Graphic Tree

Graphic Tree My name is Md Salim Hossain. I am a professional Graphic Designer and Web Designer. My hobby is Drawing.
(1)

সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ❤️
26/03/2023

সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ❤️

ওয়ার্ডপ্রেস কি ? (What is WordPress) ?সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং ডিমান্ডফুল। সোজা ভাবে বললে, “WordPress” এমন একটি সহজ এবং জনপ্...
21/01/2023

ওয়ার্ডপ্রেস কি ? (What is WordPress) ?

সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং ডিমান্ডফুল। সোজা ভাবে বললে, “WordPress” এমন একটি সহজ এবং জনপ্রিয় মাধ্যম যেটা ব্যবহার করে আপনি নিজের একটি ওয়েবসাইট (website) বা ব্লগ (blog) তৈরি করতে পারবেন। এবং, এই মাধ্যম কতটা জনপ্রিয় এবং সহজ, সেটা বোঝা যায় এর ব্যবহারকারীদের অধিক সংখ্যার ওপরে। ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি সব ওয়েবসাইট গুলির ভেতরে ৩৪% থেকেও বেশি ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা তৈরি।
এখন, “WordPress মানে কি” এই ব্যাপারে যদি অল্প টেকনিক্যালি (technically) বলা হয়, তাহলে সেটাও বুঝে নেয়াটা অনেক সহজ। WordPress হলো সব থেকে বেশি পপুলার একটি open source Content Management System (CMS), যেটা জেকেও নিজের ওয়েব সার্ভারে (web server) ফ্রীতেই ইনস্টল করে, যেকোনো রকমের একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী কিন্তু অনেক সহজ একটি ফ্রি অনলাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যম যেটাকে PHP র দ্বারা লিখা হয়েছে। ⚔️মনে রাখবেন, ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা ওয়েবসাইট বানানোর জন্য, আপনার একটি ওয়েব হোস্টিং একাউন্ট বা হোস্টিং সার্ভার থাকতে হবে। এবং, তারপর আপনি নিজের সার্ভারে এই WordPress CMS install করে যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন। এমনিতে, ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আরো অনেক ধরণের online CMS software রয়েছে। যেমন, Joomla, Drupal, Typo3. এই, CMS software গুলিও ব্লগ ও ওয়েবসাইট তৈরির জন্য অনেক পপুলার। কিন্তু, ওয়ার্ডপ্রেস এর তুলনায় অনেক বেশি কম।

01/01/2023
যাদের মহান আত্নত্যাগে আমাদের এই বিজয়, সেই সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
16/12/2022

যাদের মহান আত্নত্যাগে আমাদের এই বিজয়, সেই সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার করার মত কিছু ফ্রি বাংলা ফন্ট। ১০টি ফন্টের মধ্যে ৮টি ফন্টই মাল্টি ওয়েটের। দরকার হলে ডাউনলোড করে নি...
14/12/2022

প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার করার মত কিছু ফ্রি বাংলা ফন্ট। ১০টি ফন্টের মধ্যে ৮টি ফন্টই মাল্টি ওয়েটের। দরকার হলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন-
Hind Siliguri- https://fonts.google.com/specimen/Hind+Siliguri
Li Ador Noirrit- https://lipighor.com/AdorNoirrit.html
L52 Rojhan Lipika- https://lipika-52.com/rojahan-lipika/
Kazi Typo Unicode- https://fontbd.com/free-font/kazi-typo-font-family/
Bitopi Unicode- https://www.typobaaz.com/2021/08/Bitopi.html
Baloo Da 2- https://fonts.google.com/specimen/Baloo+Da+2
Li Niladri Rongtuli- https://lipighor.com/NiladriRongtuli.html
Noto Sans Bengali- https://fonts.google.com/noto/specimen/Noto+Sans+Bengali
Noto Serif Bengali- https://fonts.google.com/noto/specimen/Noto+Serif+Bengali
Bornomala- https://codepotro.com/font/bornomala/

Color Theory কালার থিওরি.যারা ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য কালার থিওরি অনেক গুরুত্বপুর্ণ। কারণ সঠিক কালারটি আপনার ডিজ...
19/11/2022

Color Theory কালার থিওরি.
যারা ডিজাইন নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য কালার থিওরি অনেক গুরুত্বপুর্ণ। কারণ সঠিক কালারটি আপনার ডিজাইন এ ব্যবহার না করলে ডিজাইনটি তার গ্রহনযোগ্যতা হারাবে। প্রতিটি কালার আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে একটা ডিজাইনে কালার চয়েজ করতে কতটা সময়ের প্রয়োজন? উত্তর হল আপনি কালার মিনিং রিসার্চ না করে কালার দিলে কিছু সেকেন্ড আর কালার মিনিং রিসার্চ করলে অনেক সময়/ একঘন্টা কিংবা এক দিন ও হতে পারে। একজন ডিজাইনার হিসেবে আমরা ভুলেই যায় ডিজাইনে কালার কতটা গুরুত্বপূর্ণ।অনেকে মনে করে ডিজাইনে কালার ব্যবহার সহজ।হ্যাঁ ডিজাইনে কালার ব্যবহার সহজ তবে সঠিক কালার ব্যবহার সহজ নয়। এখন কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে ডিজাইনে আমি কিভাবে কালার ব্যবহার করতে পারি। উত্তর হল প্রাকটিস, প্রাকটিস,প্রাকটিস। কেউ যদি কালার সাইকোলজি ভাল বুঝে তাহলে তার সফলাতার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই আর্টিক্যাল এ যা আছে- ০১/ বেসিক কালার সাইকোলজি। ০২/ কালার প্লেটের সঠিক ব্যবহার। ০৩/ আপনি নিজে কিভাবে একটা সুন্দর কালার প্লেট বানাবেন। ০১ / বেসিক কালার সাইকোলজি কালার হুইল একটা কালার হুইলে ১২টি পিউর কালার থাকে। এই ১২টি কালারের কম্ভিনেশনে অসাধারণ সব কালার প্লেট তৈরি করা যায়। প্রথমে আমরা কালার হুইল কে ৩ ভাগে ভাগ করব প্রাইমারী কালার RYB= Read, Yellow, Blue লাল,হলুদ, নীল। সেকেন্ডারি কালার OGP= orange, Green, Purple কমলা, সবুজ, বেগুনি। টারশিয়ারি কালার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কালার মিলে ৬টি টারশিয়ারি কালার তৈরি করা যায়। যা হল- Read Orange = Read + Orange Read Purple = Read + Purple Blue Purple = Blue + Purple Blue Green = Blue + Green Yellow Green = Yellow + Green Yellow Orange = Yellow + Orange বিঃদ্রঃ - অনেকে ভাবতে পারেন White (সাদা) এবং Black(কালো) কালার গেলো কই।বৈজ্ঞানিকভাবে সাদা এবং কালো কালারের কোন অস্তিত্ব নেই। যেখানে আলোর অস্তিত্ব বেশি সেখানে সাদা কালার পাওয়া যায়। যেখানে আলোর অস্তিত্ব নেই সেখানে কালো কালার হয়। Colors Properties কালারের বৈশিষ্ট্য Hue - Hue হল কালারের অপর নাম। যেমন সাদা, কালো, লাল ইত্যাদি Chrome - Chrome হল কালারের বিশুদ্ধতা। অন্য কালারের মিশ্রণ ছাডাই এটা একটি পরিপূর্ণ কালার। যেমন সাদা কালো লাল value - value হল কালারের মান। আপনি কালারে value বেশি ব্যবহার করলে কালারে আলোর সঞ্চালন বেশি হবে।value কম ব্যবহার করলে কালারে আলোর সঞ্চালন কম হবে। Tint - Tint কালারের আলো বাডাতে সাহায্য করে। যেমন একটা black কালারের Tint 100% করে দিলে তা white হয়ে যাবে। Shade - Shade, Tint এর বিপরিত কাজ করে। Tone - Tone একটা ডিজাইনের Tint এবং Shade এর মাঝে কম্বিনেশন করে। যেমন gray কালার। Warm colors VS Cool Colors Warm Colors - Red,Orange. লাল,কমলা কালার। Cool Colors - Blue, Green. নীল, সবুজ কালার। warm colors এবং cool colors কালার হুইলে বিপরীত মুখি অবস্থান করে। Warm colors ওয়ার্ম ফিলিংস বহন করে। Cool colors কুল ফিলিংস বহন করে। Color Meaning কালারের অর্থ প্রতিটি কালার আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। প্রতিটি কালার শক্তিশালী অর্থ বহন করে যদি আপনি তা সঠিক স্থানে প্রয়োগ করতে পারেন। কালারের বেসিক অর্থ Red: love, fire, energy, strength Purple: power, wealth, ambition, royalty Blue: calm, stability, trust, depth Green: freshness, nature, growth, safety Yellow: joy, energy, positivism, brightness Orange: warmth, creativity, happiness, success কালার সাইকোলজি খুব মজাদার একটা টপিক। শুধু মাত্র গবেষকদের জন্য নয় এটা মার্কেটারদের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারন কালার মিনিং খুব ক্লোজলি ইতিহাস ঐতিহ্যর সাথে জডিত।সামাজিক রাজনৈতিক অর্থনৈতিক বিবেচনা করে অনেক সময় কালার ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। তাই কালার এপ্লাই করার আগে ডিজাইন নিয়ে ভালভাবে রিসার্চ করা জরুরী। Color relationships - কালার সম্পর্ক আমাদেরকে বুঝতে হবে একটি কালারের সাথে অন্য কালারের সম্পর্ক কী। একে জনতে প্রথমে কালার হুইল সম্পর্কে জানতে হবে।এখানে কিছু বেসিক কালার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হল - Monochromatic: Monochromatic কালার প্লেটে শুধু মাত্র একটি কালার ব্যবহৃত হয় এবং ঐ কালারের বিভিন্ন পরিবর্তন করে একটি কালার প্লেট তৈরি করা হয়। Monochromatic কালার সব সময় অসাধারণ দেখা যায়। কালার কম্বিনেশন ভাল হয়।তবে মাঝে মধ্যে এই কালার বোরিং ফিল হয়। Analogous: একটি কালারের পাশের কালার কে Analogous কালার বলা হয়। যেমন - কালার হুইলে ব্লু এর পাশে গ্রিন কালার অবস্থিত তাই ব্লু কালারের Analogous কালার গ্রিন। Complementary: একটি কালারের বিপরীত কালার কে Complementary কালার বলা হয়। যেমন cool কালারের বিপরীত কালার warm কালার তাই এই কালার গুলা একে অপরের Complementary কালার। Split complementary: Split complementary কালার হল একটি কালারের complementary কালারের পাশের দুটি কালার। Triadic: Triadic কালার হল একটি কালার হুইলের পাশাপাশি ৩টি কালার। ০২/ Choosing a color palette suitable for your design (কিভাবে একটি সুন্দর কালার প্লেট তৈরি করবেন আপনার ডিজাইনের জন্য?) একজন ডিজাইনার হিসেবে আমরা প্রতিদিন ই বিভিন্ন ডিজাইন এবং প্রজেক্টের কাজ করি।যাইহোক একটি নতুন ডিজাইন শুরু করার আগে সাধারণত রিসার্চ করতে হয় এর অডিয়েন্স কারা।যারা স্টক মার্কেটে কাজ করে তাদের ডিজাইন কিন্তু লাখ লাখ অডিয়েন্স এ দেখে এবং ক্রয় করে। সুতারং একটি ডিজাইনের বিচিত্রতা থাকা প্রয়োজন। একটি ব্লাক ফ্রাইডের ব্যানার আর একটি ৮ বছরের শিশুর বার্থডে ইনভাইটেশন কার্ড ডিজাইন কখনো এক নয়। অনেকে এটাকে সাধারণ ব্যাপার মনে করে কিন্তু এটা সাধারণ ব্যাপার নয়। কারন এখানে কালার মিনিং মুল ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। তাই ডিজাইন শুরু করার আগে কিছু সময় নিয়ে ডিজাইন রিসার্চ করে নেওয়া ভাল। এটা আপনাকে একটি ডিজাইনে সুইটাবল কালার এপ্লাই করতে সাহায্য করবে এবং আপনার ডিজাইন কে সহজ করবে। নিচে কিছু টিপস শেয়ার করছি যা আপনার ডিজাইন কে সুন্দর করতে সাহায্য করবে। Think of the concept, theme, and style কিছু কালার আমাদের ঐতিহ্যর সাথে জড়িত যা নির্দিষ্ট টপিকে ব্যবহৃত হয়। ব্লাক পাইড্রের সকল ডিজাইনে কালো কালার ব্যবহৃত হয়। তেমনি ক্রিসমাসের সকল ডিজাইনে লাল এবং সবুজ কালার ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এসব কালার আপনাকে ব্যবহার করতে হবে তার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।একজন ডিজাইনার হিসেবে আপনি নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারেন। Who is the target audience? আপনার কাস্টমার কারা। একটা ডিজাইন করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে আপনার অডিয়েন্স কারা। সে অনুযায়ী আপনাকে ডিজাইন করতে হবে। মনে করুন আপনি একটি বিজনেস কার্ড তৈরি করেছেন , এখন কাস্টমার আপনার কার্ডটি পছন্দ করতে পারে আবার নাও করতে পারে। কিন্তু আপনি কাস্টমারের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী করলে অবশ্যই পছন্দ করবে। এজন্য ডিজাইন রিসার্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Take risks আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ ডিজাইনার হন। তাহলে আপনার জন্য উত্তম হল নতুন কিছু সৃষ্টি করা। আর নতুন সৃষ্টির জন্য এক্সপিরিমেন্ট প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজনে নিয়মের বাহিরে গিয়ে রিস্ক নেওয়া ই যায়। ০৩/ Get your own color palette নিজস্ব কালার প্লেট তৈরি। কিভাবে নিজের মনের মত একটা কালার প্লেট তৈরি করবেন তার জন্য কিছু টিপস শেয়ার করছি বিভিন্ন ডিজাইন থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন। এজন্য ড্রিবল, পিন্টারেস্ট, বিহ্যান্স ইত্যাদি সাইডে গিয়ে ডিজাইন দেখতে পারেন। এখন ইন্সট্রাগ্রাম একাউন্টে ও প্রচুর কালার প্লেট আইডিয়া পাওয়া যায়। এটা খুব ভাল আইডিয়া সব সময় আপনার প্রিয় আটিস্ট কে ফলো করুন। তার ডিজাইন থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন। আপনার জানালা দিয়ে বাহিরে তাকান, আকাশ দেখুন, শহর দেখুন, প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখুন এগুলা থেকে কালার প্লেট তৈরি করুন। টিপস : যদি আপনি বাহিরে যেতে না পারেন তাহলে ওয়ালপেপার এবং লেন্ডস্কেপ ফটো থেকেও কালার নিতে পারেন। Use color palette generators এটা বিগিনারদের জন্য খুবই হেল্পফুল। আপনি যদি কালার প্লেট তৈরি করতে না পারেন তাহলে চিন্তা করবেন না ইন্টারনেটে হাজারো কালার প্লেট জেনারেটর রয়েছে যা থেকে কালার নিতে পারেন এটা সত্যি হেল্পফুল কিছু কালার জেনারেটরের নাম দেওয়া হল - Colourlovers, Coolors, Paletton, or Adobe. এটা আপনার সময় অপচয় রোধ করবে এবং ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা দিবে। অন্য আরেকটি উপায় হল ইন্টারনেটে অনেকগুলো সাইট রয়েছে যেগুলা পিকচার থেকে কালার প্লেট বানিয়ে দেয়। আপনার পছন্দের পিকচার অপলোড করে অসাধারণ সব কালার প্লেট তৈরি করে নিন। নিজে করুন নিজেই ম্যানুয়ালি কালার প্লেট তৈরি করুন। সাধারণত একটি কালার প্লেট এ ০৫টি কালার থাকে। Main color: প্রথমে একটা কালার নিন যেটি মেইন কালার হিসেবে থাকবে। Neutral colors: নিরপেক্ষ কালার এর পর Neutral একটি কালার নিন। যেমন Grey। Grey কালার টি আপনার কালার প্লেটে ব্যালান্স রাখতে সাহায্য করবে। Accent color: এর পর এক Accent color কালার নিন। এটা ন্যাচারাল কালারে অসাধারণ কাজ করে। Experiment :পরিক্ষা করুন। আপনি যদি কালার মাস্টার হতে চান।কালার নিয়ে খেলা করুন। এক্সপিরিমেন্ট করুন। রিস্ক নিন। এবং দেখুন কি হয়। মনে রাখবেন Practice makes perfect, so it’ll get easier with time.

প্রফেশনাল গ্রাফ্রিক্স ডিজাইন এন্ড ফ্রিল্যান্সিং কোর্স✅সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশা ফ্রিল্যান্সিং । আর এক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ড...
08/11/2022

প্রফেশনাল গ্রাফ্রিক্স ডিজাইন এন্ড ফ্রিল্যান্সিং কোর্স

✅সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশা ফ্রিল্যান্সিং । আর এক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইনের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। লোকাল মার্কেট এবং অনলাইন মার্কেটে গ্রাফ্রিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা প্রচুর। তাই Themezone Academy বেকার ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে 999 টাকায় 3 মাসের অনলাইন কোর্স নিয়ে এসেছে।
✅Themezone Academy এর পক্ষ থেকে 50 জনকে গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড ফ্রিল্যান্সিং শেখানো হবে। দক্ষ- অভিজ্ঞ প্রফেশনাল ট্রেইনার ও ফ্রিল্যান্সারদের সহযোগিতায় আপনিও হয়ে উঠুন একজন সফল অনলাইন প্রফেশনাল।
✅গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্সের আউটলাইন :-
------------------------------------------------------------
✔Adobe Illustrator
✔Adobe Photoshop নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
এখানে একদম Primary Level থেকে Advance Level এর শিখতে পারবে ঠিক সেভাবেই আমাদের এই কোর্স মডিউল সাজানো হয়েছে।
✅আসুন দেখে নিন কি কি থাকছে আমাদের কোর্স কারিকুলামে:-
---------------------------------------------------------------------
✔ Logo design
✔ T-shirt design
✔ Business card/ Letterhead design
✔ Flyer/ Boucher Design
✔ Banner Design
✔ Social Cover
✔ Photo Design
✔ Resume Design
✔ PSD web Template Design
✅সাথে থাকছে ৫০০ টি প্রিমিয়াম টেম্পলেটের রিসোর্স শেয়ার করা হবে স্টুডেন্টদের কাজের সুবিধার জন্য।
✅মার্কেটপ্লেস ও ফ্রিল্যান্সিং গাইডলাইন :-
------------------------------------------------------------
1. Fiverr
2. Freelancer
3. Upwork
4. Portfolio Behance, flickr, Your Social Media Brand Identity.
এছাড়াও গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে অথবা কর্পোরেট ক্যারিয়ারে কিভাবে সফল হবেন তার উপর বিস্তারিত আলোচনার ক্লাস।
✅আমাদের কোর্সের সুবিধাসমূহঃ-
------------------------------------------------------------
✔ইনকাম না হওয়া পর্যন্ত সাপোর্ট
✔লাইভ ক্লাস
✔প্রিমিয়াম টুলস
✔ক্লাস ব্যাকাপ ভিডিও
✔24 ঘন্টা মেন্টর সাপোর্ট
✔ডেডিকেটেড সাপোর্ট গ্রুপ
তাই আর দেরী কেন? আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন এই কোর্সে।
>প্রাথমিকভাবে রেজিস্ট্রেশন করে রাখুন অফিস থেকে কল দেওয়া হবে রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/euzuT2664UDtX8im9
---------------------------------
✅যে কোন প্রয়োজনে কল করুনঃ✅
+8801554118874
Themezone Academy

গ্রাফিক্স ডিজাইন কী.?গ্রাফিক ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা নিজের ধারণা, শিল্প (art) এবং দক্ষতা (skills) ব্য...
05/11/2022

গ্রাফিক্স ডিজাইন কী.?
গ্রাফিক ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা নিজের ধারণা, শিল্প (art) এবং দক্ষতা (skills) ব্যবহার কোরে ছবি (pictures), শব্দ (words), পাঠ (text) এবং ধারণার মিশ্রণ (combine) কোরে একটি আলাদা এবং নতুন ছবি (picture) তৈরি করি।
Text, pictures এবং ধারণার মিশ্রনের দ্বারা তৈরি হওয়া এই নতুন ছবিই হলো গ্রাফিক। বিভিন্ন advertisements, magazine, books, website বা logo সাজানোর জন্য বা ডিজাইন এবং তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কত দিন লাগে ?
আপনি যদি কোনো কলেজ থেকে graphic designing এর bachelor degree course করছেন, তাহলে ৩ থেকে ৪ বছর সময় লাগবে। এবং, সঠিক এবং ভালো ভাবে এই কোর্স শেখার জন্য bachelor degree করাটাই লাভজনক হবে।
গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর ওপরে যখন আপনার ৪ বছরের একটি degree certificate থাকবে, তখন যেকোনো কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যাবে।
আপনি চাইলে, bachelor degree করার পর, এই বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রী (master degree) কোরে, নিজেকে আরো বেশি expert এবং professional বানিয়ে নিতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে, masters in graphics design এর কোর্স করার জন্য আপনাদের আরো ২ বছর সময় লেগে যাবে।
তাছাড়া, যদি আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ডিপ্লোমা কোর্স (diploma course) করার কথা ভাবছেন, তাহলে এতে আপনার ৬ থেকে ৮ মাস সময় লেগে যাবে।
আসলে, অনেক রকমের institute বা education center রয়েছে যেখানে আপনারা এই বিষয়ে একটি ডিপ্লোমা কোর্স করতে পারবেন। এবং, আলাদা আলাদা institute এর শেখানোর স্থিতিকাল (duration) আলাদা আলাদা।
তবে, এই বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রী (bachelor degree) করলে ৩ থেকে ৪ বছর, ব্যাচেলর ডিগ্রী কোরে মাস্টার ডিগ্রী করার জন্য আরো ২ বছর সময় লাগবে। এবং ডিপ্লোমা কোর্স করলে প্রায় ১ বছর সময় আপনার দিতে হবে।
এর পর, গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার স্থিতিকাল নির্ভর করবে আপনার শেখার ইচ্ছা, অনুশীলন (practice) এবং কতটা জলদি আপনি বিষয়টি ধরে নিতে পারছেন সেগুলির ওপরে।
গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি লাগে ?
এমনিতে, একটি graphic design diploma course জেকেও করতে পারেন। কিন্তু, এই বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রী (bachelor degree) করার জন্য, আপনার আগেই কিছু সাধারণ শিক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
১. প্রথম প্রয়োজনীয়তা: গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এ ক্যারিয়ার বানানোর জন্য, আপনার সবচে প্রথমেই ১২ ক্লাস উত্তীর্ণ করতে হবে। কারণ, যেকোনো কলেজে এই বিষয়ে ডিগ্রী কোর্স করার জন্য, ১২ ক্লাসের সার্টিফিকেট (certificate) জমা দিতে হবে। তবে হে, আপনি ১২ ক্লাস যেকোনো বিষয় নিয়ে উত্তীর্ণ করলেও চলবে (arts, commerce, science).
২. সাধারণ জ্ঞান: এই বিষয়ে ক্যারিয়ার বানানোর জন্য এবং ভবিষ্যতে আরো বেশি শিক্ষা ফারহান করার জন্য, আপনার communication skills, creativity এবং drawing এর জ্ঞান থাকতে হবে।
অনেক বিখ্যাত কলেজ বা institutes রয়েছে, যেখানে admission নেয়ার আগেই আপনাকে প্রবেশিকা পরীক্ষা (entrance exam) দিতে লাগতে পারে। এবং, সেই পরীক্ষাতে আপনাকে অঙ্কন (drawing) এবং অন্যান্য দক্ষতার এবং জ্ঞানের বেপারে প্রশ্ন করা হবে।
আপনি যখন graphic designing এ ক্যারিয়ার বানানোর কথা ভাবছেন, তখন এই ধরণের সাধারণ দক্ষতা থাকাটা অনেক লাভজনক এবং জরুরি।
Graphic design ক্যারিয়ারে চাকরির সুযোগ
এই বিষয় নিয়ে ডিগ্রী (degree) করার পর এবং সব ধরণের দক্ষতা এবং জ্ঞান নিয়ে নেয়ার পর, আপনার জন্য প্রায় অনেক ক্ষেত্রে চাকরির সিযোগ এগিয়ে আসে।
সেগুলির মধ্যে কিছু হলো,
• Logo designer হিসেবে।
• বিভিন্ন advertisement company তে।
• Web designer হিসেবে।
• Digital marketing agency তে।
• Magazine এবং news paper কোম্পানির থেকে।
• Application and game development কোম্পানি।
• Media publishing কোম্পানি।
• Brand identity designer.
• Animation designer.
এবং, আরো অনেক কোম্পানি এবং ভাগ রয়েছে যেগুলিতে আপনারা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
কি কি কাজে গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্যবহার করা হয় ?
বর্তমানে বিভিন্ন এবং প্রায় অনেক কাজেই গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্যবহার করা হয়। সেই, কাজ গুলির কিছু আমি নিচে আপনাদের বলে দিচ্ছি।
• কোম্পানির ব্র্যান্ড (brand) পরিচয় বা লোগো (logo) তৈরি।
• প্রিন্টেড করা জিনিসে (বই, নিউস পেপার, ম্যাগাজিনে) .
• অ্যালবাম কভার (album cover) তৈরি।
• ব্যানার বিজ্ঞাপন (banner advertisement) তৈরি।
• Digital advertisement তৈরি করার সময়।
• বিভিন্ন blog এবং website এ এর ব্যবহার হচ্ছে।
• জলের বোতলে থাকা ওই ডিজাইন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য (consumer products) তে থাকা ডিজাইন।
• অনলাইন এবং টিভি (TV) তে ব্যবহার করা গ্রাফিক্স (GRAPHICS) এবং টাইটেল (TITLE) .
• বিভিন্ন GREETINGS CARDS এ।
• বিয়ের invitation cards এ।
• T-shirts এবং জামা কাপড় ডিজাইন করার সময়।
• অ্যানিমেশন (animation) বানানোর সময়।
• Business ও visiting cards বানানোর সময়।
এ ছাড়া আরো অনেক অনেক কাজ রয়েছে, যেখানে গ্রাফিক ডিজাইনিং এর কাজের প্রয়োজন।
কত টাকা আয় করা যেতে পারে ?
যদি আপনি graphics designing শিখে এই লাইনে চাকরি করার কথা ভাবছেন, তাহলে প্রথম অবস্থায় মাইনে বা বেতনের পরিমান তেমন কোনো খারাপ না।
চাকরির মাধ্যমে আয়
ভারতে (India), এই ক্যারিয়ার নিয়ে চাকরি করা লোকেরা প্রথমেই ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ এর ভেতরে মাইনে (salary) পেয়ে যাচ্ছে।
তাছাড়া, আপনার কাজের অভিজ্ঞতা (experience) এবং knowledge যত বেশি বাড়বে ততটাই বেশি মাইনে বা স্যালারি আপনার বৃদ্ধি পাবে। অভিজ্ঞতা এবং প্রফেশনাল দক্ষতা থাকা লোকেরা গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যারিয়ারে ৫০,০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা অব্দি মাইনে ভারতে পাচ্ছেন।
তাই, অধিক মাইনে বা স্যালারি চাকরির মাধ্যমে পাওয়ার জন্য, গ্রাফিক ডিজাইনের ডিগ্রী এবং তার সাথে কিছু বছরের অভিজ্ঞতা থাকাটা জরুরি।
অবশই, প্রথমেই একজন নতুন (fresher) হিসেবে ২০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বেতনে কাজ করে নিজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে থাকতেই পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আয়
ফ্রিল্যান্সিং কি, এবেপারে আমি আপনাদের আগেই বলেছি। এ হলো এমন এক মাধ্যম, যেখানে জেকেও নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং জানা কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের কাজ অন্যদের জন্য করেন এবং সেই কাজের বিনিময়ে আপনাকে টাকা দেয়া হয়।
Freelancing আপনি পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম যেরকম খুশি সেরকম করতে পারবেন। আপনি, অনলাইন বিভিন্ন freelancing websites বা social media র মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইন এর সাথে জড়িত কাজ যেমন, logo design, web design, poster design, infographic বা আরো অনেক ধরণের কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন।
এই মাধ্যমে কাজ করলে আপনার টাকা আয়ের সংখ্যা নির্ভর করবে আপনার করা কাজের ওপরে। আপনি যত বেশি কাজ পাবেন এবং সেগুলি যত জলদি করবেন, ততটাই বেশি এবং জলদি টাকা আয় করতে পারবেন।
গ্রাফিক ডিজাইনার দের বর্তমান চাহিদা
আমি শুরুতেই আপনাদের বলেছি, আমরা বেশিরভাগ ছাত্ররা commerce, Arts, Science এবং কিছু ক্ষেত্রে engineering ছাড়া অন্য কোনো ডিগ্রী করার কথা ভাবিনা।
তাই, অন্য অন্য বিষয় গুলি, যেগুলির মধ্যে গ্রাফিক ডিজাইনিং ও রয়েছে, অনেক কম পরিমানের ছাত্ররা করছেন।
এতে, এই বিষয়ে দক্ষতা, জ্ঞান বা নলেজ থাকা লোকেদের চাহিদা অনেক পরিমানেই বেড়ে গেছে। বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে, যেখানে product marketing, promotion, product design বা অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে একজন graphic designer এর প্রয়োজন।
কিন্তু, এই বিষয়ে ডিগ্রি, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অনেক কম লোকের থাকার জন্যে, কোম্পানিরা অধিক বেতন (salary) দিয়ে কর্মচারী দেড় রাখছেন।
আজ, গাড়ির কোম্পানি থেকে আরম্ভ করে website agency, advertising company, digital marketing agency এবং প্রায় সব ধরণের ছোট বড়ো কোম্পানিতে একজন গ্রাফগিন ডিজাইনার এর প্রয়োজন।
তাই, যখন কথা আসছে, গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদার, তখন আমি বলবো, “এই শিল্প (art) শিখে আপনি এক উজ্জ্বল ভবিষৎ বানিয়ে নিতে পারবেন।
কিন্তু হে, আপনার সফলতা আপনার হাতে। আপনি কত রুচি রেখে ডিজাইনিং (designing) শিখবেন, কতটা ইন্টারেস্ট আপনার রয়েছে এবং কাজ শেখার ইচ্ছা আপনার রয়েছে কি না, সবটার ওপরে নির্ভর আপনার সফলতা পাওয়া।
ঘরে বোসে অনলাইন graphic design কিভাবে শিখবো ?
এখন আপনারা যদি ঘরে বসেই ফ্রীতেই গ্রাফিক ডিজাইনিং এর কাজ শিখতে চান, তাহলে সেটার দুটো মাধ্যম রয়েছে।
• YouTube ভিডিও দেখে।
• বিভিন্ন tutorial websites এ গিয়ে।
• বিভিন্ন Course এ গিয়ে।
ঘরে বসে graphic design শেখার জন্য প্রথমেই আপনারা Photoshop, CorelDraw, Adobe Illustration এগুলির মতো সফটওয়্যার বা গ্রাফিক্স টুল ব্যবহার করা শিখুন।
এই ধরণের গ্রাফিক্স টুলের ব্যবহার শিখলে আপনারা logo, business ও visiting cards, nameplate design এর মতো অনেক ডিজাইন বানিয়ে নিতে পারবেন।
তারপর, আস্তে আস্তে এই বিষয়ে আরো অ্যাডভান্সড ভাবে শেখা শুরু করতে পারবেন।
YouTube এর দ্বারা শিখুন :
YouTube এর মাধ্যমে আপনারা অনেক সহজেই অনেক গ্রাফিক ডিজাইন টিউটোরিয়ালের ভিডিও পেয়ে যাবেন। ভিডিও গুলি এক এক করে দেখে, নিজের দক্ষতা, জ্ঞান এবং নলেজ আপনারা বাড়িয়ে নিতে পারবেন। ভিডিও দেখে যেকোনো জিনিস শিখাটা কিন্তু অনেক সহজ এবং সোজা।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শিখুন :
ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে, যেগুলিতে গিয়ে আপনারা ফ্রীতে graphics design course শিখতে ও করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে, আপনারা Google এ গিয়ে সার্চ করলেই এরকম বিভিন্ন টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?গ্রাফিক ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা নিজের ধারণা, শিল্প (art) এবং দক্ষতা (skills) ব্যব...
29/10/2022

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

গ্রাফিক ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা নিজের ধারণা, শিল্প (art) এবং দক্ষতা (skills) ব্যবহার কোরে ছবি (pictures), শব্দ (words), পাঠ (text) এবং ধারণার মিশ্রণ (combine) কোরে একটি আলাদা এবং নতুন ছবি (picture) তৈরি করি।

Text, pictures এবং ধারণার মিশ্রনের দ্বারা তৈরি হওয়া এই নতুন ছবিই হলো গ্রাফিক। বিভিন্ন advertisements, magazine, books, website বা logo সাজানোর জন্য বা ডিজাইন
তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর মাধ্যমে আমরা অনেক রকমের visual concepts তৈরি করতে পারি। আসলে এর মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের আইডিয়া এবং জ্ঞান আমরা ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করি।

এই Graphics design এর কাজ আমরা, নিজের হাত দিয়েও করতে পারি বা বিভিন্ন কম্পিউটার সফটওয়্যার (computer software) বা এপ্লিকেশন (application) এর মাধ্যমেও করতে পারি।

কিন্তু, অ্যাডভান্সড (advanced) এবং প্রফেশনাল ভাবে ডিজাইন তৈরি করার জন্য, আমাদের একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যবহার করা খুবই জরুরি।

এখন এক কথায় বললে, গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে, আমরা বিভিন্ন ধরণে চাক্ষুষ ধারণার (visual concept) তৈরি বা ডিজাইন করতে পারি, এই বিষয়ে থাকা নিজের দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাধ্যমে। পুরোটাই, আপনার হাতের শিল্প, জ্ঞান এবং ধারণার ওপরে নির্ভর।
তাহলে, গ্রাফিক্স ডিজাইন কি বা কাকে বলে, সেটা হয়তো আপনারা ভালো করেই বুঝে গেছেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্ক্যে আরো জানতে থিমজোন একাডেমির সাথেই থাকুন। 😊

WordPress Customization Free Course ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন বলতে মূলত ওয়েব সাইটে একটি থিম কে নিজের পছন্দ মত পরিবর...
11/07/2022

WordPress Customization Free Course
ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন বলতে মূলত ওয়েব সাইটে একটি থিম কে নিজের পছন্দ মত পরিবর্তন, বা নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী ডিজাইন করাকে বোঝায়।
আমাদের এটা সম্পূর্ন ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন কোর্স, আপনারা যারা কোডিং ছাড়া কাস্টমাইজেশন করে সুন্দর সুন্দর ডাইনামিক ওয়েব সাইট বানানো শিখতে চান তাদের জন্য এই কোর্সটি খুবই উপকারে আসবে ।
কি কি শেখানো হবে এই কোর্সে ❤
1. পার্সোনাল প্রোর্টফোলিও ওয়েব সাইট ।
2. নিউজপেপার ওয়েব সাইট ।
3. ইকমার্স ওয়েব
কোর্স ডিটেইল
কোর্স ডিউরেশন : 2 মাস
ক্লাস টাইম সপ্তাহে 2 দিন( রেজিষ্ট্রাশন পর্ব শেষ হলে জানাবো হবে )
সময়: রাত 9 থেকে ১০ পর্যন্ত ( Google Meet and skype )
কোর্স ফি : ফ্রি কোর্স
আসন সংখ্যা 50টি
নোট: রেজিষ্ট্রাশন করলে ইনবক্স থেকে ফর্ম সংগ্রহ করে ফিল করে জমা দিন ।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা😊 ঈদ মোবারক!
09/07/2022

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা😊
ঈদ মোবারক!

ওয়েব ডেভলাপমেন্ট  কোর্সযারা ওয়েব ডিজাইনিং পার্ট পারেন ডেভলাপমেন্ট পার্ট এ ব্যাসিক থেকে এডভান্স কিছু শিখতে চাচ্ছেন তাদের ...
06/06/2022

ওয়েব ডেভলাপমেন্ট কোর্স
যারা ওয়েব ডিজাইনিং পার্ট পারেন ডেভলাপমেন্ট পার্ট এ ব্যাসিক থেকে এডভান্স কিছু শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এই কোর্সটা ।
এই কোর্সটিতে এডমিশন নেওয়ার আগে অবশ্যই ডিজাইনিং পার্ট আপনাকে পারতে হবে । শুধু মাত্র ১০ জন্য নিয়ে শুরু হবে এই কোর্সটি এবং কোর্স শেষে রিমোর্ট ইন্টার্ন করার সুযোগ রয়েছে ।
👉 এই কোর্সে যা যা থাকছেঃ
✅ Basic Javascript and Javascript ES6
✅ Fundamental React.js With Project
✅ Basic PHP and OOP PHP
✅ Fundamental Laravel With Project
✅ AWS Cloud Server ( S3, CE2 ) Basic concepts
✅ আসন 10 টি ।
নোট: প্রাথমিক ভাবে রেজিষ্ট্রাশন চলছে, আপনার আসনটি গ্রহন করতে ইনবক্স করুন ।

Address

Chattogram

4217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Graphic Tree posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Graphic Tree:

  • Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company?

Share