Digital marketing

Digital marketing This digital marketing will teach you a wide range of techniques used in online media and digital tools, helping you implement effective marketing strategies.

05/06/2020

A story of successful freelancer

আসসালামু আলাইকুম।

কেমন আছেন সবাই? আমি অনিক মাহমুদ। বাস্তব জীবনে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী আর পেশায় একজন টি শার্ট ডিজাইনার। আমি ডিজাইন শেখা শুরু করি ২০১৮ সাল থেকে এবং বর্তমানে আমি fiverr এ Level 2 Seller and upwrk এ toprated freelancer. আমার বাসা কুষ্টিয়ার একটি গ্রামে। অনেকটাই গ্রামে যেখানে ২ বছর আগেও ভালোভাবে ইন্টারনেট সেবা I mean broadband কানেকশন সবার নাগালের মধ্যে ছিল না। ইভেন লাস্ট আম্পান ঝড়েও আমাদের এই এলাকাতে ৪৮ ঘন্টারও বেশি বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। লাইফে অনেক Struggle করে এই পজিশনে এসেছি। সেই বিষয়ে কথা না বলি। আসলে আমার মত একজন মানুষের এই পজিশন অর্জন করা কতটা কঠিন আশাকরি সেইটা সবাই বুঝতে পারেন। আমি আজ আপনাদের সাথে আমার এই জীবনের কাহিনি টা বলছি কারণ আপনারা যারা কাজ করতে ভয় পান, অনেক অজুহাত দেখান তাদের জন্য। আমি এটাও জানি আমার এই অর্জন টা হয়ত খুব একটা বেশি কিছু না। কিন্তু আমার কাছে এই টা অনেক বেশি অনেক। যেখানে এই করোনার কারণে অনেকে হয়ত চাকরী হারাতে বসেছেন ঠিক সেই খানে আমি আমার নিজ প্রতিষ্ঠানে ৩ জনকে চাকরী দিয়েছি। যারা আমার সাথে ডিজাইনের কাজ করে। আসলে ছোট থেকেই ইচ্ছে ছিল নিজে কিছু করব। আমি মোটেও শিক্ষিত কোন ছেলে না। পড়াশোনার যোগ্যতা মাত্র S.S.C. আসলে আমার পক্ষে সম্ভব ছিল H.S.C তে কলেজে গিয়ে বিভিন্ন রুমে রুমে গিয়ে ক্লাস করা। তাই হয়ত লেখাপড়া টা চালিয়ে যেতে সক্ষম হই নাই। ঠিক তখন থেকেই নিজের ভিতর কেমন যেন একটা জিদ কাজ করতে লাগলো। জীবনে কিছু একটা করতে হবে। সেই যিদ থেকেই আজকে আমার এই সামান্য অর্জন। Success এর Definition বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্ন রকমের। কিন্তু আমার কাছে এই টা হলো If You Want To Be Successful, You Have To Cut Off The 3rd Hand Of Your Body. কারণ এই ৩ নম্বর হাতটা খুবই ভয়ানক। যেটা আপনাকে আগাতে দিবে না। যেমন ধনের আজ আপনার শরীর খারাপ, কাল আপনার কম্পিউটার নষ্ট, পরশু আপনার ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা। এই ধরনের অজুহাত যদি আপনি দেখাতে থাকেন তাহলে Success আপনার থেকে অনেক দুরে চলে যাবে আর যা আপনি বুঝতেও পারবেন না। তাই যদি আপনি আপনার নিজেকে Successful দেখতে চান তাহলে আপনার শরীর থেকে আপনার ৩ নং হাত টা বাদ দিয়ে দিন। দেখবেন Success আপনার দরজায় এসে কড়া নাড়ছে।

আমার এই পোষ্ট টা আমি কিন্তু আমার কোন পাবলিসিটির জন্য করছি না। আমি এই পোষ্ট টা হয়ত ২-৩ টা গ্রুপে শেয়ার করব। সেখান থেকে টোটাল যদি ৩০০ ও শেয়ার করে তাহলে হয়ত আমার এই পোষ্ট টা ৩০০০ মানুষ দেখবে আর সেখান থেকে যদি ৩০ জনও সিরিয়ার হয়ে কাজ করে তাহলে এইটাই আমার সার্থকতা।

যাইহোক অনেক কথা হয়ত বলে ফেললাম। যদি ভুল কিছু বলি তার জন্য Sorry. আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আর যদি আপনার সামান্য পরিমান মটিভেটেড করতে পারি তাহলে একটি শেয়ার দিয়েন যাতে আমার মত নতুন ফ্রিল্যান্সারটা পোষ্ট টি দেখে সামান্য পরিমান মটিভেশন পেয়ে পুরনায় কাজ করতে পারে।

ধন্যবাদ

02/06/2020

আজকের পোস্ট টা তাদের জন্য।যাদের গিগ থেকে অর্ডার আসে না।যাদের ঠিকমত বায়ার রিকুয়েস্ট আসে না।মনযোগ সহকারে পড়ার চেষ্টা করুন।আশা করছি অনেক উপকার হবে

১। গিগ থেকে কেন অর্ডার আসে না?

উত্তরঃ গিগ থেকে অর্ডার আসছে না তার কারন হল,বায়ার তার কাজের জন্য সার্চ করে আপনাকে খুজে পাচ্ছে না।আপনার গিগ টাইটেল,টেগ এসইও রিলেটেড নয়।বিশ্বাস না হলে,আপনি ফাইভার থেকে বায়ার মোডে যান,সেখানে আপনার গিগ রিলেটেড কাজের উপর নির্ভর করে সার্চ করুন,দেখবেন আপনার গিগের কোন খবর নাই।তাহলে আপনি কাজ পাবেন কিভাবে।তাই বেশি বেশি অর্ডার পেতে হলে আপনার গিগ টাইটেল,টেগ এসইও রিলেটেড হতে হবে।যাতে করে বায়ার আপনাকে খুজে পায়।কাজের চিন্তা পরে করুন।আগে চিন্তা করুন কিভাবে আপনার গিগটি ফাইভারে প্রথম পেজে আনা যায়।যদি আপনার গিগটি প্রথম পেজে আনতে পারেন,আপনি একা কাজ করে শেষ করতে পারবেন না,কাজ করার জন্য আপনাকে একটি টিম গঠন করতে হবে।
আরেকটি কারন হল,আপনার গিগ ইমেজ ও ডিস্ক্রিপশন।অনেক বায়ার আছে যারা আপনার গিগ ইমেজ ও ডিস্ক্রিপশন পড়ে ভালো লাগলে আপনাকে কাজ দিয়ে দিবে।তাই গিগ ইমেজ টা অপ পেজ এসইও করে নিন।খুব সুন্দর ভাবে একটি ইউনিক ডিস্ক্রিপশন সাজান।দেখবেন আপনার কাজের কোনো অভাব নেই
অর্ডার না পাওয়ার আরো কিছু কারন আছে,যেমন বার বার আপনার গিগটি এডিট করা,বায়ার কে দেরি করে মেসেজ করা,আপনার আগের কাজ কেনসেল হওয়া।এসব করে আপনার গিগ কে একদম ১২ টা বাজিয়ে দিয়েছেন।তাই এসব কিছু থেকে বিরত থাকুন।দেখেবেন আপনার অর্ডার আর কাজের অভাব নেই।
আরেকটি সমস্যা হচ্ছে আপনার গিগ একটিভ না হওয়া।যদি ও খালি চোখে দেখতে পাচ্ছেন,আপনার গিগ একটিভ আছে।আসলে আপনার গিগটি একটিভ নয়।তার জন্য আপনি ফাইভারে হেল্প এন্ড সাপোর্টে যান।সেখানে চেক করুন আপনার গিগটি একটিভ আছে কিনা।

২। বায়ার রিকুয়েস্ট কেন আসে না?

উত্তরঃ আগে বলে রাখি কষ্ট ছাড়া সফল হবেন না।এমন না যে,আপনি ঘুম থেকে উঠবেন,আর বায়ার রিকুয়েস্ট চেক করবেন,আর শত শত বায়ার রিকুয়েস্ট দেখবেন।আরে ভাই কষ্ট করুন ২,৩ দিন ঘুমাবেন না.১০ মিনিট পর পর চেক করুন।দেখবেন ২,৩ দিন পর আপনার নিজের আইডিয়া এসে পরবে যে কখন বায়ার রিকুয়েস্ট আসে।আপনি যদি আপনার সময়মত বায়ার রিকুয়েস্ট চেক করুন।তাহলে সারা জীবন ও বায়ার রিকুয়েস্ট পাবেন না।তবে আমার জানা মতে, সকাল ১১ থেকে দুপুর ১ টা,বিকাল ৫ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা,রাত ১১ টা থেকে রাত ১ টা এ সময় গুলোতে বেশি বায়ার রিকুয়েস্ট আসে।
অনেকে আছেন ১ টি বা ২ টি গিগ দিয়ে বলেন আমার বায়ার রিকুয়েস্ট আসে না।আগে ফাইভারে হেল্প এন্ড সাপোর্ট থেকে চেক করেন আপনার গিগটি একটিভ আছে কিনা।যদি একটিভ থাকে তাহলে বায়ার রিকুয়েস্ট আসবে।সাধারন ভাবে গিগ দেওয়ার পর খালি চোখে দেখবেন আপনার গিগ একটিভ।কিন্তু আসলে গিগ একটিভ থাকে না।তাই ফাইভারে হেল্প এন্ড সাপোর্ট থেকে চেক করুন আপনার গিগটি একটিভ আছে কিনা।সব থেকে উত্তম আপনি পারফেক্ট ৭ টি গিগ দেন।দেখবেন বায়ার রিকুয়েস্ট এর কোন অভাব নাই
আশা করি বুজতে পেরেছেন।শেষ মূহুর্তে একটি কথা বলি,ভাই কষ্ট করুন,প্রচুর কষ্ট করুন সফল হবেন।ফ্রিল্যান্সিং এ শর্টকার্ট কোন রাস্তা নাই ভাই।

02/06/2020

|| বায়ার হলো প্রেম করে বিয়ে করা বউয়ের মতোন ||

বায়ারের সাথে যখন আপনি কথা বলবেন আপনি স্বাভাবিকভাবেই চাইবেন তাকে কনভিন্স করতে যেন কাজটা আপনি পেয়ে যান। আর কাজ পাওয়া মানে সে আপনার প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেছে।

এরপরে শুরু হবে প্রেমিকার আবদার। আকাশের চাঁদ এনে দিতে হবে তাকে। কখনো বা খাল কেটে কুমির এনে দিতে হবে। আপনার মাঝেমধ্যে মেজাজ খারাপ হয়ে যেতে পারে। ইচ্ছা হবে যে ব্রেকাপ করে দিতে। কিন্তু খবরদার তা করতে যাবেন না। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে তাকে খুশি করতে হবে। সে খাল কেটে কুমির এনে দিতে বললেও তাকে আরো খুশি করার জন্য ধোরাসাপের ছানাও গিফোট করবেন। প্রেমিকা মধু হই হই বিষ খাওয়াবে আপনাকে। কিন্তু সেই বিষ খেয়ে আপনাকে হাসি মুখে বলতে হবে- জানু বিষ খাইতে এতো মিডা লাগে ক্যান।

আপনাকে একটা কাজের কথা বলে অনেক কাজ করিয়ে নিতে পারেন আপনার প্রেমিকা সমমানের বায়ার। করে দিবেন যদি পারেন। তবে সাথে এটাও বুঝিয়ে দিবেন, 'জানু ময়না পাখি আমার। তোমার জন্য কত কি করলাম দেখছো। খালি তুমি বইলাই করলাম।' বায়ার হয়তো সেটার জন্য পেমেন্ট দিবে না৷ কিন্তু তাকে বুঝিয়ে দিবেন দুনিয়ার কোনো সার্ভিস ফ্রি না। সে পরবর্তীতে আপনাকে দিয়ে বাড়তি কাজ করাবার আগে অন্তত একবার হলেও তখন ভাববে। এটাই লাভ।

বায়ারের কাজ ডেলিভারি দেয়া মানেই সেই প্রেমিকাকে বিয়ে করে ফেলা। বাসর রাতে বউয়ের ঘোমটা তুলে যখন বলবেন- ওগো আমারে তোমার পছন্দ হইছে তো? বউ তখন ঝেমটা মেরে বলবে- জানি না যাও।

এরপর দেখবেন অনেক রোমান্স করে, কিস (টিপস) দিয়েও আপনাকে থ্রি স্টার দিছে। কারণ বউয়ের মন বুঝা বড় মুসকিল। এরা যে আসলে কিসে খুশি হয় আর কি কারণে থ্রি স্টার ফোর স্টার দেয় বুঝা মুসকিল। তাও বউরে কিছু বলতে যাবেন না। থ্রি স্টার দিলেও বলে দিবেন রিপ্লাইয়ে- তোমার কিস (টিপস) এর জন্য ধন্যবাদ অনেক ইয়াম্মি আছিলো। যেন অন্যরা বুঝে যে থ্রি স্টার দিলেও বায়ার আপনাকে খুশি হয়ে টিপস তো দিছে। (যদিও বাইরের দেশে ওরা অনেকেই এমনিতেই টিপস দেয়। খুশি হলেও দেয়। না হলেও দেয়।)

প্রেমিকাকে নানান তরিকায় যারা হ্যান্ডেল করতে পারেন তারাই মনে হয় সফল হন। বাস্তব জীবনে আপনার প্রেমিকা থাকুক আর নাই থাকুক। বায়ার যেহেতু আপনি পেয়েছেন সেহেতু প্রেম করার অভিজ্ঞতাও আপনার আছে। শেয়ার করতে পারেন কিভাবে আপনারা বায়ারকে পটিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বায়ারের বাড়তি আদবার গুলোও কিভাবে হ্যান্ডেল করছেন টেকনিকালি। আপনাদের এই অভিজ্ঞতা গুলোই অনেকের কাজে লাগবে।

বিঃদ্রঃ সবসময় কি সিরিয়াস থাকলে চলে। একটা গালগল্পও তো করা লাগে নাকি!

#কালেক্টেড

31/05/2020

কনটেন্ট রাইটিং নিয়ে কিছু টিপস :✍️✍

✍️✍️আপনি যেই টপিক নিয়া লেখা শুরু করেন না কেনো আপনাকে আগে ওই টপিক এর কিচু স্টোরি বা মজার তথ্য দিয়ে কনটেন্ট লেখা শুরু করতে হবে.

তাহলে ভিজিটর আপনার কনটেন্ট এর উপর আস্থা রাখবে।

✍️✍️কনটেন্ট লেখার আগে ওই কিওয়ার্ড এর যে বিষয়গুলা আপনার রাইটার আপনাকে ইমপ্লিমেন্ট করতে বলেছে সে বিষয়গুলাএকটা নোট করে নিন.

তাহলে লেখার সময় আপনার সুবিধা হবে.

✍️✍️ আপনি যদি কোনো টপিক এ রাইটিং আইডিয়া না পান তাহলে আপনি Forum Site/ Youtube/ Wikepedia থেকে রিসার্চ করে লিখতে পারেন।কম্পিটিটর তো আছেই।

✍️✍️আপনার ইউজার আপনার কনটেন্ট পরে কি ভাবে হেল্প পেতে পারে সে বিষয় গুলা তুলে ধরুন। কিওয়ার্ড এর সাথে মিল রেখে কনটেন্ট এ বেশি করে তথ্য দিন।

✍️✍️কনটেন্ট এর মাঝে লং টেইল কিওয়ার্ড রাখবেন।এছাড়াও বিভিন্ন বিষয় যেমন Quotes , মতামত, রিপোর্ট ইত্যাদি রাখবেন।

✍️✍️কনটেন্ট এর মাঝে নিজেকে তুলে ধরবেন ,যে আমি ব্যবহার করেছি, আমি করেছি, আর ইউজার ফ্রেন্ডলি ভাবে লিখবেন বেশি হার্ড ওয়ার্ড ব্যবহার না করাই ভালো। তবে পসিটিভ ওয়ার্ড বেশি ইউজ করবেন।

✍️✍️কনটেন্ট এর শেষে ভিজিটর কে প্রাধান্য দিয়ে লিখবেন। যে আসা করি ভালো লেগেছে, তাদের মতামত জানতে চাবেন, নিজের কিছু অভিজ্জতা শেয়ার করতে পারেন ওই টপিকে ইত্যাদি।

বজ্রপাতে ফ্রিলান্সারের করনীয়!!দেশে এখন প্রচুর বজ্রপাত সহ ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। গত কয়েক বছরে দেশে  বজ্রপাতের পরিমাণ অনেক বেড়ে ...
26/05/2020

বজ্রপাতে ফ্রিলান্সারের করনীয়!!
দেশে এখন প্রচুর বজ্রপাত সহ ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। গত কয়েক বছরে দেশে বজ্রপাতের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। কয়েক দিন আগে ঘূর্ণিঝড় আমফানের কারনে, দেশের বিভন্ন জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছ। অনেক জায়গায় এখনো বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা পুরাপুরি ঠিক হয়নি। আমরা ফ্রিল্যান্সারেরা সব থেকে বেশি ভুক্তভুগি। গত কয়েক দিনের বজ্রপাতে, বেশ কয়েকজন ফ্রিলান্সারের পিসি, রাউটার, মডেম পুড়ে গেছে। করোনাকালের এই সময়ে পিসি ঠিক করাও অনেক ঝামেলার কাজ। বিদ্যুৎ এবং নেট সমস্যার কারনে, অনেকেই ঠিকমত বায়ারের কাজ জমা দিতে পারেননি, অর্ডার ক্যান্সেল সহ নেগেটিভ পাওয়ার খবর এসেছে।
বজ্রপাত সহ বৃষ্টির কারনে, প্রায় প্রতিদিনই হতাহতের খবর আসছে। পরিসংখ্যানে প্রকাশ, বিশ্বে বজ্রপাতে যত প্রাণহানি হয়, তার প্রায় অর্ধেকই হয় বাংলাদেশে। এটা থেকেই বোঝা যায় এর ভয়াবহতা কি পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাধারন মানুষের সাথে সাথে, একজন ফ্রিলান্সার হিসেবে আমাদের বাড়তি সতর্কতা নেয়া উচিৎ। কারন আমরা সব সময় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের সাথে যুক্ত থাকি। আর বজ্রপাতে সবথেকে বেশি ঝুঁকিতে থাকে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সমুহ। উল্লেখ্য যে, আমার মত যারা গ্রামে থেকে ফ্রিলান্সিং করছেন, তাদের ঝুকি অনেক বেশি, কারন শহরের তুলনায় গ্রামে বজ্রপাত বেশি হয়। তবে শহরেও প্রচুর ঝুকি রয়েছে। শহরেও অনেক বাড়িতে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী পুড়ে যাবার ঘটনা ঘটছে। বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য সময় একজন ফ্রিলান্সারের করনীয়
১। ঝড় শুরু হলেই, আপনার পিসি রাউটার সহ সব ডিভাইস অফ করুন এবং কারেন্ট লাইন থেকে আনপ্লাগ করুন। ব্রডব্যান্ড লাইনের তার পিসি/রাউটার থেকে বিচ্ছিন্ন করুন!
২। আপনার ব্রডবান্ড লাইন যদি নরমাল কোরের তারের হয় তবে বজ্রপাতে পিসি রাউটারের ক্ষতির সম্ভবনা বেশি। তাই ভাল হয় IP প্রভাইডারকে বলে অপটিক্যাল কেবল দিয়ে লাইন নিন। এতে ঝুকি কিছুটা কমবে।
৩। নিশ্চিত হোন আপনার বাড়ির ইলেকট্রিক লাইন ঠিকমত আরথিং করা আছে কিনা। যদি না করা থাকে তবে দ্রুত এই ব্যাপারে ব্যাবস্থা নিন। লাইন আর্থিং বা গ্রাউন্ড করা থাকলে, ইলেক্ট্রনিক্স পুড়ে যাবার সম্ভবনা অনেক কমে যাবে। এছাড়া বাড়িতে সারকিট ব্রেকার লাগাতে পারেন। এতে বিদ্যুৎ লাইনে বড় কোন সমস্যা হলে সাথে সাথেই, বিদ্যুৎ লাইন ডিস্কানেক্ট হয়ে যাবে। এতে মূল্যবান ইলেকট্রনিক্স সামগ্রি নষ্ট হওয়া থেকে বাচবে। এর জন্য অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ানের হেল্প নিন।
৪। টিনের চালে বজ্রপাতেের ঝুকি অনেক বেশি। কারেন্ট লাইন আরথিং করার পাশাপাশি, চালের উপরে বজ্র নিরোধক দন্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।বিস্তারিত জানতে গুগল করুন/ইউটিউব সার্চ দিন, আর অভিজ্ঞ ইলেক্ট্রেশিয়ান এর পরামর্শ নিন।
৫। যদি বাড়িতে কোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকে, তবে ঝড়ের সময় সবাই একসাথে না থেকে, আলাদা আলাদা রুমে অবস্থান করুন।
৬। বজ্রপাত শুরু হল সব ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এবং ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকুন। লোহার জানালা, দরজা এবং লোহার গ্রিল থেকে দূরে থাকুন।
৭। ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে ঘর থেকে বের হবেন না, অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পড়ে বাইরে বের হতে পারেন।
৮। বাহিরে থাকা অবস্থায় বজ্রপাত সহ বৃষ্টি শুরু হলে, উঁচু গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুটি, মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন। সম্ভব হলে ফাঁকা জায়গায় অবস্থান করুন।
৯। বজ্রপাতে কেউ আহত হলে, বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মত করেই চিকিৎসা করতে হবে। কিভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয় সেটা জানতে ইউটিউব সার্চ করতে পারেন। আপনার একটু সচেতনতা এক জনের জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
১০। বজ্রপাতের আশংকা থাকলে আপনার পেন্ডীং কাজ দ্রুত ডেলিভারি দিন। না দিতে পারলে সময় বাড়াবার জন্য বায়ারকে রিকইয়েস্ট করেন। ভয় নেই বায়ার সময় বাড়িয়ে দেবে। তবে ভুলেও ব্লাঙ্ক ডেলিভারি বা ফেক ডেলিভারি দেবেন না, কাজ ডেলিভারি একেবারেই দিতে না পারলে ক্যান্সেল করে দিন, এতে একাউন্টের কিছুটা ক্ষতি হলেও অন্তত ব্যান হওয়া থেকে বাঁচবেন। আর বেশি সমস্যা মনে করলে সাপোর্টে জানিয়ে রাখতে পারেন। কাজ ডেলিভারি নিয়ে বায়ারের সাথে কোন সমস্যা হলে, ভবিষ্যতে আপনার সুবিধা হবে।
১১। প্রত্যেক প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সারের অবশ্যই IPS ব্যাকআপ থাকা উচিৎ। এলাকায় বজ্রপাত হলে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ নাও থাকতে পারে। লোকাল হ্যান্ডমেইড IPS থেকে ব্যান্ডের IPS কেনা ভাল। কারন ব্র্যান্ডের IPS এ UPS মোড ভাল কাজ করে, ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও, পিসি রিস্টার্ট নেয় না। আর আপনার বাড়তি UPS কেনারও দরকার নেই। ৬০০VA ব্র্যান্ডের IPS এবং ১৩০AMP এর ব্যাটারিতে অনায়াসে ১০-১২ ঘন্টা পিসি এবং ১৬-২০ ঘন্টা ল্যপটপ ব্যাকআপ পাবেন। আমি রাহিমআফরোজ IPS গত চার বছর ধরে কোন ঝামেলা ছাড়াই ইউজ করছি।

১২। প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারের কাজের পিসির পাশাপাশি, একটা বিকল্প পিসি অবশ্যই থাকা উচিৎ। নিদেন পক্ষে একটা ল্যাপটপ থাকা উচিৎ। সব ধরনের সতর্কতা নেয়ার পরেও, বজ্রপাতের কারনে পিসি নষ্ট হয়ে যেতে পারে, বিকল্প একটা পিসি, বিপদের সময়ে আপনার সব থেকে কাছের বন্ধু হিসাবে হেল্প করবে।
আশা করি আমরা সবাই সচেতন হব এবং অন্যদেরকে বজ্রপাতের ব্যাপারে সচেতন করব।
ধন্যবাদ!

_-'-_]| |[]| |[]| |[ ._.-^-._]| |[_((('''')))_.-^-._]| |[¤    ঈদ       ¤{[( )]}@@@@@@@@@@@@    §§§ মোবারক §§§শুভ রজনী, শ...
24/05/2020

_-'-_
]| |[
]| |[
]| |[ ._.-^-._
]| |[_((('''')))_.-^-._
]| |[¤ ঈদ ¤{[( )]}
@@@@@@@@@@@@
§§§ মোবারক §§§
শুভ রজনী, শুভ দিন,
রাত পোহালেই ঈদের দিন।
উপভোগ করবে সারাদিন,
ঈদ পাবে না প্রতিদিন।
দাওয়াত রইলো ঈদের দিন।
“ঈদ মোবারক”

 #অনলাইন_ইনকামের_25_টি_মাধ্যম১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যেমন গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্...
22/05/2020

#অনলাইন_ইনকামের_25_টি_মাধ্যম

১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যেমন গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা

২.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারে।

৩. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

৪. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি, আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।

৫.টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com, জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর বিক্রয় করুন।

৬.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।

৭.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।

৮. ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।

৯. কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্‌ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।

১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর‌্যাবিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।

১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।

১২. খুব সাধারণ কম্পিউটার জব যেমন ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।

১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন 99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়।

১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।

১৫.অনেকেই আছেন যারা ভাল গান করেন। আপনি যদি ভাল গান করে থাকেন অ্যামাজন এমপিথ্রি, আইটিউন , প্যান্ডোরা,স্পটিফাই এর গান গুলো বিক্রয় করতে পারেন। এজন্য ডিস্ট্রোকিড DistroKid , টিউনকোর Tunecore, লাউডার এফএম loudr.fm বা সিডিবেবির CDBaby সাহায্য নিতে পারেন। আপনি চাইলে সরাসরি আপনার অডিও ফাইল গুলো অডিও জংগল AudioJungle, পন্ড৫ Pond5 বিক্রয় করতে পারেন।

১৬. অ্যামাজন Amazon বা অন্যান্য অনলাইন স্টোরের অ্যাফিলিয়েটর হিসাবে অনেক ভাল আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিজিলিংক Vigilink, শেয়ারএসেল ShareASale, কমিশন জাংশন CJ বা লিংক শেয়ার LinkShare এর মত সাইটগুলো অনেকভাল কাজ করে।

১৭. অনলাইনে টিউশন এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যেখানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া,ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করার কাজ পাওয়া যায়।টিউটর ডট কম Tutor.com, ইন্টাএডু InstaEdu, টিউটোরিয়াল ভিসা TutorVista এর মত সাইটে খুব সহজেই অনলাইন শিক্ষক হওয়ার আবেদন করে অনলাইনে টিউশন করতে পারেন।
১৮. বিদেশীদের জন্য বাসা ভাড়া দিয়েও আয় করা যায়। আপনার ঘরে যদি খালি জায়গা থাকে তাহলে আপনার কি কি জিনিসপত্র আছে আজই লিষ্ট তৈরী করে ফেলুন। এয়ারবিএনবি Airbnb কুসসার্ফিং Couchsurfing আপনাকে সাহায্য্ করবে।

১৯.আপনি কি ফটোগ্রাফি করেন,আপনার ফটোগ্রাফি যদি ভাল হয় তবে ক্রিয়েটিভ মার্কেট Creative Market ,ফটোদুন PhotoDune, আইস্টকফটো iStockPhoto , ইমেজ এম্বেডেড ImgEmbed এ আপনার তোলা ছবি গুলো বিক্রয় করতে পারেন।

২০. পুরোনো অব্যবহৃত জিনিসপত্র,শিশুদের খেলনা, দুর্লভ বই বা অতি প্রাচীন বা শখের বস্তুগুলো খুব সহজে বিক্রয় করতে পারেন ইবে, ক্রেগলিষ্ট,বিক্রয় ডট কম, কিংবা সেলবাজার এর মত সাইটে বিক্রয় করতে পারেন।

২১. আপনি একজন ওয়েবসাইট ব্যবহার কারী হিসাবেও আয় করতে পারেন। যে কোন ওয়েবসাইট টেষ্ট করুন, সুন্দর রিভিউ লিখুন একজন ব্যবহারকারী হিসাবে সাইটের সুবিধা অসুবিধাগুলো লিখে আয় করুন। ইউজারটেস্টার UserTesting সাহটের সাহায্যে আয করুন।

২২.আপনি হয়ত বিভিন্ন সময় আপনার বন্ধু বান্ধবদের টেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাহায্য করেছেন। তাহলে অনলাইনে কেন নয় ? স্কাইপে স্ক্রিন শেয়ার, বা গুগল ক্রোমের দুরবর্তী স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে টেকনোলোজি সাপোর্ট দিয়ে খুব সহজে আয় করতে পারেন।

২৩.ফিভার Fiverr ও পিপলস পার আওয়ার PeoplePerHour এ অ্যাকাউন্ট করুন । এখানে সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়।

২৪.আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুন বিক্রয় করেও আয় করতে পারেন। ফ্লিপপা Flippa , গো-ড্যাডি অকশন GoDaddy Auctions , সিডো Sedo ইত্যাদি সাইটে আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুনরায় বিক্রয় করতে পারেন ।

২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।

আপনি চাইলে উপরের যে কোন একটি বিষয় নিজেকে দক্ষ করে তুলে অনলাইন কে ব্যবহার করে ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

অনলাইন ইনকামের এরকম নানা ধরনের তথ্য পেতে চাইলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন

ধন্যবাদ ❤️


Shop our collection of awesome t-shirts, art prints, iphone cases, and more featuring unique designs by the global Threadless artist community.

ফেসবুকের যে ৭ কৌশল জানা উচিত  ফেসবুক এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বা ছবি-ভিডিও দেখে সময় কাটানোর মাধ্যম নয়। এটি এখন...
10/05/2020

ফেসবুকের যে ৭ কৌশল জানা উচিত

ফেসবুক এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বা ছবি-ভিডিও দেখে সময় কাটানোর মাধ্যম নয়। এটি এখন খবরের প্রাথমিক উৎসের পাশাপাশি অনলাইনে মানুষকে খুঁজে বের করার একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। সময়ের সঙ্গে ফেসবুকে এসেছে বেশ কিছু পরিবর্তন। নিজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য এসব হালনাগাদ পরিবর্তন সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। দেখে নিন ৭ কৌশল:

ফেসবুকের খুঁটিনাটি: ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানানো, মন্তব্য করা থেকে শুরু করে যেসব কাজ আপনি করেন সেগুলো কোথায় থাকে তা কি জানেন? ফেসবুকের প্রোফাইল পেজে ‘অ্যাকটিভিটি লগ’ দেখতে পাবেন। সেখানেই আপনার পোস্ট, লাইক, মন্তব্য, ছবি, লাইভ ইভেন্টস—সবকিছু পাবেন। এটি শুধু আপনি দেখতে পাবেন। আপনার লগ ফিল্টার করতে পারবেন এখান থেকে।
সিক্রেট কনভারসেশন: কারও সঙ্গে গোপনে নিরাপদ কথোপকথন চালাতে চান? ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে আপনি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বেছে নিতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপে এ ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রয়েছে, কিন্তু ম্যাসেঞ্জারে এটি ব্যবহার করতে হলে তা চালু করে নিতে হয়। ম্যাসেঞ্জার সেটিংস থেকে এই বাটনটি চালু করে নিতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর বার্তা মুছে ফেলার সুবিধাও আছে এতে।

ফেসবুকে উত্তরসূরি: মানুষের মৃত্যুর পরও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে যায়। এটা তাঁর ডিজিটাল সম্পদ। তাই এর উত্তরসূরি রেখে যাওয়া সম্ভব। মানুষ চলে যাওয়ার পর তাঁর ফেসবুক কে দেখভাল করবে, তা আগেই ফেসবুককে জানিয়ে যাওয়া যায়। ফেসবুক সেটিংস থেকে সিকিউরিটিতে গিয়ে লিগাসি কন্টাক্ট নির্বাচন করা যাবে। সেখান থেকে একজনকে উত্তরসূরি নির্বাচন করে তাঁকে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে।

এইচডি আপলোড: ফেসবুকে যখন আপনি কোনো ছবি বা ভিডিও আপলোড করেন, তখন ফেসবুক তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসাইজ করে নেয়। এতে জায়গা বাঁচে ও ডেটা কম খরচ হয়। কিন্তু চাইলে ছবি বা ভিডিও হাই ডেফিনিশন বা এইচডি হিসেবে আপলোড করা যাবে। এ জন্য এইচডি ফিচারটি চালু করতে হবে। সেটিংসে গিয়ে ভিডিও ও ফটোজের জন্য এইচডি অপশনটি চালু করে নিতে পারেন।

লগইন পর্যালোচনা: ফেসবুক ব্যবহারকারীকে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাব, স্মার্টফোন প্রভৃতি থেকে ফেসবুকে ঢুকতে হয়। আবার একেকবার একেক রকম ব্রাউজার ব্যবহার করতে হয়। সেটিংসে গিয়ে সিকিউরিটিতে ঢুকে হোয়্যার ইউ আর লগড ইন দেখুন। সম্প্রতি কোথা থেকে ফেসবুকে লগইন করা হয়েছে, তা দেখতে পাবেন। এখান থেকে ডিভাইসের নাম ও সম্ভাব্য অবস্থানও দেখতে পাবেন। আপনার অ্যাকাউন্টে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কেউ ঢুকেছে কি না, তা-ও দেখতে পাবেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে দ্রুত তা মুছে দিন এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বদলে জটিল পাসওয়ার্ড দিন।

অন দিস ডে: ফেসবুকে সম্প্রতি ‘অন দিস ডে’ নামের একটি নোটিফিকেশন পপআপ আকারে দেখা যাচ্ছে। গত বছরের এই দিনে কী করেছিলেন, কী ঘটেছিল, সেই পুরোনো কথা ফেসবুক এ ফিচারটির মাধ্যমে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই ‘অন দিস ডে’ ফিচারটি অনেক সময় বিরক্তিকর বা কষ্টদায়ক স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ খবর: যাঁরা নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন, তাঁরা বিভিন্ন পেজ বা অ্যাকাউন্ট ফলো বা অনুসরণ করেন। এর মধ্যে কিছু কিছু সাইট বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেসব পেজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং সেগুলোর হালনাগাদ বিষয় পেতে চান, তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্বাচন করে দিতে পারেন। নিউজ ফিডে এই বিষয়গুলো আগে দেখাবে ফেসবুক। সেটিংসে গিয়ে নিউজ ফিড প্রেফারেন্স পাবেন। সেখান থেকে ‘প্রায়োরিটাইজ হু টু সি ফার্স্ট’ থেকে আপনার অগ্রাধিকার তালিকা ঠিক করে দিন।

08/05/2020

Civil Engineer থেকে ছোট্ট এক Freelancer হয়ে ওঠার গল্প। (শেষের অংশের নসিহত নামা অবশ্যই পড়বেন)

গল্পের নায়কঃ Abdullah - Al - Mamun (Original বয়স 26 বছর, সরকারি বয়স 23 বছর 7 মাস 28 দিন)

ভূমিকাঃ
2010 সালে আমার বড়ভাই একটা Computer নিয়ে আসার দায়িত্ব দিছিল, কিন্তু Dual Core বলে Pentium 4 ধরায় দিছিল। এই খবর শুনে পাড়ার দুই বড়ভাই খুব লজ্জা দিছিল। সেই থেকে জেদ কাজ করত। কি আছে এর ভিতর দেখে নিব।

29 নভেম্বর 2014:
ভার্সিটিতে ভর্তির পর বাসায় পাম দিয়া একটা i3 desktop Computer কিনে নিলাম।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: তার আগে জানতামও না যে video দেখে History delete করা যায় (জ্বালাতন সহ্য করতে না পেরে শেষে মেসের বড় ভাই password change করে দিছিল)।

Computer কেনার পর থেকে C, C++ নিয়ে ঘাটা-ঘাটি শুরু সেই মেসের বড়ভাই এর উৎসাহে, এর সাথে BASIS-BITM থেকে PHP করলাম। কিন্তু আমি ছিলাম Civil Engineering student এবং বছর খানেক মেসও পালটাইলাম। সেখানে এক বড়ভাই বলল দুই নৌকায় পা দিও না। তাই সব বাদ দিয়া RCC, Steel Structure, shear force, bending moment অর্থাৎ Civil এ মনোযোগ দিলাম।

Freelancing এর শুরুঃ
BSc just complete হল। আমার এক বন্ধু, গাইবান্ধার এক ছেলের হয়ে Link Building এর কাজ করত, Fiverr based work। তার সাথে শুরু করলাম per Link 4টাকা Rate এ। কাজ করার সাথে সাথে নতুন নতুন Link Building Technique শেখা শুরু করলাম। এরপর জানার চেষ্টা করলাম কোনটা ভাল link কোনটা Spamming, etc.

Fiverr
4 মাসের মধ্যে মনে হল আমি নিজের Account খুলতে পারি। খুলেও ফেললাম। কিন্তু সেই বন্ধু বলল, “অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী”। আমার জেদ উঠে গেল, দেখি পারি কিনা। পরবর্তীতে, ওই বন্ধুই আমার Account এ কাজ করেছে। মাত্র $12 ডলার এর জন্য 10-12 ঘণ্টা কাজ করতাম শুরুতে। আর এখন, থাক না বলি। আমার বিশ্বাস ছিল যে, ধৈর্য, Skill Development and Reputation building এই তিনটা জিনিসই আমাকে Success এনে দিবে। Last one year, I have completed 236 orders in Fiverr.

Responsibility: Link Building and Social Media Marketing.

Upwork
গত বছর ঈদ এ এক বড়ভাই ভাই বলল উনি 3 বছর ধরে Upwork এ কাজ করে (civil related)। আমি বললাম, ভাই আমাকেও নিয়েন বড় কাজ পাইলে। ঈদ এর পর ঢাকা এসে শুনি, ভাই $20/hour rate এ কাজ পাইছে (Floor plan দেখে Estimation and project management software handle করতে হবে), Florida এর এক Construction company.

ভাই, 65 দিনে আয় করল $7333.32 আর আমি পাইলাম 85 হাজার (নাই মামার থেকে, কানা মামা ভাল), যদিও 60-70 ভাগ কাজ আমি করতাম, উনি কাজ গোছায় দিত। কিন্তু কাজের শেষের দিকে payment বারিয়ে দিতে বলায়, ভাই সন্দেহ করা, ব্লেম দেয়া ইত্যাদি শুরু করে দিল। কষ্ট পাইলাম অনেক। আবার জেদ উঠে গেল।

কিন্তু Upwork এ তো Account খুলতে পারি না। মহাসমস্যা। পরে, oDesk এর যুগে খোলা Account (Suspended হয়ে ছিল) access নেয়ার চেষ্টা করলাম। Customer Care এ কথা বলে Account ঠিক করে ফেললাম। তারপর বাকিটা ইতিহাস।

Now I work for Wandershare LLC (with Recoverit and dr fone team, outside of Upwork), WhiteHat Jr., and other short-term buyers with an excellent reputation.

Responsibility: Social media Content creation, writing and promotions on different social media and QA sites.
Investment: Connect কেনার জন্য $10 + $10 খরচ করেছিলাম। Recently, $140 দিয়ে Grammerly এর Premium subscription (1 year) কিনলাম।

নসিহত নামা for Newbie (ইহা নিজেকে বিজ্ঞ হিসেবে উপস্থাপন করার ক্ষুদ্র প্রয়াস)
ভাই, Communication skills লাগবেই এবং Buyer কে বুঝাইতেই হবে আপনই সেই মানুষ, যাকে Buyer এতদিন ধরে খুজতেছে।
Skill Development: যদি কোন skill নাই, ছোট্ট কোন একটা কাজ শিখেন, পারলে কোন Freelancer এর হয়ে অল্প পয়সাতে 3-4মাস কাজ করেন।
ভাই, Freelancer হইতে গেলে ছ্যাছরা দিতেই হবে। একবার প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে সব কষ্ট হাওয়াতে মিলিয়ে যাবে।
যদি নিজের একটা Agency পর্যন্ত যাওয়ার plan না থাকে তবে শুরু থেকেই একটা Full-time job এর সাথে part-time Freelancing করা উচিত। তা নাহলে একটা সময় হতাশ হয়ে যেতে পারেন।
শুধু স্বপ্ন নিয়ে থাকবেন না, সবসময় একটা Backup plan রাখবেন।

First Job পাওয়ার জন্য ও Client ধরে রাখার জন্য আমি যা করেছিলাম
আমি যে skill set এর কাজ করব আমার profile description এর শুধু সে বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছি। Profile সাজানোর জন্য same skill এর কাজ করে এমন 10টা Profile list করে ওদের মত করে সাজানোর চেষ্টা করেছি।
10% rule:
আমার plan ছিল, আমি প্রথম সপ্তাহে 10টা job apply করব (Post এর 2 ঘণ্টার মধ্যে apply) । সেখান থেকে 2-3 জন আমার Interview নিবে এবং 1 জনের কাছ থেকে job আদায় করে নিব। আমি 9th apply এ গিয়ে প্রথম Interview দেই এবং client রে পটায় ফেলি। সে এখন Upwork এর বাইরে আমার সাথে কাজ করে।
20% extra:
Bonus সবাই ভালবাসে। আমি চেষ্টা করে, যদি কনো client আমাকে 10 টাকার কাজ দেয় তাহলে আমি তাকে 12 টাকা সমমূল্যের কাজ করে দিব এবং তাকে সেটা জানাব। এটা করলে 5 জনে 1-2 জন client আবার ফিরে আসবে। ওই client কে ধরে রেখে, সেই 10 টাকার কাজ 15 টাকা দিতে চায় এমন job এ apply করেন এবং তাকে ২ টাকার কাজ বেশি করে দেন। এভাবে আপনার Brand Value বাড়াতে হবে।

Client এর যদি কাজ সম্পর্কে ধারণা কম থাকে
আপনার client আপনাকে যে কাজ দিছে সেটা সম্পর্কে যদি সে কম জানে তাহলে তাকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করবেন না। তাকে বোঝান যে কোনটা ভাল কোনটা মন্দ। Client কে যত পারেন Information দেন যেন তার উপকার হয়। একবার সে আপনাকে বিশ্বাস করে ফেললে আপনিই তার পছন্দের তালিকায় উপরে থাকবেন।

ভাল Client নির্বাচন (আমি যা করি):
Apply করার আগে যা দেখি
Payment verified কিনা। Job post এ ঢুকে দেখি Low cost এর Public খুজতেছে কিনা। Hourly rate কেমন দেয়। Fixed Price এর job হইলেও আমি Hourly rate খেয়াল করি, কারণ এখান থেকে Client এর পকেটে কেমন টাকা আছে এবং তার Mentality সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। Upwork এ 3-4 টা ভাল এবং নিয়মিত কাজ দেয় এমন client থাকলেই আপনার পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

Cover latter
আমি Cover latter এ দুইটা জিনিস উল্লেখ করি। এক, my responsibility according to job description এবং দুই, What can I do for you. এটা উল্লেখ করলে আপনার সম্পর্কে Client এর একটা ভাল ধারণা হয়ে যাবে এবং আপনি যে job post টা ভালভাবে পড়ে তারপর apply করেছেন সেটা বুঝবে।

MORAL OF THE STORY:
জেগে থাকুন, লেগে থাকুন, সাফল্য আসবেই।

Disclaimer:
Group এ অনেক বড়ভাই আছেন যাদের monthly income হয়তো আমার সারা বছরের income এর সমান। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, “Koi Dhandha Chota Nahi Hota”। ভুলভাল কিছু বলে থাকলে comment এ জানাবেন। ধন্যবাদ।



Collected

হয়ত ফ্রন্টলাইনারদের মত এদের তেমন পরিচিতি নাই🙂। যেখানে সমস্ত রেমিটেন্স সেক্টর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেখানেও এমন কিছু মানুষ রয়েছ...
08/05/2020

হয়ত ফ্রন্টলাইনারদের মত এদের তেমন পরিচিতি নাই🙂। যেখানে সমস্ত রেমিটেন্স সেক্টর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেখানেও এমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা নিজেদের শান্তির ঘুম নষ্ট করে দিনরাত পরিশ্রম করে হাজার হাজার ডলার রেমিটেন্স এনে দিচ্ছে সরকারের হাতে।এদের কারো ইতালির পাসপোর্ট নেই এমনকি অনেকের বাংলাদেশি পাসপোর্টও নেই।বেশিরভাগই দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা পাচ্ছেনা।পাচ্ছেনা ব্যাংকিং লেনদেনে কোন রেমিট্যান্স বোনাস বা বিশেষ সুযোগসুবিধা। তেমব উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতিও নেই তাদের তবু মানুষগুলো নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ভালো থাকুক মানুষগুলো❤

05/05/2020

প্রশ্ন : আমি কি কোর্স না করে এই জিনিসটি শিখতে পারব?
উত্তর : উত্তর টা আমি শেয়ার করব আমার স্বল্প সময়ের অভিজ্ঞতার আলোকে। ভুল হওয়ার সম্ভবনা বেশি, কারন আমার অভিজ্ঞতা কম, তাই প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি তে দেখবেন আশা করি।

এই প্রশ্নের উত্তর টা পেতে আমার এই প্রশ্নের উত্তর দিন আগে -

একটা জায়গায় আপনি যাবেন, আপনি জায়গাটা চেনেন না, এবং কখনও যাননি আগে, এখন সেই জায়গাটায় আপনি কারো সাথে যাবেন নাকি একাই যাবেন ?
কারো সাথে আমি বলতে আমি বোঝাচ্ছি যে হয়ত আগে থেকে চেনে, বেশ কয়েকবার গেছে এবং তার সেখানে থাকার অভিজ্ঞতাও রয়েছে এবং সেখান কার পরিস্থিতি ও সম্পর্কে তিনি অভিজ্ঞ।

এখন আপনার উত্তর হতে পারে ৩ রকম -
প্রথমত, আপনি একজনের সাথে যাবেন যিনি জায়গাটা ভালো মত চেনে এবং আপনাকে নিয়ে যাবে । এই যদি আপনার উত্তর হয় তবে আপনি তার কথা মত চললে খুব সুন্দর ভাবে আপনার গন্তব্যে পোঁছানোর ১০০% সম্ভবনা রয়েছে, যদি সৃষ্টিকর্তা কতৃক কোন অন্য কিছু না ঘটে ।

দ্বিতীয়ত, আপনি বলবেন আমি এই ডিজিটাল যুগে কেন কারো ভরশায় যাবেন, আপনি যাবেন গুগল ম্যাপ বা অন্য কোন ডিজিটাল ডিরেকশন এর মাধ্যমে । এর ফলশ্রুতিতে আপনার হয়ত রাস্তা ভুল করতে পারেন যার মাধ্যমে সময় নষ্ট হতে পারে, একই রাস্তা দুইবার চলে আস্তে পারেন, সহজ ছেড়ে কঠিন রাস্তায় যেতে পারেন, সামনের উচু অংশের কোথাও না খেয়াল করে পরেও যেতে পারেন। বিপরীত ও হতে পারে, তবে এমন হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম আপনি রিল্যাক্স এ আপনার গন্তব্যে পৌঁছালেন কোন রকম কষ্ট ছাড়া।

তৃতীয়ত, আপনি কনফিশন এ আছেন যে কারো সাথে যাবেন কিনা একাই যাবেন, যেতে চাইলে তার জন্য ডবল খরচ সেইটাও করবেন না, কিংবা হয়ত আপনার কাছে নেই।

এবার আসি আসল কথায় আপনি, তাহলে আপনি কি কোন কোর্স করবেন কিনা একাই শিখবেন এই প্রশ্ন টা যেমন উক্ত প্রশ্নের মতই, তেমনি উত্তর গুলোও উক্ত উত্তর এর ই মতই।

কোর্স করার মাধ্যমে আসলে মুল জিনিস যেটা পাওয়া যায় সেটা হল একটা গাইডলাইন, আপনার কোথা থেকে শুরু করা উচিত? কি কি প্রাকটিস করা উচিত? কোনটা বেশি ফলপ্রসূ, এবং আরেকটা অতি গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিস আমি দেখি সেটা হল আপনি সামান্য কিছু টাকার মাধ্যমে তার সময় কিনে ফেলছেন, এবং কিনে ফেলছেন তার অভিজ্ঞতা । যা আসলে তার অর্জন করতে অনেক সময় লেগেছে, কিন্তু আপনি তা পেয়ে যাচ্ছেন কয়েকটা টাকার বিনিময়ে।

কোর্স না করেও শেখা সম্ভব কিন্তু তার জন্য অধিক পরিশ্রম দরকার,
অধিক পরিশ্রম করলে আপনি অবশ্যই কিছু শিখতে পারবেন, ভুল পথে গেলে হয়ত কারো ডিরেকশনে রাইট ট্রাকে ফিরে আস্তে পারবেন। সফল হবেন কিনা সেটা পরের বিষয়, কিছু শিখবেন এটাই বড় বিষয়।

আর যারা মাঝামাঝি তে আছেন করবেন কি করবেন না ভাবছেন তাদের হয়ত উপরোক্ত বিষয়গুলি সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে আমার আশা, আর যাদের আর্থিক সমস্যার কারনে হচ্ছে না, তাদের বিষয়টা আলাদা।

অভিজ্ঞতা অর্জনের পিছনের কাহিনীটা ? ( কারো মনে প্রশ্ন থাকলে পড়ুন )
স্বল্প সময়ের অভিজ্ঞতায় , আমি কিছু কোর্স করেছিলাম বাংলাদেশের কিছু আইটি ট্রেনিং সেন্টার এ, প্রথম সারির ই বলা চলে। তারপর ফ্রিল্যান্সিং এ চেষ্টা করলে সফলতাও পেয়েছি অল্প হলেও, যার জন্য প্রায়ই অনেকেই আমার কাছে এরকম প্রশ্ন করেন, উত্তরে কাওকে কোন ট্রেনিং নিতে বললে তিনিও বলেন এত টাকা?
এরকম থেকেই মনে হল কারো যদি একটা পোস্টের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারি। ধন্যবাদ।

Address

Pabna
6600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share