Md. Baki Billah

Md. Baki Billah Founder & Chairman, GTFC Foundation
Founder, Education Growth Lab
Founder, Career Intelligence

অনেক প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নিয়োগ দেয়, কিন্তু কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্যায়ন করে না।ফলে একজন শিক্ষক পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায...
09/08/2026

অনেক প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নিয়োগ দেয়, কিন্তু কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্যায়ন করে না।
ফলে একজন শিক্ষক পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় থেকে যেতে পারেন।
কেউ তাঁকে বলেন না—
আপনি কোথায় ভালো করছেন।
আর কোথায় উন্নতির সুযোগ আছে।
একজন চিকিৎসকের যেমন নিয়মিত রোগী দেখার দক্ষতা উন্নত করতে হয়, একজন খেলোয়াড়ের যেমন নিয়মিত পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ হয়, তেমনি একজন শিক্ষকেরও নিয়মিত পেশাগত মূল্যায়ন প্রয়োজন।
তবে একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার।
মূল্যায়ন কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়।
এটি একটি উন্নয়ন প্রক্রিয়া।

-Md Baki Billah
Founder, Education Growth Lab


শিক্ষকদের এত পরিশ্রমের পরও কেন শিক্ষার্থীরা শিখতে চায় না?❓❓আপনি প্রতিদিন আগের চেয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করছেন। নতুন নতুন ক...
18/07/2026

শিক্ষকদের এত পরিশ্রমের পরও কেন শিক্ষার্থীরা শিখতে চায় না?❓❓

আপনি প্রতিদিন আগের চেয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করছেন। নতুন নতুন কাজের দায়িত্ব পালন করছেন, অসংখ্য নথিপত্র তৈরি করছেন, বিভিন্ন তথ্য মিলিয়ে রিপোর্ট করছেন। তবুও দিনের শেষে মনে হয়—এত পরিশ্রম করেও যেন কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের আগ্রহও দিন দিন কমে যাচ্ছে।

অনেকে এর জন্য প্রযুক্তিকে দায়ী করেন। কিন্তু সমস্যার মূল কারণ এটি নয়। এর পেছনে আরও গভীর একটি বিষয় কাজ করছে।

নতুন নতুন শিক্ষা উদ্যোগের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা :
শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য প্রায়ই নতুন নতুন উদ্যোগ (Initiative) নেওয়া হয়। নতুন কারিকুলাম আসে, নতুন শিক্ষণ-পদ্ধতি চালু হয়, নতুন প্রশিক্ষণ হয়। সবকিছু এমনভাবে সাজানো হয়, যেন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে একটি নিখুঁত পরিকল্পনা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসব উদ্যোগ সাধারণত ১ থেকে ৩ বছর পরপর বদলে যায়। শিক্ষকরা প্রায়ই মনে করেন, নতুন নামে যা আসছে, সেটি আসলে আগের ধারণারই আরেকটি সংস্করণ; শুধু ভাষা বদলেছে।

কখনও গুরুত্ব পায় Maslow's Hierarchy, কখনও Bloom's Taxonomy, আবার কখনও VAK (Visual, Auditory, Kinesthetic) বা Marzano's Nine Essential Instructional Strategies।

তাহলে সমস্যা কোথায়?

এসব তত্ত্ব বা কৌশলের মধ্যে মৌলিক কোনো ত্রুটি নেই। বরং এগুলোর অনেকগুলোই কার্যকর এবং শিক্ষককে আরও ভালোভাবে পাঠদান করতে সাহায্য করে।

কিন্তু একটি বড় সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

এসব উদ্যোগ সমস্যার মাত্র অর্ধেক অংশ সমাধান করে।

এগুলো শিক্ষককে শেখায় কীভাবে পড়াতে হবে।

কিন্তু শিক্ষার্থীকে শেখায় না কীভাবে শিখতে হবে।

অর্থাৎ—

কীভাবে তথ্য গ্রহণ করবে,
কীভাবে বিশ্লেষণ করবে,
কীভাবে প্রশ্ন করবে,
কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবে,
কিংবা কীভাবে শেখার দায়িত্ব নিজের হাতে নেবে—

এসব বিষয় খুব কমই শেখানো হয়।

কিছু বাস্তব উদাহরণ-

Maslow-এর তত্ত্ব:
Maslow আমাদের শেখান, একজন শিক্ষার্থীর মৌলিক শারীরিক ও মানসিক চাহিদা পূরণ হলে সে শেখার জন্য উপযুক্ত অবস্থায় থাকে।

এটি শিক্ষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

কিন্তু আমরা কি শিক্ষার্থীদের শেখাই—কীভাবে তারা নিজের মানসিক চাপ, হতাশা বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে শেখার উপযোগী অবস্থায় পৌঁছাবে?

Bloom's Taxonomy:
Bloom আমাদের শেখান, শেখার বিভিন্ন স্তর রয়েছে—মনে রাখা, বোঝা, বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন, সৃজনশীলতা ইত্যাদি।

কিন্তু শিক্ষার্থীরা কি নিজেরাই জানে এই স্তরগুলো কী? কিংবা কীভাবে তারা নিম্নস্তরের শেখা থেকে উচ্চস্তরের চিন্তায় পৌঁছাতে পারে?

VAK Learning Styles:
শিক্ষকদের জন্য জানা জরুরি যে, বিভিন্ন শিক্ষার্থী বিভিন্নভাবে শেখে—কেউ দেখে, কেউ শুনে, কেউ হাতে-কলমে কাজ করে।

কিন্তু একজন শিক্ষার্থীর জন্য এই তথ্যের ব্যবহারিক মূল্য কতটুকু?

সে হয়তো জানল যে তার শেখার ধরন ভিন্ন। কিন্তু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বা শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম তো সে নিজে পরিবর্তন করতে পারবে না।

Marzano-এর Instructional Strategies:
Marzano শিক্ষকদের পরামর্শ দেন, সম্পর্ক বোঝাতে ছবি, প্রতীক ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা ব্যবহার করতে।

এটি নিঃসন্দেহে কার্যকর।

কিন্তু আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিক্ষার্থীদের শেখানো—কীভাবে তারা নিজেরাই ডায়াগ্রাম, চিত্র বা মানচিত্র তৈরি করবে।

কারণ অন্যের তৈরি ছবি মুখস্থ করার চেয়ে নিজের তৈরি ভিজ্যুয়াল মস্তিষ্কে অনেক গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।

শিক্ষক কি একাই সব করবেন?
আজকের শিক্ষকদের জন্য অসংখ্য কৌশল, নির্দেশনা ও প্রত্যাশা রয়েছে।

কী করবেন, কীভাবে করবেন, কীভাবে মূল্যায়ন করবেন—সবকিছুই যেন শিক্ষকের দায়িত্ব।

ফলে শিক্ষক প্রতিদিন আরও বেশি কাজ করেন, কিন্তু ধীরে ধীরে নিজেকে আরও কম কার্যকর মনে করতে থাকেন।

এটা অস্বাভাবিক নয়।

কারণ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং শিক্ষা-সংক্রান্ত অধিকাংশ আলোচনাই একটি বিষয় ধরে নিয়েছে—

শিক্ষকই সব করবেন।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরা শুধু—

নির্দেশনা অনুসরণ করে,
তৈরি করা নোট মুখস্থ করে,
ফাঁকা স্থান পূরণ করে,
এবং অন্যের করা প্রশ্নের উত্তর দেয়।

কিন্তু নিজেরা প্রশ্ন করতে শেখে না।

সমাধান কোথায়?

শিক্ষার সমীকরণের বাকি ৫০ শতাংশ হলো—

শিক্ষার্থীকে শেখানো, কীভাবে শিখতে হয়।

যখন শিক্ষার্থী নিজেই শেখার কৌশল আয়ত্ত করবে, তখন সে আর শুধু তথ্য গ্রহণ করবে না; বরং নিজেই শেখার দায়িত্ব নেবে।

এই কৌশলগুলো তাকে শেখাবে—

নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে,
শেখার উদ্দেশ্য ঠিক করতে,
পড়াশোনা ও উপকরণ গুছিয়ে রাখতে,
পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়তে,
এবং নিয়মিত নিজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে।

খেয়াল করুন, এসবের কোনোটিই শিক্ষকের কাজ বাড়ায় না।

বরং শিক্ষার্থীকেই তার নিজের সাফল্যের দায়িত্ব নিতে শেখায়।

একজন শিক্ষক তখন কী হন?

যখন শিক্ষার্থীরা শেখার কৌশল আয়ত্ত করে, তখন শিক্ষককে আর প্রতিটি ধাপে টেনে নিয়ে যেতে হয় না।

তিনি হয়ে ওঠেন একজন অনুপ্রেরণাদাতা, কোচ এবং পথপ্রদর্শক।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থী—উভয়ের ওপরই চাপ কমে।

শেখার আনন্দ বাড়ে।

আর শিক্ষা হয়ে ওঠে সত্যিকার অর্থে অংশীদারিত্বের একটি প্রক্রিয়া, যেখানে শিক্ষক শুধু জ্ঞান দেন না; শিক্ষার্থীকেও শেখান কীভাবে আজীবন শেখা যায়।

18/07/2026
একজন শিক্ষক হিসেবে বর্তমানে আপনার সবচেয়ে বড় Challenge কোনটি?১. শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা।২. Classroom Management।৩. ...
14/07/2026

একজন শিক্ষক হিসেবে বর্তমানে আপনার সবচেয়ে বড় Challenge কোনটি?
১. শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা।
২. Classroom Management।
৩. নিজের Motivation ও Energy ধরে রাখা।
৪. Time Management (স্কুল, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন ব্যালেন্স করা)।
৫. প্রযুক্তি (AI, Digital Tools) কার্যকরভাবে ব্যবহার করা।
৬. নিজের Professional Growth-এর জন্য সময় বের করা।
৭. অন্যান্য (নিজের ভাষায় লিখুন)।

আপনার উত্তরটি শুধু নম্বর লিখেও দিতে পারেন, অথবা চাইলে বিস্তারিত লিখতে পারেন।

অনেকেই ভাবেন, পদবি বড় হলেই মানুষ তাকে অনুসরণ করবে। কিন্তু প্রকৃত নেতৃত্ব আসে— সততা থেকে, দক্ষতা থেকে, সিদ্ধান্তের মান থ...
09/07/2026

অনেকেই ভাবেন, পদবি বড় হলেই মানুষ তাকে অনুসরণ করবে। কিন্তু প্রকৃত নেতৃত্ব আসে— সততা থেকে, দক্ষতা থেকে, সিদ্ধান্তের মান থেকে, মানুষের প্রতি সম্মান থেকে, এবং বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে। মানুষ পদবিকে নয়, নেতাকে অনুসরণ করে।
Md Baki Billah

আপনি যা জানেন,সেটাই আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ।কেউ আপনার শিক্ষা কেড়ে নিতে পারে না।তাহলে আর দেরি কেন?আজ থেকেই জানুন, জ্ঞানী...
01/03/2026

আপনি যা জানেন,
সেটাই আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ।
কেউ আপনার শিক্ষা কেড়ে নিতে পারে না।

তাহলে আর দেরি কেন?
আজ থেকেই জানুন, জ্ঞানী-গুণীদের সংস্পর্শে থাকুন 🙂।
আর নিজেকে গড়ুন। 🚀

#জ্ঞানইশক্তি #উদ্যোক্তা #নিজেকেগড়ুন

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের (Class 6–10) জীবন হলো পরিবর্তনের সময় — শারীরিক, মানসিক, ও সামাজিক দিক থেকে। এই সময়েই তা...
16/11/2025

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের (Class 6–10) জীবন হলো পরিবর্তনের সময় — শারীরিক, মানসিক, ও সামাজিক দিক থেকে। এই সময়েই তারা পরিচয় সংকট, আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি, পড়াশোনায় অনীহা, বন্ধুবান্ধবের প্রভাব ইত্যাদি নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। নিচে তাদের মূল সমস্যা ও অভিভাবকদের করণীয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো —

🎯 শিক্ষার্থীদের সাধারণ সমস্যা
১. পড়াশোনায় অনাগ্রহ ও মনোযোগের অভাব
- সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয়
- পড়াশোনাকে “বাধ্যতামূলক কাজ” হিসেবে দেখা
- দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাসের অভাব
- শেখার উদ্দেশ্য না বোঝা

২. আত্মবিশ্বাস ও আত্মপরিচয়ের সংকট
- পরীক্ষায় ব্যর্থতা বা কম ফলাফলে আত্মবিশ্বাস হারানো
- অন্যের সঙ্গে তুলনা (বন্ধু, আত্মীয়, ভাইবোন)
- নিজের সক্ষমতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা

৩. মানসিক চাপ ও হতাশা
- পড়ার চাপ, পরীক্ষার ভয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ
- বন্ধুত্বজনিত সমস্যা বা সম্পর্কের টানাপোড়েন
- পিতামাতার উচ্চ প্রত্যাশা

৪. আচরণগত সমস্যা
- অবাধ্যতা, রাগ, অস্থিরতা, মনোযোগের ঘাটতি
- পরিবারে বা স্কুলে শৃঙ্খলা মানতে অনীহা

৫. প্রযুক্তি নির্ভরতা ও নেশা
- গেম, মোবাইল, টিকটক, ইউটিউবের প্রতি আসক্তি
- ঘুমের ঘাটতি ও সময় ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা

৬. নৈতিক ও চারিত্রিক দুর্বলতা
- মিথ্যা বলা, দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া
- বন্ধুবান্ধবের নেতিবাচক প্রভাব
- নৈতিক দিকের অনুশীলনের অভাব

🧭 অভিভাবকদের করণীয়
১. বোঝার চেষ্টা করুন, বিচার নয়
- সন্তানের সমস্যার কারণ জানতে চেষ্টা করুন, প্রথমেই দোষারোপ করবেন না।
- “তুমি পারবে না” না বলে “চেষ্টা করো, আমি পাশে আছি” বলুন।

২. নিয়মিত যোগাযোগ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক
- প্রতিদিন অন্তত ১৫–২০ মিনিট সন্তানকে সময় দিন, কথা বলুন।
- তার বন্ধু, শিক্ষক ও আগ্রহের বিষয়গুলো জানুন।

৩. ইতিবাচক শেখার পরিবেশ তৈরি করুন
- পড়াশোনার জন্য শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন।
- টিভি বা মোবাইল ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ করুন, কিন্তু কড়া নিষেধ নয়।

৪. ভালো অভ্যাস গড়ে তুলুন
- একসঙ্গে নামাজ পড়া, বই পড়া, সময়মতো ঘুমানো ও উঠার অভ্যাস তৈরি করুন।
- কাজের দায়িত্ব দিন — নিজের ঘর পরিষ্কার, বই সাজানো ইত্যাদি।

৫. মনোবল ও আত্মবিশ্বাস জাগান
- ছোট অর্জনেও প্রশংসা করুন।
- ব্যর্থতাকে শেখার অংশ হিসেবে দেখতে শেখান।

৬. শিক্ষকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন
- শুধুমাত্র রেজাল্ট জানতে নয়, বরং সন্তানের আচরণ, মনোভাব, ও অগ্রগতি জানুন।

৭. সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখুন
- যদি সে চুপচাপ, উদ্বিগ্ন বা অতিরিক্ত রাগী হয় — তা গুরুত্ব দিন।
- প্রয়োজনে কাউন্সেলিং বা প্রশিক্ষণমূলক সেশন বিবেচনা করুন।

৮. নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় জোর দিন
- নিয়মিত কুরআন, নৈতিক গল্প বা জীবনঘনিষ্ঠ আলোচনা করুন।
- শুধু জ্ঞান নয়, আচরণেও আদর্শ হতে উৎসাহ দিন।

🔰 মো. বাকী বিল্লাহ; শিশুশিক্ষা ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন প্রশিক্ষক🖊️

22/10/2025

Happy Weekend!

গ্রামের বাড়িতে ২০২১ সালে...
04/07/2025

গ্রামের বাড়িতে ২০২১ সালে...

আহসানুল কাওলি মিনাল কুরআন...
04/07/2025

আহসানুল কাওলি মিনাল কুরআন...

Address

GTFC School Road, Moddhopara, Kalma-1
Savar
1341

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Baki Billah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md. Baki Billah:

Shortcuts

Share