Sabbir Marketing Agency

Sabbir Marketing Agency Welcome to our Sabbir Marketing agency. To promote your product or service contact with us. We serve Marketing service in social media.

Product Design by ai
22/10/2025

Product Design by ai

14/05/2025
▶️ফেসবুক আইডি হ্যাক করার নিয়ম📍আশাকরি সকলে ভালো আছেন। আপনারা যারা ফেসবুক আইডি হ্যাক করার নিয়ম জানতে চাচ্ছেন বা ফেসবুক হ...
08/11/2022

▶️ফেসবুক আইডি হ্যাক করার নিয়ম📍

আশাকরি সকলে ভালো আছেন। আপনারা যারা ফেসবুক আইডি হ্যাক করার নিয়ম জানতে চাচ্ছেন বা ফেসবুক হ্যাক করার নিয়ম জানতে চান, তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টি। অনেকে চিন্তা করে কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা যায় । আবার অনেকে বলে থাকে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করা যায় না। মূলত তাদের এই বিতরকের উত্তর দেয়ার জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি লিখা হয়েছে।

➡️ফেসবুক আইডি হ্যাক এটা কি সত্যি সম্ভব। ফেসবুক আইডি হ্যাক এর ক্ষেত্রে আপনারা যেই পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করবেন সেগুলো মূলত ইললিগ্যাল । আর এগুলো যদি আপনারা ব্যবহার করেন তবে কিন্তু আপনাদের জেল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে । বিশ্বাস হচ্ছে না তাই না পেরে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন আপনি বুঝতে পারবেন ।

➡️মূলত ফেসবুক আইডি হ্যাক করা সহজ নয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফেসবুক আইডি হ্যাক করা যায়। তবে সাধারণ মানুষের জন্য এটা সম্ভব নয়। আপনি ইউটিউবে হাজার হাজার ভিডিও দেখতে পারেন যেখানে বলা হয়ে থাকে, তারা বিভিন্ন পদ্ধতি দেখিয়ে থাকে এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে আপনিও ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে পারবেন। এগুলোর 98 শতাংশ মিথ্যা।
আবার এমনও বলা হয়ে থাকে, আপনি যেই ফেসবুক আইডিটি হ্যাক করতে যাচ্ছেনওই আইটির লিংকটি যদি একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের দেন তবে সেই ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে ওই ব্যক্তির ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড দেয়া হবে। এগুলো মূলত ভন্ডামি। ফেসবুক সাধারণ মানুষের হ্যাকিংয়ের ধরাছোঁয়ার বাইরে। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ কখনই এটা কে হ্যাক করতে পারবে না।

➡️আর আপনি যদি সত্যি ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই একজন দক্ষ প্রোগ্রামার হতে হবে। আপনাকে এইচটিএমএল, সিএসএস , জাভাস্ক্রিপ্ট , পিএইচপি , পাইথন, সি প্রোগ্রামিং ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের ভালো ধারণা থাকতে হবে। বিশেষ করে object-oriented প্রগ্রমিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো নিয়ে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।
আপনি সব ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখার পর যদি চিন্তা করেন ফেসবুক হ্যাকিং করবেন, এর পরে আপনি সম্মুখীন হবেন সাইবার ক্রাইম আইন এর। আর যদি কোন সার্ভার ক্রাইম করতে গিয়ে ধরা পড়ে যান তাহলে গুনতে হবে হাজার হাজার টাকা জরিমানা সেইসাথে জেল হতে পারে।

➡️যদিও বিভিন্ন ধরনের ফিশিং সাইট রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট ফেসবুক আইডি হ্যাক করা যায় । কিন্তু আমি সেসব সাইটের ব্যাপারে কিছুই বলতে চাচ্ছি না। কারণ আমি কারো ক্ষতি করতে চাইনা। তবে ফিশিং সাইট গুলো কিভাবে কাজ করে সেটা নিয়ে আলোচনা করি।

➡️ফিশিং সাইট গুলো মূলত একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির আইডি চেয়ে থাকে। আপনি যখন আইডিটি দেবেন পরবর্তীতে সেই ব্যবহারকারীর কাছে একটি স্পাম মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর কাছ থেকে তার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড টি হাতিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সেই ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওই ব্যক্তির ফেইসবুক আইডিতে লগইন করা হয়।

❤️আশা করি আপনারা কখনোই অন্যের ক্ষতি চাইবেন না। তাই চলুন এখন কিভাবে আমরা আমাদের ফেসবুক আইডিকে সুরক্ষিত রাখতে পারি সে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নেই।

➡️ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই দুই স্তরের নিরাপত্তা সিস্টেমটি ব্যবহার করতে হবে।

➡️মেসেঞ্জারে কোন ধরনের অপরিচিত লিংক আসলে সে গুলাতে ক্লিক না করে এড়িয়ে যাওয়া।কারণ এ লিংকগুলোতে ক্লিক করা মাত্রই আপনাকে অন্য একটি পেজে নিয়ে যাবে এবং আপনার ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ইউজারনেম ইত্যাদি ইনফরমেশন চাইবে। আর আপনি যদি ভুলেও এই সব ইনফরমেশন দিয়ে ফেলেন তাহলে আপনি নির্ঘাত একটি হ্যাকারের ফাঁদে পড়ে যাবেন । মানে ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে যাবে।

➡️পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সময় অবশ্যই বড় ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিজের নাম জন্মতারিখ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সময় ক্যাপিটাল লেটার, স্মল লেটার , স্পেশাল ক্যারেক্টার , এবং নাম্বার ব্যবহার করুন। নিচে একটি উদাহরণ দেয়া হলোঃ Tan@234Vir, 2234Yx

▶️উপরের উদাহরণে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড গুলো দেখুন ।এই ধরনের কম্বিনেশন পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে আপনার পাসওয়ার্ডটি হাই সিকিউর হয়ে যায়। যার ফলে আপনার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হওয়া থেকে কিছুটা রক্ষা পাবে।

▶️কখনোই ফেসবুকের লগইন তথ্য অন্য কোন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রবেশ করাবেন না। অবশ্যই সেই ক্ষেত্রে মনে রাখবেন আপনি কোথায় লগিন তথ্যটি ব্যবহার করতেছেন। ফেসবুকের বাইরে আরো কোন শব্দ সেখানে থাকলে বা কোন সন্দেহ হলেই www.facebook.com টাইপ করে একাউন্ট খুলুন।

▶️আপনার মোবাইল ফোনে অ্যাপ্লিকেশনগুলি অবশ্যই গুগল প্লে স্টোর দ্বারা ভেরিফাই এমন অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করুন। এর বাইরে আপনি ক্রাক যে সব সফটওয়্যার রয়েছে, বা পাওয়া যায় এইসব সফটওয়্যার ইন্সটল থেকে বিরত থাকুন।
এবং কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার অবশ্যই অন করে রাখতে পারেন। উইন্ডোজ ডিফেন্ডার, অথবা উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল প্রটেকশন microsoft-এর এমন একটি ব্যবস্থা যে ব্যবস্থা ভাইরাস শনাক্ত করতে পারে। ফেসবুক আইডি হ্যাক ছাড়া ও আপনার কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের ইনফর্মেশন হ্যাকিং হওয়া থেকে আপনাকে রক্ষা করবে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার। তাই অবশ্যই কম্পিউটার ব্যবহারের সময় উইন্ডোজ ডিফেন্ডার অথবা ফায়ারওয়াল প্রটেকশন ব্যবস্থাটি অন করে রাখুন ।

➡️আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে কিনা তা জানার জন্য প্রথমে আপনার ফেসবুকে লগিন করুন এবং সেটিংস-এ ক্লিক করুন। সেখান থেকে Security and login > What are you logged in? এখানেই আপনি যাবতীয় ইনফো পাবেন। যদি দেখেন আপনি ওই একই সময়ে লগ-ইন করেননি তবে বুঝবেন আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে।

▶️ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে করণীয়

1️⃣ যত দ্রুত সম্ভব হয় আপনার পাসওয়ার্ডটি চেঞ্জ করে ফেলবেন। যদি হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড পাল্টে দিয়ে থাকে তবে Login করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে Forget password এ ক্লিক করে Email জেনারেটেড পাসওয়ার্ড দিয়ে Login করে তারপর Password পরিবর্তন করে ফেলুন।

2️⃣ আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে গিয়েছে বিষয়টি ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করুন। সেজন্য ফেসবুক হেলপ সেন্টার এর সাহায্য নিন। Facebook Help Center লিখে গুগলে সার্চ করুন। যে পেজটি ওপেন হবে সেখানে সিকিউরিটি-আই এর মধ্যে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। যেটা আপনার কাছে সঠিক মনে হবে সেটিতে ক্লিক করে আপনার রিপোর্টটি ফেসবুকে হেল্প সেন্টারে দিতে পারেন ।

3️⃣আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিতে পারেন আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে গিয়েছে।

4️⃣ ফেসবুকে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা টি অন করে দিন। Settings & privacy > Privacy Shortcuts > Account Security > Use two-factor authentication ক্লিক করার পর আপনার পাসওয়ার্ডটি চাইবে, পাসওয়ার্ডটি দেয়ার পর বাকি কাজগুলো সেরে ফেলুন।

5️⃣ ভবিষ্যতে ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচতে ইন্টারনেট সচেতন ভাবে ব্যবহার করেন এবং সতর্ক থাকুন।

Copy from website

১. সরল বাণিজ্য যুগ (Simple trade era) –আদিম সভ্যতার বিনিময় প্রথা পেরিয়ে সরল বাণিজ্য যুগের সূচনা হয়। এই সময়ে চাহিদা অনুযা...
21/10/2022

১. সরল বাণিজ্য যুগ (Simple trade era) –
আদিম সভ্যতার বিনিময় প্রথা পেরিয়ে সরল বাণিজ্য যুগের সূচনা হয়।

এই সময়ে চাহিদা অনুযায়ী কেবলমাত্র সীমিত পণ্য তৈরী করা হতো।

আর, পণ্যের চাহিদার ভিত্তিতেই নিয়মিত বাণিজ্য চলতো।

তখনকার যুগে মার্কেটিং-এর সূচনা হয়েছিল চাষিদের জমির সীমা ও গবাদি পশুর মালিকানা নির্ধারণের মাধ্যমে।

২. উৎপাদন যুগ (Production era) –
১৮৪০ থেকে ১৯২০-এর দশক পর্যন্ত সময়টি হল উৎপাদন যুগ।

এই সময়ে উৎপাদন কৌশলগুলোর ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ভোগ্যপণ্য সহজলভ্য হয়ে ওঠে।

তখন ব্যবসা চলতো “যদি আপনি এই পণ্যটি তৈরি করেন, তবেই ক্রেতা আসবে”- এই মার্কেটিং তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে।

ওই সময়ে একাধিক বিকল্প উপলব্ধ ছিল বলে বিভিন্ন কোম্পানিরা ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছিল।

প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলস্বরূপ, যখন পণ্যের সরবরাহে বিশৃঙ্খলতা দেখা দেয় তখন ক্রেতারা ব্যাপকভাবে সাধারণ ভোগ পণ্যের মজুত করা শুরু করে।

এর ফলে ওই সময়ে পণ্যের উৎপাদন অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

৩. বিক্রয় যুগ (Sales era) –
উৎপাদন যুগের ঠিক পরে ভোক্তাদের চাহিদা মিটে গেলে ১৯২০ থেকে ১৯৪০-এর দশক পর্যন্ত চলে বিক্রয় যুগ।

এই সময়টা থেকেই মূলত ব্যবসায়ীদের মধ্যে আধুনিক মার্কেটিং-এর ব্যাপারে একটি ধারণা তৈরী হয়েছিল।

চাহিদা দ্রুত কমে যাওয়ার পরে ও ক্রেতাদের প্রয়োজন মিটে যাওয়ার ফলে, তখনকার ব্যবসায়ীরা আগের মতো সহজে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছিল না।

আর, উৎপাদন যুগে প্রচুর কোম্পানির উদ্ভব হওয়ায়, বিক্রয়ের যুগে সেই কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাজারে টিকে থাকার তীব্র লড়াই শুরু হয়।

এখন কোম্পানিগুলোকে তাদের পণ্য এবং পরিষেবাগুলো বিক্রির জন্য আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হচ্ছিল।

তার সাথে সাথে পণ্যগুলোও বাণিজ্যিক কোমোডিটিতে পরিণত হচ্ছিল আর পণ্যটির দাম ভোক্তাদের আকৃষ্ট করার মূল কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছিল।

৪. মার্কেটিং বিভাগের যুগ (Marketing department era) –
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের (১৯৪০-৬০ দশক) অর্থনৈতিক উন্নতি মার্কেটিং বিভাগের যুগের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

এই সময়েই নির্মাতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে “সরাসরি বিক্রয়” (hard sell) পদ্ধতিটি ৬০-এর দশকের নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের উপর কাজ করবে না।
বরং, মধ্যবিত্তদের মধ্যে সমৃদ্ধির মাত্রা (affluence level) বৃদ্ধির মানে হল তাদের দর কষাকষি করার ক্ষমতাকে আরও প্রশ্রয় দেওয়া।

এখন থেকে ব্র্যান্ড মালিকরা মার্কেটিং-সম্পর্কিত ক্রিয়াকলাপ, যেমন- বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপের উপর জোর দিতে থাকে।

আর, বিজ্ঞাপন, বিক্রয়, মূল্য প্রচার ও জনসংযোগের জন্যে তারা স্বাধীন বিভাগ তৈরী করে।

এই নতুন বিভাগগুলো বর্ধিত পণ্যীকরণের (increased commoditization) সাথে লড়াই করছিল, তবে তখন থেকে তাদের লাভের মার্জিন কমতে শুরু করে।
৫. মার্কেটিং কোম্পানির যুগ (Marketing company era) –
১৯৬০ সাল থেকে ৯০-এর দশকের প্রথমে ব্র্যান্ড মালিকরা গ্রাহকদের চাহিদার উপর পণ্য ও পরিষেবা প্রদানের প্রয়োজনীয়তাটা বুঝে গিয়েছিল।

আর, গ্রাহদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য নিমার্ণই মার্কেটিং-এর মূল মন্ত্র হয়ে উঠেছিল।

এই মুহুর্তে ব্র্যান্ড মালিকদের জন্য উৎপাদন ও বিক্রয় দক্ষতা বৃদ্ধিও ছিল একান্ত জরুরি।

এখন আর মার্কেটিং কোনো আলাদা বিভাগ নয় বরং এটি এখন যেকোনো সফল কোম্পানির মূল মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।

এখানে সমস্ত কর্মচারী এখন “মার্কেটিং”-এর সাথে জড়িত আর এই নতুন বাজারে ‘গ্রাহকই হল ভগবান’।
৬. সম্পর্ক গঠনের মার্কেটিং যুগ (Relationship marketing era) –
৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে, ইন্টারনেট প্রযুক্তির বিশাল উন্নতি হয়।

তাই, ব্র্যান্ডের মালিকরা তাদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য তথ্যের মানের উপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্ভর করতে থাকে।

আর, সেই সূত্রেই তারা গ্রাহক এবং ক্লায়েন্টদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী, পারস্পরিক-লাভজনক সম্পর্ক তৈরীর কথা ভাবে।

কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট (CRM) এবং ডেটা মাইনিং, মার্কেটারদের কাছে অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে।

প্রতিটি গ্রাহকের আচরণ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য সমস্ত সিস্টেমকে সিঙ্কোনাইজ বা ঐক্যবদ্ধ করা বিভিন্ন ব্র্যান্ড মালিকদের (যেমন- মাইক্রোসফট, ভিসা ও ইত্যাদি) প্রধান কাজে পরিণত হয়।

৭. কোলাবরেশনের যুগ (Collaboration era) –
২০১৪ সাল থেকে এই কোলাবরেশন যুগের সূচনা হয়েছে।

এখন মার্কেটিং-এর মূল লক্ষ্য হল রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ও সামাজিক আদান-প্রদানের উপর ভিত্তি করে ক্রেতাদের পণ্য কিনতে আগ্রহী করে তোলা।

আর, এখানে ব্র্যান্ডের মালিকের পরিবর্তে ক্রেতারাই হল প্রধান নিয়ন্ত্রক।

ক্রেতা বা ক্লায়েন্টদের সাথে একটি অর্থপূর্ণ কথোপকথনের মাধ্যমে মার্কেটাররা তাদের অনুমতি এবং বিশ্বাস অর্জন করতে পারলে, তবেই তারা লাভজনক ব্যবসা তৈরি করতে পারবে।

আর, তথ্য বিনিময়, সহযোগিতা এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমেই তৈরি হবে পরবর্তী মার্কেটিং বিবর্তনের ধাপ।

মার্কেটিং এর জনক কে ? মার্কেটিং এর ইতিহাস কি ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়েই বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। আদিম...
18/10/2022

মার্কেটিং এর জনক কে ? মার্কেটিং এর ইতিহাস কি ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়েই বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি।

আদিম মানুষের আদান-প্রদান প্রথাকেই কিন্তু ব্যবসায়িক প্রবৃত্তির সূচনা বলে গণ্য করা হয়ে থাকে।

তবে, বিগত ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে এই ব্যবসা-বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বিকশিত হয়েছে।

বিবর্তনের বিভিন্ন ধাপে মানুষের জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে অগ্রগতির কারণে তাদের জীবনযাপন এবং কাজের পদ্ধতিতেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে।

এই বিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে মার্কেটিং জগতও কিন্তু অকল্পনীয়ভাবে বিকশিত হয়েছে।

সাধারণ পর্যায়ে, ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যে, মানব সভ্যতার শুরু থেকে ১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত একটা সরল বাণিজ্যের রূপ সমাজে টিকে ছিল।

সেই বাণিজ্য কেবলমাত্র স্থানীয় বিনিময়প্রথা অর্থনীতির উপরই নির্ভরশীল ছিল।

মূলত, ১৮৬০ ও ১৯২০ দশকের মধ্যেকার সময়ে পণ্য উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির উপর ব্যাপকভাবে নজর দেওয়া হয়েছিল।

এই যুগে, সাধারণভাবে পণ্য উৎপাদন করাই ছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান শর্ত।

পরবর্তীতে, ১৯২০ থেকে ১৯৪০-এর দশকে শুরু হয় বিক্রয় যুগের। আর, এই যুগ থেকেই আধুনিক মার্কেটিং-এর সূচনা হয় বলে তাত্ত্বিকরা দাবি করেন।

মার্কেটিং আসলে কি ?

সরল ভাষায় বলতে গেলে, মার্কেটিং হল সেই সমস্ত ক্রিয়াকলাপগুলোর সমষ্টি যেগুলোর সাহায্যে কোনো কোম্পানি তার পণ্য বা পরিষেবার প্রচার, বিক্রয় এবং বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে এই মার্কেটিং করার প্রধান লক্ষ্য থাকে কোনো অফার সম্পর্কে সম্ভাব্য বা বিদ্যমান ক্রেতাদের প্রভাবিত করে বিক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সেই কোম্পানির নিজস্ব একটি বিশ্বস্ত গ্রাহকদের দল (loyal customer base) বা বেস তৈরি করা।

মার্কেটিং কিভাবে এলো? (মার্কেটিং-এর ইতিহাস):

আসলে, এই মার্কেটিং-এর ইতিহাসে চোখ রাখলে দেখা যায়, যে মানুষের নিজের অজান্তেই মার্কেটিং করা শুরু করে।

যদিও, এই মার্কেটিং কিভাবে শুরু হয়েছিল, সেই নিয়ে নানা ধরণের বিতর্ক থাকলেও, বিভিন্ন ঐতিহাসিকরা মনে করেন, যে এই বিপণনের সূচনা হয় ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের প্রথম দিকে।

ইতিহাস অনুযায়ী, মেসোপটেমিয়ার সমাজগুলো প্রধানত গুণমান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের ব্যাপক উৎপাদন শুরু করেছিল।

এই পণ্য উৎপাদনকারীরা তাদের পণ্যগুলোকে একটি বিশেষ স্বাক্ষর চিহ্ন (লোগোর প্রথম রূপ) ব্যবহার করে ক্রেতাদের সংকেত দিতো।

আর, সেই বিশেষ চিহ্ন দেখেই তাদের ক্রেতারা তাদের সেই পণ্যগুলো ক্রয় করতেন।

একইভাবে প্রাচীন রোমান অস্ত্র নির্মাতারা তাদের তৈরী অস্ত্রের উপরেও তাদের বিশেষ চিহ্ন দিয়ে রাখতো তাদের ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে।

Address

Rangpur

Telephone

+8801727201028

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabbir Marketing Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sabbir Marketing Agency:

Share