Odi Pro

Odi Pro We provide all kinds of digital products. Customer satisfaction is our main goal.

চলেন, আপনাদেরকে আজকে একটা সুন্দর গল্প বলি। একটা অজোপাড়া গাঁয়ে একটা মেয়ে থাকতো। তার অনেক ইচ্ছে ছিল, অনলাইনে কিছু একটা করব...
01/04/2024

চলেন, আপনাদেরকে আজকে একটা সুন্দর গল্প বলি।

একটা অজোপাড়া গাঁয়ে একটা মেয়ে থাকতো। তার অনেক ইচ্ছে ছিল, অনলাইনে কিছু একটা করবে এবং নিজেকে সাবলম্বী করে তুলবে। তাই সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করতে থাকে। একটা সময় সে দেখে অনেকেই অনলাইনে নানা রকম পণ্য বিক্রি করছে। এইটা দেখে সে সিদ্ধান্ত নিলো,সেও অনলাইনে পণ্য বিক্রি করবে। যদিও এইটা তার জন্য অনেক বেশি কঠিন ছিল। কিন্ত সে হাল না ছেড়ে দিয়ে, চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। সে শিখতে থাকে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার নানা রকম প্রযুক্তি গত জ্ঞান, কৌশন সম্পর্কে। একটা সময় পর গিয়ে সে একজন সফল উদ্যোক্তা।

আপনিও চাইলে তার মতো একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন। সেজন্য আপনাকেও জানতে হবে অনলাইন ব্যবসা টা মূলত কী?

অনলাইন ব্যবসা বলতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সোসাল প্লার্টফর্ম সহ এর সাথে সম্পর্কিত যে কোন মাধ্যম ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের ব্যবসায়িক কার্যকলাপকে বোঝায়।

এটি এমন একটি বিস্তৃত মাধ্যম, যেখানে আপনি অনেক ধরণের পণ্য ও সেবা বিক্রি করতে পারবেন। যেমনঃ আপনি চাইলে আপনার যেকোন পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। অথবা আপনি আপনার যেকোন স্কিলড বিক্রি করতে পারবেন। আপনি চাইলে যে কাউকে সেবা প্রদান করতে পারবেন।

এখানে অনেক কিছু করার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। সারাবিশ্বের পাশাপাশি বর্তমানে বাংলাদেশে এই ব্যবসা অনেক টা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে খুব সহজেই বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে অল্প সময়ের ব্যবধানে অনেক কাস্টমারের কাছে পণ্য,সেবা,দক্ষতা সহ নানাবিধ বিষয় সম্পর্কে পৌছানো যাচ্ছে। যা অনলাইন ব্যবসার সবথেকে বড় সুবিধা।

অনলাইন ব্যবসার ধরণ?

বিভিন্ন ধরণের অনলাইন ব্যবসা রয়েছে। এই গুলো বিভিন্ন সিস্টেমের উপর নির্ভর করেই আলাদা আলাদা ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যেমনঃ
*ব্যবসায়িক মডেল অনুসারেঃ ই-কমার্স, এফিলিয়েট, ড্রপশিপিং,ডিজিটাল সার্ভিস ইত্যাদি।

*ইন্ডাস্ট্রি অনুসারেঃ শিক্ষা,স্বাস্থ্য,অর্থ,সেবা,ভ্রমন ইত্যাদি

*ক্রেতা অনুসারেঃ বি টু বি, বি টু সি, সি টু সি

* ভৌগোলিক অবস্থান অনুসারেঃ নিজ এলাকা, নিজ দেশ,বর্হিবিশ্ব ইত্যাদি

*প্রযুক্তি অনুসারেঃ ওয়েবসাইট, মোবাইল এপস,সোসাল মিডিয়া ইত্যাদি

এভাবে আরো অনেক ভাবে অনলাইন ব্যবসাকে বিভিন সেগমেন্টে ভাগ করা যেতে পারে।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি পরিচিত হচ্ছে এফ-কমার্স ও ই-কমার্স।
অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তাদের পণ্য গুলো খুব সহজেই এই ২ টি মাধ্যমে তাদের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে সাবলম্বী হচ্ছে।

আপনার জন্য এই সময় টি হতে পারে উপযুক্ত একটি সময়। আপনি চাইলে খুব সহজেই এবং স্বল্প খরচে একটি অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

একটি অনলাইন ব্যবসা শুরুর জন্য যে বিষয় গুলো প্রয়োজন সে সম্পর্কে আগামী পর্বে আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ।
ধন্যবাদ।

হইচই, গোটা বিশ্বের বাঙ্গালিদের জন্য অন ডিমান্ড ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি পাবেন, ৬০০ টিরও বেশি বাংলা ছবি, ...
23/03/2024

হইচই, গোটা বিশ্বের বাঙ্গালিদের জন্য অন ডিমান্ড ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি পাবেন, ৬০০ টিরও বেশি বাংলা ছবি, ১৩৫-এর বেশি অরিজিনাল ওয়েব সিরিজ, সেই সঙ্গে আছে শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্রের এক অফুরন্ত সম্ভার। এখনই ডাউনলোড করুন আর আমাদের পরিবারের সদস্য হন। বাসে, ট্রামে, ট্রেনে যখন সময় পাবেন আমাদের প্রিমিয়াম স্ট্রিমিংয়ের অভিজ্ঞতা নিন আর জমিয়ে উপভোগ করুন বাংলা বিনোদনের আশ্চর্য দুনিয়া

জুমসরাসরি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার/অ্যাপ হলো জুম। বিশ্বব্যাপী প্রায় সর্বত্র অন...
23/03/2024

জুম

সরাসরি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার/অ্যাপ হলো জুম। বিশ্বব্যাপী প্রায় সর্বত্র অনলাইন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য এটি খুবই জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত একটি মাধ্যম। ।

জুম কী: জুম এক ধরনের কমিউনিকেশন অ্যাপ/সফটওয়্যার যার মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্স, অডিও কনফারেন্স, লাইভ চ্যাট, স্ক্রীন শেয়ার ইত্যাদি কাজ করা যায়। জুম অ্যপের ফ্রি গ্রাহক হলে একসাথে সর্বোচ্চ ১০০ জনকে নিয়ে ভিডিও, অডিও কল, কনফারেন্স বা ক্লাস করা যাবে। আর প্যাকেজ কিনে জুম অ্যাপ ব্যবহার করলে ৩০০, ৫০০, ৭০০ বা তারও বেশী সংখ্যক মিলে ভার্চুয়াল কনফারেন্স করা যাবে।

যদি অ্যানড্রয়েড ফোনে জুম অ্যাপ ডাউনলোড করতে চাও তবে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে জুম অ্যাপ নামে সার্চ দিলেই অ্যাপটি পাওয়া যাবে। সেখান থেকে ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে অ্যাপটি। আর যদি ডেস্কটপ কম্পিউটার/ল্যাপটপে জুম ডাউনলোড করতে চাও তবে https://zoom.us/download এই লিংক থেকে ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে। ফ্রি ইউজাররা জুম অ্যাপ ব্যবহার করে একটানা ৪০ মিনিট পর্যন্ত মিটিং বা ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

জুম অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম:

ডাউনলোড করার পর জুম অ্যাপটি চালু করলে কয়েকটি বিষয় সামনে আসবে। তা হলো জয়েন এ মিটিং, হোস্ট এ মিটিং, সাইন ইন, সাইন আপ। মনে করো আজ দুপুরে তোমার ক্লাস আছে অনলাইনে। জুম ব্যবহার করে ক্লাস করতে হবে। ছাত্রীদের ক্লাশে যুক্ত করার জন্য শিক্ষক একটি লিংক দিবেন অথবা নির্দিষ্ট আইডি ও পাসওয়ার্ড দিবেন। ঐ লিংকে প্রবেশ করে বা জুম অ্যাপের জয়েন এ মিটিং অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ক্লাসে অংশগ্রহণ করা যাবে। এক্ষেত্রে ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য ক্লাশের আয়োজক শিক্ষকদের অনুমতি লাগবে। জুমের অ্যাকাউন্ট না থাকলেও তুমি ক্লাসে অংশ নিতে পারবে। তবে নিয়মিত জুম অ্যাপ ব্যবহার করে ক্লাস বা মিটিং করার প্রয়োজন হলে সাইন আপ করে জুম অ্যাকাউন্ট করে রাখা ভালো। জুমে নতুন অ্যা্কাউন্ট খোলার জন্য সাইন আপে ক্লিক করে তোমাকে বিভিন্ন ধরণের তথ্য দিতে হবে। যেমন তোমার নাম, জন্ম তারিখ, ইমেইল ঠিকানা ইত্যাদি। প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করার পর তোমার প্রদত্ত ইমেইল ঠিকানায় একটি কনফার্মেশন লিংক আসবে যেখানে লেখা থাকবে অ্যাক্টিভ ইউর অ্যাকাউন্ট। ঐ লিংকে প্রবেশ করে পাসওয়ার্ড সেট করে দিলেই অ্যাকাউন্ট খোলার কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে নিজের জুম অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে চাইলে সাইন ইন এ গিয়ে ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে জুম অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে।

নেটফ্লিক্স। জনপ্রিয় এই ভিডিও স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ সার্ভার বসানোর অনুমতি পেয়েছেন ইন্টারনেট সেবাদাতা ও মোবাইল অপা...
22/03/2024

নেটফ্লিক্স। জনপ্রিয় এই ভিডিও স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ সার্ভার বসানোর অনুমতি পেয়েছেন ইন্টারনেট সেবাদাতা ও মোবাইল অপারেটররা। আগামী তিনমাসের মধ্যে বসবে এই সার্ভার। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে নেটফ্লিক্সে কনটেন্ট দেখতে ভোগান্তি কমবে গ্রাহকের। সেই সঙ্গে সাশ্রয় হবে ব্যান্ডউইথ আর কমবে খরচও।
বিশ্বের জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট নেটফ্লিক্স বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য সেবা চালু করে ২০১৬ সালে। এই প্ল্যাটফর্মে যে কোনো স্থান থেকে টিভি শো, মুভিসহ বিভিন্ন কনটেন্ট উপভোগ করতে পারেন নিবন্ধিত গ্রাহকরা। এজন্য মাসে গুনতে হয় ৪ থেকে ১২ ডলারের মতো।

ক্লাউড সেবা কীক্লাউড হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েব সার্ভারে তথ্য ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ। অনলাইনে থাকা এসব ফাইল যখন-তখন ইচ্...
22/03/2024

ক্লাউড সেবা কী

ক্লাউড হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েব সার্ভারে তথ্য ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ। অনলাইনে থাকা এসব ফাইল যখন-তখন ইচ্ছেমতো খোলার সুবিধা থাকে। নিজের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে ফাইল জমা রাখলে সেটা হবে স্থানীয় সংরক্ষণ। ঠিক একই কাজে ড্রপবক্স বা গুগল ড্রাইভের মতো অনলাইনের কোনো সুবিধা ব্যবহার করলে তা হবে ক্লাউডভিত্তিক সংরক্ষণ।

যাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাঁরা কোনো না কোনোভাবে ক্লাউডও ব্যবহার করছেন। জেনে বা না জেনে। যাঁরা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের বেশির ভাগেরই একটা গুগল অ্যাকাউন্ট আছে, যেখানে তাঁদের ই-মেইল, ছবি, ভিডিও সবকিছু থাকে। বেশির ভাগ মানুষ বিনা মূল্যের ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহার করছেন। যাঁরা বড় বা বেশি আকারে তথ্য সংরক্ষণ করতে চান, তাঁরা পয়সা গুনে ক্লাউডসেবা ব্যবহার করেন। যে যেভাবেই করুন না কেন, সবই কিন্তু ক্লাউডসেবা। আপনি যে ফেসবুক ব্যবহার করে ছবি ও ভিডিও দিচ্ছেন, সেগুলোও কোনো না কোনো ক্লাউড সার্ভারে জমা হচ্ছে। কাজেই আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করছি, তারা কোনো না কোনোভাবে ক্লাউডসেবা ব্যবহার করছি। অর্থাৎ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা নিচ্ছি।
ক্লাউডসেবার সুবিধা

যেকোনো সময় সার্ভার বা হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ জন্য ব্যাকআপসহ অনেক কিছু করতে হয়। বেশির ভাগ ছোট প্রতিষ্ঠানই এ খরচ শুরুতে করতে পারে না। এ জন্য তারা মাঝেমধ্যে বিপদে পড়ে। এ ক্ষেত্রে তারা যদি ক্লাউডসেবা ব্যবহার করে, তাহলে তারা একটা নিরাপদ জায়গায় বিভিন্ন তথ্য রাখতে পারবে। ক্লাউডে তথ্যগুলো নিরাপদে থাকে, রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও কোনো চিন্তা করতে হয় না। ফলে ছোট ও মাঝারি অনলাইনভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য এ সেবা বেশ সহায়ক।

আমাদের দেশে কয়েক হাজার রপ্তানি পোশাক কারখানা রয়েছে। তারা কিন্তু প্রচুর ডেটাভিত্তিক কাজ করে এবং মাঝেমধ্যে নানা সমস্যার কারণে তাদের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কাছে যেতে হয়। পোশাক কারখানাগুলো যদি ভালো ক্লাউডসেবা ব্যবহার করে, তাহলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। একই সঙ্গে অনেক বেশি নিরাপদ থাকবে ডেটাগুলো। এখানে একটা কথা বলে রাখি, সব সেবায়ই তো একটু ঝুঁকি থাকে। তবে ক্লাউডসেবার ঝুঁকি কমই বলা যায়।

ধরুন একজন নতুন একটা ব্যবসা শুরু করতে চান। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা বা ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে চান। ব্যবসার তথ্য সংরক্ষণের জন্য তাঁর অবকাঠামো তৈরি করতে যে খরচ হবে, তা ক্লাউডের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু ক্লাউডে অল্প খরচে এই সেবা পাওয়া যায়। নতুন উদ্যোক্তারা ক্লাউডসেবা নিয়ে নতুন ব্যবসা শুরু করতে পারেন কোনো চিন্তা ছাড়াই।

তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে একাধিক সার্ভারের প্রয়োজন হয়। এসব সার্ভার বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা সেবা দিয়ে থাকে। প্রতিটির জন্য আলাদা সফটওয়্যার থাকে। এসব সফটওয়্যারকে বিভিন্ন সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়। অনেক সময় সার্ভারগুলোতে বিভিন্ন কারণে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সার্ভার নষ্টও হয়ে যেতে পারে। তখন সেগুলো থেকে কোনো কাজ পাওয়া সম্ভব নয়, যতক্ষণ না সেগুলো ত্রুটিমুক্ত হয়। এখন বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সব সফটওয়্যার ক্লাউডে রাখছে। এর ফলে কোনো কিছু নষ্ট হওয়ার আশাঙ্কা কমে যাচ্ছে। ফলে সার্ভার ক্র্যাশ করলেও ডেটা নষ্ট হয় না। কারণ, ক্লাউডের এসব ডেটা নানা জায়গায় রাখার সুযোগ রয়েছে।
ক্লাউডসেবায় নির্ভরশীলতা বাড়ছে

দিন দিন ক্লাউডের প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা বাড়ছে। ক্লাউডের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে। ধরা যাক, একটা অফিস বা বাসায় সিসি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা আছে। এই সিসি ক্যামেরা ক্লাউডে থাকলে আপনি কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে বসেও এর ছবি দেখতে পাবেন। একই সঙ্গে এর অসীম (আনলিমিটেড) ডেটা আপনি জমা রাখতে পারবেন। ফলে সিসি ক্যামেরার কার্যকারিতা বেড়ে গেল। একই সঙ্গে তথ্যের স্থায়িত্বও অনেক বাড়বে।

ক্লাউডে কোনো কিছু রাখলে তার রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক কম। তাই নিজের সার্ভারে রাখার চেয়ে ক্লাউডে রাখা খরচের দিক দিয়ে তুলনামূলক অনেক কম। কারিগরি দিক নিয়েও আপনি চিন্তামুক্ত থাকতে পারছেন ক্লাউডে কোনো তথ্য রাখলে। এ জন্য ক্লাউডের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। কারণ, খরচ অনেক কম।

ক্যানভা হচ্ছে অনলাইন বেসড গ্রাফিক্স ডিজাইন টুল যার মাধ্যমে খুব সহজেই গ্রাফিক্স এর কাজ করা যায়। কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড ছ...
22/03/2024

ক্যানভা হচ্ছে অনলাইন বেসড গ্রাফিক্স ডিজাইন টুল যার মাধ্যমে খুব সহজেই গ্রাফিক্স এর কাজ করা যায়। কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড ছাড়ায় সরাসরি ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। এটিতে অনেক রেডিমেট টেমপ্লেট রয়েছে যা ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়।

ক্যানভাতে থাকা রেডিমেট টেমপ্লেট বা ডিজাইন এর সাহায্যে নিয়ে খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার, লগো, পেসক্রিপশন, আইডি কার্ড, ফ্লায়ার, ব্রউচার ইত্যাদি বানিয়ে ফেলা যায়।এসকল তৈরীকৃত ডিজাইন পি.এন.জি বা জে.পি.জি সহ বিভিন্ন ধরনের ফরম্যাটে ডাউনলোড করা যায় এবং অনলাইনে সেভ রাখা যায়। রেডিমেট টেমপ্লেট বা ডিজাইনে পাবেন বিভিন্ন রং, টেক্সট, ব্যাকগ্রাউন্ড আর কিছু ডিাজাইন এ্যাড করে খুব সহজেই নিজের নতুন একটি ডিজাইন তৈরী করে ফেলা যাবে।

ক্যানভা গ্রাফিক্স টুল জনপ্রিয় হওয়ার কারনগুলো হচ্ছে:

* ডাউনলোড ছাড়ায় অনলাইনে করা হয়।

* সহজে ইমেইল একাউন্ট দিয়ে ‌এ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

* ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়।

* তৈরীকৃত ডিজাইন ক্যানভাতেই সেইভ রাখা যায় ফলে যখন খুশী তখন এডিট, ডাউনলোড এবং ডিলিট করা যায়।

* অসংখ্য রেডিমেট টেমপ্লেট বা ডিজাইন আছে যা সহজেই এডিট করে নিজস্ব ডিজাইন বানানো যায়।
বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে সব ধরনের গ্রাফিক্স টুল সম্পর্কে জানা জরুরী। প্রাথমিক আবস্থায় ক্যানভা দিয়ে যাত্রা শুরু করা যেতে পারে। এছাড়া বর্তমান যুগে কম-বেশী সবারই ফেসবুক পেজ , ইউটিউব চ্যানেল বা প্রোডাক্ট রয়েছে যেখানে টুকিটাকি গ্রাফিক্স এর কাজ লাগে যেমন ব্যানার, লগো, প্রোডাক্ট এর ছবি ইডিট ইত্যাদি এর জন্য টাকা খরচ না করে নিজেই কাজ গুলো করে ফেলা যায় ক্যানভা দ্বারা। বিশ্বজুড়ে ক্যানভা ব্যবহারকারী সংখ্যা ১০ কোটিরও বেশী।

ইন্টারনেটের বড় একটি সুবিধা হচ্ছে নিজের জায়গা থেকে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। এই ধারণাকে কাজ...
22/03/2024

ইন্টারনেটের বড় একটি সুবিধা হচ্ছে নিজের জায়গা থেকে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। এই ধারণাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে উঠেছে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে বিশ্বের নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষামূলক কোর্স সম্পন্ন করা এখন হাতের মুঠোয়। এ জন্য গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম। তার মধ্যে কোর্সেরা সবচেয়ে জনপ্রিয়। এই অনলাইন এডুকেশন প্ল্যাটফর্মটি দিচ্ছে বিশ্বের ২৭৫টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে কোর্স করার সুযোগ।

বিশ্বের কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোর্সেরার মাধ্যমে এসব কোর্স করে বাড়িয়ে নিচ্ছেন দক্ষতা। ভাবুন একবার-তৃতীয় বিশ্বের যে তরুণ স্বপ্নেও কখনো ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে পড়ার কথা ভাবেননি, তিনিই এখন সেখানকার শিক্ষকদের কাছ থেকে সরাসরি শিখতে পারছেন। এটি যেমন তাঁকে তৃপ্ত করে, তেমনি করে তোলে সাহসী আর আত্মবিশ্বাসী। সেই সাথে উন্নত বিশ্বের কারিকুলামে শিক্ষা গ্রহণ তার ক্যারিয়ারকে করতে পারে সমৃদ্ধ।

কোর্সেরা কী

কোর্সেরা ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটির পরিচয় দিতে গিয়ে লেখা হয়েছে: ‘কোর্সেরা একটি বৈশ্বিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে যে কেউ, যেকোনো স্থান থেকে শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কোম্পানিগুলোর অনলাইন কোর্স ও ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন।’

কোর্সেরার জন্ম ২০১২ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দুজন প্রফেসর মিলে এই প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছেন। শুরুতে তাঁরা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সগুলো অনলাইনে করার সুযোগ দেন। দ্রুত এটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। সম্ভাবনার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে চাকরি ছেড়ে দুজনে কোর্সেরাকে আরও বড় করে গড়ে তোলেন। ধীরে ধীরে কোর্সের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং এর সাথে যুক্ত করা হয় আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানকে। ক্রমেই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইন লার্নিং সেক্টরের মহিরুহ হয়ে ওঠে।

ইয়েল, প্রিন্সটন, পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি কিংবা গুগল, আইবিএমের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রফেশনাল কোর্স এখন কোর্সেরাতেই পাওয়া যায়।

কী পাওয়া যায় কোর্সেরাতে

দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের সংক্ষিপ্ত ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্স রয়েছে এখানে। এ ছাড়া রয়েছে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স ডিগ্রি, যা উচ্চশিক্ষার বাধাকে দূর করেছে। আছে অনেকগুলো প্রফেশনাল সার্টিফিকেট প্রোগ্রামও।

আইটি, প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট, সাইবার সিকিউরিটি, মিডিয়া স্টাডিজ, গণস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির টার্গেট নিয়েই এসব কোর্স তৈরি করা হয়। ৪-৬ সপ্তাহের সংক্ষিপ্ত কোর্স যেমন আছে, তেমনি আছে দীর্ঘমেয়াদি কোর্স। এসব কোর্সে সপ্তাহে ৩-৪ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়। কোর্সভেদে সময় কমবেশি হতে পারে।

লাইভ লেকচার কোর্স আছে আবার আছে ভিডিও টিউটোরিয়াল, যা নিজের সুবিধামতো সময়ে দেখা যায়। কোর্সগুলোতে ভিডিও লার্নিংয়ের পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, দক্ষতা যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

কোর্স শেষে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট। বিশ্বের নামীদামি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার লোভ কার না আছে!

কীভাবে কোর্সেরা ব্যবহার করবেন

কোর্সেরার ওয়েবসাইটে ফ্রি অ্যাকউন্ট খুলে লগইন করতে হয়। এ ছাড়া ফেসবুক, গুগল বা অ্যাপল অ্যাকউন্ট দিয়েও লগইন করা যায়। একবার রেজিস্ট্রেশন করলে বিভিন্ন ধরনের কোর্স করার সুযোগ পাওয়া যায়।

কোর্সগুলোর বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে। কিছু কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রি। কিছু কোর্স ফ্রি ও অর্থের বিনিময়ে দুইভাবেই রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মূল্য পরিশোধ করে কোর্স করলে অ্যাসাইনমেন্ট ও হাতে-কলমে শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। কোর্স শেষে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট। আর ‘এনরোল ফর ফ্রি’ বা ‘অডিট মোড’ পদ্ধতিতে করলে শুধু ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ও আর্টিকেল পড়ে শেখার সুযোগ রয়েছে। ‘অডিট’ কোর্সে সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না।

তবে বেশির ভাগ পেইড কোর্সগুলোতে আবার বৃত্তি বা ‘ফিন্যান্সিয়াল এইড’ সুবিধা রয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল এইডের আবেদন করলে বিনা খরচেই কোর্স করা যায় এবং সার্টিফিকেটও পাওয়া যায়।

কোর্সেরার প্রতিটি সার্টিফিকেটের রয়েছে ‘সিকিউর ইউআরএল’, যা অনলাইনে শেয়ার ও লিংকডইন প্রোফাইলে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রিন্ট করা যায়। নামী প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত এসব সার্টিফিকেট পেশাদার জগতে ব্যক্তির বায়োডাটাকে সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রাখে।

21/03/2024

Welcome!

Address

Gaibandha
Rangpur
5700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Odi Pro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share