Grow Marketing

Grow Marketing Grow Marketing is The Best & Fastest Growing Digital Marketing E-Learning Platform In Bangladesh.!

02/01/2023
23/12/2022
23/12/2022
22/01/2021

"ই-কমার্স বিজনেসের জন্য প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন" কেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ???
গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে আপনার বিজনেস এবং গ্রাহকের মধ্যে যোগাযোগ মাধ্যম। ই-কমার্সের সাইট গুলোতে কাস্টমারকে আর্কষণ করতে গ্রাফিক্স ডিজাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বর্তমানে প্রচুর কেনাকাটা হচ্ছে অনলাইনে এবং এই সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।
আপনি একটি অনলাইন শপের মালিক, এজন্য আপনাকে বিলাসবহুল শপ দিতে হবেনা। কারণ, আপনার কাস্টমার সরাসরি শপে আসবে না। তারা আপনার ই-কমার্স সাইটেই সময় দিবে।
আর ভিজিটরসরা যদি আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আকর্ষনীয় কিছু দেখতে পায়, এমন কোন ডিজাইন তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে, তাহলে তারা আরো বেশি সময় নিয়ে আপনার ওয়েবসাইট দেখবে। আপনাকে এমন ডিজাইনের ব্যানার রাখতে হবে যাতে ডিজাইন দেখে প্রডাক্ট নিতে উৎসাহ পায়।
শুধু ডিজাইন হলে হবে না, সেটা হতে হবে প্রফেশনাল, দেখতে বাস্তবিক এবং আধুনিক।
ইমেজের সাইজ অনেক বেশি হলে হবে না, সাইজ হতে হবে এমন যাতে আপলোড হতে সময় কম লাগে। সবার নেট স্পিড ভালো থাকেনা। লোডিং হতে সময় বেশি নিলে ভিজিটরস চলে যাবে। মোবাইল ইউজারদের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে। গ্রাফিক্স হাই কোয়ালিটির হতে হবে, তবে যত সম্ভব ফাইল কম সাইজের হয়।
প্রোডাক্টসের ফটো গুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড রিমোভ করতে হবে, অপ্রয়োজনীয় ওয়াটারমার্ক থাকলে উঠাতে হবে, স্মুথ করতে হবে, কালার রিটাসিং করতে হবে। এসব কাজ একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার দিয়ে করাতে হবে।
সবসময় ট্রেন্ড ফলো করে ওয়েবসাইট সাজাতে হবে। একেক সময় একেক ধরণের ট্রেন্ড আমাদের দেশে চালু হয়। টার্গেট অডিয়েন্সের চাহিদা বিবেচনা করে সাজাতে হবে ই-কমার্স সাইট। ট্রেন্ডি ডিজাইন করতে হবে।
আপনাদের প্রত্যেকটি কোম্পানির নিজস্ব ব্রান্ডিং কালার আছে। সব সময় ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্রান্ডিং কালার রাখতে হবে। প্রত্যেকটা ওয়েব ব্যানার হবে ব্রান্ডিং।
শেষে একটি কথাই বলবো, আপনাকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার যাতে আপনার পরিশ্রমের ই-কমার্স সাইটি লক্ষ্য পূরণে ব্যার্থ না হয়।

22/01/2021

গ্রাফিক্স ডিজাইন
💟 গ্রাফিক্স ডিজাইন শুনলেই মনে হয়, আরে এই কাজ তো আমিই পারি।
লোগো ডিজাইন, কার্ড ডিজাইন, ফ্লাইয়ার ডিজাইন বা ইন্টারফেস ডিজাইন, এই শব্দগুলো আমাদের পরিচিত ও মনে করি এসব জানলেই গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা হয়ে গেল না গ্রাফিক্স ডিজাইন এর অর্থ অনেক বিস্তৃত।
💟 এটি এ‌‌‌‌‌কটি মননশীল প্রক্রিয়া ,যেখানে একজন ডিজাইনার তার নিজের ইচ্ছে মতো ভিজুয়াল এলিমেন্ট মানে লাইন, কালার, শেড, টেক্সসচার দিয়ে নিজের পছন্দ বা ভাবনাকে প্রকাশ ঘটায় । এর জন্যই গ্রাফিক্স ডিজাইনকে বলা হয়, আর্ট অফ কমিউনিকেশন।
💟 গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে গেলে প্রথমেই যে দুটা সফট‌ওয়্যার অনিবার্য, সে দুটি হল, অ্যাডোবি ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর ।গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে শুরু করে ওয়েবসাইট ডিজাইন, ফটোগ্রাফী রিটাচ, মোশন গ্রাফিক্স, প্রেজেন্টেশন টেমপ্লেট, ফটো ম্যানিপুলেশন , থ্রিডি অ্যানিমেশন বা মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন ... সব ক্ষেত্রেই এই দুটি সফট‌ওয়্যার কাজে আসবেই ।
💟 জীবনের কোন বিশেষ মুহূর্তের ছবি তুলে তা একটু অন্যরকম করে তোলা বা বিজনেস করা নিজের পেইজে, পণ্যের ছবি আকর্ষণীয় করে তুলতে চাইলে আমাকে যে একদম প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে, এমন তো নয়। বরং ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর এর কাজ জানা থাকলেই দিব্যি কাজ করা যায়।
💟 গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে পড়াশুনা করলে ঠিক কোথায় কোথায় ক্যারিয়ার তৈরি করা যায়
👉প্রতিষ্ঠানের ডিজাইনার
👉 ফ্রি ল্যান্সিং মার্কেট প্লেস
👉 বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
👉 বিভিন্ন পত্রিকা বা ম্যাগাজিন প্রতিষ্ঠান
অনেক পথ‌ই খোলা আছে এই গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য।
💟 কি কি সফট‌ওয়্যার ব্যবহার করে
টাইপোগ্রাফি, ফটোগ্রাফী ও চিত্রনাট্য ব্যবহার করে, বাস্তবের সাথে কল্পনার সমন্বয় সাধন করা হয়।
💟 কেন শিখব
👉 এর চাহিদা এখন ব্যাপক । দেখা গেছে, একজন ছোট বিজনেস ম্যান‌ও তার পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য , গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাছে যায়।
👉 উচ্চ বেতন স্কেল
বাড়িতে বসে কাজ করার সুযোগ আছে এখানে।
নিজ কল্পনার স্বাধীনতা। আমি আমার নিজস্ব ডিজাইন এখানে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি
👉 ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর সেরা জায়গা এটি। নিজের ভেতরে থাকা মেধার, সর্বোচ্চ প্রকাশ, এখানেই করা যায় ইচ্ছা করলে।

08/01/2021

গ্রাফিক ডিজাইন কি?

গ্রাফিক ডিজাইন হলো কম্পিউটার সফ্টওয়্যার এর মাধ্যমে কল্পনা, তথ্য এবং গ্রাহকদের ধারণাগুলির সাথে যোগাযোগ করার জন্য, দৃশ্যমান ধারণা তৈরি করে। বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যেমন ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ইনডিজাইন, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদির মাধ্যমে লোগো, ফ্লায়ার, পেজ-লেআউট, বিজ্ঞাপণ, ব্রোশার, ম্যাগাজিন এবং কর্পোরেট রিপোর্ট এবং নকশা তৈরি করা। টাইপোগ্রাফি, ফটোগ্রাফি এবং চিত্রনাট্য ব্যবহার করে কল্পনার সাথে বাস্তবের সমন্বয় করা।

কি কি কাজে গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্যবহার করা হয় ?
বর্তমানে বিভিন্ন এবং প্রায় অনেক কাজেই গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্যবহার করা হয়। সেই, কাজ গুলির কিছু আমি নিচে আপনাদের বলে দিচ্ছি।

-কোম্পানির ব্র্যান্ড (brand) পরিচয় বা লোগো (logo) তৈরি।
-প্রিন্টেড করা জিনিসে (বই, নিউস পেপার, ম্যাগাজিনে) .
-অ্যালবাম কভার (album cover) তৈরি।
-ব্যানার বিজ্ঞাপন (banner advertisement) তৈরি।
-Digital advertisement তৈরি করার সময়।
-বিভিন্ন blog এবং website এ এর ব্যবহার হচ্ছে।
-জলের বোতলে থাকা ওই ডিজাইন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য (consumer products) তে থাকা ডিজাইন।
-অনলাইন এবং টিভি (TV) তে ব্যবহার করা গ্রাফিক্স (GRAPHICS) এবং টাইটেল (TITLE) .
-বিভিন্ন GREETINGS CARDS এ।
-বিয়ের invitation cards এ।
-T-shirts এবং জামা কাপড় ডিজাইন করার সময়।
-অ্যানিমেশন (animation) বানানোর সময়।
-Business ও visiting cards বানানোর সময়।
এ ছাড়া আরো অনেক অনেক কাজ রয়েছে, যেখানে গ্রাফিক ডিজাইনিং এর কাজের প্রয়োজন।

25/06/2020

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হচ্ছে এমন একটা মাধ্যম যেখানে বা যার মাধ্যমে গুগল ব অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে খুব সহজে র‍্যাংকিং এ আসা যায়।

যেমন আমরা কিছু সার্চ করলে টপ ১০টা সেই বিষয় রিলেটেড ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজকে ১ম পেজে সার্চ ইঞ্জিন আমাদেরকে দেখায়। এই ১ম পেজে আসার মাধ্যমই হচ্ছে SEO।

SEO এর ধরণঃ
চার ধরণের SEO রয়েছে। প্রত্যেকটাই আমাদের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টে টপে আনতে কাজ করে। যদিও বেশিরভাগ জায়গায় তিন ধরণ SEO এর কথা বলা হয়ে থাকে।

Black hat SEO
White hat SEO
Grey hat SEO
এছাড়াও আরও একটি SEO আছে।সেটা হচ্ছে
Negative SEO।

চলুন SEO গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

White hat SEO
White hat SEO একটু দীর্ঘসময় নিয়ে কাজ করে। কারণ এটি গুগলের নিয়ম কানুন মেনে কাজ করে। তাই এতে রিস্ক থাকে না। এটি যথেষ্ট ব্যায়বহুলও। বেশিরভাগ নামকরা SEO কোম্পানিগুলো White hat পদ্ধতি ব্যবহার করে।

Black hat SEO
এই ব্ল্যাক হ্যাট অনেক দ্রুত কাজ করে। গুগলের নীতির বিরুদ্ধে কম খরচে শর্টকাট ওয়েতে এই SEO করা যায়। এক কথায় এখানে স্প্যামিং এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হয়।

Grey hat SEO
গ্রে হ্যাট এসইও হোয়াইট এবং ব্ল্যাক হ্যাটের সমন্বয়ে হয়ে থাকে। মূলত হোয়াইট হ্যাট এসইও কৌশলকে সর্বোচ্চ বার ব্যবহার করে এই গ্রে হ্যাট এসইও করা হয়। যেমন কী-ওয়ার্ড স্টাফিং।

Negative SEO
নেগেটিভ এসইও নামেও যেমন নেগেটিভ কাজেও নেগেটিভ।
অন্যের ওয়েবসাইটকে ব্ল্যাক এবং গ্রে হ্যাট প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ করে নিজের সাইট র‍্যাংকিং এ আনা।

ধন্যবাদ সকলকে 🙂

23/06/2020

ক্যারিয়ার গঠনের চিন্তার শুরুটা কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করা উচিত?



বুয়েট, মেডিকেল বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সব বিষয়ের থেকেও চাকরির বাজারে বেশি দাম হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ'র আইবিএ'র।

এখানে ভর্তির সুযোগ পাওয়াটা খুব কঠিন। ভর্তি পরীক্ষার হলে বসে ছেলেরা না পেরে কাঁদতে শুরু করে দেয়।

আইবিএ'র ছাত্র হওয়াটা খুবই সম্মানের। আর আইবিএ'র শিক্ষক হলে তবে সম্মানটা নিশ্চয় আরও বেশি হবে?

আর এমন চাকরিও কারো কাছে জেলখানার মত লাগতে পারে?

আমি সাইফুর রহমান স্যারের কথা বলছি। তার বাবা আইবিএ'র শিক্ষক ছিলেন, তার ছোট বেলা কেটেছে এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই খেলা করে। কখন তার মধ্যে জন্ম নিয়েছে বাবার মতই শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন।

বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লেন, বিদেশ থেকে এমবিএ করে তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ'র শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলেন।

তিনি বিবিএ'র এমবিএ পড়াতেন সাথে ইংরেজি। কিছু দিন পর দেখলেন তার নিজেকে জেলখানায় বন্দী মনে হতে লাগলো। এই সম্মানের শিক্ষকতার চাকরি তার ভালো লাগলো না।

তিনি বুঝতে পারলেন তার ইংরেজি পড়াতেই বেশি ভালো লাগে।

তারপর তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে শুরু করলেন সাইফুরস কোচিং। সেখানে তিনি মনের আনন্দে ইংরেজি পড়াতে লাগলেন।

আপনার জীবনেও এমন একটা সময় আসবে যখন আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার ঠিক কোন বিষয়টা সবথেকে বেশি ভালো লাগে। খুঁজে পাবেন আপনার নেশা কী।

তখন নেশাকে পেশা বানিয়ে নিতে পারবেন।

ক্যারিয়ার শুরুর দিকে তাই সাতপাঁচ ভেবে সময় নষ্ট না করে আপনার এখন ঠিক যে দিকে আগ্রহ কাজ করে, সেদিকে ক্যারিয়ার গড়তে শুরু করুন।

যত বিষয়ে আপনার আগ্রহ, তার মধ্যে কোনটা বেছে নিলে আপনাকে আর জীবনে একদিনও কাজ করতে হবে না, তার মানে কাজকে আর কাজ মনে হবে না, পরিশ্রমকে আর পরিশ্রম মনে হবে না, সেটা আস্তে ধীরে বুঝতে পারবেন।

একটা চাকরির দিকে লক্ষ্য রেখে না ছুটে, সর্বোপরি, নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। ভালো লাগার অন্য আরও এক দুইটা বিষয়ে দক্ষতা বাড়াতে থাকুন।

"একটি চাকরির দক্ষতা গড়তে কঠোর পরিশ্রম করুন, তবে আপনি একটি ভালো জীবিকা বানাতে পারবেন। নিজেকে গড়তে কঠোর পরিশ্রম করুন, তবে আপনি একটি ভবিষ্যৎ বানাতে পারবেন"—জিম রন।

22/06/2020

যে কোন কাজে শেষ পর্যন্ত মনোবল চাঙ্গা রাখার মাধ্যম কী?.................................................................................

পড়াশোনা সব কলেজ পর্যন্তই। ভার্সিটিতে পড়াশোনা করা লাগে না।"

কলেজ পড়ুয়াদের কিছু পাবলিক ঠিক এভাবেই জ্ঞান দিয়ে থাকে। আর আমরা সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি।

আমাদের কেউ কেউ তো লাইব্রেরীই চিনে না (আমার নামটা সবার আগে)। পরীক্ষার আগের রাতে দেখা যায় সবগুলা আবার একসাথে জড় হয়েছে। শিট নিয়ে টানাটানি, কার কোন শিট নেই, হলগেট দৌড়াও, কপি করো।

কেউ আবার সিনিয়রদের পিছে দৌড়ায়, "ভাই একটু দেগে দেন। এত্ত কঠিন, কিচ্ছু বুঝি না!" 😣

কেউ বিকেল থেকে, কেউ সন্ধ্যায়, কেউ আবার টিউশন সেরে হলের ক্যানটিনে খাসির মাথা মুগ ডালের খানা খেয়ে সোজা গিয়ে লাইব্রেরী ঢুকে।

যার নিরবতা দরকার সে দূরের টেবিল গিয়ে একা পড়ে। বাকিরা মিলে চলে গ্রুপ স্টাডি।

সারাবছর খোঁজ নাই, পরীক্ষার আগের রাতে ঘুম নাই।

রাত বাড়তে থাকে। একে একে লাইব্রেরী থেকে অন্যেরা বিদেয় হয়, জ্ঞানপাপীদের মনোযোগ তখন আরও বেড়ে যায়।

একটানা পড়ার চোটে মাথা ভার হতে বেশিক্ষণ লাগে না। কেউ টেবিলে মাথা দিয়ে একটু ঝিমিয়ে নেয়, কেউ মাঝের ফাঁকা জায়গায় করে চলে পায়চারী।

রাত তিনটের পর আর গাড়ি আগায় না। তখন কেউ প্রস্তাব দেয়, "চল গেটে যায়, কিছু খেয়ে আসি!"

আহা! কি দারুণ প্রস্তাব!

এ সেই জ্ঞানপাপী হতে পারে, কিন্তু কথাগুলো সে বলে নাই। নিশ্চয়ই কোনো ফেরেশতা তার মুখ দিয়ে বলিয়েছে। যাই হোক, অই বান্দার জন্য দুখানা হাততালি হবে।

অতঃপর, নৌকার পাল ঘুরিয়ে গেটের দিকে নেয়া হয়।

লাইব্রেরীর গুমট আবহাওয়া থেকে বের হয়ে হলগেট পর্যন্ত যেতে যেতে মাথায় যত ভার ছিল আস্তে আস্তে নেমে যায়।

গেট পেরিয়ে রাস্তায় পা রাখতেই মাঝ রাতের হাওয়ারা ছুঁয়ে যায়। কি যে প্রশান্তি!

মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে ছুটে চলা ট্রাকের গুড়গুড় আওয়াজ শোনা যায়।

গরম তেলে পরাটা ভাজার শব্দ রাস্তার এপার থেকেও পাওয়া যায়। মগের মধ্যে ডিম ভাঙছে হোটেলের বাবুর্চি।

"মামা, পরাটা আর লটপটি, সাথে মুরগীর ঝোল" (লটপটি—ডিম ও সবজির একটি মিক্সড আইটেম)

খাওয়া চলে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধও চলে। ক্যাম্পাস রাজনীতি থেকে বলিউড, হলিউড, প্রেমে অপটু বন্ধুর তুলোধুনো, কোনকিছুই সে যুদ্ধের ময়দানে রেহাই পায় না।

এখন যদি সেই ফেরেশতা এসে জিজ্ঞেস করে, "কাল কোন কোর্সের এক্সাম রে?"

আমি হলপ করে বলতে পারি পরাটার টুকরা এদের গলায় বাধতে বাধ্য।

হোটেলের বিল চুকিয়ে কেউ কেউ গরুচোরের মতো খুঁজতে থাকে সিগারেট মামা কই!

যারা ধোঁয়া খায় না, তাদের জন্য ঠান্ডার বন্দোবস্তো করতে আবার ভোলে না। ইনসাফ! ইনসাফ! চোর হলেও ইমান আছে।

দলা দলা কোকাকোলা গলা বেয়ে যখন নামতে থাকে তখন অতৃপ্ত আত্মারাও যেন তৃপ্ত হয়ে যায়।

ফেরেশতা এতক্ষণে হাঁফ ছেড়ে বলে, "হু, তোদের করাতে ধার দেয়া শেষ, এবার তোরা টাইটানিক উদ্ধারের জন্য তৈরি!"

লাইব্রেরী ফিরে গিয়ে চলে কালকের পরীক্ষার দফারফা করার প্রস্তুতি।

অনার্স লাইফে পরীক্ষার আগের রাতগুলোর চিত্র ঠিক এমনই ছিল।

সারাবছর পড়াশোনা কিছু করা হয় নি, পরীক্ষার আগের রাতে তাই চাপটা অনেক বেশি। এই এত্ত চাপ অবশ্য রাতভর পড়ার জন্য মনোযোগ ধরে রাখতে খুব কাজে দেয়।

কিন্তু কতক্ষণ আর একটানা মনোবল ধরে রাখা যায়?

শরীরের বিশ্রামের পাশাপাশি মগজেও একটু শান দেয়া দরকার।

ড. স্টিভেন কোভে হাতে কলমে শিখিয়ে দিয়েছেন কিকরে তা করা যায়। "দ্য সেভেন হ্যাবিটস অফ হাইলি ইফেক্টিভ পিপুল" বইতে ড. কোভের বলা সাত নম্বর অভ্যাসটি হচ্ছে —Sharpen The Saw. যাকে বাংলায় বলছি—করাতে ধার দেয়া।

আপনার সবথেকে বড় সম্পদ হচ্ছেন আপনি। শার্পেন দ্য স' মানে হলো এই সম্পদকে সংরক্ষণ করা এবং বাড়িয়ে চলা। জীবনের ৪টি ক্ষেত্রে স্ব-নবায়নের ভারসাম্য রেখে এগিয়ে চলা : শারিরীক, মানসিক, আধ্যাত্মিক এবং সামাজিক/ইমোশনাল।

প্রতি ক্ষেত্রের কিছু উদাহরণ হলো :

শারীরিক : স্বাস্থ্যকর খাওয়া, ব্যায়াম, বিশ্রাম।

সামাজিক/ইমোশনাল : অন্যদের সাথে অর্থপূর্ণ ও সামাজিক সংযোগ স্থাপন।

মানসিক : শেখা, পড়া, লেখা, অন্যকে শেখানো।

আধ্যাত্মিক : প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো, মেডিটেশন, মিউজিক, আর্ট, প্রার্থনা বা সেবা দান করা।

যেকোনো কাজে শেষ পর্যন্ত মনোবল চাঙ্গা রাখার জন্য আপনাকে মাঝে কয়েকবার বিরতি টেনে করাতে ধার দিয়ে নিতে হবে।

আমার গল্পটাতে দেখবেন আমরা কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে খেতে গেছি, হাঁটাচলা করেছি। এগুলো ছিল শারীরিক দিক।

আমরা কয়েকজন বন্ধুরা একসাথে গেছি, পড়াশোনার বাইরে অন্য বিষয়ে কথাবার্তা বলে সময় কাটিয়েছি যেগুলো ইমোশনাল দিকটাকে পূর্ণ করেছে।

ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গায়ে রাতের স্নিগ্ধ হাওয়া মেখে কিছুটা সময় কাটানো আমাদের আধ্যাত্মিক দিকের অনেকটায় পূরণ করেছে।

অল্প হলেও একটু থেমে আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ- নিজেদেরকে যতটুকু নবায়ন করে নিতে পেরেছি তাতেই আমাদের শেষ পর্যন্ত পৌছানোর মনোবল আবার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।

তেল ফুরানোর আগেই তেল নিলে তবেই না গাড়ি আবার ফুলস্পিডে দৌড়াবে!

আব্রাহাম লিংকন যেমন বলেছেন, "আমাকে একটি গাছ কাটার জন্য ৬ ঘণ্টা দিলে, আমি প্রথম ৪ ঘণ্টা ব্যয় করব করাত ধার দিতে।"

মনোবল চাঙ্গা রেখে আপনার মঞ্জিল পর্যন্ত পৌঁছাতে নিজের করাতে ধার দিয়ে নিতে ভুলবেন না।

22/06/2020

এমন কিছু কৌশল , যা সারাজীবন কাজে লাগবে?

১। সব সময় শিখতে থাকেন। যারে বলে কন্টিনিউয়াস লার্নিং। ইনফরমেশন দরকার কারণ অনিশ্চয়তাময় বাস্তবতা আমাদের। যত আপনি ইনফর্মড থাকবেন তত বেটার ডিসিশন নেবার সুযোগ তৈরি হবে। যদিও বেশি ইনফরমেশন পাওয়া মানেই বেটার ডিসিশন নিতে পারা এমন না, কারণ এখানে বিবেচনাবোধ তথা বুদ্ধির প্রয়োগের বিষয়টিও রয়ে যায়।

২। ভালো ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকুন। এটি লং রানে হিউজ একটা এডভান্টেজ দিবে।

৩। কৃতজ্ঞতাবোধ প্র্যাক্টিস করুন।

৪। কর্মযোগী হোন। অর্থাৎ জ্ঞান আহরনের সাথে সাথে তার প্রয়োগ তথা কাজরে সমান গুরুত্ব দেন।

৫। আশা কম রাখুন। তাতে হতাশা কম হবে ও নতুন কিছু করার মনোবল থাকবে।

৬। নিজের ব্লাইন্ড স্পট যে থাকে, এ বিষয়ে সচেতন থাকুন।

এই ছয় জিনিস, সারাজীবন কাজে লাগবে।

যারা নতুন ব্যবসায় স্থাপনে আগ্রহী এবং যারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন তাদের জন্য এই পোস্ট টি।একটু বড় হলেই আশা করি লেখাগুলো উ...
21/06/2020

যারা নতুন ব্যবসায় স্থাপনে আগ্রহী এবং যারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন তাদের জন্য এই পোস্ট টি।

একটু বড় হলেই আশা করি লেখাগুলো উপকারে আসবে

আপনি বিজনেজ শুরু করতে চাচ্ছেন, একেবারে ছোট থেকে শুরু করুন। আপনি বিজনেসে পড়াকালীন যা শিখেছেন (নলেজ, স্কিল, থিউরি, মডেল) এপ্লাই করুন।

মনে রাখবেন শুধুঃ

১. প্রোডাক্ট বিক্রি না করে বিশ্বাস ও ভালোবাসা বিক্রি করুন (কাস্টমারের মনে বিশ্বাস ও ভালবাসা দিয়ে তার মনে যায়গা করে নিন- অর্থাৎ পজিশনিং করুন,)

২. USP (Unique Selling Proposition) খুজে বের করুন এবং তা হাইলাইট করে বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করুন। অর্থাৎ অন্য কোম্পানির প্রোডাক্ট না কিনে আপনার প্রোডাক্ট কেন কিনবে সেটা বলার নামই হচ্ছে USP.

৩. আজ থেকে ১০ বছর/২০ বছর পর দুনিয়া ও কাস্টমারের চাহিদা কেমন পরিবর্তন হবে সেটা আগেই বুঝুন ও মাথায় রাখুন। সে অনুযায়ী পরিবর্তন মেনে নিন এবং প্রোডাক্ট ও সার্ভিসে ইন্যুভেসন নিয়ে আসুন। সৃজনশীল হোন। মনে রাখবেন দুনিয়া সৃজনশিলতার পক্ষে।

৪. বিজনেস প্রসেস ও মডেলে গতি, এফিসিয়েন্সি আধুনিকতা, সৃজনশিলতা, ও এক্সিলেন্সি নিয়ে আসুন। এর জন্য দরকার হতে পারে গবেষণা ও প্রযুক্তির ব্যবহার। এতে করে আপনার ব্যবসায় পরিচালনার খরচ কমবে ও অন্যদিকে কাস্টমারদের বিভিন্ন সুবিধা হবে।

৫. প্রচুর বই পড়ুন, ভ্রমন করুন, তরুন প্রজন্ম ও রিসেন্ট কালচারের দিকে খেয়াল রাখুন। বিজনেস রিলেটেড প্রচুর কেইস স্টাডি পড়ুন। আপনি ভাবতেই পারবেননা যে এগুলা আপনার কত উপকারে আসবে!

৬. আপনার বিজনেসকে অথবা মার্কেটিংকে সোসাল মিডিয়া/ইন্টারনেট মিডিয়া/কনভারজেন্ট মিডিয়ার সাহায্যে নিত্য নতুন উপায়ে প্রচার করুন। মনে রাখবেন বর্তমান যুগ মার্কেটিং/প্রচারের যুগ। আপনি কোনভাবেই একে অবহেলা করতে পারবেন না।

৭. প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে মার্কেটিং এনভায়রনমেন্ট (কাস্টমার, কম্পিটিশন, কালচার, ও নিজের সামর্থ্য) বুঝার চেস্টা করুন।

৮. প্রোএক্টিভ, পজিটিভ ও প্রজ্ঞাবান হোন। বুদ্ধিমান হওয়া ভাল, কিন্তু চালাক হতে যাবেননা। সবসময় ভাল ব্যবহার ও সম্মান দিয়ে কথা বলুন, তাহলে সম্মান পাবেন এবং বিজনেস খুব দ্রুত এগিয়ে যাবে।

৯. মা বাবার ও গুরুজনদের দোয়া সাথে রাখুন। নিজেকে ১০০% সৃষ্টিকর্তার কাছে সমর্পন করুন। সচেতন, অবচেতন, অতি অবচেতন সব ধরনের মনের ব্যবহার শিখুন।

১০. একনিষ্ঠভাবে লেগে থাকা শিখুন। ধৈর্য হারাবেননা।

১১. অহংকারী হবেননা। বিনয়ী হোন। আপনি আগে কি ছিলেন, কি করেছেন, কোন বংশের ছিলেন, ক্লাস ফাইভে বৃত্তি-ক্লাস এইটে বৃত্তি পাইছেন, কোন চাকরি করেছেন এগুলা গুরুত্বপূর্ণ না। আপনি বর্তমানে কি, কোন অবস্থানে আছেন এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। মনে রাখবেন কর্মটাই আপনার আসল পরিচয়। এটাই আপনাকে বাচিয়ে রাখবে।

Address

Manikganj
1822

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Grow Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share