Vision7day -Marketing Agency

Vision7day -Marketing Agency We trust ourselves and trust our business. We always be careful with the clients because clients are our prosperity. Get in touch with us & Make your dream real.

We are trying to help people in fulfilling their dream.

ডিজিটাল মার্কেটিং ❓👉বর্তমান যুগ হলো ডিজিটাল এবং আপনি যদি এখনো না ই জানেন যে ডিজিটাল মার্কেটিং কি তাহলে হয়তো আপনি অনেক পে...
11/09/2020

ডিজিটাল মার্কেটিং ❓

👉বর্তমান যুগ হলো ডিজিটাল এবং আপনি যদি এখনো না ই জানেন যে ডিজিটাল মার্কেটিং কি তাহলে হয়তো আপনি অনেক পেছনে পড়ে আছেন। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপারে জেনে নেয়াটা আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন।

☑️“আপনি যদি নিজের ব্যবসায় এ দ্রুত সফলতা পেতে চান, তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার সফলতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।“

খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা সমূহকে গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছানো । আগেকার দিনে কোন কোম্পানি তাদের পণ্য সমূহকে বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটারদের কে নিয়োগ দিতেন।

তারা গ্রাহক পর্যায়ে গিয়ে উক্ত পণ্যের গুনাগুনগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতেন এবং গ্রাহকদেরকে তা কেনার জন্য আকৃষ্ট করতেন। বর্তমানে সেই কাজটিই তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের কল্যাণে অনলাইনেই করা হয় যেটাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।
ডিজিটাল মার্কেটিং এমন একটি শক্তি, যার দ্বারা আমরা যেকোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ঘরে বসেই কিছু সময়ের মধ্যে লক্ষ লক্ষ লোকেদের কাছে মার্কেটিং বা প্রচার করতে পারি।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন❓❓❓

আপনি জানেন কি বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহার কারীর সংখ্যা কতজন? সারা বিশ্বে ৫.১১ বিলিয়ন। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২ বিলিয়ন। দিন যত যাচ্ছে এগুলোর ব্যবহার আর চাহিদা ততই বাড়ছে। আর এ সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে বুদ্ধিমান মার্কেটার রা ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করে দিয়েছে।

✅বর্তমান এ প্রায় ৫১% ক্রেতা মোবাইল এর মধ্যমে কেনাকাটা করে থাকে।
✅মার্কেটার রা ৮৪% তথ্য এই সামাজিক মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে থাকে।
✅কোন পন্য কেনার আগে বেশীরভাগ ক্রেতাই সেটা যাচাই বাচাই করে অনলাইন এ।
✅অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বেশীরভাগ ক্রেতাই খুব অল্প সময় এর মধ্যেই বিক্রেতার সাথে কথা বলে তার সার্ভিস বা পন্যটি পেতে চান।👉

বিক্রিয় বৃদ্ধির ৪ টি কৌশল- নিচে ক্লিক করে জেনে নিন👇👇👇1সঠিক দাম নির্বাচন করুন - যেকোনো কিছুই বিক্রি করা সম্ভব যদি দামটা ঠ...
10/09/2020

বিক্রিয় বৃদ্ধির ৪ টি কৌশল- নিচে ক্লিক করে জেনে নিন👇👇👇

1
সঠিক দাম নির্বাচন করুন - যেকোনো কিছুই বিক্রি করা সম্ভব যদি দামটা ঠিক থাকে।
একই ধরনের আরও বিজ্ঞাপন ব্রাউজ করুন এবং একটি যুক্তিসম্মত দাম নির্বাচন করুন।
ক্রেতারা কতো টাকা দিতে প্রস্তুত তা ভেবে মূল্য নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন, মূল্য যত কম হবে, তার চাহিদা তত বেশি হবে।
2
ভালো মানের ছবি ব্যবহার করুন
আসল ছবি ব্যবহার করুন - ক্রেতারা আসল ছবি ব্যবহার করে দেয়া বিজ্ঞাপন ক্যাটালগে থাকা ছবি ব্যবহার করে দেয়া বিজ্ঞাপন থেকে ১০ গুণ বেশি দেখে থাকেন।
পরিষ্কার ছবি নিন - পর্যাপ্ত আলোতে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ছবি তুলুন।
3
আপনার বিজ্ঞাপনে সবকিছু পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করুন
সুন্দর বর্ণনা = বেশি ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ!
ক্রেতারা আকৃষ্ট হন এমন কী-ওয়ার্ড ও তথ্য প্রদান করুন।
বর্ণনা দেয়ার সময় মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না।
4
আপনার বিজ্ঞাপনটি প্রচার করুন!
প্রচার করা বিজ্ঞাপনসমূহ ১০ গুণ বেশি বার দেখা হয়।
অধিক দর্শন = অধিক আগ্রহী ক্রেতা
প্রচুর সংখ্যক আগ্রহী ক্রেতার নিকট আপনার কাঙ্খিত মূল্যে দ্রুত বিক্রি করার একটি ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।

সেলস ফানেল কি এবং কিভাবে তৈরি করতে হয়⤵️⤵️⤵️সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন আশা করি অনেক ভুল ধারনা ভেঙে যাবেআপনিও যদি এই কাজ করে থাক...
09/09/2020

সেলস ফানেল কি এবং কিভাবে তৈরি করতে হয়⤵️⤵️⤵️
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন আশা করি অনেক ভুল ধারনা ভেঙে যাবে

আপনিও যদি এই কাজ করে থাকেন তাহলে এখনই এই কাজ থেকে বিরত থাকুন কারন আপনিও ফেইল করার রাস্তায় হাটছেন। বিশ্বের যত বড় বড় মার্কেটার আছে তাদের সফলার মূল জিনিসই হচ্ছে সেলস ফানেল। আমি চেস্টা করবো এই আর্টিকেল এ আপনাকে সেলস ফানেল এর গুরুত্ব বোজানোর জন্য।
সেলস ফানেল হচ্ছে কোন পণ্য বিক্রি করার একটি ভালো মাধ্যম। ⤵️
আপনি যখনই কোন প্রোডাক্ট বিক্রির কথা চিন্তা করবেন আপনাকে আগে খুজে বের করতে হবে ওই পণ্য মূলত কোন সমস্যার সমাধান করছে। সমস্যা গুলো যখন খুজে বেড় করতে পারবেন তখন আপনার অডিয়েন্স কারা হবে সেটাও খুব সহজে আপনি সনাক্ত করতে পারেবন।

👉এর পর আপনাকে এমন একটি সেলিং প্রোসেস তৈরি করতে হবে যাতে করে আপনার পণ্য আপনার ভিজিটর কিনতে আগ্রহি হয়।

যেমন উদাহরন সরুপ আমি যদি কোন পণ্য বিক্রি করতে চাই তাহলে ওই পণ্য যেই সমস্যার সমাধান করছে সেই সমস্যা সনাক্ত করে নেই এবং এর পর ওই সমস্যার সমাধান নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখি। আমি ওই আর্টিকেল টাকে একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করে নেই এবং ওই পিডিএফ ফাইল ই হচ্ছে আমার পণ্য বিক্রি করার মূল হাতিয়ার।

👉এখন আমি একটি ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করি এবং সেখানে আমি বলি আপনি যদি খুব দ্রুত এই "(_ সমস্যার _)" সামধান জানতে চান তাহলে আমার সিক্রেট টিপস এর একটি বই ফ্রি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। (example: Learn How to Make $5,000 in Next 30 Days)

👉এই পিডিএফ ফাইলটি আমি ফ্রি আমার ভিজিটরদের অফার করি এবং আমার বই টি যদি কেউ নিতে চায় তাহলে অবশ্যই তার ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে হবে কারন আমি তাকে ইমেইল এর মাধ্যমে বইটি পাঠাবো।

👉এখন আমি আমার নিজের ল্যান্ডিং পেজ এ ভিজিটর পাঠাই সেটা ফ্রি বা পেইড যেভাবেই হোক না কেন। যখনই কেউ আমার বইটি ডাউনলোড করার জন্য ইমেইল অ্যাড্রেস দিচ্ছে আমি তার কন্টাক্ট ইনফরমেশন পেয়ে যাচ্ছি। এবং বইটি ডাউনলোড করতে দেবার পাশাপাশি আমি তাকে আমার পণ্য অফার করছি।

👉যদি সে সাথে সাথে প্রোডাক্ট না ক্রয় করে কোনোই সমস্যা নেই কারন তার ইমেইল অ্যাড্রেস আমার কাছে আছে। আমি তাকে পরবর্তীতে ইমেইল এর মাধ্যমে আমার পণ্য ক্রয় করার জন্য বার বার বিভিন্ন ভাবে ইমেইল করতে পারবো। এবং দেখা যাবে সে একসময় আমার কাছ থেকে পণ্য কিনবে।

👉যদি আমার এই পণ্য সে না কেনে কোনই সমস্যা নেই আমি পরবর্তীতে তাকে অন্য পণ্য অফার কারতে পারবো কারন আমি জানি সে কি সমস্যার মধ্যে আছে। তার সমস্যার সমাধান হয় এমন কিছু আমি তাকে অফার করতে পারবো।

👉আমি এতোক্ষন যেই কথা গুলো বললাম এটাকেই মূলত সেলস ফানেল বলা হয়। বিষয়টি আরো সহজে বোঝানোর জন্য আমি একটি ভিডিও দিয়েছি সেটি দেখুন আশা করি সেলস ফানেল সম্পর্কে আপনার খুব ভালো ধারনা হয়ে যাবে।

👨‍🎤আশা করি সেলস ফানেল এর বেসিক থেকে অ্যাডভান্স অনেক বিষয়ই আপনি এখন জানেন। এবং আশা করবো ফেইল করা লোকেদের মত ডিরেক্ট অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমশন করা থেকে এখন আপনি বিরত থাকবেন এবং নিজের সেলস ফানেল তৈরি করে কাজ শুরু করতে পারবেন।

আনপেইড মার্কেটিং ও গুরুত্তপূর্র টিপসঃপ্রথমেই বলে রাখি আনপেইড মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি স্ট্যান্ডাড ফেসবুক প্...
08/09/2020

আনপেইড মার্কেটিং ও গুরুত্তপূর্র টিপসঃ

প্রথমেই বলে রাখি আনপেইড মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি স্ট্যান্ডাড ফেসবুক প্রোফাইল মেইন্টেইন করতে হবে। আমাদের অনেকেরই একটু ভুল ধারণা আছে বা আমরা সব সময় এটি ভুল করি যে আনপেইড মার্কেটিং সময় আমরা যেন-তেন একটি প্রোফাইল ব্যবহার করি। এটি আপনার জন্য খুব বেশি সুফল বয়ে আনবে না। বরং ভবিষ্যত অনলাইন মার্কেট এর জন্য খারাপ ফলাফল বয়ে আনবে।

এবার আসুন আলোচনা করা যাক কিভাবে পেইড মার্কেটিং এর পাশাপাশি আনপেইড মার্কেটিং আপনার সফলতাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবেঃ

পদক্ষেপ–১
আনপেইড মার্কেটিং এর জন্য স্ট্যান্ডাড একটি ফেসবুক প্রোফাইল মেইন্টেইন করুন। পারসোনাল প্রোফাইল সব থেকে ভাল তবে আপনি যদি পারসোনাল প্রোফাইল ব্যবহার করতে না চান তবে পারসোনাল প্রোফাইলের মত করেই আরেকটি প্রোফাইল তৈরি করে কাজে লেগে যান।

পদক্ষেপ–২
ব্যবসা কেন্দ্রিক ফেসবুক গ্রুপ গুলোর একটি লিস্ট তৈরি করুন। আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপণ এখানে পোষ্ট করুন। মনে রাখবেন একই গ্রউপে বার বার যেন পোষ্ট না করেন। এই জন্য একটা বিরতি দিয়ে পোষ্ট করুন।

পোষ্ট করতে পারেন দুইভাবেঃ পেজ থেকে শেয়ার করতে পারেন অথবা প্রোডাক্ট এর ছবি সরাসরি পোষ্ট করতে পারেন। পেজ থেকে শেয়ার করলে আপনার পেজটাকে সবাই জানবে, সেখান থেকে যে কাস্টোমার আপনি পাবেন তা রেগুলার কাস্টোমারে পরিণত হবে।

তবে অনেক সময় দেখা দেখা প্রডাক্ট এর ছবি সরাসরি পোষ্ট করলে সেল বেশি হয়। পরামর্শ এই যে আপনি দুটি পদ্ধতি অবলম্বণ করবেন।

পদক্ষেপ–৩
আপনার কাস্টোমারদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে রাখুন। একবার একটা পণ্য কিনলেই তার সাথে সম্পর্ক শেষ করে দিবেন না। নতুন ও আর্কষণীয় প্রোডাক্ট আসলে তাকে এস এম এস এর মাধ্যমে জানতে পারেন।

এই ব্যাপারে আপনি বাল্ক এস এম এস ও ব্যবহার করতে পারেন। যেকোন নাম্বারে ৪০ পয়সা বা তার কমেও বাল্ক এস এম এস পেতে পারেন। অথবা নিজেদের মোবাইল নাম্বার থেকেও ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন।

পদক্ষেপ–৪
নতুন কোন কাস্টোমার প্রডাক্ট কেনার সময় মোবাইল নাম্বার দিলে পণ্য পাঠানোর আগে ও পরে তাকে মোবাইলে কল করে জানান। এটাকে বলে হিউম্যান–বিজনেস ইন্টারঅ্যাকশন। আজকের যুগে এই বিষয়টা একেবারেই কমে গেছে। যেটা খুবই জরুরি।

এটা করলে আপনার কয়েক ধরণের লাভ হবে। আপনি জানতে পারবেন কাস্টোমার আসলেই প্রোডাক্টটি নিবে কিনা। আর পরবর্তীতে আপনার প্রতি তার একটি ভাললাগা জন্মাবে।

পদক্ষেপ–৫
বিভিন্ন অকেশনে কাস্টোমারদের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। এতে করে সেই কাস্টোমার আপনাকে বেশিদিন মনে রাখবে।

পদক্ষেপ–৬
পণ্য পাঠানোর পাশাপাশি কাস্টোমারকে ছোট-খাটো গিফট পাঠাতে পারেন । এতে করে তাকে আপনি রেগুলার কাস্টোমার হিসেবেই পাবেন।

পদক্ষেপ–৭
আপনার পেজে নিয়মিত পোষ্ট করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত একটি পোষ্ট যেন থাকে পেজে। এতে করে অর্গানিক রিচ বাড়ে।

আমি জানি আপনাদের হাতে বেশি সময় নাই প্রতিদিন পোষ্ট করার। কোন সমস্যা নাই।ফেসবুকে সিডিউল পোষ্ট অপশন ব্যবহার করে একদিনে আপনি অনেকদিনের জন্য অটো পোষ্ট রেডি করে রাখতে পারবেন।

পদক্ষেপ–৮
আপনি নিজের একটি মার্কেটিং টিম বানাতে পারেন। সেখানে মেম্বার যত বেশি হবে তারা তত গ্রউপে আপনার প্রোডাক্ট পোষ্ট করতে পারবে। এতে আপনার সেল অনেক গুনে বেড়ে যাবে।

পদক্ষেপ–৯
স্ঠিক সময়ে কাস্টোমারের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিন। দেরিতে রিপ্লাই দিলে অধিকাংশ সময়ে আপনি কাস্টোমারটি হারাতে পারেন।

পদক্ষেপ–১০
আপনার পেজ আপনার ব্রান্ড। এটাকে যত ভালভাবে সাজাতে পারবেন আপনার মার্কেট ভ্যালু ততটাই বেড়ে যাবে। মনে রাখবেন আপনার পেজের কাভার ফটো থেকে শুরু করে আপনার পোষ্ট লেখার ধরণ সবটাই ক্লাইট পাওয়া না পাওয়ার জন্য মূল ভুমিকা পালন করে।

পদক্ষেপ–১১
ফেসবুকে লাইভ এখন অনেক জনপ্রিয়। বিভিন্ন গ্রউপের পাশাপাশি নিজের পেজে লাইভে গিয়ে প্রোডাক্ট সেল করার চেষ্টা করুন। সফল হবেন।

👨‍🎤এ সকল কার্যক্রম আপনি AUTOMATION ব্যবহার করে Automatic ভাবে করতে পারেন।

ব্যবসায় সফলতা লাভের যোগ্যতা!একজন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উদ্যোক্তা,যে কিনা অন্যদের চেয়ে অনেক বড় কিছু অর্জন করে,তার নির্দিষ্ট কিছু গু...
07/09/2020

ব্যবসায় সফলতা লাভের যোগ্যতা!

একজন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উদ্যোক্তা,যে কিনা অন্যদের চেয়ে অনেক বড় কিছু অর্জন করে,তার নির্দিষ্ট কিছু গুন আছে যা তাকে আলাদা করে অন্য সবার থেকে।যেসকল উদ্যোক্তারা তার লক্ষ্যের পেছনে লেগে থাকে,শ্রেষ্ঠ উপায় বের করতে চেষ্টা করে,তারা তাদের অর্থনৈতিক উদ্যোগে ব্যাপক সফলতা অর্জন করে।
দশটি আদর্শ আপনাকে সফলতা দেবে ১১০%,ধারাবাহিকভাবে সেগুলো পালন করুন ও আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি যে আগামি ছয় মাসের মধ্যে আপনি আপনার জীবনকে সম্পূর্ণভাবে বদলে ফেলতে পারবেন!

👉উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও উদ্যমঃ
👉নিয়মনিষ্ঠ কর্মনীতি ও উচ্চমানসম্পন্নতাঃ
👉সাহসিকতা ও স্থিতিশীলতাঃ
👉আত্মবিশ্বাসঃ
👉শ্রমিক নেতৃত্বঃ
👉সৃজনশীল মনঃ
👉আপনার নিজের যোগ্যতা/শক্তিমত্তা/গুণ ও আচরণের ধরণের উপর পূর্ণ জ্ঞান থাকাঃ
👉অন্যদের বোঝার ও সাহায্য করার অদম্য ইচ্ছা,নিজের চেয়ে তাদের ইচ্ছাকে বেশি মূল্যায়ন করাঃ
👉অসফলতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলুনঃ
👉বিনিময় প্রদানঃ

মার্কেটিং ব্যবসার সফলতা!👉বর্তমান প্রতিযোগীতার বাজারে ব্যবসায় বানিজ্য আগের থেকে অনেক বেশী কঠিন। যদিও বা তথ্য প্রযুক্তির য...
07/09/2020

মার্কেটিং ব্যবসার সফলতা!

👉বর্তমান প্রতিযোগীতার বাজারে ব্যবসায় বানিজ্য আগের থেকে অনেক বেশী কঠিন। যদিও বা তথ্য প্রযুক্তির যুগে এসে কিছু বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। আর নতুন করে যারা ব্যবসায়ে আসতে চাইছেন তাদের ক্ষেত্রে আগের থেকে অধিক ঝুঁকি বহন করতে হচ্ছে। তবে ব্যবসা বানিজ্যের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে নতুন নতুন সুযোগের দুয়ারও খুলছে প্রতিনিয়ত। সেই সাথে কৌশলগত দিকগুলোতে নিয়মিত একটু নজর দিতে পারলে ব্যবসায়ে সফলতা খুব কঠিন কিছু নয়।

👉পন্য বা সেবা বিক্রয়ের মাধ্যমে কোন একটি ব্যবসায়ের আয় আসে। আর এই আয়কে নিয়মিত করতে সঠিক উপায়ে দক্ষতার সাথে মার্কেটিং করতে হয়। এজন্য কোন একটি প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটি হয় সেলস এন্ড মার্কেটিং। কারন আয়ের উপরেই কোন একটি ব্যবসায়ের ভাগ্য নির্ধারিত হয়। আর আয় না থাকলে সে ব্যবসায়টি মুখ থুবরে পড়তে খুব বেশী সময় লাগে না। সঠিক পন্থায় দক্ষতার সাথে মার্কেটিং পরিচালনা করতে পারলেই আয়ের সঞ্চালন নিয়মিত হয়।

👉আমাদের অধিকাংশ ষ্টার্ট আপগুলো ক্ষতিগ্রস্থ্য হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারন মার্কেটিং। অধিকাংশ ব্যবসায়ের মার্কেটিং বিফল হওয়ার পেছনে অতি সাধারন কিছু কারন আছে। বিষয়গুলো সত্যিই খুব সাধারন যা গুরুত্বসহকারে না দেখার কারনে আমরা সফলতার খুব কাছ থেকে ফিরে আসছি।

⏩টার্গেট কাষ্টমারের পছন্দ অপছন্দ ও চাহিদা চিহ্নিত করতে পারছেন না।
⏩টার্গেট কাষ্টমারের কাছে পৌছানোর জন্য সঠিক পন্থা অবলম্বন করতে পারছেন না।
⏩টার্গেট কাষ্টমারের পেছনে লেগে থাকতে পারছেন না।

👉আপনার পন্য বা সেবার টার্গেট কাষ্টমারকে সঠিক উপায়ে বিশ্লেষন করতে পারলে প্রথম সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। দ্বিতীয় সমস্যার সমাধান আরও সহজ। ব্যবসায়ের ধরন অনুযায়ী আপনাকে কৌশলের প্রয়োগ করতে হবে। আর পরের ব্যাপারটি ফলোআপ। টিন এইজ বয়সের প্রেম আর কি! পছন্দের মানুষের বাড়ির আশেপাশে কিংবা তার আসা যাওয়ার পথে তাকে লক্ষ রাখার মত ব্যাপার!

👉কোন একটি ব্যবসায়ে সফলতা পেতে হলে উদ্যোম বিক্রি করতে হবে আপনাকে। একটা পন্যের ফিচার যতটা না বিক্রয়কে প্রভাবিত করে তার থেকে বেশী আপনার উদ্যোম বিক্রয়কে সহায়তা করে। আর পন্যমান ও যৌক্তিক মুল্য তো অবশ্যই থাকতে হবে। আজকের একজন সন্তুষ্ট ক্রেতা আপনার ব্যবসার জন্য আগামীর সমৃদ্ধি।

👉যারা ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করছেন অবশ্যই আগে থেকে বাজার বিশ্লেষন করুন। যা আপনার ব্যবসায়িক ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে। সেই সাথে প্রতিযোগীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রতিযোগীতা মোকাবেলার কৌশল ও ধরন বুঝতে সহায়তা করবে। আর হ্যা অবশ্যই আপনার ব্যবসায়ের মুল বাজেটের একটি বড় অংশ বাজেট করুন ব্যবসায়ের মার্কেটিংয়ের জন্য।

💖শুভকামনা আপনার ব্যবসায়ের সফলতার পথে💖

📞সেলস কলে সাফল্যের ৬টি টিপস⬇️⬇️⬇️ইমেইল, ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং – এসব হল সংযোগ স্থাপনের বিভিন্ন উপায়। প্রযুক্তি...
06/09/2020

📞সেলস কলে সাফল্যের ৬টি টিপস⬇️⬇️⬇️

ইমেইল, ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং – এসব হল সংযোগ স্থাপনের বিভিন্ন উপায়। প্রযুক্তির ফলে
যোগাযোগের যতই নতুন পন্থা আবিষ্কৃত হোক না কেন, সরাসরি মুখোমুখী যোগাযোগের কিন্তু এখনও
কোন বিকল্প নেই। সেলস কর্মী হিসেবে আপনাকে মাঠে নামতে হবে এবং সামনা-সামনি থেকে কথা
বলতে হবে।
কোন ক্লায়েন্ট প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করতে গেলে শুরুতেই নিজের ব্যবসার ফিরিস্তি দিয়ে না বসাটাই ভাল।
অভ্যর্থনা ডেস্কে যে থাকবে তার কাছে গিয়ে সাহায্য চাওয়ার আদলে তথ্য জানতে চান।
এই তথ্য জানা থেকেই ধীরে ধীরে নতুন ব্যবসার সম্ভাবনা খুলে যেতে পারে। সকল সেলস কল এতটা
সহজ নয়। তবে সেলস কল আপনার বিপণন কৌশলের জন্য যথেষ্ট সহায়ক। যেকোন সেলস কলের
জন্য এই টিপসগুলো মাথায় রাখুনঃ

👉ফ্রন্ট ডেস্কে বসা ব্যক্তিকে উপেক্ষা করবেন না। আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়েও হয়ত সে বেশি জানে বা বেশি প্রভাব রাখে।

👉অভ্যর্থনা ডেস্কে কারো সাথে কথা বলার সময় তার প্রথম নাম ব্যবহার করুন। এটা অনেকেই পছন্দ করে থাকে।

👉রিসেপশনিস্টকে জিজ্ঞেস করুন সে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে কিনা। এতে ইতিবাচক ও অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে আলাপ চালিয়ে নেওয়া যায়।

👉চারপাশে তাকিয়ে দেখুন ভাল করে, যেকোন ছবি, পুরস্কার বা গুরুত্বপূর্ণ অন্য যেকোন কিছু যা তাদের গর্ব তুলে ধরে এবং সেটার ব্যাপারে জানতে চান

👉সম্ভব হলে, প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখার অনুমতি চেয়ে নিন যাতে সবাইকে আর সবকিছুকে আপনি দেখে নিতে পারেন। ঘুরে দেখার সময়েই হয়ত আপনার সামনে কোন সুযোগ এসে ধরা দেবে।

👉আপনার সম্ভাব্য ক্লায়েন্টকে আপনার অন্য ক্লায়েন্টের সাথে পরিচয় করিয়ে দিন যারা একই সেবা নিয়ে কাজ করে থাকে। এতে বিশ্বাস অর্জন করা এবং ভ্যালু যোগ করা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়।

বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল⤵️⤵️⤵️যারা নতুন ব্যবসায় করছেন, তাদের জন্য একটি পণ্য বিক্রয় হওয়া অনেক বড় কিছু, অনেক ক্ষেত্রে তারা ভাবে...
05/09/2020

বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল⤵️⤵️⤵️
যারা নতুন ব্যবসায় করছেন, তাদের জন্য একটি পণ্য বিক্রয় হওয়া অনেক বড় কিছু, অনেক ক্ষেত্রে তারা ভাবেন লাভ এর দরকার নেই, অন্তত বিক্রয় হোক। আর যারা অভিজ্ঞ এবং দক্ষ তাদের জন্য প্রতিটি বিক্রয় যেন এক একটি খেলা, যার মধ্যে তারা আনন্দ খুজে পায়।
অভিজ্ঞ এবং দক্ষ মার্কেটাররা যখনি তাদের পণ্য বা সার্ভিস এর মার্কেটিং করে তারা কিছু নির্দিষ্ট কার্যকরী নিয়ম প্রয়োগ করে, যা নতুনরা আয়ত্ত না করা পর্যন্ত সফলতা পায় না। আপনি যদি নতুন মার্কেটার হয়ে থাকেন বা অনেক দিন যাবত কাজ করছেন কিন্তু সফলতা পাচ্ছেন না, তাদের জন্য কিছু কৌশলঃ

১. সঠিক উত্তর জেনে নিনঃ
২. ক্রেতার প্রয়োজনকে বিক্রয় করুনঃ
৩. স্মার্ট মূল্য নির্ধারন করুনঃ
৪. ৩টি ম্যাজিক পদক্ষেপ গ্রহন করুনঃ
৫. এটিটিউট পরিবর্তন করুনঃ
৬. কাস্টমারকে শেয়ার করতে বলেনঃ
৭. সম্পর্ক তৈরি করুনঃ
৮. কর্মীদের পরিপূর্নভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করুনঃ

👨‍🎤সফলতার অন্যতম সিক্রেট লুকিয়ে আছে এই সেলস ফানেলে- তাহলে আসুন জেনে নেই সেলস ফানেল কি?⤵️⤵️⤵️⏩যখন যেকোন বিষয়ে মার্কেটিংয়ে...
05/09/2020

👨‍🎤সফলতার অন্যতম সিক্রেট লুকিয়ে আছে এই সেলস ফানেলে- তাহলে আসুন জেনে নেই সেলস ফানেল কি?⤵️⤵️⤵️

⏩যখন যেকোন বিষয়ে মার্কেটিংয়ের পরিকল্পনা শুরু করবেন, তখন ১ম পরিকল্পনা করবেন কিভাবে সেলস ফানেলটি তৈরি করবেন। বিশেষ করে যে মার্কেটিংয়ে সেল বিষয়টি যুক্ত রয়েছে, যেমন: কোন প্রতিষ্ঠানের কোন সার্ভিস সেল করবেন, কিংবা অ্যাফিলিয়েশনের জন্য মার্কেটিং পরিকল্পনা সাজিয়েছেন, কিংবা ইকমার্স বিজনেস করছেন, মার্কেটিং পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই সেলস ফানেল সাজিয়ে নিবেন। না হলে মার্কেটিং হবে, প্রোডাক্ট সেল হবেনা। সেল হলেও একটা পযায়ে সেল বন্ধ হয়ে যাবে।
এমনকি ব্লগের ট্রাফিক, ভিডিওতে ট্রাফিক আনার জন্য , রিয়েল লাইফের অনেক কিছুতেও (শিক্ষক হিসেবে ছাত্রের সমীহ আদায়, বস হিসেবে স্টাফের সমীহ আদায়, কিংবা প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে সফল হতে হলেও) সেলস ফানেলের সূত্র মাথাতে রাখতে হবে।

⏩একটা রিয়েল লাইফ উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। বাসার পানির ট্যাংকি সবাই চিনেন। সেখানে মোটর দিয়ে ট্যাংকিতে পানি তুলছেন। পানিটা তুলছেন, মাটির নিচ থেকে কিংবা হয়ত ওয়াশার পানির পাইপ থেকে। এ পানি এসে জমছে ট্যাংকিতে। সেই পানি প্রতিটা ঘরের কল দিয়ে বের হচ্ছে বা পড়ছে। এ পুরো সিস্টেমটি হচ্ছে সেলস ফানেল। যদি ট্যাংকিতে পানি তোলা না হতো, একসময় সব পানি শেষ হয়ে যেত। তাই একদিক দিয়ে সম্ভাব্য পানির বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে টেনে ট্যাংকিতে পানি ভরা হচ্ছে। যাকে মার্কেটিংয়ের ভাষাতে লিড বলি। সেই লিডগুলো ট্যাংকিতে স্টোর করা হয়েছে। এবার লিডগুলোকে প্রয়োজনের সময় সেলে কনর্ভাট করেছি, যা ঘরের কল দিয়ে বের হয়েছে।

⏩যেকোন কিছুর মার্কেটিং প্লান করলে, সম্ভাব্য লিডগুলোকে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বিভিন্ন উপায়ে কালেক্ট করে, নিজের কন্ট্রোলে কোন জায়গাতে স্টোর করতে হয়। তারপর সেগুলোকে নার্সিং করতে হয়। এগুলো নার্সিং করার কারনে সেগুলো সেলে কনর্ভাট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবার যখন নিজের প্রোডাক্টকে তাদের কাছে বিক্রির জন্য উপস্থাপন করা হয়, তখন সেটা বিক্রির সম্ভাবনাটা বেড়ে যায়। এ পুরো প্রক্রিয়াটাকে প্লান মাফিক সাজানোকেই সেলস ফানেল বলে।

বুস্টিং করে সেল কমাচ্ছেন কেন ?👉ফানেল একটি ইংরেজি শব্দ। এই শব্দ দিয়ে যে জিনিসকে বুঝানো হয় টা হল আমরা যখন একটি বোতলে তেল ঢ...
05/09/2020

বুস্টিং করে সেল কমাচ্ছেন কেন ?

👉ফানেল একটি ইংরেজি শব্দ। এই শব্দ দিয়ে যে জিনিসকে বুঝানো হয় টা হল আমরা যখন একটি বোতলে তেল ঢালি তখন একটি বন্তু ব্যবহার করি যা দ্বারা তেল পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। নিচে ফটোতে দেখা যাচ্ছে।

👉আপনি একটি অ্যাড ৫ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে দিলেন কিন্তু এই ৫ লক্ষ মানুষের থেকে মাত্র বিক্রি হল ১০০টি তাহলে বাকি যারা আগ্রহী ছিলো কিন্তু এক দেখাতেই ডিসিশন নিতে পারেনি তাই কিনে নি – তাদের কিভাবে আবার ডিসিশন নিতে সাহায্য করা যায়।
সেই প্রসেসকেই বলা হয় ফানেল। সভ্য ভাষায় কোল্ড বায়ার কে হট করে সেল কনফার্ম করা।

👉আগে বুঝি আমরা কি কি করছি? আমরা পেজে একটা পোষ্ট করি তারপর সেই পোষ্টকে বুস্ট করি যাতে ৫০হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। তারপর সেখান থেকে কিছু সেল আসে। সেল আসলে আমরা খুশি হই আর না আসলে বলি বুস্ট কাজ করে না।
একটু চিন্তা করুন এই বুস্ট শেষে আপনি কি কি পেয়েছেন? শুধু কয়েকটা লাইক আর অল্প কিছু সেল – আহ। হইতো আমার জানাও নাই আমি কত কিছু মিস করেছি।

১ ) ফানেল করলে আমি ডাটা পেতাম সেই ডাটা দিয়ে যা ইনস্ট্যান্ট ক্রয় করে নি তাদের আবার রিটার্গেট করতে পারতাম।
২) ফলোআপ দেয়া হতে বঞ্চিত হলাম।
৩) অনেক সেল থেকে পিছিয়ে পরলাম।
৪) ডাটা ছাড়া কি সারা জীবন এই বুস্ট করে যাবেন?
৫) আপনার কাছে যদি ২০০০০ পটেনশিয়াল বায়ার থাকে তাদের ইচ্ছে করলেই যদি ম্যাসেজ করে আপডেট দিতে পারেন তাহলে কি বুস্ট করে ডলার নষ্টের দরকার আছে?

তাহলে হইতো এখন বুঝে আসছে ফানেল কেন জরুরী – ফানেল অনেক ভাবেই করা যা।
যে কোন প্রয়োজনে আমাদেরকে ফোন করতে পারেন
মোবাইল নং ০১৭৯৭-২৫১০৫০

👨‍🎤ডিজিটাল মার্কেটিং করে ব্যবসা করুন দ্বিগুণ লাভে✌️✌️✌️👉অনেক আগে হয়ত আমরা দেখতাম যে বিভিন্ন কম্পানি তাদের মার্কেটিং এর ...
04/09/2020

👨‍🎤ডিজিটাল মার্কেটিং করে ব্যবসা করুন দ্বিগুণ লাভে✌️✌️✌️

👉অনেক আগে হয়ত আমরা দেখতাম যে বিভিন্ন কম্পানি তাদের মার্কেটিং এর কাজ খুব সাধারণ ভাবে করত যেমন হয়ত তাদের কম্পানির কিছু কর্মী বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন মানুষকে বুজাতো তাদের পণ্যটি কেনার জন্য। অথবা বিভিন্ন গলিতে গলিতে মাইকিং করা হতো। যেটা খুবই ব্যয়বহুল একটি মধ্যম এবং এর কার্যকারীতাও খুবই কম। আর এই উপায়ে খুব বেশি মানুষের কাছে পৌছানোও যায় না।

👉বর্তমানে অবশ্য এইসব খুব একটা দেখা যায় না কারণ এখন মানুষ টেলিভিশন রেডিও তে মুটামুটি ভালোই সময় ব্যয় করে তাই অনেক কম্পানি এখন এইসব জায়গায় তাদের কম্পানির বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু করেছে যদিও এটা আগের উপায়টির চেয়ে বেশি কার্যকর কিন্তু তারপরও এটার খরচ ও এর উপকারিতা আসলেই বেশির ভাগ কম্পানিরই আশানুরুপ সেল নিয়ে আসতে পারে না। কারণ বেশিরভাগ মানুষই এই বিজ্ঞাপনগুলোকে এড়িয়ে চলে এর ফলে তাদের খুব একটা লাভ হয় না ।

👉ডিজিটাল উপায় বলতে ডিজিটাল মিডিয়া যেমন বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়া হতে পারে । এখন বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়াতে কিন্তু প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম থাকে। এইসব সোসিয়াল মিডিয়াগুলোতে যদি আপনি একটি পেজ বা গ্রুপ বিল্ডআপ করতে পারেন, এবং নিয়মিত আপডেট থাকার মাধ্যমে আপনার পেজ বা গ্রুপের মেমবারদের কে সচল রাখতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার কোন প্রকার খরচ ছাড়া ডিজিটাল উপায়ে আপনার কম্পানির পচারণা কাজ চালাতে পারবেন যেটা খুবই কার্যকরী এবং আগের গুলোর তুলনায় খরচ প্রায় নেই বললেই চলে।

প্রতিযোগীর ধরণ বুঝে মার্কেটিং কিভাবে করবেন জেনে নিন!:     ⬇️⬇️⬇️👉ব্যবসা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন কিন্তু জানেন না আপনার ...
04/09/2020

প্রতিযোগীর ধরণ বুঝে মার্কেটিং কিভাবে করবেন জেনে নিন!: ⬇️⬇️⬇️

👉ব্যবসা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন কিন্তু জানেন না আপনার জন্য মার্কেট থেকে তাড়াতে কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছে। আবার অনেকেই ব্যবসায় পরিচালনা করছেন কিন্তু প্রতিযোগীদের কৌশলের কাছে কোন ভাবেই ব্যবসায়কে এগিয়ে রাখতে পারছেন না। আপনি সহজ ও সরল ভাবে ব্যবসায় করতে মার্কেটে আসছেন। আর আপনার প্রতিযোগী সেই মার্কেটের দখল নিয়ে অলরেডী ব্যবসা করছে।

👉একটা কথা আছে অবস্থান কেউ কাউকে করে দেয় না। নিজের অবস্থান নিজেকেই নির্ধারন করে নিতে হয়। প্রতিযোগীর কাছ সহযোগীতার আশা করা বৃথা হবে। আপনার প্রতিযোগীকে অনুসরন না করে কৌশলে বাজার অংশ দখল করতে পারাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আর আপনাকে এজন্য বাজারে থাকা আপনার পন্যের প্রতিযোগী বিশ্লেষন করতে হবে খুব সুক্ষ দৃষ্টিতে।

👉বাজারে আপনি যে সকল পন্য বিক্রি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন একই পন্য আগে থেকে অনেকেই বাজারজাত করছে। আপনার থেকে তার অভিজ্ঞ। সে ক্ষেত্রে আপনার পন্যটির অবস্থান খুব সুদৃঢ় হতে হবে। না হলে মার্কেটে প্রবেশের কিছু দিনের মধ্যে আপনাকে বিদায়ের ঘন্টা বাজাতে হবে।

👉একটি বাজারে বেশ কিছু প্রতিযোগী পাবেন। যাদের একটি পক্ষ বাজারের খুব বড় অংশ দখল করে নিয়ে মার্কেট লিডার হিসেবে বাজারে অবস্থান করছে। তারই খুব কাছাকাছি কোন কোম্পানী বাজারের সেই বড় অংশ দখলকারী মার্কেট লিডারকে পেছনে ফেলার জন্য প্রতিনিয়ত ধাওয়া করছে। সেই সাথে বাজারে আরও কিছু ছোট ছোট কোম্পানীর দেখা পাবেন যারা নীরবে তাদেরকে দেখছে। তাদের কৌশলগুলো পর্যবেক্ষন করছে। সেই সাথে নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে বাজারে নিজের অবস্থানকে শক্ত করছে।

👉বাজারে প্রবেশ ও আপনার পন্যের বাজার অবস্থান তৈরীর জন্য মার্কেটে প্রবেশের আগে-পরে বাজার ও প্রতিযোগী বিশ্লেষনের ‍কাজ করতে হবে। আপনি যদি চিন্তা করেন বাজারে দশ বা পনেরটি পন্য বাজারজাত করবেন দেশ ব্যাপী তবে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে সবকটি পন্যই সব স্থানে সব সপরিমান বাজার অংশ দখল করতে পারবে না। কোন কোন স্থানে এমন হবে যে আপনার কোন একটি পন্য নুন্যতম বিক্রয় নাও হতে পারে। আবার অন্য কোন স্থানে সেই পণ্যেরই ব্যাপক চাহিদা পেয়ে যেতে পারেন।

👉আপনার প্রতিযোগী আপনার সমজাতীয় পন্য কি দামে বিক্রয় করছে? বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিলার অথবা ক্রেতাকে কি কি অফার প্রদান করছে? কোন একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করছে? বিক্রয় পরবর্তী সেবার মান কেমন? ক্রেতা কেন তার পন্যটি বাজারে এসে খুজছে? ক্রেতা কেন সন্তুষ্ট আপনার প্রতিযোগীর পন্যটি ব্যবহার করে? আপনার প্রতিযোগীর পন্য ও আপনার পন্যের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? ক্রেতা যা চায় তা কি আপনার পণ্যে আছে? খুঁজুন প্রশ্নগুলোর উত্তর।

👉মার্কেট থেকে প্রাপ্ত সঠিক উত্তরের বিশ্লেষন করুন এবং সেই হিসেবে আপনার সামর্থ্য বিবেচনা করে কৌশল নির্ধারন করুন। কৌশল নির্ধারনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় সব সময় মাথায় রাখবেন। আপনি অন্যের কৌশল কপি বা অনুকরন করবেন না। নিজেই কৌশল উদ্ভাবন করবেন। অন্যদের কৌশল বিচার বিবেচনা করে আপনি ধারনা নিতে পারেন।

👉বাজারে প্রবেশের নির্ধারিত কৌশল ধরে রাখুন। এক ধাপে নয় কয়েক ধাপে পরিকল্পনা করুন। একটি স্থায়ী পরিকল্পনার সাথে সাথে কয়েকটি অস্থায়ী পরিকল্পনা করে রাখুন। সততার সাথে সুনাম অর্জনের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করুন। আপনার পন্যকে ব্রান্ডে পরিনত করতে খুব বেশী সময় লাগবে না।

Address

Mirpur/13
Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vision7day -Marketing Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share