Ulamaye Sarsina উলামায়ে ছারছীনা

Ulamaye Sarsina উলামায়ে ছারছীনা ধর্ম যার যার দেশ সবার,দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র সবাই মিলে রুখে দিব ইনশাআল্লাহ !!
শাহ আবু নছর নেছার উদ্দীন আহমদ হুসাইন
পীর সাহেব,ছারছীনা দরবার শরীফ।

পীর মরহুম হুজুর রহঃ'র ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে ইছালে সওয়াব মাহফিলে ছারছীনা স্টেজে আলোচনা করছেন  আল্লামা ওসমান গনি সালেহ...
07/07/2025

পীর মরহুম হুজুর রহঃ'র ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে ইছালে সওয়াব মাহফিলে ছারছীনা স্টেজে আলোচনা করছেন আল্লামা ওসমান গনি সালেহী সাহেব (মা,জি,আ)

পীর মরহুম হুজুর রহঃ'র ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে ইছালে সওয়াব মাহফিলে ছারছীনা স্টেজে আলোচনা করছেন ডক্টর আল্লামা কাফীলুদ্দী...
07/07/2025

পীর মরহুম হুজুর রহঃ'র ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে ইছালে সওয়াব মাহফিলে ছারছীনা স্টেজে আলোচনা করছেন ডক্টর আল্লামা কাফীলুদ্দীন সরকার সালেহী।

07/07/2025

বাদ জোহর ছারছীনা স্টেজে আলোচনা করছেন ফুরফুরা দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী আল কুরাইশী।

মিলাদ কেয়াম এবং আমিরে হিজবুল্লাহ হযরত পীর সাহেব হুজুর কেবলার (মা,জি,আ,) এর দোয়ার মাধ্যমে শেষ হলো আজকের ইফতার মাহফিল ।
06/07/2025

মিলাদ কেয়াম এবং আমিরে হিজবুল্লাহ হযরত পীর সাহেব হুজুর কেবলার (মা,জি,আ,) এর দোয়ার মাধ্যমে শেষ হলো আজকের ইফতার মাহফিল ।

নেছার ছালেহ আশা ছিলো ছারছিনায় মিনার, দূর থেকে শুনবে মুমিন আল্লাহু আকবর 🤍🥀
22/06/2025

নেছার ছালেহ আশা ছিলো ছারছিনায় মিনার,
দূর থেকে শুনবে মুমিন আল্লাহু আকবর 🤍🥀

ত্যাগের মহাসংস্কৃতিঈদুল আজহার প্রভাতের স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত হয় এক মহিমান্বিত ত্যাগের দিন। এই দিনের মাহাত্ম্য কেবল পশু ক...
06/06/2025

ত্যাগের মহাসংস্কৃতি

ঈদুল আজহার প্রভাতের স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত হয় এক মহিমান্বিত ত্যাগের দিন। এই দিনের মাহাত্ম্য কেবল পশু কুরবানিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা অন্তরের পশুত্ব ত্যাগের এক বিরাট শিক্ষা দেয়। কুরবানির প্রকৃত অর্থ আত্মনিবেদন—আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় বস্তু উৎসর্গ করা।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কুরবানির এক নিয়ম করে দিয়েছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুষ্পদ জন্তু কুরবানি করে। তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ, অতএব তাঁরই অনুগত হও।”
(সূরা হজ: ৩৪)

ইতিহাসের পাতায় আমরা দেখি, ইব্রাহিম (আ.) যখন স্বপ্নে আদিষ্ট হলেন তার প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে, তখন বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে তিনি সে আদেশ পালনের সিদ্ধান্ত নিলেন। আর ইসমাঈল (আ.)-এর জবাব ছিল:

“হে পিতা! আপনি যা আদিষ্ট হয়েছেন, তাই করুন। ইনশাআল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের মধ্যে পাবেন।”
(সূরা ছাফফাত: ১০২)

এই ঘটনা শুধু ইতিহাস নয়, এক চিরন্তন ত্যাগের নিদর্শন। ইব্রাহিম (আ.)-এর সেই ত্যাগ আল্লাহর কাছে এমনভাবে গৃহীত হয়েছিল যে, তা কিয়ামত পর্যন্ত মুসলমানদের জন্য এক সুন্নাহরূপে নির্ধারিত ।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:

“কুরবানির দিনে আদম সন্তানের কোনো কাজ আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। নিশ্চয়ই কুরবানির পশু কিয়ামতের দিন তাদের শিং, খুর ও লোমসহ আগমন করবে। রক্ত জমিনে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। অতএব, খুশিমনে কুরবানি কর।”
(তিরমিজি: ১৪৯৩)

কুরবানি যেন হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, সামাজিক দম্ভ প্রদর্শনের জন্য নয়। কুরবানির পশু যত বড়ই হোক, যদি নিয়ত বিশুদ্ধ না হয়, তবে তা আল্লাহর দরবারে গৃহীত হয় না।

“আল্লাহর কাছে পশুর গোশত ও রক্ত পৌঁছায় না; বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।”
(সূরা হজ: ৩৭)

এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কুরবানি শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আত্মার ভেতরের খাঁটি নিবেদনই কুরবানির মূল।

আজকের সমাজে কুরবানি এক রকম সামাজিক প্রতিযোগিতায় রূপ নিচ্ছে—কে বড় গরু কাটে, কে সুন্দর ছবি তোলে। অথচ প্রকৃত কুরবানি হলো আত্মপরিশুদ্ধির এক উপায়, ধনীদের সহমর্মিতা প্রকাশের একটি মাধ্যম। দরিদ্র, অসহায়, ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত করাও এই ইবাদতের অংশ।

আসুন, আমরা যেন এই কুরবানির মাধ্যমে শুধুমাত্র পশু নয়, বরং নিজেদের অহংকার, হিংসা, কৃপণতা ও সব ধরণের পাপময় প্রবৃত্তিকেও কুরবানি করি। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অন্তর থেকে কিছু ছাড়ার মানসিকতা গড়ে তুলি।

এই হোক কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা—ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রেমে আত্মবিসর্জন।

লেখা - Shah Nesarullah মুহতারাম ছোট হুজুর কেবলা (মা:জি:আ:)

আলহামদুলিল্লাহ!২০২৫ সালের হজের খুতবা প্রদান করেছেন সম্মানিত শায়খ ড. সালেহ বিন আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ (হাফিযাহুল্লাহ)।তিনি...
05/06/2025

আলহামদুলিল্লাহ!

২০২৫ সালের হজের খুতবা প্রদান করেছেন সম্মানিত শায়খ ড. সালেহ বিন আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ (হাফিযাহুল্লাহ)।
তিনি মসজিদুল হারামের অভিজ্ঞ ইমাম, সৌদি শুরা কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে আন্তর্জাতিক ইসলামিক ফিকহ একাডেমির সভাপতি।

খুতবাটি ৩৭টি ভাষায় অনুবাদ ও সম্প্রচার করা হয়েছে—বাংলা ভাষাও তার একটি।
আপনি চাইলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সার্চ করে বাংলা অনুবাদসহ খুতবাটি শুনতে পারেন।

আল্লাহ তাআলা যেন হাজী ভাইদের পবিত্র হজকে কবুল করেন, এবং যাদের এই পবিত্র হজে অংশগ্রহণের তাওফিক হয়নি তাদেরকে যেন অতি শীঘ্রই পবিত্র হজ পালনের তাওফিক দান করেন।
আমিন।

তাকবীরে তাশরীক একবার পড়া ওয়াজিব, তিনবার পড়া মুস্তাহাব এবং এটাই স্বীকৃত মত।নিচের লেখাটি পড়লে এ নিয়ে আর কোনো দ্বন্দ্ব...
04/06/2025

তাকবীরে তাশরীক একবার পড়া ওয়াজিব, তিনবার পড়া মুস্তাহাব এবং এটাই স্বীকৃত মত।

নিচের লেখাটি পড়লে এ নিয়ে আর কোনো দ্বন্দ্ব ও সংশয় থাকবেনা, আশা করি।
__________________________________
এ ব্যাপারে বিখ্যাত ফিকহের কিতাব আদ্দুররুল মুখতার-এ লিখিত আছে-
(وَيَجِبُ تَكْبِيرُ التَّشْرِيقِ) فِي الْأَصَحِّ لِلْأَمْرِ بِهِ (مَرَّةً) وَإِنْ زَادَ عَلَيْهَا يَكُونُ فَضْلًا قَالَهُ الْعَيْنِيُّ.
অর্থ: বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী এ বিষয়ে নির্দেশ থাকায় তাকবীরে তাশরীক একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি কেউ একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফজিলতের কারণ হবে। এ কথা ইমাম আইনী রহ. বলেছেন।

তবে ইমাম ইবন আবিদীন শামী রহ. রদ্দুল মুহতারে ইমাম হামাভী রহ.-এর কওল এনে বলেছেন যে, ইমাম হামাভী রহ. ইমাম কারাহাছারি রহ. থেকে উদ্ধৃতি নকল করে বলেছেন, তাকবীরে তাশরীক দু’বার পাঠ করা খেলাফে সুন্নাহ (সুন্নাহ বিরোধী)।

এই এক ব্যক্তির কওল টেনে কিছু কওমী ভাইয়েরা বলে থাকেন, তাকবীরে তাশরীক তিনবার পড়া বিদআত। অথচ অন্যান্য ইমামগণ যে একাধিকবার পড়া মুস্তাহাব বা ফজিলতের কারণ বলে উল্লেখ করেছেন, তা তাদের নজরে পড়ল না।

‘হাশিয়ায়ে তাহতাবী’ কিতাবে ‘একাধিকবার পড়া সুন্নাহবিরোধী’ এ কথার জবাবে বলা হয়েছে, কেউ যদি সুন্নাহ মনে করে একাধিকবার পাঠ করে, তবে খেলাফে সুন্নাহ হবে। আর সাধারণ জিকর হিসেবে কেউ একাধিকবার পাঠ করে, তবে তা মুস্তাহাব হবে। মূল কিতাবের ভাষ্য নিম্নে পেশ করা হল-
( ويأتي به مرة ) وما زاد فهو مستحب قال البدر العيني في شرح التحفة وأقره في الدر وفي الحموي عن القراحصاري الإتيان به مرتين خلاف السنة وفي مجمع الأنهر أن زاد فقد خالف السنة اه ولعل محله ما إذا أتى به على أنه سنة وأما إذا أتى به على أنه ذكر مطلق فلا
অর্থ: তাকবীরে তাশরীক একবার পাঠ করবে, তবে এর চেয়ে বেশি পড়া মুস্তাহাব, যা ইমাম আইনী রহ. ‘শরহে তুহফা’ কিতাবে বলেছেন। ‘আদ্দুররুল মুখতার’ প্রণেতা (একাধিকবার পড়া মুস্তাহাব) এ ব্যাপারটি স্বীয় কিতাবে আরো সুদৃঢ়ভাবে সাব্যস্ত করেছেন। আর ‘হামাভী’ কিতাবে ইমাম কারাহাছারি রহ. থেকে বর্ণিত আছে, একাধিকবার পড়া খেলাফে সুন্নাহ। তবে ‘মাজমাউল আনহার’ কিতাবে (খেলাফে সুন্নাহ কথার জবাব দিয়ে) বর্ণিত আছে, যদি সুন্নাহ মনে করে কেউ একাধিকবার পাঠ করে, তাহলে তা খেলাফে সুন্নাহ হবে। আর সাধারণ জিকর হিসেবে কেউ যদি একাধিকবার পাঠ করে, তাহলে তা সুন্নাহবিরোধী হবেনা।

উপরোক্ত নির্ভরযোগ্য কিতাবের বর্ণনা দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব এবং তিনবার বা একাধিকবার বলা মুস্তাহাব। এসব বর্ণনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়, বরং সর্বনিম্ন হল একবার; আর সর্বোচ্চ যে যতবার পড়তে চায় পড়তে পারবে, কোনো অসুবিধা নেই। সর্বনিম্ন একবার পাঠ করাকে ফুকাহায়ে কেরাম ওয়াজিব বলেছেন।

Address

Singra
5860

Telephone

+8801765237798

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ulamaye Sarsina উলামায়ে ছারছীনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ulamaye Sarsina উলামায়ে ছারছীনা:

Share