Saif

Saif Blood Group O+

26/04/2026

এক সময় যারা লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে 'গণভবনে হারিকেন' পাঠানোর ডাক দিয়েছিলেন, আজ গ্রামগঞ্জে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটের সময় তাদের হাতে আর সেই হারিকেন দেখা যাচ্ছে না। অন্ধকার যখন নিত্যসঙ্গী, তখন সেই পুরনো হুঙ্কার আর রাজপথের প্রতিবাদ কোথায় হারাল? রাজনীতিতে সময়ের সাথে প্রতিবাদের ভাষা কতটা বদলে যায়, এটি তার এক বড় উদাহরণ।
​

26/04/2026

দলের ভেতর অনেক সময় এমন একটা সংস্কৃতি তৈরি হয় যেখানে যে যত বেশি প্রশংসা বা "তেল" দিতে পারবে, তার পদোন্নতি বা গুরুত্ব তত বাড়বে। এই "নাম কামানোর" চক্করে পড়েই কর্মীরা অনেক সময় যুক্তি-তর্ক ভুলে এমন কাজ করে বসে যা শেষমেশ হাসির খোরাক হয়।

অনলাইনে বট আইডি বা ভুয়া একাউন্ট পরিচালনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম 'দ্য ডিসে...
25/04/2026

অনলাইনে বট আইডি বা ভুয়া একাউন্ট পরিচালনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম 'দ্য ডিসেন্ট'। তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সুন্দরী নারীদের ছবি ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া আইডি তৈরি করা হয়েছে। এসব আইডি থেকে সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির পক্ষে এবং জামায়াত-এনসিপির বিপক্ষে সুপরিকল্পিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তথ্য-প্রমাণসহ এই প্রোপাগান্ডা মেশিনের কার্যক্রম উন্মোচন করেছে তারা।

​

24/03/2026

আপনারা কেমন আছেন?

বিচার টা অন্তত ক‌ইরেন
17/02/2026

বিচার টা অন্তত ক‌ইরেন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণআজ ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ই...
17/02/2026

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথম ধাপে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

অতঃপর তাঁরা দ্বিতীয় ধাপে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ গ্রহণ করেন।

উভয় শপথ অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দলের কক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মানিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।

অতঃপর ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ৭৭ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সংসদ সদস্যদের সিদ্ধান্তক্রমে বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান, বিরোধী দলীয় উপনেতা নির্বাচিত হন সংগঠনের নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নির্বাচিত হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

➖
Bangladesh Jamaat-e-Islami

17/02/2026

পুলিশের ইউনিফর্ম বদলেছে, র‍্যাবের সাইনবোর্ড পাল্টেছে—আপনারা তো এটাই চেয়েছিলেন, তাই না? ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের বদলে ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে। ১৫০০ মানুষের প্রাণ আর ৩০ হাজার মানুষের পঙ্গুত্ব কি আপনাদের খুশির জন্য যথেষ্ট নয়? ব্লাডি সিভিলিয়ানরা এত অকৃতজ্ঞ কেন যে আরও অনেক কিছু প্রত্যাশা করে!

​

17/02/2026

কথা কিন্তু খুবই ক্লিয়ার। কোনো ভেজাল নাই।

17/02/2026

আহা শহীদ হাদী!
তুমি অল্প সময়ে কতকিছুই না ভেবেছিলে! 😢

16/02/2026

ছায়া মন্ত্রিসভা (Shadow Cabinet) কী?

ছায়া মন্ত্রিসভা হলো এমন একটি রাজনৈতিক কাঠামো, যেখানে সংসদের বিরোধী দল নিজেদের মধ্যে একটি বিকল্প মন্ত্রিসভা গঠন করে।
এটি সরকারিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে না, বরং ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য সমমানের “ছায়া মন্ত্রী” নিয়োগ করে।
এই ধারণাটি প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠে United Kingdom-এ, বিশেষ করে Parliament of the United Kingdom-এ।

➖

কেন গঠন করা হয়?

১. সরকারকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা
– সরকারের সিদ্ধান্ত, নীতি ও ব্যয়ের সমালোচনা ও বিশ্লেষণ করার জন্য।
২. বিকল্প নীতি উপস্থাপন করা
– ক্ষমতাসীন সরকারের পরিবর্তে নিজেদের নীতি ও পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরতে।
৩. ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া
– ভবিষ্যতে নির্বাচনে জয়ী হলে দ্রুত কার্যকর সরকার গঠনের জন্য অভিজ্ঞতা অর্জন করা।

➖

কারা এটি গঠন করে?

সাধারণত জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল এটি গঠন করে।
বিরোধী দলের নেতা “Shadow Prime Minister” বা “Opposition Leader” হিসেবে নেতৃত্ব দেন।
প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য একজন করে ছায়া মন্ত্রী থাকেন (যেমন: ছায়া অর্থমন্ত্রী, ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইত্যাদি)।
উদাহরণস্বরূপ, United Kingdom-এ বিরোধী দল যেমন Conservative Party বা Labour Party ক্ষমতার বাইরে থাকলে তারা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে।

➖

ছায়া মন্ত্রিসভার কাজ কী?

১. সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কাজ পর্যবেক্ষণ করা।
২. সংসদে প্রশ্ন, সমালোচনা ও বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপন করা।
৩. জনগণের সামনে সরকারের ভুল তুলে ধরা।
৪. নিজেদের নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রচার করা।
৫. প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জনমত গঠন করা।

➖

উপকারিতা

১. শক্তিশালী গণতন্ত্র
সরকার সবসময় নজরদারির মধ্যে থাকে, ফলে স্বেচ্ছাচারিতা কমে।
২. নীতির মান উন্নয়ন
বিরোধী দল বিকল্প প্রস্তাব দিলে সরকার ভালো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।
৩. ক্ষমতার ভারসাম্য
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় “checks and balances” নিশ্চিত হয়।
৪. দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি
ভবিষ্যৎ মন্ত্রীদের প্রস্তুত করা যায়।

➖

অপকারিতা / সীমাবদ্ধতা

১. অতিরিক্ত রাজনৈতিক বিরোধ
কখনও গঠনমূলক সমালোচনার বদলে কেবল বিরোধিতার রাজনীতি হতে পারে।
২. বিভ্রান্তি সৃষ্টি
জনগণের মাঝে দ্বৈত নীতির কারণে বিভ্রান্তি হতে পারে।
৩. অকার্যকর হলে গুরুত্ব কমে যায়
যদি বিরোধী দল দুর্বল হয়, তাহলে ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না।

➖

সংক্ষেপে

ছায়া মন্ত্রিসভা হলো বিরোধী দলের একটি সাংগঠনিক কাঠামো, যা ক্ষমতাসীন সরকারের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এটি সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা করে না, কিন্তু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category