04/10/2021
কফি আবিষ্কার, প্রচার ও প্রসারে মুসলমানদের অবদান: পৃথিবীতে মানবজাতির অনেক আগে থেকেই কফি গাছের আগমন। ইথিওপিয়ার ২ কিলোমিটার অধিক সুউচ্চ মালভূমির উপরের জঙ্গলে, বন্য কফি গাছ হাজার হাজার বছর আগে থেকেই ছিল। জঙ্গলের পশুপাখি শুধু এই কফি ফল খেত । মানবজাতি এই কফির গুনাগুন আর পান করার প্রক্রিয়া জানতোনা। ইথিওপিয়ান বন্য গাছের গোটা থেকে কফি কিভাবে জনপ্রিয় পানীয় হয়ে উঠলো, আজ সেই ইতিহাস শুনবো। সেই সাথে কফি পান করার প্রক্রিয়া আবিষ্কার এবং পৃথিবীবেপী কফির প্রচার আর প্রসারে মুসলিমদের অসাধারণ অবদানের ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
লেখক : Julfikar Rijon (Copy without credit Not Allowed)
ইথিওপিয়ান সম্রাজ্য (Aksumite Empire) অর্থাৎ আবিসিনিয়া , ৫২৫ সালে ইয়ামেন দখল করে নেয়। ওই সময়ে ইথিওপিয়ান সম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ চলছে। ইথিওপিয়া, সুদান , ইয়েমেন পর্যন্ত সুবিস্তর ইথিওপিয়ান সম্রাজ্য, আসে পাশের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতো। ইয়ামেনে ইথিওপিয়ান সম্রাজ্যের গভর্নর আব্রাহা ৫৭০ সালে মক্কা আক্রমণ করে বিশাল এক হাতির বাহিনী নিয়ে। ওই বছরকে 'আম -আল-ফিল ' অর্থাৎ হাতির বছর বলা হয়,ওই বছরই আমাদের নবী হযরত মোহাম্মাদ (সা:) জন্ম গ্রহণ করেন।
ইসলামের আবির্ভাবের পর মক্কায় নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য ৬১৫ সালে, অনেক সাহাবী ইথিওপিয়ান সম্রাজ্য অর্থাৎ আবিসিনিয়ায় আশ্রয় নেয়। ৬৪৬ সালের মধ্যে রাশেদুন খেলাফতের মুসলিম বাহিনি ইজিপ্ট সহ লৌহিত সাগরের আসে পাশের সকল এলাকা দখল করে ফেলে।
পূর্বের ইথিওপিয়ান সম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রিত বন্দরনগরী এখন আরবদের নিয়ন্ত্রণে। এসময় অনেক আরব ব্যবসায়ী বাণিজ্য করতে , অনেকে আবার গরু, ছাগল, দুম্বা, ভেড়ার ফার্ম করতে ইথিওপিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরে।
খালিদ নামের একজন আরব রাখাল , যেকিনা ইথিওপিয়ার পাহাড়ী উপত্যাকার বিস্তর জমিতে ছাগল চরাত। ওই রাখাল একদিন লক্ষ্য করলেন , পাশের ঝোপের এক বিশেষ গাছের পাকা লাল গোটা খেয়ে তার ছাগল চাঙ্গা হয়ে লাফাতে থাকে। বেপারটা অনুসন্ধান করতে ওই রাখাল নিজেই ওই গাছের গোটা (চেরি ) খেলেন। লক্ষ করলেন তার শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে আর চাঙ্গা আর তাজা লাগছে। সেই রাতে ঘুম আসছিলোনা। খালিদ তখন ওই গাছের কয়েকটি পাকা চেরী নিয়ে স্থানীয় সুফী শেইখ এর কাছে গেলেন এবং তার আবিষ্কারের কথা বললেন।
সুফী শেইখ তখন পাকা চেরী পাশের জ্বলন্ত আগুনে ফেলে দিয়ে তা খেতে ন