মাহিগঞ্জ আইটি

মাহিগঞ্জ আইটি মাহিগঞ্জ আইটি | সহজ সরল সমাধান

করোনা পরিস্থিতির কারনে সম্পূর্ন অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে। কোর্স সম্পর্কে ...
29/06/2021

করোনা পরিস্থিতির কারনে সম্পূর্ন অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে। কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মাহিগঞ্জ আইটি পেজে যোগাযোগ করুন।
পেজঃ m.me/MahigonjIT
ফোনঃ ০১৭১৪৫৫৪৩৩৩
Website: mahigonjit.com

করোনা পরিস্থিতির কারনে সম্পূর্ন অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে। কোর্স সম্পর্কে ...
11/06/2021

করোনা পরিস্থিতির কারনে সম্পূর্ন অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে। কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মাহিগঞ্জ আইটি পেজে যোগাযোগ করুন।

পেজঃ m.me/MahigonjIT
ফোনঃ ০১৭১৪৫৫৪৩৩৩

করোনা পরিস্থিতির কারনে সম্পূর্ন অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে। কোর্স সম্পর্কে ...
11/06/2021

করোনা পরিস্থিতির কারনে সম্পূর্ন অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে। কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মাহিগঞ্জ আইটি পেজে যোগাযোগ করুন।
পেজঃ m.me/MahigonjIT
ফোনঃ ০১৭১৪৫৫৪৩৩৩

02/04/2021

বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি #রংপুর নগরীরকে রেড জোনে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন...

সবাই সাবধানে থাকবেন

।।আল্লাহ সহায় হউন।।

18/11/2020

#পিসির_গতি_বাড়ানোর_উপায়
টেম্পরারি ফাইল ডিলিট করুন

বিভিন্ন প্রোগ্রাম চলাকালীন অনবরত Temporary ফাইল তৈরি হয় যা ওই প্রোগ্রামের জন্য জরুরি। প্রোগ্রামটি বন্ধ করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসব টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট হওয়ার কথা থাকলেও এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল হার্ডডিস্কের একটি অংশ দখল করে রাখে। এসব টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করলে হার্ডডিস্কের ফ্রি স্পেস বৃদ্ধি পায়, ফলে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পাবে। টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলিট করার জন্য Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করুন কিংবা কি-বোর্ড থেকে Winkey+R প্রেস করুন। Run ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে, এতে ‘temp’ লিখে Enter প্রেস করুন। Temp নামের একটি উইন্ডো ওপেন হবে, এতে প্রদর্শিত সব ফাইল ডিলিট করে দিন।

টেম্পোরারি ফাইল খোঁজার আরেকটি উপায় হলো Search>All files and folder-এ ক্লিক করে টেক্সট বক্সে *.temp লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। এবার সার্চে প্রাপ্ত সব ফাইল ডিলিট করুন।

স্টার্টআপ পরিচ্ছন্ন রাখুন

কোনো কম্পিউটারের স্টার্টআপ যত দ্রুত হবে সেই কম্পিউটারের পারফরমেন্স তত বেশি ভালো হবে। Start up-এ কোন কোন প্রোগ্রাম লোড হয়েছে তা দেখার জন্য Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করুন অথবা শর্টকাট কি Win-key+R প্রেস করুন। জঁহ নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এর টেক্সট বক্সে টাইপ করুন ‘configure’। এবার Ok বাটনে ক্লিক করুন। System Configuration Utility নামের একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এবার উইন্ডোটির Startup ট্যাবে ক্লিক করুন। কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার সময় যত প্রোগ্রাম লোড হয় তার একটি লিস্ট দেখা যাবে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নামের বাম পাশে টিকচিহ্ন দেয়ার ব্যবস্থা আছে। এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলোর নামের ওপর থেকে (P) চিহ্ন তুলে দিন। তারপর কম্পিউটারটি একবার রিস্টার্ট দিন।

ক্যাশ পরিষ্কার রাখুন

যখন কোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা হয় তখন তা মেমোরির একটি অংশ দখল করে রাখে। পরে অন্য সাইট খুললেও ক্যাশ মেমোরি আগের ওয়েবসাইটটি মনে রাখে এবং কম্পিউটারের গতি হ্রাস করে। তাই ব্রাউজিং হিস্ট্রি ডিলিট করে ক্যাশ মেমোরি পরিচ্ছন্ন রাখুন।

ব্রাউজিং হিস্ট্রি ডিলিট করার জন্য Mozilla Firefox-এর ক্ষেত্রে মেনু থেকে কমান্ড দিন History>Show All History Library নামে একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এতে প্রদর্শিত ফাইলগুলো ডিলিট করে ক্যাশ মেমোরি ফ্রি রাখুন। Internet Explorer-এর ক্ষেত্রে মেনু থেকে Tools>Delete Browsing History-তে ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে, এর Delete All বাটনে ক্লিক করুন। একটি Warning মেসেজ আসবে, এর Yes বাটনে ক্লিক করুন। ফলে Temporary Internet File, Cookies, History, Form Data, Password ইত্যাদি একসঙ্গে ডিলিট হয়ে যাবে। তাছাড়া এগুলো আলাদা আলাদা করে ডিলিট করার ব্যবস্থাও আছে।

অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইন্সটল করুন

যেসব প্রোগ্রাম আপনি কখনোই ব্যবহার করেন না কিংবা আগে ব্যবহার করতেন কিন্তু এখন প্রয়োজন হয় না, এ ধরনের প্রোগ্রাম সিস্টেম থেকে রিমুভ বা Uninstall করে ফেলুন। ফলে সিস্টেমের Free Space বেড়ে যাবে এবং গতি বৃদ্ধি পাবে। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইন্সটল করার জন্য Start>Control Panel>Add Or Remove Programs-এ ক্লিক করুন। একটি উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামটির নামের ওপর জবসড়াব বাটনে ক্লিক করে প্রোগ্রামটি সিস্টেম থেকে রিমুভ করে দিন।

অপ্রয়োজনীয় ফন্ট আনইন্সটল করুন

অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলো মেমোরির একটি বড় জায়গা দখল করে রাখে। তাই এগুলো আনইন্সটল করা প্রয়োজন, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে উইন্ডোজের ডিফল্ট ফন্ট যেন ডিলিট হয়ে না যায়। অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলো Uninstall করতে Start>Control Panel>Fonts-এ ক্লিক করুন। এবার এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলোর নামের উপর মাউসের রাইট বাটন প্রেস করে Delete বাটনে ক্লিক করুন।

কম্পিউটারে বেশি র্যাম যোগ করুন

উচ্চ গতিসম্পন্ন উইন্ডোজের স্বাদ পেতে র্যামের কোনো বিকল্প নেই। ইদানীং কম্পিউটারগুলোতে বেশ উচ্চমানের র্যাম ব্যবহার করা হয়। তবে আপনি যদি পুরোনো কম্পিউটার ইউজার হয়ে থাকেন এবং আপনার র্যামটি যদি ৬৪ বা ১২৮ মেগাবাইটের হয়ে থাকে তবে আরেকটি ২৫৬ বা ৫১২ মেগাবাইটের RAM লাগিয়ে নিয়ে পিসির স্পিড কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারেন। র্যাম যোগ করার ফলে মাল্টিটাস্কিং এনভায়রনমেন্ট অর্থাত্ একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোগ্রাম অনায়াসে রান করতে পারবেন এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের গতি বৃদ্ধি পাবে। সর্বোপরি পুরো সিস্টেমের গতি আগের চেয়ে অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

নিয়মিত Disk Cleanup করুন

আমাদের অজান্তে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল কম্পিউটারের মেমোরি দখল করে রাখে। এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে বের করার উপযুক্ত উপায় হলো ডিস্ক ক্লিনআপ। ডিস্ক ক্লিনআপ করার জন্য Start>Accessories> System tools>Disk Cleanup-এ ক্লিক করুন। Select উত্রাব উইন্ডো আসবে। এতে ড্রাইভ সিলেক্ট করে Ok বাটন প্রেস করুন। Disk Cleanup উইন্ডো আসবে। View File অপশনে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডিলিট করে দিন। এছাড়া Disk Cleanup উইন্ডোতে More Option ট্যাবে ক্লিক করে ক্যাটাগরি অনুসারে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো রিমুভ করতে পারেন।

নিয়মিত ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করুন

ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার কম্পিউটারের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডাটাগুলোকে এক জায়গায় এনে পিসির পারফরমেন্স বা অ্যাকসেস গতি বাড়িয়ে দেয়। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করলে সিস্টেমের গতি অনেক বেড়ে যায়। এ জন্য >Accessories>System Tools>Disk Defragmenter-এ ক্লিক করুন। ডিস্ক ডিফ্র্যাগ উইন্ডো ওপেন হবে। এতে ড্রাইভ সিলেক্ট করে Close বাটনে ক্লিক করুন। একটি মেসেজ আসবে, রিপোর্ট দেখা যাবে আর রিপোর্ট দেখতে না চাইলে Close বাটনে ক্লিক করে দ্বিতীয় ড্রাইভটি সিলেক্ট করে আগের নিয়ম অনুসারে সবগুলো ড্রাইভ ডিফ্র্যাগ করে নিন।

ডিস্ক স্পেস ফ্রি রাখুন

আপনার হার্ডডিস্ক যতই বড় হোক না কেন একটি ড্রাইভের কমপক্ষে ৩০% স্পেস খালি রাখুন। ৩০%-এর কম জায়গা থাকলে সিস্টেমের গতি হ্রাস পায়।

স্টার্টমেনু স্পিডআপ করুন

উইন্ডোজ এক্সপিতে ডিফল্টভাবে স্টার্টমেনুর স্পিড স্লো কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলে এর গতি বাড়িয়ে দিতে পারেন। এজন্য Start>Run-এ ক্লিক করুন। রান ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। এই বক্সের টেক্সট বক্সে টাইপ করুন \’regedit\’ এবার ok 7 বাটন প্রেস করুন। Registry Editor উইন্ডো ওপেন হবে। এই উইন্ডোর বাম পাশের ক্যাটাগরি থেকে HKEY_CURRENT_USER>Control Panel>Dekstop>Menushowdelay-তে ডাবল ক্লিক করুন। Edit String উইন্ডো ওপেন হবে। এতে Value Data টেক্সট বক্সের gvb ‘1’ লিখে এন্টার চাপুন। লক্ষ্য করুন স্টার্টমেনুর স্পিড অনেক বেড়ে গেছে।

মাউস স্পিড বৃদ্ধি করুন

মাউস ধীরগতিতে কাজ করছে? ভাবছেন মাউসটি ভালো মানের নয়, কিন্তু জানেন কি আপনি চাইলে সহজে মাউসস্পিড বাড়িয়ে দিতে পারেন। এজন্য Start>Run>Regedit লিখে ok বাটনে ক্লিক করুন। একটি উইন্ডো ওপেন হবে। HKEY_CURRENT_USER>Control Panel>Mouse>Mousespeed-এ ডাবল ক্লিক করে মান বাড়িয়ে দিন।

পিসি ভাইরাসমুক্ত রাখুন

কম্পিউটার ধীরগতির হওয়ার একটা সাধারণ কারণ হলো কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়া। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যাবে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিস্টেম ফাইল ও প্রোগ্রাম হারিয়ে যেতে পারে। এজন্য সব সময় একটি আপডেট এন্টিভাইরাস দিয়ে কম্পিউটারের সব ড্রাইভ স্ক্যান করুন। কম্পিউটার অতিরিক্ত ভাইরাস আক্রান্ত হলে C ড্রাইভটি ফরম্যাট করুন। আর সাধারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে System Restore করে দেখতে পারেন। সিস্টেম রিস্টোর করার জন্য মেনু থেকে Start>All Programs> Accessories>System Tools>System Restore-এ গিয়ে কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত ছিল এমন একটি তারিখ সিলেক্ট করে দিন। তাহলে কম্পিউটারটি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

পিসির পারফরমেন্স বৃদ্ধির আরও কয়েকটি টিপস

স্টার্টমেনু থেকে রান ডায়ালগ বক্স ওপেন করে টেক্সট বক্সে লিখুন \’ \’Tree\’। একটি কালো পর্দা ওপেন হয়ে নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যাবে।

রান ডায়ালগ বক্সের টেক্সট বক্সে লিখুন \’Pref etch\’ তারপর কীবোর্ড থেকে এন্টার কী প্রেস করুন। প্রিফেস উইন্ডো ওপেন হলে সব ফাইল Shift+Delete করে দিন।

এছাড়া রান টেক্সট বক্সে \’temp লিখে এন্টার প্রেস করুন। একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে। এখান থেকে সব ফাইল ও ফোল্ডার শিফট সহকারে ডিলিট করুন।

রান ডায়ালগ বক্স খুলে টাইপ করুন \’recent\’. এবার কীবোর্ড থেকে এন্টার কী প্রেস করুন। ৪৩৪৩৪৩৪৪৩ নামক একটি উইন্ডো খুলবে। এবার সব ফাইল ডিলিট করুন। কারণ রিসেন্ট ডকুমেন্ট মেমোরির অনেক জায়গা দখল করে রাখে, ফলে সিস্টেম ধীরগতির হতে পারে। উপরোক্ত কমান্ডগুলো নিয়মিত প্রয়োগের ফলে কম্পিউটারের পারফরমেন্স কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

18/11/2020

#পিসির_গতি_বাড়ানোর_উপায়

টেম্পরারি ফাইল ডিলিট করুন

বিভিন্ন প্রোগ্রাম চলাকালীন অনবরত Temporary ফাইল তৈরি হয় যা ওই প্রোগ্রামের জন্য জরুরি। প্রোগ্রামটি বন্ধ করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসব টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট হওয়ার কথা থাকলেও এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল হার্ডডিস্কের একটি অংশ দখল করে রাখে। এসব টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করলে হার্ডডিস্কের ফ্রি স্পেস বৃদ্ধি পায়, ফলে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পাবে। টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলিট করার জন্য Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করুন কিংবা কি-বোর্ড থেকে Winkey+R প্রেস করুন। Run ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে, এতে ‘temp’ লিখে Enter প্রেস করুন। Temp নামের একটি উইন্ডো ওপেন হবে, এতে প্রদর্শিত সব ফাইল ডিলিট করে দিন।

টেম্পোরারি ফাইল খোঁজার আরেকটি উপায় হলো Search>All files and folder-এ ক্লিক করে টেক্সট বক্সে *.temp লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। এবার সার্চে প্রাপ্ত সব ফাইল ডিলিট করুন।

স্টার্টআপ পরিচ্ছন্ন রাখুন

কোনো কম্পিউটারের স্টার্টআপ যত দ্রুত হবে সেই কম্পিউটারের পারফরমেন্স তত বেশি ভালো হবে। Start up-এ কোন কোন প্রোগ্রাম লোড হয়েছে তা দেখার জন্য Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করুন অথবা শর্টকাট কি Win-key+R প্রেস করুন। জঁহ নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এর টেক্সট বক্সে টাইপ করুন ‘configure’। এবার Ok বাটনে ক্লিক করুন। System Configuration Utility নামের একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এবার উইন্ডোটির Startup ট্যাবে ক্লিক করুন। কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার সময় যত প্রোগ্রাম লোড হয় তার একটি লিস্ট দেখা যাবে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নামের বাম পাশে টিকচিহ্ন দেয়ার ব্যবস্থা আছে। এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলোর নামের ওপর থেকে (P) চিহ্ন তুলে দিন। তারপর কম্পিউটারটি একবার রিস্টার্ট দিন।

ক্যাশ পরিষ্কার রাখুন

যখন কোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা হয় তখন তা মেমোরির একটি অংশ দখল করে রাখে। পরে অন্য সাইট খুললেও ক্যাশ মেমোরি আগের ওয়েবসাইটটি মনে রাখে এবং কম্পিউটারের গতি হ্রাস করে। তাই ব্রাউজিং হিস্ট্রি ডিলিট করে ক্যাশ মেমোরি পরিচ্ছন্ন রাখুন।

ব্রাউজিং হিস্ট্রি ডিলিট করার জন্য Mozilla Firefox-এর ক্ষেত্রে মেনু থেকে কমান্ড দিন History>Show All History Library নামে একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এতে প্রদর্শিত ফাইলগুলো ডিলিট করে ক্যাশ মেমোরি ফ্রি রাখুন। Internet Explorer-এর ক্ষেত্রে মেনু থেকে Tools>Delete Browsing History-তে ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে, এর Delete All বাটনে ক্লিক করুন। একটি Warning মেসেজ আসবে, এর Yes বাটনে ক্লিক করুন। ফলে Temporary Internet File, Cookies, History, Form Data, Password ইত্যাদি একসঙ্গে ডিলিট হয়ে যাবে। তাছাড়া এগুলো আলাদা আলাদা করে ডিলিট করার ব্যবস্থাও আছে।

অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইন্সটল করুন

যেসব প্রোগ্রাম আপনি কখনোই ব্যবহার করেন না কিংবা আগে ব্যবহার করতেন কিন্তু এখন প্রয়োজন হয় না, এ ধরনের প্রোগ্রাম সিস্টেম থেকে রিমুভ বা Uninstall করে ফেলুন। ফলে সিস্টেমের Free Space বেড়ে যাবে এবং গতি বৃদ্ধি পাবে। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইন্সটল করার জন্য Start>Control Panel>Add Or Remove Programs-এ ক্লিক করুন। একটি উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামটির নামের ওপর জবসড়াব বাটনে ক্লিক করে প্রোগ্রামটি সিস্টেম থেকে রিমুভ করে দিন।

অপ্রয়োজনীয় ফন্ট আনইন্সটল করুন

অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলো মেমোরির একটি বড় জায়গা দখল করে রাখে। তাই এগুলো আনইন্সটল করা প্রয়োজন, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে উইন্ডোজের ডিফল্ট ফন্ট যেন ডিলিট হয়ে না যায়। অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলো Uninstall করতে Start>Control Panel>Fonts-এ ক্লিক করুন। এবার এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলোর নামের উপর মাউসের রাইট বাটন প্রেস করে Delete বাটনে ক্লিক করুন।

কম্পিউটারে বেশি র্যাম যোগ করুন

উচ্চ গতিসম্পন্ন উইন্ডোজের স্বাদ পেতে র্যামের কোনো বিকল্প নেই। ইদানীং কম্পিউটারগুলোতে বেশ উচ্চমানের র্যাম ব্যবহার করা হয়। তবে আপনি যদি পুরোনো কম্পিউটার ইউজার হয়ে থাকেন এবং আপনার র্যামটি যদি ৬৪ বা ১২৮ মেগাবাইটের হয়ে থাকে তবে আরেকটি ২৫৬ বা ৫১২ মেগাবাইটের RAM লাগিয়ে নিয়ে পিসির স্পিড কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারেন। র্যাম যোগ করার ফলে মাল্টিটাস্কিং এনভায়রনমেন্ট অর্থাত্ একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোগ্রাম অনায়াসে রান করতে পারবেন এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের গতি বৃদ্ধি পাবে। সর্বোপরি পুরো সিস্টেমের গতি আগের চেয়ে অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

নিয়মিত Disk Cleanup করুন

আমাদের অজান্তে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল কম্পিউটারের মেমোরি দখল করে রাখে। এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে বের করার উপযুক্ত উপায় হলো ডিস্ক ক্লিনআপ। ডিস্ক ক্লিনআপ করার জন্য Start>Accessories> System tools>Disk Cleanup-এ ক্লিক করুন। Select উত্রাব উইন্ডো আসবে। এতে ড্রাইভ সিলেক্ট করে Ok বাটন প্রেস করুন। Disk Cleanup উইন্ডো আসবে। View File অপশনে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডিলিট করে দিন। এছাড়া Disk Cleanup উইন্ডোতে More Option ট্যাবে ক্লিক করে ক্যাটাগরি অনুসারে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো রিমুভ করতে পারেন।

নিয়মিত ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করুন

ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার কম্পিউটারের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডাটাগুলোকে এক জায়গায় এনে পিসির পারফরমেন্স বা অ্যাকসেস গতি বাড়িয়ে দেয়। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করলে সিস্টেমের গতি অনেক বেড়ে যায়। এ জন্য >Accessories>System Tools>Disk Defragmenter-এ ক্লিক করুন। ডিস্ক ডিফ্র্যাগ উইন্ডো ওপেন হবে। এতে ড্রাইভ সিলেক্ট করে Close বাটনে ক্লিক করুন। একটি মেসেজ আসবে, রিপোর্ট দেখা যাবে আর রিপোর্ট দেখতে না চাইলে Close বাটনে ক্লিক করে দ্বিতীয় ড্রাইভটি সিলেক্ট করে আগের নিয়ম অনুসারে সবগুলো ড্রাইভ ডিফ্র্যাগ করে নিন।

ডিস্ক স্পেস ফ্রি রাখুন

আপনার হার্ডডিস্ক যতই বড় হোক না কেন একটি ড্রাইভের কমপক্ষে ৩০% স্পেস খালি রাখুন। ৩০%-এর কম জায়গা থাকলে সিস্টেমের গতি হ্রাস পায়।

স্টার্টমেনু স্পিডআপ করুন

উইন্ডোজ এক্সপিতে ডিফল্টভাবে স্টার্টমেনুর স্পিড স্লো কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলে এর গতি বাড়িয়ে দিতে পারেন। এজন্য Start>Run-এ ক্লিক করুন। রান ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। এই বক্সের টেক্সট বক্সে টাইপ করুন \’regedit\’ এবার ok 7 বাটন প্রেস করুন। Registry Editor উইন্ডো ওপেন হবে। এই উইন্ডোর বাম পাশের ক্যাটাগরি থেকে HKEY_CURRENT_USER>Control Panel>Dekstop>Menushowdelay-তে ডাবল ক্লিক করুন। Edit String উইন্ডো ওপেন হবে। এতে Value Data টেক্সট বক্সের gvb ‘1’ লিখে এন্টার চাপুন। লক্ষ্য করুন স্টার্টমেনুর স্পিড অনেক বেড়ে গেছে।

মাউস স্পিড বৃদ্ধি করুন

মাউস ধীরগতিতে কাজ করছে? ভাবছেন মাউসটি ভালো মানের নয়, কিন্তু জানেন কি আপনি চাইলে সহজে মাউসস্পিড বাড়িয়ে দিতে পারেন। এজন্য Start>Run>Regedit লিখে ok বাটনে ক্লিক করুন। একটি উইন্ডো ওপেন হবে। HKEY_CURRENT_USER>Control Panel>Mouse>Mousespeed-এ ডাবল ক্লিক করে মান বাড়িয়ে দিন।

পিসি ভাইরাসমুক্ত রাখুন

কম্পিউটার ধীরগতির হওয়ার একটা সাধারণ কারণ হলো কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়া। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যাবে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিস্টেম ফাইল ও প্রোগ্রাম হারিয়ে যেতে পারে। এজন্য সব সময় একটি আপডেট এন্টিভাইরাস দিয়ে কম্পিউটারের সব ড্রাইভ স্ক্যান করুন। কম্পিউটার অতিরিক্ত ভাইরাস আক্রান্ত হলে C ড্রাইভটি ফরম্যাট করুন। আর সাধারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে System Restore করে দেখতে পারেন। সিস্টেম রিস্টোর করার জন্য মেনু থেকে Start>All Programs> Accessories>System Tools>System Restore-এ গিয়ে কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত ছিল এমন একটি তারিখ সিলেক্ট করে দিন। তাহলে কম্পিউটারটি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

পিসির পারফরমেন্স বৃদ্ধির আরও কয়েকটি টিপস

স্টার্টমেনু থেকে রান ডায়ালগ বক্স ওপেন করে টেক্সট বক্সে লিখুন \’ \’Tree\’। একটি কালো পর্দা ওপেন হয়ে নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যাবে।

রান ডায়ালগ বক্সের টেক্সট বক্সে লিখুন \’Pref etch\’ তারপর কীবোর্ড থেকে এন্টার কী প্রেস করুন। প্রিফেস উইন্ডো ওপেন হলে সব ফাইল Shift+Delete করে দিন।

এছাড়া রান টেক্সট বক্সে \’temp লিখে এন্টার প্রেস করুন। একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে। এখান থেকে সব ফাইল ও ফোল্ডার শিফট সহকারে ডিলিট করুন।

রান ডায়ালগ বক্স খুলে টাইপ করুন \’recent\’. এবার কীবোর্ড থেকে এন্টার কী প্রেস করুন। ৪৩৪৩৪৩৪৪৩ নামক একটি উইন্ডো খুলবে। এবার সব ফাইল ডিলিট করুন। কারণ রিসেন্ট ডকুমেন্ট মেমোরির অনেক জায়গা দখল করে রাখে, ফলে সিস্টেম ধীরগতির হতে পারে। উপরোক্ত কমান্ডগুলো নিয়মিত প্রয়োগের ফলে কম্পিউটারের পারফরমেন্স কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

উইন্ডোজ ইউজারদের দেখা যায় কম্পিউটার চালু হওয়া মাত্রই ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে ১০-২০ বার শুধু রিফ্রেশই করতে থাকে। ত...
17/11/2020

উইন্ডোজ ইউজারদের দেখা যায় কম্পিউটার চালু হওয়া মাত্রই ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে ১০-২০ বার শুধু রিফ্রেশই করতে থাকে। তাদের ধারণা, এতে পিসির স্পীড বৃদ্ধি পায়!

কিন্তু জনাব! দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, এটি আগাগোড়া একটা ভ্রান্ত ধারণা! এই রিফ্রেশের কোনও ক্ষমতাই নেই আপনার পিসির স্পীড বাড়ানোর। ১ হাজার বার রিফ্রেশ করলেও বিন্দু মাত্র বাড়বে না স্পীড। বরং কমে যেতে পারে!

তাহলে এর কাজ কী?

এর কাজ হল আইকনগুলির প্রদর্শন ঠিকঠাক করা। অর্থাৎ আপনি যদি উদাহরণস্বরূপ ডেস্কটপে কোনও পরিবর্তন করে থাকেন এবং রেজাল্ট দেখতে না পান তবেই রিফ্রেশ করতে হবে এবং পরিবর্তনটা দেখা যাবে। বেশি রিফ্রেশ করলে বরং কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে।
কিভাবে?

প্রত্যেকবার রিফ্রেস করার সময় আপনার উইন্ডোতে থাকা সকল আইকন এবং ফাইলগুলো রিলোড হয়। এতে কম্পিউটিং পাওয়ার ক্ষয় হয়। মনে করুন, আপনার পিসির একটি ফোল্ডারে ৫০০টি ভিডিও ফাইল রয়েছে, এখন আপনি যখন ফোল্ডারটি ওপেন করবেন, তখন ভিডিও ফাইলগুলোর থ্যাম্বনেইল লোড শেষ হয়ে ফোল্ডারটি রেডি হতে একটু সময় লাগবে। এখন আপনি যদি সেখানে রিফ্রেশ করে দেন, তো ফাইলগুলোর থ্যাম্বনেইল পুনরায় রিলোড হবে, ফলে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার স্লো হয়ে পড়বে। কিবোর্ডে F5 বাটনও সেম কাজ করে।
অনেকে আবার কম্যান্ড এ TREE লিখে পিসির স্পীড বাড়ানোর চেষ্টা করেন। এটিরও ক্ষমতা নেই স্পীড বাড়ানোর।

তাহলে কিভাবে স্পীড বাড়াবেন?

পিসির স্পীড বাড়াতে এর হার্ডওয়্যারগুলো আপগ্রেডের বিকল্প নেই। পুরো সিস্টেম আপগ্রেড করা না গেলে শুধু প্রসেসর ও র‍্যাম আপগ্রেড করুন আর সাথে একটা SSD লাগিয়ে নিন। ঝড়ের গতি পাবেন আশা করি।

লেখাঃ সংগৃহীত

24/05/2020

Address

Mahigonj Rangpur
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাহিগঞ্জ আইটি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share