Jony's DIARY

Jony's DIARY It is an online service provider agency. We provide high quality all the online service. like Web De

17/10/2025

16/10/2025

কেউ ভয় পাইয়েন না😄💃🕺

শরতের এক দুপুরের চিত্রগ্রাফি🫧🏞️
16/10/2025

শরতের এক দুপুরের চিত্রগ্রাফি🫧🏞️

জীবনে সুখী থাকতে Bored হইতে শেখেন!হ্যাঁ, মাঝে মাঝে আমাদের Bored হওয়া দরকার। কারণ আপনি কখনোই যদি Bored না হন, তাহলে একসম...
16/10/2025

জীবনে সুখী থাকতে Bored হইতে শেখেন!

হ্যাঁ, মাঝে মাঝে আমাদের Bored হওয়া দরকার। কারণ আপনি কখনোই যদি Bored না হন, তাহলে একসময় আপনার জীবনের মানে হারিয়ে যাবে। আপনি আরও অস্থির, আরও হতাশ হয়ে পড়বেন। আমরা এমন একটা সময়ে বসবাস করছি যেখানে সবাই ব্যস্ত, কিন্তু খুব কম মানুষ আছে যারা সত্যি চিন্তা করতে জানে।

কেন জানেন? কারণ আমরা নিজেদের Bored হতে দিই না।

চিন্তা করুন, আপনি লিফটে আছেন। বিশ সেকেন্ড সময় লাগবে আপনার যেই ফ্লোরে যাওয়ার কথা সেখানে পৌঁছাতে।

কিন্তু আপনি ফোন ছাড়া থাকতে পারলেন না। ফোনটা বের করে একটু স্ক্রল, একটু ইনবক্স, একটু রিলস, এমনই তো? আমরা সারাদিনই একটু সময় পেলেই এই কাজগুলোই করি।

কারণ আমরা নীরবতা সহ্য করতে পারি না। একা থাকতে পারি না। নিজের চিন্তার সঙ্গে বসে থাকতে পারি না।

Harvard Professor Arthur C. Brooks এর মতে,
“You need to be bored. You will have less meaning and you will be more depressed if you are never bored.”

Bored হওয়া মানে কিন্তু খারাপ কিছু না। বরং তখনই আমাদের মস্তিষ্কের এক বিশেষ অংশ কাজ শুরু করে, যার নাম default mode network।

যখন আপনি কিছু করতেছেন না, তখনই মাথার ভিতরের এই অংশটা সক্রিয় হয় এবং তখন আপনি গভীর চিন্তা করতে পারেন। যেমন, আমি আসলে কী করছি, কেন করছি, আমার জীবনের উদ্দেশ্যটা কী। এই প্রশ্নগুলোই মানুষকে নিজের ভিশন সম্পর্কে জানায়, কিন্তু আমরা সেই জায়গাটা থেকে পালিয়ে যাই, সেগুলোকে মুখোমুখি করি না।

হার্ভার্ডের মনোবিজ্ঞানী ড্যান গিলবার্ট একটা এক্সপেরিমেন্ট করেছিলেন, যেখানে তিনি কিছু মানুষকে একটা ঘরে কোনো কাজ না দিয়ে চুপচাপ বসে থাকতে বললেন। শুধু সাথে একটা বোতাম দিলেন, যেটা চাপলে শরীরে হালকা ইলেকট্রিক শক লাগবে।

ফলাফল? বেশিরভাগ মানুষ বসে থাকার বদলে শক খেতে রাজি হয়েছে। কারণ তারা ‘Bored’ হতে চায়নি। দেখুন, মানুষ নিজের শরীরে ব্যথা নিতে ঠিকই রাজি হয়েছে, কিন্তু মাথার ভিতরের নীরবতাকে তারা সহ্য করতে পারেনি।

আমরা প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে ফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে নিজের চিন্তা করার ক্ষমতাটাকেই নষ্ট করে ফেলছি।

আমরা যতবার Bored হই, ততবার ফোন ধরি। যত বেশি ফোন ধরি, তত কম জীবন সম্পর্কে বুঝার সুযোগ পাই। এভাবেই শুরু হয় হতাশা, উদ্বেগ আর জীবনের মানে হারানোর সেই শূন্যতা।

তাই, আপনি Bored হতে শিখুন। নিজের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য হলেও একটু বসে থাকুন। যেমন ধরুন, একদিন সকালে হাঁটতে বের হলেন, ফোন নিলেন না। না গান, না পডকাস্ট, কিছুই না। শুধু হাঁটলেন, চারপাশ দেখলেন, নিজের চিন্তা শুনলেন। দেখবেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথায় নতুন নতুন আইডিয়া আসছে।

দিনে অন্তত ১৫ মিনিট কিছু না করে বসে থাকার অভ্যাস করুন। না ফোন, না গান, না সোশ্যাল মিডিয়া। প্রথমে অস্থির লাগবে, মনে হবে কিছু মিস করছেন। কিন্তু কয়েকদিন পর দেখবেন, আপনার ভিতরটা শান্ত হচ্ছে। আপনি ছোটখাটো জিনিসে আর বিরক্ত হচ্ছেন না। ধৈর্য বাড়ছে, মন পরিষ্কার হচ্ছে, ভাবনাগুলো পরিষ্কার হয়ে আসছে।

সবচেয়ে বড় কথা, আপনি আবার ভাবতে শুরু করবেন নিজের উদ্দেশ্য, নিজের কাজ, নিজের জীবন নিয়ে। এখান থেকেই আপনি নিজের একটা উদ্দেশ্যমূলক জীবনের দিকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন।

(Collected)

নিজের আবেগকে কন্ট্রোল করতে শিখুন...চারপাশে প্রচুর মানুষের সাথে দেখা হবে, আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতে হবে, অনেক রকম কথা কানে আ...
15/10/2025

নিজের আবেগকে কন্ট্রোল করতে শিখুন...

চারপাশে প্রচুর মানুষের সাথে দেখা হবে, আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতে হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে। আপনি যেটা করবেন সেটা হলো ইগনোর। জীবনে কিছু মানুষ আবর্জনা ছড়াতে আসবে। লাইফ আপনার, চয়েস আপনার, ডিসিশন আপনাকেই নিতে হবে। নেগেটিভিটি যেখানেই দেখবেন, সটান সেখান থেকে দূরে সরিয়ে নেবেন নিজেকে।

শুনতে খারাপ লাগলেও সত্যি আপনি যাদের বন্ধু ভাবেন তাদের অনেকেই আপনার সর্বনাশ দেখতে চায়। তারা চায় আপনার কাটা ঘায়ে সহানুভূতি নামক মলমের সাথে একটু নুন ছিটাতে। আপনি সিম্পলি সেই সুযোগটাই দেবেন না। অযথা তর্কে যাবেন না, বোঝাতে যাওয়ার তো প্রয়োজনই নেই। কেউ যদি আপনাকে মূর্খ বলে, তাই মেনে নিয়ে হেসে বেরিয়ে আসুন। এই যে আপনি সময় আর এনার্জি বাঁচিয়ে নিলেন, ব্যাস ওইটাই দরকার। যে যা বলছে শুনে নিন আর মুচকি হেসে থ্যাংক ইউ বলে নিজের সিদ্ধান্তটা নিজেই নিন। যারা শিরদাঁড়া সোজা করে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে, তারা আসলেই জীবনটা চেনে, বোঝে।

আপনাকে নিয়ে যখন বাকিরা সমালোচনা করতে ব্যস্ত থাকবে, আপনি সেই সময় ভালো কোনো বই পড়ুন, প্রিয়জনের সাথে কোথাও ঘুরে আসুন, রংতুলি নিয়ে ক্যানভাস সাজান, ঘর গোছান, গান শুনুন, আরো দুটো সিনেমা দেখুন, কিছু গাছ লাগান, খেলাধুলা করুন, ছবি তুলুন, ব্যায়াম করুন, সৃষ্টিকর্তার উপাসনা করুন। মোদ্দাকথা হলো, তাদের কথায় রিয়েক্ট করবেন না। যা বলছে বলুক, আপনার কানে এলেও ফেলে দিন, দিনশেষে আপনি জানেন আপনি কি, কেমন, আর এটাও জানেন যারা বলছে তারা আপনার কাছে জাস্ট ম্যাটার করে না।

আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের নিয়ে একটা বাউন্ডারি সেট করুন, একদম যাদের বুকে মিশে আপনি শ্বাস নেবেন, যাদের সামনে আপনি আয়নার মতো দাঁড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। ঠিক তাদের কাছেই নিজেকে প্রকাশ করুন, তাদেরকেই এক্সপ্লেন করুন, তাদের সামনেই ঝুঁকতে শিখুন, কারণ তারা আপনার শুধু ভালোটাই চায়। বাদবাকি দুনিয়াকে জঞ্জাল মনে করে ঝেড়ে ফেলে দিন।

একটা কথা মাথায় রাখবেন, জীবন অনেক সুন্দর, আপনি যে পৃথিবীতে আছেন সেটা অনেক সুন্দর, আপনাকে শুধু চলার পথে গজিয়ে ওঠা আগাছাগুলো অথবা কোণে কোণে বেড়ে ওঠা কাঁটাঝোপগুলো দেখতে পেলে সাইড কাটিয়ে চলে আসতে হবে। সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুতে রিয়েক্ট করতে নেই, সবাইকে বোঝানোর কোনো প্রয়োজন নেই। এগুলো বাদ না দিতে পারলে, লসটা আপনারই..!!

#সংগৃহীত

সুখ খোঁজছো?সুখ হলো মনের ব্যাপার, তুমি মনকে যেখানে স্থির করতে পারবে সেখানেই সুখ পাবে! 😌❤️___🗿
15/10/2025

সুখ খোঁজছো?
সুখ হলো মনের ব্যাপার, তুমি মনকে যেখানে স্থির করতে পারবে সেখানেই সুখ পাবে! 😌❤️
___🗿

Don't be sad Don't be stressed Don't be upset, because God is always with us🌊♥️
15/10/2025

Don't be sad
Don't be stressed
Don't be upset, because God is always with us🌊♥️

🦅 কেন ঈগলরা “নিনি” বাচ্চা বড় করে না?কারণ তারা অলসদের বড় করে না—তারা গড়ে তোলে আকাশের যোদ্ধা।যখন ছোট্ট ঈগলটা উড়ার মতো ...
15/10/2025

🦅 কেন ঈগলরা “নিনি” বাচ্চা বড় করে না?

কারণ তারা অলসদের বড় করে না—
তারা গড়ে তোলে আকাশের যোদ্ধা।

যখন ছোট্ট ঈগলটা উড়ার মতো বড় হয়, মা ঈগল তখন আর তাকে আদর-আহ্লাদে জড়িয়ে রাখে না।
সে বাসা থেকে তুলে ফেলে নরম পালক আর তুলো; রেখে দেয় শুধু কাঁটা ও কাঠির খোঁচা।

কেন জানো?
কারণ আরাম কখনো শেখায় না—বরং থামিয়ে দেয়।
যে বাসা একসময় নিরাপত্তার প্রতীক ছিল, এখন সেটাই হয়ে যায় স্থবিরতার ফাঁদ।

যখন সেই বাচ্চা ঈগল অস্থির হয়ে কাঁদে, ভয় পায়, মায়ের দিকে চেয়ে সাহায্য চায়—
তখন মা ঈগল কিছুই বলে না, শুধু করে একটাই কাজ:
সে তাকে তুলে নিয়ে আকাশে ছুড়ে দেয়!
না কোনো অনুমতি, না কোনো ক্ষমা, না কোনো বিলম্ব।

কেন?
কারণ সে জানে—
ডানা তখনই কাজ করে, যখন উড়ার প্রয়োজন পড়ে।

প্রথমে বাচ্চা ঈগল পড়ে যায়, ডানা ঝাপটায়, বাতাসে হোঁচট খায়…
মনে হয় পড়ে যাবে নিচে!
কিন্তু না—
মা ঈগল তখন ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাকে ধরে আবার উপরে তুলে আনে।
তারপর আবার ছেড়ে দেয়!
আবার, আবার, বারবার…

যতক্ষণ না সেই ছোট্ট ঈগল নিজের ডানায় ভর করে উড়ে যায়—
নিজের আকাশে, নিজের স্বাধীনতায়।

ঈগলরা অলস সন্তান বড় করে না।
তারা ভয়ে শিক্ষা দেয় না।
তারা এমন সুরক্ষা দেয় না, যা সন্তানকে দুর্বল করে ফেলে।

তারা জানে—
তুমি হয় উড়বে, না হয় উড়তেই শিখবে।
কারণ জীবনের এক সময় আসে,
যখন সত্যিকারের ভালোবাসা তোমাকে আর সান্ত্বনা দেয় না—
বরং তোমাকে ঠেলে দেয় সামনে,
যেন তুমি তোমার নিজের আকাশ ছুঁয়ে ফেলো। 💫


(Collected)

৪৯ হাজার দর্শকের আর মাঠের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে ড্র নিয়ে আসাটাও একটা বড় অর্জনঅভিনন্দন বাংলাদেশ অনেক ভালো খেলেছো🇧🇩❤️
14/10/2025

৪৯ হাজার দর্শকের আর মাঠের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে ড্র নিয়ে আসাটাও একটা বড় অর্জন
অভিনন্দন বাংলাদেশ অনেক ভালো খেলেছো🇧🇩❤️

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের ক্লাস চলছে। শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বললেন, আজ পড়াব না, একটা এক্সপেরিমেন...
14/10/2025

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের ক্লাস চলছে। শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বললেন, আজ পড়াব না, একটা এক্সপেরিমেন্ট করব।

সবাই উৎসুক হয়ে চেয়ে রইল।

ক্লাসের মাঝামাঝি সারিতে বসা একটি মেয়েকে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কি বিয়ে হয়েছে?

মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে গেল। মাথা নিচু করে বলল, হয়েছে স্যার। আমার দুই বছরের একটা ছেলেও আছে।

শিক্ষক হাসি হাসি মুখ নিয়ে মেয়েটিকে বললেন, আজকের জন্য তুমিই শিক্ষক। এই নাও মার্কার। যাও, বোর্ডে গিয়ে তোমার প্রিয় দশজন মানুষের নাম লেখো!

মেয়েটা বোর্ডে তার সবচেয়ে পছন্দের দশজন মানুষের নাম লিখল। শিক্ষক বললেন, এরা কারা? ডান পাশে তাদের পরিচয় লেখো।

মেয়েটি তাই করল।

বাবা, মা, স্বামী, সন্তান, বড় বোন, ছোট ভাই, ১ জন বেস্ট ফ্রেন্ড, ৩ জন বন্ধু (এর মধ্যে ২ জন ক্লাসমেট এবং তারা ক্লাসেই আছে)।

এবার শিক্ষক বললেন, লিস্ট থেকে তিনজনকে মুছে দাও।

মেয়েটি তার ক্লাসমেটদের নাম মুছে দিল।

শিক্ষক মুচকি হেসে বললেন, আরো তিনজনের নাম মোছো।

মেয়েটা এবার একটু চিন্তায় পড়ল।

ক্লাসের অন্য স্টুডেন্টরা এতক্ষণে বিষয়টিকে সিরিয়াসলি নিলো। মেয়েটি ধীরে ধীরে বেস্ট ফ্রেণ্ড, বড় বোন আর ছোট ভাইয়ের নাম মুছে দিল।

শিক্ষক বললেন, এবার আরো দুইজনের নাম মুছে দাও।

মেয়েটার হাত কাঁপছে। সে দ্বিধাভরে বাবা এবং মায়ের নামও মুছে দিল। এখন মেয়েটা রীতিমতো কাঁদছে।

যে মজা দিয়ে ক্লাসটি শুরু হয়েছিল তা একটুও অবশিষ্ট নেই। ক্লাসের সবার মধ্যেই টান টান উত্তেজনা। লিস্টে বাকি আছে আর দুইজন, মেয়েটার স্বামী ও সন্তান।

শিক্ষক বললেন, আর একজনের নাম মোছো।

কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। কারোর নামই সে মুছতে পারছে না।

শিক্ষক বললেন, মা গো, এটা একটা সাইকোলজির খেলা। জাস্ট প্রিয় মানুষেদের নাম মুছে দিতে বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!

মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাতে তার সন্তানের নাম মুছে দিল।

শিক্ষক এবার মেয়েটার কাছে গেলেন। পকেট থেকে একটা গিফট বক্স বের করে বললেন, তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেল তার জন্যে আমি দুঃখিত। এই গিফট বক্সে দশটা উপহার আছে, তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য। এবারে বলো, কেন তুমি নামগুলো মুছলে?

মেয়েটা বলল, প্রথমে বন্ধুদের নাম মুছে দিলাম, কারণ তবুও আমার কাছে পরিবারের সবাই আর বেস্ট ফ্রেন্ড থাকল। পরে যখন আরো নাম মুছতে বললেন, তখন বেস্ট ফ্রেণ্ড, বড় বোন, ছোট ভাই আর মা বাবার নাম মুছে দিলাম। ভাবলাম বাবা মা কারো চিরদিন থাকে না। স্বার্থের কারণে বড় ভাই ও ছোট বোন যেকোনো সময় পর হয়ে যেতে পারে। আর বেস্ট ফ্রেণ্ড না থাকলে কি হয়? আমার কাছে আমার ছেলে আর তার বাবাই বেস্ট ফ্রেণ্ড। কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুইজনের মধ্যে একজনকে মুছতে বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। পরে ভেবে দেখলাম, ছেলে বড় হয়ে একদিন আমাকে ফেলে চলে গেলেও যেতে পারে, কিন্তু ছেলের বাবা তো কোনোদিন আমাকে ছেড়ে যাবে না।



(Collected)

Address

Satkhira
9400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jony's DIARY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jony's DIARY:

Share