SR Traders

SR Traders All my friend like,coment,share thise post & like this page every body.

কারেন্ট পোকা দমনে ব্যবহার করুন পাইরজিন।
30/11/2022

কারেন্ট পোকা দমনে ব্যবহার করুন পাইরজিন।

10/10/2017
14/08/2017
রাজধানীতে গতকাল বৃহস্পতিবার মাত্র ৩ ঘণ্টায় ১২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ তাপ থেকে তৈরি মেঘ ও মৌসুমি বায়ুর সঙ...
03/08/2017

রাজধানীতে গতকাল বৃহস্পতিবার মাত্র ৩ ঘণ্টায় ১২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ তাপ থেকে তৈরি মেঘ ও মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে থাকা মেঘ ও আর্দ্রতা মিলেমিশে রাজধানীর আকাশে স্তরীভূত মেঘ তৈরি হয়। বেলা একটার দিকে ওই মেঘ বিস্ফোরিত হয়ে রাজধানীর ওপরে নেমে আসে। আবহাওয়াবিদেরা একে বলেন ‘মেঘ বিস্ফোরণ’।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছে প্রতি তিন ঘণ্টার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা শুরু হয়েছে ২০০৩ সাল থেকে। এই সময়ের মধ্যে তিন ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের ওপরে বৃষ্টিপাতের কোনো রেকর্ড নেই। গতকাল বেলা পৌনে একটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১২৩ মিলিমিটার, যা ১৫ বছরের মধ্যে রেকর্ড। বৃষ্টির এই আপদের সঙ্গে রাজধানীর খাল ও নালাগুলো ভরাট হওয়ার বিপদ যোগ হয়েছে। ফলে প্রায় পুরো শহরেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি জয়। রাত নয়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকা হাঁটুপানিতে ডুবে ছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেঘ বিস্ফোরণ হলে অল্প সময়ে অনেক বৃষ্টি হয়ে থাকে। যদিও রাজধানীতে এর আগে ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, কিন্তু তা ছিল সারা দিন ধরে হওয়া বৃষ্টি। আড়াই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে এত বৃষ্টিপাত এর আগে কোনো দিন আমাদের রেকর্ডে পাইনি।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। ২০০৯ সালের ২৮ জুলাই ৩৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। তবে ওই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল ২৪ ঘণ্টায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ওই দুটি ঘটনাকেও মেঘ বিস্ফোরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
২১০০ সালে অসহনীয় তাপমাত্রা
বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স অ্যাডভান্স দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক একটি পূর্বাভাস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে উত্তাপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এভাবে উত্তাপ বাড়তে থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ এ দেশগুলোর তামপাত্রা মানুষের সহনক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।
গবেষণাটিতে বলা হয়, তামপাত্রার সঙ্গে উচ্চ আর্দ্রতা যুক্ত হলে তা অসহনীয় হয়ে ওঠে। এটিকে বলে ওয়েট-বাল্ব টেম্পারেচার (ভেজা-বাতি তাপমাত্রা)। সাধারণত ওয়েট-বাল্ব টেম্পারেচার ৩৫ ডিগ্রি হলে তা মানুষের সহনক্ষমতা অতিক্রম করে যায়। গঙ্গা অববাহিকায় ২১০০ সালের মধ্যে এ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি অতিক্রম করে যাবে।

গত সপ্তাহে টানা বৃষ্টির পর রাজধানীর অধিকাংশ সড়কে হাঁ হয়ে বেরিয়ে এসেছিল বড় বড় গর্ত। গত দুদিনের বৃষ্টির পানি জমে এসব গর্ত ...
03/08/2017

গত সপ্তাহে টানা বৃষ্টির পর রাজধানীর অধিকাংশ সড়কে হাঁ হয়ে বেরিয়ে এসেছিল বড় বড় গর্ত। গত দুদিনের বৃষ্টির পানি জমে এসব গর্ত আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে। বাসের চাকা পর্যন্ত আটকে যাচ্ছে এসব গর্তে। যানবাহনের গতি কমে যাওয়ায় যানজট তৈরি হচ্ছে। তীব্র ঝাঁকুনিতে যাত্রীদের অবস্থা কাহিল।
রাজধানীর প্রধান সড়ক কিংবা গলিপথ—প্রায় সবখানেই এখন এই অবস্থা, চলাচলে স্বস্তি নেই। পাঁচটি মূল সড়কের চারটিতেই চলাচলের জন্য কষ্ট। সব মিলিয়ে রাজধানীর প্রায় ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার সড়কের অর্ধেকের বেশিই এখন বেহাল।
গত মঙ্গল ও বুধবার এসব সড়ক ঘুরে এবং সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতির জন্য নগরবিদ ও প্রকৌশলীরা অপরিকল্পিত ও নিম্নমানের রক্ষণাবেক্ষণকে দায়ী করেছেন। তাঁরা বলছেন, সঠিক উপায়ে মেরামত করলে ক্রমান্বয়ে মেরামতযোগ্য সড়কের পরিমাণ ও ব্যয় কমে আসার কথা।
কিন্তু দুই সিটি করপোরেশনের সড়ক মেরামতের চিত্র বলছে, প্রতিবছর মেরামতযোগ্য সড়কের পরিমাণে তেমন হেরফের হচ্ছে না, বরং প্রতিবছরই বরাদ্দ বাড়ছে। গত বছর দুই সিটি করপোরেশন ৫২০ কিলোমিটার সড়ক মেরামত করেছে। চলতি বছর ৫১৯ কিলোমিটার মেরামতের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে গত অর্থবছরে দুই সিটির সড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা।
এই পরিস্থিতিতে রাজধানীবাসীকে স্বস্তি দিতে এই ভরা বর্ষায়ও কোনো সুখবর নেই। এখন সিটি করপোরেশন বড় বড় গর্তে আস্ত ইট ফেলছে। কিন্তু এতে পরিস্থিতির বদল হচ্ছে না। ইট দিয়ে রাস্তার গর্ত ভরাট, বর্ষার পানি আর চাকার ঘর্ষণে তা আবারও নষ্ট হওয়া—এই চক্রেই দিন পার করতে হচ্ছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বলছে, শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী মেরামতের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ উড়ালসড়ক ও মগবাজার-মৌচাক-শান্তিনগর উড়ালসড়কের নিচের সড়ক প্রায় পাঁচ বছর ধরেই বেহাল। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ দুই উড়ালসড়কের নিচের সড়কের কিছু কিছু স্থানে গর্ত এতটাই গভীর যে নতুন করে নির্মাণ না করলে স্বাভাবিক অবস্থায় আনা যাবে না। মগবাজার উড়ালসড়কের নিচের সড়ক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে। ফলে এই সড়ক চালু রাখার বিষয়টি ঠিকাদারের সদিচ্ছার ওপরই ছেড়ে দিয়েছে সিটি করপোরেশন।
ঢাকায় মোটা দাগে মূল সড়ক পাঁচটি। এগুলো হচ্ছে কুড়িল থেকে প্রগতি সরণি হয়ে রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী; আবদুল্লাহপুর থেকে মহাখালী ও ফার্মগেট হয়ে প্রেসক্লাব; গাবতলী থেকে আজিমপুর; মহাখালী থেকে মগবাজার হয়ে গুলিস্তান এবং পল্লবী থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত সড়ক। এর মধ্যে আবদুল্লাহপুর থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত সড়কটিই একটু ভালো। এই পথে রাষ্ট্রীয় অতিথি, ভিভিআইপি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল সবচেয়ে বেশি।
রাজধানীর প্রায় সব সড়কই সিটি করপোরেশনের অধীনে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার। এর বাইরে বিমানবন্দর সড়কের বনানীর পরের অংশসহ সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের অধীনে থাকা সড়ক ৫০ কিলোমিটারের বেশি নয়। এর মধ্যে গাবতলী-সদরঘাট বেড়িবাঁধের অবস্থা বেশি খারাপ।
এ বছর বর্ষা শুরুর আগে কতটুকু সড়ক বেহাল, তা হিসাব করে দুই সিটি করপোরেশন মেরামতের পরিকল্পনা করে। এতে দেখা গেছে, ৫১৯ কিলোমিটার সড়ক বেহাল, অর্থাৎ মেরামত করতে হবে। এর মধ্যে উত্তরে ২৫০ এবং দক্ষিণে ২৬৯ কিলোমিটার। এ ক্ষেত্রে প্রায় ২২ শতাংশ সড়ক বর্ষার আগে মেরামতের জন্য রাখা হয়েছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই সিটির প্রকৌশল শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, ভারী বৃষ্টিপাত আর জলাবদ্ধতার পর এখন অর্ধেকের বেশি সড়কই বেহাল। এর বাইরে গত শুষ্ক মৌসুমে শুরু হওয়া প্রায় ৫০০ স্থানে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
গত দুই দিন প্রথম আলোর দুজন প্রতিবেদক ও তিনজন আলোকচিত্রী উত্তর সিটির গাবতলী, মাজার রোড, দারুস সালাম, আগারগাঁও, মিরপুর ১২ নম্বর, মহাখালী, সাতরাস্তা এবং দক্ষিণ সিটির মিরপুর রোড, রামপুরা, বনশ্রী, বাসাবো, মাদারটেক, মৌচাক মোড় ও মালিবাগ এলাকা ঘুরেছেন। এতে দেখা গেছে, এসব এলাকার দুই-তৃতীয়াংশ সড়কেই গর্ত, ভাঙাচোরা ও খোঁড়াখুঁড়ির মহোৎসব চলছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কুদরত উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, বর্ষা মৌসুমে অনেক সড়কে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশি গর্ত হয়েছে এমন সড়কগুলোতে ইট বিছিয়ে চলাচলের উপযোগী রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইট, বালু দিয়ে আপত্কালীন এই সংস্কারকাজ সিটি করপোরেশন নিজস্ব জনবল দিয়ে করছে। শুষ্ক মৌসুমে ভারী মেরামত করা হবে।
প্রায় একই কথা বলেন দক্ষিণের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, অন্যবারের তুলনায় এবার বৃষ্টি বেশি হয়েছে। তাই সড়কে গর্তও বেশি হয়েছে। এখন তাঁরা সাময়িক মেরামতের ওপরই জোর দিচ্ছেন।
রক্ষণাবেক্ষণের গলদের বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কুদরত উল্লাহ বলেন, সিটি করপোরেশন সাধারণত একই সড়ক পরপর দুই বছর সংস্কার করে না। রক্ষণাবেক্ষণ না করলে ঢাকার সড়কে চলাচল করা যেত না।
সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত নতুন সড়ক ঠিকভাবে নির্মাণ করা হলে ১৫-২০ বছর হাত দিতে হয় না। ঢাকার সড়ক যেহেতু পুরোনো, তাই একবার ভারী মেরামত করলে ৬-৮ বছর টিকে থাকার কথা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক আকতার মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, শুধু জলাবদ্ধতার কারণে সড়কের এই অবস্থা হয়েছে, সেটি ঠিক নয়। ভারী যানবাহন চলাচল এবং নিম্নমানের কাজের কারণেও সড়ক ভেঙেছে। বছরের শুরুতেই সিটি করপোরেশনের সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির একটি পথনকশা বা রোডম্যাপ থাকলে এমন হতো না। এ ক্ষেত্রে সময় অনুযায়ী কাজ শুরু ও শেষ করতে হবে এবং অবশ্যই বর্ষা মৌসুমে সড়ক খোঁড়া বন্ধ রাখতে হবে।

18/07/2017

like, comment, share

Western Crowned Warbler
15/07/2017

Western Crowned Warbler

Address

Parbotipur, Dinajpur, Bararpukuria
Rangpur
5260

Telephone

01820859912

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SR Traders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SR Traders:

Share