Health Point BD

Health Point BD Your well-being is our success, we sell 100%safe and beneficient products. Which is a lot more beneficial for people

Our products are tested and approved by Bangladesh Science Lab. so it is a very acceptable product.This product is made with 9 quality high quality ingredients. So without a doubt our product is 100% effective and popular.

আসসালামু আলাইকুম, **বি-বাহি___ত অবি-বা__হিতদের জন্য বিশাল সুখবর--লাভ}ফর}এভার দিচ্ছে-বিশাল-অফার।**হেল্পলাইন--01797-609895...
04/08/2022

আসসালামু আলাইকুম,
**বি-বাহি___ত অবি-বা__হিতদের জন্য বিশাল সুখবর--লাভ}ফর}এভার দিচ্ছে-বিশাল-অফার।
**হেল্পলাইন--01797-609895
**প্রতি কোর্সে ৩০%ছাড়ে সীমিত সময়ের জন্য।
সু,খম{{য় জী-বনে র জন্য এবং লং টা___ইম মনের মতো সারা জী-{{বন এন জয় করার জন্য বিশ্ব ব্যাপী জন প্রিয় আই+টেম লাভ ফর{{{এভার এখন বাংলাদেশের সব থানায় এস এ পরিবহন ও পাঠাও কুরিয়ারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।বিস্তারিত জানতে, এখনই নিচের Sent Message Option a ক্লিক করেন।

অ্যালোভেরা জুসের বিস্ময়কর কিছু উপকারিতা !!!প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পর...
04/08/2022

অ্যালোভেরা জুসের বিস্ময়কর কিছু উপকারিতা !!!
প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। রাস্তাঘাটে কিংবা বাজারে অহরহ পাওয়া যাচ্ছে অ্যালোভেরা। এটি রস হিসেবে খাওয়া যায় আবার ত্বকের প্রদাহে প্রতিষেধক হিসেবেও লাগানো যায়।

ত্বক বা চুলের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা অতি পরিচিত নাম। অ্যালোভেরার বাংলা নাম ঘৃতকুমারী (বৈজ্ঞানিক নাম: Aloe vera), (ইংরেজি: Medicinal aloe, Burn plant)। তবে সারাবিশ্বের মানুষ একে অ্যালোভেরা হিসাবেই চিনে। এটি এলো পরিবারের একটি উদ্ভিদ। ঘৃতকুমারী গাছটা দেখতে অনেকটাই কাঁটাওয়ালা ফণীমনসা বা ক্যাকটাসের মতো। অ্যালোভেরা ক্যাক্টাসের মত দেখতে হলেও, ক্যাক্টাস নয়। লিলি প্রজাতির উদ্ভিদ। এদের ভেষজ গুণ আছে। এর আদি নিবাস আফ্রিকার মরুভূমি অঞ্চল ও মাদাগাস্কার। অ্যালোভেরা আজ থেকে 6000 বছর আগে মিশরে উৎপত্তি লাভ করে। ভেষজ চিকিৎসা শাস্ত্রে এলোভেরার ব্যবহার পাওয়া যায় সেই খৃীষ্টপূর্ব যুগ থেকেই। তখন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এলোভেরার অনেক গুণের কথা আবিষ্কৃত হয়েছে। এটি একটি কাণ্ডবিহীন রসাল এবং শাসযুক্ত গাছ। এই গাছটি গড়ে ৬০-১০০ সেমি লম্বা হয়। পাতা ১০-২০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতার দুইপাশে কাঁটা থাকে এবং পাতা দেখতে অনেকটা চ্যাপ্টা আকৃতির। এই গাছের ফুলও অনেক দর্শণীয়। অ্যালোভেরার আদি বাস উওর-আফ্রিকা এবং কেনারিদিপুঞ্জে। ক্যারলিনিয়াস সর্বপ্রথম অ্যালোভেরার নামকরন করেন। বহু বছর ধরে মানুষ অ্যালোভেরাকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

অ্যালোভেরার পাতার মধ্য যে স্বচ্ছ জেলির মত বস্তু পাওয়া যাই তাকে আমরা জেল বলে জানি। পাতার ঠিক নিচেই থাকে হলুদ রং এর ল্যাটিস এবং তার নিচেই এই জেল পাওয়া যায়। বহুগুণে গুণান্বিত এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণের শেষ নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬, বি২ ইত্যাদি। অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায়ও ব্যবহার হয়ে আসছে। অনেকেই অ্যালোভেরার জুস পান করে থাকেন। অ্যালোভেরায় রয়েছে অসংখ্য বিস্ময়কর উপকারিতা যার মধ্যে কয়েকটি আমি এখানে দেখাব।

আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো কি কি ?

১। হার্ট সুস্থ রাখতে অ্যালোভেরা

আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্তর করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩। দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৪। ওজন হ্রাস করতে অ্যালোভেরা

ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

৫। হজমশক্তি বাড়াতে অ্যালোভেরা

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।

৬। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। সুতরাং খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

৭। ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা

ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যালোভেরার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

৮। রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান করে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৯। মুখের দূরগন্ধ দূর করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। গবেষণাই দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশ এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

১০। চুল সুন্দর করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যাই না, মাথায় খুশকি দূর করতে এর কোন তুলনা নেই। এমনকি ঝলমল চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা আপনার নিত্যসংগী।

১১। মুখের ঘা সারাতে অ্যালোভেরা

অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী। ঘায়ের জায়গায় এলভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।

১২। ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা

গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১৩। রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার অনেক গুনাগুনের মধ্যে আর একটি হল রক্তচাপ কমাতে এর কোন তুলনা নেই। অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।

১৪। ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করতে অ্যালোভেরা

কিছু ক্ষতিকর পদার্থ দেহের মধ্যে প্রবেশ করে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি করতে পারে। ফলে তা দেহের জন্য মোটেও ভাল কিছু নয়।এই সকল ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে অপসারণ প্রয়োজন। অ্যালোভেরার রস পান করলে দেহের ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করতে পারে না। আর যদি প্রবেশ করেও ফেলে, তাহলেও অ্যালোভেরার জুস পানে তা অপসারণ হতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার জুসের গুন অপরিসীম।

১৫। চর্মরোগ ও ক্ষত সারাতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ঔষধিরও কাজ করে থাকে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এই অ্যালোভেরার জুসে। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় এই অ্যালোভেরা।

১৬। ক্লান্তি দূর করতে অ্যালোভেরা

দেহের দুর্বলতা দূর করতে অ্যালোভেরার জুসের গুন অনেক। আপনি যদি অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত পান করেন তাহলে দেহের ক্লান্তি দূর হবে এবং দেহকে সতেজ ও সুন্দর রাখবে।

১৭। কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার জুসের মধ্যে যে জেল থাকে তার অনেক গুন। এই জেল নিয়মিত পানে পেটের সমস্যা দূর হবে। আর যদি সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হওয়া সম্ভব। এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে।

অ্যালোভেরার অসংখ্য উপকারিতার মধ্য আমি এখানে মাত্র কয়েকটি উল্লেখ করেছি। আমি আশা করি, যদি অ্যালোভেরা নিয়মিত আপনি ব্যবহার করেন তাহলে অনেক রোগ-বালাই থেকে আপনি খুব সহজে দূরে থাকতে পারবেন।

আমলকির উপকারিতা | আমলকি খাওয়ার উপকারিতা |  আমলকির রসের গুনাগুন |  আমলার উপকারিতা | Benefits of Amlaআমলকি ভিটামিন সি সমৃ...
04/08/2022

আমলকির উপকারিতা | আমলকি খাওয়ার উপকারিতা | আমলকির রসের গুনাগুন | আমলার উপকারিতা | Benefits of Amla

আমলকি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ঔষধি ফল। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকি খেতে সামান্য টক এবং তেতো স্বাদ যুক্ত। আমলকি খেলে প্রথমে কষটে লাগলেও পরে মিষ্টি স্বাদ পাওয়া যায়। মুখের রুচি বাড়াতে আমলকি সেই বহুকাল আগে থেকেই সকলের কাছে সমাদৃত। টাটকা আমলকি দন্ত রোগ সারাতে বেশ উপকারী। এমনকি জন্ডিস, সর্দি -কাশি, পেটের সমস্যা এবং রক্তহীনতার জন্যও আমলকির অনেক আগে থেকেই কদর রয়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে আমলকিতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল পেয়ারা, কাগজি লেবু, আপেল, কমলা, আম এবং কলার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। যেমন আপেলের চেয়ে 120 গুণ, পেয়ারার চেয়ে 10 গুণ, কাগজি লেবুর চেয়ে 3 গুণ, কমলার চেয়ে 15 - 20 গুণ, কলার চেয়ে 60 গুণ, এমনকি আমের চেয়ে 24 গুন বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায় আমলকির মধ্যে। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন 30 মিলিগ্রাম ভিটামিন সি শরীরে প্রবেশ করানো প্রয়োজন হয়। আর এই ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হতে পারে মাত্র দুটি আমলকি খেলে।

আমরা অনেকেই জানি হরতকি, বহেরা এবং আমলকি এই তিনটি ফলকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয়ে থাকে। পেটের সমস্যা দূর করতে এই ফলগুলো রাতে একত্রে পানিতে ভিজিয়ে রেখে, সেই পানি সকাল বেলা খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের ঔষধি তেল তৈরি করতে আমলকি ব্যবহার করা হয়। শুকনো কিংবা কাঁচা আমলকি বেটে তার সাথে সামান্য পরিমাণ মাখন মিশিয়ে মাথায় লাগালে অতি তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসে।

আমলকি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে ভরপুর। আমলকি বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করার পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক আমলকির উপকারিতা সম্পর্কে-

১. আমলকি চুলের জন্য খুবই উপকারী একটি উপাদান। চুলের পরিচর্যায় আমলকির গুরুত্ব অনেক। আমলকি চুলের গোড়া মজবুত করার পাশাপাশি চুল বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে থাকে। এমনকি চুলের টনিক হিসেবে আমলকি কাজ করে থাকে।

২. আমলকি চুল পাকা প্রতিরোধে দারুন ভাবে কাজ করে। এমনকি চুলের খুশকি তাড়াতেও আমলকির জুড়ি নেই।

৩. যারা কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আমলকীর রস খুবই উপকারী। বদহজম এবং পেটের অসুখে আমলকি দারুন ভাবে কাজ করে থাকে।

৪. যারা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন তারা আমলকীর গুঁড়া এক গ্লাস পানি বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুইবার খেতে পারেন। এতে ভালো ফল পাওয়া যায়।

৫. যারা হজমের সমস্যায় ভুগছেন তারা আধা চূর্ণ করা শুকনো ফল এক গ্লাস পরিমাণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেটা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। এমনকি এই সমস্যা দূর করতে আমলকির আচারও খেতে পারেন।

৬. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং কালো দাগ দূর করতে আমলকির রস বেশ ভালো কাজ করে থাকে। এই সমস্যাগুলো দূর করতে মধুর সঙ্গে আমলকির রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালবেলা খেতে পারেন।

৭. চোখের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে আমলকির রস বেশ উপকারী। আমলকির রস আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি চোখের চুলকানি, পানি পড়া, চোখের প্রদাহ এই ধরনের বিভিন্ন সমস্যা থেকে ও আমাদের রক্ষা করে।

৮. চোখ ভালো রাখতে আমলকি খুবই উপকারী। আমলকিতে ফাইটো কেমিক্যাল নামে এক ধরনের উপাদান রয়েছে যা চোখের সাথে সম্পর্কিত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সহায়ক।

৯. যাদের নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ হয় তাদের জন্য আমলকির রস আশীর্বাদস্বরূপ বলা যায়। আমলকি দাঁত মজবুত করতেও সহায়তা করে।

১০. আপনার মুখের রুচি ও স্বাদ বাড়াতে আমলকি খেতে পারেন। রুচি ও খিদে বাড়ানোর জন্য সামান্য পরিমাণ মধু এবং মাখনের সাথে আমলকীর গুঁড়া মিশিয়ে খাবার আগে খেয়ে নিন।

১১. আমলকি মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুন ভাবে কাজ করে থাকে।

১২. যাদের ঘুম কম হয় তাদের জন্য আমলকি বেশি উপকারী। এমনকি এটি বমি ও ব্যথা-বেদনা দূর করতেও সহায়তা করে।

১৩. যারা এজমা ও ব্রংকাইটিস এর মতো সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আমলকি রস বেশি উপকারী।

১৪. আমলকি যেমন আমাদের শরীরের কর্ম ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, তেমনি পেশিকে মজবুত করে। শরীর ঠান্ডা রাখতে আমলকি সহায়তা করে থাকে।

১৫. আমলকি মস্তিষ্কের শক্তি বর্ধন করার পাশাপাশি ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে থাকে। আর তাই হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের দুর্বলতা দূর করতে আমলকীর মোরব্বা বা আচার খেতে পারেন।

১৬. আমলকি আমাদের শরীর থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে সহায়তা করে।

১৭. হাতের নখ ও দাঁত ভালো রাখতে আমলকি অনেক উপকারী। কারণ আমলকি রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। যা হাতের নখ ও দাঁত ভালো রাখতে সহায়তা করে।

১৮. আমলকি আমাদের বয়সের ছাপ দূর করতে সহায়তা করে। কারণ এর এন্টি অক্সিডেন্ট বয়স বেড়ে যাওয়া ও শরীরের কোষ ডিজেনারেশন প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে।

১৯. আমলকি নতুন লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে রক্তশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। এমনকি পেটের অসুখ ও ঠান্ডা- কাশি দূর করতেও বেশ উপকারী।

২০. আমলকি আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল লেভেল কম রাখার পাশাপাশি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে থাকে। যার ফলে আমলকি ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

সতর্কতাঃ যারা কিডনি রোগে ভুগছেন তাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমলকি খেতে হবে।

 #রসুন_কতটুকু_খেলে_উপকার_পাবেন_জানেন_কি? রসুনের রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। শরীর ভাল রাখা ছাড়াও বিশেষ কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখ...
04/08/2022

#রসুন_কতটুকু_খেলে_উপকার_পাবেন_জানেন_কি?


রসুনের রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। শরীর ভাল রাখা ছাড়াও বিশেষ কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে রসুন প্রায় বিকল্পহীন। তাই অনেকেই রসুন খেয়ে থাকেন। কেউ কেউ কাঁচা খান আবার কেউ রান্নাতে পরিমাণে বেশি দিয়ে খান। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মত হচ্ছে, রসুন খেতে হবে পরিমাণ মতো, আর রসুন রান্না করলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

অনেকের ধারণা, রসুন খেলে শরীর গরম হয়, যা আদতে খারাপ। তাই রসুন খাওয়া উচিত কি না, এ বিষয়ে অনেকে আছেন দ্বিধাদ্বন্ধে। তবে ডায়াটিশিয়ানরা বলছেন, রসুনের মধ্যে নানা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকায়, প্রতিদিন অল্প রসুন খাওয়া যেতেই পারে। কোলেস্টেরল ছাড়াও এটি নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তে সুগারের মাত্রা। এতে রয়েছে হাই সালফারও। তবে বেশি সময় নিয়ে রান্না করলে রসুনে থাকা অ্যালিসিন নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়াও লোকের মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা- রসুন খেলে পেট পরিষ্কার হয়ে যায় কিংবা শরীর গরম হলে যে তা ক্ষতিকর এর কোনও সত্যতা নেই।

এবার জেনে নিন রসুন কতটুকু খাওয়া যাবে এবং এর হরেক গুণ সম্পর্কে...

• রসুন রক্ত পরিষ্কার রাখার কাজ করে। তাই মুখে বা ত্বকে নানা র‌্যাশ, চুলকানি প্রায়শই হয়, তাহলে রোজ রসুন খেতেই পারেন। প্রতিদিন দু’কোয়া রসুনই এর জন্য যথেষ্ট। সকালে এই কাঁচা রসুনের সঙ্গে খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে পানি।

• শরীরের টক্সিন বার করতেও সাহায্য করে রসুন। এক গ্লাস উষ্ণ পানিতে অর্ধেক পাতিলেবুর রস আর দু’কোয়া রসুন কুঁচি গুলে খেলে শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে ক্ষতিকর টক্সিন।

• যাদের ঠান্ডা লাগার প্রবণতা রয়েছে, তাদের জন্য রসুন খুবই উপকারী। এর জন্য গার্লিক টি বানিয়ে খেতে পারেন। গরম পানিতে থেঁতো করা রসুন ফুটিয়ে নিয়ে, তারপরে ছেঁকে পান করতে হবে। আবার গরম ভাতের সঙ্গে ঘিয়ে ভাজা রসুন খেতে পারেন। ঠাণ্ডা লাগা তো কমবেই, সাইনাসাইটিসের কষ্ট থেকেও রেহাই মিলবে। রোজ রসুন খেলে নাক বন্ধ হওয়ার সমস্যা যেমন নিয়ন্ত্রণে আসে, তেমনই পুরো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

• রসুন কাঁচা কিংবা হালকা সিদ্ধ করে খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল পরিমাণ কমবে। ফলে হার্ট থাকবে ভাল।

• রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টি প্যারাসাইটিক গুণাগুণ। শরীরে খারাপ ব্যাকটিরিয়া, ফাঙ্গাস আর প্যারাসাইটের মোকাবিলা করতে অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে রসুন খাওয়ার ইতিহাস বেশ পুরনো। এমনকি কৃমি থেকে রেহাই পেতেও খাওয়া যেতে পারে রসুন।

• ব্রণ বা বড় পিম্পলের মুখে রসুন কেটে খানিকক্ষণ ধরে রাখলে জ্বালা কমবে। আবার ত্বকের কোলাজেন রক্ষা করতে সাহায্য করে বলে রসুনকে বলা যেতে পারে অ্যান্টিএজিংয়ের অন্যতম উপাদান।

রসুন খেতে হলে কিছু বিধিনিষেধ মানা জরুরি। এবার তা জেনে নিন..

• রসুন খেলে তা কাঁচা কিংবা অল্প রোস্ট করে খাওয়াই ভাল। রান্নার মশলায় বেটে দেওয়া রসুনে খাবারের স্বাদ মিললেও তাতে পুষ্টিগুণ তেমন থাকে না বললেই চলে।

• রসুন খেতে হলে দিনে দু’-তিন কোয়ার বেশি না খাওয়াই ভাল। এর চেয়ে বেশি পরিমাণে রসুন খেতে হলে চিকিৎসক এবং ডায়াটিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই জরুরি।

• যে কোন সার্জারি বা অপারেশনের আগে অনেক সময়ে চিকিৎসকেরা রসুন খেতে নিষেধ করেন। ফলে সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

• রসুন শরীর গরম রেখে ঠান্ডা লাগার ধাত কমায় ঠিকই। তবে হাঁপানির সমস্যা থাকলে রসুন খাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। কারণ সে ক্ষেত্রে নানা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও হতে পারে।

তাই ঠাণ্ডার মওসুমে শরীর ভাল রাখতে অল্প পরিমাণে রসুন হতেই পারে আপনার নিত্যসঙ্গী।

04/08/2022
মাশরুম বাংলাদেশে এখন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার। এটি কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও যথেষ্ট উপকারী।...
04/08/2022

মাশরুম বাংলাদেশে এখন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার। এটি কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও যথেষ্ট উপকারী। মাশরুম সালাদ হিসেবে, ভেজে, সুপ করে বা রান্না করে খাওয়া যায়।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখা উচিত। তবে শুধু চাষ করে উৎপন্ন মাশরুম খেতে হবে।মাশরুমে প্রচুর প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।

এসব উপাদান ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধে ও ওজন কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার খেয়ে থাকি সেগুলোর চেয়ে মাশরুমের পুষ্টিগুণ তুলনামূলকভাবে বেশি বলে এটি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে।

মধুর উপকারিতাশক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস...
04/08/2022

মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার ৭টি উপকারী দিক। কিসমিসের উপকারের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। এমনকি কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের ...
04/08/2022

নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার ৭টি উপকারী দিক।
কিসমিসের উপকারের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। এমনকি কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কিসমিসে ভিটামিন,খনিজ,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, পলিফেনলস এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি ফাইবার রয়েছে। কিসমিস শরীরে যেমন শক্তি যোগায় এবং রক্ত উৎপাদনেও সহায়তা করে। কিসমিসের কয়েকটি যাদুকরী উপকারীর কথা আলোচনা করা হবে।

কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে:

কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা শরীরের পরিপাকক্রিয়ায় দ্রুত সাহায্য করে। এতে করে খাবার সহজে হজম হয় এবং শরীরের কোষ্ঠ্যকাঠিন্যর মত সমস্যা দূর করে।

সুস্থভাবে ওজন বাড়ায়:

সবাই ওজন কমাতে চায় না। এমন অনেক মানুষ আছে যারা ওজন বাড়াতে চায়। আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান সেক্ষেত্রে কিসমিস হতে পারে আপনার পরম বন্ধু।

ক্যান্সার প্রতিরোধে:

কিসমিসে ক্যাটেচিন নামক একধরনের অ্যান্টিওক্সিডান্ট থাকে যা শরীরে ভেসে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিকলগুলিকে লড়াই করে নিঃশেষ করে। শরীরের এই ফ্রি র‍্যাডিকলগুলো ক্যান্সার সেলের স্বতঃস্ফুর্ত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মেটাস্টাসিসেও সাহায্য করে। কিসমিস রোজকারের খাবারের মধ্যে রাখলে শরীরে ক্যাটেচিন এর মতন শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়,ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে:

কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে থাকা উচ্চমাত্রার সোডিয়াম, রক্তচাপ বাড়ার প্রধান কারণ। কিসমিস শরীরের সোডিয়াম মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

কিসমিসে ভিটামিন এবং খনিজগুলির সাথে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং পলিফেনলগুলির মতো অন্যান্য যৌগগুলির মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলি আমাদের সিস্টেমে ফ্রি র‌্যাডিকালগুলোর সাথে লড়াই করতে, এগুলিকে স্থিতিশীল করতে এবং তাদের শ্বেত রক্তকণিকা সহ আমাদের কোষগুলিকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির কারণ হতে রোধ করে যা আমাদের ইমিউন সিস্টেম গঠন করে।

হাড়ের স্বাস্থ্য বর্ধন:

কিসমিসে পাওয়া যায় আরো এক উপাদান, ক্যালসিয়াম, যা হাড় ও দাঁতের জন্য খুব প্রয়োজন। এছাড়াও, বোরন নামক এক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টও কিসমিসে থাকে যা সঠিক ভাবে হাড় গঠন হতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়ামকে তাড়াতাড়ি শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে।মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট শরীরে খুব অল্প পরিমাণে দরকার বলেই মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।

Address

Muradpur, Chittagong
Muradpur
4310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Point BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Health Point BD:

Share