23/10/2020
অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেয়া বলতে বাংলাদেশে এখন বেশিরভাগ মানুষ মনে করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়া। কিন্তু আসলেই কি তা-ই?
ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের এত ছড়াছড়ি যে সেখানে এখন জায়গা পাওয়াই মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত ভিড়ের মাঝে আপনার পণ্য বা সেবার নাম বা ছবি আসলেই কয়জন সঠিক গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকছেই। দিন যত গড়াবে ততই এই প্ল্যাটফর্মে কম বাজেটের ক্লায়েন্টদের জন্য টিকে থাকা কষ্টের হয়ে দাঁড়াবে।
গুগল বিজ্ঞাপনের মত বিজ্ঞাপনের এত বড় জায়ান্ট থাকতে কেন এদেশের মানুষেরা সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে ফেসবুকে?
এর অন্যতম প্রধান কারণ তিনটি।
১/ বিজ্ঞাপন দেয়ার সহজলভ্যতা না থাকা।
২/ বিজ্ঞাপন দেয়ার পদ্ধতি ফেসবুকের থেকে তুলনামূলক জটিল হওয়া।
৩/ তুলনামূলক বেশি বাজেট এর প্রয়োজন হওয়া।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ফেসবুক বা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক-এ হয়তো ভিউ আসতে পারে অনেক বেশি কিন্তু যদি রেজাল্ট (পণ্য বা সেবা ক্রয়) এর কথা বলি তাহলে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে সেটা নিয়ে আসার সুযোগ অনেক বেশি। কারণ, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে মানুষ বিজ্ঞাপন দেখতে পছন্দ করে না। বেশিরভাগ সময়েই সেটা তাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যদি না সঠিক ব্যক্তির কাছে সঠিক বিজ্ঞাপন না পৌঁছায়। সেই জায়গায় যখন কেউ অনলাইনে ট্রিমারের খোঁজে সার্চ দিলে আপনি তাকে সেই সার্চ রেজাল্টেই ট্রিমারের বিজ্ঞাপন দেখান, তাহলে সেখানে গ্রাহকের অখুশি হওয়ার কোনো কারণ থাকে না। আর আপনারও সুযোগ থাকে গুগলের সার্চ রেজাল্টে মার্কেট লিডারের উপরে নিজেকে দেখানোর। প্রায়ই কোম্পানিগুলো তার প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানির ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ দিলে সেখানে বিজ্ঞাপনে নিজের সাইট উপরে দেখিয়ে একরকম 'ছিনতাই' করেই গ্রাহক নিয়ে যায়!
গুগল বিজ্ঞাপন মানে যে শুধু গুগল সার্চে বিজ্ঞাপন দেখানো তা না। ইউটিউবে, জিমেইলে, এন্ড্রয়েড অ্যাপে, গুগল এডের আওতায় থাকা অন্য সব সাইটে বিজ্ঞাপন দেখানো। ইউটিউবে একেবারে সরাসরি কোনো চ্যানেল লক্ষ্য করেও বিজ্ঞাপন দেখানো যায়। শুধু ঐ চ্যানেলের ভিডিওতেই বিজ্ঞাপন দেখাবে।
গুগল এডের ব্যাপারে যেকোনো ধরনের সহযোগিতায় আমরা আছি আপনার পাশে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে m.me/prochaarcom অথবা ওয়েবসাইটে www.prochaar.com