Dulal Talukdar Agro

Dulal Talukdar Agro কৃষিকে ভালোবেসে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন। High Quality Book Publisher

আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া বকনা গাভীতে জাত উন্নয়ন ACI H.F Cross (276 days)10-01-26
10/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া
বকনা গাভীতে জাত উন্নয়ন
ACI H.F Cross (276 days)
10-01-26

আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া দেশি গাভীতে জাত উন্নয়ন ACI SL (এসিআই শাহিওয়াল) 20-11-25
20/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া
দেশি গাভীতে জাত উন্নয়ন
ACI SL (এসিআই শাহিওয়াল)
20-11-25

গবাদি পশুর ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ(LSD) : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:ইদানীং গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের প্রকোপ বেড়েছে। এলোপ্যাথিক ভ...
18/06/2025

গবাদি পশুর ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ(LSD) : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:

ইদানীং গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের প্রকোপ বেড়েছে। এলোপ্যাথিক ভাবে গরুকে লাম্পি স্কিন ডিজিজের (এল,এস,ডি) চিকিৎসা করলে গরু অনেকটাই দূর্বল হয়ে যায়, হয়তো আরোগ্য তাড়াতাড়ি হয়। কিন্তু হোমিওপ্যাথি মতে চিকিৎসা করালে আরোগ্য দেরিতে হলেও গরু কাবু কম হয়। আজকে হোমিওপ্যাথিক ভাবে এল,এস,ডি'র চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করবো। এতে চিকিৎসা খরচও অনেক কম হয়।

রোগের কারণ:
মূলত এক প্রকার পক্স ভাইরাস বা এলএসডি ভাইরাসের সংক্রমণে গবাদিপশুতে এই রোগ দেখা দেয় এবং এক গরু থেকে আরেক গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। রোগের সময় প্রধানত বর্ষার শেষে, শরতের শুরুতে অথবা বসন্তের শুরুতে যে সময়ে মশা মাছি অধিক বংশবিস্তার সেই সময়ে প্রাণঘাতী এই রোগটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

রোগের লক্ষণ:
১. আক্রান্ত গরু প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং খাবারে রুচি কমে যায়।
২. জ্বরের সাথে সাথে মুখ দিয়ে এবং নাক দিয়ে লালা বের হয়, পা ফুলে যায়, সামনের দু’পায়ের মাঝ স্থানে পানি জমে যায়।
৩. শরীরের বিভিন্ন জায়গা চামড়া পিণ্ড আকৃতি ধারণ করে, লোম উঠে যায় এবং ক্ষত সৃষ্ট হয়। ধারাবাহিকভাবে এই ক্ষত শরীরের অন্যান্য জায়গা ছড়িয়ে পড়ে।
৪. ক্ষত মুখের মধ্যে, পায়ে এবং অন্যান্য জায়গা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৫. ক্ষত স্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে। শরীরে কোথায় ফুলে যায় যা ফেটে টুকরা মাংসের মতো বের হয়ে ক্ষত হয়, পুঁজ কষানি বের হয়।
৬. পাকস্থলী অথবা মুখের ভেতরে সৃষ্ট ক্ষতের কারণে গরু পানি পানে অনীহা প্রকাশ করে এবং খাদ্য গ্রহণ কমে যায়।

যেভাবে ছড়ায়:
১. মশা ও মাছি : এই রোগের ভাইরাসের প্রধান বাহক হিসাবে মশা মাছিকে দায়ী করা হয়। অন্যান্য কীট পতঙ্গের মাধ্যমেও ভাইরাসটি আক্রান্ত গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
২. লালা : আক্রান্ত গরুর লালা খাবারের মাধ্যমে অথবা খামারে কাজ করা মানুষের কাপড়ের মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়াতে পারে।
৩. দুধ : যেহেতু আক্রান্ত গাভীর দুধে এই ভাইরাস বিদ্যমান থাকে তাই আক্রান্ত গভীর দুধ খেয়ে বাছুর দুধ খেয়ে আক্রান্ত হতে পারে।
৪. সিরিঞ্জ : আক্রান্ত গরুতে ব্যবহার করা সিরিঞ্জ থেকে এই ভাইরাস বাহিত হতে পারে।
৫. রক্ষণাবেক্ষণকারী : খামারে কাজ করা মানুষের পোশাকের মাধ্যমে আক্রান্ত গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:
অন্যান্য ভাইরাসঘটিত রোগের মতো এই রোগেরও অ্যালোপ্যাথিতে কোন আরোগ্যকারী চিকিৎসা নেই। তবে হোমিওপ্যাথিতে এর যথেষ্ট ভাল চিকিৎসা রয়েছে।

১. ভেরিওলিনাম – ৩০/২০০
২. ম্যালেড্রিনাম – ৩০/২০০
৩. সারসিনিয়া – ৩০/ ২০০

১ম ঔষধঃ শুধু সকালে ১০ ফোঁটা করে ঔষধ, পরপর ২দিন
২য় ঔষধঃ দুপুর ও সন্ধায় ৫-৭ ফোঁটা করে ঔষধ প্রতিবার, পরপর ৭-১০ দিন
৩য় ঔষধঃ বিকালে রাতে ৫-৭ ফোঁটা করে ঔষধ প্রতিবার।
এছাড়া চামড়ার গুটিগুলো যদি কোনো কারণবশত বা চিকিৎসা দেরিতে শুরু হবার কারণে ফেটে গিয়ে রক্ত বের হয়- তবে ক্যালেন্ডুলা মাদার টিংচার ক্ষতস্থানে লাগাতে হবে। এবং
৪. মার্ক সল – ২০০ খাওয়াতে হবে; সকালে ১০ ফোঁটা করে যতদিন ঘা না শুকাবে।

বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে যে, ঔষধ খাওয়ানোর পরিমাণ অবশ্যই গরুর বডি স্ট্রাকচার অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে ও ঔষধ জিহবায় ঢেলে দিবেন। যদি তা না পারেন অল্প পরিমাণ সাদা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াবেন। কোন খাবারের সাথে ঔষধ মিশাবেন না। আর খাবার দেবার ৩০ মিনিট আগে ঔষধ খাওয়াবেন।

এছাড়া কুপ্রাম সালফ ২০০ ও ভেরিওলিনিম ২০০ প্রত্যেকটি ঔষধের ২ ফোঁটা অল্প পানিতে মিশ্রিত করে দিনে ২ বার খাওয়াতে হবে ৭ দিন।

প্রতিষেধকঃ প্রতিষেধকের জন্যে উপরের প্রত্যেকটি ঔষধের ২ ফোঁটা অল্প পানিতে মিশ্রিত করে দিনে ১ বার খাওয়াতে হবে ৭ দিন।
(সকল গবাদি পশুকে প্রতি মাস পরপর ৩ মাস খাওয়াতে হবে)

প্রতিকারে কৃষক সচেতনতা ও করণীয়:
যেকোন রোগের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিকার সব সময় অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। কাজেই এর প্রতিকারে যে কাজগুলো করা যেতে পারে-
১. আক্রান্ত গরুকে নিয়মিত এলএসডি ভ্যাকসিন দেয়া।
২. খামারের ভেতরের এবং আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা- যেন মশা মাছির উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৩. আক্রান্ত খামারে যাতায়াত বন্ধ করা এবং আক্রান্ত খামার থেকে আনা কোনো সামগ্রী ব্যবহার না করা।
৪. আক্রান্ত গরুকে শেড থেকে আলাদা স্থানে মশারি দিয়ে ঢেকে রাখা মশা মাছি কামড়াতে না পারে। কারণ আক্রান্ত গরুকে কামড়ানো মশা মাছি সুস্থ গরুকে কামড়ালে এই রোগের সংক্রমণ হতে পারে।
৫. আক্রান্ত গভীর দুধ বাছুরকে খেতে না দিয়ে ফেলে দিয়ে মাটি চাপা দেয়া।
৬. আক্রান্ত গরুর পরিচর্যা শেষে একই পোশাকে সুস্থ গরুর মধ্যে প্রবেশ না করা।
৭. আক্রান্ত গরুর খাবার বা ব্যবহার্য কোনো জিনিস সুস্থ গরুর কাছে না আনা।
৮. ক্ষতস্থান টিনচার আয়োডিন মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার রাখা।

লেখক : ভাস্কর সরকার
রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, ঘোড়ামারা, রাজশাহী৷

গরুর জন্য জিংক বি (Xinc B) একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পূরক যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার বয়ে আনে। এর প্রধান উপকার...
17/06/2025

গরুর জন্য জিংক বি (Xinc B) একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পূরক যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার বয়ে আনে। এর প্রধান উপকারিতাগুলো হলো:

1. ত্বক ও লোমের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: জিংক গরুর ত্বক ও লোমের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং চুলকানি বা খোসপাঁচড়ার মতো সমস্যা কমায়।

2. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে: গরুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা কমে।

3. ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে: শরীরে কোনো ক্ষত হলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে জিংক।

4. প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে: বিশেষ করে গাভীর হিট সাইকেল ঠিক রাখতে ও গর্ভধারণে সহায়তা করে।

5. খাদ্য হজমে সহায়ক: হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে এবং পুষ্টি গ্রহণে সহায়তা করে।

6. খাদ্য গ্রহণে আগ্রহ বাড়ায়: জিংকের অভাবে গরুর খাওয়ার রুচি কমে যায়, জিংক বি দিলে সেই সমস্যা কমে।

দুগ্ধ খামারে লস ঠেকাতে গোপন কিছু কৌশল যা প্রত্যেক খামারির জানা জরুরী♦️--------------------------------------------------...
10/06/2025

দুগ্ধ খামারে লস ঠেকাতে গোপন কিছু কৌশল যা প্রত্যেক খামারির জানা জরুরী
♦️---------------------------------------------------------♦️
একটি দুগ্ধ খামারকে লাভবান করার জন্য কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল দেয়া জরুরী।
✓ আপনার খামারে অপ্রয়োজনীয়, আনপ্রোডাক্টিভ গরু বা গাভীকে বিক্রি করে দিন। যে গাভীগুলো কনসেভ করতে সমস্যা, দুধ কম হয় সেগুলো খামারে রাখার দরকার নেই। তিনটি সার্কেলের গাভী রাখুন।
১) প্রথম সার্কেল, যেগুলো এখন দুধ দিচ্ছে
২) দ্বিতীয় সার্কেল, প্রথম সার্কের গাভীর দুধ দেয়া শেষ হলে দ্বিতীয় সার্কেল বাচ্চা দেবে।
৩) তৃতীয় সার্কেল যেটা প্রথম সার্কেলকে সাপোর্ট দিবে
✓ খামারে যত বেশী দুধ দেয়া গরু থাকবে, খামারে তত বেশী লাভ। এই বেশী দুধের গরু তৈরীর জন্য জাত উন্নয়ন করে নিতে হবে। আপনার হাতে ভাল দুধের গরু কেউ তুলে দিয়ে যাবেনা বা ভাল দুধের গরু কেউ বিক্রিও করেনা। যেসব গরু বাজারে বিক্রি হয় দেখা যায় তার কোননা কোন সমস্যা থাকে যা ক্রেতা ধরতে পারেনা।

✓সাধারনত দেখা যায় অনেকদিন ধরে কনসিভ করেনা এমন সমস্যাযুক্ত গাভীকে কোনভাবে কনসিভ করায়ে সাথে সাথে বিক্রি করে দেয়। আপনি আমি না বুঝে কিনে এনে পরবর্তী সময়ে একই সমস্যায় পড়ি। বিক্রেতা বেশীর ভাগ সময় দেখবেন ৯ মাসের গাভীন গরু বিক্রি করে। এর কারন একটাই আপনাকে সহজে ধোকা বা বোকা বানানো যায় যখন গাভী প্রেগন্যান্ট থাকে বিশেষ করে ৮-৯ মাসের সময়।
এই সময়ে গাভীকে দৈহিক গঠনে অনেক বড় দেখায়। ক্রেতাতো দেখে ভাবে এত বড় গরু! আর এই সময়ে আপনাকে নানান গল্পও দেয়া যায় যেমন: আগের বিয়ানে ২৫ লিটার দুধ হয়েছিল, এবার ৩০ হবে নিশ্চিত। বিশ্বাস করলেনতো ধরা খেলেন। আপনাকে গাভী বাচ্চা দিয়েছে ১৫-২০ দিন এমন গাভী দেখে কিনতে হবে। সামনে দাড়ায়ে দুধ চেক করে তারপর নিবেন। এই দুধ চেকটা প্রথম দিন বিকালে করবেন এবং ঠিক তার পরেরদিন সকালে করবেন। সকালে যে দুধ পাবেন সেটা ধরেই দর দাম ঠিক করতে হবে। আগে সকাল পরে বিকাল করলে ধরা খাবেন।

✓এই রকম নানান ধোকাবাজী আর সমস্যায় পড়ে একজন খামারী লোকসাম দিয়ে নিস্ব হয়ে পড়ে। তাই নিজেকে জাত উন্নয়ন করে নিতে হবে ভাল জাতের সিমেন ব্যবহার করে। ভাল সিমেন বা বীজ মানে ১০০% তা নয়। মনে রাখবেন গাভীকে ৭৫% উপরে নেয়া যাবেনা। সর্বাধিক খেয়াল দিবেন যে বুল বা ষাড়ের বীজ দিচ্ছেন তার কোয়ালিটি কেমন।
মানে ষাড়ের পরিবারে মা দাদী নানী, বোন এদের দুধের রেকর্ড কেমন। এই রেকর্ড ভাল হলে আপনার গাভী থেকে যে বাচ্চা আসবে তার থেকে ভাল দুধ পাবেন। ফেসবুকে ছবি দেখে কোনদিন বোঝা যাবেনা কোন গাভী বা কোন বাচ্চা ভবিষ্যতে কেমন দুধ দেবে বা পারসেন্ট কত।gp&k
✓ আপনার খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দিন। আপনার এলাকায় যে রিসোর্স ভাল পাওয়া যায় গাভীকে সেই খাদ্য অভ্যাস করানোই বুদ্ধিমানের। দেখা যায় উত্তরাঞ্চলে ভুট্টা ভাল হয় সেখানে উচিত খাদ্য উপাদান হিসাবে ভুট্টাকে বেশী প্রধান্য দেয়া। ভেজাল খাদ্য খাওয়ানোর থেকে খাদ্যে উপাদান কম রাখেন এটা ভাল।

✓দুগ্ধ খামারে ষাড় বাচ্চা না রাখাই ভাল, বিক্রি করে দিন। শখের বসে কিছু বড় করলেন সেটা ভিন্ন ব্যাপার।
✓ঘাস চাষ ছাড়া বা সাইলেজ ছাড়া দুগ্ধ খামারকে কোনভাবেই লাভে আনা যাবেনা।
✓ খামারে গরু বাড়ানোর আগে এদের খাবার কিভাবে কম পয়সায় ব্যবস্থা করবেন তার দিকে নজরদিন।
✓ দুধের ভাল দাম না পেলে প্যাকেট করে খুচরা বিক্রি বা দুগ্ধজাত পন্য তৈরীর উদ্যোগ নিন। একা না পারলে কয়েকজন খামারীরা মিলে করুন।
✓গরুকে ইনজেকশন পুশ করা, শিরায় স্যালাইন প্রয়োগ শিখে নিতে হবে।
যারা খামারে লোকসান করছেন আজ থেকে এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন, আশাকরি লোকসান ঠেকাতে পারবেন।
👉শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন অনেকের উপকারে আসবে ।
গবাদিপশু পালন ও কৃষি খামার বাড়ি কৃষি ও খামার

Address

Mymensingh
GABI,2450BADSHAGANJ,DHARMAPASHA

Telephone

+8801887348410

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dulal Talukdar Agro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dulal Talukdar Agro:

Share