অপরাধনামা

অপরাধনামা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অপরাধনামা, Internet Marketing Service, Munshiganj.

প্রায়শই দেখা যায়, কোনো নতুন পুকুর বা পাহাড়ের চূড়ায় থাকা বিচ্ছিন্ন হ্রদে হঠাৎ করেই মাছের আনাগোনা শুরু হয়েছে, যদিও সেখানে ...
21/11/2025

প্রায়শই দেখা যায়, কোনো নতুন পুকুর বা পাহাড়ের চূড়ায় থাকা বিচ্ছিন্ন হ্রদে হঠাৎ করেই মাছের আনাগোনা শুরু হয়েছে, যদিও সেখানে মাছ পৌঁছানোর কোনো সরাসরি পথ নেই। কীভাবে এটি সম্ভব হয়? বহু বছর ধরে এই রহস্য জীববিজ্ঞানীদের কৌতূহল জাগিয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণা এই ধাঁধার একটি চমকপ্রদ উত্তর খুঁজে পেয়েছে: এর পেছনে রয়েছে হাঁসের, বিশেষ করে মল্লার্ড হাঁসের হজমশক্তির এক অসাধারণ ক্ষমতা।
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘকাল ধরে অনুমান করে আসছিলেন যে, পাখি বা অন্যান্য প্রাণী জলাশয় থেকে জলাশয়ে মাছের ডিম বহন করতে পারে। তবে, এটি কীভাবে ঘটে, তা নিয়ে বিস্তারিত প্রমাণ ছিল সীমিত। ২০১৯ সালে 'প্রসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস (PNAS)' জার্নালে প্রকাশিত একটি যুগান্তকারী গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এই ঘটনার প্রত্যক্ষ প্রমাণ উপস্থাপন করেন। তারা দেখেন, কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছের ডিম মল্লার্ড হাঁসের হজম প্রক্রিয়াতেও অক্ষত থাকতে সক্ষম।
গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, যখন মল্লার্ড হাঁস কিছু প্রজাতির মাছের ডিম (যেমন - কার্প বা ক্রুসিয়ান কার্পের ডিম) খেয়ে ফেলে, তখন সেই ডিমগুলির একটি অংশ তাদের হজমতন্ত্রের কঠোর পরিবেশ (অ্যাসিড এবং হজমকারী এনজাইম) এবং যান্ত্রিক চাপ সহ্য করে টিকে থাকতে পারে। ডিমগুলোর এই প্রতিরোধী ক্ষমতা এমন যে, হজম প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও সেগুলো অক্ষত অবস্থায় মলের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে আসে।
যখন হাঁস এক জলাশয় থেকে অন্য জলাশয়ে উড়ে যায় এবং সেখানে মলত্যাগ করে, তখন যদি সেই মল জলের কাছাকাছি বা সরাসরি জলে পতিত হয়, তবে অক্ষত মাছের ডিমগুলো উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে ফুটে ওঠে এবং সেখান থেকে নতুন মাছের জন্ম হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিচ্ছিন্ন পুকুর বা হ্রদে নতুন মাছের প্রজাতি বসতি স্থাপন করতে পারে, যা আগে ব্যাখ্যা করা কঠিন ছিল।
এই আবিষ্কার শুধু বিচ্ছিন্ন জলাশয়ে মাছের আবির্ভাবের রহস্যই উন্মোচন করেনি, বরং এটি বাস্তুতন্ত্রে (ecosystem) প্রজাতির বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াকেও তুলে ধরেছে। এটি দেখায় যে, পাখি কীভাবে বিভিন্ন প্রজাতির জলজ জীবের বিস্তারে অপ্রত্যাশিতভাবে বড় ভূমিকা পালন করে। এই গবেষণা প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের জটিল আন্তঃসম্পর্ক এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এর গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে আরও প্রসারিত করেছে।

https://www.facebook.com/share/p/1AMTXRA2GY/
12/11/2025

https://www.facebook.com/share/p/1AMTXRA2GY/

একজন গে সুইসাইড করেছে। এটার Case Study করে কিছু লিখবো তাই ওর আইডি সার্চ দিতে গিয়ে পেলাম ময়মনসিংহর স*মকা* কমিউনিটির বড় একটি গ্রুপ।

সুইসাইড করা ছেলেটি ঐ জেলা এবং গ্রুপের সদস্য। প্রতিটি জেলার নামেই গ্রুপ রয়েছে। তাই এখন যা লিখবো, ময়মনসিংহের ভাইয়েরা ট্রিগার্ড হবেন না। তবে এত বড় অন্য জেলার কমিউনিটি আমার চোখে পূর্বে পড়েনি।

একজন লিখেছে - 'ময়মনসিংহে কার কোথায় বাসা?'

কমেন্টস: সদর থেকে বোটম আছি, ত্রিশাল টপ আছি, ভালুকা বোটম... এভাবে শম্ভুগঞ্জ, ইশ্বরগঞ্জ, তিনকোনা পুকুর পাড়, ব্রাহ্মপল্লী, কাচিঝুলি, হালুয়াঘাট, বগারবাজার, তারাকান্দা, চরখরিচা, সেনবাড়ি, একুয়ামাদ্রাসা কোয়াটার, রেলক্রসিং, নান্দাইল, পুলিশ লাইন ইত্যাদি!

সব লিখে শেষ করতে পারিনি। মানে একদম প্রতিটি উপজেলা এবং ইউনিয়নেরই কেউ না কেউ আছে।

এখন কিছু পোস্টের উদাহারণ দিচ্ছি:

'ত্রিশালে ৭দিনের জন্য মেস খালি আছে। বোটম কেউ আছো?'

'ভালুকায় ১৬+ বোটম আমি। টপ কেউ আছো?'

'আমার সিনিয়র পছন্দ। ২৫+ কেউ আছো? আমি বোটম, বয়স ১৪।

'বাসায় তিনদিনের জন্য থাকবে না। ত্রিশালে বোটম কেউ আছো?'

'পলিটেকনিক্যালের বটম কেউ আছো?'

'মেডিক্যালের টপ কেউ আছো?'

'আগামীকাল ময়মনসিংহ বেড়াতে আসবো। অমুক হোটেলে একরাত থাকার মতো কেউ কী আছো?'

'ভাঙ্গামারীতে উঁচা লম্বা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাউকে চাচ্ছি।'

'আমার মোটা বটম পছন্দ। গৌরীপুরের কেউ কী আছো?

'আমি বোটম, স্লিম। '** ভালো করতে পারি' বটম। সময় কাটানোর মতো কেউ কী আছো?'

একজন তো অভিমান করে লিখেছে - '৩৫+ বয়স্ক শিক্ষিত স্মার্ট লোকের বড্ড অভাব এই গ্রুপে। বিদায় নিবো?

তাকে বিদায় নিতে হয়নি। তাঁর বয়সী মানুষ। আবার ৪৫+ মানুষও পাওয়া গিয়েছে।

যাইহোক, নিজেদের বয়স, চাহিদা অনুযায়ী এমন অগণিত পোস্ট। তারা এভাবেই ম্যাচমেকিং করছে।

এখানে একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে -
হিন্দু মুসলিম ভেদাভেদ নেই। সবাই খুঁজছে। মহিলা ছাড়া তাদের, পুরুষ মানুষ হলেই চলবে।

এর মধ্যে একজন লিখেছে -
'গ্রুপে সবাই শুধু খাওয়ার ধান্ধা করে। কেউ রিয়েল লাইফ পার্টনার হতে চায় না। আমি এমন একজনকে চাই। যে আমার পাশে আমৃত্যু থাকবে। সংসার গড়বে।'

আমি শুধু এদের মানসিক অবস্থার কথা ভাবছি। পেশায় ছাত্র, শিক্ষক, কর্মজীবি, মেডিক্যাল পড়ুয়া কিংবা যেকোন পরিচয়ের...

কতটা সেক্সুয়ালি ফ্রাস্টেটেড এদের জীবন। চেনা পরিচয় নেই। কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক নেই। সেক্স করতে ইচ্ছে হলো - কাইন্ড অফ টপ বোটম অনুযায়ী নিজে প*তা, প*তাকে খুঁজে শারীরিক সম্পর্ক করে ফেললো। বাসায়, হোটেলে, মেসে গিয়ে হাজির।

বাংলাদেশে এই স*মকা* কমিউনিটির বেশ কিছু ভয়ঙ্কর মার্ডার হয়েছে।

একটি কেস এমন ছিলো -
দক্ষিণখানের একজন ফেসবুক গ্রুপে এরকম শারীরিক সম্পর্ক করতে সমকামী খুঁজেছিলো। গাজীপুরের একজনের সাথে দেখা করতে গিয়ে অপহরণ, মুক্তিপন অতঃপর হত্যা।

আরেকটি কেস -
দুই বছরের সম্পর্ক। জোরপূর্বক বাসায় এসে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে নিষেধ করে। তখন তাকে ব্লাকমেইল করে। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার। তখন মান সম্মান বাঁচাতে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হতা করে।

আরেকটি কেস -
এক লোক সমকামি কিন্তু সমকামী নয় এমন একজনের সাথে জোরপূর্বক সম্পর্ক করে। ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করত। একদিন সেই লোক তাঁর আরেক বন্ধুকে সাথে নিয়ে হত্যা করে।

বাংলাদেশের এক ছাত্রকে সমকামীতায় ব্যর্থ হয়ে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে এক আলজেরিয়ান নাগরিক।

ইত্যাদি সমকামী দ্বারা খুন কিংবা সমকামীই যেখানে ভিক্টিম এমন অনেক মার্ডার কেসের ঘটনাই ঘটেছে এই দেশে।

বাংলাদেশে কিছু সমকামী ছেলে মেকআপ আর্টিস্ট আছে। স্ট্রেইট মানুষও এতটা অশ্লীল নয়, যতটা এরা। এদের আইডিতে ছবি দিয়ে পোস্ট কিংবা স্টোরিতে নিজেদের নগ্ন ছবি দিয়ে মানুষকে জানান দিচ্ছে। আমার সাথে রাত কাটাও। জীবনে সেগস বাদে আর কিছু হয়তো নেই।

বাংলাদেশে স*মকা* আইনত দণ্ডনীয়। তারপরেও স*মকা* হচ্ছে শত বছর পূর্বেও হতো। তবে কম। এখনও প্রচুর হচ্ছে। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। তাদের নিজস্ব কমিউনিটি রয়েছে। সহজেই পার্টনার খুঁজে নিচ্ছে। কিন্তু নির্দিষ্ট একজনকে নিয়ে এদের জীবন নয়। যখন যাকে পাচ্ছে। তাকেই খাচ্ছে।

অন্যদিকে ছেলে ছেলে স*মকা* করলে আপনি ধরা এত সহজ নয়। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সব জায়গাতেই এরা রয়েছে। শুধু টপ বোটম হলেই হলো। এদের নেই কোন ধর্মীয়, দেশের আইনের রেস্ট্রিকশন কিংবা প্রপার সেক্স এডুকেশন।

এতকিছু লেখার কারণ হচ্ছে -

দুই সপ্তাহ আগে সিরাজগঞ্জে ২৫৫ জন এইডস রোগী সনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৬ জন মারা গিয়েছে।

গতকাল রাজশাহীরও এইডস রোগীর সংখ্যা প্রকাশ করলো।

রাজশাহীতে ২০২৪ সালে ২৭জন এইডস রোগীর মধ্যে ২৪জন ছিলো স*মকা*।

২০২৫ সালে ২৮ জনের মধ্যে ১৭ জনই স*মকা*। স*মকা* মাধ্যমে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

ব্যাপারটা কতটা এলার্মিং তা এই আক্রান্তের হারের অনুপাতটা খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন!

অনেক আগে লেখার উদ্দেশ্যে এসব ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে সাভারের এক শেফের সন্ধান পেয়েছিলাম। যে নিজেকে বোটম বা মেয়ে হিসেবে গোপনে পরিচয় দিত। সে ছিল স*মকা*। সার্জারি করে মেয়ে হতে চেয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিয়ে করে বাচ্চাও হয়েছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি বিয়ে করেছেন। বাচ্চাও হওয়ালেন। কিন্তু কেন? আপনি না মেয়ে?

তাঁর উত্তর ছিলো! সমাজের জন্য। কিন্তু এখনও সে স*মকা*। তো, এই ব্যক্তি হচ্ছে বাই সেক্সুয়াল!

ক্ষতির কথা যদি ভাবেন, তাহলে অন্যান্য গের চেয়ে বাই সেক্সুয়াল এরা বেশী ক্ষতিকর! এরা ভান ধরে থাকে স্ট্রেইটের। কিন্তু সে এইডসে আক্রান্ত হলে - তাঁর ঐ স্ত্রীও আক্রান্ত হবে। সেই স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুও হবে। যদি না এইডসের ব্যাপারে স্ত্রী আগে থেকে জানেন এবং প্রোপার চিকিৎসা না নেয়।

বিয়ের ক্ষেত্রে পার্টনারের রক্ত পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যতই প্রেম-ভালোবাসা, বিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি থাকুক না কেন!

এইডস আক্রান্তদেরকে ঘৃণা করে দূরেও সরিয়ে রাখা যাবে না। তবে যারা গোপনে এই রোগ পুষছে এবং সবার মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব সাইকোদের কীভাবে থামাবেন?

(লেখাটা গত ঈদে লিখেছিলাম কিন্তু প্রকাশ করা হয়নি। রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের আক্রান্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর লিখলাম)

সরকার এইডসের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ওষুধসহ সব ধরনের সেবা দিচ্ছে। মানসিক চিকিৎসার জন্য কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করছে। নিয়মিত ওষুধ সেবনের ফলে আক্রান্ত হলেও সুস্থ থাকা সম্ভব।

কিন্তু আক্রান্তের হার কমানোর জন্য যার টুনটুন আর গোআ। এরা সচেতন না হলে কমানো সম্ভব নয়।

লেখা: অন্তর মাশঊদ

06/11/2025
05/11/2025

শহর থেকে একটু বাইরে আপনি যদি সনোলজিষ্ট(আল্ট্রাসাউন্ড) হিসাবে কাজ করতে যান আপনাকে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। প্রথম প্রথম খুব খারাপ লাগত।কিন্তু এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। কত আজগুবি কথা যে আপনাকে শুনতে হবে তার কোনো লাইসেন্স নাই।সেই আজগুবি কথার দিকে না গিয়ে একটা অদ্ভুত কিন্তু মজার ঘটনা শেয়ার করি–

দুই বান্ধবী আসছে আমার চেম্বারে।দুজনেরই বয়স ২০ বা ২১ বছরের মধ্যে।ধরা যাক, একজনের নাম "X"
আরেক জনের নাম "Y"!
X হচ্ছে আমার রোগী। Y তাকে নিয়ে এসেছে। দুজনেই আানম্যারিড।

কমপ্লেইন হল–তলপেটে ব্যথা..জ্বর জ্বর লাগে..রুচি নাই..শরীর দুর্বল..! মাথাও চক্কর দেয় মাঝে মাঝে।

পিরিয়ডের হিস্ট্রি নিলাম। সে ঠিকমত বলতেই পারলো না।

যেহেতু অবিবাহিতা সেহেতু সরাসরি কিছু জিজ্ঞেস করাও অশোভন।একটা আল্ট্রাসাউন্ড আর একটা প্রসাব পরীক্ষা দিলাম।
আল্ট্রাসাউন্ডে দেখি ৩ মাসের প্রেগন্যান্ট। অবাক হইনি।কারণ এটা আমাদের জন্য নতুন কিছু না। সব সনোলজিষ্টই এমন ঘটনা অহরহ ফেস করেন।
মেয়েটি যতটুকু নাটক করা দরকার সব করল । কিভাবে কি হলো সে জানেই না ।

এতেও অবাক হইনি । অনেকের বাতাসেই পেটে বাচ্চা আসে এ ঘটনাও আমরা জানি । এসব ক্ষেত্রে আমি একদম নিশ্চুপ থাকি।আমার ডায়াগনোসিস বলে আমি চুপ । যত বড় পূর্ণদৈর্ঘ‍্য বাংলা ছায়াছবিই হোক আমি চুপ তো চুপ ।

যাহোক, একটা আানম্যারিড মেয়ে প্রেগন্যান্ট এটা কিন্তু মূল বিষয় না ।

মূল বিষয়ে আসি এবার -
বাচ্চা যেভাবেই আসুক(বাতাসে,স্বপ্নে,আগুনে, অথবা পানিতে ভেসে ভেসে) যেহেতু মেয়েটি আনম্যারিড সেহেতু সে বাচ্চা রাখবে না ।
আমি যেহেতু টারমিনেশন করি না এবং এ রিলেটেড অ্যাডভাইসও দেই না সেজন্য আমি পেশেন্টকে ছেড়ে দিছি ।
কিন্তু পেশেন্ট এম আর (বাচ্চা নষ্ট করার পদ্ধতি )এখানেই করবে । রীতিমত হাতে পায়ে ধরাধরি । কান্নাকাটি । ম্যাডাম কি হবে আমার ? আমাকে বাচাঁন ।
পরে পেশেন্টকে বুঝিয়ে কাউন্টারে পাঠাইছি ।
কাউন্টার আর আমার চেম্বার পাশাপাশি। উপরে খোলা। মাঝখানে থাইগ্লাস দিয়ে পার্টিশন করা। কথা বার্তা সব শোনা যায়।
যেহেতু কৃমিনাল অ্যাবরশন,হসপিটাল কর্তৃপক্ষও মুখিয়ে থাকে। টাকার পরিমাণ নিয়ে দর কষাকষি হচ্ছিলো।
টাকার পরিমাণ শুনে রোগীর বান্ধবী উত্তেজিত হয়ে উচ্চস্বরে বলে উঠল–"এখানে এত বেশি চান কেন ? আমি গতমাসে করাইছি ৩০০০ টাকা দিয়ে !

কি বুঝলেন ? না বুঝলে জাতীয় ওষুধ নাপা খান!

— লেখা : ডা. ফাহমিদা মাহবুবা।

28/10/2025

আমি মুরাদনগরের জনতা ব্যাঙ্কের ম্যনেজার।
রুমের কাচের দেওয়াল থেকে লক্ষ্য করলাম এক
বৃদ্ধ লাঠি ভর দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে যাচ্ছেন।
দৌড়ে বের হয়ে জিজ্ঞাসা করলামঃ স্যার, কোন সমস্যা?

বৃদ্ধঃ দেখুন ম্যানেজার সাহেব আমার ছেলে আট বছর
যাবৎ প্রতিমাসে এক তারিখে টাকা পাঠায়। ক্যাশিয়ার
বলছে ছেলে কোন টাকা পাঠায় নাই। ক্যাশিয়ার আমার
সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করেছে।

বাবার বয়সী মানুষটাকে ধরে ধরে আমার রুমে বসিয়ে
একটি ন্যাপকিন হাতে দিয়ে বললামঃ স্যার আমি দেখছি।

পিয়োনকে বললামঃ স্যারের জন্য চা নাস্তার ব্যবস্থা করো।

ক্যাশিয়ারকে জিজ্ঞাসাঃ কিসলু, ভদ্রলোকের কি হয়েছে?

ক্যাশিয়ারঃ স্যার, উনার ছেলে এ মাসে টাকা পাঠায় নাই।
তিন দিন যাবৎ আমাকে বির'ক্ত করেছে।

আমিঃ উনার ছেলের নাম কন্টাক্ট নাম্বার আছে?

ছেলেটিকে ফোন করলাম।

ছেলেঃ হ্যালো কে বলছেন?

আমিঃ আমি মুরাদ নগরের জনতা ব্যাঙ্কের ম্যানেজার
বলছিলাম। আপনার বাবা আমার রুমে বসে আছেন।

ছেলেঃ আসসালামালাইকুম স্যার, দুঃক্ষিত চাকরীটা চলে
গিয়েছিলো তাই বাবাকে এ মাসের টাকা পাঠাতে পারি নি।
ভালো চাকরী পেয়েছি। আগামী মাস থেকে পাঠাবো।
বাবার মোবাইল নেই তাই জানাতে পারি নি।

আমিঃ স্যার খরচ বাচানোর জন্য মোবাইল নেন নি।
কোন অসুবিধা নেই। এই মাস আমি ব্যাবস্থা করছি।
স্যারেকে খবর দিতে হলে এই নম্বরে কল দিয়েন। রাখি।

ছেলেঃ স্যার, অনেক অনেক ধন্যবাদ। আগামী মাসে
আপনার টাকাটাও পাঠিয়ে দেবো।

ক্যাশিয়ারকে আমার ডেবিট কার্ড দিয়ে বললাম, আমার
একাউন্ট থেকে পাঁচ হাজার টাকা স্যারের একাউন্টে
জমা দিয়ে দাও।

ক্যাশিয়ারের পিঠে হাত দিয়ে বললামঃ উনার কাছে ক্ষমা
চেয়ে নিয়ে। বৃদ্ধ মানুষের একটু Egoএর সমস্যা থাকে।

বৃদ্ধ মানুষটিকে বললামঃ স্যার, I am sorry, আপনার ছেলে
এক তারিখেই পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। আমাদের
কম্পিউটারে আপডেট হয় নি। ক্যাশিয়ারে কাছ থেকে টাকা
তুলে নিন। আর ক্যাশিয়ারকে আচ্ছা করে বকে দিয়েছি।

চোখের পানি মুছতে একটু মৃদু হেঁসে বললোঃ আমি
জানতাম আমার ছেলের ভুল হবে না।
Thank you very much.

ঐ ভদ্রলোক কাঁচের দেওয়ালের ওপাশ থাকে টাকার
এনভেলাপ দেখিয়ে দুহাত উঠিয়ে ধন্যবাদ জানালেন।
উনার বীরের মত হাঁসিটা মনে করিয়ে দিলো আমি প্রতি
মাসের বেতনটা যখন বাবার হাতে দিতাম। বাবার ঠিক
এমনই হাঁসি দিতেন। বৃদ্ধকালে বাবারা সংসারে নিজেদেরকে
খুব অসহায় মুল্যহীন মনে করে। এক সময় বাবার অর্থে
সংসার চলতো। বাবা আজ নেই স্মৃতিটুকু মনে আছে।
ভাবতে না ভাবতে চোখের কোনায় পানি চলে এলো। কয়েটা
টাকার কারনে বাবা-ছেলের এতো দিনের বিশ্বাস ভে'ঙ্গে যেতো।

#সংগৃহিত

24/10/2025
24/10/2025

"‘তোমার রব কে?’ প্রশ্নের উত্তর না পারায় দাদির শিরশ্ছেদ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০৭ পিএম আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:০১ পিএম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা ও সলঙ্গা থানার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চকবরুভেংড়ী গ্রামে দাদিকে কুপিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করেছে তারই নাতি। মামলার বাদীর ভাষ্যমতে, দাদিকে তার নাতি প্রশ্ন করেছিল ‘তোমার রব কে?’ দাদি এর উত্তর দিতে না পারায় কুপিয়ে হত্যা করে নাতি।

ভুক্তভোগীর নাম মোছা. সন্দেশ বেগম (৮৫)। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে নাতি সজিব আলী মোল্লা (২২)।

বুধবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। নিহত সন্দেশ বেগম ওই গ্রামের মৃত নওশের মোল্লার স্ত্রী। পুলিশ ঘাতক নাতি সজিব মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে আইয়ুব আলী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে সজিব মোল্লাকে একমাত্র আসামি করে সলঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে বাদী আইয়ুব আলী জানান, বুধবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে তার মা সন্দেশ বেগম তার তৃতীয় ছেলে আহাম্মদ মোল্লার একতলা বাসভবনের একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। তার শয়ন কক্ষের পাশের কক্ষে থাকেন আহাম্মদ মোল্লার ছেলে নাতি সজিব আলী মোল্লা।

তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে সজিব গরু জবাই করার ধারালো একটি বড় ছুরি হাতে দাদির কক্ষে প্রবেশ করে। এরপর তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে জানতে চায়, ‘তোমার রব কে’। সন্দেশ বেগম এর উত্তর বলতে না পারায় ক্ষুব্ধ হয়ে সে চিৎকার করে বলতে থাকে ‘তাহলে তো তোমাকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে না’।

এরপর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দেহ থেকে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। তার চিৎকার শুনে তিনি ঘর থেকে দৌড়ে বেড় হয়ে দেখতে পান তার মায়ের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। আর ঘাতক সজিব ট্যাপের নিচে মাথা দিয়ে নিজের মাথায় নিজেই পানি ঢালছে।

তিনি আরও বলেন, সজিব এইচএসসি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ঢাকায় কোচিং করছিল। সম্প্রতি সে কিছুটা অপ্রকৃতস্থ হয়ে পড়ায় তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে সে কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে।

তিনি বলেন, এই হত্যার আগে ও পরের ছবি তুলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া তার ছেলে মামুন আলীসহ একাধিক ব্যক্তির ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়েছে বলেছে ‘দেখ আমি পাড়ি কি না দেখিয়ে দিলাম’।

এ বিষয়ে পুলিশ ও এলাকাবাসি জানায়, সজিব তার ফেসবুক আইডিতে ‘আল্লাহু আকবার’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দেয়। কিছুক্ষণ পর আবারও ‘ইনশাআল্লাহ একটাও ছাড় পাবে না’ লিখে আরেকটি স্ট্যাটাস দেয়। এর কিছুক্ষণ পর বিষয়টি সজিবের বাবা আহম্মাদ আলীর নজরে এলে তিনি চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে ডাকাডাকি শুরু করেন। সবাই ছুটে এসে এই নৃশংস হত্যার ঘটনা দেখে সলঙ্গা থানায় পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার ও এ হত্যায় জড়িত নাতি সজিবকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার এসআই শহিদুল ইসলাম ও এসআই মাফিজুর রহমান বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জের শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ হত্যার সাথে জড়িত নাতি সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সলঙ্গা থানার ওসি এরামুল হক বলেন, এ ঘটনায় ঘাতক সজিবকে আসামি করে নিহতের ছোট ছেলে আইয়ুব আলী বাদি হয়ে সলঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।"

23/10/2025

হালুয়াঘাটে ২০ বছরের এক অনার্সপড়ুয়া তরুণী ১৯ তারিখে আত্মহত্যা করেন।
তার রেখে যাওয়া দুই পাতার নোটে লেখা ছিল—
“আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী আমার দুর্ভাগ্য। আমার মৃত্যুর কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই। এই দুনিয়া থেকে আমার মন উঠে গেছে, তাই আমি চলে যাচ্ছি।”

ঘটনার পর পুলিশ তার মরদেহ থানার হেফাজতে নেয় এবং অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করে।
পরে আবু সাঈদ নামে এক ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে থানার লাশ পরিবহনের কাজে যুক্ত ছিলেন, দায়িত্বের অপব্যবহার করে মর্গে গিয়ে ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত করেন।

মর্গের কর্মচারীরা সন্দেহজনক আচরণ দেখে কর্তৃপক্ষকে জানালে ঘটনাটি উদ্ঘাটিত হয়।
চিকিৎসকদের পরীক্ষায় অপরাধের প্রমাণ মেলে।
পরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে, এবং সে অপরাধ স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনার দুটি দিক গভীরভাবে নাড়া দেয়—
প্রথমত, একজন তরুণীর অসহায় মানসিক অবস্থায় পৃথিবী ত্যাগ,
দ্বিতীয়ত, তার মৃত্যুর পরও মর্যাদা রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়া রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার করুণ চিত্র।

যে সমাজে জীবিত মানুষ নিরাপত্তা পায় না, সেখানে মৃতের মর্যাদাও যখন হুমকির মুখে,
তখন প্রশ্ন জাগে—
আর কতবার সংস্কার হলে আমরা একটু হলেও সভ্য হবো?

23/10/2025

অপরাধনামা একটি সরল স্বীকারোক্তি, ভালোবাসার, ভুলের, অনুশোচনার।

অপরাধনামার সাথে থাকুন।

Address

Munshiganj

Telephone

+8801716451513

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অপরাধনামা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share