ADs by Shakib

ADs by Shakib Hi, This is Shakib. Here I told you about F-Commerce Business Development, Facebook Ads & Marketing

I’m Facebook Marketing and F-commerce business Specialist also very passionate and dedicated to my work. I'm a 𝐁𝐫𝐚𝐧𝐝 𝐌𝐚𝐫𝐤𝐞𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐄𝐱𝐞𝐜𝐮𝐭𝐢𝐯𝐞
I have over 05 years of experience working in Social Media Management and F-Commerce Industry. Currently, I work as the Brand And Marketing Executive at Shopperz’ Haul, where I lead a Marketing team of seven, building unique Ideas that are helping The Company ach

ieve more in their Brand Value with profit! I’m deeply passionate about creating loved and trusted Strategies, that help company their Product goals.

বর্তমানে ২০২৪ শেষের দিকে, আর কিছু দিন ঘুমিয়ে থাকলেই পেয়ে যাবেন ২০২৩ সাল। দিন যত যাচ্ছে ফেসবুকে বিজনেস করা যেন কঠিন থেকে ...
03/12/2024

বর্তমানে ২০২৪ শেষের দিকে, আর কিছু দিন ঘুমিয়ে থাকলেই পেয়ে যাবেন ২০২৩ সাল। দিন যত যাচ্ছে ফেসবুকে বিজনেস করা যেন কঠিন থেকে কঠিনতম হয়ে উঠছে, ক্লায়েন্ট তার মার্কেটার কে আর মার্কেটার ক্লায়েন্টের প্রডাক্ট কে দোষ দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এটা বুঝতে পারছে না এতোদিন ধরে যে এডস গুলো চালিয়ে আসছে সেগুলোতে আসলে মেসেজ নাকি সেল দরকার? ঠিক এই কথাটার উত্তর হিসেবে এই লেখা টা।

উত্তর দেওয়ার আগে একটা ব্যাপার জানিয়ে রাখি এই পোস্ট তাদের জন্য না, যারা একটা পেইজ থেকে মাছ-মাংশ থেকে শুরু করে গাজরের হালুয়া আর শাড়ি থ্রিপিস সাথে কেক আর আমের আচার সহ দুনিয়ার হাবিজাবি সব বিক্রি করছেন বা করার চিন্তা করছেন। যদি আপনি একটা প্রডাক্ট বা এক ধরনের প্রডাক্ট নিয়ে বিজনেস করছেন বা করার চিন্তা করছেন তাহলে পোস্ট টা আপনার জন্য হেল্পফুল তা নিশ্চিত।

মেসেজ নাকি সেল? এই প্রশ্নের উত্তর স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড হলো এগুলোর মধ্যে আপনার কোন টাই দরকার নেই, আপনার যা দরকার তা হলো সত্য টা জানা, আর সে অনুযায়ী কাজ করা এবং ভালো আউটপুট বের করে আনতে হলে সে সব অবশ্যই দরকার। একটা সময় দেখা যেতো এক পেইজ থেকেই মাস শেষে লক্ষ লক্ষ টাকার সেল করে বিজনেস করছে অনেকেই, বর্তমানে সে দিন নাই, এখন আপনার দরকার সরাসরি আপডেট, বিজনেস স্কেল করতে যা যা দরকার তার আপডেট। আমি সে সব ব্যাপারগুলো কয়েকটা ধাপে আলোচনা করার চেষ্টা করছি,

প্রথম ধাপঃ আপনি যে প্রডাক্ট বা সার্ভিস টা বিক্রি করছেন সে প্রডাক্ট/সার্ভিস নিয়ে সম্পূর্ণ জানুন, শুধু সম্পূর্ণ না তার চেয়ে বেশি জানুন, কখনও প্রডাক্ট/সার্ভিসের স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করার দরকার নেই, আপনি যখন কোন প্রডাক্ট/সার্ভিস নিয়ে বিজনেস করছেন তখন আপনার সে প্রডাক্ট/সার্ভিস সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা যেমনঃ কেন কীভাবে কখন কোথায় কি হবে সেটা জানা টা আপনার উচিত।

দ্বিতীয় ধাপঃ এই ধাপে আপনাকে যে ব্যাপার টা নিয়ে কাজ করতে হবে তা হলো আপনার অডিয়েন্স/কাস্টমার খুঁজে বের করা, প্রতিটা প্রডাক্ট/সার্ভিস এর ভিন্ন এবং আলাদা আলাদা অডিয়েন্স/কাস্টমার রয়েছে যাদের সে প্রডাক্ট/সার্ভিস টা আসলেই দরকার, অর্থাৎ লয়াল অডিয়েন্স খুঁজে বের করা। একটা উদাহরণ এর মাধ্যমে যদি বুঝাতে চাই, ধরুন আপনার প্রডাক্ট হলো 'Organic Foods' যা একটি ফ্যামিলি কেয়ার প্রডাক্ট। এবার এই প্রডাক্ট এর অডিয়েন্স বের করবেন কীভাবে? এ জন্য আপনাকে কয়েকটা ধাপে আগাতে হবে,
যেমনঃ এই প্রডাক্ট কাদের লাগবে?
উত্তরঃ অবশ্যই যারা নিজের এবং ফ্যামিলির স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করে
কোন জেন্ডারের মানুষ নিবে?
উত্তরঃ যেহেতু ফ্যামিলি, তাই মহিলা-পুরুষ উভয়ে নিবে।
কোন বয়সের মানুষ কিনবে?
উত্তরঃ ২২ থেকে ৫০ বছর (ফ্যামিলিতে বেশিরভাগ কন্ট্রিবিউশন থাকে এই বয়সের এবং এই বয়সের মধ্যেই টাকা ইনকাম এর শুরু এবং তারাই ফ্যামিলির জন্য বেশি চিন্তা করে থাকে, অর্থাৎ আপনার প্রডাক্ট টি ফ্যামিলি প্রডাক্ট হলে এরাই কিনবে)
এবার ঠিক করুন আপনার প্রডাক্ট এর দাম কত?
বাংলাদেশের মার্কেটে সাধারণত Organic Foods এর দাম নির্ধারণ হয় পরিমাণ এবং কোয়ালিটির উপর। ধরুন আপনার একটাই প্রডাক্ট এবং একটাই কোয়ালিটি এবং তার প্রাইস ২০০০৳, অর্থাৎ যারা নিম্ন আয়ের মানুষ তারা সহজে আপনার প্রডাক্ট কিনবে না। আপনি আরো একি ধরনের কিছু বাস্তবসম্মত উপায় ব্যবহার করে আরো ফিল্টারিং এবং টার্গেটিং করতে পারেন। আপাতত এ টুকু ব্যবহার করলে বুঝতে পারা যায় আপনার অডিয়েন্স/কাস্টমার কারা।

এ পর্যায়ে আপনার অডিয়েন্স কে আইডেন্টিফাই করার পরে আপনার দরকার একটা এড ডিজাইন বা এড কপি, অর্থাৎ আপনার যে প্রডাক্ট সেটা সম্পর্কে মানুষ কে জানানো এবং হাইলাইট করা। হাইলাইট এ প্রডাক্ট এর উপকারিতা, এবং প্রডাক্ট ব্যবহার করলে কি রকম বেনিফিট হবে সেটার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এবং কাস্টমার এর বিশ্বাস অর্জন করে এমন কিছু চেষ্টা করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ভিডিও কিংবা ইমেজ এড কপি ব্যবহার করতে পারেন, তবে ভিডিওর মাধ্যমে প্রডাক্ট কে Customer কে Better Understanding দেয়।

এই মুহূর্তে আপনার ব্রান্ড, প্রডাক্ট, এবং অডিয়েন্স/কাস্টমার রেডি হয়ে গেছে, এখন আপনার প্রডাক্ট এর এড রান করার ধাপ, অনেকেই বিভিন্ন কমন এবং ভুল ট্রিক্স ফলো করেন দেখে ২/৪ দিন বিজনেস করে সেল না হলে বোরিং হয়ে বিজনেস কে সালাম দিয়ে চলে যায়, হয়ত আপনার সাথেও এমন টা হচ্ছে। তাই এসব ব্যাপার কে টপকাতে হলে আপনার দরকার প্রপার মার্কেটিং ট্রিক্স।

মার্কেটিং ধাপে যাওয়ার আগে আপনার আরো একটি মেইন জিনিস দরকার তা হলো ওয়েবসাইট এবং সেখানে আপনার প্রডাক্ট এর বিস্তারিত দিয়ে লিস্টিং করে ফেলা। এরপর আপনার বিজনেস ম্যানেজার এ ওয়েবসাইট কে এড করে পিক্সেল সেটআপ করা, সাথে প্রপার প্লানিং নিয়ে একটা ফানেল তৈরি করা এবং তা দিয়ে আপনি ধাপে ধাপে গ্রাউন্ড লেভেল মার্কেটিং থেকে টপ লেভেল মার্কেটিং এ পৌঁছাবেন। পিক্সেল সেটআপ এর মাধ্যমে Day-1 থেকে আপনার সকল ডাটা স্টোর এবং সে ডাটা দিয়ে রি-মার্কেটিং করে রিপিট কাস্টমার, সেলস জেনারেট সহ আরো বিভিন্ন কাজ করবেন। (এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত অর্থাৎ ওয়েবসাইট কেন দরকার তা নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করবো)

এই মুহূর্তে আপনার ব্রান্ড, প্রডাক্ট, এড ডিজাইন/এড কপি, এবং ওয়েবসাইটও রেডি করা হয়ে গেলো, অতঃপর আপনার কাজ হলো এডস রান করা। বরাবরের মতো আমরা সবাই এই জায়গা তে একটা ভুল করে থাকি তা হলো Engagement থেকে Messages Conversation দিয়ে ক্যাম্পেইন করা। যেহেতু প্রডাক্ট এর এড ডিজাইন/এড কপি'তে বিস্তারিত সব কিছু বলে দেওয়া হয়েছে তাহলে কাস্টমার কে এমন কোন কিছু জানানোর দরকার নেই যে যার জন্য আগে Messages Conversation এ এনে পরবর্তীতে অর্ডার করবে, এবং দাম টা সে ওয়েবসাইটে গেলেই দেখতে পাবে।

তাই এই জায়গায় একটু ভিন্নভাবে করতে হবে, Engagement এর মাধ্যমে Post Engagement অপশন টা কে ব্যবহার করে কল টু অ্যাকশন বা CTA বাটন সেটআপ করতে হবে এবং এখানে ডিরেক্ট প্রডাক্ট এর লিংক টা দিতে হবে। এর আগে অবশ্যই বাজেট, ডিউরেশন এবং অডিয়েন্স অপশনে অডিয়েন্স সেট করে নিবেন। সাথে আরো একটি সেম বাজেট এবং ডেট এর সেলস এডস দিবেন যা একি কন্টেন্ট, এড ডিজাইন/এড কপি সব গুলো দিয়ে Sales অব্জেক্টিভ থেকে Conversation দিয়ে সেলস ক্যাম্পেইন রান করবেন। একি সাথে দুইটা এডস রান থাকার কারণে আপনার কম্পারিজন সহ বিভিন্ন আপ এন্ড ডাউন বুঝতে সুবিধা হবে, যা অনেক টা A B টেস্ট এর মতো কাজ করবে।

এখানে লক্ষণীয় ব্যাপার হলো আপনার এড সেট অপশনে প্রপার অডিয়েন্স, বাজেট, ডিউরেশন এবং প্ল্যাটফর্ম গুলো সঠিক ভাবে সিলেক্ট করছেন কিনা এবং অডিয়েন্স ডাটা অবশ্যই অডিয়েন্স ইনসাইট থেকে ফিলটার করে অডিয়েন্স সেট তৈরি করে নিবেন। এভাবে সব কিছু প্রপার ওয়ে তে সম্পন্ন করার পরে এড রান হওয়ার পর থেকে ১০ দিনের জন্য এড দুইটা রান করতে পারেন। এবং কাস্টমার দের থেকে অর্ডার নিতে থাকবেন, কোন কাস্টমার পেইজে কিছু জানতে চাইলে সে ব্যাপার গুলো নোট করে নিবেন এবং সেটার ভালো উত্তর বের করে নোটে রেখে দিবেন।

১০ দিন পর এসে যা আপনাকে করতে হবেঃ গত দশ দিনে যা অর্ডার এসেছিল এবং সেগুলো কাস্টমার দের কে ডেলিভারি দেওয়ার পরে কাস্টমার দের থেকে ফিডব্যাক নিবেন এবং সেগুলোকে নোট করবেন। এড রান করা অবস্থায় যে সকল প্রশ্ন পেইজের ইনবক্সে পেয়েছেন এবং নোট করেছেন সেগুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুলো আলাদা করে আগের যে প্রডাক্ট ডেসক্রিপশন ছিল সেখানে যোগ করে দিবেন, সাথে গুরুত্বপূর্ণ কোন পরিবর্তন আনা দরকার বলে মনে হলে তা করবেন।

এসব শেষে এবার আসুন রি-টার্গেটিং মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা যাক, এতো দিন যে অডিয়েন্স/কাস্টমার দের কাছে আপনার প্রডাক্ট এবং পেইজ রিচ করেছে বা যারা প্রডাক্ট এর প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে তাদের কে আবার টার্গেট করুন এবং তা করবেন পিক্সেল ব্যবহার করে যা ইতোমধ্যেই আপনার ওয়েবসাইটের সাথে এড ম্যানেজার লিংক করার মাধ্যমে করেছেন। এবং এভাবে আপনি আপনার প্রডাক্ট এর গ্রাউন্ড লেভেল মার্কেটিং থেকে টপ লেভেল মার্কেটিং করতে পারবেন প্লানিং এবং ফানেল ব্যবহার করে।

আশা করছি এই লেখা থেকে আপনার বিজনেস গ্রোথে ভালোভাবে কাজ করবে সাথে পিক্সেল, ফানেল, প্রপার প্ল্যানিং অনুযায়ী সব কিছু ঠিক ভাবে মেনটেইন করলে অবশ্যই আপনার বিজনেস গ্রোথ করবে এবং প্রডাক্ট এর সেলস জেনারেট এ অনেক পার্থক্য আসবে বলে আশা করছি।

ফেসবুককে কিছু টাকা দিয়ে যেকোনো Facebook পেজ প্রোমোট করানোর প্রক্রিয়া বেশ লাভজনক হতে পারে। এই মাধ্যমে পেজ জনপ্রিয় করার ক...
20/08/2024

ফেসবুককে কিছু টাকা দিয়ে যেকোনো Facebook পেজ প্রোমোট করানোর প্রক্রিয়া বেশ লাভজনক হতে পারে। এই মাধ্যমে পেজ জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে ফেসবুক আপনার পেজে তাড়াতাড়ি প্রচুর লাইক ও ফলোয়ার নিয়ে আসবে, এবং এতে আপনার সরাসরি কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাও হতে পারে।

তবে, টাকা ছাড়াও আপনি কিভাবে আপনার পেইজকে আরও জনপ্রিয় করতে পারেন সেটাই আজকের পোস্টের মূল বিষয়। যখন পেজের কনটেন্ট বা পোস্টগুলো অডিয়েন্সের পছন্দসই হবে, তখন আপনার পেজটিকে প্রকৃতভাবে জনপ্রিয় বলা যেতে পারে।

তাহলে চলুন, জেনে নেওয়া যাক, "কিভাবে একটি ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় করা যেতে পারে তার ১০টি কার্যকরী উপায়":

১. নিয়মিত পোস্ট করতে হবে: নিয়মিত পোস্ট করা অডিয়েন্সকে পেজের সাথে যুক্ত রাখে এবং নতুন দর্শকদের আকৃষ্ট করে।

২. সঠিক কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে: আপনার পেজের লক্ষ্য অডিয়েন্সের পছন্দ অনুযায়ী মানসম্মত কনটেন্ট পোস্ট করা জরুরি।

3. আলাদা আলাদা কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে: বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট যেমন ভিডিও, ছবি, এবং আর্টিকেল শেয়ার করে অডিয়েন্সের মনোযোগ ধরে রাখা যায়।

৪. আপনার চেনা-পরিচিত লোকেদের ও বন্ধুদের পেজে ইনভাইট করতে হবে: পরিচিতজনদের পেজে যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার প্রথমিক অডিয়েন্স তৈরি হবে।

৫. অন্যান্য গ্রুপে (Group) পেজ শেয়ার করতে হবে: ফেসবুক গ্রুপে পেজ শেয়ার করে আরও অনেকের কাছে পেজকে পৌঁছানো সম্ভব।

৬. নিজের ফেসবুক পেজের সম্পূর্ণ সেটিং করতে হবে: পেজের প্রোফাইল ছবি, কভার ফটো, এবং অন্যান্য সেটিং সঠিকভাবে নির্ধারণ করা উচিত।

৭. অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে পেজ প্রোমোট করতে হবে: ফেসবুক ছাড়াও ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, এবং ইউটিউবে পেজের লিংক শেয়ার করা যেতে পারে।

৮. পেজে কনটেস্ট (contest) এর আয়োজন করা যেতে পারে: কনটেস্ট আয়োজন করে অডিয়েন্সকে আরও সক্রিয় ও উৎসাহিত করা সম্ভব।

৯. জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিং বিষয় নিয়ে পোস্ট তৈরি করতে হবে: ট্রেন্ডিং টপিকগুলোতে পোস্ট তৈরি করে বেশি এনগেজমেন্ট পাওয়া যায়।

১০. Hashtag ( #) এর ব্যবহার করা যেতে পারে: হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আপনার পোস্টগুলোকে আরও বিস্তৃত অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

মূলত ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় করার উপায় হলো অডিয়েন্সের সাথে নিয়মিত ও ইন্টারেক্টিভ কনটেন্ট শেয়ার করা। ফেসবুক ইউজারদের নিজের পেজে ব্যস্ত রাখতে হলে, আপনাকে নিয়মিত ভালো ও মজাদার কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে। আপনার পেজের অডিয়েন্স বা ফলোয়ারদের পছন্দের কনটেন্ট খুঁজে বের করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।

উল্লেখিত প্রতিটি পয়েন্টকে বিস্তারিত আকারে তুলে ধরা হলো:

১. নিয়মিত পোস্ট করতে হবে

নিয়মিত পোস্ট করা একটি সফল ফেসবুক পেজের প্রধান নিয়মগুলির মধ্যে একটি। আপনার পেজের ফলোয়াররা নতুন কনটেন্টের জন্য আপনার পেজে আসে, তাই নিয়মিত পোস্ট না করলে তারা পেজটি পরিত্যাগ করতে পারে।

- সাজেশন: সপ্তাহে কমপক্ষে ৩-৫ বার পোস্ট করার চেষ্টা করুন।
- উদাহরণ: একটি পণ্যের পেজ হলে, প্রতিদিন একটি নতুন পণ্যের ছবি ও বিবরণ পোস্ট করুন।

২. সঠিক কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে

আপনার টার্গেট অডিয়েন্সের পছন্দসই কনটেন্ট পোস্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার অডিয়েন্স কী ধরনের তথ্য বা বিনোদনমূলক কনটেন্ট পছন্দ করেন তা নির্ধারণ করতে হবে।

- সাজেশন: অডিয়েন্সের ডেমোগ্রাফিক তথ্য, ইন্টারেস্ট ও প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করুন।
- উদাহরণ: যদি আপনার পেজ তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে থাকে, তবে ট্রেন্ডি ফ্যাশন, প্রযুক্তি বা বিনোদনমূলক কনটেন্ট পোস্ট করুন।

৩. আলাদা আলাদা কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে

একই ধরনের কনটেন্ট বারবার পোস্ট করা হলে অডিয়েন্স বিরক্ত হতে পারে। তাই বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট শেয়ার করা উচিত।

- সাজেশন: ভিডিও, ফটো, ইনফোগ্রাফিক্স, মিম, এবং ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে ভিন্নধর্মী কনটেন্ট তৈরি করুন।
- উদাহরণ: একদিন একটি মজাদার ভিডিও পোস্ট করুন, অন্যদিন একটি তথ্যবহুল আর্টিকেল শেয়ার করুন।

৪. আপনার চেনা-পরিচিত লোকেদের ও বন্ধুদের পেইজে ইনভাইট করতে হবে

শুরুতেই আপনার চেনা-পরিচিত জনদের আপনার পেজে আমন্ত্রণ জানান। এতে পেজের প্রথমিক ফলোয়ার বেস তৈরি হবে এবং তারা কনটেন্ট শেয়ার করে নতুন অডিয়েন্স যুক্ত করতে সাহায্য করবে।

- সাজেশন: ফেসবুকের "Invite Friends" অপশন ব্যবহার করুন এবং পেজ লাইক করতে অনুরোধ করুন।
- উদাহরণ: আপনার পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং সহকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে আপনার পেজে সক্রিয়তা বৃদ্ধি করতে পারেন।

৫. অন্যান্য গ্রুপে (Group) পেজ শেয়ার করতে হবে

ফেসবুক গ্রুপে পেজ শেয়ার করা একটি কার্যকরী উপায়। আপনার পেজের টার্গেটেড কনটেন্ট সম্পর্কিত গ্রুপগুলোতে শেয়ার করে নতুন অডিয়েন্স আকৃষ্ট করুন।

- সাজেশন: যোগদান করা গ্রুপের নিয়মকানুন অনুসরণ করুন এবং উপযুক্ত সময়ে কনটেন্ট শেয়ার করুন।
- উদাহরণ: যদি আপনার পেজ রান্নার রেসিপি নিয়ে হয়, তবে রান্নার সম্পর্কিত গ্রুপে পোস্ট শেয়ার করুন।

৬. নিজের ফেসবুক পেজের সম্পূর্ণ সেটিং করতে হবে

আপনার ফেসবুক পেজের প্রোফাইল ও কভার ফটো, বায়ো, কন্টাক্ট তথ্য ইত্যাদি সঠিকভাবে সেট করুন। এটি আপনার পেজকে পেশাদার এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে।

- সাজেশন: একটি পেশাদার প্রোফাইল ও কভার ফটো ব্যবহার করুন এবং আপনার পেজের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বর্ণনা করুন।
- উদাহরণ: যদি আপনার পেজ একটি ব্যবসার জন্য হয়, তাহলে পেজে আপনার ব্যবসার তথ্য এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস দিন।

৭. অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে পেজ প্রোমোট করতে হবে

ফেসবুকের বাইরে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেমন ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, লিঙ্কডইন এবং ইউটিউবে আপনার পেজ প্রোমোট করুন। এতে করে আপনি আরও বড় অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

- সাজেশন: সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর লিঙ্ক আপনার ফেসবুক পেজে যুক্ত করুন।
- উদাহরণ: ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে আপনার ফেসবুক পেজের লিংক শেয়ার করুন এবং মানুষকে ফলো করতে অনুরোধ করুন।

৮. পেজে কনটেস্ট (Contest) এর আয়োজন করা যেতে পারে

কনটেস্ট আয়োজন করা অডিয়েন্সকে এনগেজ করার জন্য একটি চমৎকার উপায়। এটি আপনার পেজের প্রচার বাড়াতে এবং নতুন ফলোয়ার অর্জন করতে সহায়তা করে।

- সাজেশন: কনটেস্টে আকর্ষণীয় পুরস্কার রাখুন এবং পেজ ফলো করার শর্ত যোগ করুন।
- উদাহরণ: "আমাদের পেজে লাইক ও শেয়ার করুন এবং দারুণ পুরস্কার জিতে নিন!" এই ধরনের একটি কনটেস্ট আয়োজন করতে পারেন।

৯. জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিং বিষয় নিয়ে পোস্ট তৈরি করতে হবে

ট্রেন্ডিং বিষয়বস্তু নিয়ে পোস্ট করা ফেসবুকে দ্রুত এনগেজমেন্ট বাড়াতে সহায়তা করে। বর্তমান ইভেন্ট বা জনপ্রিয় ট্রেন্ডের সাথে সম্পর্কিত কনটেন্ট শেয়ার করুন।

- সাজেশন: ট্রেন্ডিং টপিকগুলোর উপর দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কনটেন্ট তৈরি করুন।
- উদাহরণ: বড় কোনো ইভেন্টের দিন সেই সম্পর্কিত মজাদার পোস্ট তৈরি করুন।

১০. Hashtag ( #) এর ব্যবহার করা যেতে পারে

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আপনার পোস্টগুলোকে আরও বিস্তৃত অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারেন। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে এটি কার্যকর।

- সাজেশন: প্রতিটি পোস্টে প্রাসঙ্গিক এবং জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন।
- উদাহরণ: আপনার পোস্ট যদি ফিটনেস সম্পর্কিত হয়, তবে , , এর মতো হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন।

বর্তমানে ২০২৩ শেষের দিকে, আর কিছু দিন ঘুমিয়ে থাকলেই পেয়ে যাবেন ২০২৪ সাল। দিন যত যাচ্ছে ফেসবুকে বিজনেস করা যেন কঠিন থেকে ...
06/10/2023

বর্তমানে ২০২৩ শেষের দিকে, আর কিছু দিন ঘুমিয়ে থাকলেই পেয়ে যাবেন ২০২৪ সাল। দিন যত যাচ্ছে ফেসবুকে বিজনেস করা যেন কঠিন থেকে কঠিনতম হয়ে উঠছে, ক্লায়েন্ট তার মার্কেটার কে আর মার্কেটার ক্লায়েন্টের প্রডাক্ট কে দোষ দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এটা বুঝতে পারছে না এতোদিন ধরে যে এডস গুলো চালিয়ে আসছে সেগুলোতে আসলে মেসেজ নাকি সেল দরকার? ঠিক এই কথাটার উত্তর হিসেবে এই লেখা টা।

উত্তর দেওয়ার আগে একটা ব্যাপার জানিয়ে রাখি এই পোস্ট তাদের জন্য না, যারা একটা পেইজ থেকে মাছ-মাংশ থেকে শুরু করে গাজরের হালুয়া আর শাড়ি থ্রিপিস সাথে কেক আর আমের আচার সহ দুনিয়ার হাবিজাবি সব বিক্রি করছেন বা করার চিন্তা করছেন। যদি আপনি একটা প্রডাক্ট বা এক ধরনের প্রডাক্ট নিয়ে বিজনেস করছেন বা করার চিন্তা করছেন তাহলে পোস্ট টা আপনার জন্য হেল্পফুল তা নিশ্চিত।

মেসেজ নাকি সেল? এই প্রশ্নের উত্তর স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড হলো এগুলোর মধ্যে আপনার কোন টাই দরকার নেই, আপনার যা দরকার তা হলো সত্য টা জানা, আর সে অনুযায়ী কাজ করা এবং ভালো আউটপুট বের করে আনতে হলে সে সব অবশ্যই দরকার। একটা সময় দেখা যেতো এক পেইজ থেকেই মাস শেষে লক্ষ লক্ষ টাকার সেল করে বিজনেস করছে অনেকেই, বর্তমানে সে দিন নাই, এখন আপনার দরকার সরাসরি আপডেট, বিজনেস স্কেল করতে যা যা দরকার তার আপডেট। আমি সে সব ব্যাপারগুলো কয়েকটা ধাপে আলোচনা করার চেষ্টা করছি,

প্রথম ধাপঃ আপনি যে প্রডাক্ট বা সার্ভিস টা বিক্রি করছেন সে প্রডাক্ট/সার্ভিস নিয়ে সম্পূর্ণ জানুন, শুধু সম্পূর্ণ না তার চেয়ে বেশি জানুন, কখনও প্রডাক্ট/সার্ভিসের স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করার দরকার নেই, আপনি যখন কোন প্রডাক্ট/সার্ভিস নিয়ে বিজনেস করছেন তখন আপনার সে প্রডাক্ট/সার্ভিস সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা যেমনঃ কেন কীভাবে কখন কোথায় কি হবে সেটা জানা টা আপনার উচিত।

দ্বিতীয় ধাপঃ এই ধাপে আপনাকে যে ব্যাপার টা নিয়ে কাজ করতে হবে তা হলো আপনার অডিয়েন্স/কাস্টমার খুঁজে বের করা, প্রতিটা প্রডাক্ট/সার্ভিস এর ভিন্ন এবং আলাদা আলাদা অডিয়েন্স/কাস্টমার রয়েছে যাদের সে প্রডাক্ট/সার্ভিস টা আসলেই দরকার, অর্থাৎ লয়াল অডিয়েন্স খুঁজে বের করা। একটা উদাহরণ এর মাধ্যমে যদি বুঝাতে চাই, ধরুন আপনার প্রডাক্ট হলো 'Organic Foods' যা একটি ফ্যামিলি কেয়ার প্রডাক্ট। এবার এই প্রডাক্ট এর অডিয়েন্স বের করবেন কীভাবে? এ জন্য আপনাকে কয়েকটা ধাপে আগাতে হবে,
যেমনঃ এই প্রডাক্ট কাদের লাগবে?
উত্তরঃ অবশ্যই যারা নিজের এবং ফ্যামিলির স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করে
কোন জেন্ডারের মানুষ নিবে?
উত্তরঃ যেহেতু ফ্যামিলি, তাই মহিলা-পুরুষ উভয়ে নিবে।
কোন বয়সের মানুষ কিনবে?
উত্তরঃ ২২ থেকে ৫০ বছর (ফ্যামিলিতে বেশিরভাগ কন্ট্রিবিউশন থাকে এই বয়সের এবং এই বয়সের মধ্যেই টাকা ইনকাম এর শুরু এবং তারাই ফ্যামিলির জন্য বেশি চিন্তা করে থাকে, অর্থাৎ আপনার প্রডাক্ট টি ফ্যামিলি প্রডাক্ট হলে এরাই কিনবে)
এবার ঠিক করুন আপনার প্রডাক্ট এর দাম কত?
বাংলাদেশের মার্কেটে সাধারণত Organic Foods এর দাম নির্ধারণ হয় পরিমাণ এবং কোয়ালিটির উপর। ধরুন আপনার একটাই প্রডাক্ট এবং একটাই কোয়ালিটি এবং তার প্রাইস ২০০০৳, অর্থাৎ যারা নিম্ন আয়ের মানুষ তারা সহজে আপনার প্রডাক্ট কিনবে না। আপনি আরো একি ধরনের কিছু বাস্তবসম্মত উপায় ব্যবহার করে আরো ফিল্টারিং এবং টার্গেটিং করতে পারেন। আপাতত এ টুকু ব্যবহার করলে বুঝতে পারা যায় আপনার অডিয়েন্স/কাস্টমার কারা।

এ পর্যায়ে আপনার অডিয়েন্স কে আইডেন্টিফাই করার পরে আপনার দরকার একটা এড ডিজাইন বা এড কপি, অর্থাৎ আপনার যে প্রডাক্ট সেটা সম্পর্কে মানুষ কে জানানো এবং হাইলাইট করা। হাইলাইট এ প্রডাক্ট এর উপকারিতা, এবং প্রডাক্ট ব্যবহার করলে কি রকম বেনিফিট হবে সেটার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এবং কাস্টমার এর বিশ্বাস অর্জন করে এমন কিছু চেষ্টা করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ভিডিও কিংবা ইমেজ এড কপি ব্যবহার করতে পারেন, তবে ভিডিওর মাধ্যমে প্রডাক্ট কে Customer কে Better Understanding দেয়।

এই মুহূর্তে আপনার ব্রান্ড, প্রডাক্ট, এবং অডিয়েন্স/কাস্টমার রেডি হয়ে গেছে, এখন আপনার প্রডাক্ট এর এড রান করার ধাপ, অনেকেই বিভিন্ন কমন এবং ভুল ট্রিক্স ফলো করেন দেখে ২/৪ দিন বিজনেস করে সেল না হলে বোরিং হয়ে বিজনেস কে সালাম দিয়ে চলে যায়, হয়ত আপনার সাথেও এমন টা হচ্ছে। তাই এসব ব্যাপার কে টপকাতে হলে আপনার দরকার প্রপার মার্কেটিং ট্রিক্স।

মার্কেটিং ধাপে যাওয়ার আগে আপনার আরো একটি মেইন জিনিস দরকার তা হলো ওয়েবসাইট এবং সেখানে আপনার প্রডাক্ট এর বিস্তারিত দিয়ে লিস্টিং করে ফেলা। এরপর আপনার বিজনেস ম্যানেজার এ ওয়েবসাইট কে এড করে পিক্সেল সেটআপ করা, সাথে প্রপার প্লানিং নিয়ে একটা ফানেল তৈরি করা এবং তা দিয়ে আপনি ধাপে ধাপে গ্রাউন্ড লেভেল মার্কেটিং থেকে টপ লেভেল মার্কেটিং এ পৌঁছাবেন। পিক্সেল সেটআপ এর মাধ্যমে Day-1 থেকে আপনার সকল ডাটা স্টোর এবং সে ডাটা দিয়ে রি-মার্কেটিং করে রিপিট কাস্টমার, সেলস জেনারেট সহ আরো বিভিন্ন কাজ করবেন। (এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত অর্থাৎ ওয়েবসাইট কেন দরকার তা নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করবো)

এই মুহূর্তে আপনার ব্রান্ড, প্রডাক্ট, এড ডিজাইন/এড কপি, এবং ওয়েবসাইটও রেডি করা হয়ে গেলো, অতঃপর আপনার কাজ হলো এডস রান করা। বরাবরের মতো আমরা সবাই এই জায়গা তে একটা ভুল করে থাকি তা হলো Engagement থেকে Messages Conversation দিয়ে ক্যাম্পেইন করা। যেহেতু প্রডাক্ট এর এড ডিজাইন/এড কপি'তে বিস্তারিত সব কিছু বলে দেওয়া হয়েছে তাহলে কাস্টমার কে এমন কোন কিছু জানানোর দরকার নেই যে যার জন্য আগে Messages Conversation এ এনে পরবর্তীতে অর্ডার করবে, এবং দাম টা সে ওয়েবসাইটে গেলেই দেখতে পাবে।

তাই এই জায়গায় একটু ভিন্নভাবে করতে হবে, Engagement এর মাধ্যমে Post Engagement অপশন টা কে ব্যবহার করে কল টু অ্যাকশন বা CTA বাটন সেটআপ করতে হবে এবং এখানে ডিরেক্ট প্রডাক্ট এর লিংক টা দিতে হবে। এর আগে অবশ্যই বাজেট, ডিউরেশন এবং অডিয়েন্স অপশনে অডিয়েন্স সেট করে নিবেন। সাথে আরো একটি সেম বাজেট এবং ডেট এর সেলস এডস দিবেন যা একি কন্টেন্ট, এড ডিজাইন/এড কপি সব গুলো দিয়ে Sales অব্জেক্টিভ থেকে Conversation দিয়ে সেলস ক্যাম্পেইন রান করবেন। একি সাথে দুইটা এডস রান থাকার কারণে আপনার কম্পারিজন সহ বিভিন্ন আপ এন্ড ডাউন বুঝতে সুবিধা হবে, যা অনেক টা A B টেস্ট এর মতো কাজ করবে।

এখানে লক্ষণীয় ব্যাপার হলো আপনার এড সেট অপশনে প্রপার অডিয়েন্স, বাজেট, ডিউরেশন এবং প্ল্যাটফর্ম গুলো সঠিক ভাবে সিলেক্ট করছেন কিনা এবং অডিয়েন্স ডাটা অবশ্যই অডিয়েন্স ইনসাইট থেকে ফিলটার করে অডিয়েন্স সেট তৈরি করে নিবেন। এভাবে সব কিছু প্রপার ওয়ে তে সম্পন্ন করার পরে এড রান হওয়ার পর থেকে ১০ দিনের জন্য এড দুইটা রান করতে পারেন। এবং কাস্টমার দের থেকে অর্ডার নিতে থাকবেন, কোন কাস্টমার পেইজে কিছু জানতে চাইলে সে ব্যাপার গুলো নোট করে নিবেন এবং সেটার ভালো উত্তর বের করে নোটে রেখে দিবেন।

১০ দিন পর এসে যা আপনাকে করতে হবেঃ গত দশ দিনে যা অর্ডার এসেছিল এবং সেগুলো কাস্টমার দের কে ডেলিভারি দেওয়ার পরে কাস্টমার দের থেকে ফিডব্যাক নিবেন এবং সেগুলোকে নোট করবেন। এড রান করা অবস্থায় যে সকল প্রশ্ন পেইজের ইনবক্সে পেয়েছেন এবং নোট করেছেন সেগুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুলো আলাদা করে আগের যে প্রডাক্ট ডেসক্রিপশন ছিল সেখানে যোগ করে দিবেন, সাথে গুরুত্বপূর্ণ কোন পরিবর্তন আনা দরকার বলে মনে হলে তা করবেন।

এসব শেষে এবার আসুন রি-টার্গেটিং মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা যাক, এতো দিন যে অডিয়েন্স/কাস্টমার দের কাছে আপনার প্রডাক্ট এবং পেইজ রিচ করেছে বা যারা প্রডাক্ট এর প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে তাদের কে আবার টার্গেট করুন এবং তা করবেন পিক্সেল ব্যবহার করে যা ইতোমধ্যেই আপনার ওয়েবসাইটের সাথে এড ম্যানেজার লিংক করার মাধ্যমে করেছেন। এবং এভাবে আপনি আপনার প্রডাক্ট এর গ্রাউন্ড লেভেল মার্কেটিং থেকে টপ লেভেল মার্কেটিং করতে পারবেন প্লানিং এবং ফানেল ব্যবহার করে।

আশা করছি এই লেখা থেকে আপনার বিজনেস গ্রোথে ভালোভাবে কাজ করবে সাথে পিক্সেল, ফানেল, প্রপার প্ল্যানিং অনুযায়ী সব কিছু ঠিক ভাবে মেনটেইন করলে অবশ্যই আপনার বিজনেস গ্রোথ করবে এবং প্রডাক্ট এর সেলস জেনারেট এ অনেক পার্থক্য আসবে বলে আশা করছি।

Address

Chandra Nagar, Textile Gate, Bayezid Road
Nasirabad
4209

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ADs by Shakib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share