12/03/2025
ডিপসিক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্ষেত্রে নতুন এক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, যা প্রযুক্তিপ্রেমী থেকে শুরু করে বিনিয়োগকারী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এআই শিল্পে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান কয়েকটি প্রতিষ্ঠান—যেমন ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি, অ্যানথ্রোপিক-এর ক্লড, গুগল-এর জেমিনাই এবং মাইক্রোসফট-এর কোপাইলট—তাদের উন্নত মডেল তৈরিতে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান বিশাল ডেটাসেট এবং অত্যাধুনিক হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়েছে।
তবে, চীনের নতুন এআই কোম্পানি ডিপসিক (DeepSeek) এ ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং প্রচলিত কাঠামোয় পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ডিপসিক-এর প্রতিষ্ঠাতা লিয়াং ওয়েনফেং (Liang Wenfeng) একজন চীনা উদ্যোক্তা, যিনি অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ দক্ষতাকে এআই প্রযুক্তির সঙ্গে একীভূত করে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন।
ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি (Zhejiang University) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর, তিনি ২০১৫ সালে High-Flyer নামে একটি কোয়ান্টিটেটিভ হেজ ফান্ড প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে ট্রেডিং কৌশল উন্নত করেন এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে আরও কার্যকর করে তোলেন।
২০২১ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের এআই চিপ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে হাজার হাজার এনভিডিয়া (Nvidia) গ্রাফিকস প্রসেসর সংগ্রহ করতে শুরু করেন। অনেকের কাছে এটি উচ্চাভিলাষী শখ মনে হলেও, এই প্রচেষ্টাই পরবর্তীতে ডিপসিক প্রতিষ্ঠার ভিত্তি গড়ে তোলে।
এআই খাতে নতুন বিপ্লব: ডিপসিকের উদ্ভাবনী মডেল
চীনের নতুন প্রতিষ্ঠান ডিপসিক R1 নামে একটি সুপার এফিশিয়েন্ট ও নিম্ন-ব্যয়ের এআই মডেল উন্মোচন করেছে, যা প্রচলিত বড় এআই সিস্টেমগুলির কার্যকারিতার সঙ্গে তুলনীয়, অথচ নির্মাণ ব্যয় অত্যন্ত কম। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, এটি ওপেন সোর্স—যার ফলে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এটি ব্যবহার ও সম্পাদনা করতে পারে। এছাড়া, এই মডেল এমন কম্পিউটিং হার্ডওয়্যারে চালানো সম্ভব, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের হাতেও থাকতে পারে।
এআই শিল্পে নতুন প্রতিযোগিতার সূচনা
R1 মডেল উন্মোচনের কয়েক দিনের মধ্যেই অ্যাপ ডাউনলোডের তালিকায় ডিপসিক শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। ফলস্বরূপ, বৃহৎ এআই প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে—বিশেষত NVIDIA ও Microsoft-এর শেয়ারের মূল্য হঠাৎ কমে গেছে। বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন, কারণ যদি একটি অপেক্ষাকৃত ছোট ও নবপ্রতিষ্ঠিত কোম্পানি মুক্ত ও কম ব্যয়ের এআই সিস্টেম উন্মুক্ত করতে পারে, তবে বড় প্রতিষ্ঠানের বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
এই পরিবর্তন কেবল বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য চ্যালেঞ্জ নয়, বরং এটি ছোট ব্যবসা, স্বতন্ত্র ডেভেলপার ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অসাধারণ সুযোগ এনে দিয়েছে। ডিপসিক কীভাবে এত কম খরচে অত্যাধুনিক মডেল তৈরি করল এবং এটি এআই ও ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ইঙ্গিত দিচ্ছে—এখন সেটাই বিশ্লেষণের বিষয়।
R1 কীভাবে আলাদা
ডিপসিক R1 ব্যবহার করতে গেলে অনেকে প্রথমে একটু ঘাবড়ে যেতে পারে। যখন R1-কে কিছু কাজ করতে বলা হয়, এটি সঙ্গে সঙ্গে উত্তর না দিয়ে আগে চিন্তার একটা ধাপ দেখায়। ব্যবহারকারীরা দেখতে পায়, সিস্টেমটি কী করতে যাচ্ছে, তার একটা ব্যাখ্যা দেখাচ্ছে। মানে, এটি উত্তর দেওয়ার আগে যুক্তিসঙ্গত ধাপগুলির পরিকল্পনা করে।
এই চিন্তার প্রক্রিয়া শেষ হলে (যা পুরোটা দেখা যায়), এটা ফাইনালি কাঙ্ক্ষিত টেক্সট তৈরি করে।
এটা আসলে “Chain of Thought” (CoT) নামে একটি প্রসেস ব্যবহার করে, যেখানে মডেলটি নিজের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত আউটপুট বের করার চেষ্টা করে, ফলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
এই প্রসেস সম্পন্ন হতে একটু সময় লাগতে পারে, আর চ্যাটজিপিটি বা কোপাইলটের মত সিস্টেমগুলির তুলনায় কিছুটা ধীরও মনে হতে পারে, কারণ ওগুলি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই রেজাল্ট দিয়ে দেয়। তবে, এর একটা কারণ হল ডিপসিক একটা ছোট কোম্পানি, তাদের হার্ডওয়্যারও তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী।
তাহলে, ডিপসিককে কি এখনই মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত এআই সিস্টেমের জায়গায় নিয়ে আসতে পারবে?
এই মুহূর্তে, সম্ভবত না।
কিন্তু এর ওপেন সোর্সের ধরন কোম্পানিগুলিকে নিজেদের ছোট ছোট এআই সিস্টেম বানানোর সুযোগ দিচ্ছে, যা হতে পারে আরও দ্রুততর আর সাশ্রয়ী, আর যা এআই-এর দুনিয়ায় নতুন কিছু করার রাস্তা খুলে দিচ্ছে।
এআই তৈরির আরও স্মার্ট উপায়
এআই মডেল বানানোর ক্ষেত্রে সাধারণত সবকিছু একদম নতুন করে তৈরি করতে হয়, যা সময় আর খরচসাপেক্ষ। কিন্তু ডিপসিক একটু অন্যভাবে চিন্তা করেছে। একে LEGO খেলার মত ভাবা যেতে পারে। প্রতিবার নতুন ব্লক কেনার বদলে তারা আগের সেটগুলি কাজে লাগিয়েছে। মানে ওপেন-সোর্স এআই ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করেছে, যা সবার জন্য ফ্রি’তে দেওয়া আছে।
এই ভিত্তিগুলি আরও উন্নত করে আর এগুলির ওপর তৈরি করে, ডিপসিক তুলনামূলকভাবে অনেক কম খরচে R1 মডেল বানিয়েছে। যেখানে GPT-4-এর মত মডেল বানাতে শোনা যায় $১০০ মিলিয়নের বেশি খরচ হয়েছে (আর চালাতে বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত লাগে), সেখানে R1 তৈরি করতে খরচ হয়েছে মাত্র $৬ মিলিয়ন!
এই সাফল্যের আসল কারণ হল ওপেন-সোর্স টেকনোলজি। ওপেন-সোর্স ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে যে কেউ এআই মডেলের মূল উপাদানগুলি অ্যাক্সেস করতে পারে, এর কাঠামো বুঝতে পারে আর নতুন কিছু তৈরি করতে পারে। ডিপসিক দেখিয়ে দিল, ওপেন-সোর্স টুল দিয়ে শুরু করলে খরচ অনেক কমানো যায় এবং পারফরম্যান্স টপ-লেভেলের হতে পারে!
সাধারণ হার্ডওয়্যারেও চালানোর ক্ষমতা
এই বিষয়টি বুঝতে হলে আগে জানা দরকার GPU ও NPU কী?
আপনি যদি সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাহলে নিশ্চয়ই জানেন যে এর ভেতরে প্রসেসর (CPU) থাকে, যা কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করে। কিন্তু যখন ভিডিও এডিটিং, গেম খেলা বা এআই চালানো হয়, তখন CPU একা সব কাজ করতে পারে না। এ কারণেই দরকার হয় GPU ও NPU এর।
GPU (Graphics Processing Unit) সাধারণত ভিডিও ও ছবি প্রসেসিং-এর জন্য তৈরি, কিন্তু এটি বড় ও জটিল গণনা (কম্পিউটেশন) করতে পারদর্শী। যেমন, এআই মডেল ট্রেনিং-এর জন্য প্রচুর সংখ্যক গণনা করতে হয়, যা CPU-র পক্ষে সম্ভব নয়। GPU একসঙ্গে অনেকগুলি ছোট ছোট গণনা (parallel processing) করতে পারে, যার ফলে কাজের গতি অনেক বেড়ে যায়। যেমন, আপনি যদি ১০০টি গাণিতিক সমীকরণ সমাধান করতে চান, CPU একে একে সবগুলি করবে, কিন্তু GPU একসঙ্গেই ১০০টি গণনা করতে পারে!
NPU (Neural Processing Unit) হল বিশেষ একধরনের চিপ, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও মেশিন লার্নিং (ML)-এর জন্য ডিজাইন করা। GPU যেখানে সাধারণত ভিডিও ও বড় কম্পিউটেশন সামলায়, সেখানে NPU শুধু নিউরাল নেটওয়ার্ক ও মেশিন লার্নিং কাজের জন্য অপ্টিমাইজড। ফলে এআই-মডেল চালানো আরও দ্রুত ও কম শক্তি খরচে সম্ভব হয়।
দেখা যাচ্ছে, হাই-পারফরম্যান্স এআই চালাতে স্পেশালাইজড আর দামি GPU বা NPU লাগে। R1 তা থেকে মুক্তি দিয়েছে।
বর্তমানে NVIDIA-এর A100 ও H100 বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটগুলির (GPU) মধ্যে অন্যতম। অত্যন্ত দামি এই GPUগুলি সাধারণত বড় কোম্পানি, গবেষণা ল্যাব ও ডেটা সেন্টারগুলিতে ব্যবহৃত হয়। R1-এর সবচেয়ে দারুণ ব্যাপারগুলির একটা হল, এটা সাধারণ হার্ডওয়্যারেও ভালভাবে চলে। তাই NVIDIA-এর A100 বা H100-এর মত সিস্টেমের প্রয়োজন বেশিরভাগ মানুষ আর ছোট ব্যবসার জন্য সেভাবে অপরিহার্য হয়ে থাকছে না।
ডিপসিক R1-কে কম খরচের হার্ডওয়্যারের জন্য অপ্টিমাইজ করেছে, যেখানে কিছু স্মার্ট টেকনিক ব্যবহার করা হয়েছে:
কোয়ান্টাইজেশন (Quantization): একটা মডেল সাধারণত বড় সংখ্যা (৩২-বিট) নিয়ে কাজ করে, কিন্তু যদি ছোট সংখ্যা (৮-বিট বা ৪-বিট) ব্যবহার করে, তাহলে কম জায়গা লাগে, কম বিদ্যুৎ লাগে, আর মোবাইল বা সাধারণ কম্পিউটারেও সহজে চলে। এটাকেই কোয়ান্টাইজেশন বলে। এতে একটু অ্যাকুরেসি কমতে পারে, কিন্তু কিছু টেকনিক ব্যবহার করে সেটাকে প্রায় ঠিক রাখা যায়।
স্পার্স কম্পিউটেশন (Sparse Computation): প্রসেসিংয়ের সময় শুধু দরকারি অংশগুলি সক্রিয় হয়, তাই মেমরি আর কম্পিউটিং রিসোর্স বাঁচে।
ডিস্ট্রিবিউটেড ট্রেনিং (Distributed Training): একসঙ্গে অনেকগুলি কম শক্তিশালী ডিভাইস ব্যবহার করে ট্রেনিং করানো হয়, যাতে খুব হাই-এন্ড হার্ডওয়্যার লাগে না।
এই অপ্টিমাইজেশনের কারণে, R1 সাধারণ গ্রাহক-স্তরের GPU-তে ভালভাবে চলে, এমনকি কম শক্তিশালী ক্লাউড সার্ভারেও কাজ করতে পারে। ফলে, ছোট ব্যবসা আর ইনডিভিজুয়াল ডেভেলপারদের জন্যও এটা বেশ সহজলভ্য হয়ে গেছে!
ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী ও ছোট ব্যবসার জন্য সুযোগ
ডিপসিক-এর R1 ছোট ব্যবসা আর ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য এআই ব্যবহারের পুরো ধারা বদলে দিতে পারে:
উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন: কম খরচ আর সহজলভ্যতার কারণে এখন উদ্যোক্তারা সহজেই এআই-ভিত্তিক প্রডাক্ট বানাতে পারছে, যেগুলি আগে দামি আর জটিল হওয়ার কারণে অনেকের নাগালের বাইরে ছিল।
স্থানীয় ব্যবসার রূপান্তর: ছোট ব্যবসাগুলি নিজেদের এআই মডেল চালাতে পারছে কম দামের হার্ডওয়্যারে, যার ফলে ব্যয়বহুল তৃতীয় পক্ষের সেবা ছাড়াই কাস্টমার সার্ভিস, ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট আর মার্কেটিংয়ে এআই ইউজ করা সম্ভব হচ্ছে।
শিক্ষা আর গবেষণা: আগ্রহী ডেভেলপার আর গবেষকরা ওপেন-সোর্স এআই ইউজ করে শেখার, এক্সপেরিমেন্ট করার আর নতুন কিছু বানানোর সুযোগ পাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের এআই এক্সপার্টদের তৈরি করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
ভবিষ্যতের এক ঝলক
ডিপসিক-এর R1-এর প্রভাব অনেকটা ব্যক্তিগত কম্পিউটার (PC) বিপ্লবের মতই।
শুরুতে, শুধু বড় আর ব্যয়বহুল মেইনফ্রেম কম্পিউটার—যেগুলি আস্ত একটা ঘরের সমান বড় ছিল—বড় কোম্পানিগুলির জন্য কার্যকর মনে করা হত। প্রথম দিকের PC-গুলি এতটাই দুর্বল ছিল যে, সেগুলি দিয়ে কার্যকর কিছু করা সম্ভব ছিল না।
কিন্তু Moore’s Law অনুযায়ী, কম্পিউটারের ক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে, আর দাম কমছে। এর ফলে যখন ব্যক্তিগত কম্পিউটার (PC) সবার জন্য সহজলভ্য হয়ে ওঠে, তখন প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু বড় বড় সংস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না—সাধারণ মানুষও এটি কাজে লাগানোর সুযোগ পায়। ফলে, পুরো শিল্পখাত বদলে যায় এবং বিশ্ব এক নতুন প্রযুক্তিনির্ভর যুগে প্রবেশ করে।
ঠিক একইভাবে, ওপেন-সোর্স এআই মডেল, যেমন R1, উন্নত প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে। এটি ব্যবসায়িক কাজের ধরন বদলে দিতে পারে এবং ব্যক্তি পর্যায়ে নতুন কিছু উদ্ভাবনের স্বাধীনতা দিচ্ছে। আগে যেখানে কেবল বড় প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা সম্ভব ছিল, এখন যে কেউ এই মডেল ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরি করতে পারবে।
তবে, এআই-এর অপব্যবহারের আশঙ্কাও রয়েছে। কিন্তু যখন প্রযুক্তি উন্মুক্ত হয়, তখন আরও বেশি মানুষ এটি উন্নত, নিরাপদ ও নৈতিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ পায়। এতে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি তৈরির সম্ভাবনাও বাড়ে, যেখানে বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী এআই-কে গঠন করতে পারে।
ডিপসিক-এর R1 শুধু একটা টেকনিক্যাল ব্রেকথ্রু নয়, এটা এআই দুনিয়ার বদলে যাওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
ডিপসিক দেখিয়ে দিয়েছে যে উচ্চমানের এআই কম খরচে তৈরি ও পরিচালনা করা সম্ভব, আর এর মাধ্যমে তারা নতুন এক উদ্ভাবনের যুগের দরজা খুলে দিয়েছে।
এখন ছোট ব্যবসা, ইনডিভিজুয়াল ডেভেলপার, এমনকি আগ্রহী শিক্ষার্থীরাও এই ভবিষ্যতের অংশ হতে পারছে। ডিপসিক যদি শেষ পর্যন্ত বাজারের সবচেয়ে বড় খেলোয়াড় নাও হয়, তবুও তারা প্রমাণ করে দিয়েছে যে ওপেন-সোর্স এআই মডেল, ব্যয়বহুল মালিকানাধীন সিস্টেমগুলির সঙ্গে লড়াই করতে পারে।
#এআই #ডিপসিক #ভবিষ্যৎ