Optins.xyz

Optins.xyz Advanced Data-driven Digital Marketing Solution For Your Dream.

ফ্রিপিক প্রিমিয়াম ডিজাইন বান্ডেল🔥🔥🔥হাজার হাজার টাকায় ফ্রিপিক সাবস্ক্রিপশন না কিনে আমাদের ১০ জিবি ফাইলের বান্ডেলটি আপনার ...
20/03/2024

ফ্রিপিক প্রিমিয়াম ডিজাইন বান্ডেল🔥🔥🔥

হাজার হাজার টাকায় ফ্রিপিক সাবস্ক্রিপশন না কিনে আমাদের ১০ জিবি ফাইলের বান্ডেলটি আপনার গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজকে করবে অনেক বেশি সহজ ও কোয়ালিটিফুল!

এই প্রিমিয়াম বান্ডেলটিতে পাচ্ছেন-
1. Premium Backgrounds
2. Brand Identity
3. Business Cards
4. Certificates
5. Premium CV
6. Gradient
7. Greeting Cards
8. Icon
9. Image Effects
10. Logo
11. Mokeup
12. Social Media Design
13. Textures
14. T-Shirt Design

✅সব ফাইল Eps & Psd ফরম্যাট এ দেয়া থাকবে!

✅পেমেন্ট করার ২ মিনিটের মধ্যে এক্সেস দেওয়া হবে।

✅হাজার হাজার টাকায় ফ্রিপিক সাবস্ক্রিপশন না কিনে আমাদের এই ফাইলটি নিয়ে নিন নাম মাত্র মূল্যে!!!

অর্ডার করতে চাইলে দ্রুত আমাদের পেইজে ইনবক্স করুন।

বাংলাদেশের মার্কেটে কাজ করতে গিয়ে আমরা যেটা উপলব্ধি করেছি তা হলো ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরটিকে ঘিরে সম্ভবত সবচাইতে বেশি ম...
05/10/2021

বাংলাদেশের মার্কেটে কাজ করতে গিয়ে আমরা যেটা উপলব্ধি করেছি তা হলো ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরটিকে ঘিরে সম্ভবত সবচাইতে বেশি মিথ প্রচলিত আছে আমাদের দেশে। অন্য আর কোনো সেক্টর সম্পর্কে মানুষের মনে এতোটা ভুল ধারণা নাই, যতোটা আছে ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টর সম্পর্কে।

আর এই সুযোগটাই নিচ্ছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী, কিছু তথাকথিত ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সী নেয়, নিচ্ছে। তারা প্রকৃত ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস তো দূর কি বাত বরং পার ডলার ৮০/৯০ টাকা বলে কুপন সেল করে পেজের তেরোটা বাজায়। তাদেরকে আসলে ডিজিটাল মার্কেটার বলা যায় না, বলা উচিত ডলার/কুপন ব্যবসায়ী।

তারা কোনো টুলসের ঝামেলায় যাবে না, ফটাফট পেজের এক্সেস নিয়ে বুস্ট বাটনে চাপ মারবে।

আর এখানেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। তারপর আর তাদের এই পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া যায় না।

আরেকদল আছে এদের চাইতে এক কাঠি এগিয়ে, এরা ১১৫/১২০ টাকায় ডলার বিক্রি করে। বাকি প্রসেস কুপন ব্যবসায়ীদের মতোই। তবে এরা এক জায়গায় সৎ যে এরা রিয়েল ডলার দেয়, কুপন দেয় না। এটুকুই!

তাহলে এখন মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, ভালো ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সী খুঁজে পাবো কোথায়? কিভাবে বুঝবো কোন এজেন্সী ভালো কাজ করে?

সুন্দর প্রশ্ন। খুব সহজ কয়েকটা বৈশিষ্ট্য দেখলেই আপনি তা খুঁজে বের করতে পারেন।

১। এরা প্রথমেই আপনার বিজনেস ম্যানেজার, অ্যাড ম্যানেজারের এক্সেস নিবে (যদি আপনার নিজস্ব কার্ড ইউজ করেন), অথবা তাদের নিজের বিজনেস ম্যানেজার, অ্যাড ম্যানেজার ইউজ করে ক্যাপমেইন রান করবে (যদি আপনার কার্ড না থাকে)।

২। ওয়েবসাইটের দিকে ফোকাস করবে, ওয়েবসাইট না থাকলে তা বানিয়ে নিতে রেকমেন্ড করবে। এরা আপনাকে ডেটা-ড্রিভেন মার্কেটিং এর কথা বলবে বারবার।

৩। আপনার কিছু কম্পিটিটরের লিস্ট চেয়ে নিবে।

৪। একটা সুন্দর স্ট্র্যাটেজী দিবে। SWOT Analysis দিবে।

৫। Pixel, Google Tag Manager, Google Analytics ইন্টিগ্রেট করবে ওয়েবসাইটে।

৬। এরা ডলার পেয়েই উড়াধুড়া ক্যাম্পেইন স্টার্ট করবে না। আন্দা্জে-ডেটা ছাড়া পুরো দেশের মানুষকে টার্গেট করে অ্যাড রান না করে বরং প্লানিং অনুযায়ী প্রথমে কিছু ডলার খরচ করবে। কিছু এ/বি টেস্টিং এর মাধ্যমে আপনার মোস্ট পটেনশিয়াল অডিয়েন্সকে খুঁজে বের করবে। এরপর এই তথ্যের ভিত্তিতে বাজেটের বাকি ডলার দিয়ে ক্যাম্পেইন রান করবে। এতে করে বাজেটের মধ্যে সবচাইতে বেস্ট রেজাল্ট এনে দিবে তারা।

৭। আপনার বিজনেসের KPI কে ঠিক রেখে মার্কেটিং প্লান করবে তারা। আপনার মোস্ট পটেনশিয়াল কাস্টমার সেটকে সেগমেন্টেশন করবে । মোস্ট পটেনশিয়াল কাস্টমার সেট বলতে বুঝাচ্ছি, আপনার বিজনেসের সেই ২০% কাস্টমার যারা আপনার বিজনেসের ৮০% রেভিনিউ এনে দিবে। এই কাস্টমার সেটের ডিটেইলস ডেমোগ্রাফি, ইন্টারেস্ট, বিহেভিয়ার খুঁজে বের করে, মোস্ট পটেনশিয়াল লোকেশন খুঁজে বের করে, মোস্ট পারফর্মার প্রোডাক্ট ক্যাটাগরী, প্রোডাক্ট খুঁজে বের করে যাতে করে আপনার বিজনেসের সর্বোচ্চ ROI নিশ্চিত করা যায়।

তাহলে কোথায় খুঁজে পাবেন এমন সোনার হরিণ?

চলে আসুন আমাদের প্রচার মাইকের সামনে, টোকা দিন SEND MESSAGE বাটনে।

বাকিটা ওখানেই সেরে নিবোনি............

ধরুন, আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার। আপনার কাছে একটি অনলাইন শপের মালিক এসে বললো আমার মান্থলি ডিজিটাল মার্কেটিং বাজেট ১০০০ ...
25/09/2021

ধরুন, আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার। আপনার কাছে একটি অনলাইন শপের মালিক এসে বললো আমার মান্থলি ডিজিটাল মার্কেটিং বাজেট ১০০০ ডলার (কথার কথা) । এখন আপনি আমাকে একটা ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি দেন। আপনি কি করবেন?
আপনি কি করবেন জানিনা, তবে আমি হলে এতো প্যাঁচপুঁছে না গিয়ে একটা সহজ-সরল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে দিতাম।
একদম সহজ-সরল ৭ টি ধাপ।
১। প্যারেটো প্রিন্সিপাল বা ৮০/২০ রুলস বলে একটি রুলস আছে যার সারকথা হচ্ছে ৮০% আউটপুট আসে ২০% ইনপুট থেকে। অন্যান্য বিষয়ের মতো মার্কেটিং এর ক্ষেত্রেও আমরা এই বিষয়টি খেয়াল করি। যখন কোনো মার্কেটিং ক্যাম্পেইন লঞ্চ করা হয় তখন দেখা যায় যে, কোম্পানির ৮০% রেভিনিউ আসছে ২০% কাস্টমার থেকে।
তো মার্কেটার হিসেবে আমাদের কাজ হবে বিভিন্ন টার্গেটেড অডিয়েন্সের উপর এ/বি টেস্টিং করে সেই ২০% পটেনশিয়াল টার্গেট অডিয়েন্সটিকে খুঁজে বের করা যারা আমাদের কোম্পানির ৮০% রেভিনিউ এনে দিবে। ডেমোগ্রাফি, বিহেভিয়ার লোকেশন, ইন্টারেস্ট, প্রফেশন ইত্যাদি ফাইন্ড আউট করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম দিকে আপনার উচিত হবে অধৈর্য না হয়ে ব্যাপারটা পুরোপুরি সেই মার্কেটার বা এজেন্সির উপর ছেড়ে দেওয়া। কারণ যেহেতু এই মুহূর্তে এ/বি টেস্টিং চলছে সেহেতু এই মুহূর্তে রেভিনিউ কম বা আশানুরূপ না আসতেই পারে। তাই বলে হতাশ হওয়া যাবে না বা সেই মার্কেটার খারাপ এই ধারণা পোষন করা যাবে না। অ্যাড অপটিমাইজেশনের পর আপনি ভালো রেজাল্ট আশা করবেন।
এরপর সেই অডিয়েন্সকে টার্গেট করে আপনার মান্থলি বাজেটের ৬০-৭০% খরচ করতে পারেন। এতে করে আশা করা যায় আপনি সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ROI পাবেন।
২। পুরো মাসের সেলস প্যাটার্ন এনালাইসিস করতে হবে। সাপোজ আপনার টার্গেটেড কাস্টমার যদি হয় ওয়ার্কিং প্রফেশনালস তাহলে দেখবেন যে মাসের প্রথম ১০ দিনে সেলস রেভিনিউ সর্বোচ্চ হবে, পরের ১০+১০ দিনের তুলনায়।
কারণ কি? কারণ এই সময়ে প্রফেশনালসরা সেলারি পায়। তাই বেশিরভাগ কেনাকাটা তারা এই সময়টাতেই করে। আপনার মার্কেটিং বাজেটের ৫০% এই প্রথম ১০ দিনে খরচ করুন। একটা নির্দিষ্ট এমাউন্টের পারচেজে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি করে দিন বা নির্দিষ্ট পরিমাণ এমাউন্টের ডিস্কাউন্ট দিন।
এরপর ধীরে ধীরে বাজেটের পরিমাণ কমাতে থাকুন। মাসের শেষ সপ্তাহে বা শেষ ১০ দিনে কম বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টগুলোতে অফার দিন বা বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টগুলোর সাথে কম্বো প্যাকেজ তৈরি করে অফার দিন।
৩। যখন কোনো ক্যাম্পেইন তৈরি করবেন তখন শুরুতেই সেলসের ব্যাপারটা তুলে না ধরে বরং ক্যাম্পেইনে ডাবল বা ট্রিপল লেয়ার তৈরি করেন। যেমন ধরুন, আপনি একটি অনলাইন ফার্মেসির ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালাবেন। এখন প্রথমেই পণ্য বিক্রির কথা তুলে না ধরে আপনি পুরো ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজিকে তিনটা লেয়ারে ভাগ করতে পারেন। ১। Awareness, ২। Consideration, ৩। Conversion। এজন্য প্রথমেই আপনি আপনার প্রোডাক্টগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ভাগ করতে পারেন। ডায়াবেটিকস, হৃদরোগ, বেবী কেয়ার, মেডিক্যাল ডিভাইস ইত্যাদি। এখন প্রোডাক্ট অনুযায়ী কিছু Awareness ক্যাম্পেইন চালাবেন। ডায়াবেটিকস এর জন্য আপনি কিছু ব্লগ লিখতে পারেন, ব্লগের টপিক হতে পারে- ডায়াবেটিকস সম্পর্কিত ১০০টি কমন প্রশ্নউত্তর , ব্লাড সুগার সম্পর্কিত ১০০টি কমন প্রশ্নউত্তর । এই ব্লগগুলোকে আপনি প্রমোশন করবেন। ল্যান্ডিং পেজ হিসেবে দিবেন এইসব ব্লগের লিংকগুলোকে। এখন যারা একটা নির্দিষ্ট সময় এই ব্লগগুলো পড়বে তাদেরকে নিয়ে আপনি একটা অডিয়েন্স ক্রিয়েট করবেন। কারন এরা যেহেতু এই ব্লগ পড়েছে তার মানে তাদের এই রোগের সলিউশন প্রয়োজন। হয় তারা নিজেরাই রোগী অথবা তাদের বাসায় রোগী আছে এবং তাদের অবশ্যই অবশ্যই ডায়াবেটিকস এর মেডিসিন প্রয়োজন।
এরপরের লেয়ারে আপনি যে অনলাইনে মেডিসিন বিক্রি করেন + আপনার আরও যেসব USP আছে সেগুলো তাদেরকে রিটার্গেটিং করে তাদের সামনে বারবার তুলে ধরেন। ওয়েবসাইটে তাদের বিভিন্ন বিহেভিয়ার ট্র্যাক করেন। এভাবে একটা সময় বারবার অ্যাড দেখতে দেখতে Consideration স্টেজে পৌঁছে যাবে।
শেষ লেয়ারে আপনি মোস্ট পটেনশিয়াল কাস্টমারদের টার্গেট করে সরাসরি পণ্যের প্রমোশন চালাবেন।
যদিও বিষয়গুলো আপনার মার্কেটিং বাজেট অনুযায়ী কিছুটা পরিবর্তীত হতে পারে। আপনার বাজেট স্বল্পতা থাকলে চাইলে Consideration স্টেজ বাদ দিতে পারেন।
৪। অন্যান্য কনভেনশনাল মার্কেটিং এর মতো শুধুমাত্র ফেসবুকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে ৩৬০* এপ্রোচ নিন। ফেসবুকের পাশাপাশি বিভিন্ন মিডিয়াম থেকে আপনার ওয়েবসাইটে আসা কাস্টমারদের ফানেলে ফেলে রিটার্গেট করতে থাকুন, রিলেটেড সার্চ টার্মের জন্য গুগল পেইড অ্যাড (পিপিসি) চালাতে থাকুন, ডিসপ্লে অ্যাড চালান ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস ক্রিয়েটের জন্য, ইউটিউবেও ভিডিও অ্যাড ক্যাম্পেইন চালাতে থাকুন। যারা ইতোমধ্যেই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কনভার্সন সম্পন্ন করেছে তাদেরকে ক্রসসেলিং/ আপসেলিং এর জন্য বিভিন্ন মিডিয়ামে রিটার্গেটিং করতে থাকুন।
৫। শুধুমাত্র পেইড মার্কেটিং এর দিকে ফোকাস না করে ব্র্যান্ড বিল্ডিং এ মনোযোগ দেন। নির্দিষ্ট অডিয়েন্সকে টার্গেট করে একটা ফোকাসড ব্র্যান্ড পজিশনিং ক্রিয়েট করুন। এর কারন হচ্ছে ব্র্যান্ড সবসময়ই কাস্টমারদের মনে একটা জায়গা তৈরি করে নেয়। ব্র্যান্ড এমন একটা জিনিস যা মানুষ একটু বেশি টাকা দিয়ে হলেও কিনে। ব্র্যান্ড আপনাকে আপনার কম্পিটিটরদের থেকে আলাদা করে। এজন্য আপনাকে ইউনিক কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য ভালো বাজেট রাখুন। কন্টেন্টের মাধ্যমেই আপনার কাস্টমাররা আপনার সাথে এনগেজড থাকবে। নতুন কাস্টমার গ্রুপ ক্রিয়েট হবে। আর আপনারা তো জানেনই অর্গানিক্যালি যে কাস্টমার বেস তৈরি হয় তা খুবই পটেনশিয়াল হয়। ইউনিক কনটেন্ট অডিয়েন্সদের মনে ব্র্যান্ড সম্পর্কে একটা বিশেষ জায়গা দখল করে। ব্র্যান্ড বা অডিয়েন্স অনুযায়ী কন্টেন্টের টপিক ইনফো, এন্টারটেইনমেন্ট, পেইনপয়েন্ট সল্ভিং ইত্যাদি বিভিন্ন টাইপ হতে পারে।
৬। একটা নির্দিষ্ট টার্গেটেড অডিয়েন্সকে টার্গেট করে প্রতিনিয়ত ইম্প্রেশন অ্যাড চালাতে হবে। ফেসবুক + গুগল ডিসপ্লে অ্যাড ব্যবহার করে এটা করা যেতে পারে। এই কাজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস ক্রিয়েট হবে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা আজকালকার এতো এতো ব্র্যান্ডের ভিড়ে মানুষ কেন আপনার কাছ থেকে কিনবে? তাই আপনার বিজনেসের জন্যও একটা আলাদা ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি প্রয়োজন। একই অডিয়েন্সকে বারবার অ্যাড দেখনোর জন্য ফ্রিকুয়েন্সি ক্যাপ ব্যবহার করুন।
৭। যতদ্রুত সম্ভব একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক (সেটা হতে পারে ১ হাজার, ২ হাজার, বা যেকোনো সংখ্যা আপনার বিজনেস অনুযায়ী) রিকারিং কাস্টমার বেসড তৈরি করতে হবে যারা আপনার কাছ থেকে বারবার কিনবে। এতে করে আপনার মার্কেটিং খরচ অনেকটাই কমে আসবে।
আর এর জন্য আপনার প্রিভিয়াস কাস্টমারদের সাথে যারা অলরেডি আপনার কাছ থেকে পারচেসড করেছে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে যেতে হবে নিয়মিতভাবে। এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন মেসেজ, ইমেইল, স্পন্সরড মেসেজ, ডিসপ্লে অ্যাডস, রিমার্কেটিং অ্যাডস (ফেসবুক নিউজফিড, গুগল ডিসপ্লে, ইউটিউব ব্যানার অ্যাডস ইত্যাদি) ।

ধরুন, আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার। আপনার কাছে একটি অনলাইন শপের মালিক এসে বললো আমার মান্থলি মার্কেটিং বাজেট ১০০০ ডলার (কথ...
25/09/2021

ধরুন, আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার। আপনার কাছে একটি অনলাইন শপের মালিক এসে বললো আমার মান্থলি মার্কেটিং বাজেট ১০০০ ডলার (কথার কথা)। এখন আপনি আমাকে একটা ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি দেন। আপনি কি করবেন?
আপনি কি করবেন জানিনা, তবে আমি হলে এতো প্যাঁচপুঁছে না গিয়ে একটা সহজ-সরল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে দিতাম।
একদম সহজ-সরল ৫ টি ধাপ।
1.প্যারেটো প্রিন্সিপাল বা ৮০/২০ রুলস বলে একটি রুলস আছে যার সারকথা হচ্ছে ৮০% আউটকাম আসে ২০% ইনপুট থেকে। অন্যান্য বিষয়ের মতো মার্কেটিং এর ক্ষেত্রেও আমরা এই বিষয়টি খেয়াল করি। যখন কোনো মার্কেটিং ক্যাম্পেইন লঞ্চ করা হয় তখন দেখা যায় যে, কোম্পানির ৮০% রেভিনিউ আসছে ২০% কাস্টমার থেকে।
তো মার্কেটার হিসেবে আমাদের কাজ হবে বিভিন্ন টার্গেটেড অডিয়েন্সের উপর এ/বি টেস্টিং করে সেই সঠিক ২০% টার্গেট অডিয়েন্সটিকে খুঁজে বের করা যারা আমাদের কোম্পানির ৮০% রেভিনিউ এনে দিবে। ডেমোগ্রাফি, লোকেশন, ইন্টারেস্ট, প্রফেশন ইত্যাদি ফাইন্ড আউট করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম দিকে আপনার উচিত হবে অধৈর্য না হয়ে ব্যাপারটা পুরোপুরি সেই মার্কেটার বা এজেন্সির উপর ছেড়ে দেওয়া। কারণ যেহেতু এই মুহূর্তে এ/বি টেস্টিং চলছে সেহেতু এই মুহূর্তে রেভিনিউ কম বা আশানুরূপ না আসতেই পারে। তাই বলে হতাশ হওয়া যাবে না বা সেই মার্কেটার খারাপ এই ধারণা পোষন করা যাবে না। অ্যাড অপটিমাইজেশনের পর আপনি ভালো রেজাল্ট আশা করবেন।
এরপর সেই অডিয়েন্সকে টার্গেট করে আপনার মান্থলি বাজেটের ৭০% খরচ করতে পারেন। এতে করে আশা করা যায় আপনি সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ROI পাবেন।
2.পুরো মাসের সেলস প্যাটার্ন এনালাইসিস করতে হবে। সাপোজ আপনার টার্গেটেড কাস্টমার যদি হয় ওয়ার্কিং প্রফেশনালস তাহলে দেখবেন যে মাসের প্রথম ১০ দিনে সেলস রেভিনিউ সর্বোচ্চ হবে, পরের ১০+১০ দিনের তুলনায়।
কারণ কি? কারণ এই সময়ে প্রফেশনালসরা সেলারি পায়। তাই বেশিরভাগ কেনাকাটা তারা এই সময়টাতেই করে। আপনার মার্কেটিং বাজেটের ৫০% এই প্রথম ১০ দিনে খরচ করুন। একটা নির্দিষ্ট এমাউন্টের পারচেজে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি করে দিন বা নির্দিষ্ট পরিমাণ এমাউন্টের ডিস্কাউন্ট দিন।
এরপর ধীরে ধীরে বাজেটের পরিমাণ কমাতে থাকুন। মাসের শেষ সপ্তাহে বা শেষ ১০ দিনে কম বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টগুলোতে অফার দিন বা বেশি বিক্রি হওয়া প্রোডাক্টগুলোর সাথে কম্বো প্যাকেজ তৈরি করে অফার দিন।
3.অন্যান্য কনভেনশনাল মার্কেটিং এর মতো শুধুমাত্র ফেসবুকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে ৩৬০* এপ্রোচ নিন। ফেসবুকের পাশাপাশি বিভিন্ন মিডিয়াম থেকে আপনার ওয়েবসাইটে আসা কাস্টমারদের ফানেলে ফেলে রিটার্গেট করতে থাকুন, রিলেটেড সার্চ টার্মের জন্য গুগল পেইড অ্যাড (পিপিসি) চালাতে থাকুন, ডিসপ্লে অ্যাড চালান ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস ক্রিয়েটের জন্য, কাস্টমারের বিভিন্ন পেইনপয়েন্টের জন্য ব্লগ প্রকাশ করতে থাকুন। বিভিন্ন টিপস শেয়ার করতে থাকুন। যারা ইতোমধ্যেই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কনভার্সন সম্পন্ন করেছে তাদেরকে ক্রসসেলিং/ আপসেলিং এর জন্য বিভিন্ন মিডিয়ামে রিটার্গেটিং করতে থাকুন।
4.একটা নির্দিষ্ট অডিয়েন্সকে টার্গেট করে প্রতিনিয়ত ইম্প্রেশন অ্যাড চালাতে হবে। ফেসবুক + গুগল ডিসপ্লে অ্যাড ব্যবহার করে এটা করা যেতে পারে। এই কাজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস ক্রিয়েট হবে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা আজকালকার এতো এতো ব্র্যান্ডের ভিড়ে মানুষ কেন আপনার কাছ থেকে কিনবে? তাই আপনার বিজনেসের জন্যও একটা আলাদা ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি প্রয়োজন। একই অডিয়েন্সকে বারবার অ্যাড দেখনোর জন্য ফ্রিকুয়েন্সি ক্যাপ ব্যবহার করুন।
5.যতদ্রুত সম্ভব একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক (সেটা হতে পারে ১ হাজার, ২ হাজার, বা যেকোনো সংখ্যা আপনার বিজনেস অনুযায়ী) রিকারিং কাস্টমার বেসড তৈরি করতে হবে। এতে করে আপনার মার্কেটিং বাজেট অনেকটাই কমে আসবে।
আর এর জন্য আপনার প্রিভিয়াস কাস্টমারদের সাথে যারা অলরেডি আপনার কাছ থেকে পারচেসড করেছে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে যেতে হবে নিয়মিতভাবে। এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন মেসেজ, ইমেইল, স্পন্সরড মেসেজ, ডিসপ্লে অ্যাডস, রিমার্কেটিং অ্যাডস (ফেসবুক নিউজফিড, গুগল ডিসপ্লে, ইউটিউব ব্যানার অ্যাডস ইত্যাদি) ।

সম্প্রতি (অনেকদিনই হয়ে যাচ্ছে অবশ্য) iOS 14 আপডেটের পর থেকে ফেসবুক মার্কেটিং এর উপর খুবই খারাপ প্রভাব পড়ছে। এদিকে চারিদি...
25/09/2021

সম্প্রতি (অনেকদিনই হয়ে যাচ্ছে অবশ্য) iOS 14 আপডেটের পর থেকে ফেসবুক মার্কেটিং এর উপর খুবই খারাপ প্রভাব পড়ছে। এদিকে চারিদিকে বিভিন্ন অ্যাড ব্লকারের ছড়াছড়ি। অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে যত্রতত্র অ্যাডের ছড়াছড়ি, তাই ইউজাররা বিভিন্ন অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করে অ্যাডের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে চাইছে।
যারা জানেন না তাদের জন্য সংক্ষেপে বলি iOS বর্তমানে, মানে ভার্সন 14 থেকে শুরু করে পরের আপডেটগুলোতে বিভিন্ন অ্যাডভারটাইজিং প্লাটফর্মগুলোকে তাদের ইউজারদের ডেটা কালেক্ট করতে দিচ্ছে না। একটা বাধা তৈরি করে রেখেছে। আগে যেভাবে বিভিন্ন পিক্সেল কোড বা ট্যাগ বসিয়ে সহজেই ইউজারদের জার্নি ট্র্যাক করা হতো এখন আর ব্যাপারটা এতো সহজ নেই। এখন iOS ইউজারদের আগে একটি নোটিফিকেশন পাঠায় যে ফেসবুক তোমার ডেটা ট্র্যাক করতে চাইছে তুমি কি পারমিশন দিবা? স্বাভাবিকভাবেই কোনো ইউজারই পারমিশন দিবে না। কোনো ব্যক্তি চাবে না যে তার বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করা হোক। এখানেই ঝামেলাটা বাঁধছে। যেহেতু বেশিরভাগ ইউজারই পারমিশন দিবে না তাই স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকও বেশিরভাগ ইউজারদের ডেটা ট্র্যাক করতে পারবে না। ফলে ফেসবুক অ্যাডের কার্যকারিতা আর আগের মতো থাকবে না। রেজাল্টও আর আগের মতো দিবে না।
আপনারা যারা ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার টুলসটা ব্যবহার করে থাকেন তারা জানেন যে ফেসবুক ইদানিং বারবার iOS 14 এর আপডেটের ব্যাপারটা এবং কিভাবে তা ফেসবুক অ্যাডের উপর প্রভাব ফেলতে পারে তা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে । এদিকে আবার ফেসবুক ২৮ দিনের অ্যাট্রিবিউশন উইন্ডো বাদ দিয়ে ৭ দিনের ক্লিক অথবা ১ দিনের ভিউ অ্যাট্রিবিউশন উইন্ডো ব্যবহার করছে। এরফলেও ফেসবুক অ্যাডের রেজাল্টে ইফেক্ট পড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই এখন কনভার্সনের পরিমাণ কম দেখাচ্ছে আগের তুলনায়।
তাহলে উপায় কি? ফেসবুক মার্কেটিং এর খেলা কি এখানেই শেষ? ফেসবুক কি আর তাহলে আগের মতো ইউজার জার্নি ট্র্যাক করতে পারবে না?
পারবে, অবশ্যই পারবে। এই সমস্যার সমাধান একটা আছে। তা হলো ফেসবুক কনভার্সন এপিআই। কনভার্সন এপিআই শব্দটা অনেকটা নতুন মনে হলেও এটা কিন্তু ট্র্যাকিং এর নতুন উপায় না। এমনকি ফেসবুকের জন্যও এটা নতুন কিছু না। কনভার্সন এপিআই এর পুরোনো নাম সার্ভার সাইড ইভেন্ট ট্র্যাকিং। এই নামটা শুনলেই আসলে বুঝা যায় যে এর কাজটা আসলে কি? সার্ভার সাইড বা এপিআই এর কাজ হচ্ছে একদম সার্ভার লেভেলে ট্র্যাকিং এর কাজটা করা। এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের সার্ভার ইউজার বা ভিজিটরের অ্যাকশন ট্র্যাক করে। যেমন- অ্যাড টু কার্টে ক্লিক করা, ভিউ কার্ট করা, চেকআউট করা, পারচেজ করা ইত্যাদি। প্রথমে সার্ভার এই অ্যাকশনগুলো নোট করে, তারপর তা ফেসবুকের কাছে পাঠায়।
বেশিরভাগ বিজনেসই যেটা করে তা হলো ফেসবুকের পিক্সেল কোড সরাসরি তাদের ওয়েবসাইটে বসায় অথবা গুগল ট্যাগ ম্যানেজারের মাধ্যমে বসায়। যখন কোনো ইউজার আপনার ওয়েবসাইট লোড করে তখন পিক্সেল ব্রাউজার লেভেলে ফায়ার করে। ইউজার যখন কোনো পেজ ভিজিট করে এবং বিভিন্ন অ্যাকশন নেয় যেমন অ্যাড টু কার্ট, ভিউ কার্ট, চেক আউট, পারচেজ, লিড ফর্ম পুরণ ইত্যাদি তখন ব্রাউজার ফেসবুকের কাছে একটা আপডেট পাঠায়। তারপর ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজারে আপনার আমার কাছে শো করে যে কতগুলো কনভার্সন ইভেন্ট ঘটেছে।
আর কনভার্সন এপিআই এর ক্ষেত্রে যখনই কোনো ইউজার ফেসবুকের কোনো অ্যাডের উপর ক্লিক করে ওয়েবসাইটে ল্যান্ড করে ফেসবুক তখন সেই ইউজারের জন্য একটি ইউনিক আইডি সার্ভারের কাছে পাঠায়। এরপর সার্ভার সেই আইডির মাধ্যমে ইউজারকে ট্র্যাক করে যে সে কোন কোন পেজ ভিজিট করছে আর কোন কোন অ্যাকশন নিচ্ছে তা নোট করতে থাকে। এরপর সার্ভার ফেসবুকের কাছে একটি মেসেজ পাঠায় যে এই ইউজার আইডিটা এই নির্দিষ্ট অ্যাকশনগুলো কমপ্লিট করেছে। এভাবে ফেসবুক এতো বাধা সত্ত্বেও খুব সহজেই কাস্টমারের ডেটা ট্র্যাক করতে পারে।
তাই ফেসবুক পিক্সেলের পাশাপাশি ফেসবুক কনভার্সন এপিআই সেটআপ করা না থাকলে আজই সেটআপ করে নিন। এতে করে ফেসবুক আগের চাইতে অনেক বেশি ডেটা ট্র্যাক করে আপনার অ্যাডকে ভালোভাবে অপ্টিমাইজ করতে পারবে এবং আপনার অ্যাডের পারফরমেন্স বাড়বে। আর হ্যাঁ! iOS ইউজাররা কিন্তু ধনী হয়। আর আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না এমন ধনী কাস্টমাররা ট্র্যাকিং এর অভাবে হাতছাড়া হয়ে যাক তাইনা? হাহা……………।

ফেসবুক পিক্সেলের ৭টি কাজ গতপর্বে আলোচনা করেছিলাম ফেসবুক পিক্সেল কি? খায় নাকি মাথায় দেয়? আজকে আলোচনা করবো ফেসবুক পিক্সেল ...
25/09/2021

ফেসবুক পিক্সেলের ৭টি কাজ

গতপর্বে আলোচনা করেছিলাম ফেসবুক পিক্সেল কি? খায় নাকি মাথায় দেয়?
আজকে আলোচনা করবো ফেসবুক পিক্সেল কেন প্রয়োজন?
১। বিভিন্ন কনভার্সন ইভেন্ট ট্র্যাক করতে ফেসবুক পিক্সেল ব্যবহার করা হয়। কনভার্সন ইভেন্ট বলতে সাবমিট বাটন ক্লিক, নিউজলেটার সাইনআপ, পারচেজ বাটন ক্লিক, অ্যাড টু কার্ট, ভিউ কার্ট ইত্যাদি ট্র্যাক করতে ফেসবুক পিক্সেল প্রয়োজন।
২। রিটার্গেটিং এর জন্য ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের নিয়ে বিভিন্ন রকমের কাস্টম অডিয়েন্স তৈরি করা যায়।
৩। রেভিনিউ রিপোর্টিং এর জন্য ফেসবুক পিক্সেল ব্যবহার করা হয়। ওয়েবসাইটে পিক্সেলের মাধ্যমে কনভার্সনের ডায়নামিক ভ্যালু পাস করা হয় ফেসবুকের কাছে যা দ্বারা ROAS (Return On Ad Spend) নির্ণয় করা যায়।
৪। সেলস ফানেল অ্যানালাইজ করার জন্য ফেসবুক পিক্সেল ব্যবহার করা হয়। আপনার সাইটে যদি পিক্সেল ইন্সটল করা থাকে তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে এসে কতজন মানুষ অ্যাড টু কার্ট করলো এর সাথে কতজন ভিউ কার্ট করলো এর তুলনা করতে পারবেন। কতজন ভিউ কার্ট করলো এর সাথে কতজন প্রোসিড টু চেক আউট করলো এর তুলনা করতে পারবেন। অথবা কতজন প্রোসিড টু চেক আউট করলো এর সাথে কতজন প্লেস অর্ডার করলো এর তুলনা করতে পারবেন। এভাবে বিভিন্ন সেলস ফানেল নিয়ে অ্যানালাইজ করা যায় ফেসবুক পিক্সেলের সাহায্যে।
৫। যেসব অডিয়েন্স ইতোমধ্যেই কনভার্সন সম্পন্ন করেছে অর্থ্যাত, যারা আপনার ডিজায়ার্ড অ্যাকশন ফুলফিল করেছে তাদেরকে নিয়ে আপনি একটি কাস্টম অডিয়েন্স তৈরি করতে পারেন এবং তাদেরকে রিটার্গেটিং অ্যাড থেকে বাদ দিতে পারেন যাতে করে আপনার অর্থের অপচয় না হয়।
৬। এর মাধ্যেমে আপনি লুক এলাইক অডিয়েন্স তৈরি করতে পারেন।
৭। ডায়নামিক প্রোডাক্ট অ্যাড তৈরি করতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের রিসেন্ট ভিজিটরদেরকে তারা যে প্রোডাক্ট ভিউ করেছে বা তারা যে প্রোডাক্টের প্রতি ইন্টারেস্ট দেখিয়েছে ঠিক সেই প্রোডাক্টের রিটার্গেটিং অ্যাড দেখাতে পারবেন যা আপনার কনভার্সন রেট অনেক বৃদ্ধি করবে।

 #ফেসবুক_অ্যাড_অকশন_কি_এবং_এটা_কিভাবে_কাজ_করে?ফেসবুক অ্যাড অকশন সম্পর্কে জানতে হলে সবার আগে আমাদের জানতে হবে ফেসবুকের ডে...
25/09/2021

#ফেসবুক_অ্যাড_অকশন_কি_এবং_এটা_কিভাবে_কাজ_করে?
ফেসবুক অ্যাড অকশন সম্পর্কে জানতে হলে সবার আগে আমাদের জানতে হবে ফেসবুকের ডেটা পয়েন্ট সম্পর্কে। ফেসবুকের এই ডেটা পয়েন্ট জিনিসটা কি? ডেটা পয়েন্ট হচ্ছে এমন পয়েন্ট যেখান থেকে ফেসবুক ইউজারদের ডেটা কালেক্ট করে এর সিস্টেমে পাঠায় এবং এই ডেটার উপর ভিত্তি করে ফেসবুকের অ্যালগরিদম কাজ করে বিভিন্ন অ্যাড রান করে।
তাহলে এখন প্রশ্ন হলো এই ডেটা পয়েন্টগুলো কি কি যেখান থেকে ফেসবুক ডেটা কালেক্ট করে? প্রথম ডেটা পয়েন্ট হলো ইউজার দ্বিতীয় ডেটা পয়েন্ট হলো অ্যাডভার্টাইজার।
আপনি যখন ফেসবুকে একাউন্ট খুলেছিলেন তখন ফেসবুককে বিভিন্ন ইনফরমেশন দিয়েছিলেন। আপনার জন্ম কত সালে, লোকেশন কোথায়, কোথায় পড়াশুনা করেন, কোথায় কাজ করেন ইত্যাদি। পরবর্তীতে কেউ যখন বয়স বা লোকেশন টার্গেট করে অ্যাড দেয় তখন ফেসবুক কিন্তু এইসব ইনফরমেশনই ব্যবহার করে।
এরপরে ফেসবুক আপনার অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করে। আপনি কোন পেজে লাইক দেন, কোন পেজ ফলো করেন, কোথায় কমেন্ট করেন, কোন ধরণের পোষ্ট শেয়ার করেন, কোন ধরণের পোষ্টগুলো বেশি সময় নিয়ে পড়েন, কি খান, কোথায় যান ইত্যাদি সব কিছু ফেসবুক আপনার কাছ থেকে পায়। আর এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক আপনার ইন্টারেষ্ট সম্পর্কে জানতে পারে।
যেমন ধরুন আপনি ফ্যাশন রিলেটেড কোনো পেজে লাইক দিয়ে রেখেছেন, তাদের পোষ্টগুলো নিয়মিত ফলো করেন, এংগেজ হন, শেয়ার করেন । তার মানে আপনি ফ্যাশন রিলেটেড ব্যাপারে ইন্টারেষ্ট ফিল করেন। আবার আপনি একই ব্যক্তি নিউজ রিলেটেড পেজ বা পোষ্টেও ভালোভাবে এঙ্গেজ হন তার মানে আপনার নিউজ রিলেটেড ব্যাপারেও ইন্টারেষ্ট আছে। এখন আপনি কোন ধরনের পোষ্টে বেশি পরিমাণে এঙ্গেজ হন, বেশি সময় ব্যয় করেন এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক সিদ্ধান্ত নেয় যে আপনি কোন বিষয়ে তুলনামূলক বেশি ইন্টারেষ্টেড।
এতো গেলো প্রথম ডেটা পয়েন্ট ইউজার সম্পর্কে কথাবার্তা। এখন আসি দ্বিতীয় ডেটা পয়েন্ট অ্যাডভার্টাইজার এর বিষয়ে। এখান থেকে ফেসবুক কিভাবে ইনফরমেশন নেয়?
ফেসবুক দেখে যে কোনো একটা অ্যাড ক্যাম্পেইন কেমন পারফর্ম করছে, কতগুলো কনভার্শন হচ্ছে, ক্যাম্পেইনটা কিভাবে গ্রো করছে, ক্যাম্পেইনে কতগুলো ভিজিটর আসছে, ক্যাম্পেইন রেজাল্ট, পিক্সেল এইসব ইনফরমেশন ফেসবুক ডেটা পয়েন্ট থেকে ক্যাপচার করে এবং তার সিস্টেমকে বুঝায়।
এগুলো ছাড়াও ফেসবুক পেজ (কোন ধরণের মানুষ কোনো একটি নির্দিষ্ট পেজ ফলো করছে ইত্যাদি), ফেসবুক গ্রুপ এবং কিছু থার্ড পার্টি টুলস থেকেও ডেটা কালেক্ট করে।
এতোক্ষণ তত্ত্বকথা শুনলাম, এখন একটা সহজ-সরল বাস্তব সিনারি চিন্তা করুন।
ধরুন, মিস তন্বী, তার একটা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে। তিনি ফ্যাশন রিলেটেড বেশকিছু পেজ ফলো করেন সেগুলোতে লাইকও দেওয়া আছে।
আবার, তিনি ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কিছু পেজও ফলো করেন, ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কিছু গ্রুপে নিয়মিত কমেন্ট করেন, ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড অ্যাডে ক্লিক করেন।
এ থেকে আমরা সাধারণভাবে একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে মিস তন্বী ফ্যাশন এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপারে ইন্টারেস্টেড।
এখন বিপরীতপাশে আরেকটা চিত্র কল্পনা করুন, ধরুন তিনজন অ্যাডভারটাইজার ফেসবুকে অ্যাড দিবেন।
অ্যাডভারটাইজার-১ তিনি স্পোর্টস রিলেটেড কোনো পণ্যের অ্যাড দিবেন। তাই তিনি টার্গেট করেছেন স্পোর্টস বিষয়ে ইন্টারেস্টেড এমন মানুষজনকে। আপনার কি মনে হয় মিস তন্বী অ্যাডটা দেখবে? হ্যাঁ, যথেষ্ট চান্স আছে তিনি অ্যাডভারটাইজার-১ এর অ্যাডটা দেখবেন।
অ্যাডভারটাইজার- ২ তিনি একটি অ্যাড দিবেন ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কোনো কোর্সের। তাই তিনি টার্গেট করেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে ইন্টারেস্টেড মানুষদের। আপনার কি মনে হয় এবার মিস তন্বী অ্যাডটা দেখবে? হ্যাঁ, এবারও যথেষ্ট চান্স আছে তিনি অ্যাডভারটাইজার-২ এর অ্যাডটা দেখবেন।
অ্যাডভারটাইজার- ৩ তিনিও একটি অ্যাড দিবেন ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কোনো কোর্সের। তাই তিনিও টার্গেট করেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে ইন্টারেস্টেড মানুষদের। আপনার কি মনে হয় এবার মিস তন্বী অ্যাডটা দেখবে? হ্যাঁ, যথেষ্ট চান্স আছে তিনি অ্যাডভারটাইজার-৩ এর অ্যাডটা দেখবেন।
এখন মূল প্রশ্ন হলো, মিস তন্বী যখন ফেসবুক নিউজফিড স্ক্রল করবে তখন কোন অ্যাডটা তার নিউজফিডে দেখানো হবে? অ্যাডভারটাইজার- ১, ২ নাকি ৩ এর অ্যাড তার নিউজফিডে যাবে? হ্যাঁ, এই ব্যাপারটাই নির্ধারণ করা হয় অ্যাড অকশন দিয়ে।
কারো কারো মনে একটা সুপ্রশ্নের উদয় হতে পারে যে, তিনটা অ্যাডই তো দেখানো যেতে পারে উনার নিউজফিডে। কিন্তু তাদেরকে আমি একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চাই যে আমরা বুঝার সুবিধার্থে এখানে মাত্র তিনজন অ্যাডভারটাইজারকে কল্পনা করেছি। কিন্তু বাস্তবে মিস তন্বীর নিউজফিডে জায়গা পাওয়ার জন্য হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ অ্যাডভারটাইজার একইসাথে ফাইট করছে। সবাইকে একসাথে জায়গা দিতে গেলে তো সারাদিন নিউজফিডে শুধু অ্যাডই দেখে যেতে হবে। তাও শেষ হবে না।
তাই ফেসবুক “অ্যাড অকশন” নামে একটি অটোমেটেড সিস্টেম ডেভেলপ করেছে যে সিদ্ধান্ত নিবে কার অ্যাড দেখনো হবে আর কারটা দেখানো হবে না। যখনই কোনো অ্যাড ইম্প্রেশন পায় তার মানে সেটা অ্যাড অকশন পার করেই এসেছে। অ্যাড অকশনে জয়ী হওয়া ছাড়া কোনো অ্যাড কখনো রান হবে না, ইম্প্রেশন পাবে না। প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে হাজার হাজার অ্যাড অকশনে অংশ নিচ্ছে আর কম্পিটিটরের সাথে ফাইট করছে। অকশনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারটা নির্ধারিত হয় “টোটাল ভ্যালু” দ্বারা।
“টোটাল ভ্যালু” নির্ধারিত হয় তিনটা ম্যাট্রিক্সের উপর ভিত্তি করে। ১। বিডিং, ২। এস্টিমেটেড অ্যাকশন রেট, ৩। অ্যাড কোয়ালিটি
[মনে রাখা ভালো যে এস্টিমেটেড অ্যাকশন রেট আর অ্যাড কোয়ালিটি এই দুইটা জিনিস মিলে হয় অ্যাড রেলিভেন্সি।]
বিডিং মানে আপনি সদিচ্ছায় যে টাকাটা ফেসবুককে দিতে চান অ্যাড চালানোর জন্য।
এস্টিমেটেড অ্যাকশন রেট হচ্ছে ফেসবুক তার কাছে থাকা বিভিন্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে একটা প্রবাবিলিটি তৈরি করে যে কার অ্যাড এ মানুষ বেশি ক্লিক করবে, বেশি ভালোভাবে এঙ্গেজ করবে, ভালো অ্যাকশন নিবে।
ধরুন, অ্যাডভারটাইজার ২ এবং ৩ একই টার্গেট অডিয়েন্সকে টার্গেট করে অ্যাড দিয়েছে । এখন ফেসবুক তার কাছে থাকা বিভিন্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে একটা প্রবাবিলিটি করে যে, অ্যাডভারটাইজার ৩ এর অ্যাড এ মানুষের অ্যাকশন রেট হবে বেশি অ্যাডভারটাইজার ২ এর তুলনায়। তাই ফেসবুক এই জায়গায় অ্যাডভারটাইজার ৩ কে বেশি স্কোর দেয় বা তাকে এগিয়ে রাখে।
অ্যাড কোয়ালিটি নির্ভর করে অ্যাড কপি, ভিজ্যুয়াল, ফেসবুক পলিসি মানা হয়েছে কিনা এর উপর। যারটা যত বেশি ভালো হবে তার স্কোর তত বেশি।
আগেই বলেছি এস্টিমেটেড অ্যাকশন রেট আর অ্যাড কোয়ালিটি এই দুইটা জিনিস মিলে হয় অ্যাড রেলিভেন্সি। তার মানে অ্যাড অকশনে কে জিতবে তা নির্ভর করে মূলত বিডিং আর অ্যাড রেলিভেন্সির উপরে। এই দুইটাতে যে জয়ী হবে আল্টিমেটলি সেই আসলে অকশনে জয়ী এবং তার অ্যাডই নিউজফিডে দেখানো হবে।
ধন্যবাদ।

ফেসবুক পিক্সেল কি? খায় না মাথায় দেয়?ধরুন আপনি একটি ল্যাপটপ কিনতে চাচ্ছেন। এখন ল্যাপটপ কিনার আগে আপনি গুগলে ঘাঁটাঘাঁটি কর...
25/09/2021

ফেসবুক পিক্সেল কি? খায় না মাথায় দেয়?

ধরুন আপনি একটি ল্যাপটপ কিনতে চাচ্ছেন। এখন ল্যাপটপ কিনার আগে আপনি গুগলে ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখছেন যে আপনার বাজেটের মধ্যে কোন ল্যাপটপটি সবচেয়ে ভালো হবে। কোন স্পেসিফিকেশনের ল্যাপটপটি আপনার কাজের জন্য উপযুক্ত হবে। এজন্য আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট নাড়াচাড়া করছেন, ডিটেইলস স্পেসিফিকেশন চেক করছেন, মাঝে মাঝে অ্যাড টু কার্ট করছেন আবার কি সব ছাইপাশ ভেবে কার্ট থেকে রিমুভ করছেন। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে একবার আলীবাবার ওয়েবসাইটেও ভিজিট করেছেন আপনি। সেখানে এইচপি ব্র্যান্ডের এলিটবুক সিরিজের একটি ল্যাপটপ আপনার পছন্দ হয়েছে। দেশীয় শপগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখলেন এই ল্যাপটপ এখানে পাওয়া যায় না। তাই কিছুক্ষণ ভেবেচিন্তে আলীবাবার সাইটে অ্যাড টু কার্ট করলেন। করেই পেমেন্ট মেথড পরে অ্যাড করবেন বলে সাইট থেকে চলে আসলেন। যেহেতু ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন তাই ঝামেলা আছে। বন্ধুবান্ধব কারো কাছে কার্ড আছে কিনা খোঁজখবর নিতে হবে।
ওয়েবসাইট থেকে এক্সিট করেই ফেসবুকে গেলেন বন্ধুবান্ধবের সাথে যোগাযোগ করার জন্য যে তাদের কারো কাছে কার্ড আছে কিনা যেটা দিয়ে আপনি পেমেন্ট করতে পারবেন।
কিন্তু কি আশ্চর্য! ফেসবুকে ঢুকার সাথেই সাথেই আলীবাবার অ্যাড। শুধুই কি অ্যাড! একটু আগে আলীবাবার ওয়েবসাইটে আপনি যে ল্যাপটপটা অ্যাড টু কার্ট করে এসেছেন গোটা সেই ল্যাপটপটাই এখন আপনার নিউজফিডে ভাসছে। বারবার একই প্রোডাক্টের অ্যাড আপনার সামনে আসছে।
এটা কি করে সম্ভব? ফেসবুক কি করে জানলো যে আপনি এই প্রোডাক্টের ব্যাপারে আগ্রহী? আপনি তো ফেসবুক কে বলে দেননি তাইনা?
হ্যাঁ, এটাই ফেসবুক পিক্সেলের কাজ। আপনি যখন আলীবাবার ওয়েবসাইট ভিজিট করেছিলেন তখন আলীবাবার ওয়েবসাইটে আগে থেকেই সেট করে রাখা পিক্সেল আপনার প্রতিটি অ্যাকশন ট্র্যাক করেছে। আপনি কোন পেজ ভিজিট করেছেন, কোন প্রোডাক্ট দেখেছেন, কোন পেজে কত সময় ধরে ভিজিট করেছেন, কোন বাটনে ক্লিক করেছেন, কোন পেজ কতটুকু স্ক্রল করেছেন, কোন প্রোডাক্ট অ্যাড টু কার্ট করেছেন ইত্যাদি সকল অ্যাকশন ট্র্যাক করেছে।
এখন সেই ডাটা ব্যবহার করে আপনাকে রিটার্গেট করেছে। তাই আপনি ওই একই প্রোডাক্টের অ্যাড বারবার দেখছেন। যতক্ষণ আপনি পারচেজ না করছেন ততক্ষণ আপনার সামনে বারবার প্রোডাক্ট দেখিয়ে আপনাকে কনভিন্স করার চেষ্টা করছে। আপনি ভুলে গেলে মনে করিয়ে দিচ্ছে। এই আর কি!
সহজ ভাষায় যদি বলি তাহলে বলা যায় যে, ফেসবুক পিক্সেল হচ্ছে একটি জাভাস্ক্রিপ্ট কোড স্নিপেট যেটি ওয়েবসাইটে বসিয়ে দিলে আপনার কাস্টমারের যাবতীয় ডেটা ট্র্যাক করে ফেসবুকে পাঠায়। যা ব্যবহার করে আপনি ফেসবুক অ্যাডস এর কনভার্সন ট্র্যাক করতে পারেন, অ্যাডস অপ্টিমাইজ করতে পারেন, কাস্টম অডিয়েন্স ক্রিয়েট করতে পারেন, যারা অলরেডি আপনার ওয়েবসাইটে কোনো না কোনো অ্যাকশন নিয়েছে (ওয়ার্ম কাস্টমার) তাদেরকে নিয়ে রিমার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালাতে পারেন।

ইদানিং কালের ফেসবুকের বিজনেস পেজ বা গ্রুপগুলোতে আলোচনার অন্যতম হট টপিক “আপনার বিজনেসের জন্য কেন ওয়েবসাইট থাকা জরুরী।”  এ...
25/09/2021

ইদানিং কালের ফেসবুকের বিজনেস পেজ বা গ্রুপগুলোতে আলোচনার অন্যতম হট টপিক “আপনার বিজনেসের জন্য কেন ওয়েবসাইট থাকা জরুরী।” এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বেশিরভাগই যে যুক্তি দেন সেটা হলো যারা এফকমার্স করে মানে শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ বা গ্রুপের মাধ্যমে যারা বিজনেস করে, কোনো কারনে যদি বাংলাদেশ সরকার ফেসবুক বন্ধ ঘোষণা করে বা ফেসবুকই যদি তার পেজকে বন্ধ করে দেয় তাহলে তার পুরো বিজনেস এখানেই শেষ। তার নিজের কোনো কন্ট্রোল নাই এখানে। অন্যের জমিতে সাময়িক সময়ের জন্য চাষবাস করে খাওয়া আরকি। যেদিন মালিক তাকে জমি থেকে উচ্ছেদ করে দিবে সেদিন সে পথের ফকির, কিচ্ছু করার নাই। “গণি মিয়ার নিজের কোনো জমি নাই, সে অন্যের জমিতে ফসল ফলায়।”
আর কিছু মানুষ হয়তো যুক্তি দেয় যে, ওয়েবসাইট থাকলে আপনার কাস্টমাররা দিনরাত ২৪ ঘন্টাই আপনাকে খুঁজে পাবে। যখন খুশি তখন অর্ডার করতে পারবে। সব প্রোডাক্ট সাজানো গোছানো অবস্থায় ওয়েবসাইটে খুঁজে পাবে। প্রাইস, কালার, সাইজ, অন্য যেকোনো স্পেসিফিকেশন জানতে পারবে কোনপ্রকার হয়রানি ছাড়াই। এজন্য আপনার মেসেজের রিপ্লাইয়ের অপেক্ষায় বসে থাকতে হবে না। আপনাকেও আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করতে হবে না মেসেজিং এর পিছনে।
এ পর্যন্ত সব ঠিক আছে, কোনো ভুল নাই। উপরের সবগুলো কারণই ভ্যালিড। কিন্তু তারপরও আমার মনে হয় এক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট সবাই মিস করে যায়। কেউই আলোচনা করে না। তা হলো ওয়েবসাইট থাকলে কাস্টমারের each & every data আপনি ট্র্যাক করতে পারবেন। অবশ্য বুষ্টিং নির্ভর বাংলাদেশে হয়তো এতটা আশা করাও বোকামি। সবাই শুধু শর্টকাট খুঁজে।
এখানে each & every data বলতে আবার কাস্টমারের পার্সোনাল ডেটাকে বুঝায় না। এমন না যে কাস্টমারের নাম, ঠিকানা, বয়স আপনি পেয়ে যাবেন। তাই ভয়ের কোনো কারন নাই। কাস্টমারের ডেটা বলতে এখানে কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশের পর কেমন বিহেভিয়ার করছে, কোন কোন পেইজ ভিজিট করছে, কত সময় ধরে ভিজিট করছে, কাস্টমার টেম্পেরাচার কেমন (কোল্ড, ওয়ার্ম, হট) ইত্যাদি বুঝায়।
ধরুন, আপনি একটি ফেসবুকে অ্যাড ক্যাম্পেইন রান করলেন, সেই ক্যাম্পেইনে একটি লিংকের মাধ্যমে আপনি আপনার কাস্টমারদেরকে ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট ল্যান্ডিং পেইজে ল্যান্ড করালেন। পেইজে ল্যান্ড করার পর কাস্টমার ২টা কাজ করতে পারে। হয় তিনি ল্যান্ডিং পেইজ ঘুরেই চলে যেতে পারেন অন্য কোনো পেইজ ভিজিট না করেই। অথবা ল্যান্ডিং পেইজ দেখে আকৃষ্ট হয়ে ওয়েবসাইটের অন্যান্য পেইজেও তিনি ভিজিট করতে পারেন।
ধরলাম, কাস্টমার ল্যান্ডিং পেইজ দেখে আকৃষ্ট হয়ে আরো কিছু রিলিভেন্ট পেইজ ভিজিট করলো। সম্ভাব্য কাস্টমার জার্নিটা নিচে দেখানো হলোঃ
ল্যান্ডিং পেইজ> প্রোডাক্ট পেইজ-১> প্রোডাক্ট পেইজ-২……...৫> অ্যাড টু কার্ট> ভিউ কার্ট> প্রোসিড টু চেক আউট> বিলিং ডিটেইলস> প্লেস অর্ডার ।
এখন কিছু মানুষ ল্যান্ডিং পেইজ থেকে প্রোডাক্ট পেইজ পর্যন্ত যাবে, কিছু মানুষ ১টা প্রোডাক্ট পেইজ ভিজিট করবে, কিছু মানুষ ২টা, কিছু মানুষ ৩/৪/৫…...। এখন যে মানুষ ১টা প্রোডাক্ট পেইজ ভিজিট করবে তার তুলনায় যে ২টা /৩টা পেইজ ভিজিট করবে তিনি বেশি পটেনশিয়াল, তাইনা? এভাবে যে কাস্টমার ৪/৫ বা আরো বেশি প্রোডাক্ট পেইজ ভিজিট করবে তিনি ২/৩টা পেইজ ভিজিট করা মানুষের তুলনায় আরো বেশি পটেনশিয়াল?
এভাবে যে কাস্টমার শুধু প্রোডাক্ট পেইজ ভিজিট করবে তার তুলনায় যিনি অ্যাড টু কার্ট করবে তিনি বেশি পটেনশিয়াল? কারন তিনি আরো একধাপ বেশি এগিয়েছেন। যিনি ভিউ কার্ট করেছেন তিনি অ্যাড টু কার্ট করা মানুষের তুলনায় বেশি পটেনশিয়াল? আবার যিনি প্রোসিড টু চেক আউট করেছেন তিনি ভিউ কার্টের তুলনায় বেশি পটেনশিয়াল? যিনি বিলিং ডিটেইলস দিয়ে প্লেস অর্ডার করেছেন তিনি সবার চাইতে বেশি পটেনশিয়াল। এককথায় বলতে গেলে তিনি অলরেডি কনভার্সন করেই ফেলেছেন।
এতোকিছু বলার কারন আপনাদেরকে কাস্টমার জার্নিটা বুঝানো আর কাস্টমার টেম্পেরাচার সম্পর্কে আইডিয়া দেওয়া। গুরুত্বটা বুঝানো।
এখন আসল খেলা শুরু।
আপনি কি জানেন এতোক্ষণ কাস্টমারের যেসব প্যাচাল পারলাম সে-সওওওব কিছু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন খুব সহজেই?
অর্থাৎ, একজন কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটে আসার পর কত সময় থাকলো, কোন কোন পেইজ ভিজিট করলো, কোন পেইজ কত পার্সেন্ট স্ক্রল করলো, কোনো ফাইল ডাউনলোড করলো কিনা, ওয়েবসাইটে কোনো ভিডিও থাকলে তা ওপেন করলো কিনা, করলে কত পার্সেন্ট ভিউ করলো, ভিডিওর প্লে,পস অথবা স্টপ বাটনে ক্লিক করলো কিনা, ওয়েবসাইটের কোনো ইমেজের উপর ক্লিক করলো কিনা, অ্যাড টু কার্ট-ভিউ কার্ট-প্রোসিড টু চেক আউট-প্লেস অর্ডার-সাবস্ক্রিপশন-সাবমিট বাটনে ক্লিক করলো কিনা, কোনো আউটবাউন্ড লিংক এ ক্লিক করলো কিনা, ওয়েবসাইটে থাকা ফোন নাম্বার-ইমেইল অ্যাড্রেসে ক্লিক করলো কিনা এসবকিছু ট্র্যাক করা যায় খুব সহজেই।
শুধু তাইনা কাস্টমারের লোকেশন, ডেমোগ্রাফি, ইন্টারেস্ট, ডিভাইস, কোন কোন পথ পাড়ি দিয়ে মানে কোন ডিভাইস/ মিডিয়াম ব্যবহার করে এসে আপনার প্রোডাক্ট কিনেছে ইত্যাদি ছাড়াও আরো অনেককিছু ইনডিটেইলস ট্র্যাক করা যায়, যা আপনার ধারণারও বাইরে।
এখন প্রশ্ন করতে পারেন, এতোকিছু ট্র্যাক করে কি হবে? কাস্টমারের এতো ইনফরমেশন দিয়ে কি করবো?
এই প্রশ্ন আপনার মাথায় আসার কথা না। আর যদি ভুল্ক্রমে আসেও তাহলে বলার কিছুই নাই। আপনি ব্যবসা করবেন অথচ আপনার কাস্টমার বিহেভিয়ার বোঝার গুরুত্বটা আপনি এখনো বুঝতে পারছেন না? কাস্টমার কি করে, কোথায় থাকে, ইন্টারেস্ট কি, আপনার ওয়েবসাইটের গিয়ে সে কি করে এসব কিছু জানার কোনোই প্রয়োজন নাই? কি বলেন আপনি এসব?
বিশ্বখ্যাত ম্যানেজমেন্ট গুরু পিটার ড্রাকার একটি কথা বলেছেন, “If you can’t measure it, you can’t improve it.”
আসলেও তাই। আপনি ব্যবসায় উন্নতি করতে চান অথচ আপনার কাছে কাস্টমারের ডেটা নাই, স্ট্যাটিস্টিক্স নাই এটা একপ্রকার গাঁজাখুরি কথাই বলা চলে।
পরিশেষে দুই-একটা স্ট্যাটিস্টিক্স বলে যাই যাতে করে আপনার মনে কিছুটা হলেও চিন্তার উদ্রেক হয়।
১। ইকমার্স জগতে এভারেজ কার্ট এবান্ডনমেন্ট রেট ৬৯.৫৭%। মানে এতো মানুষ প্রোডাক্ট কার্টে অ্যাড করার পরও না কিনেই চলে যায়।
২। মোবাইল ইউজারদের মধ্যে এর চাইতেও বেশি এবান্ডনমেন্ট রেট দেখা যায় যা ৮৫.৬৫%।
৩। ইকমার্স ব্যান্ডগুলো প্রতিবছর ১৮ বিলিয়ন ডলার রেভিনিউ লস করে এই উচ্চ এবান্ডনমেন্ট রেটের কারনে। ( https://tinyurl.com/5474eknh )
৪। ২৫% অনলাইন ভিউয়ার রিটার্গেটেড অ্যাড দেখতে পছন্দ করে।
৫। যেসব ওয়েবসাইট ভিজিটরদেরকে রিটার্গেটেড অ্যাড দেখানো হয় তাদের কনভার্ট হওয়ার হার ৪৩%।
৬। ই-মার্কেটারের তথ্যমতে, প্রতি ৫ জন ভিজিটরের মধ্যে ৩ জন ভিজিটর রিটার্গেটিং অ্যাডসকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে যেসব প্রোডাক্টের অ্যাড তারা ইতোমধ্যে অন্য কোথাও দেখেছে।
৭। যেকোনো সচরাচর ডিসপ্লে অ্যাডের চাইতে রিটার্গেটিং অ্যাডের CTR ১০ গুণ বেশি হয়।
( https://tinyurl.com/4sh3z6uv )
৮। যেখানে সাধারন অ্যাড থেকে কনভার্সন রেট আসে সর্বোচ্চ ১-২%, সেখানে রিটার্গেটিং অ্যাড এর কনভার্সন রেট ৫-৭% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কি বুঝলেন?
-কিছুই না!
ওকে। বুঝিয়ে বলছি। এই যে এতো মানুষ কার্টে প্রোডাক্ট অ্যাড করছে তারা কিন্তু আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে ইন্টারেস্টেড বলেই কার্টে অ্যাড করছে। কিন্তু বিভিন্ন কারনে তারা এবান্ডন করছে। সেটা হতে পারে বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব, ট্যাকনিক্যাল ইরোর, পরে কিনবে বলে কার্টে অ্যাড করে রাখে কিন্তু পরে ভুলে যায়, পেমেন্ট করার মতো অবস্থায় থাকে না ইত্যাদি। এখন এসব হাইলি ইন্টাররেস্টেড মানুষকে যদি আপনি রিটার্গেটিং করে বারবার প্রোডাক্টের অ্যাড দেখাতে থাকেন সম্ভাবনা খুবই বেড়ে যায় যে তারা আপনার প্রোডাক্ট কিনবে। এক্ষেত্রে কনভার্সন রেট খুবই হাই হয়। রিটার্গেটিং এর ফলে হয় কি একই জিনিস বারবার দেখতে দেখতে প্রোডাক্টের কথা কাস্টমারের মনে গেঁথে যায় ভালোভাবে, তাদের স্মরণ পড়ে যে প্রোডাক্ট কার্টে অ্যাড করেছিলো, প্রোডাক্টটি তাদের প্রয়োজন, বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে।
আর এতসব কিছু করার জন্য আপনার কাস্টমারের ডেটা ট্র্যাক করা প্রয়োজন। আপনার কাছে যদি ডেটাই না থাকে তাহলে আপনি জানবেন কি করে যে আপনার ওয়েবসাইটে আসার পর কে কি করলো?
আপনি যখন সাধারণ বুষ্টিং মারেন তখন যদু-মধু-কদু সবার কাছেই অ্যাড যায়। কিন্তু তা না করে আপনি যদি ডেটা-ড্রিভেন ওয়েতে অ্যাডভার্টাইজিং করেন, সঠিক কাস্টমার ইনসাইট ইউজ করেন তাহলে শুধুমাত্র আপনার প্রোডাক্টের প্রতি ইন্টারেস্টেড এমনসব মানুষের কাছেই আপনার অ্যাড পৌঁছে যাবে। প্রাথমিক ফিল্টার করে হাইলি ইন্টারেস্টেড অডিয়েন্সের প্রতি রিটার্গেটিং অ্যাড চালালে তো কথাই নাই। কনভার্সন রেট বেড়ে যাবে হু হু করে।
এই ডেটাড্রিভেন মার্কেটিং এর আরেকটা বড় অ্যাডভান্টেজ হচ্ছে আপনি আপনার অডিয়েন্সকে বিভিন্ন সেগমেন্টে ভাগ করে বিভিন্ন ধরনের কাস্টম অডিয়েন্স তৈরি করতে পারেন এবং তা থেকে পরবর্তীতে লুকএলাইক অডিয়েন্স তৈরি করতে পারেন । (লুকএলাইক অডিয়েন্স বলতে বোঝায় ধরেন আপনার ওয়েবসাইটে যেসব অডিয়েন্স অ্যাড টু কার্ট করেছে তাদের মতো বৈশিষ্ট্য় সম্পন্ন আরো যেসব অডিয়েন্স আছে তারা)।
এখনো কি আপনি যথেষ্ট ইম্প্রেসড না কাস্টমার ডেটা ট্র্যাক করার প্রতি?
উত্তরটা হ্যাঁ বা না যাই হোক না কেন কোনোকিছু জানার থাকলে Optins.xyz এর ইনবক্সে ঠেলাঠেলি করতে লজ্জা পাবেন না কিন্তু।
মনে রাখবেন, মানুষ মাত্রই লজ্জাশীল!!!

Address

Tangail Sadar
Tangail
1900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Optins.xyz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Optins.xyz:

Share