16/03/2026
আপনি কি অতিরিক্ত 'ভালো মানুষ' হওয়ার ট্র্যাপে আটকে আছেন?
এই পৃথিবীতে আপনি ১০০% ভালো মানুষ হয়ে কি আদৌ টিকে থাকতে পারবেন?
বাস্তবতা হলো- পারবেন না। আপনাকে হতে হবে ভালো আর খারাপের মাঝামাঝি- একটু সাদা, একটু কালো মিলে একটা ‘গ্রে’ বা ধূসর রঙের মানুষ।
বেঁচে থাকার জন্য কিছু স্কিল আপনার থাকা খুব জরুরি। লিস্ট করে দিচ্ছি, মিলিয়ে নিন আপনি এই সিচুয়েশনগুলো হ্যান্ডেল করতে পারেন কিনা…
১. বিচার করার ক্ষমতা
আপনাকে জানতে হবে রাস্তার বয়োবৃদ্ধ ভিক্ষুককে কীভাবে সম্মান দিয়ে ২০ টাকা দিতে হয়। আবার এটাও জানতে হবে, কীভাবে নেশাখোর ভিক্ষুককে দেখামাত্র এড়িয়ে যেতে হয়। সহানুভূতি ভালো, তবে অন্ধ সহানুভূতি নয়।
২. আত্মীয়-স্বজনের সাথে ডিল করা
ফ্যামিলি ফাংশনে যে আঙ্কেল-আন্টি আপনাকে আসলেই আদর করেন, তাঁদের কদমবুসি করে সম্মান জানানোটা যেমন জরুরি, ঠিক তেমনই জরুরি- যে আঙ্কেল-আন্টি সবসময় আপনাকে জাজ করেন, তাদের দেখেও না দেখার ভান করা।
৩. বুলিং বা খোঁচা মারা মানুষদের চিনে রাখা
ক্লাসে বা কলিগদের মধ্যে কেউ যদি আপনাকে সারা বছর এগ্রেসিভ বা প্যাসিভ ওয়েতে খোঁচা দেয়, তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং জানতে হবে, কীভাবে একদিন তাকে পাকড়াও করে উচিত শিক্ষাটা দেওয়া যায়। সব সময় হজম করতে নেই।
৪. অফিসের পলিটিক্স
অফিসে বসের সামনে কীভাবে 'গুড বুক'-এ থাকতে হয় সেটা যেমন শিখবেন, ঠিক তেমনই যে কলিগ আপনাকে সারাক্ষণ বুলি করে, তাকে কীভাবে চিপায় ফেলে সাইজ করতে হয়- সেই বিদ্যাও জানা থাকা চাই।
সব সময় কি চিল্লাপাল্লা করার দরকার আছে?
না।
সাইলেন্স বা নীরবতা এই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী শব্দ। কিন্তু সমস্যা হলো, দুনিয়ার সবাই এই ‘সাইলেন্স থেরাপি’ বোঝে না। কিছু মানুষ এতটাই বোকা যে তারা আপনার নীরবতাকে দুর্বলতা মনে করে।
তখন কী করবেন?
তখন আপনাকে ‘স্পিক আপ’ করতে হবে। এটা অন্য কারো জন্য নয়, এটা আপনার নিজের জন্য দরকার।
নিজের মেন্টাল হেলথ, নিজের নার্ভাস সিস্টেম রিসেট করার জন্য দরকার। নিজের ইমোশন বা ক্ষোভ যদি দিনের পর দিন চেপে রাখেন, তবে সেগুলো আস্তে আস্তে ট্রমাতে পরিণত হবে।
মনে রাখবেন… এই দুনিয়া যদি একটা পাগলাগারদ হয়, তবে আপনাকে হতে হবে সবচেয়ে বড় পাগল।
আর যদি ভাবেন, ওরা যা করছে তা না বুঝে করছে- তবে আপনি ভুল।
ওরা জেনেশুনেই আপনাকে আঘাত করছে। তাই এখানে টিকে থাকার জন্য যা যা করা দরকার, তার প্রতিটি কাজ আপনাকে করতে হবে।
কারণ, দিনশেষে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটাই আসল!
অল দ্যা বেস্ট।
©সংগৃহীত