Arfina Asha

Arfina Asha This is Asha, also expert on the Digital marketer, the mainstay of my work is social media platform.

02/10/2021

Search engine optimization (SEO)

সার্চ ইঞ্জিন : প্রথমেই দেখা যাক সার্চ ইঞ্জিন বলতে কি বুঝায়। সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন তথ্যকে তার নিজের ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করে রাখে এবং পরবর্তীতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুসারে ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করে। সার্চ ইঞ্জিনগুলো একধরনের রোবট প্রোগ্রামের সাহায্যে নিরলসভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য সংরক্ষণ করতে থাকে যা ইন্ডেক্সিং (Indexing) নামে পরিচিত। উইকিপিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গুগল (৯১%), তার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইয়াহু (৪%) এবং মাইক্রোসফটের বিং (৩%)।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন : সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) হচ্ছে এমন এক ধরনের পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা, যাতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে। এই ধরনের সার্চ রেজাল্টকে Organic বা Natural সার্চ রেজাল্ট বলা হয়। সার্চ রেজাল্টের প্রথম পৃষ্ঠায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। এর কারণ হিসেবে দেখা যায় ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন। শীর্ষ দশে থাকার মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাওয়া আর বেশি সংখ্যক ভিজিটর মানে হচ্ছে বেশি আয় করা।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সাথে অনেক বিষয় জড়িত। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ‌এক্ষেত্রে প্রথমেই সাইটের জন্য এক বা একাধিক নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড (Keyword) বা শব্দগুচ্ছ বাছাই করতে হয়। কিওয়ার্ড বাছাই করার পূর্বে সময় নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এমন একটি কিওয়ার্ড বাছাই করতে হয় যাতে এর প্রতিদ্বন্ধী কম থাকে। ধরা যাক অনলাইনে গেম খেলার একটি সাইটের জন্য যদি “Play Online Game” কিওয়ার্ড বাছাই করা হয়, তাহলে এই শব্দ দিয়ে গুগলে সার্চ করলে ১.৬ কোটি সাইটের ফলাফল হাজির হবে। তাদের মধ্যে হাজারও জনপ্রিয় সাইট পাওয়া যাবে যেগুলোকে অতিক্রম করে প্রথম পাতায় আসাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কিওয়ার্ডের সাথে আরো কয়েকটি শব্দ যদি যোগ করা যায় তাহলে দেখা যাবে প্রতিদ্বন্ধী ওয়েবসাইটের সংখ্যা কমে আসবে।

SEO এর মাধ্যমে আয়ের উপায় : SEO এর মাধ্যমে আয়ের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। আপনি যদি নিজের সাইটের জন্য SEO করে থাকেন এবং এর মাধ্যমে সাইটে অধিক সংখ্যক ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে সাইটটি থেকে যেকোন ধরনের সার্ভিস বা পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। অনেকে আবার বিজ্ঞাপন থেকে আয় করেন। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে Google Adsense এর মাধ্যমে। সাইটের মধ্যে গুগল এডস্যান্সের কোড যোগ করলে এটি ওয়েবসাইটের তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন দেখায়। সেই বিজ্ঞাপনে কোন ভিজিটর ক্লিক করলে সাইটির মালিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আয় করেন। পরবর্তীতে চেকের মাধ্যমে সেই অর্থ তার কাছে পাঠানো হয়। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেও SEO ভিত্তিক নানা কাজ পাওয়া যায়। কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে কিওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক জোগাড় করা, অন পেজ অপটিমাইজেশন, কন্টেন্ট লেখা, এসইও কনসালটেন্ট ইত্যাদি।

Collected

15/09/2021

ফাইভার সম্পর্কে কিছু জানা - অজানা প্রশ্ন -
(জেনে রাখতে পারেন শেষের ১০ টা)
-
১। আমি কি একটা মেইল দিয়ে ২ টা একাউন্ট খুলতে পারবো ?
উত্তরঃ না আপনি ১ টা মেইল দিয়ে ২ টা একাউন্ট খুলতে পারবেন না।
২। আমি কি একই পিসি দিয়ে একাধিক একাউন্ট খুলতে পারবো ?
উত্তরঃ আপনি একটি পিসি দিয়ে একাধিক একাউন্ট খুলতে পারবেন কিন্তু একটী একটি একাউন্ট ডিজেবল হওয়ার পর অবশ্যই উইন্ডোজ দিয়ে আবার নতুন একাউন্ট খুলে নিবেন।
৩। আমার একাউন্টে কি যে কোন পিকচার ব্যবহার করতে পারবো ( খারাপ কোন কিছু ছাড়া ?
উত্তরঃ হ্যা পারবেন ।
৪। আমার একাউন্ট কি মোবাইল এপ্স এবং পিসি দিয়ে একই সাথে লগিন রাখতে পারবো ?
উত্তর ঃ হ্যা পারবেন।
৫। আমার একাউন্ট কি একাধিক পিসি দিয়ে লগিন করতে পারবো ?
উত্তরঃ হ্যা পারবেন কিন্তু অবশ্যই সেই পিসিতে অন্য কোন একাউন্ট লগিন করা যাবে না। একটি একাউন্ট একাধিক পিসিতে লগিন করতে পারবেন কিন্তু একাধিক একাউন্ট কোন পিসিতে লগিন করতে পারবেন না। এবং একই সময়ে আপনার একাউন্ট একাধিক জায়গায় লগিন রাখতে পারবেন না।
৬ - আরেকদিন বলবো আজ বাদ থাকুক ।
-------------------
৭। একাউন্টে কি যে কারো ইনফরমেশন ব্যাবহার করতে পারবো ?
উত্তর ঃ হ্যা পারবেন কিন্তু নিজের ইনফরমেশন ব্যাবহার করাই ভালো ।
৮। সিকিউরিটি প্রশ্ন ভুলে গেলে কি করবো ?
উত্তর ঃ সরাসরি সাপোর্টে যোগাযোগ করবেন।
৯। একাউন্ট নাম কি যে কোন নাম ব্যাবহার করতে পারবো ?
উত্তর ঃ হ্যা পারবেন তবে নিজের নাম ব্যাবহার করাই ভালো ।
১০। একাউন্ট এ কি নিজের পোর্টফোলিও এড করতে পারবো ?
উত্তরঃ হ্যা পারবেন। তবে কোন ধরনের ওয়েব সাইট ব্যাবহার করবেন সেটা নিয়ে আরেকদিন পোস্ট দেবো ।
১১। গিগ এর ইমেজ হিসেবে কি ব্যাবহার করবো ?
উত্তর ঃ আপনার ক্যাটাগরি রিলেটেড গিগ ইমেজ ব্যবহার করতে হবে। গিগ ইমেজ খুব সুন্দর ভাবে তৈরি করে দিবেন যেন গিগ ইমেজ দেখেই বায়ার গিগ নিতে আগ্রহী হয়।
১২। গিগ এর টাইটেল এ কি ব্যাবহার করব ?
উত্তর ঃ আপনি যে ক্যাটাগরি রিলেটেড কাজ করবেন সেই ক্যাটাগরির ভালো মানের কিছু গিগ নিয়ে কিছুদিন রিচার্স করেন। এবার সুন্দর করে একটা গিগ টাইটেল ব্যাবহার করেন।
১৩। গিগ এর ডিস্ক্রিপশন এ কি ব্যাবহার করবো ?
উত্তর ঃ গিগ এর ডিস্ক্রিপশন এ আপনার সার্ভিস সম্পর্কিত তথ্য সুন্দর ভাবে ব্যাবহার করেন। ডিস্ক্রিপশন এ আপনার কোন কন্টাক্ট ইনফো ব্যাবহার করবেন না। (মেইল, মোবাইল নাম্বার, ফেসবুক, স্কাইপ , ইত্যাদি।)
১৪।নিজের ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া কি ফাইভারে কাজ করা যাবে?
উত্তরঃ যাবে। ফাইভারে সাধারণত নিজের ভোটার আইডি কার্ডের কোনো দরকার পড়েনা। যদি একাউন্ট নিয়ে কোনো ঝামেলা হয়, সেক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন এর জন্য দরকার হতে হয় । তাছাড়া নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।
১৫।নতুন ফোন কিনছি। নতুন করে Fiverr Apps টা ইন্সটল করতে চাচ্ছি। কোনো প্রব্লেম হবে কি??
উত্তরঃ না কোন সমস্যা হবে না।
১৬। ফাইভারে একটা একাউন্ট ব্যান হইসে। নতুন করে Windows দিয়ে আরেকটা আইডি খুলেছি।আমার সেল্ফ ফোনে নতুন আইডি লগ ইন করলে প্রবলেম হবে কি?
উত্তরঃ কোন সমস্যা হবে না তবে ফোন রিস্টোর দিয়ে নিলে ভালো হবে।
১৭। আমার একটা গিগ এ ইম্প্রেশান এবং কমপ্লিট করা অরডার কমে যাচ্ছে। কেউ বলতে পারেন এর সমাধান কি?
উত্তরঃ এই সংখ্যাটা আপনার প্রতি সপ্তাহ / মাস এ আপডেট হয় অর্থাৎ আপনি এই মাসে/সপ্তাহ/বছর কতগুলো অর্ডার কমপ্লিট করেছেন সেটা দেখাবে। আপনি যদি চলতি মাসে কোন অর্ডার কমপ্লিট না করেন তাহলে এটা কমই দেখাবে।
১৮। আমি Fiverr এ নতুন। আমি জানতে চাইছি যে Fiverr এ $ active হতে কত সময় লাগে?
উত্তরঃ অর্ডার কমপ্লিট হওয়ার পর ১৪ দিন সময় লাগে ডলার একাউন্টে শো করতে।
১৯। আমার একটি গিগ প্রথম পেইজে আছে। এই অবস্থায় আমি যদি আমার গিগের ভিডিও চেঞ্জ করে নতুন একটি দেই, তাহলে কি গিগের র‍্যাংকিং-এ প্রবলেম হতে পারে?
উত্তরঃ গিগ এর ট্যাগ/টাইটেল/ডিস্ক্রিপশন ছাড়া অন্য কিছু পরিবর্তন করলে কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।
২০ । আমার WI-FI নাই,আমি কি ২/৩ টা সিমে MB নিয়ে ব্যবহার করতে পারব কি Fiverr ?
উত্তরঃ জি পারবেন।
২১। Captcha test shows again and again in my fiverr account.
It is boring for me. Now how can I avoid it?
উত্তরঃ এটা শেয়ার আইপি ব্যাবহার করার জন্য দেখাইতেছে।
২২ । TOS violations বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ ফাইভারের কোন নিয়ম / রুলস ভাঙ্গাকে TOS violation বলে।
---- যদি কিছুটা ভাল লাগে , কমেন্ট করতে পারেন ।
== কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন ।
----------------
কপি

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করবেন?পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কি? একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট হলো আপনার কাজ...
14/09/2021

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করবেন?
পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট কি?
একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট হলো আপনার কাজ প্রদর্শন এবং অন্যদের কাছে আপনার নিজের সম্পর্কে জানানোর একটি প্রফেশনাল উপায়।
একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট আপনার ব্যক্তিত্ব, অভিজ্ঞতা এবং সক্ষমতা প্রকাশ করার অন্যতম সেরা উপায়।

একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কেন আপনার একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন?
আপনি একজন নতুন ডিজিটাল মার্কেটার কিংবা একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার যে-ই হোন না কেন আপনার একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন।
আপনি যদি অন্যদের সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকেন তাহলে, আপনার কাজ গুলো একত্রে প্রদর্শন করা খুবই জরুরী। কেননা আপনি যখনি কোনো নতুন কাজের জন্য আবেদন করতে যাবেন ক্লাইন্ট আপনার পূর্বের কাজ দেখানোর কথা বলতে পারে।
একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকা মানে আপনার ক্লাইন্টরা আপনাকে সহজে খুজে পেতে পারবে এবং যদি তাদের আপনার পোর্টফোলিও ভালো লাগে এবং আপনাকে দিয়ে কাজ করাতে চায় তাহলে আপনার সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবে।
বর্তমান এই কম্পিটিশনের সময়ে আপনার যদি একটি পোর্টফোলিও না থাকে তাহলে আপনি অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে কি কি অন্তর্ভুক্ত করবেন?
একটি প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে কিছু জিনিস অবশ্যই যুক্ত করতে হবে। নিচে আমি সেগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।
Short Bio:
প্রথমেই আপনার নিজের প্রফেশনাল পরিচয় যুক্ত করুন যা আপনার ইন্টারেস্ট এবং দক্ষতাকে প্রতিফলিত করে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি নিজের পরিচয় প্রফেশনালী উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে শুরুতেই আপনার পটেনশিয়াল ক্লাইন্টকে আকর্ষণ করতে পারবেন । তাই পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে Strong Professional Bio থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
Resume:
আপনি কি কি বিষয়ে দক্ষ, আপনার অভিজ্ঞতা, কর্মসংস্থানের ইতিহাস, একাডেমিক তথ্য গুলো পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে যুক্ত করুন। সৎ থাকুন এবং সঠিক তথ্য যুক্ত করুন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে পোর্টফোলিও ভারী করার চেষ্টা করবেন না।
Contact Details:
আপনার সাথে যোগাযোগের সকল তথ্য যুক্ত করুন। যেন ক্লাইন্ট চাইলে খুব সহজেই আপনার সাথে কানেক্ট হতে পারে। আপনার ই-মেইল এড্রেস, মোবাইল নাম্বার, সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টের ইনফরমেশন যুক্ত করুন।
প্রফেশনালদের জন্য LinkedIn খুবই জনপ্রিয় তাই অবশ্যই নিজের LinkedIn একাউন্ট যুক্ত করতে ভুলবেন না।
Samples Of Your Best Work:
আপনার মার্কেটিং পোর্টফোলিও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে আপনার পূর্বের সেরা কাজ গুলো প্রদর্শন করা। আপনার করা বেস্ট কাজ গুলো এখানে যুক্ত করুন। আপনি যেই প্রজেক্ট গুলো পূর্বে সফল ভাবে করেছেন সেগুলো সুন্দর ভাবে প্রদর্শন করুন।
আপনার যদি কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকে, কোনো ক্লাইন্টের সাথে কাজ করার সুযোগ না হয়ে থাকে তাহলে আপনি যেই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে কাজ করছেন নিজেই প্রেক্টিসের জন্য কিছু কাজ করে সেগুলো এখানে যুক্ত করতে পারেন।
যেমনঃ আপনি যদি SEO নিয়ে কাজ করে থাকেন আপনি নিজে একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে কাজ করুন, কিওয়ার্ড রিসার্চ করুন, কিছু কিওয়ার্ড র‍্যাংক করুন এবং সেগুলো আপনার Samples Of Work Section এ যুক্ত করতে পারেন।
Case Studies:
আপনি পূর্বে যেই কাজ গুলো সফল ভাবে সম্পুর্ণ করেছেন সেগুলো নিয়ে কেস স্ট্যাডি লিখতে পারেন। আপনি কিভাবে সেই কাজটি করার পরিকল্পনা করেছেন, কি স্টেপ ফলো করেছেন, কিভাবে কাজ গুলো করেছেন, কি কি প্রতিবন্ধকতা ফেস করেছেন, এবং কি ফলাফল অর্জন করেছেন এগুলো শেয়ার করেন।
Testimonials:
আপনি পূর্বে যেই সার্ভিস দিয়েছেন ক্লাইন্টরা সে সার্ভিসে সন্তুষ্ট এটা বুঝানোর জন্য বেস্ট হচ্ছে আপনার পূর্বের ক্লাইন্ট থেকে পাওয়া Reviews, Testimonials & Recommendations গুলো যুক্ত করুন। এতে করে আপনার নতুন সম্ভাব্য ক্লাইন্টরা আশ্বস্ত হবে এবং আপনার স্কিলের উপর তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
Awards And Recognition:
যদি আপনি কোন সর্বজনীন স্বীকৃতি পেয়ে থাকেন – সেটি হতে পারে কোনো Award or Feature in a Publication এটি আপনার পোর্টফোলিওতে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না। এটি আপনার অথোরিটি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।
Call To Action:
পরিশেষে একটি Strong Call To Action (CTA) ব্যবহার করুন যেনো আপনার পটেনশিয়াল ক্লাইন্ট আপনার সাথে যোগাযোগ করে যদি তারা আপনার থেকে কোনো সার্ভিস নিতে আগ্রহী হয়।
একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট বানাতে কি কি লাগবে?
১। ডোমেইন
২। হোস্টিং
৩। ওয়েবসাইট বানানোর জন্য একটি প্লাটফর্ম (Example- WordPress, Wix, Squarespace etc.)
৪। ওয়েবসাইট ডিজাইন
৫। আপনার সকল তথ্য এবং কাজ গুলো ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করা।

একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইটে কি কি পেইজ রাখবেন?
প্রয়োজন অনুযায়ী আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন পেইজ তৈরি করতে পারেন। তবে কমন যেই পেইজ গুলো থাকা জরুরী সেগুলো হলোঃ
1. Home Page
2. 2. About Page
3. 3. Contact page
4. 4. Services
5. 5. Portfolio (Work Samples)
6. 6. Case Studies
7. 7. Blog

লিখাটি ভালো লাগলে অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন। গ্রুপে প্রতিনিয়ত অনেক রিসোর্স শেয়ার হচ্ছে যা আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং জার্নিতে অনেক হেল্পফুল হবে। তাই পেইজে এক্টিভ থাকুন এবং আপনার পরিচিত যারা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করে তাদের এড করুন যেন তারাও এসব রিসোর্স থেকে বঞ্চিত না হয়।
ধন্যবাদ।

Cp

Address

Rangpur Divison
Rangpur
85040

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arfina Asha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arfina Asha:

Share