Love is best

Love is best ভালবাসা সবচে বড়....... this is a fun page.

03/10/2019

এই শহরে জোনাকী নেই,
সন্ধ্যে হয় হলুদ নিয়নে।
এই আঁধারে আলো নেই,
ভুলের চিঠি আসে পিয়নে।

কিছু স্মৃতি আজও আপন,
কিছু ব্যথা খুবই গোপন,
কিছু ছবি থাকে নিড়লে।

কিছু কথা কাঁদে আড়ালে,
অবাক চোখের অবাক জলে,
নীরব কষ্ট গুলো ঝরে।
তুমি আমি এক মলাটে,
তবু আছি অনেক দূরে।

সময়ের ঋণ বাড়ছে দিন দিন,
ভুলে গেলে সব পিছুটান।
দ্বিধার আগুনে অভিমান,
তুমি আমি এটাই ব্যবধান।

01/08/2018

এটা একটা বাংলাদেশের কোন এক মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি ছেলে ও একটি মেয়ের নীরব প্রেমের গল্প। মেয়ের পরিবার চিরাচরিত নিয়মে ছেলেটাকে গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। স্বাভাবিকভাবেই মেয়ের পরিবার মেয়েটাকে বুঝানোর চেষ্টা করে যে ছেলেটার খুব একটা ব্রাইট ফিউচার নেই, তার সাথে সম্পর্ক রাখাটা বোকামি ছাড়া আর কিছু না।

পরিবারের চাপে পড়ে একদিন মেয়েটা ছেলেটাকে বলে, “আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা কতটা গভীর? তুমি একটা কিছু অন্তত করো। তাছাড়া আমাদের সম্পর্ক কেউ মেনে নিবে না।” ছেলেটা কোন উত্তর খুঁজে পায় না। সে চুপ করে থাকে। মেয়েটা রাগ হয়ে চলে যায়। তারপরেও স্বপ্নবিলাসী ছেলেটা তাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে, কিছুটা অন্জন’দা এর গানের মতো, “সাদা-কালো এই জন্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে, তোমার-আমার লাল-নীল সংসার।”

ছেলেটা একদিন হায়ার-স্টাডিসের জন্য বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাওয়ার আগ-মুহূর্তে সে মেয়েটাকে বলে, “আমি হয়তো কথায় খুব একটা পারদর্শী না, কিন্তু আমি জানি যে আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তারপরেও তুমি যদি চাও, তোমার-আমার বিয়ের কথা আমি তোমার পরিবারকে একবার বলে দেখতে পারি। তুমি কি আমার সাথে সারাজীবন কাটাতে রাজি আছ?”

মেয়েটা ছেলের দৃঢ়-সংকল্প দেখে রাজি হয়। ছেলেটা মেয়ের পরিবারকে অনেক বুঝিয়ে রাজি করে ফেলে। তারপর তাদের এনগেজমেন্ট হয়ে যায় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ছেলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশে ফিরলে তারপর তাদের বিয়ে হবে। এরপর ছেলেটা চলে যায় দেশের বাইরে।

মেয়েটা একটা অফিসে জব করা শুরু করে দেয়। এদিকে ছেলেটাও তার রিসার্চ-ওয়ার্ক নিয়ে দেশের বাইরে ব্যস্ত। তারপরেও তারা শত ব্যস্ততার মাঝেও ফোন আর ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের ভালোবাসার অনুভূতি যতটা সম্ভব আদান-প্রদান করে।

একদিন মেয়েটা অফিসে যাওয়ার পথে রোড-অ্যাক্সিডেন্ট করে। সেন্স ফিরে সে দেখতে পায় যে সে হাসপাতালে ভর্তি এবং বুঝতে পারে যে সে মারাত্মকভাবে আহত। তার বাবা-মাকে বিছানার পাশে দেখতে পায় সে। তার মা কান্না করতেছে তা বুঝতে পেরে যখন মেয়েটা কথা বলতে যায় তখন সে বুঝতে পারে যে তার বাকশক্তি লোপ পেয়েছে। ডাক্তারের ভাষ্যমতে মেয়েটা তার ব্রেনে আঘাত পাওয়ায় আজীবনের মতো বোবা হয়ে গেছে।

একসময় মেয়েটা খানিকটা সুস্থ হয়ে বাসায় চলে আসে। এদিকে ছেলেটা তাকে বার বার ফোন করতে থাকে কিন্তু মেয়েটা বোবা বলে তার করার কিছুই থাকে না। মেয়েটা একদিন একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। সে তার কথোপোকথন-হীন এই জীবনের সাথে ছেলেটাকে আর জড়াতে চায় না।

তার ফলশ্রুতিতে সে একদিন একটা মিথ্যা চিঠিতে লেখে যে সে আর ছেলেটার জন্য অপেক্ষা করতে পারবে না। তারপর মেয়েটা চিঠির সাথে তার এনজেজমেন্ট রিং ছেলেটার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়। ছেলেটা মেয়েটাকে হাজার-হাজার ই-মেইল করে কিন্তু তার কোন রিপ্লাই সে পায় না। ছেলেটা শত-শত বার ফোন করে কিন্তু মেয়েটার ফোন রিসিভ না করে নীরবে কান্না করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

একদিন মেয়েটার পরিবার বাসা বদল করে অন্য কোন এলাকায় নতুন কোন একটা পরিবেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় যাতে করে মেয়েটা কিছুটা হলেও এই দুঃস্মৃতী ভূলে যায় এবং সুখে থাকে।

নতুন পরিবেশে মেয়েটা “সাইন-ল্যাংগুয়েজ” শেখে এবং নতুন জীবন শুরু করে। বছর দুয়েক পর একদিন মেয়েটার এক বান্ধবী এখানে চলে আসে এবং মেয়েটাকে বলে যে ছেলেটা দেশে ব্যাক করেছে। মেয়েটা তার বান্ধবীকে রিকুয়েস্ট করে যাতে ছেলেটা কোনভাবেই যেন তার এই অবস্থার কথা জানতে না পারে। তারপর কয়েকদিন পর মেয়েটার বান্ধবী চলে যায়।

আরো এক বছর পর আবার একদিন মেয়েটার বান্ধবী মেয়েটার কাছে একটা ইনভাইটেশন কার্ড নিয়ে চলে আসে। মেয়েটা কার্ড খুলে দেখতে পায় যে এটা ছেলেটার বিয়ের ইনভাইটেশন কার্ড। মেয়েটা অবাক হয়ে যায় যখন পাত্রীর জায়গায় তার নিজের নাম দেখতে পায়। মেয়েটা যখন তার বান্ধবীর কাছে এ সম্পর্কে কিছু জানতে চাইবে তখন সে দেখতে পায় যে ছেলেটা তার সামনে দাঁড়িয়ে। ছেলেটা তখন “সাইন ল্যাংগুয়েজ” ব্যবহার করে মেয়েটাকে বলে, “I’ve spent a year’s time to learn sign language. Just to let you know that I’ve not forgotten our promise. Let me have the chance to be your voice. I Love You.” এই বলে ছেলেটা আবার সেই এনগেজমেন্ট রিং মেয়েটাকে পড়িয়ে দেয়। কয়েক বছর পর মেয়েটা আবার হেসে উঠে। এ যেন এক নীরব ভালোবাসার নীরব হাসি।

01/08/2018

কনকনে শীত । ঘন কুয়াশায় ঘেরা চারপাশ ,
একটু দুরেই বাঁধা পড়ে দৃষ্টি । তারপর আবার
কুয়াশা । গাঢ় , সাদা কুয়াশা ।
হ র র র . . হট . . হট . .
দশটি রুগ্ন পা একসাথে একই ছন্দে চলছে ।
সেই সাথে চলছে রূপালী লাঙল ,
চলছে জীবনের লাঙল . . . .
গরু দুটোর স্বাস্থ্যের অবস্থা খুব খারাপ ,
যতটা ওদের মালিকের । কেমন ঠকঠক
করে কাঁপছে ওরা , যেমনটা কাঁপছে ওদের
মালিকও । ওদের গায়ে যেমন কোন কাপড়
নেই , তেমনি ওদের মালিকের শরীরও প্রায়
পুরোটাই খালি ।
পরনে একটা ছেড়া গামছা চাড়া আর কিছুই
নেই ।
কলিম শেখের সম্বল বলতে এই দুটো গাই গরু ,
আর এক টুকরো আবাদি জমি । মাঝেমাঝে গরু
দুটোর জন্য তার খুব মন খারাপ হয় । গরু
দুটোর জীর্নশীর্ন শরীর দেখলে খুব
মায়া লাগে । কলিম শেখের ধারনা তার
শরীর দেখে গরু দুটোরও হয়ত মন খারাপ হয় ,
মায়া হয় । মুখে হয়ত ওরা কিছুই
বলতে পারে না , কিন্তু মাঝেমাঝে কেমন
যেন মলিন দৃষ্টিতে তার
দিকে তাকিয়ে থাকে ওরা !
কিরে ! গায়ে জোর নাই ! খাড়াইলি কেন ?
চল চল , টান লাগা . .
হ র র র . . হট . . হট . .
কলিম শেখ গরু দুটোর সাথে অনবরত
কথা বলে যাচ্ছে , আর গরু দুটো হাল
টেনে চলেছে বিরামহীন । লাঙলের পলায়
জমির বুক চিড়ে খন্ড বিখন্ড হয়ে যাচ্ছে ।
কলিম শেখ বড় বড় চোখ
করে তাকিয়ে আছে খন্ডিত মাটির
টুকরোগুলোর দিকে । এ যেন মাটি নয় , এক
এক টুকরো স্বপ্ন ।
ধোঁয়াতোলা ধবধবে সাদা ভাতের
স্বপ্ন . . . .
কলিম শেখের দুই ছেলে , দুই মেয়ে ।
ছেলে দুটো বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে ।
আর মেয়ে দুটোরও বিয়ে হয়ে গেছে সেই
কবে ।
অনেক , অনেকদিন আগে বাবা রজব শেখ
কলিমের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই লাঙল-
জোয়াল । তখন কলিমের বয়স বার কি তের
হবে । দীর্ঘ এতগুলো বছর কলিম শেখ সেই
লাঙ্গল-জোয়ালের ভার বহন করে চলেছেন ।
জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসেও এতটুকু
বিশ্রাম নেই , এতটুকু ক্লান্তি নেই ।
ক্লান্তি হয়ত আছে , কিন্তু
সেটা মেনে নিতে তিনি একেবারেই নারাজ
। তাইতো আজও শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন
জীবনলাঙলের হাতল . . . .
ছেলে-মেয়েরা চেড়ে গেলে কি হবে , একজন
কিন্তু এখনো চেড়ে যায় নি কলিম শেখকে ।
যাকে তিনি পষ্ণাশ বছর আগে পেয়েছিলেন
কোন এক ঝড়ের রাতে । সেই রাতের
কথা কলিম শেখের স্মৃতিতে আজও উজ্জল ,
যেন এই সেদিনের কথা . . . .
কলিম শেখের বয়স তখন ষোল কি সতের ।
কি যেন এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেন রজব
শেখ । বাঁচার কোন আশা নেই আর । একদিন
রাতে তিনি সবাইকে ডেকে বললেন , আজ
রাতেই তার সময় শেষ । মৃত্যুর
আগে তিনি ছেলের বউয়ের মুখ দেখতে চান ।
তাই তাড়াহুড়ো করে সেই রাতেই কলিম
শেখের বিয়ে দেয়া হয় পাশের গ্রামের
“নছিমন বেওয়া ” এর সাথে । নছিমনের
গায়ের রং কিছুটা কালো ছিল । তাই বাসর
রাতে নছিমনকে দেখে কলিম শেখের মুখটাও
কিছুটা কালো হয়ে গেল ।
ততক্ষনে বাহিরের আকাশটাও
কালো হয়ে গিয়েছিল হয়ত । শুরু হল প্রচন্ড
ঝড় । ভোর রাতের দিকে ঝড় থেমে গেল ,
সেই সাথে থেমে গেল রজব শেখের জীবন
প্রদীপও । কি অদ্ভুত ব্যাপার !
লোকটা আগেই টের পেয়ে গিয়েছিল তার
মৃত্যুর কথা !
হ র র র . . হট . . হট . .
কলিমের চোখে পানি । অস্ফুট
স্বরে তিনি বলে উঠলেন , কেমন আছেন
আব্বা . .
তারপর উত্তর দিকের ঐ ঝোপঝাড় ঘেরা পুকুর
পাড়টার দিকে তাকালেন । সেখানেই
ঘুমিয়ে আছেন রজব শেখ গত পষ্ণাশ বছর
ধরে . . . .
দীর্ঘ এই জীবনে কলিম শেখ অনেক কিছুই
হারিয়েছেন , অনেকেই
তাকে চেড়ে চলে গেছে । কিন্তু সেই
কালো মেয়েটি আজো রয়ে গেছে তার পাশে ।
কলিম শেখ এবার হাল চেড়ে বসে পড়লেন ।
কুয়াশা তাকে চারপাশ
থেকে ঘিরে ধরেছে যেন । কলিম শেখ
জানেন নছিমন আর বেশী দিন
থাকবে না তার সাথে , যে কোন সময়
চলে যেতে পারে ওপারের ঠিকানায় । গত
পষ্ণাশ বছর ধরে এই কালো মেয়েটাই তার
জীবনকে আলোকিত করে রেখেছিল , সেই
আলো আজ নিভু নিভু ।
কলিম শেখ ভেবেই পায় না ,
কিভাবে নছিমন বিহীন
দিনগুলো কাটবে তার । প্রতিদিন
সকালে কে ঘুম ভাঙিয়ে দেবে ? কে পানের
খিলি বানিয়ে দেবে ? কাজ থেকে ফেরার
পর কে শাড়ির আঁচলে ঘাম মুছে দেবে ?
কে তালপাতার পাখায় ক্লান্তিহীন বাতাস
করে যাবে ? জোছনা রাতে কে চাঁদের বুড়ির
গল্প শুনাবে ? ঘুম না আসলে কে মাথায়
বিনি কেটে দেবে ? ঝড়ের রাতে যখন
বাবার কথা মনে পড়বে , তখন
কে তাকে সান্তনা দেবে ?
নছিমনকে চাড়া একটি মুহুর্তও
কল্পনা করতে পারেন না কলিম শেখ । সেই
নছিমন আজ ধীরে ধীরে মৃত্যুর
দিকে এগিয়ে চলেছে , অথচ তার কিছুই
করার নেই . . . .
কলিম শেখ
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন . .
গাই দুটো ঘাড় বাকা করে তাকিয়ে আছে তার
দিকে । কি অদ্ভুত ব্যাপার ! গাই দুটোর
চোখগুলোও কেমন ভেজা . . ! !
ঐতো সূর্য উঠে গেছে । কুয়াশা কাটতে শুরু
করেছে । নরম রোদে চারপাশটা উজ্জল
হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে । কলিম শেখও
উঠে দাড়ালেন সত্তর ছুঁইছুঁই জরাজীর্ন এক
শরীর নিয়ে । মাটির টুকরোয়
জমে থাকা ফোঁটায় ফোঁটায় শিশির
বিন্দুগুলো শুকাতে শুরু করেছে ধীরে ধীরে ।
শুকাতে শুরু
করেছে কোঠরে লুকিয়ে থাকা কলিম শেখের
অশ্রুসিক্ত ছোট্ট ছোট্ট চোখ দুটোও ।
হ র র র . . হট . . হট . .
স্বপ্ন কখনো মরে না ,
কখনো থেমে থাকে না ।
গরু দুটোর কাঁধে ভর
দিয়ে এগিয়ে চলেছে জোয়াল , লাঙল । সেই
সাথে এগিয়ে চলেছে কলিম শেখের স্বপ্ন ।
নছিমনকে নিয়ে আরও অনেক দিন
বেঁচে থাকার স্বপ্ন . . . .

01/08/2018

মেয়েটা আট সদস্য বিশিষ্ট কিডন্যাপার গ্রুপের হাতে ধর্ষিত হয়েছিল। ধর্ষণ করিয়েছে তার আপন ফুপু। বাবা মায়ের মৃত্যুর পর মেয়েটি তার প্রেমিককে নিয়ে নতুন জীবন শুরু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশাল সম্পত্তি হাতছাড়া হয়ে যাবে এই ভেবে ফুপা প্ল্যান করে তার আদরের ভাইপোর সাথে মেয়েটিকে বিয়ে দেবে। মেয়ে রাজি হয়নি। শুরু হয় নির্যাতন।নিজেরা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর সেদিন বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই মেয়েটি ঘর থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু পৌঁছাতে পারে নি। আটজন ছেলে তাকে রাস্তা থেকে চোখের পলকে চলন্ত মাইক্রোবাসে টেনে তুলে নিয়ে চলে যায়। আর কোন খোজ পাওয়া যায় নি। মেয়েটির জন্য অপেক্ষারত ছেলেটি তার ফোন বন্ধ পেয়ে বুঝতে পারে কিছু একটা হয়েছে। ফোন করে মেয়ের খালাকে। ওদের সমস্ত ঝামেলা জানতো আরেকটি মেয়ে।

যে ওদের দুজনের ভালো বান্ধবী ছিল। কোনরূপ ঝুট ঝামেলা জানাজানি করা যাবেনা মেয়েটির নিখোঁজ হবার ব্যপারে। কারণ মিডিয়ার মুখে মিডিয়া কর্মী পড়লে সেখানে কতটা বাজে পরিস্থিতি হয় তা বলে বুঝানোর কিছু নেই। তাছাড়া, ছেলের পরিবার যদি জানে মেয়ে উধাও তাকে ফিরে পেলেও ছেলের পরিবার গ্রহণ করবে না।

সমাজতো নারীকেই দোষ দেয়। সকল দিক চিন্তা করে খালা,বান্ধবী আর ছেলেটি মিলে খুব সতর্কতার সাথে খোজ নেয়ার কাজ শুরু করলো। অনেক লুকোছাপা, মিথ্যা বাহানা, গোয়েন্দাগিরি শেষে দশ দিনের মাথায় মেয়েটির খোজ মিলল। তাকে ঢাকায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। পনের দিন আইসিইউ বাস সহ প্রায় দুই মাস হাসপাতালে ভর্তি ছিল।

আটজন পুরুষ মিলে অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে ওর উপর। কথা ছিল ওকে মেরে ফেলার। কিন্তু সৌন্দর্য্যের জন্য ধর্ষণ থেকে বিরত থাকতে পারেনি দুষ্কৃতি কারীরা।

মেয়েটি সুস্থ হবার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কারো সামনে দাঁড়াতে ভয় পেত। সারাক্ষণ নিজেকে এক কোনে গুটিয়ে রাখতো। ওকে যেই ছেলেটি ভালোবাসতো সেই ছেলের সামনে কোন ভাবেই ওকে আনা যেত না। ছেলেটি কিন্তু মেয়েটিকে ছেড়ে যায় নি। বরং সাইকিয়াট্রিস্ট এর কথা মত সে ওর স্বাভাবিক মানসিকতার অপেক্ষায় ছিল। এভাবে কেটে যায় আরো দুই মাস। ছেলেটি এই কষ্ট আর মেনে নিতে পারে নি। কারণ সে খুব ভালো করেই জানতো আজকের এই মেয়েটি সুস্থ অবস্থায় কতটা চঞ্চল আর ওকে ভালোবাসতে ব্যস্ত ছিল।

তাই এবার সে ডাক্তারের কথা না মেনে বান্ধবী আর খালাকে জানায় ওর সাথে কথা না বলে ওকে না দেখে থাকা আর সম্ভব নয়। যেহেতু মেয়েটি খালা বান্ধবীর সাথে কথা বলতে পারে সেহেতু ওর সাথেও পারবে।

মেয়েটি সেদিন বলে দেয় “এই রিলেশন আর সম্ভব নয়। সমাজ ওকে মানবে না, শ্বশুড় বাড়ি ওকে মানবে না, এমনকি ও নিজে তার প্রেমিকের সাথে ফ্রি হতে পারবেনা”। ছেলেটি এইসব কথা শুনে প্রকাশ্যে মেয়েটিকে চড় মেরেছিল। বলেছিল, ” আমাকে আর তোর কেন লাগবে? তুইতো **** পেয়েই গেছিস, তোর তো আর কিছুর দরকার নাই।

ভালোবাসার মর্ম তুই কি বুঝবি? আমি যে গত কয়েকটা মাস তোর আশায় ছিলাম সেটার কি হবে? আমি কার জন্য দৌড়াইছি? তুই ধর্ষিতা এইটা তুই বলতে হবে? আমি কিছু জানিনা? আরো অনেক কথা। শেষ কথা ছিল “তুই ধর্ষিতা হ..পাগল হ..যা খুশি হ..তুই শুধু আমার।

তুই যদি আমাকে ছেড়ে যেতে চাস খুন করে ফেলবো তোকে। আত্মহত্যা করতে চাস? তোর কবরে আগুন ধরিয়ে দেব আমি। তুই আমার সাথে থাকবি, আমার বউ হয়ে থাকবি। তুই শুধু আমার হয়ে থাকবি”।

খালামণির সাথে পরামর্শ করে, ছেলের পরিবারের কাছে ধর্ষণের ব্যাপারটা গোপন রেখে বিয়ে হয় ওদের। ছেলেটি খুব কৌশলে তার পরিবারকে মানিয়ে নেয়। বিয়ের পর মেয়ের ফুপু ধর্ষণের কথা ছেলের পরিবারকে জানালে উলটো তিনি নিজেই অপমানিত হন। কারণ উনারা জানতেন এই ফুপুই মেয়েটির জীবনের একমাত্র অশান্তি।

প্রমাণ জাহির করলেও যারা মেয়েটির ধর্ষণের কথা জানতো তারা সবাই বলেছিল “ও আবার কবে ধর্ষিত হলো?” সবশেষে সেই ফুপুকে আইনের আওতায় আনা হয়। মেয়েটির মনে ভয় ছিল যদি ছেলেটি কোনদিন কোন কারণে ওকে ধর্ষণের কথা বলে আঘাত করে। কিন্তু সেই ভুল ওর ভেঙ্গে গেছে বিয়ের পর।

আজ ওদের বিয়ের তিন বছর পুর্ণ হলো। মেয়েটি আজো হাসিমুখে বললো, ধর্ষিতা হিসেবে আমি বিব্রতবোধ করলেও ও আমাকে কাছে টানতে এতটুকু বিব্রত নয়।

যেখানে আমার বলার কথা “তুমি আমাকে আগের মতো ভালোবাসোনা, সেখানে ও বলে তুই আমাকে কম ভালোবাসোস কেন? আমি তোর জামাই না? ভালোবাসতে কিপটামি করবি না বউ...

03/05/2018

what is love???
সুখকে পাওয়ার নাম ভালবাসা, নাকি
কষ্টকে বরন করার নামই ভালবাসা?
যদি কষ্টের নামই হয় ভালবাসা তাহলে
মানুষ এটা কেন চায়?মানুষ তো কষ্ট চায় না।
তাহলে কষ্টই বা কেন মানুষের দোয়ারে এসে কড়া নারে??
সত্যি কি মানুষের মন আছে?? কিন্তু এটার কি প্রয়োজন ছিল? এটা তো মানুষকে সুখের থেকে কষ্টই বেশি দেয়।
আদোও কি সুখ বলতে কিছু আছে??
কোন মানুষকে তো শুনি নাই সে সুখে আছে?

কিন্তু আমার মনে হয় কষ্ট আমাদের নিজেদের তৈরি।। কারন আল্লাহ তো আমাদের সব রকম ক্ষমতা দিয়েই পাঠিয়েছে। তাহলে কেন আমরা কষ্টের পিছনে ছুটি? ইসলামের পথে তো মৃত্যুকে ও কষ্ট বলা হয় না...........
………আমাদের জীবন টা তো নাম মাত্র………

26/04/2018

প্রিয়তমার মনে যতো ভালবাসাই লুকানো থাকুক না কেনো
কেউ ভালবাসা না দিতে চাইলে ভালবাসা কখনো জোর করে আদায় করা যায় না...
আবার এটা গোলামি খেটে পাওয়ারও বস্তু না..
কারন ভালবাসা জিনিটা তো আসে মন থেকে
যেখানে কারো কোন প্রভাব খাটে না।
শুনেছি মানুষের মন বদলাতে পারে সেকেন্ডের ব্যবধানে....
আর যে মানুষটার থেকে ভালবাসা প্রত্যাশা করেন সে নিজেও তার মনের উপর আধিপত্য করতে পারে না।
মাঝে মধ্যে সে নিজেও হয়তো খেই হারিয়ে ফেলে আসলে তার মন চায়টা কি।
ভালবাসাতে কোন Equality নেই,
যত চেষ্টা করুন যতই ভালোবাসুন,
তার ভাল থাকার জন্য যতই sacrifice করুননা কেনো,
আপনি কাউকে শতভাগ ভালোবেসেও তার থেকে বিন্দু
মাত্র ভালবাসা আশা করতে পারেন না।
কারন অনেক সময় দেখা যায় কেউ ভালো না বেসেও অনেক ভালবাসা পেয়ে যায় আবার কেউ খুব বেশি ভালবেসেও ভালবাসা পায় না।
তাই ভালবাসার বিনিময়ে ভালবাসা প্রত্যাশা করাটা বোকামি।
তবে আমি জানি ভালবেসে ভালবাসা না পাওয়া টা অনেক কষ্টের।
হয়তো অনেক সময় ভালবাসার প্রমান কিম্বা কেউ জীবন ও দিয়ে দেয়। কিন্তু তাতে কি ভালবাসা পাওয়া যায়। যেটা পাওয়া সেটা হলো সহানুভিতি।
আজকে যাকে জোর করে ভালবাসি ভালবাসি বলে ধরে রেখেছেন সে হয়তো sympathy, ভয়-ডর, time pass অথবা confusion থেকেই রয়ে গেছে।
তবে এটা সত্য মাঝে মাঝে ভালবাসার সম্মানের খাতিরেই ভালবাসার কথা বা ফিলিংস গুলো কিছুটা গোপন রাখতে হয়।
তা না হলে প্রিয় মানুষটা বিরক্ত হয়ে যায় আর আপনার ভালবাসা হয়ে যায় সস্তা।
যদিও সবাই সেই ভুলটাই করে।
এখন বাজার দর তো ঐ জিনিশেরই বেশি, যেটা দূর্লভ..
সস্তা জিনিশ কি বাজারে বিকে?
আর ভালবাসি, ভালবাসো না কেন, pls ভালোবাসো!!
এসব বললে নিজেকে কি একটু ভিখারি মনে হয় না?
আর সবসময় ভালবাসি ভালবাসি বললে ভালবাসি কথাটার মর্ম কই থাকলো?
আর একজন ভিখারিকে কেও ভালবেসে কিছু দান করে নাকি সহানুভূতির জায়গা থেকে সাহয্য করে?নিশ্চই ভালবেসে নয়।
লোকে বলে ভালবাসা নাকি রুপকথার গল্পের মতো অনুভুতি দেয় আর সেই জায়গায় ভিখারির অনুভুতি।
কেমন যেন বেমানান না? অভিজ্ঞা বলে লজ্জা জনকও বটে।
কেন বলছি এসব কথা?
কোন কারন নেই শুধু মনের মধ্যে চেপে থাকা কথা গুলোই কোন একজনের ভাষায় প্রকাশ করছি।
আমার গল্পটাও তো এমনি।
আমি তো এখনও জানি না সে কতোটুকোই বা ভালবাসে কিম্বা বাসে কিনা।
তবে ভালবাসাময় দিনগুলো ছিলো সত্যি রুপকথার মতো। যেন সারাদিন স্বপ্নে ডুবে থাকতাম স্বপ্নের মাঝে।
হয়তো ভালবাসাটা তার কাছে মূল্যহীন ছিল।। কিম্বা
হতে পারে মজা নেওয়ার কোন খেলনা। সে তো বোলত আমি নাকি হাসির কারখানা। কিন্তু হাসির সাথে সাথে ফুরিয়ে গিয়েছি আমি👌...
একদিন ভেবেছিলাম সে হয়তো আমার ভালবাসা টা বুঝে নাই। আর হয়তো একদিন বুঝবে আর আমার মতোই কষ্ট পেয়ে ফিরে আসবে। আমার ভাবনাটা ঠিকই ছিল সে ফিরে এসেছিল। কিন্তু ভালবাসা কখনই আসেনি। এসেছে শুধু সহানুভুতি।
হয়তো এখন তাকে ভুলতে চাই।
কিন্তু ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার স্মৃতি গুলো আরো স্পষ্ট হয়ে ফিরে আসে।
আর তাই তাকে ভালবেসেই যাবো আর এ ভালবাসায় তাকে নাই বা পেলাম।
তবে একতোরফা ভালবাসা হলো খুব সুন্দর একটা অনুভুতি। যেখানে আপনি জানেন আপনার হেরে যাওয়া কিম্বা জিতে যাওয়ার কিছু নেই।
আপনি যেটা পারেন আপনার আপনার অনুভূতিগুলোকে সুন্দর স্বপ্ন দিয়ে সাজাতে। যে অনুভূতি গুলো একান্তই আপনার। যেখানে কোন মিথ্যে স্বপ্ম বা আশা, মহ ছিল না।
একতরফা ভালবাসা অনেক বেশি পবিত্র।সবাই চাইলেই এটা পারে না।
জৈব শারীরিক ভালবাসার থেকে মনের প্রেম অনেক বেশি সুন্দর আর টেকশই। সবাই পারে না মন থেকে ভালবাসতে।
কাউকে মন থেকে ভালবেসে নিজের জন্য একটু গর্ব করতেই পারি।
আমি জানি না সত্যিই গর্বের কিনা।
আর সুন্দর জীবন কাটানো ও সম্ভব কিনা।
...(RH)....

03/04/2018

ধর্ষণের স্বর্গভূমি বাংলাদেশ😭
#দেড় বছরের শিশুকে বাড়ির উঠান থেকে উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করেছে কয়েকজন কিশোর !
#৪বছরের নুসরাতকে গণধর্ষণ শেষে হত্যা করে বস্তাবন্দী করে নদীতে লাশ ফেলে দেয় কয়েকজন মাদকাসক্ত যুবক!
#ক্লাশ নাইনের বিউটি আক্তার প্রথমবার ধর্ষণের শিকার হবার পর মামলা করলে তার নানাবাড়ি থেকে উঠিয়ে গণধর্ষণ করে কুপিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতা!
#১৪বছরের কিশোরীটি প্র‍্যাগনেন্ট হবার পর জানা গেল, সেই জানোয়ারটি ছিল তার জন্মদাতা বাবা !
#এতিম স্কুল পড়ুয়া মেয়েটিকে ধর্ষণের দায়ে এরেস্ট হয়েছে তারই আপন দাদা !
#নিজ পুত্রবধুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে ছেলের হাতে খুন বাবা !
#সিটি বাসে একা পেয়ে ড্রাইভার-হেল্পার মিলে ধর্ষণ শেষে হত্যার পর মরাখালে ফেলে রেখে যায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েটির লাশ !
#ব্ল্যাকমেইল করে ভিডিও ধারণ করে ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে গেল পরিমল !
#টিউশন করতে গিয়েছিল তনু, পরের দিন জংগলে ক্ষত-বিক্ষত ধর্ষিত লাশ মিলে !
#৬০বছরের এক বৃদ্ধাকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করেছে কয়েকজন প্রতিবেশী।
১ থেকে ১০০ বছর; শিশু থেকে বৃদ্ধ কেউ বাদ যাচ্ছে না ধর্ষণের শিকার থেকে। ঘরে-বাইরে, মাঠে-ঘাটে, স্কুল-কলেজে কোন স্থানই নারীবান্ধব নয়।
স্বয়ং পিতার কাছে যদি কলিজার টুকরা কন্যাটি নিরাপদ না হয়, তবে কোথায় একটি নিরাপদ অভয়ারণ্য আছে আমাদের মা-বোনদের জন্য?
এর জন্য আমাদের পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই?
উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের বাকওয়াস স্লোগান শুনতে শুনতে কান তো ঝালা-পালা! বাংলাদেশ যে এখন যেকোন ধরণের অপরাধ আর অপরাধীদের নিরাপদ অভয়ারণ্য সেই দিকে কিঞ্চিৎ নজর ও নেই প্রশাসন, মিডিয়া কিংবা সুশীল আর প্রগতিশীলদের! আইয়ামে জাহেলিয়াত ও এমন ধর্ষণময় ছিল না।
এই মহামারীর প্রথম কারণ, পরিবার। ১০ বছর আগেও বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ফজর বেলা কোরআন তেলাওয়াতের সুমধুর আওয়াজ এ মুখরিত থাকত। সন্ধ্যাবেলা দোয়া-দরুদ পড়ে পড়তে বসত। সেইদিন আর নেই। এখন সকাল-সন্ধ্যা হিন্দী গান কিংবা সিরিয়ালের আওয়াজ এ মুখরিত থাকে চারিদিক। যে পরিবারে ধর্মীয় মূল্যবোধের নূন্যতম শিক্ষা ও নেই, সেই পরিবারের সন্তানদের কাছে ধর্ষণ একটি ছেলেখেলা।
দ্বিতীয়ত, আমমাদের সমাজব্যবস্থা। আমরা এমন একটি সমাজে এখন বাস করছি। যেখানকার নীতিই হল, নিজে বাঁচলে বাপের নাম। একজন মানুষ এক্সিডেন্ট এ মারা যাবার ভিডিও আমরা ভাইরাল করতে জানি। আমরা জানি না, তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যাব কিনা? গাছের সাথে বেঁধে একজন অন্তঃসত্বা মা কে নির্যাতনন করতে দেখে আমরা চিন্তা করি কার আগে কে ভিডিও করে ইউটিউব চ্যানেল এ আপলোড দিব। আমরা অন্যায়কে অন্যায় না বলে অপরাধীর চামচামি করতেই বেশি প্রাউড ফিল করি।
সবচেয়ে বড় দায়টি আমাদের রাষ্ট্র এবং মিডিয়ার। এদেশের আদালতে প্রত্যেক ঘটনার রায় হয় রাজনৈতিক বিবেচনায় কিংবা চেতনার মানদন্ডে। এটি অপরাধীকে অপরাধ করার প্রবণতা আরো বাড়িয়ে দেয়।অধিকাংশ ধর্ষক ই রাজনৈতিক বিবেচনায় খালাস কিংবা লঘু শাস্তি পাচ্ছে। যার ফলে অন্যান্যরা ও সেই পদ্ধতি এপ্লাই করছে। মোবাইল কোর্ট বসিয়ে বিরোধী দলকে ৩/৫ বছরের সাজা দেয়া যায়।অথচ, আজ পর্যন্ত একজন ধর্ষক ও উপযুক্ত শাস্তি পায় নি। এবং এসব মামলার শুনানি ও চলে কচ্ছপ গতিতে। ফলশ্রুতিতে, ধর্ষণের মহামারী বিরাজ করছে পুরো বাংলায়।
ঘটনার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়া হোক। এবং আদালত, প্রশাসন ও মিডিয়া যদি রাজনিতির উর্ধে উঠে রায় দিতে জানে তবে ৯৯ শতাংশ অপরাধ কমব।
শেষ কথা--- ধর্ষণ কারির শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেওয়া হোক!!
............Collected...........

11/03/2017

এটি একটি মানসিক পরীক্ষা
ডক্টর ফিলস টেস্ট নামে একটা টেস্ট আছে, যেটাতে আপনার ব্যক্তিসত্ত্বার উপর মানুষ একটা ধারণা পেয়ে যায়। আজকাল অনেক জব সেক্টরেও এই টেস্ট করে আপনার সম্পর্কে ধারণা নেয়। এখানে প্রশ্নকর্তা আপনাকে ১০ টা প্রশ্ন দিবেন, সাথে কিছু উত্তর দিবেন। উত্তর মিলিয়ে শেষে দেয়া নাম্বার থেকে আপনি আপনার স্কোর জানতে পারেন।
তবে এই টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হলে, আপনাকে যে বিষয়টা
মাথায় রাখতে হবে, সেটা হল
আপনি অতীতে কেমন ছিলেন সেটা ভুলে যান, আপনি
বর্তমানে কোথায় কেমন আছেন, সেটাই মুখ্য বিষয়।
নিচে সেই দশটি প্রশ্ন ও কিছু উত্তর দেয়া আছে। আপনার
উত্তর মিলিয়ে নিন। শেষে আপনার উত্তরের জন্য যে
নাম্বারিং করা আছে, সেখান থেকে আপনার স্কোর কত
তা দেখে নিন। এবং কত স্কোরিং এ একজন মানুষ আপনাকে
কীভাবে মূল্যায়ন করবে, তাও জেনে নিন।
১। আপনি কোন সময়ে নিজেকে সবচেয়ে সুখী অনুভব করেন?
ক) সকালে
খ) বিকাল ও সন্ধ্যার মাঝামাঝি সময়ে।
গ) মধ্যরাতে।
২। আপনি সাধারণত কীভাবে হাঁটেন?
ক) দ্রুত, বড় বড় পায়ে।
খ) দ্রুত, ছোট ছোট পায়ে।
গ কম দ্রুত, মাথা উঁচু করে চারপাশের প্রকৃতি দেখে।
ঘ) কম দ্রুত, মাথা নিচু করে।
ঙ) খুবই আস্তে।
৩। আপনি কারো সঙ্গে কথা বলার সময়-
ক) দুই হাত বুকের উপর গুটিয়ে রাখেন।
খ) দুই হাত হ্যান্ডশেক এর মতো করে বা মুষ্টিবদ্ধ করে রাখেন।
গ) একহাত বা দুই হাত আপনার হিপে রেখে বা পকেটে ঢুকিয়ে রাখেন।
ঘ) যার সাথে কথা বলছেন, তাঁকে স্পর্শ করে কথা বলেন।
ঙ) আপনার হাত দিয়ে আপনার কান, ত্বক বা মাথায় স্পর্শ
করে কথা বলেন।
৪। আপনি যখন বিশ্রাম নেন, তখন যেভাবে বসে থাকেন-
ক) দুই হাঁটু ভাজ করে মুখের সামনে এনে বসেন।
খ) দুই পা কোনাকোনিভাবে মাটিতে রেখে বসেন।
গ) পা দুটো সোজা সামনের দিকে দিয়ে বসেন।
ঘ) এক পা ভাজ করে অন্য পা সোজা করে বসেন।
৫। যখন কোনো কিছু আপনাকে সত্যিকারের আনন্দ দেয়, তখন
আপনি;
ক) জোরে হাসি দিয়ে স্বাগত জানান।
খ) অল্প শব্দ করে হাসি দেন।
গ) আপনি নীরব থাকেন
ঘ) মুচকি হাসি দেন।
৬। আপনি যখন কোনো পার্টিতে উপস্থিত হন, তখন,
ক) সবাইকে ওয়েলকাম করে ভিতরে প্রবেশ করেন।
খ) নীরবে প্রবেশ করেন, এবং পরিচিত কাউকে খোঁজেন।
গ) নীরবে প্রবেশ করে এক কোনায় একা দাঁড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন।
৭। আপনি কোনো কাজে অনেক বেশি মগ্ন, হঠাৎ কেউ আপনাকে নক করলে,
ক) আপনি তাকে স্বাগত জানান।
খ) আপনি খুবই রেগে যান
গ) মাঝে মাঝে স্বাগত জানান, মাঝে মাঝে রেগে যান।
৮। আপনার

11/02/2017

পেন্সিল:- I am Sorry..
রাবার:- কিন্তু কেন?
পেন্সিল:- আমার প্রতিটা
ভুল কাজের জন্য
তুমি কষ্ট পাও।।
এবং নিজেকে
শেষ করে ফেল??
রাবার:- আরে।।
আমার কাজই এটা।।
তোমার ভুল ধরিয়ে দেয়া।।
যাতে করে তুমি
সঠিক কাজটা করতে পারো।।
এবং তোমার
উপকার করতে করতেই
এক সময়শেষ হয়ে যাবো।।
#ব্যখ্যা :- #
পেন্সিল হলাম
আমরা সন্তানেরা।।
যারা বার বারই ভুলকাজ করি।।
#রাবার #
আমাদের সেই বাবা মা।।
যারা সারা জিবন
আমাদের ভুলধরিয়ে দিয়ে
একসময় নিজেরা
শেষ হয়ে যায়।

18/12/2016

এখানে আপনার নাম থাকতে পারে, একদিন দুনিয়া আপনাকে নিয়ে ইতিহাস লিখতে পারে।

♦ একজন কয়েদীর কথা জানি। কয়েদী নাম্বার ৪৬৬৬৪।
২৭ বছর জেলে থাকার পরেও উনি নোবেল শান্তি পুরষ্কার জিতেছেন।
- তিনি নেলসন মেন্ডেলা।

♦ আরেক পিতৃপরিচয়হীন যুবকের কথা জানি।
থাকার কোনো রুম ছিল না তার, বন্ধুদের রুমের ফ্লোরে ঘুমাতেন। ব্যবহৃত কোকের বোতল ফেরত দিয়ে পাঁচ সেন্ট করে কামাই করতেন, যেটা দিয়ে খাবার কিনতেন। প্রতি রোববার রাতে তিনি সাত মাইল হেঁটে হরেকৃষ্ণ মন্দিরে যেতেন শুধু একবেলা ভালো খাবার খাওয়ার জন্য।
- তিনি অ্যাপল এবং পিক্সার অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও- স্টিভ জবস।

♦ আরেক যুবকের নাম জানি, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি।
কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তিনি।
- তিনি বিল গেটস।

♦ আরেক এতিমের কথা জানি।
১১ বছর বয়সে এতিম হন। ১২ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যান। হতাশ হয়ে ১৯ বছর বয়সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। অনেক বিখ্যাত বইয়ের লেখন তিনি তার মধ্যে “আমার বিশ্ববিদ্যালয়” একটি, যদিও তিনি কোন দিন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা সুযোগ পান নাই।
- তিনি বিখ্যাত লেখক, নাট্যকার আর রাজনীতিবিদ মাক্সিম গোর্কি।

♦ আরেকজন, বাবার সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারের এতই অভাব ছিলো যে- স্কুল নাগাত পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যাক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।
- তিনি চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং।

♦ অভাবের তাড়ানায় কুলিগিরি করতো। একদিন বাসের কন্ডাক্টরের কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হয় ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী। - - নাম জন মেজর।

♦ আরেক ছেলের, বাবা-মা এতই গরিব ছিলো যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতেই দু’দিন দেরি হয়। কে জানেন?
সে-ই আজকের ফুটবল কিংবদন্তী!
- নাম রোনাল্ডো।

♦ বাবা ছিলো জেলে। ছেলেকে সাথে করে বাবা মাছ ধরতো কারন অন্য স্বাভাবিক আর ১০ জন থেকে তিনি পানির নিচে মাছকে খুব ভাল ভাবে দেখতে পেতেন।
- সেই জেলের ছেলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সুপারস্টার জয়সুরিয়া।

♦ পড়ালেখায় মারাত্মক দুর্বল ছিলেন তিনি। কোন কিছু মনে থাকত না। ক্লাস এর শেষ বেঞ্চে বসে থাকেন। ফেল করেছেন বারবার। ক্লার্ক এর চাকরিও করছেন তিনি। পুরো পৃথিবীকে অবাক করেছেন তিনি তার থিউরি অফ রিলিটিবিটি দিয়ে। নোবেল ও জিতেছেন তিনি।
- তার নাম আলবার্ট আইনস্টাইন!

♦ ক্লাস এর সবচেয়ে দুর্বল ছাত্র ছিলেন তিনি। স্কুল থেকে বহিস্কারও করা হয়েছে তাকে। পৃথিবী তিনি আলোকিত করেছেন তার আবিষ্কার দিয়ে।
- তার নাম টমাস আলভা এডিসন।

♦ উল্টা লিখতেন তিনি শব্দগুলোকে। পড়ালেখায় একদন শুন্য। উড়োজাহাজ আবিস্কারের ৪০০ বছর আগে তিনি উড়োজাহাজের মডেল এঁকে গেছেন।
- তিনি লিওনার্ড ডা ভিঞ্ছি।

♦ পরীক্ষায় তিনি সব সময় ফেল। ২২ টা একাডেমিক পুরষ্কার জিতেছেন জিব্বদশায়। তিনি মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাক এর জন্মদাতা। মিকি মউসের গলার স্বর তার নিজের দেওয়া।
- তিনি ওয়াল্ট ডিসনি।

♦ শব্দের খেলা তিনি বুজতেন না। 7 নাম্বার কে তিনি বলতেন উল্টা নাক!!!! এই স্প্যানিশ ভদ্রলোক একজন কবি, লেখক, পেইন্টার, কেমিস্ট, স্টেজ ডিজাইনার, ভাস্কর।
- তিনি পাবলো পিকাসো।.. ... ... ... ...

পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক, তার ভাবনাগুলি তার মতই। সবাই যা পারে, আমাকেও তা-ই পারতে হবে, এমন কিছুতো নয়!!!!
শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রমান করতে হবে কেন? আমাদের সমস্যাটা ওখানেই। আমাদের প্রত্যেক ঘরে ঘরে Toppers আর Rankers চাই।

সবাইকেই ডাক্তার, ইঙ্গিনিয়ার, ব্যারিস্টার, ম্যাজিস্ট্রেট...... হতেই হবে!!!!
আঙ্গুলকে টেনে লম্বা করতেই হবে, যে ভাবেই হোক......
দরকার হলে আঙ্গুল ভেঙ্গে যাক না কেন!!!

একটা কথা মনে রাখ "পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস, কিন্তু আপনি যদি একটি মাছকে তাল গাছ বেয়ে ওঠার ক্ষমতা দিয়ে বিচার করেন, তবে সে সারাজীবন নিজেকে অপদার্থই ভেবে যাবে" ............... আলবার্ট আইনস্টাইন।

13/12/2016

মিডিয়া আপনাকে কখনো জানায় নি?
Nestle কোম্পানি স্বীকার করে নিয়েছে তারা তাদের চকলেট এ গরুর মাংসের একটা অংশ ব্যবহার করে৷ প্রক্রিয়াজাত করা মাংস দীর্ঘদিন সংরক্ষন ব্যাতীত এভাবে খেলে ক্যান্সারের ঝুকি থাকে৷
______________________
মিডিয়া আপনাকে কখনো জানায় নি?
একটি মামলায় Chennai high court এ Fair and Lovely স্বীকার করে নিয়েছিলল যে, তারা শুকরের মাংসে প্রাপ্ত তেল তারা এটি তৈরীতে ব্যবহার করে।
______________________
মিডিয়া আমাদের কখনো জানায় না যে, বিশ্বের অনেক দেশে Vicks নিষিদ্ধ। একে বিষ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে! আর আমাদের দেশে আমরা এর ব্যবহার করেই যাচ্ছি বিজ্ঞাপন তো চলছেই।
______________________
মিডিয়া কখনো বলে না যে লাইফবয় কোন সাধারণ সাবান না বা এন্টিস্যাপ্টিক তো না ই, বরং এটা মানুষের ব্যবহারেরই না ! এটা হল
Cabolic soap যা পশুদের জন্য ব্যবহার হয়।
Europe লাইফবয় কে ব্যবহার করে তাদের কুকুরের জন্য। আর আমাদের দেশে লাখো মানুষ এর ব্যবহার করে!!!
______________________
মিডিয়া আমাদের জানায় নি! ???
যে Coke, Pepsi আসলে Toilet cleaner ! প্রমাণিত যে এগুলো বহন করে 21 ধরনের স্লো পয়জনিং উপাদান যার বিক্রি ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টের ক্যান্টিনে নিষিদ্ধ। কিন্তু সারাদেশ ব্যাপীই এর বিক্রি চলে৷
______________________
কখনো বলেনি?
বিদেশী কোম্পানিরা যারা বিক্রি করছে Boost
Complan, Horlics, Maltova, Protin-ex., পরীক্ষিত হয়েছিল Delhi এর All India Institute এ (যেটা ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় ল্যাবরেটরি ),জানা গেছে যে, এটি তৈরি করা হয় চীনাবাদাম এর থেকে বাতিল করে দেওয়া তেল থেকে! যেগুলো পশুদের খাদ্য ! এই বর্জ্য থেকে তারা হেলথ টনিক তৈরী করে !!
______________________
মিডিয়া বলেনি ??????
Amitabh Bachhan ১০ ঘণ্টা যাবত অপারেশন এর ছুরির নিচে ছিলেন। ডাক্তাররা তার বৃহদান্ত্র ফেলে দিয়েছিল, আর বলেছিল এটা পচে গেছে পেপ্সি কোকাকোলা টাইপের সফট ড্রিংকসের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে। এরপরেই তিনি এসবের বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেন।
______________________
ওইসব বিজ্ঞাপন দাতাদের খুবই বিশ্বস্ত হচ্ছে এই মিডিয়া।
অসংখ্য মানুষ আজকাল পিজ্জা খায়।
তাদের দিকে তাকাই "Pizza Hut, Dominos, KFC, McDonalds. এরা সব অামেরিকান কোম্পানী৷ তারা পিজ্জা স্বাদের করতে যে ফ্লেভার দেয় তা শুয়োরের মাংশ থেকে বানানো হয়৷
বহুজাতিক কোম্পানীর সকল চিপস, চকোলেটে নিচের কোডগুলো থাকে যার উপাদান অাপনারা গুগলে সার্চ দিলে জানতে পারবেন এসবের সত্যতা৷
E 322 - Beef
E 422 - Alcohol
E 442 - Alcohol & Chemical
E 471 - Beef & Alcohol
E 476 - Alcohol
E 481 - mixture of Beef and Pork
E 627 - Dangerous Chemical
E 472 - mixture of Beef, meat & Pork
E 631 - Oil extracted from Pig
Ref: Google
দীর্ঘমেয়াদী স্লো পয়জনিং খেয়ে ক্যান্সার ও মারাত্বক সব দুরারোগ্য ব্যাধিতে অাক্রান্ত হয়ে শেষ না হতে, নিজেকে ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করতে, অাজই সচেতন হোন৷
নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান

downlod it
12/12/2016

downlod it

Microsoft Office 2013

Address

Pabna
Pabna
6600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Love is best posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Love is best:

Share