27/05/2026
হবিগঞ্জের দুই সন্তানের মা, মানসিক ভারসাম্যহীন। কী করে এলেন তিনি এই ঢাকা শহরে? ট্রেনে? বাসে চেপে? তার পরিবার তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে যখন তখন তিন-চার জন যাত্রাবাড়িতে এক বাড়ির চিপায় তাকে দলবদ্ধ ধ-র্ষণ করে। তাও এই মাসের তিন তারিখ রাতের ঘটনা, পরদিন রাস্তায় তার নিথর দেহ পুলিশ উদ্ধার করে।
এখন যে বাড়ির নিচে এই ঘটনা ঘটেছে, সেই বাড়ির মালিকের ছেলে উনাদের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে গিয়ে ঘটনাটি সম্পূর্ণ দেখেন।
একটা অটোরিকশায় করে নারীকে নিয়ে আসা হয়েছে, অটোরিকশা চালক এবং আরও দুই যুবক মোট তিনজন তাকে নামায়। রাস্তার পাশের বিল্ডিং এর নিচে নিয়ে দলবদ্ধ ধ-র্ষণ করে তারপর রাস্তায় এনে ফেলে রেখে দেয়। এরপর আরেকজন এসেছে, এসে রাস্তার এক পাশ থেকে ম-রা গরুর মতো টেনে হিঁচড়ে আরেকপাশে নিয়েছে আধা জ্যান্ত বডি।
আবার আরেকজন এসেছে, সেই আধা জ্যান্ত বডিকে তুলে এনে পুনরায় বিল্ডিং এর নিচে এনে ধ-র্ষ-ণ করেছে। সেই চিত্র পুরোই স্পষ্ট সিসিটিভি ফুটেজে। এভাবে চলে ভোর চারটা পর্যন্ত। সবশেষে এরা চলে গেলে নারী নিজে হামাগুড়ি দিয়ে রাস্তায় এসে পড়ে যান।
ব্যস! সকালে দেখা যায় নিথর দেহ ঘিরে মানুষ জমছে। উনাকে পুলিশ হাসপাতালে পাঠায়, সেখানেই তিনি মা-রা যান। এই ঘটনা কেউ জানতোই না সিসিটিভি ফুটেজ সামনে না এলে। পুলিশ কেন মৃ-ত্যুর তদন্ত করতে আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে না সে প্রশ্ন তুলেও কোনো লাভ নেই এই দেশে।
সেই নারীর ভাই বলেছেন, উনাকে খুঁজছিলেন পরিবার। উনার দু'জন সন্তান আছেন। উনি মানসিক ভারসাম্যহীন।
একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর পরিবার সেই হবিগঞ্জ থেকে এসে কতটা প্রেসার ক্রিয়েট করতে পারবেন, আদৌ করবেন কি না জানিনা। এই নারীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাবেন বলে মনে হয় না। আর ভাই-রাল না হলে বিচারের অগ্রগতিও হবে না। দুইজন ধ-র্ষক-কে ধরা হয়েছে, এরা স্বীকার করেছে। বাকি ব্যক্তি বা অন্যরা পলাতক।
আমি চাই এই ঘটনা শেয়ার হোক, এই ঘটনা নিয়ে কথা হোক, সরকার বাধ্য হোক।
আহা! কী ভেবেছিলেন সেই নারী, একবার বাসায় ফিরতে চেয়েছিলেন হয়তো। হয়তো বাসা থেকে বের হয়ে আর পথ খুঁজে পান নি ফেরার। পথ খুঁজতে খুঁজতে এই মৃ-ত্যু-ফাঁ-দে এসে পড়েছিলেন কিনা কে জানে!
আমি এই ঘটনাকে ভীষণ পারসোনালি নিলাম, আপনারাও নিন। একজন ভারসাম্যহীন নারীর জন্যে উনার পরিবার হবিগঞ্জ থেকে কতটা লড়তে পারবে জানিনা। আপনি, আমি উনার হয়ে দাঁড়াই। প্লিজ কথা বলুন।
ধ-র্ষ-ক-দের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি-ই চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে।
~ মৌ!