Tareq Ahmed

Tareq Ahmed Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tareq Ahmed, Web designer, Sylhet.

বই: একদিন ছুটি হবে
21/02/2023

বই: একদিন ছুটি হবে

07/08/2022

অনেকগুলা আইটি কোম্পানি তাদের স্যালারি বাড়িয়েছে। খুবই প্রশংসনীয় কাজ। সবাই এই কাজ করা উচিত যার যার সাধ্যমত।

একটা কথা না বললেই না। আগেও কোম্পানি কাউকে ৫০০ ডলার বেতন দিতো, এখন স্যালারি বাড়ালেও হয়তো সেইম ৫০০ ডলারই বেতন আসবে যেহেতু আপনাদের সবার সেল মোটামুটি ডলারেই হয় কিন্তু বেতন বাংলা টাকায়। মাঝখান দিয়ে অনেকের দোয়া পাবেন। আল্লাহ এইসব কোম্পানির বরকত দান করুন।

ছবিতেঃ League of Legends European Championship Finale🤔 ই-স্পোর্টস কি? এটা খায় না মাথায় দেয়? ই-স্পোর্টস ক্রিকেট/ফুটবলের ম...
21/07/2022

ছবিতেঃ League of Legends European Championship Finale

🤔 ই-স্পোর্টস কি? এটা খায় না মাথায় দেয়?

ই-স্পোর্টস ক্রিকেট/ফুটবলের মতই একধরনের খেলা তবে পার্থক্য হল এটা অনলাইনে হয় এবং এগুলো ভিডিও গেমস। এখানেও টিম থাকে, লিডার থাকে, কোচ থাকে, প্ল্যান থাকে, স্ট্র‍্যাটেজি থাকে এবং দর্শক থাকে। ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, বেডমিন্টন, কাবাডি, বিস্কুট দৌড়, ষাড়ের লড়াই, মুরগীর লড়াই যেমন আলাদা আলাদা খেলার নাম, তেমনি DOTA, CS GO, Valorant, PUBG, Call of Duty, League of Legends, Street Fighter -ও কিছু খেলার নাম যেগুলো কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোন ব্যবহার করে খেলতে হয়। আর এই গেমগুলো অনলাইনে প্রতিযোগিতার মতো করেও খেলা যায়। এই প্রতিযোগিতা গুলো ক্রিকেট ফুটবলের মত গ্লোবাল স্টেজেও হয়ে থাকে।

🤔 ই-স্পোর্টস কি জুয়া খেলা?

ক্রিকেট ফুটবলে যেমন ট্রফি থাকে, প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচের পুরস্কার থাকে ঠিক তেমনি ভাবে ই-স্পোর্টস ইভেন্টেও ট্রফি এবং অন্যান্য পুরস্কার থাকে। সেটা টাকা কিংবা মেডেল যেকোনোটাই হতে পারে। তারমানে, ই-স্পোর্টস যদি জুয়া হয় তাহলে ক্রিকেট ফুটবলও জুয়া।

🤔 ই-স্পোর্টসের ভবিষ্যত কি?

ই-স্পোর্টস ইতিমধ্যে বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রিতে পরিনত হয়েছে। আর যা ধারনা করা হচ্ছে তাতে এই ইন্ডাস্ট্রি কেবলি গ্রো করবে। সেই সাথে প্রচুর কোম্পানি স্পনসর করছে, ইভেন্ট গুলো ন্যাশনাল টিভিতে ব্রডকাস্ট হচ্ছে এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড বিশাল বিশাল টুর্নামেন্ট হচ্ছে। উন্নত দেশ গুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অফিশিয়াল ভাবে ই-স্পোর্টস ইভেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে।

🤔 ই-স্পোর্টস খেলে কি সাকিব আল হাসান হওয়া যাবে?

ধারে কাছেতো অবশ্যই যাওয়া যাবে। Johan “N0tail” Sundstein কে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ধনি ই-স্পোর্টস স্টার বলা হয়। সে একজন ড্যানিস DOTA প্লেয়ার। তার সকল টুর্নামেন্টের আর্নিং একসাথে প্রায় ৬৯ কোটি টাকা।

🤔 তাহলে ই-স্পোর্টস খেললে বাংলাদেশে জেলে দেওয়া হয় কেন?

ভাই রে, অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে আসলে ফলাফল এরচেয়ে বেটার আর কি আশা করতে পারেন?

🤔 ভিডিও গেম তো একটা নেশা, এটা মানুষকে নষ্ট করে ফেলে, ঠিক না?

অতিমাত্রায় ভুল!! কারন নেশা যেকোনো কিছুরই হতে পারে। বই পড়াও একধনের নেশা। কেউ যদি নাওয়া, খাওয়া, ফ্যামিলি, সমাজ ভুলে শুধু বই পড়তে থাকে তাহলে তাকে কেউই নরমাল বলবে না। ঠিক তেমনি মাত্রাতিরিক্ত গেমের নেশাও ভালো না।

🤔 পাবজি গেমটা নিয়ে আপনার মন্তব্য কি?

এটা অন্যান্য ভিডিও গেমসের মতোই একটি গেম। কিন্তু এটা মোবাইলে খেলা যাওয়ার কারনে একটু বেশি রুট লেভেলে পৌছে গেছে। এবং সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন থাকার ফলে কেউ কেউ অনিয়ন্ত্রিত ভাবে এই গেমে আসক্ত হয়ে পরছে যা তাদের জন্য মোটেই কল্যানকর না। তবে হ্যা, কেউ যদি কেবলই বিনোদনের উদ্দেশ্যে না খেলে তার দক্ষতাকে প্রোফেশনালি কাজে লাগায় তখন ভিন্ন কথা।

🤔 পাবজি কি ব্যান করা উচিত?

সঠিক রিসার্চে যদি প্রমানিত হয় যে পাবজি আসক্তির কারনে ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা হচ্ছে না, বা অতিরিক্ত সময় নষ্ট করছে তাহলে আমি ব্যান করার পক্ষেই। তবে হ্যা, ব্যান করার চেয়েও ভালো পদ্ধতি হচ্ছে বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণ করা, সঠিক বয়সের আগে মোবাইল ফোন না দেওয়া এবং ফ্যামিলি থেকে সঠিক গাইডলাইন দেওয়া।

মোটকথা, গ্লোবাল ট্রেন্ড আমাদেরকে বেছে বেছেই ফলো করতে হবে। গ্লোবালি কিছু একটা হচ্ছে বলেই যে আমাদের দেশেও সেরকমই হবে বা হতে হবে তেমনটা একদমি না। আমাদের দেশে কিছু জিনিস ডেভেলপ হতে সময় লাগে। কিন্তু তাই বলে হুট করে কাউকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়াটা মোটেই কাম্য নয়। ই-স্পোর্টস বিষয়ে আমাদের জানার অনেক কমতি আছে বলেই আজ এই ঘটনা ঘটেছে। তারা কেউ জানেই না যে এই গেম খেলেও বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে যাওয়া যায়।

26/06/2022

Hyper text transfer protocol……

Hyper text transfer protocol হলো ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোটোকল। HTTP আবিষ্কার করেছিলেন স্যার টিম বার্নার (Tim Berner)। এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে। এটি ওয়েব ব্রাউজারগুলির জন্য একটি মান বা বৈশিষ্ট্য সরবরাহ করে যা ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করতে সহায়তা করে। HTTP বেশিরভাগ ওয়েবসাইটের দ্বারা কোনও ফাইল বা পেইজ প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা হয়।

07/06/2022

ফেসবুক এ্যালগোরিদম এর সবচেয়ে ভয়াবহ দিকটাই হচ্ছে পোলারাইজেশন। আমার যে বিষয় ভাল লাগে সেগুলোতে আমি ইন্টার‍্যাক্ট করি এবং ফেসবুক সেই রিলেটেড জিনিসই আমাদের দেখায়। এর ফলে বিপরীত মত, আদর্শ, চিন্তা এর অস্তিত্ব আমরা স্বীকারই করতে চাই না। ফেসবুক জানে আপনার অপছন্দের বা ভিন্ন মতের জিনিস বেশি দেখলে আপনি আসবেনই না এইখানে।

যেমন ধরেন, আপনি কথার কথা বিশ্বাস করেন পৃথিবী গোল না। পৃথিবী চ্যাপ্টা। আপনি দেখবেন Flat Earth Society নামে বিরাট কমিউনিটি, নানান পেজ আছে। যারা প্রমাণ, থিওরি দিবে যে পৃথিবী আসলে গোল না। চ্যাপ্টা। এই পোলারাইজেশন এর কারণে রাজনৈতিক বিভাজন, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, ঘৃণা অনেক কিছু চরম মাত্রায় চলে গেছে। আপনি কিছু ডকুমেন্টরি, আর্টিকেল আর রিসেন্ট রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই এটা দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশে এই পোলারাইজেশন এর সবচেয়ে বাজে রূপ দেখা যায় ধর্ম আর খেলা নিয়ে। কেউ মনে করে ধর্মের নিয়ম সে না চাইতেও তাকে চাপায় দেয়া হচ্ছে। আবার ধর্ম পালন করা অনেকের মতে সে ধর্ম পালন করতে গিয়েই ঝামেলা ফেইস করতেছে। এই নিয়ে তাদের ভার্চুয়াল কমিউনিটিও আছে। একদল আরেক দলকে দেখতেই পারে না। একদল আরেকদলের মাথায় গোবর এইটাই মনে করে। পারলে দুই দলই দেশ থেকে দুইদলকে বের করে দিতে চায়। একদল পাকিস্তান পাঠাইতে চায়, আরেকদল ইউরোপ পাঠাইতে চায়। ন্যাও এখন! দেশেই থাকবে না কেউ।

খেলার ব্যাপারটাও তাই। অমুকের সাপোর্টার তমুকরে দেখতে পারে না। তমুকের সাপোর্টার আবার অমুকরে দেখতে পারে না। যে এফোর্ট দিয়ে এরা ক্লাবের প্লেয়ার, সিডিউল, সিরিজের হিসাব মুখস্ত করে তা যদি পড়ালেখায় দিতো তাহলে বেশ ভাল করতো বলে আমার বিশ্বাস। আবার আমরা যারা মুখস্ত না করে কাজের মাঝে খেলা দেখি আমাদের প্লাস্টিক সাপোর্টার, সিজনাল সাপোর্টার বলে প্রথমেই বাদ দেয়া হয় আলোচনায়। যেন আমরা সিজনাল আর তারা প্রোফেশনাল। ভাই মাসে কত টাকা দেয়? আরে ভাই আমি তো সিজনালই থাকবো। আমার তো কাজ আছে, লাইফ আছে।

আপনি দেইখেন এই ব্যাপারগুলো শুধু ভার্চুয়াল জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। অদূর ভবিষ্যতে এই বিভেদগুলো জাতীয় পর্যায়েও ছড়ায় যাবে। সামাজিক সৌহার্দ বলে কিছুই থাকবে না। এখনই নাই। আপনি বিপদে পড়ে রাস্তায় পড়ে থাকবেন মানুষ ক্যামেরা বের করে ছবি তুলবে। সবার আগে ফেসবুকে দিতে হবে তো।

NEVER SHAPE YOUR TRUST BASED ON SOCIAL MEDIA.

✨👉 ৭টি রিয়্যাকশন বাটন এর পাশাপাশি এখন অতিরিক্ত একটি বাটন যোগ করেছে ফেসবুক। পরীক্ষামূলক ভাবে অনেক ফেসবুক গ্রুপে চালু হয়েছ...
17/05/2022

✨👉 ৭টি রিয়্যাকশন বাটন এর পাশাপাশি এখন অতিরিক্ত একটি বাটন যোগ করেছে ফেসবুক। পরীক্ষামূলক ভাবে অনেক ফেসবুক গ্রুপে চালু হয়েছে এই ফিচার। গ্রুপ এডমিন এই অতিরিক্ত রিয়্যাকশনটি অন করে রাখতে পারবেন এবং এটি শুধুমাত্র সেই গ্রুপেই ব্যবহার করা যাবে। ধারণা করা হচ্ছে ধীরে ধীরে ফেসবুকের সবজায়গায়(পেজ এবং প্রোফাইল এ) এটা পাওয়া যাবে। ✨

🤜 এডমিন

🙋 নোটিফিকেশন ছাড়াই  মেসেঞ্জারে মেসেজ করুন 😎👉 ধরুন আপনি অনেক রাতে অথবা ব্যস্ততম কোন সময় কাউকে মেসেঞ্জারে মেসেজ করতে চাচ্ছ...
04/05/2022

🙋 নোটিফিকেশন ছাড়াই মেসেঞ্জারে মেসেজ করুন 😎
👉 ধরুন আপনি অনেক রাতে অথবা ব্যস্ততম কোন সময় কাউকে মেসেঞ্জারে মেসেজ করতে চাচ্ছেন কিন্তু নোটিফিকেশন দিয়ে বিরক্ত করতে চাচ্ছেন না। খুব সহজে সাইলেন্টলি মেসেজ দিতে পারবেন, প্রাপক কোন নোটিফিকেশন ছাড়াই আপনার মেসেজ পাবে। মেসেঞ্জারের পাশাপাশি ইন্সটাগ্রামে এই ফিচারটি পাবেন।

👉 মেসেজের শুরুতে "/silent" টাইপ করুন, সাইলেন্টের একটা ছোট pop-up নোটিফিকেশন পাবেন, "silent" এর উপরে ক্লিক করুন, এখন আপনার মেসেজ টাইপ করে সেন্ড করে দিন। ইন্সটাগ্রামের ক্ষেত্রে শুধু মাত্র "/" এর পরিবর্তে "@" ব্যাবহার করলেই হবে। ( স্ক্রীনশর্ট দেওয়া আছে )

Example: Messenger - " /silent কেমন আছেন? " Instagram - " কেমন আছেন "

কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ------------------------------------...
13/04/2022

কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আসুন জেনে নেওয়া যাক গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
--------------------------------------------------------------------------
আমাদের দৈনন্দিন জীবন এখন যেন ইন্টারনেট ছাড়া চলেই না । ফেসবুক সহ বিভিন্ন ওয়েব সাইটে আমরা প্রতিদিন বিচরণ করি। সংবাদ পড়ি, বিভিন্ন আরটিকেল পড়ি, জ্ঞান বিজ্ঞানের অনেক তথ্য আমরা ঘরে বসে সহজেই পেয়ে যায়। ইচ্ছে করলে আমাদের মনের কথা,আমাদের জ্ঞান ভান্ডার সোস্যাল মিডিয়া কিংবা ব্লগের মাধ্যমে নিমিষেই সবার কাছে প্রকাশ করতে পারছি। সাথে সাথে জানতে পারছি পাঠকদের অসাধারণ কিছু মতামত। ইচ্ছে করলে সিএমএস ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আমরা আমদের পণ্য বিক্রয় করতে পারছি, বা আমাদের প্রয়োজনীয় কোন জিনিস অনলাইন থেকে যাচায় বাছায় করে সঠিক মুল্য দেখে কিনতে পারছি। এসব যেন আমাদের চলার পথকে আরো সুন্দর আরো গতিময় করে দিয়েছে। আপনি কি জানেন ! এই ওয়েব সাইটগুলো কিভাবে তৈরী করা হয়? ওয়েব সাইট বানানোর জন্য যে ভাষা ব্যবহার করা হয় সেই ভাষার নাম হচ্ছে HTML বা Hyper Text Markup Language. একটি ওয়েব সাইটকে মনের মত করে সাজানোর জন্য ব্যবহার হয় CSS.ওয়েব সাইটকে আরো বেশি গতিময় সহজ করার জন্য ব্যবহার হয় JAVASCRIPT. ওয়েব সাইটকে আরো কম সময়ে অল্প কোড লিখে বেশি কন্টেন্ট প্রকাশ করার জন্য অথবা বিশেষ কিছু সিকিউরিটির জন্য ব্যবহার হয় PHP. HTML একটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয় তবে ওয়েব সাইটের জন্য ব্যবহার হয় এমন সকল প্রোগ্রামিং ভাষাগুলি ব্যবহার হয় এই HTML কে ঘিরে।

এক কথায় বলা যায়, একটি ওয়েব সাইটের বিত্তিপ্রস্তর তৈরী করা হয় HTML দিয়ে। যা সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন টিম বার্নার্স-লি নামক একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ১৯৯০ সালে।

আসুন দেখে নেওয়া যাক কেমন ছিল ইন্টারনেট এর সূচনালগ্নের সেই ওয়েবসাইট।
http://info.cern.ch/hypertext/WWW/TheProject.html

আশা করতেছি আজকের পোস্ট আপনাদের নলেজ বাড়াতে সাহায্য করেছে।
ধন্যবাদ সবাইকে 😊



10/04/2022

🔵আইটি কি?
ইনফরমেশন টেকনোলজির সংক্ষিপ্ত রুপ হলো আইটি।যার আভিধানিক অর্থ হলো তথ্য প্রযুক্তি।কম্পিউটার বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে ইনফরমেশন বা তথ্য সংরক্ষণ,ইনফরমেশন ট্রান্সমিট এবং ম্যানিপুলেশন করাই হলো ইনফরমেশন টেকনোলজি।আইসিটি হলো আইটি এর একটি উপসেট।

মেসোপটেমিয়ায় সুমেরীয়রা প্রায় 3000 খ্রিস্টপূর্বাব্দে লিখিত লেখার পর থেকে মানুষ সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, হস্তক্ষেপ এবং তথ্য যোগাযোগ শুরু করেছে।

আইটি শব্দটি সাধারণত,কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলির সমার্থক হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি অন্যান্য তথ্য বিতরণের প্রযুক্তি যেমন টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনেরও অন্তর্ভুক্ত।একটি দেশের অর্থনীতির মধ্যে বেশ কিছু পণ্য বা সেবা তথ্য প্রযুক্তির সাথে যুক্ত, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিক্স, সেমিকন্ডাক্টরস, ইন্টারনেট, টেলিকম সরঞ্জাম এবং ই-কমার্স প্রভৃতি সবই আইটির সাথে সম্পর্কযুক্ত।

🔵আইটির কাজ কি?

বর্তমান যুগে অনেক কোম্পানিতে কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক এবং তাদের ব্যবসা সংক্রান্ত কার্যক্রম প্রযুক্তিগতভাবে পরিচালনার জন্য আইটি সেক্টর আছে। আইটি বসেক্টরে বিভিন্নধরনের কাজ আছে। যেমনঃকম্পিউটার প্রোগ্রামিং, নেটওয়ার্ক প্রশাসন, কম্পিউটার প্রকৌশল, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট,সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ তৈরী, টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রভৃতি। যেহেতু,দেশ ক্রমাগত ডিজিটাল হচ্ছে তাই আমাদের জীবনে আইটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করার অপেক্ষা রাখেনা।

🔵আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার কি?

আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার হল আইটি সম্পর্কিত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।এটি এমন এক প্রতিষ্ঠান যা আইটি সম্পর্কিত প্রযুক্তি ব্যবহারকারী বা সংস্থাগুলিকে আইটি সমাধান এবং সেবা প্রদান করে থাকে।

🔵আইটি সার্ভিস প্রোভাইডারের প্রকারভেদঃ
🔹 হোস্টিং সার্ভিস প্রোভাইডার ( Hosting service provider-HSP)
🔹 ক্লাউড সার্ভিস প্রোভাইডার ( Cloud service provider-CSP)
🔹স্টোরেজ সার্ভিস প্রোভাইডার ( Storage service provider-SSP)
🔹 সফটওয়্যার এস এ সার্ভিস (saas) প্রোভাইডার ( Software as a service providers-SAASP)
🔹অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার ( Application service provider-ASP)
🔹নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রোভাইডার ( Network service provider- NSP)
🔹 ইন্টার্নেট সার্ভিস প্রোভাইডার ( Internet service provider-ISP )
🔹ম্যানেজড সার্ভিস প্রোভাইডার ( Managed service provider-MSP )
🔹 টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার( Telecommunications service provider-TLSP)
🔹অনলাইন সার্ভিস প্রোভাইডার ( Online service provider-OSP )
🔹মাস্টার মেনেজড সার্ভিস প্রোভাইডার (Master managed service provider (MMSP)
🔹 পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার। (Payment service provider- PSP)

উল্লেখিত সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রোভাইডার আছে,যারা বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে।

🔵বাংলাদেশে জনপ্রিয় ১০ টি আইটি জবঃ

বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে তাতে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়টির গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে, এতে কাজের সুযোগ অনেক বেশি তৈরি হচ্ছে। বিশাল এই সেক্টরে কাজের পরিধি অনেক।সরকারি ও বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে আইটি সেক্টরে জনশক্তির প্রয়োজন হয়।আইটি জবের পদগুলোর নাম একেক প্রতিষ্ঠানে একেক রকম হতে পারে। যে প্রতিষ্ঠানগুলো আইটি জব দেয় তারা সাধারণত কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারী প্রার্থীকে প্রাধান্য দেয়। নিচে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিছু আইটি জব সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

🔹সফটওয়্যার ডেভেলপারঃ
সফটওয়্যার ডেভেলপারের কাজ হল বিভিন্ন সফটওয়্যার ডিজাইন এবং বিভিন্ন প্রোগ্রামের টেস্ট করা। সফটওয়্যার ডেভেলপাররা নতুন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে এবং সলিউশনের কাজ করে। তাই এ কাজের জন্য প্রোগ্রামিং দক্ষতার প্রয়োজন হয়। এ সব কাজের প্রসার ইন্টারনেটের দুনিয়ায় দিন দিন বেড়েই চলছে তাই, সফটওয়্যার ডেভেলপারদের চাহিদা কত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জনপ্রিয় কিছু সফটওয়্যার ডেভেলপারের কাজগুলোর মধ্যে আছে-

মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপার
ওয়েব ডেভেলপার
ফ্রন্ট ইনড ডেভেলপার
জাভা ডেভেলপার ইত্যাদি।

🔹সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরঃ
এ পদের কাজ হল নেটওয়ার্ক এবং কমিউনিকেশন এর উপর চোখ রাখা যাতে তথ্য ও যোগাযোগ সঠিকভাবে হতে পারে। সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরদের কাজের স্পেশালিটি হল টিমওয়ার্ক করা। এ জবেরও অনেক পদ আছে যেমনঃ

নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার
নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর
নেটওয়ার্ক আর্কিটেক্ট
টেলিকমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট ইত্যাদি।
আইটি সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ
প্রায় সব ধরনের সফটওয়্যার ফার্মে এই পজিশন আছে।এ পদের লোকজনেরা কোম্পানির ক্লায়েন্টদেরকে যেকোনো সমস্যায় সাপোর্ট দিয়ে থাকে।যেমন- কোন ক্লায়েন্ট কোন সফটওয়্যার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারছে না তখন তার সমাধান আইটি সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ পদের লোক করে থাকে।

🔹 রিসার্চ এনালিস্টঃ
এ পদে চাকরির জন্য প্রোগ্রামিং জানার দরকার হয় না। রিসার্চ এনালিস্ট এর কাজ হলো কোম্পানি যে কাজ করে সে সম্পর্কে ডাটা সংগ্রহ করা ও এনালাইসিস করা। যেমন- কোন কোম্পানি কোন একটি অ্যাপ বানাবে সেটার জন্য যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, সুবিধা ও অসুবিধা কেমন, মানুষ সেগুলো কেন ইউজ করে বা করে না ইত্যাদি সব তথ্য নিয়ে রিসার্চ করা একজন রিসার্চ এনালিস্ট এর কাজ। এক কথায় সারাদিন গুগলের মত কাজ করা।

🔹আইটি প্রজেক্ট ম্যানেজারঃ
আইটি প্রজেক্ট ম্যানেজার এর কাজ হচ্ছে প্রজেক্ট এর পুরো কাজ প্রোগ্রামারদের বুঝিয়ে দেওয়া এবং তাদের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেয়া। কোন ফ্রেশারকে সরাসরি আইটি প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় না। প্রোগ্রামার হিসাবে অভিজ্ঞতা হওয়ার পরেই এই পদে আসা যায়। এ কাজে জব ফ্যাসিলিটি বেশ ভাল।

🔹কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স ইঞ্জিনিয়ারঃ
কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার কে সংক্ষেপে QA ইঞ্জিনিয়ার বলা হয়। এই পদের জন্য কাজ হল সফটওয়্যার বা সিস্টেমের কোয়ালিটি চেক করা এবং বিভিন্ন টুলস বা মেথডের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যে কোথাও কোন ত্রুটি আছে কিনা। QA ইঞ্জিনিয়াররা হোয়াইটবক্স টেস্টিং এর কাজ করে তাই প্রোগ্রামিংয়ের ব্যাসিক ধারণা থাকা জরুরী।

🔹সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টঃ
বর্তমানে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়গুলোতে এ পদের লোকজনের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। কারণ এনাদের কাজ হল বিভিন্ন সাইবার অ্যাটাক থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোকে রক্ষা করা যাতে এগুলো পাবলিকলি লিক না হয়। এই পদটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

🔹ব্যাংক আইটি অফিসারঃ
বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এ পদের জবের জন্য লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। প্রত্যেকটা ব্যাংকেই আইটির লোকবলের প্রয়োজন হয়। কারণ ইন্টারনেটের দুনিয়ায় প্রত্যেকটি কাজেই কম্পিউটার দ্বারা করা হয়। তাই নিঃসন্দেহে বর্তমানে বাংলাদেশে এটি খুব জনপ্রিয় একটি জব।

🔹গ্রাফিক্স ডিজাইনারঃ
আপনি যদি ডিজাইন করতে পারদর্শী হন তাহলে এই জব টি আপনার জন্য পারফেক্ট। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা বিভিন্ন ডিজাইন যেমন ইউ এক্স ডিজাইন, বিভিন্ন ওয়েব ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন ও সফটওয়্যার ডিজাইনের কাজ করে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ জব টির চাহিদা প্রচুর। গ্রাফিক্স ডিজাইনের পড়াশুনা করা লোকজনের প্রাধান্য বেশি।

🔹 কম্পিউটার অপারেটরঃ
এ জবের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে সেগুলো হলো- মাইক্রোসফট অফিস, এডোবি ফটোশপ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, নথিপত্র স্ক্যান, ইমেইল লেখা এবং কম্পিউটারের অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, প্রতিষ্ঠান, দোকান, বিভিন্ন বড় শপিং মল ইত্যাদি জায়গায় কম্পিউটার অপারেটরদের কাজের সুবিধা আছে।

🔹কনটেন্ট রাইটারঃ
বর্তমানে এটি একটি জনপ্রিয় পেশা। এই পেশাতে ইংরেজিতে দক্ষ হলেই যথেষ্ট।অসংখ্য পত্রিকা, ওয়েব পোর্টাল, ব্লগ সাইট আছে যেগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের ব্লগ লিখে আয় করা যায়। চাকরির বেতনের থেকেও এগুলো থেকে অনেক আয় করা যায়। নিজের একটি ওয়েবসাইট খুলে ও কনটেন্ট রাইটিং করা যায়।

🔹 ডিজিটাল মার্কেটারঃ
ডিজিটাল মার্কেটিং হল একটি অন্যতম জনপ্রিয় পেশা। বর্তমান সময়ে এ পেশাকে অনেকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়া গুলো দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তাই এগুলো পণ্য কেনা বেচার জন্য উৎকৃষ্ট মাধ্যম। তাই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার বা ডিজিটাল মার্কেটার জবটির চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

এসব ছাড়াও,আরো কিছু কাজের ক্ষেত্র বিদ্যমান আছে এই বিশাল সেক্টরে।বাংলাদেশে এ সেক্টরে জবের চাহিদাগুলোর মধ্যে কম্পিউটার বিষয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষকতা করা, কোন প্রতিষ্ঠানে ট্রেইনার হিসেবে কাজ করা, ফুলটাইম ফ্রিল্যান্সার হওয়া, আইটি ফার্ম দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়া ইত্যাদি।এছাড়াও অনেক কাজের ক্ষেত্র রয়েছে।তবে আইটি জব এর জন্য অবশ্যই যে কোন একটা বিষয় এক্সপার্ট হতেই হয় তবেই হাজারটা অপশন তৈরী হয়ে যায়।বর্তমান বিশ্বে যে দেশ আইটি সেক্টরে যত উন্নত সে দেশ তত বেশী ধনী।আমাদের তারণ্যশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরাও আমাদের দেশকে বিশ্বের একটি উন্নত দেশে পরিনত করতে পারি।
তাই,এ বিষয়ে তরূণদের আগ্রহের সাথে কাজ করার গুরুত্ব বলার অপেক্ষা রাখেনা।

Address

Sylhet
3170

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tareq Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tareq Ahmed:

Share

Category