Always Learning, Mohangonj Govt. College

Always Learning, Mohangonj Govt. College Always Learning, (Mohangonj Govt. College)
by Swapan Kumer Ghosh (SKG) college,Mohangonj
Netrakona

তোমাকে যদি কিছু হতেই হয় তাহলে বাজ পাখির মত হও, তোতা হয়ো না। কারণ তোতা অনেক কথা তো বলে কিন্তু অত উপর দিয়ে উড়তে পারে না। বাজ কথা বলে কম কিন্তু সবথেকে উপর দিয়ে উড়ে এবং অন্য পাখিদের মধ্যে রাজা হল বাজ।
আজ আমি তোমাদের এরকম পাঁচটি পয়েন্ট বলবো যা বাজপাখির চরিত্র থেকে আমাদের সবার শেখা উচিত। কারণ জীবনের অনেক বড় শিক্ষা লুকিয়ে আছে এই পাঁচটা পয়েন্টের মধ্যে।
প্রথম lesson –
১) Eagle fly alone (ঈগল একা উড

়ে)
বাজ একা একাই ওড়ে এবং অন্য পাখির তুলনায় সবথেকে উপর দিয়ে ওড়ে। বাজ একা একা উড়বে কিন্তু কোনদিন ছোট পাখি বা অন্য পাখিদের সঙ্গে উড়বে না। বাজ উড়বে তো শুধু বাজের সাথেই উড়বে, অন্যের সাথে নয়। এর থেকে আমরা কি শিখতে পারি –
ছোট চিন্তাধারা করা মানুষের থেকে অনেক দূরে থাকো এবং একা থাক। কারণ এটাই আসল সময় যখন আমরা নিজেকে সবথেকে বেশি জানার সুযোগ পাই।
দ্বিতীয় lesson –
২) Clear and strong vision (পরিষ্কার এবং শক্তিশালী দৃষ্টি)
বাজ এর দৃষ্টি খুবই পরিষ্কার এবং খুবই প্রখর হয়। বাজ তার শিকারকে 5 কিলোমিটার দূর থেকেই স্পষ্ট দেখতে পারে। আর যখন সে তার লক্ষ্য দেখতে পেয়ে যায় তখন তার রাস্তায় যতই মুশকিল আসুক না কেন, সে তার লক্ষ্যকে পূরণ করেই দম নেয়। এর থেকে আমরা কি শিখতে পারি –
তোমার vision, এবং তোমার লক্ষ্য পরিস্কার রাখো। এবং তাকে হাসিল করার জন্য যতই মুশকিল আসুক না কেন, কখনোই পিছনে হটে যাবে না এই বাজের মত।
তৃতীয় lesson –
৩) Eagle never eat dead things (ঈগল কখনো মৃত জিনিস খায় না)
বাজ কখনোই কোন মরা প্রাণী খায় না, সে সবসময় জীবন্ত স্বীকার করে। তো এর থেকে আমরা এটাই শিক্ষা পাই –
আমাদের জীবনে যা অতীতে ঘটে গেছে তা মরে গেছে। তো তুমি মরে যাওয়া, পচে যাওয়া সেই চিন্তাভাবনাগুলো থেকে দূরে থাক, এবং তোমার আগামী দিনে আসা জীবন্ত চিন্তাভাবনাগুলোর দিকে মন দাও।
চতুর্থ lesson –
৪) More and more excited (আরো এবং আরো উত্তেজিত)
যখন ঝড় বৃষ্টি আসে তখন বাজ অনেক বেশি এক্সসাইটেড হয়ে যায়। যেখানে অন্য পাখিরা যখন বৃষ্টি হয় তখন তারা তাদের বাসায় ডুকে পড়ে, কোথাও আস্তানা নেয়। কিন্তু বাজ অনেক বেশি আনন্দ পায়।
যখন প্রচণ্ড বাতাস বয় তখন বাজ সেই বাতাসের সাহায্য আরো গতিতে উপরে উঠতে থাকে। এবং উপরে উঠতে উঠতে এত উপরে উঠে যায়, যেখানে আর কোন মেঘই থাকে না। এর থেকেও আমরা একটা অনেক বড় শিক্ষা পাই –
সমস্যার মধ্যেও আনন্দ খুঁজে পাওয়া। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন - যার জীবনে যত মোর, যত সমস্যা আসবে, সে ততোধিক সফলতা অর্জন করতে থাকবে। কারন প্রতিটি সমস্যা নিজের সাথে করে একটি সুযোগ নিয়ে আসে।
পঞ্চম lesson –
5) Removes soft things from his nest (ঈগল তার বাসা থেকে নরম জিনিস সরিয়ে ফেলে)
বাজ তার বাসা থেকে নরম জিনিসগুলোকে সবসময় সরিয়ে ফেলে, যাতে বাজের যে বাচ্চা আছে তারা যাতে comfortable না হতে পারে। কারণ যদি তারা বাসায় comfortable হয়ে যায় তবে তারা বাসাতেই থাকতে পছন্দ করবে, উড়তে চাইবে না। কিন্তু বাজ এরকম কখনোই হতে দেয় না।
বাজ হল একটি পাখি, এবং সেও জানে There is no growth in comfortzone। কিন্তু আমরা তো মানুষ। আমরা মানুষ হওয়া সত্ত্বেও এই কথাটা কেউ বুঝতেই চাই না। তুমি যত বেশি comfort zone এ থাকবে তোমার জীবন আগামী দিনে ততবেশি uncomfortable হয়ে যাবে।
তো বাজের মত comfortzone থেকে বেড়িয়ে আসার চেষ্টা কর।
Think positive, Talk positive, Feel positive
-----------------------------------------------------------------------
Swapan Kumer Ghosh
Lecturer,Marketing Department
Mohangonj Govt.

I gained 6,288 followers and received 5 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could...
23/10/2025

I gained 6,288 followers and received 5 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

100% Right
12/07/2024

100% Right

সেদিনটির কথা আমি কখনোই ভুলবো না, যেদিন কোর্টে বাবা মায়ের সেপারেশনের সময় মা'কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, "আপনি কাকে চান, ছেলে...
13/04/2024

সেদিনটির কথা আমি কখনোই ভুলবো না, যেদিন কোর্টে বাবা মায়ের সেপারেশনের সময় মা'কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, "আপনি কাকে চান, ছেলেকে না মেয়েকে?? "
মা তখন ছেলেকে চেয়েছিল, আমাকে চায়নি। বাবাও তখন আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কারণ তিনি আবার বিয়ে করে নতুন সংসার করার স্বপ্ন দেখেছিলেন, অযথা আমাকে নিয়ে নতুন সংসারে বোঝা বাড়াতে চাননি।

কাঠের বেঞ্চিতে বসে যখন অঝোরে কাঁদছিলাম তখন বুকে আগলে ধরেছিলেন এক লেডি কনস্টেবল। আশ্রয় দিয়েছিলেন তার বাড়িতে। কিন্তু তার মাতাল স্বামীর লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল আমার উপর। শিশু বয়সে অত কিছু না বুঝলে ও কেমন যেন খারাপ লাগতো। রাতে যখন আন্টি বাড়িতে ফিরতেন, আমি তাকে সব বলে দিতাম। মহিলা দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। অতঃপর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি আমাকে একটা অনাথ আশ্রমে রেখে আসলেন। যাবার সময় আমাকে দু হাতে জড়িয়ে ধরে যেমন করে কাঁদলেন, আমার মাও আমাকে রেখে যাওয়ার সময় ওভাবে কাঁদেনি।

দিন যায়-মাস যায়, অনাথআশ্রমে/এতিমখানাতেই জীবন কাটতে থাকে আমার। খুব অসহায় লাগতো নিজেকে। বাবা মা বেঁচে থাকতে ও যে শিশুকে অনাথ আশ্রমে থাকতে হয় তার থেকে অসহায় বুঝি আর কেউ নেই!!

বছর দু'য়েক পরের কথা। এক নিঃসন্তান ডাক্তার দম্পতি আমাকে দত্তক নেন। জীবনটাই পাল্টে গেল আমার। হেসে খেলে রাজকীয় ভাবে বড় হতে লাগলাম আমি। আমার নতুন বাবা মা আমাকে তাঁদের মতই ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমার একগুঁয়ে ইচ্ছে ছিল একটাই, আমি ল'ইয়ার হবো। ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় আজ আমি একজন ডিভোর্স ল' ইয়ার। যারাই আমার কাছে ডিভোর্সের জন্য আসে, আগেই আমি বাচ্চার কাস্টোডির জন্য তাদের রাজি করাই। কারণ বাবা মা ছাড়া একটা শিশু যে কতটা অসহায়, তা আমি ছাড়া কেউ জানে না!!

চেম্বারে বসে খবরের কাগজ পড়ছিলাম। হঠাৎ একটা নিউজে চোখ আটকে গেল। এক বৃদ্ধা মহিলাকে তার ছেলে আর বউ মিলে বস্তায় ভরে রেলস্টেশনে ফেলে রেখে গেছে। পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। নিচে বৃদ্ধা মহিলার ছবি দেয়া। মুখটা খুব চেনা চেনা লাগছিল। কাছে এনে ভালো করে ছবিটা দেখলাম। বুকের মাঝে ধক করে উঠলো। এ তো সেই মহিলা যে আমাকে অনেক বছর আগে আদালতে ছেড়ে গিয়েছিল, আমার মা। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে ছুটে গেলাম হাসপাতালে।

সেই মুখটা কিন্তু চেনার উপায় নেই। চামড়াটা কুঁচকে আছে, শরীরটা রোগে শোকে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। ঘুমন্ত মুখটার দিকে তাকিয়ে খুব মায়া লাগছে, ভেতরটা ভেঙে ভেঙে যাচ্ছে। আচ্ছা, সেদিন কি তার একটু ও কষ্ট লাগেনি, যেদিন তার ১০ বছরের শিশু কন্যাটি মা-মা করে পিছু পিছু কাঁদতে কাঁদতে দৌড়াচ্ছিল?? হয়তো লাগেনি। নয়তো এভাবে ফেলে যেতে পারতো না।

একবার ভেবেছিলাম চলে যাবো। হঠাৎ দেখি তিনি ঘুম ভেঙে চোখ পিটপিট করে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। বুঝলাম চিনতে পারেন নি, চেনার কথা ও নয়!! আমি আমার পরিচয় দিলাম। কয়েক সেকেন্ড নিষ্পলক তাকিয়ে থেকে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। নিজের কৃতকর্মের জন্য বারবার ক্ষমা চাইতে থাকে। নিজের বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরি মাকে।

মাকে পাওয়ার পর বাবার জন্য ও মনটা উতলা হয়ে উঠে। মায়ের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বাবার অফিসে যোগাযোগ করি। জানতে পারি, কয়েক বছর আগেই রিটায়ার্ড করেছেন তিনি। বাড়ির ঠিকানায় গিয়ে দেখি উনি নেই। উনার দ্বিতীয় পক্ষের ছেলেমেয়েদের জিজ্ঞেস করে জানলাম, রিটায়ার্ড করার কিছু দিনের মধ্যেই তিনি প্যারালাইজড হয়ে বিছানায় পড়েন। অযথা একটা রুম দখল করে নোংরা করত, তাই বিরক্ত হয়ে ছেলেমেয়েরা তাকে একটা সরকারি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে, অযথা ঘরে বোঝা বাড়িয়ে কি লাভ!!!

ওদের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বৃদ্ধাশ্রম গেলাম। চিনতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো, মনে হলো একটা জীবিত লাশ পড়ে আছে বিছানায়। পাশে বসে হাতটা ধরলাম, পরিচয় দিতেই মুখ ফিরিয়ে কাঁদতে লাগলেন।

বাবা মা এখন আমার সাথে একই বাড়িতে আছেন। একসময় তারা আমাকে ছেড়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু আমি পারিনি ছাড়তে। হাজার হোক আমার বাবা মা তো ......…...

পোষ্টটি সংগৃহীত

100% Right            ( সংগৃহীত )
05/04/2024

100% Right

( সংগৃহীত )

100% Rigjt
27/03/2024

100% Rigjt

29/11/2023

"অন্যদের ভুলগুলোকে ততবার ক্ষমা করুন যতবার আপনি নিজের স্রষ্টার কাছে ক্ষমা প্রত্যাশা করেন"

04/10/2023

Address

Majipara, Gouripur, Gouripur
Mymensingh
2270

Telephone

+8801720838814

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Always Learning, Mohangonj Govt. College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share