আন্তর্জাতিক খবর - BD News International

আন্তর্জাতিক খবর - BD News International 𝐂𝐇𝐀𝐍𝐆𝐄 𝐈𝐒 𝐏𝐎𝐒𝐒𝐈𝐁𝐋𝐄, 𝐂𝐇𝐀𝐍𝐆𝐄 𝐖𝐈𝐋𝐋 𝐂𝐎𝐌𝐄.
পরিবর্তন সম্ভব,পরিবর্তন আসবে। Our thoughts most important are the, who contradict our feelings.

বাংলাদেশের  নির্বাচন ঘিরে ভয়াবহ নীল নকশা: টাকা ছড়িয়ে ৪০ ডিসি ও ২৪ এসপিকে ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগএক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ...
05/02/2026

বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে ভয়াবহ নীল নকশা: টাকা ছড়িয়ে ৪০ ডিসি ও ২৪ এসপিকে ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগ

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : 👉👉👉👉👉

👉 প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ: অন্তত ৪০ জন জেলা প্রশাসক ও ২৪ জন পুলিশ সুপারকে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বশ করার অভিযোগ।

সুইং আসন টার্গেট: ৪৩টি দোলাচলপূর্ণ আসনে ফলাফল পাল্টে দিতে বিশেষ ছক, মহিলা ভোটারদের এনআইডি সংগ্রহের পাঁয়তারা।
বাহিনী নিয়ে প্রশ্ন: সেনাবাহিনীর একাংশ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ; সংখ্যালঘু এলাকায় ভীতি প্রদর্শনের খবর।

ভোটের দিনের কৌশল: কৃত্রিম লাইন তৈরি করে বিএনপি সমর্থকদের বাধা ও কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নজিরবিহীন অস্থিরতা ও বিতর্কের জন্ম হয়েছে। ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচনী মাঠ দখলে রাখার বিষয়ে এক ‘ভয়াবহ নীল নকশা’ বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব অভিযোগে দাবি করা হচ্ছে, জামায়াত-ই-ইসলামী একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মাঠ প্রশাসনকে অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার বিষয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল ‘ম্যানেজ’ করতে অন্তত ৪০ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ২৪ জন পুলিশ সুপারকে (এসপি) বিপুল অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে।

টাকার খেলা ও ৪৩ আসনের সমীকরণ

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে অন্তত ৪৩টি সংসদীয় আসন রয়েছে, যেগুলোকে ‘সুইং সিট’ বা দোলাচলপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব আসনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, এই নির্দিষ্ট আসনগুলো নিজেদের কবজায় নিতেই প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত করা হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই—ভোটের মাঠে প্রশাসনিক সুবিধা আদায় এবং প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করা।

ভোটার জালিয়াতি ও এনআইডি সংগ্রহ

ভোট কারচুপির অংশ হিসেবে অভিনব সব কৌশলের কথা শোনা যাচ্ছে। সূত্রগুলো দাবি করছে, সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকায় মহিলা ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা পরে জাল ভোট প্রদানে ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল, সেখানকার ভোটারদের কৌশলে অন্য এলাকায় স্থানান্তরের অভিযোগও উঠেছে।

নিরাপত্তা বাহিনী ও জিওসিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নির্বাচন ঘিরে সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগটি নিরাপত্তা বাহিনীকে কেন্দ্র করে। দাবি করা হচ্ছে, সেনাবাহিনীর সদস্যদের একটি বড় অংশের (প্রায় ৩০ শতাংশ) সঙ্গে জামায়াতের আদর্শিক যোগাযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, যশোর ও রংপুর বিভাগের জিওসিরা (জেনারেল অফিসার কমান্ডিং) পরোক্ষভাবে জনগণকে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে খুলনা অঞ্চলের কয়েকটি হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানের নামে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ওই অঞ্চলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভোটের দিনের ‘নাটক’ ও সহিংসতা

ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে বিরোধী দলের ভোটারদের উপস্থিতি কমাতে বিশেষ ছক কষা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ভোটের দিন ভোর থেকেই পরিকল্পিতভাবে জামায়াত-সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইন তৈরি করে রাখবে। একে ‘কৃত্রিম লাইন’ বা দীর্ঘ লাইনের নাটক হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে, যার মূল উদ্দেশ্য বিএনপি ও সাধারণ ভোটারদের ভোটদানে নিরুৎসাহিত করা বা সময়ক্ষেপণ করানো।

এর পাশাপাশি বিএনপি-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সহিংসতা সৃষ্টি করে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত স্কুলগুলোর পরিচালনা পর্ষদে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগও প্রবল।

প্রচারণায় দুই মেরু

মাঠের প্রচারণাতেও বড় ধরনের অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের প্রচারণা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, ব্যয়বহুল ও আক্রমণাত্মক। অন্যদিকে বিএনপির প্রচারণা ছিল দৃশ্যত ম্লান। দলের জ্যেষ্ঠ নেতা নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে গঠিত প্রচারণা কমিটি কার্যকর কোনো প্রতিরোধ বা প্রচার ঢেউ তুলতে ব্যর্থ হয়েছে বলে খোদ দলের ভেতরেই সমালোচনা রয়েছে।

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সেনাবাহিনী কিংবা জামায়াত-ই-ইসলামীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এমন অভিযোগ জনমনে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি করেছে।

Address

Shahbagh, Ramna
Maghbazar
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আন্তর্জাতিক খবর - BD News International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share