07/06/2022
🌹🖋️🕋🕋🕋🕋🖋️🌹
দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) জানিয়েছেন ৭ টি বৈশিষ্ট্য ইহুদি মেয়েদের মধ্যে আছে আর এই সাতটি লক্ষন যদি কোন মুসলিম মেয়েদের মধ্যে থাকে তবে তাদের হাশর হবে ঐ সকল ইহুদি মেয়েদের সাথে । সেই সাতটি বৈশিষ্ট্য হলো ... ১. # আন্নানা- এর অর্থ হলো বেশি বেশি চাই জিনিসপত্র অনেক আছে তবুও তবুও অনেক চাই স্বামীকে বলে শুধু আমার জন্য দাও।নিজের মা বাবা ভাই - বোন এদের জন্য কোন কিছু দিও না , ২. # মান্নানা- এর অর্থ হল স্বামীকে শুধু সব সময় সকল ক্ষেত্রে খোটা দেয় অর্থাৎ খোটা দেওয়া এই স্বভাব ইহুদী মেয়েদের , ৩. # হান্নানা- হান্নান এর অর্থ হচ্ছে স্বামীর খেদমত না করা , উল্টো আরো স্বামীকে দিয়ে খেদমত করিয়ে নেয়া । হযরত খাদিজাতুল কুবরা আল্লাহর নিকট থেকে সালাম পাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল স্বামীর খেদমত করা । ৪. # কান্নানা- স্বামীকে মাঝে মাঝে বলে তুমি আমারে চেনো ? আমি অমুকের মেয়ে , তমুকের মেয়ে ,চেয়ারম্যানের মেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি ।স্বামীর সামনে নিজেকে বড় করে দেখানো , স্বামীকে ছোট মনে করা এটা ইহুদি মেয়েদের গুণ । ৫. # হাত্তকাহ- হাত্তকাহ শব্দের অর্থ স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব না দেওয়া । স্বামী যদি দুই টাকার জিনিস ও আপনাকে দেয় তবে তা আপনাকে আলহামদুলিল্লাহ ভালো গ্রহণ করতে হবে । পরে মন ভালো হলে আরেকটা জিনিস আবদার করে নিয়ে নিবেন , স্বামীর মনে দুঃখ দেওয়া যাবে না । ৬. # শাত্তকাহ- এর অর্থ হচ্ছে স্বামীকে হারাম ইনকাম করতে বাধ্য করা । স্বামীর হালাল ইনকামে আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে । যদি আপনার কারণে আপনার স্বামী হারাম ইনকাম করে তাহলে স্বামীর সাথে আপনাকেও জাহান্নামে যেতে হবে । ৭. # বার্রকাহ- এ অর্থ স্বামীকে মাঝে মাঝে ধরে মারা । অর্থাৎ স্বামীর গায়ে হাত তোলা এটা ইহুদি মেয়েদের স্বভাব । # উপরোক্ত এই সাতটি বৈশিষ্ট যেই মেয়েদের মধ্যে থাকবে তারা নামায , রোযা এবং পর্দা করলেও তাদের হাশর কিন্তু হবে ইহুদি মেয়েদের সাথে । আল্লাহ আমাদের মুসলিম মা বোনদের সতর্কপূর্ন হাদীসটি বুঝার তৌফিক দান করুন এবং উল্লেখিত বদ সভাব গুলো থেকে বাচার তৌফিক দান করুন । আমিন -ইমাম গাজ্জালী ( রহঃ )