24/02/2026
ধরেন, কামারের চর কিংবা চরমোচারিয়া থেকে হঠাৎ জরুরি প্রসবব্যথা উঠেছে এক গর্ভবতী মায়ের। সকাল দশটা–এগারোটার সময়। গ্রামের গাইনী দিয়ে কাজ হচ্ছে না। ইমার্জেন্সি শেরপুরের কোন হাসপাতালে নিতে হবে।
গাড়িতে চড়ে রওনা দিলেন শেরপুরের পথে।
কিন্তু শেরপুরে ঢুকতেই আপনাকে পেরোতে হবে কুসুমহাটি বাজার জমসেদ আলী কলেজের সামনের সেই চিরচেনা যানজট। কাঁচাবাজার গড়িয়ে এসেছে রাস্তায়, ফুটপাত দখল হয়ে গেছে দোকানে, ট্রাক ইউটার্ন করছে মাঝরাস্তায়, অটোরিকশা তিন লাইন করে দাঁড়িয়ে।
বাজার কতৃপক্ষের নেই কার্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ।
একটা অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে সাইরেন বাজাতেই থাকছে তো থাকছে—তাকে জায়গা করে দিতে হলেও তিনসারির অটো সরে যেতে হবে। তারপর চিপায় ঢুকিয়ে আগে পার হতে চাওয়া বাইকারদের জায়গা থেকে সরে যেতে হবে। রাস্তাতেই কাঁচামাল আনলোড হচ্ছে। কে কাকে জায়গা ছাড়ে?
এই মাঝপথে এসে প্রসূতিকে নিয়ে এসে আবার ভাবতে হয় জামালপুর নিয়ে গেলেই বোধহয় ভালো হতো। কিন্তু ততক্ষণে পেছনেও গাড়ির জটলা তৈরি হয়ে গেছে।
বাচ্চা প্রসবের আগেই যদি মাকে হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়—তাহলে এই কৃত্রিম যানজট কি শুধু “অসুবিধা”, নাকি এটা সরাসরি জননিরাপত্তার প্রশ্ন?
আমি পরশুদিন এইখানে দশ মিনিটের বেশি দাঁড়িয়ে থাকা এক অ্যাম্বুলেন্সকে ক্রমাগত সাইরেন দিতে দেখছি।
👉আমি প্রশ্নটা শুধু এক গর্ভবতী মায়ের কথা কল্পনা করে রেখে গেলাম। এই অবস্থা আর কতদিন চলবে.....?
কবে প্রশাসন ও বাজার কর্তৃপক্ষ বাস্তব সমাধানে নামবে.....?
👉আমি কুসুমহাটি বাজার বনিক সমিতি এবং বাজার কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, রাস্তার যেন বাজার বসিয়ে যানজট সৃষ্টি না করে, সেই দিকে খেয়াল রাখবেন।
কপিপোস্ট।