Bongal

ভয়ঙ্কর সুন্দর কটকা-কচিখালী সৈকতভ্রমণ মানেতো শুধু শান্ত নিবিড় পরিবেশে প্রকৃতি উপভোগ করা নয়; এর সঙ্গে যদি যুক্ত হয় ভয়ঙ্কর ...
13/11/2020

ভয়ঙ্কর সুন্দর কটকা-কচিখালী সৈকত

ভ্রমণ মানেতো শুধু শান্ত নিবিড় পরিবেশে প্রকৃতি উপভোগ করা নয়; এর সঙ্গে যদি যুক্ত হয় ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চ, তাহলে সেই ভ্রমণ হয়ে ওঠে সত্যিকার অর্থেই জীবনের প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি। ঘন জঙ্গল, সাগর আর বন্যপ্রাণীদের নিয়ে যে কাউকে এমনই ভয়ঙ্কর সুন্দরের খোঁজ দিতে পারে সুন্দরবনের কটকা-কচিখালি বা জামতলা সমুদ্র সৈকত। ভয়ঙ্কর সুন্দর বলার কারণ এই সৈকতে পৌঁছাতে পার হতে হয় বঙ্গোপসাগরের মোহনায় খরস্রোতা কটকা নদী আর সুন্দরবনের ভেতরে দিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ। এই পথ এতটাই বুনো যে, যখন তখন এখানে পযটকদের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় হরিণের পাল, বন্য শুকরের। শোনা যায়, এই স্থানে নাকি সুন্দরবনের রাজা বেঙ্গল টাইগারেরও আনাগোনা বেশি। তাই সব মিলিয়ে এ পথের শেষে সাগর মোহনায় কচিখালী বা জামতলা সৈকতের বুনো সৌন্দয যে কাউকে রোমাঞ্চের চূড়ায় নিয়ে যেতে সক্ষম।

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে কটকা নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এই সৈকতকে বলা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বিপজ্জনক সৈকতগুলোর একটি। কারণ এই সৈকতে ঢেউয়ের আকার অত্যন্ত পরিবর্তনশীল। এছাড়া এর অনেক স্থান এখনো এত অস্পর্শী যে সেখানে যাওয়া বিপজ্জনক। এছাড়া এই সৈকতে অজ্ঞাত চোরাবালির জন্য পানিতে নামা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও চাইলে বনবিভাগ নিজেদের ব্যবস্থাপনায় অনিন্দ সুন্দর এই সৈকত দেশি-বিদেশি পযটকদের ঘুরিয়ে দেখায়। তবে সেক্ষেত্রে থাকতে হয় নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে। একইসঙ্গে পর্যটক দলের সঙ্গে বনরক্ষীও রাখা বাধ্যতামূলক। কচিখালী সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার পথে যে শুধু ম্যানগ্রোভ বন পাওয়া যায় তা নয়, একইসঙ্গে পড়ে বেশ খানিকটা ফার্নের ঝোপও। এই ফার্ন ঝোপ পার হওয়ার পথে খুব সাবধান থাকতে হয়। কারণ মাঝে মাঝেই এই ঘাস ঝোপে লুকিয়ে থাকে বাঘ।

এই সৈকতের আবার দুটি ভাগ আছে। একটিতে ঝোপঝাড় বেশি, অন্যটা একটু বেশি খোলামেলা। মাটির স্তুপ করা পলি। ধুয়ে যাওয়া মড়া গাছের শেকড় আর বলিয়ারি। কচিখালীতে সৈকত ছাড়িয়ে বনের ধারে আছে প্রায় ৪০ ফুট উঁচু একটি পযবেক্ষণ টাওয়ারও। পড়ন্ত বিকেলে সেখানে উঠলে হয়তো চোখে পড়বে সবুজের সমারোহ, বিভিন্ন জাতের পাখি, কোথাও ঘাসজমিতে চরে বেড়াচ্ছে চিত্রা হরিণের দল আর বানরের চেঁচামেচি। বন ছাড়িয়ে আরেকটু সামনে রয়েছে একটি মিঠাপানির পুকুর। এটি বন্যপ্রাণীদের পানি পানের স্থান। আবার কটকার জেটির উত্তরে খালের চরজুড়ে থাকা কেওড়ার বনেও দেখা যায় দলবদ্ধ হরিণের পালকে। কোথাও বা চোখে পড়বে শীতের সময় রোদ পোহানো লোনা জলের কুমির। সবমিলিয়ে কটকা-কচিখারী সৈকতে এলে একবারের জন্য হলেও হয়তো অবশ্যই মনে হবে-কী সুন্দর এই পৃথিবী, কী অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দযমণ্ডিত আমাদের দেশ।

ভ্রমণ পিয়াসীদের এই ভয়ঙ্কর সুন্দর কটকা-কচিখালী সৈকত সহ সুন্দরবনের বিভিন্ন স্পটের এই রূপ-বৈচিত্রের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই বঙ্গাল এবার আয়োজন করেছে ৩ দিনের ট্যুর ‘অপরেশন সুন্দরবন’। এই ট্যুরে কটকা-কচিখালি সৈকত ছাড়াও আমরা ঘুরে দেখবো হাড়বাড়ীয়া ইকো ট্যুরিজম, কটকা অফিসপার, টাইগার টিলা, কটকা ওয়াচ টাওয়ার, টাইগার পয়েন্ট, কচিখালী অভায়ারন্য, কচিখালী খাল, ডিমের চর, করমজল (মিনি জু ও কুমির প্রযনন কেন্দ্র) এবং আরো কিছু আশ্চর্যজনক সুন্দর জায়গা ... চলুন একবার আমাদের সঙ্গে, কাছ থেকে দেখি আসি বাংলাদেশের এই প্রাকৃতিক ফুসফুসকে।

★ ভ্রমণের শুরু: ৩ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুমানিক রাত ১১ টায় ঢাকা থেকে বাসে খুলনার উদ্দেশ্যে।
★ ভ্রমণের সমাপ্তি : ৭ ডিসেম্বর, সোমবার আনুমানিক ভোর ৬ টার মধ্যেই আমরা ঢাকায় থাকবো।
★ ট্যুর সাইজ: ৪২ জন
★ যোগাযোগ: 01747 678729, 01952 272082 (সাকিল)
বিস্তারিত……
https://fb.me/e/cSI0fxaMY

সারি সারি নারকেলবিথি আর দীর্ঘ সমুদ্রতট। লোনা জল আর সোনালী বালুর গালিচায় যেখানে নিশ্চিন্তে রোদ পোহায় সুন্দরী সাগরকন্যা। স...
01/11/2020

সারি সারি নারকেলবিথি আর দীর্ঘ সমুদ্রতট। লোনা জল আর সোনালী বালুর গালিচায় যেখানে নিশ্চিন্তে রোদ পোহায় সুন্দরী সাগরকন্যা। সেই অনিন্দ্যসুন্দর সাগরকন্যাটির সন্ধানে এবার বঙ্গাল যাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় পর্যটনের অন্যতম কেন্দ্র পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায়। রূপ আর সৌন্দর্যের জন্য পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা পরিচিতি পেয়েছে ‘সাগরকন্যা’ হিসেবে। এটিই দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সমুদ্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত পরিপূর্ণ রূপে দেখা যায়। নৈসর্গিক সৈকত ছাড়াও এখানে দেখার মতো রয়েছে কুয়াকাটার ইতিহাস বিখ্যাত কুয়া, ফাতরার বন, সীমা বৌদ্ধবিহার, রাখাইন পল্লী, মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধবিহার, গঙ্গামতির জঙ্গল। এবারের আয়োজনে আগামী ১৩ ও ১৪ নভেম্বর আমরা ঘুরে বেড়াবো কুয়াকাটার সব দর্শনীয় স্থানগুলোতে। এই আয়োজনে আপনিও আমন্ত্রিত...
বিস্তারিত
★ ভ্রমণের তারিখ ও সময়: ১২ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার আনুমানিক বিকেল ৫ টায় ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু।
★ ফেরার সময়: ১৫ নভেম্বর, রবিবার আনুমানিক ভোর ৬ টার মধ্যেই আমরা ঢাকায় থাকবো।
★ ভ্রমণের খরচ (জনপ্রতি):
রেগুলার প্যাকেজ : ৫,৬০০ টাকা (নন এসি কেবিন ২/১, নন এসি হোটেল ৪/১, নন এসি বাস),
প্রিমিয়াম প্যাকেজ : ৭,২০০ টাকা (এসি কেবিন ২/১, এসি হোটেল ৪/১, এসি বাস)
★ বুকিং পলেসি: সরাসরি দেখা করে বুকিং মানি জমা দিতে পারেন। অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বুকিং করতে চাইলে রেগুলার প্যাকেজের জন্য ৩,০০০ টাকা ও প্রিমিয়াম প্যাকেজের জন্য ৪,০০০ টাকা বিকাশ করতে হবে।
বিকাশ নম্বর : 017 8284 7644 (খরচ সহ পাঠাতে হবে)
ব্যাংক একাউন্ট : Prime Bank Ltd
Panthapath Branch
Md.Nurujjaman Sarker
SB A/c - 2141 218 009 095
সরাসরি যোগাযোগ : Md. Nurujjaman Sarker
BDBL Bhaban, 12 Kawran Bazar, Dhaka-1215, Bangladesh.
(ব্যাংকে টাকা পাঠানো বা বিকাশ করার পর অবশ্যই ফোন করে বা আমাদের পেজে ম্যাসেঞ্জারে কনফার্ম করতে হবে।)
★ বুকিংয়ের শেষ তারিখ : ০৬ নভেম্বর, রবিবার
★ চাইল্ড পলিসি: ৩ বছরের নিচের শিশুদের জন্য কোন ফি দিতে হবে না। সেক্ষেত্রে তাদেরকে বাবা-মা বা অভিবাবকের সঙ্গে আসন ও রুম শেয়ার করতে হবে।
★ পরিবহনঃ লঞ্চ, বাস, স্থানীয় পরিবহন।
★ যোগাযোগঃ 01689 377 319 (আবির সায়েম)
★ যা যা থাকছে ইভেন্ট খরচে:
ঢাকা থেকে পটুয়াখালী লঞ্চের কেবিন ভাড়া, পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা বাস ভাড়া, সকালের নাস্তা ২ দিন, দুপুরের খাবার ২ দিন, বিকেলের নাস্তা ২ দিন, রাতের খাবার ৩ দিন, সব ধরনের লোকাল ট্রান্সপোর্ট খরচ, নির্ধারিত স্পটের এন্ট্রি টিকিট।
★ যা যা থাকছে না:
ফেরার সময়ে হাইওয়ের খাবার বা অন্য কোন খরচ । ব্যক্তিগত কোন ধরনের খরচ। প্যাকেজে উল্লেখ নাই এমন কোন কিছুর খরচ।
★ ভ্রমণের সম্ভাব্য স্থান:
সমুদ্র সৈকত, সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত অবলোকন, গঙ্গামতি চর, গঙ্গামতি ম্যানগ্রোভ বন, লাল কাঁকড়ার চর, রাখাইন পল্লী, লেবুর চর, ঝাঁউ বন, ত্রি-নদীর মোহনা, ফাতরার বন, রাখাইন পল্লী, শুটকি পল্লী এবং আরো কিছু সুন্দর জায়গা ( সময় পাওয়া সাপেক্ষে )
★ উল্লেখ্য:
নারীসহ কোন ভ্রমণসঙ্গীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করা যাবে না। ভ্রমণ স্থানের স্থানীয় কোন মানুষের সঙ্গে খারাপ কোন আচরণ করা যাবে না। ভ্রমণের সময় অবৈধ কোন কিছু বহন অথবা সেবন করা যাবে না। অপঁচনশীল কোন বস্তু ভ্রমণ স্থানে ফেলে আসা যাবে না। ট্যুর চলাকালীন সময় সব সদস্যকে বঙ্গাল প্রতিনিধির পরামর্শ ও নির্দেশনা মোতাবেক চলতে হবে।
★ সাথে যা যা নিতে হবে:
নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাগপ্যাক। আরামদায়ক পোশাক। স্লিপার টাইপ স্যান্ডেল নিলে আপনারই সুবিধা হবে। ছাতা, ওডোমস ক্রিম, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যম্পু, ক্যামেরা, ব্যাটারি, চার্জার, পলিথিন, সানক্যাপ, সানগ্লাস, রেইন কোট। মোবাইল/পাওয়ার ব্যাংক/ক্যামেরা নিলে অবশ্যই ফুল চার্জ দিয়ে নিবেন। বৃষ্টির হাত থেকে ফোন, ক্যামেরা, ব্যাগ রক্ষা করার জন্য প্রটেক্টর বা বড় পলিথিন নেবেন। নিজের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ওষুধপত্র।
★★★কোন হিডেন চার্জ নেই★★★
(বি.দ্র. বঙ্গাল যে কোন সময় যে কোন পরিস্থিতিতে বাসের আসন, ট্যুর ডেট ও ট্যুর প্ল্যান পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। ট্যুরের যে কোনো ব্যাপারে বঙ্গালের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। কেউ ট্যুরের নিয়মকানুন পরিপন্থী কোন কাজ করলে সে ট্যুর থেকে বহিষ্কৃত হবেন।)
যে কোনো ধরনের প্যাকেজ, গ্রুপ ট্যুর, শিক্ষা সফর, পিকনিকের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সপ্তাহে যে কোন দিন দেশের যে কোন স্থানে আপনার ভ্রমণকে প্রাণবন্ত করে তুলতে বঙ্গাল অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আসছে বঙ্গাল’র প্রথম ফন্ট ‘প্রভাত বঙ্গাল’......
21/06/2020

আসছে বঙ্গাল’র প্রথম ফন্ট ‘প্রভাত বঙ্গাল’......

আসছে বঙ্গাল’র প্রথম ফন্ট ‘প্রভাত বঙ্গাল’।

‘প্রভাত বঙ্গাল’ ফন্টটি রেগুলার, বোল্ড, থিন, ইতালিকসহ একইসাথে ১০টি স্টাইলে ANSI এনকোডিং-এ পাওয়া যাবে। ফন্টটি সম্পর্কে সর্বশেষ হালনাগাদ জানার জন্য চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেইজে......

#বাংলাফন্ট
#বঙ্গাল #বঙ্গালফন্ট

24/05/2020

Address

67/4 Pioneer Road, Segunbagicha
Ramna
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bongal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bongal:

Share