাব ঠিকই তার দলবল নিয়ে উপস্থিত হলেন। বিয়েতে গান গাইলেন! গানের আসর শেষে ফেরার পথে নুসরাত সাহাব সেই মেয়েকে বিয়ের উপহার হিসেবে ৫০ হাজার টাকা উপহার দিয়েছিলেন!

গান শুনলে কারোর কান্না আসে কিনা জানি না! তবে নুসরাত সাহাবের গান শুনলে চোখ দুটো ছলছল হয়ে যায়! নুসরাত সাহাবের গানে কী জাদু আছে, কেউ কি বলতে পারবে...!

©কালেক্টেড।

বয়সের ব্যবধান এক সেকেন্ড, যমজের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় নম্বরের ব্যবধানও ঠিক এক!বিশ্বভারতীর মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্...
24/10/2024

বয়সের ব্যবধান এক সেকেন্ড, যমজের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় নম্বরের ব্যবধানও ঠিক এক!

বিশ্বভারতীর মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সোমবার। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধ্যমিক স্তরে পঠন-পাঠন হয় পাঠভবন এবং শিক্ষাসত্র, এই দুই বিদ্যালয়ে। প্রথম এবং দ্বিতীয় হয়েছে যমজ দুই ভাই।

বিশ্বভারতীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী যমজ দুই ভাই— রোদ্দুর মম এবং দিগন্ত মম। —

তাদের বয়সের ব্যবধান মাত্র এক সেকেন্ড। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের ফারাকও ওই এক— ঠিক এক নম্বরের। বিশ্বভারতীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী যমজ দুই ভাই। ৯৬.৬৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে রোদ্দুর মম। ৯০০ নম্বরের মধ্যে সে পেয়েছে ৮৭০। দ্বিতীয় স্থানাধিকারীর নাম দিগন্ত মম। সে পেয়েছে ৯৬.৫৬ শতাংশ নম্বর। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮৬৯। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষাতেও দুই যমজ ভাইয়ের ফলাফলে খানিকটা অবাক হয়েছেন শিক্ষক এবং সহপাঠীরা।

বিশ্বভারতীর ‘স্কুল সার্টিফিকেট ২০২৩’ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সোমবার। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধ্যমিক স্তরে পঠন-পাঠন হয় পাঠভবন এবং শিক্ষাসত্র, এই দুই বিদ্যালয়ে। পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী রোদ্দুর এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দিগন্ত একই পরিবারের সদস্য হওয়ায় বাড়িতে খুশির মেজাজও দ্বিগুণ হয়েছে। রোদ্দুরের কথায়, ‘‘আমি এই ভেবে অত্যন্ত উত্তেজিত যে, এ বছরের ‘আনন্দবাজার’ আনন্দমেলা উদ্বোধন করার সুযোগ পাব। আমি ছোট থেকেই এই স্বপ্ন দেখতাম। মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম হলেই আনন্দমেলা উদ্বোধনে ফিতে কাটার সুযোগ পাওয়া যায়। প্রতি বছর মহালয়ার দিন বিশ্বভারতীতে যে আনন্দমেলা উদ্‌যাপিত হয়, তার উদ্বোধন করার দায়িত্ব পায় সে।’’ আর দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দিগন্ত বলে, ‘‘পড়াশোনার সময় এক জন অন্য জনকে দুর্বল বিষয়গুলোয় গাইড করতাম। এ ভাবেই আমাদের এসেছে সাফল্য এসেছে।’’

শ্রীনিকেতনে ‘শিক্ষাসত্র’তে পড়াশোনা করে যমজ ভাই। তা ছাড়া একজনের রবীন্দ্রসঙ্গীত অন্য জনের তবলায় সঙ্গত বেশ প্রশংসনীয় বলে জানাচ্ছেন শিক্ষকেরা। বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এ বছর ৯০০ নম্বরের মধ্যে ৮৭০ পেয়ে প্রথম হয়েছে রোদ্দুর মম। আর ৮৬৯ পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছে দিগন্ত মম। ৯০০ নম্বরের মধ্যে ৮৬২ পেয়ে যুগ্মভাবে তৃতীয় হয়েছে শুভ্র মণ্ডল এবং শ্রীমন্তিকা সাহা।’’ তিনি সব সফল পরীক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তথ্যসূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Address

Kushtia

Telephone

+8801914200320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অভিমান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অভিমান:

Share