29/07/2026
(১) RM,SM,RE এগুলো দ্বারা কি বুঝায়?
উত্তরঃ RM,SM,RE এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বোঝানো হয়।
RM বলতে বুঝায় অনেক খেই বিশিষ্ট তার যার প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার।
SM বলতে বোঝায় অনেক খেই বিশিষ্ট তার যার সেক্টর আকৃতি।
RE বলতে বোঝায় সিঙ্গেল নিরেট তার যা প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার।
(২) ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি ইলেকট্রিক্যাল স্ট্যাটিক ডিভাইস।
(৩) ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারণ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারণ হলো-
* ওভার লোডের জন্য গরম হতে পারে।
* ওভার ভোল্টেজ এর জন্য গরম হতে পারে।
* ইনসুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে।
* কোথাও আর্থ হয়ে গেলে।
(৪) কালার কোড সিস্টেম কি?
(৫) এক ফেজ ট্রান্সফরমার কে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।
(৬) এক কিলোওয়াট = কত হর্স পাওয়ার?
উত্তরঃ ১ কিলোওয়াট = ১.৩৪ হর্স পাওয়ার।
(৭) ১ হর্স পাওয়ার = কত কিলোওয়াট?
উত্তরঃ ১ হর্স পাওয়ার = ০.৭৪৬ কিলোওয়াট।
(৮) RMS এর পূর্ণ অর্থ কি? আর এম এস এর মান কত ধরা হয়?
উত্তরঃ RMS এর পূর্ণ অর্থ হলো Root Mean Square.
আর এম এস এর ভেলু= ০.৭০৭ মেক্স
(৯) DC এর ক্ষেত্রে পাওয়ার ফ্যাক্টর কি থাকে?
উত্তরঃ DC এর ক্ষেত্রে কোন পাওয়ার ফ্যাক্টর থাকে না।
কারণ এর ফ্রিকোয়েন্সি নেই,
এর মান শুন্য।
(১০) RTD এর পূর্ণ অর্থ কী?
উত্তরঃ RTD এর পূর্ণ অর্থ হলো Resistive Temperature Detector,
(১১) ইলেকট্রনিক্স কাজে কোন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ইলেকট্রনিক্স কাজে কার্বন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়।
(১২) ডায়নামো কি ?
উত্তরঃ ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
(১৩) মেগার কি?
উত্তরঃ মেগার হলো ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স পরিমাপক যন্ত্র।
(১৪) কোন ট্রান্সফরমারের একটি মাত্র কয়েল থাকে?
উত্তরঃ অটো ট্রান্সফরমারের একটি মাত্র কয়েল থাকে?
(১৫) বুখল্জ রিলে কোথায় থাকে?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের এর ট্যাংক ও কনজারভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে লাগানো থাকে।
(১৬) বাংলাদেশের জেনারেটিং ভোল্টেজ কত?
উত্তরঃ ১১ কেভি
(১৭) আর এম এস এর মান কত ধরা হয়?
উত্তরঃ আর এম এস ভেলু=০.৭০৭ মেক্স
(১৮) ট্রান্সফরমার মূলত কি কি জিনিস দিয়ে তৈরি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার মূলত
* প্রাইমারি কয়েল
* সেকেন্ডারি কয়েল
* ম্যাগনেটিক কোর ইত্যাদি দ্বারা তৈরি।
(১৯) ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ হলো
* ইহা ট্রান্সফরমাকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
* ইহা ইনসুলেশনের কাজ করে।
(২০) এক ফেজ ট্রান্সফরমার কে তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।
(২১) গার্ড ওয়্যার কি?
উত্তরঃ গার্ড ওয়্যার হচ্ছে ট্রান্সমিশন লাইনের নিচের ব্যবহার করা তার যা আর্থের সঙ্গে লাগানো থাকে।
(২২) পাওয়ার ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার কার্যকালের সর্বক্ষণ লোড অবস্থায় থাকে তাকে পাওয়ার ট্রান্সফরমার বলে।
যেমনঃ মেইন সাব স্টেশন
(২৩) ডিস্টিবিউশন ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার কার্যকালের উল্লেখযোগ্য সময় লোড অবস্থায় থাকে তাকে ডিস্টিবিউশন ট্রান্সফরমার বলে।
যেমনঃ ডিস্টিবিউশন সাব স্টেশন।
(২৪) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে ট্রান্সফরমার হাই ভোল্টেজ এবং হাই কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয় তাকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।
(২৫) ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তরঃ দুই ভাগে-
* কারেন্ট ট্রান্সফরমার
* ভোল্টেজ অথবা পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার।
(২৬) পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো সাধারণত ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ।
অন্য ভাবে বলতে গেলে একটিভ ও এপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা, রেসিস্টেন্স ও ইম্পিডেন্স এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
(২৭) পাওয়ার ফ্যাক্টরকে কি দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
উত্তরঃ কস থিতা(cos থিতা),
ইহার কোন একক নেই। ইহাকে শতকরা হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
(২৮) MCB কি?
উত্তরঃ MCB এর পূর্ণ অর্থ হলো Miniature Circuit Breaker,
যে সকল সার্কিট ব্রেকার আকার ছোট এবং অনেক কম কারেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় তাকে Miniature Circuit Breaker বলে।
(২৯) পাওয়া ফ্যাক্টরের মান কত পর্যন্ত হতে পারে?
উত্তরঃ (০-১) পর্যন্ত হয়ে থাকে।
(৩০) কি কারনে আমরা MCB ব্যবহার করে থাকি?
উত্তরঃ MCB ব্যবহারের কারণ-
* ওভারলোড প্রোটেকশনের জন্য।
* শর্ট সার্কিট প্রোটেকশনের জন্য।
* As s hand operated on/off switch.
(৩১) MCB কত প্রকার ও কি কি এবং কখন ট্রিপ করে?
উত্তরঃ MCB সার্কিট ব্রেকার তিন ধরনের-
* টাইপ বি সার্কিট ব্রেকার
* টাইপ সি সার্কিট ব্রেকার
* টাইপ ডি সার্কিট ব্রেকার
টাইপ বি সার্কিট ব্রেকারঃ ৩ থেকে ৫ গুণ বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হলে এই ধরনের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে।
টাইপ সি সার্কিট ব্রেকারঃ ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হলে এই ধরনের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে।
টাইপ ডি সার্কিট ব্রেকারঃ ১০ থেকে ২০ গুণ বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হলে এই ধরনের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে।
(৩২) ওহমের সূত্রটি লেখ।
উত্তরঃ স্থির তাপমাত্রা কোন সার্কিটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ওই সার্কিটের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ V সমানুপাতিক I
V= IR
(৩৩) সিনক্রোনাস মোটর কি?
উত্তরঃ যে মোটর সিনক্রোনাস গতিতে ঘুরে তাকে সিনক্রোনাস মোটর বলে।
(৩৪) সিনক্রোনাস গতিবেগ কত?
উত্তরঃ সিনক্রোনাস গতিবেগ হলো Ns= 120 f/p
(৩৫) একটি ইন্ডাকশন মোটর এর প্রধান অংশ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ একটি ইন্ডাকশন মোটরের প্রধান অংশ হলো দুটি-
* স্টেটর
* রোটর
(৩৬) ব্রিদার কি?
উত্তরঃ ব্রিদার ট্রান্সফরমার এর কনজারভেটরের সহিত লাগানো থাকে। যার মাধ্যমে ট্রান্সফরমার এর গরম হাওয়া ট্যাংক হতে বাহির হয় এবং ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ভিতরে ডুকে।
(৩৭) তিন ফেজ ইন্ডাকশন মোটর এর ডায়াগ্রাম অংকন করতে কি কি জানা দরকার?
উত্তরঃ যা জানা দরকার তা হলো-
* no load test
* short circuit test
* starter resistance test
(৩৮) বুখল্জ রিলে কি?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের এর বিভিন্ন ত্রুটির কারনে প্রটেকশন ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমারের এর ট্যাংক ও কনজারভেটর এর পাইপের মাঝে যে রিলে বসানো হয় সেটাই হলো বুখল্জ রিলে।
(৩৯) মোটর কাকে বলে? মোটর কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ মোটর হচ্ছে এমন একটি ডিভাইস যা ইলেকট্রিক্যাল শক্তি বা বিদ্যুৎ শক্তিকে মেকানিকাল শক্তিতে বা যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তর করে।
মোটর সাধারণত দুই প্রকার-
* এসি মোটর
* ডিসি মোটর
ডিসি মোটর তিন প্রকার
* সিরিজ মোটর
* সান্ত মোটর
* কম্পাউন্ড মোটর
(৪০) পরিবাহী কাকে বলে? পরিবাহী কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ যে সব পদার্থের মধ্যে দিয়ে সহজেই একস্থান হতে অন্যস্থানে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে অর্থাৎ কোন বাধা প্রদান করে না তাকে পরিবাহী বলে।
পরিবাহী তিন প্রকার -
* সু পরিবাহী
* অর্ধ পরিবাহী
* কু পরিবাহী
(৪১) সুপরিবাহী কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদার্থের মধ্যে দিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে সুপরিবাহী বলে।
যেমনঃ তামা, লোহা, সোনা, রূপা,সীসা, দস্তা, নিকেল, পারদ,প্লাটিনাম ইত্যাদি।
(৪২) অর্ধপরিবাহী কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদার্থের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় আংশিক ভাবে বাধাগ্রস্ত হয়,তাকে অর্ধপরিবাহী বলে।
যেমনঃ কার্বন, সিলিকন,জার্মেনিয়াম ইত্যাদি।
(৪৩) কুপরিবাহী কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদার্থের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না কুপরিবাহী বলে।
যেমনঃ রাবার,তুলা, মার্বেল ইত্যাদি।
(৪৪) জাম্পার কি?
উত্তরঃ মেইন লাইন হতে বাসাবাড়িতে সাপ্লাই লাইন এর সংযোগ।
(৪৫) সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে?
উত্তরঃ ভালো অবস্থায় ধবধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাষ্প গ্রহণ করলে কিছুটা বাদামী হয়ে যায়। আবার উত্তাপ দিলে সাদা হয়ে যায়।
(৪৬) আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বাঞ্ছনীয়?
উত্তরঃ বাসাবাড়ির জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়া লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।
(৪৭) একটি তিন ফেজ মোটরের বডিতে টেস্ট বাতির এক মাথা সাপ্লাই এর সাথে সংযোগ করলে বাতি পূর্ণ ভাবে জ্বলে, ইহাতে কি বোঝায়?
উত্তরঃ ইহার মানে হলো মোটরের বডি ভালোভাবে আর্থ করা আছে।
©