Marketing With Dhrubo

Marketing With Dhrubo I'm Dhrubo. I'm a Professional "Digital Marketer". I have professional training in Digital Marketing or Guideline.

If you need any Digital promotional service then Contact Me.

16/09/2022

SEO Topics ❤️

★★★ Technical Seo কি?
উত্তর: একটা নতুন বা পুরাতন Website কে Google এ Submitted করা থেকে শুরু করে Google এর নিজস্ব Database নেওয়ার আগ পর্যন্ত যে Process তাকে বলে Technical Seo
★★★Google প্রথমে Crowling করে তারপরে Indexing করে তারপরে Rank করে অথ্যাৎ (CIR)

★★★ Robot.Txt কি??
উত্তর: একটা Website এর কোন page Allow করবো কোন পেজ Disallow করবো এটা নির্দেশ করে।

★★★ Google Sitemap কি?
উত্তর: Sitemap হলো Important page বা Website Url গুলো সাজিয়ে রেখে দেওয়া যেনো Google এর Robot এর সহজ হয় ঐ পেজগুলো বা Url গুলো Index করতে।

★★★Canonical কি?
উত্তর: একের অধিক Page হলে বা Post হলে Only একটা Page বা Post Index করার জন্য Google এ যে Code বা Tag ব্যবহার করা হয় ঐটাই হচ্ছে Canonical.

★★★Index কি?
উত্তর: যেকোনো নতুন Website কে google এর। database এ সংরক্ষণ করে রাখাকে বলে Indexing.

★★★ Index Request কি?
উত্তর: Google এর রোবট কে বলা বা রিকোয়েষ্ট করাকে Index রিকোয়েস্ট বলে।

★★★Check Indexing কি?
উত্তর: নতুন অবস্থায় কোনো Website google এ index আছে কিনা এটা দেখার জন্য যেটা ব্যবহার করা হয় তাকে বলে Check indexing...এটা চেক করতে হলে Site:Website Url তারপরে Enter press করতে হয়

★★★Crawl কি?
উত্তর: Google এর যে Robot বা Spider বিভিন্ন Website এর বিভিন্ন স্থান থেকে যে Data সংরক্ষণ করে তাকে বলে Crawl. Crawl google যে process টা করে তাকে বলে Crawlity

★★★Schama Markup কি?
উত্তর: এটা একটা কোডিং সিস্টেম যে কোডিং এর মাধ্যমে বুঝতে পারবো একটা পোস্টকে সেটা আসলে Blog Post নাকি Article post, নাকি Event post, নাকি schedule পোস্ট এটা Google কে বুঝানো।

★★★HTTPS কি?
উত্তর: HTTPS এর পুর্ণরুপ হলো Hyper Text Transfer Protocol Secure.
এটা হলো Server এর সাথে World Wide web এর সম্পর্ক।
HTTPS একটা Website Secure কিনা এটা বুঝার জন্য Https বা SSL Certificate ব্যবহার করা হয়

★★★Google Search Console কি?
উত্তর: একটা Website index করার জন্য Google Search Console ব্যবহার করা হয়। Google Search Console এর আগের নাম ছিলো Web Muster Tools

★★★Hreflang কি?
উত্তর: Hreflang মানে হচ্ছে Multiple Language অথ্যাৎ একটা Website অনেকগুলো Language এ হয়ে থাকে যেমন France, Japan Etc..এটাতে Multiple Language set up আছে কিনা এটা চেক করার জন্য Hreflang ব্যবহার করা হয়। এটার মাধ্যমে Website এর Language auto generate হয়ে যায় যাতে ভিসিটর রা সুন্দর ভাবে সেটা পড়তে পারে।

©Collected

22/08/2021

নতুন ব্লগ ওয়েবসাইট দ্রুত রেংক করার উপায়ঃ
১. আপনার ওয়েবসাইটের নিশ রিলেটেড কিছু ওয়েবসাইট থেকে হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক নেওয়া।
২. লো কম্পিটিশন কিওয়ার্ড বেছে নেওয়া।
৩. লং টেইল কীওয়ার্ড ব্যবহার করা। শর্ট টেইল কিওয়ার্ডের কম্পিটিশন অনেক বেশি থাকে।
৪. আর্টিকেল অনেক বড় করে লেখা। এই কাজটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ নতুন সাইট রেংক করার জন্য।
৫. নিয়মিত ওয়েবসাইটে আর্টিকেল প্রকাশ করা। নিয়মিত আর্টিকেল লিখলে সহজে গুগলে রেংক করা যায়।
৬. প্রথমাবস্থায় সার্চ ভলিউম কম এমন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা। কারণ বেশি সার্চ ভলিউম সহ কিওয়ার্ড এর কম্পিটিশন অনেক বেশি থাকে।

28/02/2021

ব্যাবসা করেন আর "Word of Mouth" সম্পর্কে জানেন না?

মিস-মিস-মিস, বিশাল মিস করছেন। এই পোস্টের শেষে যেয়ে ঠিকি বুঝে আসবে এতদিন কি মিসটাই না করেছেন।

Swapno থেকে "Sorry Gift" এর গল্পটা জানেন? শুনেন তবে,

আমাদের বাসার মাসিক বাজার আমি সাধারণত Swapno থেকেই করি। কিছুদিন আগে সন্ধ্যায় বাজার করলাম মিরপুর-১০ আউটলেট থেকে। বাজারের সাথে ১ কেজি Avocado নিয়েছিলাম। বাসায় আনার পর দেখলাম Avocado ভেতরে নষ্ট। বিলে দেয়া নাম্বারে ফোন করে অভিযোগ জানালাম হেড অফিসে। বিস্তারিত শুনে বললো, আমাকে আউটলেট থেকে ফোন করবে। ভাবলাম কি ই বা উপকার পাবো, হয়তো বলবে Avocado হয়তো ইম্পর্টেড তাই চেন্জ হবে নাহ। ৫ মিনিটের মধ্যে আউটলেট থেকে ফোন আসলো এবং অত্যন্ত বিনয়ের সাথে তারা sorry বলে Avocado বদলিয়ে নেয়ার জন্য লোক পাঠালো। ২০ মিনিটের মাথায় একজন এলো বাসার নিচে। গিয়ে দেখি উনি হাতে এই Fruit Basket নিয়ে এসেছেন। অনেক রিকুয়েস্ট করে দিয়ে গেলেন এবং Avocado ফেরত নিয়ে বিল এ চেঞ্জ করার নোট লিখে দিয়ে গেলেন। আজকে এক্সচেঞ্জ করে অন্য কিছু নিয়ে আসলাম।

প্রতারণার এই যুগে এমন সার্ভিস ই "WOM Marketing" হিসেবে কাজ করে। যেমন আমি আজ Swapno এর টা করলাম।

আবার এই যে চারিদিকে এত Apple, BMW, Rolex এর নাম ছড়াছড়ি। তা জীবনে এ পর্যন্ত, এই ব্রান্ড গুলোর মোবাইলে কিংবা টিভিতে কয়টা এড দেখছেন?

আমি একটাও দেখি নায়, আমি তো খালি মানুষের মুখে শুনে শুনেই চিনি তাদের। আপনার আমার কোম্পানি যেখানে সারাদিন এড দিয়েও এলাকার লোকজনই চিনলো না। সেখানে এই কোম্পানিগুলো বিশ্ব কাপাচ্ছে কিভাবে? ১ মিনিট চিন্তা করলেই ব্যাপারটা পানির মত ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

"They have been keeping their promises!"

আপনার আর আমার কাছে, এই ব্রান্ড গুলো যে উপায়ে বেশিরভাগ পরিচিতি পেয়েছে তা হল "WOM Marketing" বা "Word of Mouth Marketing"

একটু বুদ্ধি খাটালেই এক ঢিলে ২ পাখি মারা যায়। অর্থাৎ
~মার্কেটিং
~সেলস

কম খরচে এই দুইটির কাজ করতে চাইলে "WOM Marketing" করতে হবে। এবার আসুন জেনে নেই "WOM Marketing" এর কিছু টেকনিকঃ

১. পণ্যের মান বজায় রাখুন
২. সময় মত ডেলিভারি দিন
৩. কাস্টমারের সাথে আচরণ বজায় রাখুন
৪. পণ্যের সাথে সারপ্রাইজ কিছু গিফট দিন
৫. কোনো ধরনের ভুল হলে কাস্টমারকে তার ডাবল সার্ভিস দিন।

সব তো বুঝলেন, এবার আপনার বিজনেস এর "WOM Marketing" এর জন্য খাতা কলম নিয়ে চাল সাজিয়ে ফেলুন।

22/01/2021

ভুলে যাওয়া ফেসবুক পাসওয়ার্ড ফিরে পাওয়ার শেষ চেষ্টা
অনেকেই তাদের ফেসবুক পাসওয়ার্ড ভুলে যান। অনেক সময় সেই ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড জানা খুবই দরকার হয়ে পড়ে। আজকে আমরা দেখবো- কিভাবে সেই ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড জানা যায়। তবে, শর্ত হচ্ছে- যেকোন কম্পিউটারে সেই ফেসবুক একাউন্ট save করা অবস্থায় থাকতে হবে। যাতে করে, আপনি যখন ফেসবুকে login করতে যাবেন তখন ব্রাউজারে আপনার পাসওয়ার্ড এরকম ••••••••• ডট আকারে থাকবে। এখন চলুন, জেনে নেই- এই ••••••••• থেকে কিভাবে আপনার পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন।

পদ্ধতিঃ
এই post এর ছবিতে দেওয়া ১ নং পর্যায়টির মতো আপনার পাসওয়ার্ডকে সিলেক্ট করুন। এরপর সেই সিলেক্ট করা পাসওয়ার্ডের ওপর কম্পিউটারের মাউস দিয়ে right click করে Inspect অপশনে ক্লিক করুন।
Inspect অপশনে ক্লিক করার পর এই post এর ছবিতে দেওয়া ২ নং পর্যায়ের মতো ডান পাশে কিছু লেখা আসবে। ছবিতে তীর চিহ্ন দিয়ে যেখানে দেখানো হয়েছে, সেখানে লক্ষ্য করুন। দেখবেন সেখানে type="password" লেখা আছে। এখন আপনি সেই "password" লেখার ওপর মাউস দিয়ে double click করে "text" লিখে ENTER চাপুন।
তাহলেই, ছবির ৩ নং এর মতো আপনার পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন।

এই পদ্ধতিটি একবার নিজে করে দেখতে পারেন। সবাইকে ধন্যবাদ।

Google Fuএকজন ব্যক্তি Google সার্চ করে অল্প সময়ের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার যোগ্যতাকে Google Fu বলা হয়। যেই ব্যক্তির...
14/01/2021

Google Fu

একজন ব্যক্তি Google সার্চ করে অল্প সময়ের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার যোগ্যতাকে Google Fu বলা হয়। যেই ব্যক্তির Google Fu যোগ্যতা যতো বেশি, গুগল সার্চে তিনি ততো বেশি স্মার্ট। আজকে আমরা দেখবো- কিভাবে স্মার্ট পদ্ধতিতে Google সার্চ করা যায়।

১। আপনি হয়তো মোবাইল কিনবেন। আর আপনার বাজেট হচ্ছে ১০,০০০ টাকা। তাহলে, গুগলে আপনার বাজেটের মধ্যে মোবাইল খুঁজতে লিখবেন-
mobile ৳10000
আর, যদি ১০,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকার মোবাইল সার্চ দিতে চান তাহলে লিখবেন-
mobile ৳10000..৳40000

২। আমরা অনেক সময় পরীক্ষার ফলাফল দেখার জন্য পরীক্ষার নাম লিখে গুগলে সার্চ করি। কিন্তু, সেই পরীক্ষার নামের সাথে মিলে যাওয়ায় অন্যান্য ওয়েবসাইটও চলে আসে। বিশেষ করে, কয়েক বছর আগের রেজাল্ট দেখতে চাইলে এই সমস্যা হয় অনেকের। কিন্তু, এর সমাধান আছে। আপনি যদি চান যে, গুগলে যা লিখে সার্চ দিবেন হুবহু সেটাই আসুক তাহলে আপনার লেখাটুকু ইনভার্টেড মার্কের মধ্যে লিখে সার্চ করতে হবে। যেমনঃ HSC result 2019 লিখে সার্চ দেওয়ার পর হুবহু এটাই পেতে চাইলে লিখতে হবে-
"HSC result 2019"

৩। অনেক সময় সার্চ করে আমরা শুধু একটি ওয়েবসাইট পেতে চাই কিন্তু, সেই ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ দেওয়ার ফলে ওয়েবসাইটটির নাম অন্য যেসকল ওয়েবসাইটে লেখা আছে, সেই ওয়েবসাইটগুলোও চলে আসে। কিন্তু, আপনি যদি site: লিখে তারপর সেই ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ দেন তাহলে শুধুমাত্র সেই ওয়েবসাইটই আসবে। যেমনঃ শুধু ফেসবুক ওয়েবসাইট সম্বন্ধে সার্চ করতে চাইলে লিখবেন-
site:facebook.com

৪। আবার, মনে করুন- একটি ওয়েবসাইট আপনার কাছে খুবই ভালো লাগলো। আপনার মনে হচ্ছে, 'এরকম ওয়েবসাইট যদি আরও কয়েকটি পেতাম'! তাহলে, এখনই সমাধান দিয়ে দিচ্ছি। আপনি চাইলেই আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটের মতো অন্যান্য ওয়েবসাইট সার্চ করে বের করতে পারবেন। সেই জন্য গুগলে গিয়ে প্রথমে related: লিখে তারপর আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটের নাম লিখতে হবে। যেমনঃ আপনি যদি youtube.com এর মতো অন্যান্য ওয়েবসাইট খুঁজতে চান তাহলে লিখবেন-
related:youtube.com

বিঃ দ্রঃ এভাবে সার্চ করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু ওয়েবসাইটের বেলায় কিছুই আসে না।
৫। আপনি হয়তো কক্সবাজার লিখে সার্চ করবেন। কিন্তু, আপনি চাচ্ছেন- কক্সবাজারের কোন হোটেলের ব্যাপারে কিছু না আসুক। তাহলে আপনি একটি বিয়োগ চিহ্ন দিয়ে হোটেল লিখলেই আপনার সার্চ রেজাল্টে হোটেলের বিষয়ে কিছু আসবে না। যেমন-
cox's Bazar -hotel
অর্থাৎ, আপনি যদি চান- আপনি কিছু লিখে সার্চ করবেন কিন্তু, একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে কিছু না আসুক তাহলে, প্রথমে যা সার্চ করবেন সেটা লিখুন। তারপর, আপনি যেই শব্দটি বাদ দিতে চাচ্ছেন সেটি বিয়োগ চিহ্নের পরে লিখে সার্চ করুন।

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

09/01/2021

এটা একটা রি-টার্গেট এ্যাড ✅

রি-টার্গেট কি ?
আপনি এর আগে আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন বা আমার কোন ভিডিও দেখেছেন তাই আপনাকে আবার এই এ্যাড দেখানো হচ্ছে।

কেন রি-টার্গেট এ্যাড ?
একজন ভিজিটর বা একজন কাস্টমার সাধারণত একেবারে প্রথম দেখাতেই কোন কিছু ক্রয় করে না বা ডিসিশন নেন না। তাই তাকে বার বার এই ফলো আপ এ্যাডের মাধ্যমে মনে করে দেয়া হয় তখন কোন সময় কনভেন্স হয়ে ক্রয় করেন।

লং টার্ম বিজনেসের জন্য এই অ্যাডভান্স ফর্মূলা জানা প্রয়োজন :

23/12/2020

অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত :

🔸 আপনি যদি অনলাইনে কোন কিছু কিনতে চান অবশ্যই সেই বিক্রেতার আগের এক্টিভিটিস দেখে কিনবেন। অ্যাক্টিভিটি বলতে অবশ্যই এটা তার প্রোফাইলে গিয়ে এবং তার পেইজে গিয়ে সেই পেইজে অ্যাক্টিভিটিজ দেখা।

🔸তাছাড়া আর একটা বিষয় হচ্ছে বিকাশে পেমেন্ট করা। অবশ্যই পেমেন্ট করার পরে একটা স্ক্রিনশট রেখে দিবেন । কারণ অনেকেই বলে যে তারা টাকা পায়নি । আবার অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখিয়ে পণ্য দিতে দেরি করে ।

🔸 আরেকটা বিষয় খেয়াল করবেন সেটা হচ্ছে যদি দেখেন বিক্রেতার প্রোফাইল লক তাহলে আমি বলব তার কাছ থেকে কোন কিছু অর্ডার না করতে।

🔸 কারণ একজন ব্যবসায়ীর প্রোফাইল কখনো লক থাকেনা তার প্রোফাইলই হচ্ছে বিশ্বাসের একটা জায়গা যেখানে থেকে আমরা তার অ্যাক্টিভিটি দেখে তাকে বিশ্বাস করতে পারব।

🔸 আসলে অনেক অসাধু বিক্রেতা আছে যাদের কাজ হচ্ছে মানুষ কে ঠকানো।

তাই আমি বলবো "যাকে চিনি তার কাছ থেকে কিনি"

13/12/2020

#নতুনদের_জন্য_কিছু_টিপস
কয়েকটি ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার এই পোস্ট। যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রীল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উদয় হয়। দেখি আমি কি কি বিষয় লিখতে পারি এখানে। তবে একটি লিস্ট করে ফেলি তার আগে।
• ফ্রিল্যান্সিং কেন করব।
• ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
• আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
• ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
• আমার কি কি শিখা উচিত?
• আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
• আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করব।
• আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।
• আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
• কভার লেটার লেখার নিয়ম
• টাকা কিভাবে পাবো?
✅ ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কেন করব।
আপনার যদি স্বাধীনতা পছন্দ হয়, নিজ বাসায় বা যে কোন স্থান থেকে কাজ করতে ভালো লাগে, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কেন করবে, তা নিয়ে বিস্তারিত একটি লেখা লিখেছি। চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য।
,✅কোন সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়??
একদম সহজ থেকে শুরু করি, আপনি যা জানেন তা দিয়েই কাজ শুরু করতে পারবেন। লেখা লেখি, ডেটা এন্ট্রি, প্রোগ্রামিং, মার্কেটিং, টাইপিং, ডিজাইনিং, ইমেজ এডিটিং, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ডেভেলপমেন্ট, ভার্চুলাল এসিস্ট্যান্ট সহ অনেক কিছু। এগুলো দেখে একটা ধারনা নেওয়া যাবে অনলাইনে কি কি কাজ পাওয়া যায়, কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে বিষয়টা ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় পেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?
✅আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথাগত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুলে ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ জেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রিল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।
✅আমার কি কি শিখা উচিত?
আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব পোস্ট পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।
✅আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খুলে ঐ মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন। প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেস এ নিজের প্রোফাইল সাজাতে হয়। প্রোফাইলে নিজে কি কি কাজ পারি তা যুক্ত করতে হয়। নিজে যেটা পারি, সেটা সত্যি পারি কিনা, তা জন্য অনলাইন পরীক্ষা দিতে হয়। এসব করতে পারলে বুঝতে পারবেন আপনি কাজ করার জন্য উপযুক্ত। এরপর কাজ পাওয়ার জন্য, কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।
• upwork.com
• freelancer.com
• guru.com
• 99designs.com
• fiverr.com
• getacoder.com
ইত্যাদি।
✅আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না??
কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। যে কাজটা আপনি পারবেন বলে আপনি কনফিডেন্ট। যদি না পারেন, তাহলে বিড করার পূর্বে আগে গুগলে সার্চ করে ঐ কাজটি সম্পর্কে আইডিয়া নিন। আপনি শিখে নিতে পারেন। এভাবে শিখতে শিখতে এক্সপার্ট হয়ে যেতে পারবেন। সুন্দর করে যদি আপনি জবের জন্য এপ্লিকেশন করার সময় মেসেজ দিয়ে থাকেন, কেন আপনি কাজটা করতে চান, কিভাবে আপনি কাজটা সম্পুর্ণ করবেন, তা বুঝিয়ে দিলে একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। আর রিপ্লাতে সাধারনত জিজ্ঞেস করা হয় কখন কাজটি আপনি শুরু করতে পারবেন, কত দিন সময় লাগবে ইত্যাদি। এগুলো সুন্দর মত বুঝিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে।
✅কভার লেটার লেখার নিয়ম
আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে। সবাই চায় অভিজ্ঞতা। আপনার কভার লেটারে আপনি নিজে শেখার সময় যে কাজ গুলো করেছেন, সেগুলো দিতে পারেন। কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব পোস্টটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভার লেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে। কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।
✅টাকা কিভাবে পাবো?
আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। সেখান থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন। ওডেস্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি মানিবুকার্স বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবেন হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।
টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি আপওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সার থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। ফ্রি কার্ড। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।
✅টাকা কি সত্যিই পাবো?
জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে সত্যিই টাকা পাবেন।
দোয়া করি আপনার ফ্রীল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।
এ সম্পর্কিত দুই একটা লেখাঃ
• সফলতা এবং অন্যান্য
• আগে কাজ শিখুন প্লিজ, তার পর কাজ করুন। অন্তত কি করবেন তা সম্পর্কে ধারনা নিন।
• ফ্রীল্যান্সিং করা নাকি অন্য কিছু?
আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন ✉️
পরবর্তী পোষ্টের জন্য অপেক্ষা করুন 🌹
ধন্যবাদ❤️

কিভাবে সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেনসেলস ফানেল মার্কেটিং এর অন্যতম সেরা একটা মাধ্যম। তাই আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার...
08/12/2020

কিভাবে সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেন

সেলস ফানেল মার্কেটিং এর অন্যতম সেরা একটা মাধ্যম। তাই আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসকে প্রমোট করতে চান তাহলে সেলস ফানেলের মাধ্যমে অ্যাড তৈরি করে মার্কেটিং করা হতে পারে আপনার জন্য চমৎকার স্ট্রেটিজি। চলুন একটু বুঝে নেয়া যাক কিভাবে আপনি সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেন।

স্টেপ ১- প্রথমেই আপনার আলাদা আলাদা কিছু কন্টেন্ট লাগবে।

প্রথমেই আপনাকে বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে, আপনি ভাইরাল হয় অথবা অনেক চাহিদা আছে এরকম ব্লগ পোস্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন। ব্লগ পোস্ট ছাড়াও সেটা ভিডিও হতে পারে, ইনফোগ্রাফিক হতে পারে, স্লাইড শো হতে পারে, ওয়েবিনার হতে পারে অথবা ফ্রি ই বুক অফার হতে পারে, এটা ডিপেন্ড করে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের উপর। তবে এখানে প্রথমেই সেলের কথা বলা ঠিক হবে না, আপনার ক্লায়েন্টদের রেডি করেন আগে।

এবং এখনে আরেকটা ব্যাপার আপনাকে করতে হবে বয়স বুঝে আপনাকে কন্টেন্ট বানাতে হবে,আপনি হয়তো একটা নির্দিষ্ট বয়স নিয়ে কাজ করেন না, আপনার ক্রেতা হয়তো বিভিন্ন বয়সের আর বিভিন্ন বয়সের মানুষ বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট পছন্দ করবে না এটাই স্বাভাবিক তাই নয় কি? সে জন্য আপনাকে বয়স বুঝে এবং তাই পছন্দ বুঝে কন্টেন্ট বানাতে হবে এবং সেগুলা ফেসবুকে পেইড প্রমোট করতে হবে।

স্টেপ-২ আপনার "Warm Audience" এর কাছে আপনার কন্টেন্ট প্রমোট করতে হবে।

আমরা বলবো যে যারা আপনার Warm Audience তাদের কাছে প্রথমে আপনার কন্টেন্ট মার্কেট করেন, এখন কথা হচ্ছে Warm Audience কাকে বলে জানেন কি?

Warm Audience হচ্ছে তারা যারা কোন ভাবে আপনাকে চেনে জানে ইত্যাদি এবং যেহেতু তারা আপনাকে চেনে এবং জানে তারা আপনার প্রোডাক্টে আগ্রহ দেখাতে পারে।

এরা হতে পারে আপনার পেজে যারা লাইক লিস্টে আছে তারা অথবা আপনার ওয়েবাইটের ভিজিটর।

এখানে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনার কোন কন্টেন্ট সব থেকে ভালো কাজ করে।

স্টেপ-৩ লুকে এ লাইক অডিয়েন্স তৈরি করা

আপনি আপনার কিছু কন্টেন্ট দিয়ে অ্যাড চালালেন, সেটা ভিডিও ভিউজ হতে পারে, এংগেজমেন্ট অ্যাড হতে পারে, লিড জেনারেশন হতে পারে, যেটাই হোক আপনি কিছু অডিয়েন্স পেলেন, সেগুলা দিয়ে আপনি কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করলেন, কিন্তু সেটা আপনার জন্য যথেষ্ট হবে বলে আমার মনে হয় না, আপনাকে লুকে এ লাইক অডিয়েন্সে যেতে হবে? লুকে এ লাইক অডিয়েন্সে কি লাভ? লুকে এলাইক অডিয়েন্স তারাই যারা আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের মতই, তাদের ফেসবুক প্রোফাইল ইনফরমেশন, বিহেবিয়ার ইত্যাদি প্রায় একই রকম, তাহলে আপনি আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের সাথে সাথে কিছু বাড়তি অডিয়েন্স পেয়ে গেলেন যারা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আগ্রহী হতে পারে।

ফেসবুক মার্কেটিং এর বিভিন্ন গাইডলাইন মূলক অনেকগুলা লেখা এক সাথে কতে বাজারে আমার একটা বই আছে, আগ্রহী হলে কালেকশনে রাখতে পারেন। আমাকে ইনবক্স করলে আমি বলে দিবো কোথায় পাবেন।

স্টেপ ৪ আপনার সেরা কন্টেন্ট প্রমোট করেন

যারা আপনাকে ইতিমধ্যে চেনে তাদের নিয়ে তো কন্টেন্ট বানালেন, কাস্টোম অডিয়েন্স, লুকে লাইক অডিয়েন্স করে তাদের দেখালেন আপনার কন্টেন্ট কিন্তু যারা আপনাকে একদমই জানে না তাদের জন্য কি?

তাদেরকে বলা হয় "Cold audinece" যারা আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে অবগত নয়। আপনার মনে আছে কি ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে আপনি আপনার "Warm audience" কে প্রভাবিত করেছিলেন? এখন সময় হচ্ছে ঠিক সেই কন্টেন্টগুলা থেকে সব থেকে বেস্ট কন্টেন্ট দিয়ে আপনার "Cold audience কে প্রভাবিত করা। যেহেতু এরা একদম নতুন তাই এদের কন্টেন্ট হতে হবে আরো শক্তিশালি, জড়ালো। এখানেও কন্টেন্ট হতে পারে ভিডিও, ব্লগ, ফ্রি ই বুক, ইত্যাদি।

এটা করলে যেটা হবে সেটা হচ্ছে এখান থেকে আপনি কিছু ভালো মানের "Cold audience" আপনার ডাটাবেজে নিয়ে যেতে পারবেন এবং আপনার কন্টেন্ট যদি তারা পছন্দ করে তাহলে তারা আস্তে আস্তে "Cold audience" থেকে "Warm audience" এ রূপান্তরিত হতে পারে। আর সেটাই আপনার দরকার।

স্টেপ ৫- ইফেক্টিভ মার্কেটিং

আপনি এটা আশা করতে পারেন না যে বিশাল সাইজের একটা "Cold audience" নিয়ে আপনি অ্যাড চালাবেন আর সেখান থেকে আপনি টনের উপর টন লিড পেয়ে যাবেন এবং তার আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য পাগল হয়ে যাবে, বিশেষ করে যে সব প্রোডাক্টের কম্পিটিশন অনেক বেশি তারা যদি এরকম আশা করে ভুল হবে, সেল যে একদমই হবে না সেটা না তবে আপনার আশা অনুযায়ী হয়তো হবে না।

যেটা করতে হবে আপনার "cold audience" কে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে আকৃষ্ট করতে হবে, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হবে যেন তারা আস্তে আস্তে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের দিকে ধাবিত হয়। তবে এই সেলস ফানেলের ফর্মুলা রাতারাতি কাজ করবে না এটা মনে রাখবেন, এটা একটা চলমান প্রসেস, আপনাকে এটা দিনের পর দিন করে যেতে হবে এবং একটা সময় এসে আপনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন আপনার প্ল্যান কাজ করা শুরু করেছে।

স্টেপ ৬ ফেসবুক পিক্সেল ব্যাবহার করেন

ফেসবুক পিক্সেল দিয়ে কিভাবে কাজ করবেন

১। ফেসবুক পিক্সেল বানাবেন
২। আপনার ওয়েবসাইটে পিক্সেলের কোড বসাবেন
৩। এরপর আপনি রিমার্কেটিং করবেন, যারা আপনার ওয়েব সাইট ভিজিট করেছে তাদেরকে বারবার আপনার প্রোডাক্ট, সার্ভিস ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

স্টেপ ৭ - ভিডিওর মাধ্যমে রিমার্কেটিং করেন

বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং পদ্ধতি নিয়ে এখন কাজ করা যায়, আপনি যখন এটা ফেসবুকের মাধ্যমে করতে চান আমরা বলবো ভিডিও এর মাধ্যমে আপনার সেলস ফানেলে ন্যারো করেন।

আপনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম ভিডিও ফেসবুকে দেখে থাকেন, আপনারাও বিভিন্ন ভিডিও বানাতে পারেন এবং ভিডিও ভিউজের ডাটা নিয়ে সেটা দিয়ে কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করে আবার আরেকটা কন্টেন্টে সেটা আপ্লাই করে প্রমোট করতে পারেন। তাহলে যারা আপনার ভিডিও আগে দেখেছে তারা আপনাকে কিছুটা চেনে, আরো কয়েকবার দেখালেন আরো ভালো করে চিনলো, এরপর আপনি সেল পোস্ট দিলেন তাদেরকে অডিয়েন্সে সিলেক্ট করে, তবে চেনানোর জন্য যে ভিডিও দিবেন সেটা সেল পোস্ট না হয়ে বিভিন্ন ধরনের টিপস, উপকারি, সচেতনতা পোস্ট, মজার ভিডিও, বানী ইত্যাদি হতে পারে, এখানে আপনার ক্লায়েন্টের পারসোনা অনুযায়ী আপনাকে কন্টেন্ট কি হবে সেটা ঠিক করতে হবে।

ইতি টানি এইভাবে

একটু রিভাইজ হয়ে যাক

১। ভিন্ন ভিন্ন অডিয়েন্সের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করুন, খেয়াল রাখবেন ক্লায়েন্টের পারসনা খুব গুরুত্বপূর্ণ

২। লুকে এলাইক অডিয়েন্স তৈরি করেন (কোল্ড অডিয়েন্স) যারা আপনার প্রোডাক্টে সরাসরি ইন্টারেস্টেড না হলেও একই ধরনের প্রোডাক্টে ইন্টারেস্টেড।

৩। লুকে এলাইক অডিয়েন্সের কাছে আপনার সব থেকে সেরা কন্টেন্ট নিয়ে যান

৪। এখান থেকে কিছু কাস্টোমার "ওয়ার্ম অডিয়েন্সে রুপান্তর হবে এবং কিছু জিনিস কিনবে"

৫। ফেসবুক পিক্সেলের মাধ্যমে রি মার্কেটিং করেন

৬। আপনার সেল বাড়ান।

Address

Mymensingh
2200

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801797371633

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Marketing With Dhrubo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Marketing With Dhrubo:

Share