25/04/2025
বয়স ৩০ পেরোলেই এক জোড়া আরামদায়ক জুতা—লাক্সারি নয়, প্রয়োজন!
আপনার বা আপনার পরিবারের কারও বয়স যদি ৩০+ হয়, তাহলে একটা বিষয় নিয়ে কখনোই কম্প্রোমাইজ করা উচিত না—সেটা হলো আপনি প্রতিদিন যে জুতা বা স্যান্ডেল পরেন, তার কোয়ালিটি।
এখানে ‘কোয়ালিটি’ মানে কিন্তু দামি না বরং সবচেয়ে আরামদায়ক—যেটা পায়ের ওপর চাপ কম ফেলে, হাঁটতে হালকা লাগে, দীর্ঘসময় পরে থাকলেও ক্লান্তি আসে না।
স্টাইল নয়, আরাম—এই হোক প্রাধান্য।
যে জুতার নিচ থেকে শরীর পর্যন্ত কম প্রতিক্রিয়া আসে, সেটাই আপনার জন্য পারফেক্ট।
এপেক্স বা বাটার মতো ব্র্যান্ডে ৩-৫ হাজার টাকার মধ্যেই অনেক আরামদায়ক জুতা পাওয়া যায়।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা:
আমার মা রাস্তায় হাঁটার সময় জুতার কারণে হালকা এক্সিডেন্ট করে। পায়ের অবস্থা একটু ঠিক হলে মাকে নিয়ে ভাল জুতা কিনতে যাই। তখনও উনাকে হাত ধরে ধরে হাঁটাতে হচ্ছিল, কারণ ওনার হাঁটার গতি ছিল খুব ধীর।
দোকানে গিয়ে বললাম, যেটা পরে নিজেকে সবচেয়ে হালকা লাগে, সেটাই নিতে—দামের দিকে না তাকালেও চলবে।
কয়কটা জুতা ট্রাই করার পর একজোড়া জুতা পরে মা বললেন, “এইটাই সবচেয়ে হালকা লাগতেছে, আর পায়ের ওপর চাপও কম।”
সেই জুতা পরেই মা দোকান থেকে বের হন, আর আমি দেখি—উনি আমাকে রেখেই এগিয়ে হাঁটছেন!
একটা ঠিকঠাক জুতা বদলে দিলো পুরো হাঁটার অভিজ্ঞতা।
আমার ক্ষেত্রেও একই। অফিসে যে জুতা পরতাম, সেটা পরে প্রায়ই পায়ে ব্যথা হতো। প্রতিমাসে ক্লোফেনাক মলমেই ১০০+ টাকা খরচ হতো। ঈদের আগে সিদ্ধান্ত নেই—সবচেয়ে আরামদায়ক জুতাটাই নেবো।
এরপর নেই এবং ব্যবহার শুরু করার পর থেকে দীর্ঘসময় জুতা পরে থাকলেও আর পা ব্যথা হয় না।
হ্যাঁ, শুরুতে জুতার দাম বেশি ছিল, কিন্তু এখন বুঝি—মলমের পেছনের খরচ বেঁচেছে, আরামও মিলেছে।
একটা ছোট চেঞ্জ লাইফস্টাইলে কত বড় পজিটিভ ইমপ্যাক্ট আনতে পারে—এই জিনিসটা না দেখলে বুঝতাম না!
নিজের আর প্রিয়জনের পায়ের যত্নে আরামদায়ক জুতায় বিনিয়োগ করুন—এটা বিলাসিতা নয়, বুদ্ধিমত্তা।
P.C: ChatGPT Plus