Imtiaz Jubair

Imtiaz Jubair Chief Operating Officer@Merito | Scaling Startups to Brands with Strategic AI Marketing & Business Automation | Ex-Programming Hero | IBA-RU

আজকে সকালে London Business School এর প্রফেসর John Mullins এর একটা বেশ ইন্টারেস্টিং TED Talk দেখছিলাম। টপিক ছিল অন্ট্রাপ্...
27/08/2026

আজকে সকালে London Business School এর প্রফেসর John Mullins এর একটা বেশ ইন্টারেস্টিং TED Talk দেখছিলাম। টপিক ছিল অন্ট্রাপ্রেনারদের কোর ৬টা মাইন্ডসেট নিয়ে।

পুরো সেশনটার মধ্যে উনার একটা স্পেসিফিক পয়েন্ট আমাকে খুব স্ট্রাইক করেছে। সেটা হলো -"Problem first, Not Product first logic"।

আমাদের লোকাল ইকোসিস্টেমে আমরা ম্যাক্সিমাম টাইম এই ভুলটাই করি। আমরা আগে একটা চমৎকার প্রোডাক্ট ডেভেলপ করি, তারপর ফিল্ডে নেমে কাস্টমার খোঁজা শুরু করি। কিছুদিন আগে CB Insights এর একটা ডেটা ঘাঁটছিলাম। সেখানে ক্লিয়ারলি বলা আছে, প্রায় ৪২% স্টার্টআপ ফেইল করে শুধুমাত্র "No Market Need" এর কারণে। মানে তারা রিয়েল প্রবলেম সলভ করার চেয়ে প্রোডাক্টের ফিচারের পেছনে বেশি টাইম ইনভেস্ট করে ফেলে।

Mullins এর বাকি ৫টা পয়েন্টও বেশ রিয়েলিস্টিক। শুরুতেই বিশাল মার্কেট ক্যাপচারের চিন্তা না করে "Think Narrow" মাইন্ডসেট রাখা। ক্যাশফ্লো ঠিক রাখতে "Ask for the cash, Ride the float" স্ট্র্যাটেজি ফলো করা। একদম শুরুতে বিশাল ফান্ডের আশায় বসে না থেকে "Beg or Borrow" করে বুটস্ট্র্যাপ করা।

আর সবচেয়ে বোল্ড পার্ট ছিল, সবসময় পারমিশনের তোয়াক্কা না করে কাজ শুরু করে দেওয়া এবং "Yes we can!" অ্যাটিচিউড ধরে রাখা।

আমার নিজের অটোমেশন আর বিজনেসের জার্নিতে আমি সবসময় "Problem first" মাইন্ডসেটটা হোল্ড করার চেষ্টা করি। ক্লায়েন্টের প্রবলেম আইডেন্টিফাই না করে সলিউশন পিচ করলে সেটা কখনোই লং টার্মে কাজ করে না।

টকটার শেষে Mullins অডিয়েন্সকে তিনটা খুব বেসিক কিন্তু ডিপ প্রশ্ন করেছিলেন। আমি আপনাদেরও সেইম প্রশ্নগুলো করতে চাই।

এই ৬টা মাইন্ডসেটের মধ্যে -
- বর্তমানে আপনার ভেতরে কোনটা সবচেয়ে স্ট্রং?
- সামনে নতুন করে কোনটা ডেভেলপ করতে চান?
- আর আপনার টিমের মেম্বারদের কোনটা শেখাতে চান?

ঢাকার স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে একটা অদ্ভুত জিনিস খুব রেগুলার দেখা যায়। প্রোডাক্ট ফাটাফাটি, মার্কেটিংয়েও প্রচুর বাজ। কিন্ত...
12/08/2026

ঢাকার স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে একটা অদ্ভুত জিনিস খুব রেগুলার দেখা যায়।

প্রোডাক্ট ফাটাফাটি, মার্কেটিংয়েও প্রচুর বাজ। কিন্তু দিনশেষে যখন সত্যিকারের স্কেল করার সময় আসে, তখন পুরো সিস্টেমটা তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ে।

এডটেক সেক্টরে লাস্ট তিন-চার বছর কাজ করার সুবাদে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি যে গ্রোথ জিনিসটা কতটা পেইনফুল হতে পারে, যদি আপনার ব্যাকএন্ড রেডি না থাকে।

ধরেন আপনার ডেইলি ১০টা ক্লায়েন্ট আসতো, আপনি ম্যানুয়ালি এক্সেল বা গুগল শিটে সব ম্যানেজ করে ফেলতেন। যেদিন থেকে ১০০টা ক্লায়েন্ট আসা শুরু করলো, সেদিন থেকেই শুরু হলো আসল ক্রাইসিস। কাস্টমার সাপোর্ট ঠিকমতো রেসপন্স করতে পারছে না, অনবোর্ডিং প্রসেসে ঝামেলা হচ্ছে। আর ফাউন্ডার নিজে স্ট্র্যাটেজি বাদ দিয়ে সারাদিন বসে বসে firefighting করছেন।

কিছুদিন আগে CB Insights-এর ফেইলড স্টার্টআপগুলো নিয়ে করা একটা ডেটা ঘাঁটছিলাম। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, প্রায় ৭০% টেক স্টার্টআপ ফেইল করে ফান্ডিং বা প্রোডাক্টের জন্য না, বরং অপারেশনাল বটলনেকের কারণে।

মানে আপনার সলিউশন যতই জোস হোক, ব্যাকএন্ড প্রসেস আর ডেলিভারি স্মুথ না হলে কাস্টমার সেকেন্ড টাইম আর ফিরে আসবে না।

আমাদের দেশের অনেক বিজনেস ওনাররা ঠিক এই জায়গাতেই আটকে যান। স্কেল করার জন্য তারা প্রসেস অটোমেশনের বদলে গাদা গাদা মানুষ হায়ার করেন রুটিন টাস্ক করার জন্য। এতে operational cost বাড়ে ঠিকই, কিন্তু এফিশিয়েন্সি আগের জায়গাতেই পড়ে থাকে। দিনশেষে দেখা যায় বেস্ট প্রোডাক্ট নিয়েও তারা অপারেশনাল ফেইলিউরের কারণে মার্কেট লিড দিতে পারছে না।

আপনাদের বিজনেসের বর্তমান স্টেজে সবচেয়ে বড় অপারেশনাল চ্যালেঞ্জ কোনটা মনে হচ্ছে?

মাসে লাখ লাখ টাকার অ্যাড রান হচ্ছে, সেলস টিম সারাদিন ক্লায়েন্ট মিটিং করছে, আর মাস শেষে দেখা যাচ্ছে রেভিনিউ গ্রাফ সেই আগ...
10/08/2026

মাসে লাখ লাখ টাকার অ্যাড রান হচ্ছে, সেলস টিম সারাদিন ক্লায়েন্ট মিটিং করছে, আর মাস শেষে দেখা যাচ্ছে রেভিনিউ গ্রাফ সেই আগের জায়গাতেই আটকে আছে।

EdTech ইন্ডাস্ট্রিতে গত তিন-চার বছর কাজ করতে গিয়ে একটা জিনিস খুব ক্লিয়ারলি রিয়ালাইজ করেছি। টিমের ভেতরে যখন মার্কেটিং, সেলস আর এইচআর আলাদা আইল্যান্ড বা silo-তে কাজ করে, তখন কোম্পানির গ্রোথ বাইরে থেকে না, বরং ভেতর থেকেই ধসে পড়ে।

মার্কেটিং হয়তো টার্গেট মিট করার জন্য ভলিউমে লিড এনে দিচ্ছে। কিন্তু সেলস টিমের কাছে গিয়ে দেখা যাচ্ছে ম্যাক্সিমাম লিডই গার্বেজ, কনভার্ট করার মতো না। কিছুদিন আগে Forrester Research-এর একটা ডেটা দেখছিলাম। সেখানে বলা আছে, মার্কেটিং আর সেলস টিমের স্ট্রং alignment থাকলে কোম্পানির প্রফিট গ্রোথ ন্যাচারালি ২৭% ফাস্টার হয়।

কিন্তু আসল গেমটা শুধু সেলস আর মার্কেটিংয়ের না। এখানেই এইচআর-এর ইমপ্যাক্ট সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল।

মার্কেটিংয়ের ডাইনামিক্স বা সেলসের এগ্রেশন না বুঝে এইচআর যদি একজন কালচারালি আনফিট মানুষ হায়ার করে বসে, পুরো ইকোসিস্টেমটাই কলাপ্স করে। Harvard Business Review-এর একটা আর্টিকেলে পড়েছিলাম, একটা ব্যাড হায়ার শুধু টিমের মরালই নষ্ট করে না, বরং ওই এমপ্লয়ির অ্যানুয়াল স্যালারির প্রায় দুই থেকে তিন গুণ আর্থিক ক্ষতি ডেকে আনে।

মানে এই তিনটা ডিপার্টমেন্ট আসলে আলাদা কোনো ফাংশন না। একটা চেইনের কোনো একটা পার্ট মিসিং থাকলে দিনশেষে বেস্ট প্রোডাক্ট দিয়েও মার্কেটে সার্ভাইভ করা টাফ।

আপনাদের অফিসে এই ক্রস-ফাংশনাল ডিপার্টমেন্টগুলোর মধ্যে সিঙ্ক ঠিক রাখতে স্পেসিফিক কোনো ফ্রেমওয়ার্ক বা টুলস ইউজ করেন কি?

গুটিয়ে না রেখে, হাত তুলুন !! আপনার ভিতরে হাজার খানেক প্রতিভা আছে, কিন্তু হাতটা বেঞ্চের নিচে গুটিয়ে রাখলে কখনোই সেই প্র...
09/08/2026

গুটিয়ে না রেখে, হাত তুলুন !!

আপনার ভিতরে হাজার খানেক প্রতিভা আছে, কিন্তু হাতটা বেঞ্চের নিচে গুটিয়ে রাখলে কখনোই সেই প্রতিভা বা স্কিলকে কাজে লাগানো হবে না। শুরু আপনাকে ঐ হাত তুলেই করতে হবে।

আমার প্রফেশনাল লাইফ শুরু হয়েছিল কলেজের ফার্স ইয়ারের মাঝামাঝি সময়ের দিকে ঠিক এই হাত তোলার মাধ্যমেই।চলেন শুরু থেকে শুরু করি, সরকারী বিজ্ঞান কলেজের ড. কুদরত-ই-খুদা ছাত্রাবাসে থাকার সৌভাগ্য হওয়ায় ছাগলের পালের মতো অনেক কিছুই করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ফ্রি ক্লাস করা। প্রথম ২ মাস মনে হয় ফার্মগেটের টিচারদের ফ্রি ক্লাসই করেছি শুধু, আর আল্লাহর রহমতে এই ফার্মগেটে আর যেই জিনিসেরই অভাব থাক, টিচারের তো কোনো অভাব এটলিস্ট নেইতো এমনই এক ফ্রি ক্লাসের ডাক এলো হোস্টেল জুড়ে ‘Hasan Anam’ ভাইয়ের ফ্রি ক্লাস করতে যেতে হবে যদিও আমি অনেক কম সময়ই এই ছাগলের পালের ছাগল হয়েছি, তারপরেও শুনলাম নাকি অনেক ভালো পড়াই, সেই সময় ১০ মিনিট স্কুলেও নাকি তিনি ক্লাস নিতেন ।

আমার সেই সময়ের হবু বউ আর এখনকার বর্তমান বউ, দুজনই কহিলেন যে এই ভাই নাকি অনেক ভালো পড়াই। হোম মিনিস্টারের চাপেই আরো বেশি করেই গেলাম ‘Hasan Anam’ ভাইয়ের ফ্রি ক্লাস করতে। ওমা যেয়ে দেখি রুম ভরে গিয়ে পোলাপান সিড়িতে দাঁড়িয়ে আছে, তার মধ্যেও ঢুকে পড়লাম একদম ভিতরে।

আর মাঝে মাঝে পরে গেলেও যেমন প্রথম বেঞ্চে জায়গা হয়ে যায় ঠিক সেই ম্যাকানিজমেই সৌভাগ্যবশত জায়গা হয়ে গেলো প্রথম এতক্ষণ ধরে এইসব পড়ে নিশ্চয় মনে হচ্ছে আরে ভাই এই সব শৈশব হিস্ট্রি শুনে কি করবো? আসল কথা বলেন!

জি ভাই, এখান থেকেই শুরু। প্রথম দিন পড়েই ভালো লেগে গেলো, না শুধু পড়ানো না, পড়ানোর থেকে বেশি ভালো লেগে গেলো মানুষটাকে।

পড়তে পড়তে একদিন হঠাৎ ভাই জিজ্ঞেস করলেন, আপনাদের মধ্যে কেউ পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড বানাইতে পারেন? কয়েক সেকেন্ড চুপ করে হাত গুটিয়ে রেখে আশে পাশে তাকাচ্ছি যে কেউ হাত তোলে কিনা, ওমা কেউ হাত তোলে না। ভয় আরো বেড়ে গেলো।। ঢাকার সব বাঘা বাঘা স্টুডেন্টরা যেখানে হাত তুলছে না সেখানে মফস্বল এলাকা থেকে আসা আমি কোন মহান স্লাইড মেকার যে হাত তুলবো? তারপরেও কেন জানি না হাতটা তুলেই ফেললাম এবং বললাম ভাই আমি পারি। ভাই ফিরতি প্রশ্ন করলো, ক্লাসের স্লাইড বানাতে পারবেন? আমি বললাম ভাই চেষ্টা করতে পারি ।

কেন জানি না ভাইও রাজি হয়ে গেলো আর সুযোগ দিয়ে দিলো। সেই হাত তোলা থেকেই শুরু হয়ে গেলো Ed-Tech Industry তে আমার হাতে খড়ি। সেখান থেকে চলছে গাড়ি - যাত্রাবাড়ি !!

স্পেশাল স্পেশাল ধন্যবাদ দুইটা মানুষকে, যিনি এই ফ্রি ক্লাস করতে পাঠিয়েছিলেন, ঐ যে সেই সময়ের হবু বউ আর এখনকার বর্তমান বউ Foujia Rahman Anu কে। আর হাত তোলা ছেলেটাকে এই প্রফেশনাল লাইফে হাত ধরে টেনে তোলা সেই বড় ভাই- Hasan Anam ভাইকে।

এদের পিছনে আরেকজন মূল হোতা আছে যার কথা না বললে তো কিছুই শুরু হবে না, প্রতিটা মানুষের জীবনের সেই বটগাছটাকে যিনি তার সকল সাধ্যের বাইরে যেয়ে ঐ ক্লাসরুম পর্যন্ত পৌছানোর জন্য আমাকে প্রথমে ঢাকা শহর অব্দি পাঠিয়েছিলেন, আমার আব্বু Md Solayman কে।

এইটা জাস্ট শুরু, এরপর অনেক কিছুই হয়ে গেছে । অনেক চড়াই-উতরাই, ঘাত-প্রতিঘাত, অভিজ্ঞতা-অনুশোচনা। সবগল্পই বলবো ইনশাল্লাহ ধীরে ধীরে।

কমেন্ট সেকশনে আপনিও ছোট্ট শেয়ার করে ফেলতে পারেন আপনার প্রথম শুরুর গল্পটা আর ধন্যবাদ জানাতে পারেন আপনার সেই প্রথম শুরুর স্টেকহোল্ডারদেরকে।।

বি.দ্রু. এই ছবিটা সেই প্রথম ফ্রি ক্লাসের !!

আজকে নতুন একটা অভিজ্ঞতার শিকার হলাম। আমার নিজের পেইজের ফুল এক্সেস নিজের কাছ থেকেই কেড়ে নিলো!🙃না, আমার কোনো পার্টনার বা ব...
01/07/2026

আজকে নতুন একটা অভিজ্ঞতার শিকার হলাম। আমার নিজের পেইজের ফুল এক্সেস নিজের কাছ থেকেই কেড়ে নিলো!🙃

না, আমার কোনো পার্টনার বা বন্ধু না। স্বয়ং মার্কা জাকারবার্গ ভাই।

তারপরই বেশ চিন্তায় পড়ে গেলাম। বড় চিন্তা পেইজ নিয়ে না যেহেতু পেইজটা মাত্র ১দিন আগেই খোলা, চিন্তাটা ছিল আমার প্রফাইল নিয়ে, সে হ্যাক হইলো কিনা।

নিজে নিজে অনেক্ষণ গুতাগুতি কইরাও কোনো লাভ হলো না। পরে গেলাম Gemini মামার কাছে।
মামাকে জানাইলাম পুরা ঘটনা -
মামা আমি গতকাল একটা পেইজ খুলেছিলাম, তো আজকে ফোন নাম্বার এড করার পরপরই আমার পেইজ গায়েব করে দিলো। আমার কাছ থেকেই জাকারবার্গ ভাই এক্সেস নিয়ে নিছে😢।

মামা বিভিন্ন সমাধান দিলো আর মেটার রিসেন্ট আপডেট সম্পর্কে জানালো যে, এটা আসলে ফেসবুকের অটোমেটেড সিকিউরিটি সিস্টেমের একটা অংশ। নতুন পেজে ফোন নাম্বার বা অ্যাডমিন অ্যাড করলে সিকিউরিটির জন্য অনেক সময় ফেসবুক পেজটাকে সাধারণ প্রোফাইল থেকে সরিয়ে সরাসরি 'Meta Business Suite'-এ ট্রান্সফার করে দেয়।

এখন কি করা যায় তাও জিগাইলাম। কইলো যে, প্যানিক করার কিছু নেই। সমাধান একদমই সহজ-
১. ব্রাউজার থেকে Business Suite এ যাও।
২. বাম পাশের মেনু থেকে Accounts > Pages-এ ক্লিক করলেই তোমার পেজটি পেয়ে যাবে। পেয়েও গেলাম🫡
৩. এরপর ডানপাশ থেকে 'Add People'-এ গিয়ে নিজের প্রোফাইলটি সিলেক্ট করে 'Full Control' অন করে দাও।
ব্যাস,পেজ আবার আগের মতোই তোমার প্রোফাইলে চলে আসবে!
​ছোট একটা বিষয়, কিন্তু না জানলে বেশ চিন্তার কারণ হতে পারে। ভাবলাম অভিজ্ঞতাটা সবার সাথে শেয়ার করি, আমার মতো মূর্খ এখনো অনেকেই থাকতে পারে। তাদের অন্তত এত চিন্তায় পড়ে নিজের আয়ু কমানো লাগবে না।😇

আপনারা আমার এই ধরণের আরো ইনফরমেটিভ পোস্ট চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন। চেষ্টা করবো শেয়ার করার৷ Bye! Bye!👋

​

৯০০ মিলিয়ন ডলার! বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা!হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। শুধুমাত্র একজন মানুষকে নিজেদের কোম্পানিতে নি...
28/06/2026

৯০০ মিলিয়ন ডলার! বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা!

হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। শুধুমাত্র একজন মানুষকে নিজেদের কোম্পানিতে নিয়ে আসতে মেটা (Meta) এই অবিশ্বাস্য অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছে। মানুষটি হলেন কুনাল শাহ (Kunal Shah), যিনি WhatsApp-এর নতুন গ্লোবাল সিইও (Global CEO) হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন!

ভাবছেন, একজনকে নিয়োগ দিতে এত বিশাল অঙ্কের খরচ কীভাবে সম্ভব? এখানেই রয়েছে আসল চমক, মেটা কিন্তু সরাসরি তাঁকে কোনো ক্যাশ টাকা দেয়নি।

তাহলে মাস্টারস্ট্রোকটি কোথায়?
মেটা মূলত কুনাল শাহ-এর বর্তমান কোম্পানি 'Cred'-এর ৯০০ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের শেয়ার কিনে নিয়েছে। এই দুর্দান্ত চুক্তির ফলে Cred-এর জন্য আইপিও (IPO)-তে যাওয়ার পথ এখন একদম মসৃণ হয়ে গেল। আর এর বিনিময়েই কুনাল শাহ যুক্ত হচ্ছেন WhatsApp-এর শীর্ষ পদে।

ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে Cred-এ মেটার এই বিনিয়োগ নিঃসন্দেহে লাভজনক। কিন্তু কুনাল শাহ যদি এই সমীকরণে না থাকতেন, তবে মেটা এই বিনিয়োগটি আদৌ করত কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন - একজন মানুষের মেধা, দূরদর্শিতা আর লিডারশিপের ভ্যালুয়েশন কত হাজার কোটি টাকা হতে পারে! একেই বলে সত্যিকারের 'ট্যালেন্ট'। পুরো ঘটনাটি দেখে '3 Idiots' সিনেমার সেই আইকনিক ডায়ালগটিই বারবার মনে পড়ছে:

Success ke peeche mat bhaago, excellence ka peecha karo, success jhak maarke tumhare peeche ayegi.

নিজের স্কিল আর যোগ্যতাকে এমন এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান, যেন আপনাকে দলে টানার জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো লাইন ধরে।

04/04/2026

"BBA is a Scam" - এই কথা কতবার শুনেছেন?
কিন্তু কেউ কি কখনো বলেছে BBA তে আসলে পড়ানোটা কী?
ক্লাসরুমের ভেতরের পড়া আর বাইরের রিয়েল ওয়ার্ল্ড — দুইটা মিলিয়ে আপনাকে বলবো আসল গল্পটা।
Business, Management বা Marketing নিয়ে যদি সত্যিই জানতে চান তাহলে এই পেজটা আপনার জন্যই।

Address

University Of Rajshahi
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Imtiaz Jubair posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Imtiaz Jubair:

Shortcuts

Share