Mono Digital Agency

Mono Digital Agency Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mono Digital Agency, Internet Marketing Service, Puran Bogra.

Digital Marketing & Advertising:
Highly skilled in social media marketing like Facebook, Instagram, Twitter, Google, Linkedin have experience in analytics, email marketing, Youtube video promotion, Bing, Yahoo, and SEO/SEM.

আপনার ভালো পণ্য বা সেবা আছে কিন্তু প্রচার করার মাধ্যম পাচ্ছেন না!বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং।আপ...
26/01/2023

আপনার ভালো পণ্য বা সেবা আছে কিন্তু প্রচার করার মাধ্যম পাচ্ছেন না!
বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং।
আপনার পণ্যের খবর সঠিক কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দিন।
বিস্তারিত জানতে আমাদের কল করুন:- 01723-260616

আমাদের সেবা সমূহঃ
•আপনার বিজনেস পেইজ এর ক্যাটাগরীর সাথে মিল রেখে রিয়েল কাস্টমার টার্গেটিং।
•পোস্ট/ভিডিও বুস্ট।
•পেজ প্রমোটিং।
•প্রফেশনাল পেজ সেটআপ।

বিঃদ্রঃ
কাজ না হলে রিফান্ড এর ব্যবস্থা আছে। হারাম পণ্য বুস্ট হয় না।

My Team Members
13/04/2022

My Team Members

29/03/2022
19/03/2022

ফ্রিল্যান্সিং কি আপনার জন্য ভাল হবে?

একা কাজ করা:
ফ্রিল্যান্সিং মানে নিজের বস নিজে হওয়া, নিজের কাজ নিজে করা – এসব বিষয় শুনে উদ্ধুদ্ধ হওয়া খারাপ কিছুনা। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে গ্রহণের আগে আপনি যে বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবেন, উক্ত বিষয়ে একা কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন কিনা সে বিষতে নিশ্চিত হয়ে নিন।
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি অধিকাংশ সময় একা কাজ করবেন। আপনি যদি অফিস বা স্টুডিওতে কাজ করতে অধিক পছন্দ করে থাকেন, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য মানানসই করার জন্য সেরকম সেটআপ গড়ে নিতে হবে। ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে হলে অবশ্যই একা কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে হবে।

টাইম ম্যানেজমেন্ট:
একজন ফ্রিল্যান্সার তার কাজের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকেন। অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সার এর সময়ের সুষ্ঠু ব্যবহারের দায়িত্ব একজন ফ্রিল্যান্সারের নিজের। সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে নিজের সময়কে ম্যানেজ করা, ঠিকভাবে টাইম-ট্র‍্যাকিং টুল ব্যবহার করা ও প্রতিটি মুহুর্তের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি। আপনি যদি সময়ের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি নিজের কাজকে গুছিয়ে রাখতে সক্ষম হন, তবে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য ভাল হতে পারে।

একাধিক কাজের বোঝা:
ফ্রিল্যান্সার মানে কিন্তু নিজের ব্যবসার পরিচালক নিজে হয়ে যাওয়া। অর্থাৎ একজন ফ্রিল্যান্সারের কাজের হিসাব রাখা থেকে শুরু করে কাজের পারিশ্রমিক বুঝে নেওয়া পর্যন্ত, সকল কাজ নিজ থেকে করতে হয়। তাই ফ্রিল্যান্সিংকে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া আগে এটি নিশ্চিত হোন যে আপনি একাধিক কাজের বোঝা নিতে পারেন কিনা।

ফোকাস:
ফ্রিল্যান্স লাইফস্টাইল মানে হলো যেকোনো পরিস্থিতিতে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে নিজের কাজ করা। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে ফোকাস রেখে কাজ করতে না পারলে ফ্রিল্যান্সিং কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করা বেশ ঝামেলার বিষয় হতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে যেমন কাজের স্বাধীনতা রয়েছে, তেমনি যেকোনো পরিস্থিতিতে কাজে ফোকাস রেখে কাজ সম্পন্ন করার দক্ষতা থাকা জরুরি।

প্রেরণা:
নতুন কিছু শুরু করার প্রথম দিকে বেশ প্রেরণা থাকে। তবে দিন পার হওয়ার সাথে সাথে একই কাজের ক্ষেত্রে হীনমন্যতার স্বীকার হওয়ার ব্যাপারটি অসম্ভব নয় কিন্তু। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে নিজেই নিজেকে কাজের প্রেরণা দিতে হয়। আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া, ফোন, বিনোদন, ইত্যাদি বিষয়ে অধিক সময় ব্যয় করতে থাকেন, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করে পস্তাতে হয়ে পারে।

ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা:
ফ্রিল্যান্সিং এর পথে হেঁটে সফল হওয়ার বিষয়টিতে কোনো ধরনের গ্যারান্টি নেই। এমনকি অনেক মানুষ কিছুদিন ফ্রিল্যান্সিং করে হাল ছেড়ে দেন। আবার অনেকে হতাশায় ভোগেন। তবে কঠোর পরিশ্রম, দৃড় লক্ষ্য ও বুদ্ধিমান প্ল্যান ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং এর পথে টিকে থাকা সম্ভব নয়।
ফ্রিল্যান্সিং কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে হলে প্রথম এর অনিশ্চয়তাসমূহকে এড়িয়ে চলতে হবে। অসাধারণ ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার তৈরী করতে বেশ সময় লাগে বটে, কিন্তু একবার আপনি ভালো ক্লায়েন্ট পেয়ে গেলে উক্ত ক্লায়েন্টদের সাথে সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে বেশ লাভজনক হতে পারে। তাই ঝুঁকি ও অনিশ্চিয়তা সাথে থাকবে, এই বিষয়টি ভালোভাবে বুঝেই ফ্রিল্যান্সিং এ নামা উচিত।

আত্মবিশ্বাস:

একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে এই পথে ঝুঁকি আছে জেনেও আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। আপনার নিজের উপর ও নিজের কাজের উপর আস্থা না রাখলে ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে নিয়ে তেমন সুবিধা করতে পারবেন না। বিশেষ করে নিজের পারিশ্রমিক বুঝে নেওয়া বা খারাপ ক্লায়েন্টের সাথে ডিল করলে আত্মবিশ্বাস এর ব্যাপক প্রয়োজন হয়। আপনার যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তব্র ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার আপনার কাছে বেশ সমস্যাপূর্ণ মনে হতে পারে।
কমিনিউকেশন:
আত্মবিশ্বাসের প্রধান একটি উৎস হলো ক্লায়েন্টের সাথে সঠিকভাবে কমিনিউকেশন বা কথা বলতে পারা। কোনো কাজের প্রতি আপনার আত্মবিশ্বাস ব্যবহার করে ক্লায়েন্টকে বুঝাতে সামর্থ্য না হলে কাজ হয়ত পাবেন, কিন্তু আপনার যথার্থ মূল্যায়ন পাবেন না। তাই আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে ঠিকভাবে ক্লায়েন্টের সাথে সুসম্পর্ক সৃষ্টি খুবই গুরত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

ফ্লেক্সিবিলিটি:
সব ক্লায়েন্ট একই ধরনের নয়। মাঝেমধ্যে কোনো ক্লায়েন্টের ইউনিক প্রয়োজনের জন্য নিজেকে কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে নিজের সৃজনশীলতা ও ফ্লেক্সিবিলিটিকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ্য অর্জন করা সহজ হয়। তাই সব ধরনের কাজের পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

দক্ষতা:
অনেকে মনে করেন, যেকেউ ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারেন। ধারণাটা আসলে আংশিক সত্য, কেননা কোনো ধরনের দক্ষতা বা স্কিল ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ আপনার একটি দক্ষতার অধিকারী হতে হবে যার সেবা অন্যরা পেতে টাকা খরচ করতে রাজি।
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। তাই অন্যদের পেছনে ফেলতে আপনার যথেষ্ট দক্ষতা থাকা কিন্তু জরুরি একটি বিষয়। আপনি যে কাজটি সবচেয়ে ভালো পারেন, সেটি বেছে নিন ও কাজ চালিয়ে যান। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে প্রদান উপাদান হলো দক্ষতা।
ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং বেশ অসাধারণ পছন্দ। বিশেষ করে নিজের দক্ষতা ও আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে আয় করার ব্যাপারটি বেশ মজার। কাজের স্বাধীনতার পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে ফ্রিল্যান্সিংকে বেছে নেওয়া যেতে পারে। উল্লেখিত কারণগুলোর মধ্যে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য কেমন পেশা হতে চলেছে।

22/02/2022

ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট জবের মধ্যে পার্থক্য জানুন

ফ্রিল্যান্সিং কি:
ফ্রিল্যান্সিং হলো মূলত শিডিউল ফ্লেক্সিবল পার্ট-টাইম জব। একজন ফ্রিল্যান্সার সেল্ফ-এমপ্লয়েড ইনডিভিজুয়াল যিনি নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতার সমন্বয়ে কোনো প্রজেক্টে কাজ করে থাকেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনার, মার্কেটিং এক্সপার্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার ইত্যাদি কিছু জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং জব।

রিমোট জব কি:
রিমোট জব হলো সাধারণত ফুল-টাইম জব, কিন্তু অফিসের পরিবর্তে ঘর থেকে করা যায়। অর্থাৎ “ওয়ার্ক ফ্রম হোম” ধারণার মূলেই রয়েছে রিমোট জব। বিশ্বের যেকোনো স্থানে বসে রিমোট জব করা যায়। তবে রিমোট জব এর ক্ষেত্রে থাকতে পারে নির্দিষ্ট অফিস টাইম, যা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। মূলত কোম্পানি কালচার এর উন্নতির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডেমোগ্রাফিক এর মানুষকে এক ছাদের নিচে আনা সম্ভব হয় রিমোট জব এর মাধ্যমে।

ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট জবের মধ্যে পার্থক্য:
ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট জব, উভয় ক্ষেত্রে অফিসে না গিয়ে কাজ করা সম্ভব। অর্থাৎ উভয় ক্ষেত্রে আপনি কোথায় অবস্থান করছেন তা নিয়ে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকছেনা। নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট কানেকশন ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা থাকলে ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট জব করতে পারবেন যেকেউ।
কাজের ক্ষেত্রে একজন ব্যাক্তি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পাচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং বা রিমোট জব, উভয় ক্ষেত্রে। তবে রিমোট জব এর ক্ষেত্রে সাধারণ চাকরির মত ধরাবাধা কিছু নিয়ম থাকে, কন্ট্রাক্ট থাকে ও নির্দিষ্ট ওয়ার্কিং আওয়ার থাকে। অর্থাৎ স্বশরীরে অফিসে যাওয়া ছাড়া চিরাচরিত চাকরির সকল বিষয় রিমোট জব এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

চুক্তি এবং বাধ্যবাধকতা:
রিমোট জব এর ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কর্মচারী হিসেবে কাজ করে। হোম-বেসড জব হলেও স্কাইপ, স্ল্যাক, টিমস, ইত্যাদি যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে নিয়মিত ভার্চুয়াল প্রেজেন্স বজায় রাখতে হয়। মাঝেমধ্যে কর্মচারী মনিটরিং অ্যাপ, যেমনঃ টাইম ডক্টর অ্যাপ ব্যবহৃত হয় রিমোট ওয়ার্কার এর এটেন্ডেন্স রেকর্ড করতে।
যদিওবা রিমোটলি কাজ করা ডেভলপারদের ফিজিক্যাল প্রেজেন্স প্রদান করার দরকার হয়না, কিন্তু ভার্চুয়ালি হলেও ঠিকই উপস্থিতি প্রদান করতে হয়। সময়ের বিচারে একজন রিমোট ওয়ার্কার এর কাজের ভ্যালু বিবেচনা করা হয় ও একই প্রজেক্টে কাজ করা অন্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হয়। ঠিক অন্য যেকোনো কর্মচারীর মত কাজ ও দায়িত্ব বুঝে নিয়ে তা ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হয় একজন রিমোট ওয়ার্কারের।
অন্যদিকে একজন ফ্রিল্যান্সার এর সকল কাজের দায়িত্ব থাকে তার নিজের। আবার নিজের ইচ্ছেমত কাজ বাছাই করার পাশাপাশি চাইলে কাজের অফার ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ ও রয়েছে।
একজন ফ্রিল্যান্সার তার কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ওয়ার্কিং আওয়ার বা শিডিউল এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নন। অর্থাৎ কাজ গ্রহণ করার পর ডেডলাইনের মধ্যে কাজ করে দেওয়া হলো একজন ফ্রিল্যান্সার এর কাজ। ফ্রিল্যান্সার কোন সময়ে তার কাজ করছে এই নিয়ে ক্লায়েন্টের কোনো মাথাব্যাথা থাকেনা। একজন ক্লায়েন্টের কাজ সম্পন্ন করে অন্য প্রজেক্টে কাজ করতে মুক্ত একজন ফ্রিল্যান্সার।

নির্বাচন প্রক্রিয়া:
আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ইতিমধ্যে আপওয়ার্ক বা ফাইভার এর মত প্ল্যাটফর্মে কাজের খোঁজ করে থাকেন, তবে জেনে থাকবেন কাজ পাওয়া কি কঠিন। অধিকাংশ সময় কম রেটে কাজ করতে রাজি হওয়া ফ্রিল্যান্সাররা কাজ পেয়ে থাকে।
অন্যদিকে একটি প্রতিষ্ঠান দুইটি বিষয় বিবেচনা করে রিমোট জব এর জন্য কোনো ব্যাক্তিকে নির্বাচন করেঃ
কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা আছে কিনা ও
রিমোটলি কোনো টিম এর সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ করতে পারে কিনা
সাধারণ যেকোনো চাকরির মত রিমোট জব এর ক্ষেত্রেও কোনো পদ এর জন্য এপ্লাই করা, ইন্টারভিউ দেওয়া ও যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তবেই রিমোট জব পাওয়া যায়।
ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার নিজের কাজ নিজে খুঁজেন ও নিজে সম্পন্ন করেন। অন্যদিকে রিমোট জব এর ক্ষেত্রে কাজ খোঁজার ক্ষেত্রে একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাজ পাওয়ার পর টিম এর সাথে একসাথে কাজ করতে হয়

অনিশ্চয়তা:
একজন ফ্রিল্যান্সার এর ক্যারিয়ার অনেকটা অনিশ্চয়তায় ভরা। কাজের খোঁজ করার ক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল। আবার সবসময় কাজ না ও পেতে পারেন, আর কাজের সাথে সাথে আয়ের পরিমাণের ক্ষেত্রেও রয়েছে অনিশ্চয়তার হাতছানি। এসব বিষয় বিবেচনা করলে রিমোট জব বেটার অপশন বলে মনে হতে পারে।
তবে অনিশ্চিয়তার অবিচার থেকে বাদ পড়েনি রিমোট জব ও। যেহেতু যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ইন্টারনেট এর উপর নির্ভর করতে হয় রিমোট জব এর ক্ষেত্রে, তাই ঠিকমত নিজের দায়িত্ব পালনের অস্তিত্ব নির্ভর করে নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থার উপর।

নিঃসঙ্গতা:
ফ্রিল্যান্সিং ও রিমোট জব, উভয় ক্ষেত্রে ডাউনসাইড হলো নিঃসঙ্গতা। যেহেতু উভয় ক্ষেত্রে একাই কাজ করতে হয়, তাই হতাশা বা অসাড়তা অনুভব হতে পারে। তবে এই সমস্যা দূর করা তেমন একটা কঠিন না। কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকার পাশাপাশি দৈনিক ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও যোগাযোগ বজায় রাখলে নিঃসঙ্গতা সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হয়না।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? – What’s Digital Marketing?ইন্টারনেট বা যেকোনো ধরণের ডিজিটাল যোগাযোগ এর মাধ্যম ব্যবহার করে কোনো প্...
17/02/2022

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? – What’s Digital Marketing?

ইন্টারনেট বা যেকোনো ধরণের ডিজিটাল যোগাযোগ এর মাধ্যম ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচার চালানোকে বলা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনলাইন মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে ইমেইল, সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েব-ভিত্তিক বিজ্ঞাপন এর পাশাপাশি এসএমএস, অডিও মার্কেটিং চ্যানেল, ইত্যাদিও অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ যে মার্কেটিং ক্যাম্পেইনে ডিজিটাল যোগাযোগ অন্তর্ভুক্ত, সেটিই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা:
খুব সহজে বিশাল অডিয়েন্সের কাছে পোঁছানো যায় বলে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরো অনেক সুবিধা বিদ্যমান, চলুন জেনে নেওয়া যাক ডিজিটাল মার্কেটিং এর উল্লেখযোগ্য সুবিধাসমূহ সম্পর্কে।

বিশ্বব্যাপী রিচ:
কোনো বিজ্ঞাপন যখন গ্লোবালি টার্গেট করে অনলাইনে পোস্ট করা হয়, তখন বিশ্বের সকল প্রান্তের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীগণ উক্ত বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন। কোনো ব্যবসাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এই বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

খরচ সাশ্রয়:
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিস্তৃত অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায় অনেক কম খরচে। কোনো টিভি বা পেপারে এড দিলে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, সেই তুলনায় কম অর্থ খরচ করে একই বিজ্ঞাপন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া যায় ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে। তবে সময়ের সাথে সাথে চাহিদা বাড়ায় ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের খরচও বাড়ছে।

নির্ভরযোগ্য ফলাফল:
ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে বড় একটি সুবিধা হলো এর থেকে প্রাপ্ত ফলাফল ব্যবহার করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা যায়। নন-ডিজিটাল মাধ্যমে এই ফলাফল পরিমাপ করে বুঝেশুনে আগানোর কোনো উপায় নেই। অনেকটা অনুমানের উপর থেকে যায় ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর ফলাফল।

ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে কাস্টমারের পছন্দ, বিহেভিয়র, এক্টিভিটি, ইত্যাদি জানা যায় বেশ সহজে। আবার এই ডাটা পরবর্তী ক্যাম্পেইনে ব্যবহার করে কনভার্সন রেট বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে প্রাপ্ত ডাটা বেশ নির্ভরযোগ্য ও কাজে লাগানো সম্ভব।

পারসোনালাইজেশন:
ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে সেরা বিষয় হতে হবে পারসোনালাইজেশন এর সুবিধা। ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায় তুলনামূলক সহজে। অর্থাৎ আপনার প্রোডাক্টের পোটেনশিয়াল কাস্টমারের কাছে সহজে পোঁছে যেতে পারবেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। সকল গুরুত্বপূর্ণ ডাটা আপনার হাতের নাগালে থাকায় স্বল্প খরচে টার্গেটেড অডিয়েন্স এর কাছে পোঁছানো যায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাহায্যে।

কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ:
ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কাস্টমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রে অডিয়েন্স এর লাইক, কমেন্ট, শেয়ার, ইত্যাদি বিবেচনা করে অডিয়েন্স আপনার প্রোডাক্টকে ব্যক্তিগতভাবে কিভাবে গ্রহণ করেছে, তা জানতে পারবেন। এভাবে কাস্টমারের সংযুক্ততা আপনার ব্র্যান্ডের ইমেজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতি ও সেগুলো থেকে আয়:
ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক ধরণের হয়ে থাকে। এবার আমরা জানবো ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রধান কিছু ধরন সম্পর্কে যার থেকে আয় করা সম্ভব।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন:
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হলো একটি মার্কেটিং টুল যা একবার ঠিকমত সেটাপ করলে নিজ থেকেই ফলাফল প্রদান করে। মূলত ওয়েবসাইটের কনটেন্ট সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করাকে এসইও বলা হচ্ছে।

একটি ব্র্যান্ডের ইন্টারনেট এক্সপোজার নির্ভর করে উক্ত ব্র্যাডের এসইও প্রেজেন্স এর উপর। ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটে থাকা কনটেন্ট এর কোয়ালিটি, ইউজার এনগেজমেন্টম, মোবাইল-ফ্রেন্ডলিনেস, লিংকিং, ইত্যাদি বিষয়ের উপর এসইও নির্ভর করে।
ইন্টারনেট এর সেরা সার্চ ইঞ্জিনসমূহ, যেমনঃ গুগল এর ফ্রন্টে পেজে অবস্থান করার মাধ্যম হলো এসইও। আর এই অসাধারণ টুল এর যথেষ্ট ব্যবহারের কার্যকরীতা নিশ্চিত করতে কোম্পানিগুলো এসইও এক্সপার্ট হায়ার করছে।

কনটেন্ট মার্কেটিং:
কনটেন্ট মার্কেটিং ও এসইও, এই দুইটি একই সাথে সংযুক্ত। মূলত টার্গেট অডিয়েন্সকে প্রাসঙ্গিক ও মূল্যবান রিসোর্স প্রদান করে মার্কেটিংকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভাষায় কনটেন্ট মার্কেটিং বলা হয়। তবে কনটেন্ট মার্কেটিং সরাসরি বিজ্ঞাপনের কাজ করেনা। বরং কাস্টমারকে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে নিজের প্রোডাক্টের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয় কনটেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে।

কনটেন্ট মার্কেটিং এর প্রধান উদ্দেশ্য থাকে টার্গেট অডিয়েন্সকে প্রয়োজনীয় রিসোর্স প্রদান করা, যা পোটেনশিয়াল কাস্টমার তৈরিতে কাজে আসতে পারে। ব্লগ, ইউটিউব ভিডিও, ইত্যাদি হলো কনটেন্ট মার্কেটিং এর অংশ। অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারগণ কনটেন্ট মার্কেটিং এর কাজ করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং:
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিষয়টি বর্তমানে বহুল জনপ্রিয়। এই ক্ষেত্রে সুবিধা হলো কাস্টমারের এনগেজমেন্ট ও ডিসকাশন কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং সম্ভব হয়। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সরাসরি অডিয়েন্স সংযুক্ত থাকে, তাই এটি বর্তমানে অন্যান্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যম থেকে অধিক কার্যকর বলে বিবেচনা করা হয়।

যারা সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন, তাদের আয়ের একটি অসাধারণ উৎস হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। ধরুন আপনি যদি ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রাম এড এক্সপার্ট হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে একাধিক মাধ্যমে উক্ত সেবা প্রদান করে মোটা অংকের আয় করতে পারেন। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমেও আয় সম্ভব, যার চেয়ে সহজে ফ্রিল্যান্সিং করে আয়ের কোনো উৎস নেই বললেই চলে।

পে-পার-ক্লিক মার্কেটিং:
পে-পার-ক্লিক বা পিপিসি হলো কোনো প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন পোস্ট করা ও প্রতি ক্লিকের বিনিময়ে অর্থ প্রদান করা। এই মার্কেটিং এর ক্ষেত্রটি কিছুটা জটিল হলেও ব্রান্ডের কাছে বেশ আকর্ষণীয় ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই ধরন।

প্রতি পিপিসি ক্যাম্পেইন থেকে টার্গেট অডিয়েন্স পাওয়ার পাশাপাশি উচ্চ কনভার্সন রেট ও বিদ্যমান থাকে, যা ব্র্যান্ডের কাছে বেশ লাভজনক। আপনি যদি পিপিসি মার্কেটিং সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন, তবে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে উক্ত সেবা প্রদান করে আয় করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:
ডিজিটাল মার্কেটিং এর সেরা একটি মাধ্যম হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এই মাধ্যমের ভালো বিষয় হলো ব্রান্ড ও প্রোমোটার উভয়েই এর থেকে লাভবান হয়। মূলত একটি নির্দিষ্ট অংকের কমিশনের বিনিময়ে কোনো ব্যক্তিকে প্রোমোশনের কাজ দেওয়াকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়। অধিকাংশ ব্র্যান্ড বর্তমানে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করে থাকে।

যেকেউ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে পারে। আর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ক্রমাগত কাজ করার প্রয়োজন পড়েনা, যা একটি ভালো বিষয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় সম্পর্কে বাংলাটেক এর পোস্টসমূহ ঘুরে আসতে পারেন বিস্তারিত জানতে।

মার্কেটিং অটোমেশন:
ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইনের কার্যকরীতা বাড়াতে ও অডিয়েন্সের সাথে যোগাযোগ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মধ্যে নিয়ে আসতে সফটওয়্যারের ব্যবহারকে মার্কেটিং অটোমেশন বলা হচ্ছে। কনজ্যুমার সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে টার্গেট অডিয়েন্সের জন্য মার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালানো হয় ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই মাধ্যমে।

এছাড়াও অডিয়েন্সকে কাস্টম মেসেজ পাঠানোর মত অসাধারণ টুলস ও অন্তর্ভুক্ত মার্কেটিং অটোমেশনের ক্ষেত্রে। মার্কেটিং অটোমেশন শিখে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে এ সংক্রান্ত কাজ করতে পারেন।

ইমেইল মার্কেটিং:
ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেশ পুরোনো একটি মাধ্যম হলো ইমেইল মার্কেটিং। মূলত ইমেইল এর মাধ্যমে প্রোমোশনাল মেসেজ পাঠানোকে বলা হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং। ইমেইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে প্রথমে পোটেনশিয়াল অডিয়েন্সের ইমেইল সংগ্রহ করা হয়। এরপর উক্ত ইমেইলসমূকে কাজে লাগিয়ে প্রোমোশন চালানো হয়। মার্কেটিং অটোমেশনের মত অন্যন্য টুলস ও ব্যবহার হয় ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ সহজ করতে।

বর্তমানে যেকোনো ব্যবসার মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে প্রধান ফোকাস হওয়া উচিত ডিজিটাল মার্কেটিং। কাস্টমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে হাতের কাছে থাকা ডাটা ব্যবহার করে মার্কেটিং এর এই অসাধারণ মেথড আগে ছিলোনা। তাই সকল ব্যবসার উচিত এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর আশীর্বাদকে বরণ করে নেওয়া। আর যারা উল্লেখিত ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন স্কিলে দক্ষতা রাখেন, তাদের উচিত এসব মাধ্যমে থেকে আয়ের কাজে নেমে পড়া।

02/01/2022

ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর:

প্রশ্নঃ সব জায়গায় ব্যর্থ হয়ে শেষে ফ্রিল্যান্সিং,কেন?
উত্তরঃ অনেকেই পড়ালেখা কিংবা অন্য কিছু করতে ব্যর্থ হচ্ছেন । প্রকৃতপক্ষে কোন কিছু করার ব্যাপারে তারা খুবই অলস, আর সে কারণেই ক্যারিয়ার সাজাতে পারছেন না । আর এরকম কিছু মানুষও ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে সফল হওয়ার চিন্তা করে থাকেন । কিন্তু সেটা হয়ে ওঠে না । ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে অযোগ্যদের জায়গা নেই । যত বেশি যোগ্যতা অর্জন করবেন, অনলাইনে আপনার আয় ততই বৃদ্ধি পাবে । যোগ্যতা ছাড়া হয়তো সাময়িক ভাবে পাঁচ-দশ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন । এক কথায় বলতে হয়, ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে গেলে অবশ্যই যোগ্যতার দরকার আছে ।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং মানেই কি আপওয়ার্কে কাজ করা?
উত্তরঃ সারা বিশ্বের যত কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে পাওয়া যায় বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে কাজ করানো হয়, তার মাত্র ৭ শতাংশ কাজ মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাওয়া যায় । শুধুমাত্র আপওয়ার্কে নয়, আপওয়ার্ক, ফাইবার, পিপল পার আওয়ার, ৯৯ ডিজাইন, এনভাটো, মাইক্রোওয়ার্কারস, ক্লিকব্যাংক, অ্যামাজন ইত্যাদি । মার্কেটপ্লেসের এই ৭ শতাংশ কাজ বাদ দিলে আরো ৯৩ শতাংশ কাজ থাকে । এই কাজগুলো সম্পূর্ণ মার্কেটপ্লেসের বাইরেই হয়ে থাকে । যারা মনে করেন ফ্রিল্যান্সিং মানেই আপওয়ার্ক, তাদের বলবো এই ৯৩ শতাংশ কাজের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিন ।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে কি অল্প যোগ্যতাই যথেষ্ট?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং জায়গাটা শুধুমাত্র যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য । কারণ কোনো ক্রেতা তার কাজ করানোর জন্য সারা বিশ্বের অনেক ফ্রিল্যান্সারদের মধ্য থেকে সেরা কাউকে বাছাই করে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন । সুতরাং যাদের যোগ্যতা কম তাদের তখন কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে । ফ্রিল্যান্সিং এর শুরুতে প্রচুর সময় এবং পরিশ্রম করে নিজেকে যোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে । এরপরই ফ্রিল্যান্সিং কাজে সফলতা পাওয়া যাবে ।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি অনেক গুণের অধিকারী হতে হয়?
উত্তরঃ যারা অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আসেন এবং খোঁজ খবর নিয়ে দেখেন যে, যারা ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে আয় করছেন তাদের মত যোগ্যতা নতুনদের নেই । তারা অনেকেই ভেবে থাকেন এই পর্যায়ে পৌঁছানো তারপর সম্ভাব না– এ ধারণা থেকেই অনেকে পিছিয়ে পড়েন এবং এক পর্যায়ে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর থেকে পিছিয়ে আসেন ।
আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলব, যারা এই মুহূর্তে সফলভাবে অনলাইনে আয় করছেন, তারাও একসময় খুবই সাধারন ছিলেন । পরিশ্রম এবং প্রশিক্ষণ তাদের আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে । কেউ যদি কাজ শিখে নেন এবং প্রচুর পরিশ্রম করেন তাহলে অনেকেই অনলাইনে সফল হতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিংকে পার্ট টাইম নাকি ফুলটাইম নেওয়া উচিত?
উত্তরঃ আমাদের দেশে এখনো অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টাকে চাকরির বিকল্প ভাবতে পারছেন না । চাকরি কিংবা লেখাপড়ার পাশাপাশি পার্টটাইম হিসাবেই ফ্রিল্যান্সিংকে এখন সবাই ভাবছেন । আর সে কারণেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশে যে পরিমাণ আয় করা সম্ভব সেটি বাস্তবে পরিণত হচ্ছে না । ফ্রিল্যান্সিং শুধুমাত্র অতিরিক্ত টাকা আয়ের মাধ্যম নয় । ফ্রিল্যান্সিংকে অবশ্যই চাকরির বিপরীতে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সম্ভব । কারণ ফ্রিল্যান্সার হিসাবে মূলত উন্নত দেশের কোনো কোম্পানির হয়েই কাজ করছেন । অনেকেই আবার অন্য কোম্পানির নিয়মিত কর্মচারী হিসেবে এদেশের মাটিতে বসেই চাকরিও করছেন ।

প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে আয় কি অনিশ্চিত ?
উত্তরঃ চাকরির ক্ষেত্রে কম টাকা হলেও মাস শেষে নিশ্চিতভাবে হাতে টাকা আসে । কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে চাকরির বেতনের থেকেও ৫-১০ গুন আয় হওয়ার পরও এদেশের পরিবারগুলো ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় করতে বাধা দিয়ে থাকে । তাদের বদ্ধমূল ধারণা- একসময় ফ্রিল্যান্সিংয়ের আয় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ।
ধরুন, কোন একজন মার্কেটিংয়ের কাজ করে অনলাইনে আয় থেকে আয় করেন । তাহলে তার এক সময় কোনো কাজ থাকবে না, এর মানে দাঁড়ায় পৃথিবীতে আর কোন প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিংয়ের প্রয়োজন নেই । সেটি যদি হয়ে থাকে তাহলে দেশের ভেতরেও যারা মার্কেটিং এর কাজ করেন, তারাও বেকার হয়ে পড়বেন । কোন সেক্টর হিসাব করলে লোকাল পর্যায়ে যদি চাকরির সুযোগ থাকে ১০০ প্রতিষ্ঠানে, তাহলে অনলাইনে চাকরির সুযোগ থাকবে ১ লাখ প্রতিষ্ঠানে । কারণ অনলাইনে সারাবিশ্বের সব প্রতিষ্ঠানেই আপনার চাকরি করার সুযোগ থাকছে ।
প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করতে গেলে ইংরেজি জানাটা কি জরুরী?
উত্তরঃ অবশ্যই জরুরী । কারণ অনেকেই অনেক কাজের ক্ষেত্রে ভালো দক্ষতা থাকার পরও ইংরেজিতে দুর্বল হওয়ার কারণে ফ্রিল্যান্সিংয়ে ভালো করতে পারেন না । অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেন বায়ার/ ক্লায়েন্টরা ।
সে ক্ষেত্রে বায়ার/ ক্লায়েন্ট কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার সময় যদি দেখেন ফ্রিল্যান্সার ভাষার দুর্বলতার কারণে কাজ সঠিকভাবে বুঝে নিতে পারছেন না কিংবা ফ্রিল্যান্সার বায়ার/ ক্লায়েন্টকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভাষা বুঝতে তার জন্য কষ্টসাধ্য হয় বা হচ্ছে, তখন বায়ার/ ক্লায়েন্ট কিছুটা বিরক্ত বোধ করেন । সে ক্ষেত্রে কাজে দক্ষ থাকলে অনেক সময় বায়ার/ ক্লায়েন্ট ভাষার দুর্বলতাকে বিবেচনা করেন । তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ করতে গেলে অবশ্যই ইংরেজিতে পারদর্শী হওয়াটা জরুরী ।
প্রশ্নঃ লেখাপড়া না জেনেও ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে?
উত্তরঃ সবকিছুর জন্যই লেখা পড়ার দরকার আছে । শিক্ষিত ব্যক্তির জ্ঞানের পরিধি একজন অশিক্ষিত ব্যক্তির থেকে অনেক বেশি উন্নত হবে এটাই স্বাভাবিক । যদিও শুধু চাকরি করার জন্য লেখাপড়া করতে হয়, এরকম একটি ভুল আমাদের দেশে প্রচলিত রয়েছে । আপনি যদি লেখাপড়া না জানেন, তাহলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে উন্নততর প্রশিক্ষণ কিভাবে নিবেন? ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ করতে গেলে প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণের দরকার হয় এজন্য প্রচুর পরিমাণ পড়াশোনা করতে হয় । শুধুমাত্র কোনো একটি বিষয়ে পারদর্শী হলেই চলবে না । এজন্য অবশ্যই আপনাকে লেখাপড়া জানতে হবে ।
প্রশ্নঃ ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কতদিনের প্রস্তুতি নিতে হয়?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য যে বিষয়টি আপনি বেছে নিয়েছেন, সেটি খুব ভালোভাবে দক্ষ হওয়া ছাড়া কাজ করে প্রচুর পরিমানে আয় করার সম্ভাবনা কম থাকে । আর ভালো ভাবে দক্ষ হওয়ার জন্য অবশ্যই ট্রেনিং নেওয়ার পাশাপাশি সেটি প্রচুর পরিমাণে প্র্যাকটিস করার জন্য সময় দেওয়া দরকার ।
এ বিষয়ে অভিজ্ঞরা বলে থাকেন, মাসে ২০ হাজার টাকার চাকরি পাওয়ার জন্য স্কুল, কলেজ, ভার্সিটিতে যদি ২০ বছর ব্যয় করতে হয়, তাহলে অনলাইনে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা আয় করার জন্য কমপক্ষে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় ব্যয় করার মত ধৈর্য থাকাটা আবশ্যক ।

প্রশ্নঃ ট্রেনিং সেন্টারে কোর্স না করলে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায় না?
উত্তরঃ অবশ্যই যায় । বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগে, ইউটিউবে এখন প্রচুর ভিডিও টিউটোরিয়াল আছে । ইচ্ছা থাকলে সেগুলো দেখে দেখে ঘরে বসেই সবকিছু শিখে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব । বর্তমানে বাংলাতেই অনেক ভালো তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে, যা কাজ শুরু করার জন্য যথেষ্ট । তবে এটা সত্য, নিজে নিজে সেগুলো পড়ে শিখতে গেলে পরিশ্রম এবং সময় অনেক বেশি লাগে । যদি একটা কোর্স করে যথাযথ কাজের নির্দেশনা পাওয়া যায় তাহলে সে কাজ করা অনেক সহজ হবে ।

প্রশ্নঃ সাইন্সের স্টুডেন্ট না হলে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় না?
উত্তরঃ অবশ্যই যায় । অনলাইনে ক্যারিয়ারের সাথে অ্যাক্যাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কোন ধরনের সম্পর্ক নেই । মানবিক কিংবা বাণিজ্য অথবা সাইন্স যে কোন বিভাগের যে কেউ অনলাইনে কাজের দক্ষতা অর্জন করে সেগুলোর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে সফল হতে পারবেন ।
বর্তমান অনলাইনের যুগে যারা এখনো বেকার অবস্থায় রয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলবো আপনারা অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রগুলোতে কর্ম খোজার চেষ্টা করুন । নিজেকে স্ব-উদ্যোগী হয়ে স্বাবলম্বী করুন । আপনি হয়তো জানেন না যে আমাদের পাশের দেশ ভারত এবং পাকিস্তানের প্রচুর যুবক ফ্রিল্যান্সিং করে আজ তারা স্বাবলম্বী । ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের দেশও যে পিছিয়ে আছে তা নয় । আমাদের দেশের অনেক যুবক ফ্রিল্যান্সিং করে আজ স্বাবলম্বী । সমাজে তাদের মান মর্যাদাও অনেক উঁচুতে । তাই আপনাদের বলব, আর বেকারত্ব নয় কাজ শিখুন, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হন ।
। আল্লাহ হাফেজ ।

 #সফলতা ১."আমি পারবো না"!!!আপনি কতবার চেষ্টা করে নিশ্চিত হয়েছেন যে আপনি পারবেন না ?২.সব শেষ হয়ে গেছে"!!!আপনি শুরুটা কো...
18/12/2021

#সফলতা

১."আমি পারবো না"!!!
আপনি কতবার চেষ্টা করে নিশ্চিত হয়েছেন যে আপনি পারবেন না ?

২.সব শেষ হয়ে গেছে"!!!
আপনি শুরুটা কোথায় দেখলেন যে শেষ বলছেন ?

৩.আমাকে কেউ সাহায্য করে না"!!!
সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত, কার এত সময় আছে যে আপনাকে সাহায্য করবে ?

৪.আমার চেহারা খারাপ"!!!
কখনো মাকাল ফল দেখেছেন? মাকাল ফলের বাইরের চেহারা কিন্তু খুব সুন্দর। কিন্তু তবু মাকাল ফল কেউ পছন্দ করে না, কারণ তার ভিতরটা কুৎসিত। মাকাল ফলের কথা ভেবেও তো আপনার অনেক কিছু শেখার আছে।

৫.আমার কপালই খারাপ"!!!
কোন আয়নাই দেখেছেন? সেখানে কপালে কি লেখা আছে তা কি পড়তে পেরেছেন ?

৬.অনেক টাকার দরকার। তাহলেই সফল হবো।"!!!
টাকা হাতেই জন্মগ্রহণ করেছে এমন একজনের নাম বলুন !
নিজের টাকা নিজের চেষ্টাতেই অর্জন করে নিতে হয়-পরের টাকাই সাহায্য হতে পারে, কিন্তু বড় হওয়া যায় না!

৭.আমি হতাশায় ভুগছি!!
হতাশা থেকে কতবার বেরোতে চেয়েছেন?
নিজের হাতেই নিজেকে গড়েছেন এখন আবার নিজেকেই বলছেন , "কেন এমন হল !"
কেন আপনার মনের মতো করে সব কিছু হয়নি তা কি কখনও ভেবেছেন? যদি ভেবে থাকেন তাহলে এটাও নিশ্চিত বুঝতে পারবেন , "নিজের হাতেই নিজেকে আবার গড়তে হবে- নতুন করে- নতুন ভাবে।"

কেউ আপনার পাশে থাকুক বা না থাকুক, সৃষ্টিকর্তা সবসময় আপনার পাশে আছেন। তাই আজ থেকেই নতুন করে জীবনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিন।
বিশ্বাস করুন, আপনি অবশ্যই জয়ী হবেন।

আমি বিশ্বাস করি সফলতা কোনো গিফট নয় যে অন্য কেউ এসে দিয়ে যাবে। এটা অর্জন করতে হয় চেষ্টা, শ্রম ও সাধনা দিয়ে।

বিঃদ্রঃ আমি ও তেমন কিছু করিনি কিন্তু হাল ছাড়িনি
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

Surais Gazi

ফাইভার একাউন্ট ডিজেবল বা সাসপেন্ড হওয়ার কারন ! তাহলে চলুন ফাইভার একাউন্ট কেন ডিজেবল বা সাসপেন্ড হয় ও হওয়ার কারন কি কি তা...
18/12/2021

ফাইভার একাউন্ট ডিজেবল বা সাসপেন্ড হওয়ার কারন !

তাহলে চলুন ফাইভার একাউন্ট কেন ডিজেবল বা সাসপেন্ড হয় ও হওয়ার কারন কি কি তা জেনে নেইঃ
১। বায়ারকে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। যেমনঃ Email Address, Facebook ID, Skype ID বা Phone Number ইত্যাদি। ফাইভারে সবচেয়ে বেশি একাউন্ট ব্যান হয় ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার কারণে। অনেকে Image বা Text File এর মাধ্যমে বায়ারকে এসব তথ্য দিয়ে থাকে। কিন্তু মনে রাখবেন, Fiverr এর প্রাইভেট ম্যাসেজকে আমরা যতটা প্রাইভেট মনে করি তা আসলে ততটা প্রাইভেট না। ফাইভারের বিশেষ টিম আমাদের ম্যাসেজগুলো পর্যবেক্ষন করে। আপনি কি কি করেছেন আজ বা কাল কোনো একদিন তারা জানতে পারবে। তাই Fiverr এ এই ধরনের কোনো তথ্য শেয়ার করবেন না।

২। একই Payment Account একাধিকবার ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারন একটি পেমেন্ট একাউন্ট একাধিক ফাইভার একাউন্টে লিঙ্কড থাকলে ওই একাউন্টগুলো Suspend হয়ে যাবে। মনে করুন, আপনার পেপাল বা পেওনিয়ার কার্ড নেই। তখন আপনার বন্ধু আপনাকে ডলার উঠাতে সাহায্য করার জন্য তার পেপাল বা পেওনিয়ার একাউন্ট আপনার ফাইভার একাউন্টে যুক্ত করতে দিল, আবার ওই পেপাল বা পেওনিয়ার একাউন্টটি তার ফাইভার একাউন্টেও যুক্ত আছে। সেক্ষেত্রে ফাইভার ধরে নেয় দুটি একাউন্টই একই ব্যাক্তির এবং উভয় একাউন্টই সাসপেন্ড করে দিবে।

৩। শেয়ার আইপি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই Share IP ব্যবহার করে থাকেন। শেয়ার আইপি ব্যবহার করার আগে জেনে রাখুন, এরকম আইপি ব্যবহার করলে আপনার ফাইভার একাউন্ট ডিজেবল হতে পারে। তবে অনেকেই Share IP ব্যাবহার করে আজীবন ফ্রীল্যান্সিং করে যাচ্ছে তবুও তার Account Suspend হয়নি। আরেকজন একদিন শেয়ার আইপি ব্যবহার করতেই তার একাউন্ট Suspend হয়ে গেল! তাহলে এর কারন কি বলে মনে করছেন? উত্তর খুবই সহজ, আপনি যেমন উক্ত আইপি ব্যবহার করতেছেন ঠিক তেমনিভাবে অন্য কেউও ব্যবহার করতেছে। আপনি হয়তো ভালো কাজে ব্যবহার করতেছেন কিন্তু অন্য একজন হয়তো আপনার আইপি দিয়ে খারাপ কাজ করতেছে। যার কারনে আপনার একাউন্টি রিস্কে থাকে।

৪। একাধিক ফাইভার একাউন্ট ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ফাইভার (Fiverr) এর নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তির কেবলমাত্র একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে পারবে। একাধিক একাউন্ট ব্যাবহার না করার জন্য ফাইভার তার "Terms Of Service" এ স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে। একই ব্যাক্তির একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকলে নিশ্চিতভাবে তাঁর আইডি ব্যান হবে।

৫। Fiverr এর বাহিরে লেনদেন করা থেকে বিরত থাকুন। ফাইভারের বাহিরে কোন ধরনের লেনদেন করলে অথবা লেনদেন করার চেষ্টা করলে বা কোনো Buyer কে Fiverr এর বাইরে Payment দেয়ার জন্য অনুরোধ করা, অথবা কোনো বায়ারের এই ধরনের অনুরোধে রাজি হওয়া এবং যদি তা ধরা পরে তাহলে ১০০% বিনা নোটিশে Account Ban হয়ে যাবে। তাই ফাইভারের বাহিরে কোনো ধরনের লেনদেন করার চেষ্টা করবেন না।

৬। ফাইভারে স্প্যামিং করা থেকে বিরত থাকুন। Fiverr এর ভিতরে Spamming করা, অর্থাৎ বায়ারদেরকে অপ্রয়োজনীয় মেসেজ দিয়ে কাজ করে দেওয়ার জন্য অফার করলে অথবা কোনো কারন ছাড়াই অতিরিক্ত পরিমানে "কাস্টম অফার (Custom Offer)" পাঠালে স্প্যামিং হিসেবে বিবেচিত হবে। এবং এর ফলস্বরূপ ফাইভার একাউন্টি Disable হতে পারে।

৭। অপ্রয়োজনীয় গিগ অফার করা থেকে বিরত থাকুন। অনেক সময় নতুন সেলাররা Fake Review, Fake Like, Fake Follower এসব সার্ভিস প্রদান সংক্রান্ত গিগ অফার করে এবং "অ্যাডাল্ট (Adult) বা পর্নোগ্রাফি (Po*******hy) এই ধরনের গিগ অফার করে। এসব গিগ অফার করার পর ধরা পড়লে সরাসরি Accout Suspend করে দিবে। এমনকি এসব গিগ যদি কোনো Buyer ক্রয় করে তাহলে সেই Buyer এর একাউন্টসহ Suspend করে দিবে। তাই এরকম ভুল কখনো করবেন না।

৮। ফাকা অর্ডার ডেলিভারি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ফাঁকা অর্ডার ডেলিভারি দিলেও আপনার একাউন্টটি ডিজেবল হতে পারে। অর্থাৎ আপনাকে বায়ার একটি কাজ অর্ডার দিল। এবং আপনি কাজটি করে সম্পন্ন করার পর যখন ডেলিভারি দিবেন তখন আপনি যে তাঁর কাজটি সম্পন্ন করেছেন তাঁর প্রমান হিসেবে একটি Document সাবমিট করতে হবে, সেটা হতে পারে কাজের স্ক্রিনশর্ট (Screenshort), ছবি বা কোনো ফাইল। কিন্তু যদি Document সাবমিট না করেন আর সেটা ফাইভারের নজরে পড়ে তাহলে আপনার একাউন্টটি Suspend করে দিতে পারে।

৯। খারাপ রেটিং এর কারনেঃ অতিরিক্ত খারাপ রেটিং এর কারনে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড হতে পারে। এর পাশাপাশি আপনার একাউন্টের কাজের ব্যাপারে যদি প্রচুর অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলেও Suspend হতে পারে।

১০। বায়ার বা সেলারের এর সাথে খারাপ আচরন করা থেকে বিরত থাকুন। খারাপ আচরনের কারনে Buyer ও Seller দুই ধরনের Account ই Suspend হতে পারে। কোনো সেলার যদি কোনো বায়ারকে অথবা কোনো বায়ার যদি কোনো সেলারকে ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা অন্যান্য কোনো বিষয় নিয়ে খারাপ কথাবার্তা বা অপমানজনক কথা বলে তাহলেও Account Ban হবে। এটি Fiverr তাঁর "Terms Of Service" এ কঠোরভাবে বলে দিয়েছে।

১১। Fake Review নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। Mutual Order এর মাধ্যমে Fake Review নিলে বা দিলে উভয় একাউন্টই সাসপেন্ড হয়ে যাবে। তাই Fake Review নেওয়া বা দেওয়া যাবেনা।

১২। অন্যের কন্টেন্ট ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন। গিগ বানানোর সময় গিগের Description, Image অন্যের গিগ থেকে কপি করবেন না। যা করার নিজের জ্ঞান দিয়ে করার চেষ্টা করুন। অন্যতায় একাউন্ট ব্যান হতে পারে। এছাড়াও অন্যের Copyright বা Trademark করা ছবি বা কন্টেন্ট অথবা কোনো ডকুমেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করলে, সেটা যদি ধরা পড়ে তাহলেও একাউন্ট ব্যান হতে পারে, এমনকি তার আসল মালিক আপনার বিরুদ্বে মামলা করার ক্ষমতাও রাখে।

17/12/2021

Social media marketing and advertising

Address

Puran Bogra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mono Digital Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share